

স্পোর্টস ডেস্ক:
ভারতীয় অভিনেত্রী উর্বশী রাউতেলার সঙ্গে পাকিস্তানি পেসার নাসিম শাহকে জড়িয়ে কম আলোচনা হয়নি। একটা সময় এই দুজনের প্রেমের গুঞ্জনও ভেসে বেড়িয়েছে। পরে অবশ্য দু’জনই সেসব খবর থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে নেন। এবার নাসিমের ব্যবহারে মুগ্ধতার কথা জানিয়েছেন আরেক ভারতীয় অভিনেত্রী সোনম বাজওয়া।
সম্প্রতি পাকিস্তান ক্রিকেট দলের ফ্যানদের নিয়ে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন নাসিম শাহ। সেখানে এক খুদে ভক্ত তাকে দেখে কেঁদে ফেলে। নাসিম তখন সে খুদে ভক্তকে আশ্বস্ত করে বলে, ‘কেঁদো না।’ এরপর সে ভক্তকে নিজের অটোগ্রাফ দেন নাসিম। খুদে ভক্তের কান্না থামাতে নাসিম যোগ করেন, ‘আমি তোমাকে বাবর আজমের (পাকিস্তান অধিনায়ক) অটোগ্রাফও নিয়ে দিতে পারব।’
খুদে ভক্তের সঙ্গে নাসিমের সে আবেগঘন মুহূর্ত নিয়ে বানানো একটি ইনস্টাগ্রাম রিল নিজের স্টোরিতে শেয়ার করেছেন সোনম। সঙ্গে লিখেছেন, ‘খুব সুন্দর এবং কিউট’। সঙ্গে সাদা হৃদয়ের একটি ইমোজিও জুড়ে দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।
পাকিস্তানি তারকাদের প্রতি ভালোলাগার প্রকাশ অবশ্য এটাই প্রথম নয় সোনমের। এর আগে পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেতাকে ফাওয়াদ খানকে নিজের ‘সবসময়ের ক্রাশ’ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন ভারতীয় পাঞ্জাবি সিনেমার পরিচিত মুখ সোনম।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ ফুটবলে বেশ কিছু দিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব লেস্টার সিটির বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফুটবলার হামজা দেওয়ান চৌধুরী। বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলে তার খেলার সম্ভাবনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাঝে মধ্যে ইতিবাচক, আবার কখনো নেতিবাচক খবর শোনা যায়।
ইংল্যান্ডের যুব দলে খেলা হামজার বাংলাদেশি জাতীয় দলে খেলার সম্ভাবনা এখনো ফিফার দফতরে আটকে রয়েছে। বাফুফে প্রয়োজনীয় সব তথ্য ফিফাকে পাঠিয়েছে, কিন্তু ফিফার প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটি থেকে এখন পর্যন্ত সবুজ সঙ্কেত আসেনি।
এদিকে ভারতের কিছু গণমাধ্যম খবর দিয়েছে, আগামী মার্চে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ খেলতে নামবে এবং হামজাও এই ম্যাচে খেলবেন। আগামী বছর ২৫ মার্চ ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বাংলাদেশ এশিয়ান কাপ-২০২৭ এর বাছাইয়ের তৃতীয় পর্ব শুরু করবে। বাংলাদেশ দলের প্রথম ম্যাচ ভারতের বিপক্ষে।
ভারতের মাটিতে খেলা নিয়ে ইতোমধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার বড় দুই দলের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে।
বাংলাদেশ দলের হয়ে হামজার খেলার সম্ভাবনা কেমন? আজ সোমবার এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেন, "আমরা আপনাদের সময়মতো সঠিক তথ্য দেবো। এ মুহূর্তে আমাদের কাছে হামজাকে নিয়ে কোনো আপডেট নেই। আপনারা যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখছেন তা এখন পর্যন্ত সত্য নয়। যখনই কোনো আপডেট হবে, সবার আগে আমরা গণমাধ্যমকে জানাবো।"
এ বিষয়ে বাফুফে সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার বলেন, "এ মুহূর্তে কোনো নতুন তথ্য দিতে পারছি না। আমরা কাজ করছি। ফিফা আমাদের কাছে যা যা চেয়েছে সবই দিয়েছি। অন্য দেশের গণমাধ্যমে যা লেখা হচ্ছে, সেগুলো আগের খবর। হামজা পাসপোর্ট পেয়েছেন, ইংল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ছাড়পত্র দিয়েছে, এসব খবর নতুন নয়। আমি হামজাকে জাতীয় দলে অন্তর্ভুক্ত করার ব্যাপারে আশাবাদী।"
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে দারুণ খেলেছেন তানজিদ হাসান তামিম। সেঞ্চুরির খুব কাছেই চলে গিয়েছিলেন। তার এই ফিফটি অবশ্য দলকে জেতাতে পারেনি। তবে ৮৯ রানের ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসের পথে দারুণ এক রেকর্ড গড়ে ফেলেছেন তিনি।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে মাত্র ৪২ ইনিংসে এক হাজার রান পূর্ণ করলেন এই বাঁহাতি ওপেনার। তাতেই তামিম বনে যান বাংলাদেশের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম এক হাজার রান করা ব্যাটার। এর আগে ৪৫ ইনিংসে হাজার রান পূর্ণ করার রেকর্ড ছিল তাওহিদ হৃদয়ের। তিন ইনিংস আগেই সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস লিখলেন ২৪ বছর বয়সি এই ব্যাটার।
সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েও শেষ ওভারে আউট হয়ে যান তানজিদ। তার ব্যাট থেকে আসে ৬২ বলে ৮৯ রান, যেখানে ছিল চারটি ছক্কা ও নয়টি চার। কিন্তু তার এই ইনিংসেও বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশের হাত থেকে বাঁচাতে পারেনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ জেতে পাঁচ উইকেটে, তিন ম্যাচের সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে জিতে নেয় তারা।
তামিম বাংলাদেশের হয়ে রেকর্ড গড়লেও টি-টোয়েন্টিতে এখনো দ্রুততম এক হাজার রানের বিশ্বরেকর্ড ইংল্যান্ডের দাভিদ মালানের। তিনি করেছিলেন মাত্র ২৪ ইনিংসে।
চট্টগ্রামে ব্যাটিংয়ে নামার সময় তানজিদের রান ছিল ৯৬৭। ইনিংসের শুরুতে দুবার ক্যাচ দিয়ে বেঁচে যান তিনি, রিভিউ নিয়ে রক্ষা পান আরেকবার। এরপর নিজের ছন্দে খেলতে থাকেন একের পর এক শট মেরে।
৩৭ বলে তিনি পূরণ করেন ক্যারিয়ারের দশম টি-টোয়েন্টি ফিফটি। সবশেষ ১২ ইনিংসে এটি তার পঞ্চম ফিফটি এবং টানা দ্বিতীয়।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
যে কোনো ফরম্যাটে হোক, ভারতকে হারানোর আনন্দটাই আলাদা। সেটা সিনিয়র বা জুনিয়র—যে কোনো পর্যায়েই হোক। এবার যুব এশিয়া কাপ ক্রিকেটের ফাইনালে ভারতকে ৫৯ রানের ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হলো বাংলাদেশ।
দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ভারত বাংলাদেশকে ব্যাট করতে পাঠায়। ব্যাট করতে নেমে ভারতীয় বোলারদের তোপের মুখে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা তেমন ভালো কিছু করতে পারেননি। ৪৯.১ ওভারে ১৯৮ রানে অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ।
জবাব দিতে নেমে বাংলাদেশের বোলারদের দুর্দান্ত বোলিংয়ের মুখে ভারতীয় দল কিছুতেই রান তুলতে পারছিল না। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। শেষ পর্যন্ত ৩৫.২ ওভারে ১৩৯ রানে অলআউট হয়ে যায় ভারতীয় যুব ক্রিকেট দল এবং সেজন্য বাংলাদেশ যুব দল টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হয়ে যায়।
এক বছর আগে, ২০২৩ সালে এই একই দুবাই ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে স্বাগতিক আরব আমিরাতকে হারিয়ে যুব এশিয়া কাপ ক্রিকেটে প্রথম চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ।
যুব এশিয়া কাপ ক্রিকেটের ফাইনালে এশিয়ার সেরা দল কে হবে—বাংলাদেশ না ভারত? দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে লড়াই শুরু হওয়ার আগে থেকেই উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। ১৯৭ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করে ফেলার ব্যাপারে যারা নিশ্চিত ছিল, বাংলাদেশের বোলিং শুরু হওয়ার পর তাদের ধারণা পাল্টে যায়। শুরু থেকেই ভারতীয়দের চেপে ধরে বাংলাদেশি বোলাররা।
শুরুতেই ইকবাল হোসেন ইমন এবং আল ফাহাদ মিলে ভারতীয় যুবাদের চাপে ফেলেছিলেন। এর ফলস্বরূপ ৯২ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলে ভারত। এরপর অধিনায়ক মোহাম্মদ আমান এবং হার্দিক রাজ কিছুটা প্রতিরোধ তৈরি করেছিল।স্পোর্টস ডেস্ক:
২৩ রানের জুটি গড়েন তারা। কিন্তু পরে বাংলাদেশ অধিনায়ক আজিজুল হাকিম আসেন এবং শেষ তিন উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেন।
ভারতের সামনে ছিল ১৯৯ রানের সহজ লক্ষ্য। ওয়ানডে ক্রিকেটে এটা মোটেও বড় রান নয়। কিন্তু এই রান তাড়ায় ব্যাট করতে নেমে ভারত প্রথমেই ৪ রানে আয়ুশ মাত্রিকে হারায়। এরপর বিভাব সূর্যবংশি মাত্র ৯ রানে আউট হয়ে যান। দলের রান তখন ২৪।
তারপর আন্দ্রে সিদ্ধার্থ ২০ রান করেন। ২১ রান করে আউট হন কেপি কার্তিকিয়া। নিখিল কুমার শূন্য রানে আউট হন। ৬ রানে হারভানস পাঙ্গালিয়া আউট হন। কিরণ চরমালে ১ রানে আউট হন।
৩১.৫ ওভারে দলীয় ১১৫ রানের মাথায় ৮ম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন অধিনায়ক মোহাম্মদ আমান। ৬৫ বলে সর্বোচ্চ ২৬ রান করেন তিনি। হার্দিক রাজ ২১ বলে ২৪ রান করে আজিজুল হাকিমের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে আউট হন। সর্বশেষ চেতন শর্মা ১২ বলে ১০ রান করে আজিজুল হাকিমের বলে কালাম সিদ্দিকীর হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। এভাবেই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে মেতে ওঠে বাংলাদেশ দল।
আজিজুল হাকিম এবং ইকবাল হোসেন ইমন নেন ৩টি করে উইকেট। ২ উইকেট নেন আল ফাহাদ। ১টি করে উইকেট নেন মারুফ মৃধা এবং রিজান হাসান।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরা বড় কোনো স্কোর গড়তে পারেননি। ৪৯.১ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে বাংলাদেশ ১৯৮ রান করে। রিজান হাসান সর্বোচ্চ ৪৭ রান করেন। ৪০ রান করেন মোহাম্মদ শিহাব জেমস। ৩৯ রান করেন ফরিদ হাসান এবং ২০ রান করেন জাওয়াদ আবরার।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
কিংস কাপের উত্তাপ ছড়ানো ফাইনাল ম্যাচে শুক্রবার (৩১ মে) রাতে আল নাসরকে হারিয়েছে আল হিলাল। নির্ধারিত সময়ের পর অতিরিক্ত সময়েও ১-১ গোলে সমতায় ছিল ম্যাচ। টাইব্রেকারে ৫–৪ গোলে জিতে যায় আল হিলাল। তবে ম্যাচের জয়-পরাজয় ছাপিয়ে গেছে রোনালদোর কান্নায়। ম্যাচ শেষে দলের হারের পর মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায় পর্তুগিজ মহাতারকাকে।
চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের লড়াইয়ে শুরু থেকেই ছড়িয়েছে উত্তাপ। ৭ মিনিটে রোনালদোদের জালে বল জড়ান আল হিলাল তারকা আলেক্সান্ডার মিত্রোভিচ। এরপর থেকেই আল নাসরের সমতায় ফেরার চেষ্টা শুরু। তবে প্রথমার্ধে একাধিক চেষ্টা করেও জালের দেখা পায়নি দলটি। দ্বিতীয়ার্ধে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে আল নাসর। তবে এই অর্ধে আরও বড় ধাক্কা খায় রোনালদোর দল। ৫৬ মিনিটে ডেভিড ওসপিনা লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় আল নাসর। তবে লড়াই থামায়নি দলটি।
ম্যাচের ৮৫ মিনিট পেরিয়ে যাওয়ার পরেও পিছিয়ে ছিল নাসর। একসময় মনে হচ্ছিল, লড়াইবিহীন এক ম্যাড়মেড়ে ফাইনাল হতে যাচ্ছে এটি। তবে শেষদিকে আসে চমক। ম্যাচের ৮৭ মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় আল হিলালের আলি আলবুলাইহিকে। খেলোয়াড় সংখ্যা সমতায় আসার পর ১ মিনিটের মধ্যে গোল করে আল নাসর।
ম্যাচের ৯০ মিনিটে আল হিলালের কালিদু কুলিবালি লাল কার্ড দেখায় ৯ জনের দলে পরিণত হয় প্রো লিগ চ্যাম্পিয়নরা। কিন্তু অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেনি রোনালদোর দল। টাইব্রেকারে গড়ানোর পর ম্যাচ জিতে নেয় আল হিলাল।
পুরো ম্যাচ মাঠে থেকেও তেমন কোনো বড় পার্থক্য তৈরি করতে পারেননি রোনালদো। সে কারণে ম্যাচ হারের পর কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছেড়েছেন তিনি। অন্যদিকে, ইনজুরির কারণে দীর্ঘদিন মাঠে না থাকলেও আল হিলালের শিরোপা–উৎসবে যোগ দেন নেইমার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিরোপা উৎসবের ছবিও পোস্ট করেছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
কয়েকদিন ধরে চলা গুঞ্জন অবশেষে সত্যি হলো। জাভি হার্নান্দেজকে ছাঁটাই করেছে স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা।
শুক্রবার বার্সেলোনা তাদের ওয়েবসাইটে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছে, দুই পক্ষের আলোচনার ভিত্তিতে ২০২৪-২৫ মৌসুমে জাভির আর কোচ হিসেবে না থাকার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে। এই বৈঠকে জাভি ছাড়াও বার্সেলোনার গুরুত্বপূর্ণ কর্তাব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বার্সেলোনা জাভিকে কোচ হিসেবে তার কাজের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছে। পাশাপাশি খেলোয়াড় এবং অধিনায়ক হিসেবে অনবদ্য ক্যারিয়ারের জন্যও তাকে ধন্যবাদ দিচ্ছে। ভবিষ্যতে ভালো কিছুর জন্য জাভির জন্য শুভকামনা রইল।’
ক্লাবের বাজে পারফরম্যান্সের কারণে গত জানুয়ারিতেই মৌসুম শেষে বার্সেলোনা ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন জাভি হার্নান্দেজ। গত মাসে তিনি নেন ইউটার্ন, জানান কাতালানদের সঙ্গেই থাকছেন। এরপর আবারও আসে ভিন্ন খবর। জাভিকে ছাঁটাই করার বিষয়ে প্রতিবেদন আসে গণমাধ্যমে। অবশেষে শেষই হলো বার্সার সঙ্গে তার পথচলা।
বার্সেলোনার ডাগআউটে শেষবারের মতো আগামী সোমবার (২৭ মে) সেভিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে দেখা যাবে জাভিকে।
এদেকে, বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্লাবটির কোচ হিসেবে এরপর দেখা যাবে হানসি ফ্লিককে। ২০২০ সালে যিনি বায়ার্নের হয়ে জিতেছিলেন ট্রেবল। এরপর জার্মানি জাতীয় দলের হয়ে দায়িত্ব পালন করেন এই কোচ। যদিও ২০২৩ সালে সেপ্টেম্বর মাসে তাকে ছাঁটাই করা হয়।
২০২১ সালে কাতারের ক্লাব আল সাদ থেকে বার্সেলোনায় যোগ দেন জাভি। ২০২২-২৩ মৌসুমে তার অধীনে দল জেতে লিগ শিরোপা। এরপর থেকে দিন দিন খারাপ হতে থাকে পারফরম্যান্স। চলতি মৌসুমে পিএসজির কাছে হেরে তাদের বিদায় নিতে হয় চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে। বাজে ফর্মে তারা খুঁইয়েছে লিগ শিরোপাও।
মন্তব্য করুন


এএফসি এশিয়ান কাপের মূল পর্বের লড়াই থেকে ছিটকে গেছে বাংলাদেশ, সম্ভাবনা নেই ভারতেরও। স্রেফ নিয়মরক্ষার হলেও আদতে এটি বাংলাদেশ-ভারত মর্যাদার লড়াই। এ কারণেই ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে ১৮ নভেম্বরের ম্যাচটি ঘিরে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে আবারও উন্মাদনা শুরু হয়েছে।
সোমবার দুপুর ২টা থেকে এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। ছয় ক্যাটাগরির টিকিট পাওয়ার কথা ইভেন্ট টিকেটিং প্ল্যাটফর্ম Quicket–এ। কিন্তু টিকিট বিক্রির কার্যক্রম শুরুর ছয় মিনিটের মধ্যে সাধারণ গ্যালারির সব টিকিট বিক্রি শেষ হয়ে যায়।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কম্পিটিশন কমিটির চেয়ারম্যান ও নির্বাহী সদস্য সাবেক জাতীয় ফুটবলার গোলাম গাউস বলেছেন, ‘মাত্র ছয় মিনিটের মধ্যে সাধারণ গ্যালারির সব টিকিট শেষ হয়ে যায়। এখন গ্রাহকরা পেমেন্ট করছে। অর্ধেকের বেশি পেমেন্টও হয়ে গেছে। সাধারণ গ্যালারির টিকিট অবিক্রিত নেই আর এখন শুধু রেড বক্স, হসপিটালিটি বক্সের টিকিট রয়েছে।’
সবশেষ সিঙ্গাপুর ও হংকং ম্যাচে সাধারণ গ্যালারির টিকিটের দাম ৪০০ টাকা থাকলেও ভারত ম্যাচের উন্মাদনায় বাফুফে সেটা বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করে। ক্লাব হাউস ২ ও ভিআইপি বক্স ৩-এর একেকটা টিকিটের দাম ৩ হাজার টাকা করে। ভিআইপি বক্স ২-এ বসে খেলা দেখতে চাইলে লাগবে ৪ হাজার টাকা। এ ছাড়া ক্লাব হাউস ১ ও রেড বক্সের দাম ধরা হয়েছে যথাক্রমে ৫ হাজার ও ৬ হাজার টাকা।
দাম বৃদ্ধি করলেও সমর্থকদের চাহিদা কমেনি। টিকিট ছাড়ার পরপরই সংগ্রহ করেছেন সমর্থকরা। কিন্তু মুহূ্তেই টিকিট শেষ হয়ে যাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফুটবলপ্রেমীরা। Quicket–এর ওয়েবসাইটে SOLD OUT লেখা দেখে কেউ কেউ টিকিট বিক্রিতে অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ এনেছেন।
ভারত ম্যাচের আগে বাংলাদেশ ১৩ নভেম্বর নেপালের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে। সেই টিকিট ছেড়েছে ফেডারেশন প্রায় এক সপ্তাহ। ওই টিকিট বিক্রি খুব ধীর। সেটাও দ্রুত শেষ হওয়ার আশা করছেন গাউস, ‘ভারত ম্যাচের সব টিকিট শেষ। হামজাও আজ আসছে। এখন নিশ্চয়ই নেপাল ম্যাচের টিকিটও সংগ্রহ করবে।’
১০ জুন বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর ম্যাচ দিয়ে বাফুফে অনলাইনে টিকিট বিক্রির কার্যক্রম শুরু করে। টিকিফাই প্লাটফর্মে টিকিট সংগ্রহে অনেক ভোগান্তি হয়েছিল। এরপর অক্টোবর উইন্ডোতে বাফুফে কুইকেটকে টিকিটিং পার্টনার করে। ৯ অক্টোবর ঢাকার ঐ ম্যাচের টিকিট ২০ মিনিটের মধ্যে বিক্রি হয়।
অক্টোবর উইন্ডোতে ফুটবলপ্রেমীরা ভোগান্তিতে না পড়ায় নভেম্বর উইন্ডোতেও কুইকেটকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়। টিকিট অনলাইনে বিক্রি হওয়ায় ডিজিটাল পেমেন্ট করছেন দর্শকরা। এরপরও বাফুফে চার মাস পেরিয়ে গেলেও সিঙ্গাপুর ম্যাচের আয়-ব্যয়ের হিসাব দিতে পারেনি।
মন্তব্য করুন


ব্রাজিল জাতীয় দলের প্রধান কোচ কার্লো আনচেলোত্তি আসন্ন বিশ্বকাপকে সামনে রেখে তার স্কোয়াড নির্বাচন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। ৩৩ বছর বয়সী নেইমারকে বিশ্বকাপে দেখা যাবে কি না, এ নিয়ে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল মহলসহ ভক্তদের মধ্যে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই চলছিল সরগরম আলোচনা। শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আনচেলোত্তি বিষয়টি একেবারে পরিষ্কার করে দিলেন।
আনচেলোত্তি বলেন, ‘আমি জানি, আপনারা নেইমারকে নিয়ে খুবই আগ্রহী। কিন্তু মনে রাখতে হবে, এখন ডিসেম্বর, বিশ্বকাপ শুরু হবে জুনে। মে মাসে যখন আমি স্কোয়াড ঘোষণা করবো, তখন যদি নেইমার যোগ্য প্রমাণিত হয়, ফিট থাকে, অন্যদের সমান বা তাদের চেয়েও ভালো থাকে, তাহলে সে বিশ্বকাপে খেলবে। বিষয়টি এতটাই সরল।’
এ মৌসুমে সান্তোসের হয়ে নেইমার এখন পর্যন্ত ১৯ ম্যাচ খেলেছেন।
করেছেন ৮ গোল ও ১টি অ্যাসিস্ট। জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বেও তার পারফরম্যান্স ছিলো উল্লেখযোগ্য, ৪ ম্যাচে ২ গোল ও ৩ অ্যাসিস্ট।
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালের প্রথম লেগে গতকাল ৭৫ মিনিটে মাঠে নামেন লুকা মদ্রিচ। নেমেই ডিফেন্সচেরা পাসে মনে করিয়ে দেন ফুরিয়ে যাননি এখনো। ম্যাচে দারুণ একটি মাইলফলকও অর্জন করেন ৩৮ বছরের মদ্রিচ। রিয়াল মাদ্রিদের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ইতিহাসে মদ্রিচই এখন সবচেয়ে বেশি বয়সে ম্যাচ খেলা ফুটবলার।
মদ্রিচ ছাড়িয়ে গেছেন রিয়াল কিংবদন্তি ফেরেঙ্ক পুসকাসকে। অ্যারিয়েঞ্জ অ্যারিনায় গতকালের ম্যাচের দিন মদ্রিচের বয়স ছিল ৩৮ বছর ২৩৪ দিন। পুসকাস রিয়ালের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচ খেলেছিলেন ৩৮ বছর ২২৯ দিন বয়সে।
পুসকাসের তৈরি করা কীর্তি ৫৯ বছর পর ভাঙলেন মদ্রিচ। ১৯৬৫ সালের ১৭ নভেম্বর তৎকালীন ইউরোপিয়ান কাপে কিলমারনকের বিপক্ষে সেই কীর্তি গড়েছিলেন পুসকাস। রিয়ালের হয়ে সবমিলিয়ে ৫২৮তম ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ১১৮তম ম্যাচে কীর্তিটি গড়লেন মদরিচ। তথ্য বেইন স্পোর্টসের।
ম্যাচ খেলার রেকর্ডেও এদিন ভাগ বসিয়েছেন মদ্রিচ। ছাড়িয়ে গেছেন ৫২৭ ম্যাচ খেলা ডিফেন্ডার রবার্তো কার্লোসকে। রিয়ালের ইতিহাসে ১৪তম সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা ফুটবলার এখন মদ্রিচ। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ম্যাচ খেলার তালিকায় তিনি এখন পঞ্চম। রিয়ালের হয়ে এই প্রতিযোগিতায় তার চেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন ইকার ক্যাসিয়াস, করিম বেনজেমা, রাউল গঞ্জালেস ও সার্জিও রামোস।
ক্রোয়েশিয়ান ফুটবলার মদ্রিচ ৩৯ বছরে পা দিচ্ছেন চলতি বছরের ৯ সেপ্টেম্বর। তবে রিয়ালের সঙ্গে তার চুক্তি শেষ হবে আগামী ৩০ জুন। রিয়ালের ইতিহাসের সবেচেয়ে বুড়ো খেলোয়াড় হিসেবে ম্যাচ খেলার কীর্তি গড়তে তাই নতুন চুক্তির আওতায় আসতে হবে মদ্রিচকে। ১৯৬৬ সালের মে মাসে পুসকাস যখন কোপা দেলরেতে রিয়ালের হয়ে শেষ পেশাদার ম্যাচটি খেলেন, তখন তার বয়স হয়েছিল ৩৯ বছর ৩৬ দিন।
রিয়ালের হয়ে ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় খেলা সবচেয়ে বুড়ো ফুটবলার
লুকা মদ্রিচ: ৩৮ বছর ২৩৪ দিন
ফেরেঙ্ক পুসকাস: ৩৮ বছর ২২৯ দিন
বুয়ো: ৩৮ বছর ৫৩ দিন
দি স্তেফানো: ৩৭ বছর ৩২৮ দিন
দুদেক: ৩৭ বছর ২৬০ দিন
মন্তব্য করুন


স্পোর্টস ডেস্ক:
চলতি মৌসুমের শুরু থেকে ধারাবাহিকভাবে দারুণ পারফর্ম করে চলেছেন ম্যানচেস্টার সিটির ইংলিশ ফুটবলার ফিল ফোডেন। তার পুরস্কারও এবার পেলেন ২৩ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার। ইংল্যান্ডের ফুটবল রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফডব্লিউএ) বিচারে বর্ষসেরা ফুটবলার হয়েছেন তিনি। মেয়েদের বিভাগে এই পুরস্কার জিতেছেন সিটিরই জ্যামাইকান ফরোয়ার্ড খাদিজা শ।
আজ শুক্রবার এই দুজন বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয়। এটি নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো নারী-পুরুষ দুই বিভাগেই বর্ষসেরা পুরস্কার উঠল সিটির ঘরে। ২০১৯ সালে ছেলেদের বিভাগে পুরস্কার জিতেছিলেন রাহিম স্টার্লিং। মেয়েদের বিভাগে জিতেছিলেন নিকিতা প্যারিস।
২০২৩-২৪ মৌসুমে সিটির হয়ে আক্রমণভাগে প্রতিপক্ষের জন্য ভয়ের নাম হয়ে উঠছেন ফোডেন। সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এরই মধ্যে করেছেন ২৪ গোল। এছাড়া সতীর্থদের দিয়ে আরও ১০টি গোল করিয়েছেন এই মিডফিল্ডার।
৪২ শতাংশ ভোট পেয়ে বর্ষসেরা হয়েছেন ফোডেন। পরের স্থানগুলোতে আছেন ফোডেনের ক্লাব সতীর্থ রদ্রি ও আর্সেনালের মিডফিল্ডার ডেক্লান রাইস। গত বছর এই পুরস্কার জিতেছিলেন সিটির ফরোয়ার্ড আর্লিং হল্যান্ড।
মেয়েদের বিভাগে খাদিজা পেয়েছেন ৫৩ শতাংশ ভোট। চলতি মৌসুমে উইমেনস সুপার লিগে এখনো পর্যন্ত ১৮ ম্যাচে ২১ গোল করেছেন তিনি। সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় সবার ওপরেই আছেন ২৭ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।
মন্তব্য করুন


কলকাতা নাইট রাইডার্সের (KKR) ফেসবুক পেজে কিছুদিন ধরে পোস্টগুলোতে ‘অ্যাংরি’ এবং ‘হাহা’ রিঅ্যাকশনের ঢেউ বইছে। নেতিবাচক মন্তব্যও তীব্রভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এর সঙ্গে সঙ্গে পেজের ফলোয়ার সংখ্যা ব্যাপক হারে কমছে। শেষ ৪৮ ঘণ্টায় প্রায় ১০ লাখ ফলোয়ার হারিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির ফেসবুক পেজ।
এই ধারাটি শুরু হয় মোস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে বাদ দেওয়ার পর। নিলামে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে কেনা বাঁহাতি এই টাইগার পেসারকে বাদ দেওয়ার পর কলকাতার ফলোয়ার সংখ্যা ১ কোটি ৮০ লাখ থেকে কমে ১ কোটি ৭০ লাখে নেমেছে। এর মানে, প্রতিদিন প্রায় ৫ লাখ ফলোয়ার কমছে, যা প্রতি মিনিটে ৩৪৭ এবং প্রতি সেকেন্ডে ৫ ফলোয়ারের হার।
মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার পোস্টে ২ লাখ ৩ হাজারের বেশি রিঅ্যাকশন এসেছে, যার মধ্যে ১ লাখ ৩৭ হাজার ‘অ্যাংরি’ এবং ৪০ হাজার ‘হাহা’। মন্তব্যের সংখ্যা ৬০ হাজারের বেশি, যার বেশির ভাগই বিসিসিআই, আইপিএল এবং ভারতকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।
মোস্তাফিজের বাদ দেওয়ার পর কলকাতার পেজে আরও ৯টি পোস্ট করা হয়েছে, যেখানে বরুণ চক্রবর্তী, নিউজিল্যান্ড সিরিজ, ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দল ও অস্ট্রেলিয়ার পেসার ক্যামেরন গ্রিনের খবর ছিল। সেগুলিতেও অ্যাংরি-হাহা রিঅ্যাকশন এবং নেতিবাচক মন্তব্য দেখা গেছে।
মোস্তাফিজ এখন পর্যন্ত আইপিএলের পাঁচটি ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলেছেন—সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, দিল্লি ক্যাপিটালস, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স, রাজস্থান রয়্যালস, চেন্নাই সুপার কিংস। আইপিএলে ৬০ ম্যাচে ৬৫ উইকেট নেন, যার ইকোনমি রেট ৮.১৩। ২০২৪ সালে চেন্নাই সুপার কিংস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে নিয়ে বিভিন্ন পোস্ট করেছে। তবে এবার রাজনৈতিক কারণে মোস্তাফিজ আইপিএলে খেলতে পারছেন না।
মন্তব্য করুন