

তীব্র তাপদাহে পুড়ছে সারাদেশ। বিপাকে
পড়েছেন খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষেরা। এই অবস্থায় বায়ু দূষণ ও তীব্র তাপদাহ কমাতে রাজধানীর
বিভিন্ন সড়কে কৃত্রিম বৃষ্টির ব্যবস্থা করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন। ঢাকা উত্তর
সিটি কর্পোরেশন দুটি স্প্রে ক্যানন এবং ১০টি ব্রাউজারের মাধ্যমে রাস্তায় পানি ছেটাচ্ছে।
শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এ কার্যক্রমের
উদ্বোধন করেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন মেয়র মো: আতিকুল ইসলাম।
মেয়র মো: আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘কৃত্রিম
বৃষ্টির’ ব্যবস্থা করার পরামর্শ দিয়েছেন ডিএনসিসিতে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান
অ্যাড্রিয়েন আরশট-রকফেলার ফাউন্ডেশন রেজিলিয়েন্স সেন্টারের চিফ হিট অফিসার বুশরা
আফরিন। তারই অংশ হিসেবে ডিএনসিসির দুইটি স্প্রে ক্যাননের মাধ্যমে ‘কৃত্রিম বৃষ্টির’
ব্যবস্থা করা হয়েছে। দুটি গাড়ি দিয়ে প্রতিদিন ৪ লাখ লিটার পানি আমরা ছিটাবো। বেলা
১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে পানি দেওয়া হবে। তবে গাড়িগুলো
অলিতে গলিতে যেতে পারবে না, মেইন রোডে থাকবে। আর সড়কে পানি ছিটানোর জন্য ১০টি ব্রাউজারের
ব্যবস্থা করা হয়েছে। একেক ব্রাউজারে ১৫ হাজার লিটার করে পানি ধরে।
গত বছর আমরা চিফ হিট অফিসারের পরামর্শে
নগরের বিভিন্ন এলাকায় ৮০ হাজার গাছ লাগিয়েছি। এবার আমরা আরও ১ লাখ ২০ হাজার গাছ লাগানোর
প্রস্তুতি নিচ্ছি। বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার পরপরই আমরা এ কার্যক্রম শুরু করবো।
মন্তব্য করুন


আজ জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি বন্ধে কুমিল্লার চকবাজার, রাজগঞ্জ ও নিউমার্কেট এলাকায় বিশেষ সচেতনতামূলক তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এ সময় হ্যান্ড মাইকের মাধ্যমে ও নেতৃবৃন্দের সাথে মিটিং করে সরকারি সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবহিত করা হয়। ব্যবসায়ী ও ভোক্তা সাধারণকে অবহিত করা হয় , জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় আজ থেকে খোলা সয়াবিন তেল ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ করেছে সরকার। এ বিষয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতার সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়। সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলামের নেতৃত্বে তদারকি কার্যক্রমে চকবাজার ও রাজগঞ্জ ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ, জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ইসরাইল হোসেন এবং জেলা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন। আজ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার সংরক্ষণ ও বিপণন করায় সমীর হোটেলকে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মন্তব্য করুন


কানাডার
টরেন্টোতে বাড়ছে বাড়ি ভাড়া। সেই
ধকল কূলাতে না পেরে নিজের
অর্ধেকটা বিছানা ভাড়া দেওয়ার ঘোষণা
দিয়েছেন টরেন্টোর এক নারী।
গত
মাসে টরেন্টোর বাসিন্দা অ্যানিয়া ইটিংগার ফেসবুকের মার্কেট প্লেসেস একটি পোস্ট করে
জানিয়েছন, তিনি তার বিছানার
অর্ধেকটা ভাড়া দিতে চান
মাসে ৯০০ কানাডিয়ান ডলারের বিনিময়ে।
ওই
পোস্টে অ্যানিয়া ইটিংগার লিখেছিলেন, ‘একজন সরল মনের
নারীকে খুঁজছি। যার সাথে মাস্টার
বেডরুমে একটি কুইন সাইজ
বেড শেয়ার করতে চাই। এর আগেই
আমি
ফেসবুকে খুঁজে পাওয়া নারীর সাথে আমার বিছানা
শেয়ার করেছিলাম। সেটা বেশ ভালোভাবেই
চলছিল।’
ভাড়া
বিষয়ক পোস্টটির শিরোনাম ছিল, ‘শেয়ারড বেডরুম ইন অ্যা লেক-ফেসিং ডাউটাউন কনডো।।’ তিনি প্রতিমাসে ৯০০ কানাডিয়ান
ডলার ভাড়া দাবি করেন
।
অ্যানিয়া
ওই পোস্টের ব্যাখ্যায় লিখেছেন, আপনি যদি ভাবেন
টরেন্টোর বাজারে খারাপ কোনো ঘটনা ঘটেনি।
আসলে এটা ঘটছে। এটা
খুবই অস্থিরতা। আপনার
বিছানা ৯০০ কানাডিয়ান ডলারে
মাসে ভাড়া দিতে চান,
অনেকেই এটাকে ঘৃণা করবে। তবে
সবচেয়ে খারাপ বিষয় হচ্ছে, অনেকে
এটা করতে বাধ্য হচ্ছেন।
সূত্র:
এনডিটিভি
মন্তব্য করুন


আজকের এ রাত মহিমান্বিত এক রাত। এ রাতে অসংখ্য বান্দা মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে ক্ষমা ও কল্যাণ লাভ করেন। প্রতিবছর হিজরি ক্যালেন্ডারের শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতে শবে বরাত পালন করা হয়।
ফারসি ভাষায় শব অর্থ রাত এবং বরাত অর্থ মুক্তি। শবে বরাত অর্থ মুক্তির রাত। এই রাতে মহান আল্লাহ মুক্তি ও মাগফিরাতের দুয়ার খুলে দেন। সৃষ্টিকুলের প্রতি রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও হিংসুক ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করে দেন। এটি নিঃসন্দেহে বরকতময় রাত। রাতটি শাবান মাসের মধ্যবর্তী হিসেবে হাদিসে এই রাতকে লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান তথা অর্ধ শাবানের রাত বলা হয়েছে। বিশ্ব মুসলিমবাসীর বিশ্বাস, এ রাতে অসংখ্য বান্দা মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে ক্ষমা ও আশীর্বাদ লাভ করে থাকে। এ কারণে এ রজনীকে ‘মুক্তির রজনী’বলা হয়।
হযরত মোহাম্মদ (সা.) এ রজনী সম্পর্কে বলেছেন, এই রাত্রিতে এবাদতকারীদের গুণাহরাশি আল্লাহ তালা ক্ষমা করে দেন। তবে কেবল আল্লাহর সঙ্গে শিরককারী, সুদখোর, গণক, যাদুকর, কৃপণ, শরাবী, যিনাকারী এবং পিতা-মাতাকে কষ্টদানকারীকে আল্লাহ মাফ করবেন না।
প্রকৃত অর্থে শবে বরাতের নামাজ বলে আলাদা কিছু নেই, যেহেতু এই রাতটি ইবাদত বন্দেগি করে কাটাতে হবে তাই হাদিসেই এই সমাধান দেয়া হয়েছে। আর বিশ্ব মুসলিম এই বিশেষ কিছু ইবাদত পালন করে থাকেন।
সন্ধ্যায়- এই রাতে মাগরিব নামাজের পর হায়াতের বরকত, ঈমানের হেফাযত এবং অন্যের মুখাপেক্ষী না হওয়ার জন্য দুই রাকাত করে মোট ৬ রাকাত নফল নামায পড়া উত্তম। এই ৬ রাকাত নফল নামাজের নিয়ম- প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহা এরপর যে কোন একটি সূরা পড়তে হবে। দু’রাকাত নামাজ শেষ করে সূরা ইয়াছিন বা সূরা এখলাছ ২১ বার তিলাওয়াত করতে হবে।
শবে বরাতের নফল নামাজ :
দুই রাকাত তহিয়াতুল অজুর নামাজ, নিয়ম- প্রতি রাকাতে আল হামদুলিল্লাহ (সূরা ফাতিহা) পড়ার পর, ১ বার আয়াতুল কুরসি এবং তিন বার ক্বুলহু আল্লাহ (সূরা এখলাছ)। ফজিলত: প্রতি ফোটা পানির বদলে সাতশত নেকী লিখা হবে।
দুই রাকাত নফল নামাজ, নিয়ম- ১ নম্বর নামাজের মত, প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহা পড়ার পর, ১ বার আয়াতুল কুরসি এবং ১৫ বার করে সূরা এখলাছ, অতঃপর সালাম ফিরানোর পর ১২ বার দুরূদ শরীফ। ফজিলত: রুজিতে বরকত, দুঃখ-কষ্ট হতে মুক্তি লাভ করবে, গুনাহ হতে মাগফিরাতের বকশিস পাওয়া যাবে।
আট রাকাত নফল নামাজ দু্রাকাত করে পড়তে হবে, নিয়ম- প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহার পর, সূরা এখলাছ ৫ বার করে। একই নিয়মে বাকি সব। ফজিলত: গুনাহ থেকে পাক হবে, দু’আ কবুল হবে এবং বেশি বেশি নেকী পাওয়া যাবে।
১২ রাকাত নফল নামাজ দু’রাকাত করে, নিয়ম- প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহার পর, ১০ বার সূরা এখলাছ এবং এই নিয়মে বাকি নামাজ শেষ করে, ১০ বার কালেমা তওহীদ, ১০ বার কলেমা তামজীদ এবং ১০ বার দুরূদ শরীফ।
১৪ রাকাত নফল নামাজ দু’রাকাত করে, নিয়ম- প্রতি রাকাত সূরা ফাতিহার পর যে কোন একটি সূরা পড়ুন। ফজিলত - যে কোনো দু’আ চাইলে তা কবুল হবে।
চার রাকাত নফল নামাজ এক সালামে পড়তে হবে, নিয়ম- প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহা পর ৫০ বার সূরা এখলাছ শরীফ। ফজিলত: গুনাহ থেকে এমনভাবে পাক হবে যে সদ্য মায়ের গর্ভ হতে ভূমিষ্ঠ হয়েছে।
আট রাকাত নফল নামাজ এক সালামে, নিয়ম- প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহার পর ১১ বার সূরা এখলাছ শরীফ। ফজিলত: এর ফজিলতে সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, হযরতে সৈয়্যদাতুনা ফাতেমা রাদিআল্লাহু আনহা এরশাদ করেছেন, ‘আমি ওই নামাজ আদায় কারীর সাফায়াত করা ব্যতীত জান্নাতে কদম রাখব না।
রোজার ফজিলত হুজুর সালল্লাহু তা’আলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেছেন, যে শাবানে ১ দিন রোজা রেখেছে, তাকে আমার সাফায়াত হবে। আরো একটি হাদিস শরীফে আছে যে, হুজুর সালল্লাহু তালা আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি শাবানের ১৫ তারিখে রোজা রাখবে, তাকে জাহান্নামের আগুন ছোঁবে না। এছাড়াও পড়তে পারেন সালাতুল তাসবীহ এর নামাজ। এই নামাজের অনেক ফজিলত রয়েছে।
রাসূলুল্লাহ সালল্লাহু তা’আলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বীয় চাচা হযরত আব্বাস রাদিআল্লাহু আনহুকে এই নামায শিক্ষা দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন যে, এই নামাজ পড়লে আল্লাহ আয-যাওযাল আপনার আউয়াল আখেরের সগীরা কবীরা জানা অজানা সকল গুণাহ মাফ করে দেবেন।
শবে বরাতের নামাজের নিয়ত : নাওয়াইতুআন্ উছল্লিয়া লিল্লা-হি তাআ-লা- রাকআতাই ছালা-তি লাইলাতিল বারা-তিন্ -নাফলি, মুতাওয়াজ্জিহান ইলা-জিহাতিল্ কাবাতিশ্ শারীফাতি আল্লা-হু আকবার।
বাংলায় নিয়ত করলে এই ভাবে করতে পারেন: শবে বরাতের দুই রাকাত নফল নামাজ/ সালাত কিবলামুখী হয়ে পড়ছি, আল্লাহু আকবর।
সতর্কতা
মনে রাখতে হবে ফরজ নফলের চেয়ে অনেক বড় শবে বরাতের নামাজ। যেহেতু নফল সেহেতু নফল পড়তে পড়তে ফরজ পড়া ভুলে গেলে বা ঘুমের কারণে পড়তে না পারলে হবে না । অর্থাৎ ঠিক সময় মত ফজর নামাজ যেন পড়তে পারা যায় সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে ।
মন্তব্য করুন


ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জানান, নাশকতাকারীরা যেখানেই থাকুক, শুধু ঢাকা শহর নয়, বাংলাদেশের যে প্রান্তেই থাকুক তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।
তিনি জানিয়েছেন, আমরা নাশকতাকারীদের অনেকের নাম আমরা পেয়েছি, অনেককে আমরা গ্রেফতার করেছি।
রোববার (১২ নভেম্বর ২০২৩ইং) ঢাকার মিন্টু রোডে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেছেন ডিবিপ্রধান।
ডিবিপ্রধান বলেন, বিভিন্ন থানায় যেসব মামলা হয়, সেগুলো আমাদের দৈনন্দিন কাজ। সেই মামলাগুলোর তদন্ত করছি এবং যেগুলো দরকার অভিযান করে গ্রেফতার করছি।
তিনি আরও বলেছেন, অপরদিকে অবরোধের নামে যারা অবরোধের আগের দিন নাশকতা চালাচ্ছে, নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে, মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে; তারা বিচ্ছিন্নভাবে অকেজো বাস, যেই বাসগুলো চলে না এগুলোতে আগুন লাগিয়ে ওই এলাকার জনমনে একটা আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। যারা আতঙ্ক সৃষ্টি করছেন বা নাশকতাকারীরা তারা যেখানেই থাকুক, বাংলাদেশের যে প্রান্তে থাকুক তাদের অনেকের নাম আমরা পেয়েছি। অনেককে আমরা গ্রেফতার করেছি। আমাদের অভিযান চলছে, বাকিরাও শিগগিরই গ্রেফতার হবে।
মন্তব্য করুন


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে রদবদল করা হয়েছে। এর মধ্যে আবারও স্বাস্থ্য প্রশাসনের অতিরিক্ত মহাপরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের অতিরিক্ত মহাপরিচালক পদে দায়িত্বরত অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীরকে।
বুধবার (৭ ফেব্রয়ারি) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের পারসোনেল-২ শাখার যুগ্মসচিব মো. মঞ্জুরুল হাফিজের সই করা প্রজ্ঞাপনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে ।
এছাড়াও জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের (নিপসম) পরিচালক পদে থাকা অধ্যাপক ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরাকে করা হয়েছে পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের অতিরিক্ত মহাপরিচালক।
বর্তমানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্বরত মো. শামিউল ইসলামকে করা হয়েছে জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের (নিপসম) পরিচালক এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সিলেট বিভাগের স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. হারুন অর রশীদকে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডার/ স্বাস্থ্য সার্ভিসের নিন্ম বর্ণিত কর্মকর্তাদের তাদের নামের পাশে বর্ণিত পদ ও কর্মস্থলে বদলি/পদায়ন করা হলো। জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হলো এবং অনতিবিলম্বে কার্যকর করা হবে।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ফরিদপুরের কানাইপুরের দিকনগর এলাকায় বাস-পিকআপভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষের দুর্ঘটনা ঘটে।
মুখোমুখি এ সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত পাঁচজন।
নিহতদের মধ্যে আলফাডাঙ্গা এ.জেড. পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ফরিদের ফ্যামিলির সদস্য মা, বড় মেয়ে, ভাই মিলন, মিলনের স্ত্রী ও ছেলে মেয়েসহ মোট ৬ জন রয়েছে তবে বাকিদের পরিচয় জানা যায়নি।
ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. আসাদুজ্জামান বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত সাতজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে আনার পথে একজন ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজন মারা যান। বাকি পাঁচজনের চিকিৎসা চলছে।
মুখোমুখি সংঘর্ষের দুর্ঘটনা নিয়ে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. কামরুল আহসান তালুকদার বলেন, এ ঘটনায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। একইসঙ্গে নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা এবং আহতদের প্রত্যেককে তিন লাখ টাকা করে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে।
ফরিদপুরের করিমপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালাউদ্দিন চৌধুরী বলেন, যাত্রীবাহী বাসটি ঢাকা থেকে মাগুরার উদ্দেশে যাচ্ছিল।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
দেবিদ্ধার থানার হোসেনপুর গ্রামের মৃত অক্ষয় চন্দ্র সাহার ছেলে বীরমুক্তিযোদ্ধা রাখাল
চন্দ্র সাহা যাবজ্জীবনের সাজা থেকে রেয়াত পেয়ে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
রবিবার
সকালে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে যাবজ্জীবন শাস্তি প্রাপ্ত কয়েদী বীরমুক্তিযোদ্ধা
রাখাল চন্দ্র সাহা কে ৫ বছর ৭ মাস ০২ দিন এর রেয়াত পেয়ে কারামুক্তি পায়।
উল্লেখ্য
যে, ২৮শে ফেব্রুয়ারী ১৯৯৯ সালে জমি জমা নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে জেঠাতো বোনের স্বামী
দীনেশ চন্দ্র দত্তকে খুনের অভিযোগে কারা প্রেরণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে বিঙ্গ আদালত
২০০৩ সালের ২০ শে জানুয়ারী মৃতুদন্ডের সাজা প্রদান করেন।
মৃতুদন্ডের
সাজা প্রাপ্ত আসামী বীরমুক্তিযোদ্ধা রাখাল চন্দ্র সাহা মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ
ভিক্ষা চেয়ে আবেদন করলে তা না মঞ্জুর হওয়ার পর ৭ই এপ্রিল ২০০৮ সালে দিবাগত রাত ১১ টার সময় তার মৃত্যুদন্ড কার্যকরের
তারিখ নির্ধারিত হয় কিন্তু অনিবার্য কারণ বশতঃ মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয় নাই।
পরবর্তীতে
২৫ শে জুন ২০০৮ সালে মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে মৃত্যুদন্ডাদেশ মওকুফ করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন।
২ই
জুলাই ২০২৩ সালে বীরমুক্তিযোদ্ধা রাখাল চন্দ্র সাহা ২৬ বছর কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত শেষে
রেয়াত পেয়ে ৭৭ বছর বয়সে তার ছেলের নিকট কারাগার থেকে হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় শ্রেণিকক্ষে অসুস্থ হয়ে উম্মে হাবিবা (১২) নামে ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে হিটস্ট্রোকে মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ মে ২০২৩ইং) দুপুরে জেলার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরিপুর সুবল আফতাব উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
পার্শ্ববর্তী তিতাস উপজেলার নাগেশ্বর উরাকান্দি গ্রামের জিয়াউল হকের মেয়ে উম্মে হাবিবা। সংবাদ মাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহিনুল হাসান।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ইউএনও জানান, উম্মে হাবিবা সুবল আফতাব উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল। মঙ্গলবার দুপুরে ক্লাস চলাকালীন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে বমি করতে শুরু করে হাবিবা। তাকে উদ্ধার করে দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকায় রেফার করেন। ঢাকা নেওয়ার পথেই মারা যায় উম্মে হাবিবা।
ইউএনও মুহিনুল আরও জানিয়েছেন, হাবিবা আসলে হিটস্ট্রোকেই মারা গেল কি না সেটা নিশ্চিত নয়। তবে অসুস্থ হয়ে বমি করা শুরু করলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনাটি জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে জানানো হয়েছে। তিনি বিষয়টি তদন্ত করবেন বলেও উল্লেখ করেন ইউএনও।
দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন ভূইয়া সংবাদ মাধ্যমকে জানান, আমরা খবরটি শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই তাকে ঢাকার দিকে নিয়ে যায় তার স্বজনেরা।
মন্তব্য করুন


কচুয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই
কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলার বড়তুলাগাঁও গ্রামের চাঁন্দার বাড়ির প্রবাসী বাহালুলের গৃহে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে কচুয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌছলেও ততক্ষণে সবকিছু পুড়ে ভষ্মীভূত হয়ে যায়। ততক্ষনে অগ্নিকান্ডে ১৫ লক্ষ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে বলেও জানান ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার।
প্রবাসী বাহালুলের স্ত্রী শাকিলা বেগম জানান, অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাতের সময় আমরা পরিবারের কেউ গৃহে ছিলাম না। অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ বলতে পারছিনা। অগ্নিকাণ্ডে নগদ ১ লক্ষ টাকা, ৫ ভরি ওজনের স্বর্ণলংকার, আইপিএস, সৌরবিদ্যুৎ, ৪টি স্টিলের আলমারী, ফ্রিজ, হিটারসহ মূল্যবান আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পুড়ে ছাই হয়। আমরা এখন সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছি।
কচুয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ মাহতাব মন্ডল জানান, রহিমানগর-ভাতেশ^র রাস্তা বেশালদশার কারণে অগ্নিকান্ডস্থলে আমাদের পৌছতে কিছুটা বিলম্ব হয়। বৈদ্যুতিক সর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


দেশী
বিদেশী বিরল প্রজাতির সংরক্ষিত জলজ প্রাণী কাছিম উদ্ধার করেছে পুলিশ।
কুমিল্লা
পুলিশ সুপারের নির্দেশে কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জাহিদুল
ইসলাম এর নেতৃতে চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ ত্রিনাথ সাহা সহ চৌদ্দগ্রাম থানার
একটি চৌকস অভিযানিক টিম ও বন্যপ্রাণী ব্যাবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, ঢাকা এর
যৌথ অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন
চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার পশ্চিম ধনমুড়ি সাকিনস্থ হায়দারপুল নামক স্থানের চট্টগ্রাম টু ঢাকামুখী
মহাসড়কের চট্টগ্রাম টু মংলাগামী জি.এস ট্রাভেলস্-এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
অভিযানে
বাস গাড়ীর পিছনের বক্স হতে তিনটি ককশীটের কার্টুনে প্লাষ্টিকের চটের বস্তার ভিতর রক্ষিত
০৪টি প্রজাতির ছোট বড় মোট ৪৫টি “কাছিম” উদ্ধার করা হয়।
বিরল
০৪ প্রজাতির কাছিমের মধ্যে ১। সুন্দি কাছিম (Spolted Flapshell Turtle) ১৯টি, ২। হলদে
কাইট্টা (Indian Eyed Turtle) ১১টি, ৩। কড়ি কাইট্টা (Indian Roofed Turtle) ০৫টি, ৪।
(Peacock Softshell Turtle) ১০টি।
গাড়ীর
সুপার ভাইজারকে কাছিম সংক্রান্তে জিজ্ঞাসাবাদ করিলে সে জানায় যে, তিনটি ককশীটের কার্টুন
ফেনী থেকে একজন ব্যক্তি মংলা নিয়ে যাওয়ার জন্য জি.এস ট্রাভেলস্ নামীয় বাস গাড়ীতে তুলে
দিলে বিষয় অধিকারী (১৭) নামে একজন উক্ত কার্টুনগুলো নিয়ে যাইতেছিল।
উক্ত
কার্টুনগুলো বহনকারী (বিষয় অধিকারী) বাগেরহাট জেলার মোল্লারহাট থানারমাদারতলী গ্রামের
বিধান চন্দ্র অধিকারীর ছেলে।
উদ্ধারকৃত
জীবন্ত “কাছিম” অবমুক্ত করার জন্য ঢাকার বন বিভাগের কর্মকর্তাদের নিকট হস্তান্তর করা
হয়। জীবন্ত “কাছিম” বহন করায় আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু বিষয় অধিকারীকে বন্যপ্রাণী
ব্যাবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, ঢাকা কর্তৃক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
মন্তব্য করুন