

কুমিল্লা নগরীর উত্তর ঠাকুরপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিালনা করে মোঃ মাসুদ রানা প্রধান (৩৮) নামের একজন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব ১১ সিপিসি ২ সদস্যরা। এ সময় আসামীর হেফাজত হতে ২ টি এলজি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ মাসুদ রানা প্রধান (৩৮) কুমিল্লা নগরীর মনোহরপুর গ্রামের মৃত. মতিউর রহমান প্রধানের ছেলে।
আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায়, সে যুবলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। সে পতিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের বিভিন্ন শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ রেখে বড় ধরনের নাশকতাসহ আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে জনগণের জানমালের ক্ষতিসাধন করার পরিকল্পনা করে আসছিল। এছাড়াও পূর্বে বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন শো-ডাউনে তাকে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে দেখা যায়। বর্তমানে সে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে সন্ত্রাসী কার্যক্রমসহ বিভিন্ন ধর্তব্য অপরাধ সংগঠিত করে আসছিল বলে জানায়।
উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে পূর্বে রুজুকৃত হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলাসহ মোট ৭ টি মামলা রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীকে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব ১১,সিপিসি ২ এর কোম্পানি অধিনায়ক লে: কমান্ডার মাহমুদুল হাসান অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
বান্দরবানের রুমা উপজেলায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে কুকি-চিন ন্যাশনাল আর্মির (কেএনএ) তিন সদস্য নিহত হয়েছে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ রবিবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আইএসপিআর জানিয়েছে, রুমা উপজেলার গভীর জঙ্গলে কেএনএ-র একটি গোপন আস্তানার সন্ধান পায় সেনাবাহিনী। এরপর অভিযান চালালে দুই পক্ষের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়, যার ফলে কেএনএ-র তিন সন্ত্রাসী নিহত হয়। সেনাবাহিনীর এই অভিযান এখনো চলমান রয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের এপ্রিলে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) বান্দরবানে আত্মপ্রকাশ করে। জানা যায়, কেএনএফ-এর সামরিক শাখা কেএনএ-এর শতাধিক সদস্য তিন বছর আগে মিয়ানমারের কাচিন প্রদেশে গেরিলা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে।
২০২১ সালে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একটি দল ফিরে আসে এবং এই দলটি পাহাড়ি এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই ভূঁইয়া কানুকে জুতার মালা পরিয়ে লাঞ্চিতের একটি ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ইতোমধ্যেই এ ঘটনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুছ সরকার অভিযুক্তদের গ্রেফতারে বিবৃতি দিয়েছেন। পাশাপাশি বলেছেন কানুর বিরুদ্ধে ৮-৯টি মামলা রয়েছে।
চৌদ্দগ্রাম থানা সূত্রেও জানা যায়, আব্দুল হাই কানুর বিরুদ্ধে ১টি হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল ১ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, রবিবার দুপুরে স্থানীয় বাতিসা ইউনিয়নের কুলিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মুক্তিযোদ্ধা ও কেন্দ্রীয় কৃষকলীগ নেতা আব্দুল হাই কানুকে জুতার মালা পড়ায় স্থানীয় প্রবাসী আবুল হাশেমসহ এলাকাবাসী।
এসময় স্থানীয়দের বলতে শোনা যায়, আব্দুল হাই কানুর কারণে তারা গত ১৫ বছর এলাকায় থাকতে পারেনি।
২০১৬ সালের আবু বক্কর ছিদ্দিক প্রকাশ রানা হত্যার প্রতিবাদে এবং কানু ও তার ছেলে বিপ্লবকে গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবীতে স্থানীয় আ’লীগ সমাবেশ করে।
সমাবেশে উপজেলা আ’লীগের প্রচার সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন বলেন, আব্দুল হাই কানুর কারণে স্থানীয় আ’লীগ নেতাকর্মীরাও এলাকাছাড়া।
সোমবার সকালে সরেজমিনে পরিদর্শনে গেলে স্থানীয় জসিম উদ্দিন বলেন, আবদুল হাই কানুর সাথে আ’লীগ ব্যতিত আর কোন রাজনৈতিক দ্বন্ধ নেই।
ভাইরাল ভিডিওটি রাজনৈতিক নয়। এলাকার ভুক্তভোগীরা ঘটনা করেছে। এসময় আমিও সাথে ছিলাম। হত্যাকান্ডের শিকার রানা হত্যা মামলায় ১নং আসামী কানু। আওয়ামী লীগ নেতা শাহীন হত্যার ঘটনাও অন্যতম নির্দেশদাতা কানু মেম্বার। কুলিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধী এক প্রার্থী আবদুল হালিম মজুমদারকে লাথি মেরে পুকুরে ফেলে দেয়। ঐ নির্বাচনে আমাকেও লাঞ্চিত করে।
স্থানীয় ট্রাক্টর চালক আনোয়ার হোসেন বলেন, পারিবারিক দ্বন্ধে এ ঘটনা ঘটেছে। এর সাথে রাজনীতির সম্পৃক্ততা নাই। গত ২০১৬ সালের ৩ই সেপ্টেম্বর যুবলীগ নেতা আবু বক্কর ছিদ্দিক প্রকাশ রানাকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে কানু মেম্বার। ঐদিন আমি নিজেও গুলির শব্দে ব্রীজ থেকে লাফ দিয়ে আহত হই। কানু মেম্বার আমার চাচা নুরুল ইসলাম মিনারকে রাতের আধাঁরে মারধর করে।
আবদুল হালিম মজুমদারের ভাই আবদুর রহমান (৮০) বলেন, কানু আমার ভাইকে বিদ্যালয়ের নির্বাচনের সময়ে লাথি মেরে পুকুরে ফেলে দেয়। আ’লীগ সরকারের সময়ে আমার ভাইয়ের থেকে ২৬লাখ টাকা চাঁদাবাজী করে। এমনকি আমার ঘর নির্মাণের সময় আমার থেকেও ৭ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। এসময় তিনি সাংবাদিকদের আরও বলেন, বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির নির্বাচনের দ্বন্ধেই রবিবার দুপুরে কানুকে আটক করে এলাকাবাসী।
সাবেক ইউপি মেম্বার ও অবঃ সেনাসদস্য আবদুল হক বলেন, কানু এই এলাকায় গত ১৭ বছরে সন্ত্রাসের রাজনীতি কায়েম করেছে। একাধিক হত্যা, বাড়িঘর ভাংচুর এবং চাঁদাবাজীর সাথেও সে জড়িত। স্থানীয়রা পূর্বের ক্ষোভ থেকে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী বেলাল হোসাইন বলেন, আ’লীগ নেতা আব্দুল হাই কানু হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামী। পূর্বের বিভিন্ন বিরোধ থেকে এলাকাবাসী এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এর সাথে রাজনৈতিক কোন সম্পৃক্ততা নাই। এমনটি ভাইরাল ভিডিওকে উল্লেখিত ব্যক্তিগত জামায়াতের কোন পদ-পদবীতে নাই।
চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এটিএম আক্তারুজ্জামান সোমবার দুপুরে বলেন, আব্দুল হাই কানুর বিরুদ্ধে ৮-৯টি মামলার বিষয়ে পুরনো অপারেটরের মাধ্যমে জেনেছি। তবে আমার কাছে একটি হত্যা মামলা এবং একটি ভাংচুরের মামলার তথ্য রয়েছে। ভাইরাল ভিডিওতে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ বলেন, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই কানুকে লাঞ্ছিতের ঘটনা অপ্রত্যাশিত। মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিচ্ছি আমরা। পরিবার থেকে এখনো লিখিত কোন অভিযোগ দেয়া হয়নি। এ ঘটনায় একটা মামলার প্রস্তুতি চলছে।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আরাফাতুল ইসলাম বলেন, সকলের সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। তিনি যদি কোন অপরাধ করে থাকেন আইন অনুযায়ী বিচার হবে। অপরাধীকে জুতার মালা পড়ানো সম্মানহানীর কোন সুযোগ আইনে নাই।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১২৫০ পিস ইয়াবাসহ একজন মহিলা মাদক কারবারিকে আটক করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা।
১৫ অক্টোবর সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লার পশ্চিম মাঝিগাছা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে র্যাব।
আটককৃত মাদক কারবারি কহিনুর বেগম (৪৫) কুমিল্লার কোতয়ালী মডেল থানাধীন গোমতী নদীর চর গ্রামের নজরুল ইসলামের স্ত্রী।
কুমিল্লা র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক লেঃ কমান্ডার মাহমুদুল হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
র্যাব জানায়, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ইয়াবা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। আটককৃতর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
কুষ্টিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মা, বাবা ও মেয়েসহ ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৩ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে সদর উপজেলার কদমতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
তারা হলেন, ওই এলাকার মৃত শামসুল হকের ছেলে মো. সালাম (৪০), তার স্ত্রী রুপা খাতুন (৩৫) ও মেয়ে সাবা খাতুন (১৩)। এ ঘটনায় তার ভাতিজা সিয়াম (১৩) আহত হয়েছেন।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. সজীব উদ্দিন স্বাধীন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রুপা খাতুন বিকেল ৪টার দিকে ঘরঝাড়ু দিচ্ছিলেন। এ সময় ঘরে ঝুলে থাকা তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। পরে তাকে বাঁচাতে এগিয়ে যান স্বামী মো. সালাম ও তার মেয়ে সাবা। এ সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তারা ৩ জন ঘটনাস্থলে মারা যান। এ সময় ঘটনাস্থলের পাশে থাকা সালামের ভাতিজাও বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গুরুতর আহত হন।
মৃত সালামের চাচাতো ভাই সাইদুল ইসলাম জানান, সালামের শহরের জেলখানা মোড়ে ফটোকপির দোকান রয়েছে। দুপুরে খাবার খাওয়ার জন্য বাড়িতে এসেছিলেন তিনি। ওই সময় ঘরের ভেতর পরিবারের সবাই অবস্থান করছিলেন। একদিন আগে বাড়িতে ইলেকট্রিকের কাজ করিয়েছিলেন বলে জানান তিনি।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. সজীব উদ্দিন স্বাধীন বলেন, তিনজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসলে তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়। আহত আরেকজনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতালে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য সোহেল জানান, তিনজনের মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের বুঝিয়ে দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক জানে আলম জানান, তারা বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা গেছেন কিনা প্রাথমিকভাবে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কারণ খুঁজে দেখা হচ্ছে।
কুষ্টিয়া মডেল থানার (ওসি) তদন্ত দিপেন্দ্রনাথ জানান, মরদেহ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে রাখা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


গত ২৬ জুন মুরাদনগরের পঞ্চকিট্রি ইউনিয়নের বাহারচর গ্রামে এক হিন্দু নারীর সাথে অশোভনীয় ঘটনা ঘটে যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্ত ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী দীর্ঘ ৫ বছর ধরে বিদেশে অবস্থান করছেন। এ সময়ে একই গ্রামের এবং পূর্বপরিচিত মোঃ ফজর আলী (৩২) এর সাথে উক্ত নারী ব্যক্তিগত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। একই সাথে ফজর আলীর ছোট ভাই শাহপরান এর সাথেও তার (ভুক্তভোগী) সখ্যতা গড়ে উঠে।
ঘটনার দিন রাতে বড় ভাই ফজর আলী উক্ত নারীর ঘরে অবস্থানকালে ছোট ভাই শাহপরান ও কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি ঘরে ঢুকে তাদেরকে মারধর করে এবং ভিডিও ধারণ করে।
উক্ত মারধরের ফলে ফজর আলী আহত হয়ে প্রথমত কুমিল্লা এবং পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে গত ২৭ জুন উক্ত নারী মুরাদনগর থানায় ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন।
উল্লেখ্য যে, এ বিষয়ে তিনি (ভুক্তভোগী) ডাক্তারী পরীক্ষা করাতে রাজি হননি। এ ব্যাপারে প্রশাসন ও যৌথ বাহিনী যথেষ্ট তৎপর রয়েছে এবং মোঃ ফজর আলীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আটক করেছে কুমিল্লা জেলা পুলিশ। এছাড়া ভিডিও ধারণ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অশোভন ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে ইতোমধ্যে সর্বমোট ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ।
বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায় যে, বিষয়টি ব্যক্তিগত সম্পর্কজনিত এবং পারস্পারিক সমঝোতার মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছে। এখানে বলপ্রয়োগ, দরজা ভাঙ্গা বা ধর্ষণের সরাসরি কোন সম্পৃক্ততা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়নি।
তথাপি প্রকৃত ঘটনাটি তদন্তের পূর্বেই অশোভন ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
বিষয়টি নিঃসন্দেহে অনাকাঙ্খিত। তবে আইন প্রযোগকারী সংস্থা কর্তৃক দুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন পূর্বক দোষীদের অচিরেই শাস্তির আওতায় আনা হবে বলে আশা করা যায়।
মন্তব্য করুন


মাত্র ৯ টাকার একটি ওষুধ ৮০ টাকায় বিক্রির অভিযোগে কুমিল্লা নগরীর রাজগঞ্জ বাজারে অবস্থিত ‘সাহ মেডিকেল হল’কে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। রবিবার (১৩ জুলাই) সকালে পরিচালিত অভিযানে একাধিক অনিয়ম উদ্ঘাটিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে এ জরিমানা আরোপ করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়া। তিনি বলেন, “সাহা মেডিকেল হলের বিক্রয়কর্মীরা নির্ধারিত খুচরা মূল্য (MRP) অমান্য করে অতিরিক্ত দামে ওষুধ বিক্রি করছিলেন। এটি সম্পূর্ণভাবে ভোক্তার সঙ্গে প্রতারণা এবং আইন লঙ্ঘনের শামিল। এ ধরনের অপকর্ম কখনোই বরদাশত করা হবে না।”
অভিযান সূত্রে জানা যায়, ৯ টাকা মূল্যের একটি ওষুধের প্যাকেট একজন রোগীর কাছে ৮০ টাকায় বিক্রি করা হয়। এর বাইরে আরও কিছু ওষুধের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত দাম নেওয়ার প্রমাণ মেলে। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটির স্টোর পরিচালনায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, মূল্যতালিকা এবং ভোক্তার অভিযোগ জানাবার সুবিধাজনক ব্যবস্থার অভাব পাওয়া যায়।
মো. কাউছার মিয়া আরও জানান, “জনস্বার্থে এবং রোগীদের অধিকার রক্ষায় আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। ভোক্তার অধিকার নিশ্চিত করতে আমরা নিয়মিত বাজার তদারক করে যাচ্ছি। যারা আইন মানছে না, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিযানে সহায়তা করেন কুমিল্লা জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. আবুল কালাম আজাদ, অফিস সহকারী ফরিদা ইয়াসমিন এবং কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি টিম।
এই ঘটনার পর ভোক্তাসাধারণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই এমন কঠোর পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। স্থানীয় এক ক্রেতা বলেন, “আমরা তো গরীব মানুষ, ওষুধই যখন এভাবে দাম বাড়িয়ে দেয়, তখন কোথায় যাব? এই রকম নিয়মিত অভিযান দরকার।”
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের ওষুধখাতের স্বচ্ছতা এবং ভোক্তা সুরক্ষার জন্য নিয়মিত নজরদারি ও আইন প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী যাতে প্রতারিত না হয়, সে বিষয়ে সরকারকে আরও কঠোর হতে হবে।
প্রসঙ্গত, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী, কোনো পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে নির্ধারিত দামের অতিরিক্ত অর্থ আদায় করলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।
মন্তব্য করুন


সাপ্তাহিক বাংলাদেশী (আমেরিকা) পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক এবং ভয়েস ফর গ্লোবাল বাংলাদেশিজ এর নির্বাহী পরিচালক শরাফাত হোসেন বাবু কুমিল্লা প্রেস ক্লাব পরিদর্শন করে কুমিল্লার কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে কুশল বিনিময় করেছেন। এ সময় কুমিল্লা ইয়ুথ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, কুমিল্লা রিপোর্টার্স ক্লাব ও হিউম্যান বিয়িং ফাউন্ডেশনের সৌজন্যে তাকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করা হয়।
বৃহস্পতিবার রাতে কুমিল্লা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী দিলশাদ হোসেন, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী এনামুল হক ফারুক, সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাদিক মামুন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা শামসুদ্দিন দুলাল, এবি পার্টির কুমিল্লা জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সালেহ মোঃ মাসুদ, কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ তাওহীদ হোসেন মিঠু, দপ্তর সম্পাদক সেলিম রেজা মুন্সী, মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ মনজুরুল আলম রুবেল, কুমিল্লা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি রাসেল সোহেল, সিনিয়র সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ আনোয়ার সৌরভ, কুমিল্লা ইউথ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাহ ইমরান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুমিল্লা মহানগর শাখার আহ্বায়ক আবু রায়হান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কুমিল্লার মূখ্য সংগঠক ও এনসিপি নেত্রী ফারহা এমদাদ, এনসিপি কুমিল্লা শ্রমিক উইং এর আহবায়ক ফজলে এলাহী রুবেল, নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক অনিক, এনসিপি নেত্রী অনন্যা, বুড়িচং প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোসলে উদ্দিন, চর্ম ও যৌন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার আসাদুজ্জামান খান আকন্দ জনি, ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম জুয়েল, ডেইলি স্টার কুমিল্লা প্রতিনিধি খালিদ বিন নজরুল, জাগরণী টোয়েন্টি ফোর টিভির প্রতিনিধি আশিকুর রহমান, জিটিভির উত্তর প্রতিনিধি মাইনুদ্দিন, কুমিল্লা রিপোর্টার্স ক্লাবের সহ-সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান মুন্না, সাংগঠনিক সম্পাদক রাফি, বাংলাদেশ সমাচারের ইয়াসিন, চ্যানেল এস টিভির রাজিব সাহাসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানায় একই পরিবারের ৩জন মাদক কারবারীকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করেছে এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার সময় বাঙ্গরা বাজার থানাধীন আকবপুর ইউনিয়নের কড়ইবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতারা হলেন, কড়ইবাড়ি গ্রামের খলিলুর রহমানের স্ত্রী রোকসানা আক্তার রুবি(৫০), তার ছেলে রাসেল মিয়া(৩৫), ও তার মেয়ে জোনাকি আক্তার (২৫),
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবত রোকসানা আক্তার রুবি নিজে ও তার পরিবারের সদস্যরা এলাকায় রমরমা মাদক ব্যবসা করে আসছিল।
যারাই রুবির মাদক ব্যবসায় বাধা দিত, তাদেরকেই মামলা দিয়ে হয়রানি করত রুবি। বিভিন্ন সময় তাদের বিরুদ্ধে মুরাদনগর, বাঙ্গরা সহ বিভিন্ন থানায় বহু মামলা রয়েছে।
ফলে স্থানীয় গ্রামবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মাদক ব্যবসায়ী রুবির বাড়িতে হামলা করে তাদেরকে গণপিটুনি দেয়। এ সময় গণপিটুনিতে ঘটনাস্থলেই রোকসানা আক্তার রুবি, তার ছেলে রাসেল মিয়া ও তার মেয়ে জোনাকি আক্তার মৃত্যুবরণ করে।
অপরদিকে রোকসানা আক্তার রুবির আরেক মেয়ে রুমা আক্তার (৩০) এই গণপিটুনির শিকার হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি গণপিটুনিতে রুমা আক্তারও নিহত হয়েছে।
তবে বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি মাহফুজুর রহমান ৩ জনের হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় সেপটিক ট্যাংক থেকে এক ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ডের চুলডগি এলাকার জামালের বাড়ির বাথরুমের সেপটি ট্যাংকি থেকে এই মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মো.রবিন হোসেন (১৬) একই ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের রাজহরিতালুক গ্রামের মাকু মিয়া সওদাগর বাড়ির মো.ইউনূসের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিন পেশায় একজন ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালক ছিলেন। সে তার সৎমা রুনা আক্তারের সাথে একই বাড়িতে বসবাস করত। নভেম্বর মাসে তার বাবা ঢাকা যাওয়ার সময় তার অটোরিকশা ছেলেকে চালাতে দিয়ে যান। গত ৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যার দিকে উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের ডিবি রোড থেকে অটোরিকশাসহ নিখোঁজ হন রবিন। পরে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারে ওই দিন সন্ধ্যার দিকে একই গ্রামের জুয়েল (২৬) সহ অজ্ঞাত কয়েকজন লোককে স্থানীয়রা তার সাথে মোবাইল নিয়ে ধস্তাধস্তি করতে দেখেন। এ বিষয়ে জুয়েলকে রবিনের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি এলামেলো কথাবার্তা বলেন। পরে জুয়েলকে স্থানীয়রা মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করে। নিখোঁজের ৬দিন পর সোমবার সকালে স্থানীয় লোকজন বাথরুমের সেপটি ট্যাংকে তার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়।
সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন, গলায় কাপড় পেঁচিয়ে রবিনকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের সৎমা ৫ ডিসেম্বর প্রথমে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে পুলিশ ভিকটিমকে না পেয়ে সেটিকে অপহরণ মামলা হিসেবে রুজু করে। এর পর পরই ভিকটিমের মোবাইলের সূত্র ধরে দুজনকে আটক করা করা হয়। তারা ভিকটিমের মোবাইল ব্যবহার করছিল।
ওসি কামরুল ইসলাম আরও বলেন, আজ সকালে বাথরুমের সেপটি ট্যাংকির সামনে গিয়ে একটি কুকুর ঘেউ ঘেউ করতে থাকে। পরবর্তীতে স্থানীয়রা এসে বাথরুমের সেপটি ট্যাংকের স্ল্যাবের মুখ খুললে রবিনের মরদেহ দেখতে পায়।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
নরসিংদীর শিবপুরে ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোরিকশার চালকসহ ৬ জন নিহত হয়েছেন।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে মনোহরদী-শিবপুর আঞ্চলিক সড়কের শিবপুর পচাঁরবাড়ির সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি।
নিহতদের মধ্যে অটোরিকশাচালক ছাড়া কারো পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। নিহত অটোরিকশাচালকের নাম শাহীন মিয়া (৩০)। তার বাড়ি উপজেলার চক্রধা ইউনিয়নের সাতপারা এলাকায়।
শিবপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফজাল হোসেন বলেন, ‘ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোরিকশার চালকসহ ৬ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২ জন নারী রয়েছেন। আমরা এখন ঘটনাস্থলে আছি। নিহতদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।’
মন্তব্য করুন