

ব্যাট-বল হাতে আবার ফিরছেন বাংলাদেশের অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। এশিয়ান লিজেন্ডস লিগে খেলার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে তার। এই টি-টোয়েন্টি লিগে তিনি এশিয়ান স্টারসের জার্সি গায়ে মাঠে নামতে পারেন। আগামী ১০ মার্চ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে এই লিগ। টুর্নামেন্ট কর্তৃপক্ষ তাদের ইনস্টাগ্রামে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
কিছুদিন আগে লিজেন্ডস নাইন্টি টুর্নামেন্টে দুবাই জায়ান্টসের হয়ে খেলার কথা ছিল সাকিবের। কিন্তু টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই তিনি নিজেকে সরিয়ে নেন। এবার এশিয়ান স্টারসের হয়ে খেলতে দেখা যাবে বাংলাদেশের আরেক ক্রিকেটার অলক কাপালিকেও। তার সতীর্থ হিসেবে থাকবেন ভারতের কেদার যাদব, শাহবাজ নাদিম, শ্রীলঙ্কার দিলশান মুনাবিরা, লাহিরু থিরিমান্নে, শেহান জয়াসুরিয়া এবং আফগানিস্তানের হামিদ হাসান। ভারতে অনুষ্ঠিতব্য এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশেরও একটি দল অংশ নিচ্ছে।
বাংলাদেশ টাইগার্সের হয়ে খেলবেন তামিম ইকবাল, মোহাম্মদ আশরাফুল, নাঈম ইসলাম, নাদিফ চৌধুরী, আরিফুল হক, জিয়াউর রহমান, শুভাগত হোম, তুষার ইমরান, ধীমান ঘোষ, মেহেদী মারুফ, আবুল হাসান রাজু, মুক্তার আলী, ইলিয়াস সানি, জুবায়ের হোসেন, শফিউল ইসলাম এবং মোহাম্মদ নাজিমউদ্দিন। ফলে বাংলাদেশ টাইগার্সের বিপক্ষে খেলতে দেখা যেতে পারে সাকিব আল হাসানকে। ১২ মার্চ বাংলাদেশ টাইগার্স ও এশিয়ান স্টারসের মধ্যে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়া ১০ মার্চ সন্ধ্যা ৭টায় ইন্ডিয়ান রয়্যালসের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ টাইগার্স। ১১ মার্চ আফগানিস্তান পাঠানস এবং ১৪ মার্চ শ্রীলঙ্কান লায়ন্সের বিপক্ষে খেলবেন তামিম ও আশরাফুলরা। দুটি এলিমিনেটর ও কোয়ালিফায়ার ম্যাচ শেষে ১৮ মার্চ ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে, ২০২৪ সালে ভারত সফরে গিয়ে টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন সাকিব। মিরপুরে নিজের শেষ টেস্ট খেলার আগ্রহ প্রকাশ করলেও রাজনৈতিক কারণে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে ফেরা হয়নি তার। এমনকি কিছুদিন আগে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) খেলার জন্য দল-বদলও করেছিলেন সাকিব। লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের হয়ে খেলার কথা থাকলেও পরদিন ডিপিএল থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন তিনি।
বাংলাদেশ টাইগার্স: মোহাম্মদ আশরাফুল (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, নাঈম ইসলাম, নাদিফ চৌধুরী, আরিফুল হক, জিয়াউর রহমান, শুভাগত হোম, তুষার ইমরান, ধীমান ঘোষ, মেহেদী মারুফ, আবুল হাসান রাজু, মুক্তার আলী, ইলিয়াস সানি, জুবায়ের হোসেন, শফিউল ইসলাম এবং নাজিমউদ্দিন।
এশিয়ান স্টারস: সাকিব আল হাসান, অলক কাপালি, দিলশান মুনাবিরা, সৌরভ তিওয়ারি, মেহরান খান, লাহিরু থিরিমান্নে, কেদার যাদব, শেহান জয়াসুরিয়া, মাহবুব আলম, আয়ান খান, শাহবাজ নাদিম, সেকুগে প্রসন্ন, পারবিন্দার আওয়ানা, হাশতি গুল, হামিদ হাসান এবং অভিমন্যু মিঠুন।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
২০১৫ সালে লিভারপুলের কোচ হয়ে আসেন জার্মানির জার্গেন ক্লপ। ২০১৭ সালে তিনি ইতালিয়ান ক্লাব রোমা থেকে লিভারপুলে উড়িয়ে আনেন মিশরীয় তারকা মোহাম্মদ সালাহকে। ৭ বছর যুগলবন্দী হয়ে ক্লাবকে অনেক সাফল্য এনে দিয়েছেন এই দুজন। এই মৌসুম শেষে লিভারপুল ছাড়ছেন ক্লপ। তাই একসঙ্গে দুজনের পথচলাও শেষ হচ্ছে।
নিজেদের অধ্যায়ের শেষ দিকে এসে ক্লপের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছিলেন সালাহ। গত মাসে ওয়েস্ট হ্যামের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্রয়ের ম্যাচে ডাগআউটে ক্লপের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় করতে দেখা গেছে সালাহকে। সেই ঘটনা নিয়ে সালাহ বলেছিলেন, তিনি কথা বললে আগুন লেগে যাবে। তবে সম্প্রতি স্কাই স্পোর্টসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ক্লপের সঙ্গে উষ্ণ সম্পর্কের গল্পই শোনালেন সালাহ।
সালাহ বলেছেন, ‘আমরা যখন প্রথমবার কথা বলেছিলাম, প্রথম তার যে কথাটি আমার মনে আটকে গিয়েছিল সেটি হলো, তিনি আমাকে এখানে (লিভারপুল) নিয়ে আসতে চান। তিনি আসলে ব্যাখ্যা করেছিলেন, নতুনভাবে একটি দল গঠন করছেন তিনি এবং সেখানে সাদিও (মানে) ও ববি (ফিরমিনো) আছে, আমাকেও সেখানে খেলাতে চান। তিনি (ক্লপ) আমাকে বলেছিলেন, ‘‘ফুটবলে আমি তোমার ধার আরও বাড়াবো এবং তুমি যেভাবে চাও তার স্বাধীনতা দেব।’’ আমার অবস্থা এমন ছিল যে, আচ্ছা আমি আসছি। আমি এসেছি এবং তার পরেরটা তো আপনারাই দেখেছেন।’
লিভারপুলে প্রিয় মুহূর্ত প্রসঙ্গে মিশরীয় এই তারকা আরও বলেছেন, ‘আমরা এখানে একসঙ্গে সাত বা আট বছর ধরে আছি, তাই অনেক প্রিয় মুহূর্তই জড়ো হয়েছে। কিন্তু আমার মনে হয় যেই ম্যাচে চেলসি ম্যানচেস্টার সিটিকে হারালো আর আমাদের প্রিমিয়ার লিগ নিশ্চিত হলো এবং চ্যাম্পিয়নস লিগ জয় আমার মাথায় আটকে আছে। কারণ সেখানে অনেক আবেগ জড়িত ছিল।’
দুজন দুজনকে ক্যারিয়ারে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছেন উল্লেখ করে সালাহ বলেন, ‘একজন ভালো খেলোয়াড় হিসেবে তিনি নিশ্চিতভাবে আমার উন্নতি করেছেন এবং তার ভালো ম্যানেজার হয়ে ওঠার পেছনে আমারও অবদান আছে। আমরা একে অপরকে অনেক সাহায্য করেছি। শিরোপা জয়ের জন্য ক্লাবকে সবকিছু দিয়েছি, সবাই সেটা দেখেছে।’
সালাহ আরও বলেন, ‘ব্যক্তি হিসেবে আমি যদি সমস্যায় পড়ি আমি তার সঙ্গে কথা বলতে পারি এবং যেকোনো কিছু জিজ্ঞেস করতে পারি। আমার মনে হয়, আমরা অবশ্যই আজীবন আমাদের যোগাযোগ রাখব। কারণ এটা শুধু কাজের ক্ষেত্রের সম্পর্কই নয়, আমরা এটিকে বাইরেও নিয়ে যাই এবং আমাদের চিরকাল যোগাযোগ থাকবে।’
ক্লপের অধীনে লিভারপুলের হয়ে দুর্দান্ত সময় কাটিয়েছেন সালাহ। ক্লাবের সব ধরনের প্রতিযোগিতায় ৩৪৮ ম্যাচে ২১১ গোল ও ৮৯টি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি। ২০১৯ সালে চ্যাম্পিয়নস লিগ ও ২০২০ সালে দীর্ঘদিন পর জিতেছেন প্রিমিয়ার লিগ। ম্যানচেস্টার সিটিকে লিগ শিরোপার লড়াইয়ে বেশ কয়েকবারই টেক্কা দিয়েছে ক্লপ-সালাহর লিভারপুল।
উলভসের বিপক্ষে ম্যাচে শেষবারের মতো লিভারপুলের ডাগআউটে দাঁড়াবেন ক্লপ। সবকিছু ঠিক থাকলে সালাহও এই ম্যাচে খেলতে যাচ্ছেন। ক্লপের সম্মানে এই ম্যাচ শেষে একটি সংবর্ধনারও আয়োজন করা হতে পারে।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
৩৯ বছর বয়সেও ফুটবল মাঠে রূপালী ঝলক ছড়িয়ে যাচ্ছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। সম্প্রতি নেশনস লিগে পোল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুটি গোল করেছেন, যার মধ্যে একটি ছিল বাইসাইকেল কিকে। এমন দুর্দান্ত ফর্মে থাকা রোনালদোকেও অবসর নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল ম্যাচ শেষে।
অবসর নিয়ে এখনো কোন সিদ্ধান্ত নেননি রোনালদো। তিনি বলেছেন, "অবসর বিষয়ে আমি এখনো কিছু ভাবি না। একদিন হঠাৎ করে বুটজোড়া তুলে রাখার সিদ্ধান্ত নেব।"
পোল্যান্ড ম্যাচ শেষে অবসর বিষয়ে রোনালদো জানান, "জাতীয় দলের সঙ্গে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত আমি অনেক চিন্তা-ভাবনা করে নেব। আমি আগে থেকে কিছু ঘোষণা করব না, একদিন হঠাৎ করেই সিদ্ধান্ত নিব।"
এখনকার সময়টা কেবল উপভোগ করতে চান ফুটবল বিশ্বের অন্যতম মহাতারকা রোনালদো। তিনি আরও বলেন, "এখন আমি শুধু খেলাটা উপভোগ করতে চাই। অবসর আসবে একদিন, হয়তো এক-দু’বছর পর। আমি জানি না। আমার বয়স দ্রুত ৪০ হতে যাচ্ছে, তাই এখন সময়টা ভালোভাবে কাটাতে চাই। যতদিন তাগিদ থাকবে, ততদিন খেলব। যেদিন অনুপ্রেরণা অনুভব করব না, সেদিন অবসর নেব।"
এখনকার মৌসুমে রোনালদো দারুণ ফর্মে আছেন। সৌদি প্রো লিগ ক্লাব আল নাসরের হয়ে ইতিমধ্যে ১০টি গোল করেছেন এবং ৩টি গোলের সহায়তা করেছেন।
পর্তুগালের জার্সিতে এবারের নেশনস লিগে ৪ ম্যাচে ৫ গোল করেছেন এবং দেশের হয়ে পৌঁছে গেছেন ১৩৫ গোলের মাইলফলকে।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
কোপা আমেরিকার চলতি আসরের শুরু থেকেই ছন্দে নেই আনের্জন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি। আসরে এখনও পর্যন্ত গোলের দেখা পাননি ইন্টার মিয়ামির এই তারকা।
চিলির বিপক্ষে খেলতে নেমে ইনজুরিতে পড়েন মেসি। যে কারণে পেরুর বিপক্ষে খেলা হয়নি তার। কোয়ার্টারে ইকুয়েডরের বিপক্ষে খেললেও মেসি ছিলেন না ফর্মে। টাইব্রেকারে পেনাল্টিও মিস করেন।
মেসির এমন ইনজুরি সঙ্গে ফর্ম নিয়ে সমর্থকরা চিন্তিত হলেও চিন্তিত নন কোচ লিওনেল স্কালোনি। মেসি যদি শতভাগ ফিট নাও থাকেন, তবুও তাকে কানাডার বিপক্ষে সেমিফাইনালে খেলানোর ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্বকাপজয়ী কোচ।
মেসির খেলা প্রসঙ্গে কোচ বলেন, আমরা জানি, সে যদি পুরোপুরি ফিট নাও থাকে, তবুও সে দলের জন্য কী দিতে পারে। ৯৯ শতাংশ সময়ে সে সুস্থ থাকে খেলার জন্য। সে সুস্থ না হয়ে খেলতে নামবে, আমার সঙ্গে এমনটা হয়নি কখনো। সে যখনই খেলতে নামে, পুরোপুরি সুস্থ থেকেই খেলতে নামে। আগামীকালকের ম্যাচের জন্যেও সে পুরোপুরি প্রস্তুত।
তিনি আরও বলেন, এটা আমার জন্য একদমই সহজ সিদ্ধান্ত যে, মেসি পুরোপুরি সুস্থ থাকলে পুরো সময় খেলবে এবং কিছুটা ফিট না থাকলে শেষের ৩০ মিনিট খেলবে। সে সুস্থ থাকলে কেন খেলবে না? এটা নিয়ে কি আপনাদের সন্দেহ রয়েছে? আমি দলের কোচ। আমার কোনো সন্দেহ নেই এই ব্যাপারে। সে যদি শতভাগ সুস্থ নাও থাকে, তবুও খেলবে। আমিই এটার দায়িত্ব নিচ্ছি।
মন্তব্য করুন


ভারতের টি-টোয়েন্টি দলে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) পারফর্ম করা তরুণ ক্রিকেটারদের চান রবি শাস্ত্রী। এদের গড়ে তুলতে রোহিত শর্মা-বিরাট কোহলিদের সাময়িক সময়ের জন্য দলের বাইরে চান ভারতের সাবেক এই কোচ। অবশ্য ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যদি রোহিত-কোহলিরা ফর্মে না থাকেন বা ধারাবাহিক না হন- সেক্ষেত্রে ওই সময়ে এগিয়ে থাকা ক্রিকেটারকেই দলে চান তিনি।
এবারের আইপিএলে দারুণ পারফর্ম করছেন ইয়াশভি জয়সাওয়াল, জিতেশ শর্মা, তিলক ভার্মা, নেহাল ওয়াধেরা, রিঙ্কু সিং, প্রভসিমরান সিং, আনমলপ্রীত সিংদের মতো ক্রিকেটাররা। জয়সাওয়াল, রিঙ্কু, জিতেশরা যেমন আন্তর্জাতিক তারকাদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নিয়মিত রান করে দল জেতাচ্ছেন, বাকিরাও প্রয়োজন অনুযায়ী দারুণ খেলছেন।
বিশেষ করে ১২০-৩০ বা ১৭০-৮০, এমনকি দুইশর বেশি স্ট্রাইক রেটেও রান করছেন অনেকেই। এসব প্রতিভাবানদের হারাতে চান না শাস্ত্রী। দ্রুতই তাদের ভারতীয় দলে চান সাবেক এই ক্রিকেটার।
শাস্ত্রী বলেন, 'এরপর প্রথম যে টি-টোয়েন্টি সিরিজই আসে, এই তরুণদের খেলানো উচিত। এদের সামনে আনা উচিত। তাদের এখনই প্রস্তুত করা উচিত। রোহিত, কোহলির মতো ক্রিকেটাররা আগেই প্রমাণিত। আপনি জানেন তারা কী করতে পারে।'
'আমি আইপিএলে পারফর্ম করাদেরই দলে চাইব যেন তারা সুযোগ পায়। এতে তারাও যেমন সুযোগ পাবে, রোহিত-কোহলিরাও ওয়ানডে আর টেস্ট ক্রিকেটের জন্য নিজেদের সতেজ রাখতে পারবে।'
ক্রিকইনফোর সেই অনুষ্ঠানে শাস্ত্রীর এমন আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে তাকে পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়া হয়, 'তাহলে রোহিত, কোহলি বা লোকেশ রাহুলরা কি জাতীয় দলের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে খেলবেন না?'
জবাবে শাস্ত্রী বলেন, 'এক বছর অনেক লম্বা সময়। কেউ ফর্মে থাকতে পারে। ফর্ম হারাতেও পারে। আপনার ওই সময়ের সেরা ক্রিকেটারকে খুঁজে বের করতে হবে। অবশ্যই অভিজ্ঞতা বা ফিটনেস- এসবও বিবেচনায় আসবে। কে সেই মুহূর্তে ধারাবাহিক, রান করছে কিনা, কোথায় রান করছে- এসবও দেখতে হবে।'
'দলে সঠিক পজিশনের জন্য সঠিক ক্রিকেটারকে দরকার। কেউ যদি ফ্র্যাঞ্চাইজিতে তিন-চারে ব্যাটিং করে তাহলে জাতীয় দলে তাকে দিয়ে আপনি ওপেন করাবেন বা ছয়ে নামাবেন- ব্যাপারটা কিন্তু তেমন নয়।'
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
গত রাতে ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে কানাডা। ১৩ বছর পর এবারই তারা প্রথমবারের মতো ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে। সবশেষ আইসিসি টুর্নামেন্টে দলটি অংশ নেয় ২০১১ ওয়ানডে বিশ্বকাপে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্রে হতে যাওয়া টুর্নামেন্টে কানাডাকে নেতৃত্ব দেবেন সাদ বিন জাফর। কানাডার জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ৩৮ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন তিনি। ৪৩ উইকেট নিয়ে এই বাঁহাতি স্পিনারই কানাডার সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি টি-টোয়েন্টিতে। ১৫ সদস্যের সঙ্গে চার ক্রিকেটারকে রিজার্ভে রাখছে উত্তর আমেরিকার এই দলটি।
অভিজ্ঞ এক দলই কানাডা গঠন করেছে বলতে হবে। চার ক্রিকেটারের বয়স ৩০-এর কম। অ্যারন জনসন, রবীন্দরপল সিং, নাভনিত ধালিওয়ালদের মতো তারকা ব্যাটাররা থাকছেন বিশ্বকাপ দলে। ৮৭০ রান করা ধালিওয়াল টি-টোয়েন্টিতে কানাডার সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। কালিম সানা, জুনাইদ সিদ্দিকির মতো তারকারা থাকছেন এবারের বিশ্বকাপ দলে। তবে নিখিল দত্ত, শ্রীমন্ত বিজয়ারতœ কেউ জায়গা পাননি কানাডার বিশ্বকাপ দলে।
২০ দল নিয়ে হবে ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। যার মধ্যে ৯ দেশ তাদের দল ঘোষণা করেছে এরই মধ্যে।
‘এ’ গ্রুপে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তান রয়েছে কানাডার গ্রুপে। বাকি দুই দল যুক্তরাষ্ট্র ও আয়ারল্যান্ড। ১ জুন শুরু হচ্ছে নবম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ফাইনাল হবে ২৯ জুন।
কানাডার বিশ্বকাপ দল
সাদ বিন জাফর (অধিনায়ক), অ্যারন জনসন, ডিলন হেইলিঙ্গার, দিলপ্রিত বাজওয়া, হার্শ ঠাকের, জেরেমি গর্ডন, জুনায়েদ সিদ্দিকি, কালিম সানা, কনওয়ার্পাল তাথগুর, নাভনিত ধালিওয়াল, নিকোলাস কীর্তন, পারগাত সিং, রবীন্দরপল সিং, রায়ানখান পাঠান, শ্রেয়াস মোভভা।
রিজার্ভ
তাজিন্দর সিং, আম্মার খালিদ, জাতিন্দর মাথারু, পারভিন কুমার, আদিত্য ভারাধর্জন।
মন্তব্য করুন


সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটে হট টপিক সাত নম্বর পজিশন। আসন্ন বিশ্বকাপ দলে কে খেলবেন এই পজিশন? এই নিয়েই যেন যতসব যত জল্পনা-কল্পনা। এই পজিশন নিয়ে এবার কথা সাকিব আল হাসানও।
সাম্প্রতিক সময়ে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে এই জায়গার দাবিদার বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। তাই এই সমস্যা সমাধনে মধুর সমস্যায় পড়তে হচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্টকে। তাই সাকিবও বলছেন এমন পরিস্থিতিতে একজন ক্রিকেটারকে বেছে নেওয়া খুব একটা সহজ কাজ হবে না।
সোমবার ইংল্যান্ডে একটি অনুষ্ঠানে এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার বলেন, 'একটা জায়গার জন্য ৬-৭ জনের অপশন। সিদ্ধান্তটা খুবই সহজ না। আমি নিশ্চিত বিশ্বকাপের জন্য কন্ডিশন, প্রতিপক্ষ মাথায় রেখে নির্বাচক, অধিনায়ক, কোচ সঠিক সিদ্ধান্তই নেবে।'
'আমি আসলে নির্বাচক না, ডিসিশন মেকিংয়ের অংশও না। আমার জন্য বলা মুশকিল। কিন্তু দল নিয়ে আমি খুশি এবং আমি নিশ্চিত যারাই এই দলে থাকবে তারা তাদের জায়গা থেকে ১৭ কোটি মানুষকে প্রতিনিধিত্ব করবে এবং বাংলাদেশের জন্য সেরাটাই দেয়ার চেষ্টা করবে।'-আরও যোগ করেন সাকিব।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
কিংস কাপের উত্তাপ ছড়ানো ফাইনাল ম্যাচে শুক্রবার (৩১ মে) রাতে আল নাসরকে হারিয়েছে আল হিলাল। নির্ধারিত সময়ের পর অতিরিক্ত সময়েও ১-১ গোলে সমতায় ছিল ম্যাচ। টাইব্রেকারে ৫–৪ গোলে জিতে যায় আল হিলাল। তবে ম্যাচের জয়-পরাজয় ছাপিয়ে গেছে রোনালদোর কান্নায়। ম্যাচ শেষে দলের হারের পর মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায় পর্তুগিজ মহাতারকাকে।
চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের লড়াইয়ে শুরু থেকেই ছড়িয়েছে উত্তাপ। ৭ মিনিটে রোনালদোদের জালে বল জড়ান আল হিলাল তারকা আলেক্সান্ডার মিত্রোভিচ। এরপর থেকেই আল নাসরের সমতায় ফেরার চেষ্টা শুরু। তবে প্রথমার্ধে একাধিক চেষ্টা করেও জালের দেখা পায়নি দলটি। দ্বিতীয়ার্ধে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে আল নাসর। তবে এই অর্ধে আরও বড় ধাক্কা খায় রোনালদোর দল। ৫৬ মিনিটে ডেভিড ওসপিনা লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় আল নাসর। তবে লড়াই থামায়নি দলটি।
ম্যাচের ৮৫ মিনিট পেরিয়ে যাওয়ার পরেও পিছিয়ে ছিল নাসর। একসময় মনে হচ্ছিল, লড়াইবিহীন এক ম্যাড়মেড়ে ফাইনাল হতে যাচ্ছে এটি। তবে শেষদিকে আসে চমক। ম্যাচের ৮৭ মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় আল হিলালের আলি আলবুলাইহিকে। খেলোয়াড় সংখ্যা সমতায় আসার পর ১ মিনিটের মধ্যে গোল করে আল নাসর।
ম্যাচের ৯০ মিনিটে আল হিলালের কালিদু কুলিবালি লাল কার্ড দেখায় ৯ জনের দলে পরিণত হয় প্রো লিগ চ্যাম্পিয়নরা। কিন্তু অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেনি রোনালদোর দল। টাইব্রেকারে গড়ানোর পর ম্যাচ জিতে নেয় আল হিলাল।
পুরো ম্যাচ মাঠে থেকেও তেমন কোনো বড় পার্থক্য তৈরি করতে পারেননি রোনালদো। সে কারণে ম্যাচ হারের পর কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছেড়েছেন তিনি। অন্যদিকে, ইনজুরির কারণে দীর্ঘদিন মাঠে না থাকলেও আল হিলালের শিরোপা–উৎসবে যোগ দেন নেইমার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিরোপা উৎসবের ছবিও পোস্ট করেছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
যে কোনো ফরম্যাটে হোক, ভারতকে হারানোর আনন্দটাই আলাদা। সেটা সিনিয়র বা জুনিয়র—যে কোনো পর্যায়েই হোক। এবার যুব এশিয়া কাপ ক্রিকেটের ফাইনালে ভারতকে ৫৯ রানের ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হলো বাংলাদেশ।
দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ভারত বাংলাদেশকে ব্যাট করতে পাঠায়। ব্যাট করতে নেমে ভারতীয় বোলারদের তোপের মুখে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা তেমন ভালো কিছু করতে পারেননি। ৪৯.১ ওভারে ১৯৮ রানে অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ।
জবাব দিতে নেমে বাংলাদেশের বোলারদের দুর্দান্ত বোলিংয়ের মুখে ভারতীয় দল কিছুতেই রান তুলতে পারছিল না। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। শেষ পর্যন্ত ৩৫.২ ওভারে ১৩৯ রানে অলআউট হয়ে যায় ভারতীয় যুব ক্রিকেট দল এবং সেজন্য বাংলাদেশ যুব দল টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হয়ে যায়।
এক বছর আগে, ২০২৩ সালে এই একই দুবাই ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে স্বাগতিক আরব আমিরাতকে হারিয়ে যুব এশিয়া কাপ ক্রিকেটে প্রথম চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ।
যুব এশিয়া কাপ ক্রিকেটের ফাইনালে এশিয়ার সেরা দল কে হবে—বাংলাদেশ না ভারত? দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে লড়াই শুরু হওয়ার আগে থেকেই উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। ১৯৭ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করে ফেলার ব্যাপারে যারা নিশ্চিত ছিল, বাংলাদেশের বোলিং শুরু হওয়ার পর তাদের ধারণা পাল্টে যায়। শুরু থেকেই ভারতীয়দের চেপে ধরে বাংলাদেশি বোলাররা।
শুরুতেই ইকবাল হোসেন ইমন এবং আল ফাহাদ মিলে ভারতীয় যুবাদের চাপে ফেলেছিলেন। এর ফলস্বরূপ ৯২ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলে ভারত। এরপর অধিনায়ক মোহাম্মদ আমান এবং হার্দিক রাজ কিছুটা প্রতিরোধ তৈরি করেছিল।স্পোর্টস ডেস্ক:
২৩ রানের জুটি গড়েন তারা। কিন্তু পরে বাংলাদেশ অধিনায়ক আজিজুল হাকিম আসেন এবং শেষ তিন উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেন।
ভারতের সামনে ছিল ১৯৯ রানের সহজ লক্ষ্য। ওয়ানডে ক্রিকেটে এটা মোটেও বড় রান নয়। কিন্তু এই রান তাড়ায় ব্যাট করতে নেমে ভারত প্রথমেই ৪ রানে আয়ুশ মাত্রিকে হারায়। এরপর বিভাব সূর্যবংশি মাত্র ৯ রানে আউট হয়ে যান। দলের রান তখন ২৪।
তারপর আন্দ্রে সিদ্ধার্থ ২০ রান করেন। ২১ রান করে আউট হন কেপি কার্তিকিয়া। নিখিল কুমার শূন্য রানে আউট হন। ৬ রানে হারভানস পাঙ্গালিয়া আউট হন। কিরণ চরমালে ১ রানে আউট হন।
৩১.৫ ওভারে দলীয় ১১৫ রানের মাথায় ৮ম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন অধিনায়ক মোহাম্মদ আমান। ৬৫ বলে সর্বোচ্চ ২৬ রান করেন তিনি। হার্দিক রাজ ২১ বলে ২৪ রান করে আজিজুল হাকিমের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে আউট হন। সর্বশেষ চেতন শর্মা ১২ বলে ১০ রান করে আজিজুল হাকিমের বলে কালাম সিদ্দিকীর হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। এভাবেই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে মেতে ওঠে বাংলাদেশ দল।
আজিজুল হাকিম এবং ইকবাল হোসেন ইমন নেন ৩টি করে উইকেট। ২ উইকেট নেন আল ফাহাদ। ১টি করে উইকেট নেন মারুফ মৃধা এবং রিজান হাসান।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরা বড় কোনো স্কোর গড়তে পারেননি। ৪৯.১ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে বাংলাদেশ ১৯৮ রান করে। রিজান হাসান সর্বোচ্চ ৪৭ রান করেন। ৪০ রান করেন মোহাম্মদ শিহাব জেমস। ৩৯ রান করেন ফরিদ হাসান এবং ২০ রান করেন জাওয়াদ আবরার।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
ফিফা বর্ষসেরা কোচের প্রতিযোগিতায় স্থান পেয়েছেন কার্লো আনচেলত্তি। রিয়াল মাদ্রিদের এই কোচ ছাড়াও সেরা পাঁচে রয়েছেন লিওনেল স্কালোনি, লুইস দে লা ফুয়েন্তে, জাবি আলোন্সো এবং পেপ গুয়ার্দিওলা।
গতকাল শুক্রবার ফিফা বর্ষসেরা কোচ ও খেলোয়াড়ের জন্য মনোনীত প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করেছে। এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে ২০২৩ সালের ২১ আগস্ট থেকে ২০২৪ সালের ১০ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে তাদের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে।
ফিফার এই পুরস্কারে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকবে ভক্ত-সমর্থকদেরও। সেরা খেলোয়াড়, সেরা কোচ এবং সেরা গোলকিপারের জন্য দর্শকদের ভোট মোট ভোটের ২৫ শতাংশ দেবে। বাকি ৭৫ শতাংশ ভোট দেবেন ফিফা সদস্যদেশগুলোর অধিনায়ক, কোচ এবং গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা।
আগামী ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ফিফার ওয়েবসাইটে ভোট দেওয়া যাবে।
মন্তব্য করুন


আইপিএল ২০২৬ মৌসুমকে সামনে রেখে বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে স্কোয়াড থেকে ছেড়ে দিতে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে (কেকেআর) নির্দেশ দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। একই সঙ্গে ফ্র্যাঞ্চাইজিটিকে বিকল্প খেলোয়াড় নেওয়ার অনুমতিও দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বোর্ড কর্তৃপক্ষ।
বিসিসিআইয়ের সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে বিসিসিআই কেকেআরকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশি খেলোয়াড় মুস্তাফিজুর রহমানকে স্কোয়াড থেকে ছেড়ে দিতে। ফ্র্যাঞ্চাইজি যদি তার পরিবর্তে অন্য খেলোয়াড় নিতে চায়, সে ক্ষেত্রেও বিসিসিআই অনুমতি দেবে।’
আইপিএল নিলামে মুস্তাফিজুর রহমানকে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে দলে ভেড়ায় তিনবারের চ্যাম্পিয়ন কলকাতা নাইট রাইডার্স। তবে তার অন্তর্ভুক্তিকে ঘিরে ভারতে রাজনৈতিক বিতর্কের সৃষ্টি হয়।
এরপর ভারতীয় হিন্দুত্ববাদী নেতাদের বিক্ষোভের মুখে এমন সিদ্ধান্ত দিতে বাধ্য হয়েছে বোর্ড এমনটাই ধারণা করা হচ্ছে। ভারতীয় উপমহাদেশে রাজনৈতিক বৈরিতার আগুন ক্রীড়াঙ্গনেও ছড়িয়ে পড়ার নজির বেশ পুরনো।
সবশেষ বিসিসিআইয়ের বাংলাদেশবিরোধী হস্তক্ষেপে অনেকটাই স্পষ্ট হয়ে গেছে, আইপিএল ২০২৬ মৌসুমে মুস্তাফিজুর রহমানকে পাচ্ছে না কলকাতা নাইট রাইডার্স। এখন দলটির সামনে বড় চ্যালেঞ্জ—এই অভিজ্ঞ বাঁহাতি পেসারের জায়গায় কার্যকর বিকল্প খুঁজে বের করা।
মন্তব্য করুন