লিবিয়ার উপকূলে নৌকা ডুবে ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু

লিবিয়ার উপকূলে নৌকা ডুবে ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত



লিবিয়ার উপকূলে অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থীদের বহনকারী দুটি নৌকা ডুবে অন্তত চার বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) রাতে আল-খোমস উপকূলীয় শহরের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ত্রিপোলি থেকে প্রায় ১১৮ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত উপকূলীয় শহর আল-খোমস।


শনিবার (১৫ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্ট জানায়, প্রথম নৌকাটিতে ২৬ জন বাংলাদেশি ছিলেন, তাদের মধ্যে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আর দ্বিতীয় নৌকাটিতে ছিলেন ৬৯ জন। তাদের মধ্যে দুইজন ছিলেন মিসরীয় ও বাকি কয়েক ডজন সুদানি নাগরিক। তবে তাদের পরিণতি সম্পর্কে রেড ক্রিসেন্ট কোনো তথ্য দেয়নি। নৌকাটিতে আটজন শিশু ছিল বলেও জানানো হয়।


লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্টের প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, কালো প্লাস্টিক ব্যাগে মোড়ানো লাশগুলো সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে। অন্য ছবিতে দেখা যায়, স্বেচ্ছাসেবীরা বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিচ্ছেন। আরও কিছু ছবিতে উদ্ধার হওয়া মানুষদের থার্মাল কম্বল জড়িয়ে মেঝেতে বসে থাকতে দেখা যায়।


বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, উদ্ধারকাজে কোস্টগার্ড ও আল-খোমস বন্দর নিরাপত্তা সংস্থা অংশ নেয়। শহরের পাবলিক প্রসিকিউশনের নির্দেশনায় উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


এর আগে বুধবার (১২ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানায়, আল বুরি তেলক্ষেত্রের কাছে একটি রাবারের নৌকা ডুবে অন্তত ৪২ জন নিখোঁজ হয়েছেন ও তারা সবাই মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।


গত অক্টোবরে ত্রিপোলির পশ্চিম উপকূলে ৬১ জন অভিবাসীর লাশ উদ্ধার করা হয়। সেপ্টেম্বরে আইওএম জানায়, লিবিয়ার উপকূলে ৭৫ জন সুদানি শরণার্থীবাহী একটি নৌকায় আগুন ধরে কমপক্ষে ৫০ জনের মৃত্যু হয়।


২০১১ সালে ন্যাটোর সমর্থনে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকেই লিবিয়া যুদ্ধ, দারিদ্র্য ও অস্থিরতা থেকে পালানো অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য ইউরোপমুখী ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়েছে।


সূত্র: আল-জাজিরা

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০

সিরিয়ায় ৭৫টি ঘাঁটিতে বিমান হা’মলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

সিরিয়ায় ৭৫টি ঘাঁটিতে বিমান হা’মলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
বিমান হামলা


আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

সিরিয়ায় জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) ৭৫টি ঘাঁটিতে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় রোববার (৮ ডিসেম্বর) এসব হামলা চালানো হয়। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, আইএসের শীর্ষ নেতা, সহযোগী এবং বিভিন্ন ক্যাম্প লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়েছে।

সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, বি-৫২, এফ-১৫ এবং এ-১০ সহ একাধিক মার্কিন বিমান ৭৫টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

সিরিয়ার স্বৈরশাসক বাশার আল-আসাদ দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর দেশটির বিভিন্ন স্থানে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র।

দেশটিতে বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অভিযানের মুখে ব্যক্তিগত বিমানে করে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন বাশার আল-আসাদ। বিশ্লেষকরা বলছেন, এর মাধ্যমেই সিরিয়ায় আসাদ পরিবারের ৫৩ বছরের শাসনামলের অবসান হলো।

২০০০ সালের জুলাই মাসে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন বাশার আল-আসাদ। একই সময়ে তিনি বাথ পার্টির নেতা ও সামরিক বাহিনীর প্রধানের দায়িত্বও নেন। তবে তার শাসনের এক দশক পর অর্থাৎ ২০১১ সালে সিরিয়ার জনগণ গণতন্ত্রের দাবিতে আন্দোলনে মাঠে নামলে তিনি কঠোর দমননীতি গ্রহণ করেন।

২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধকে ঘিরে বাশার আল-আসাদের সঙ্গে পশ্চিমাদের সম্পর্কের অবনতি হয়। তিনি ইরাকে মার্কিন আগ্রাসনের বিরোধিতা করেছিলেন। সম্ভবত তার আশংকা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর পরবর্তী টার্গেট সিরিয়া হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র সেসময় ইরাকে তাদের বিরোধীদের কাছে অস্ত্র চোরাচালানে সহায়তার জন্য দামেস্ককে দায়ী করছিল। ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। এরপর ২০০৫ সালে লেবাননের প্রধানমন্ত্রী রফিক হারিরি বৈরুতে বিস্ফোরণে নিহত হলে এ ঘটনার জন্য অনেকে সিরিয়া ও তার সহযোগীদেরই দায়ী করে।

এদিকে ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ ও তার পরিবার রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে পৌঁছেছেন বলে জানা গেছে। ক্রেমলিনের সূত্র উল্লেখ করে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাস এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবরে বলা হয়েছে, মানবিক দিক বিবেচনা করে আসাদ ও তার পরিবারকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছে রাশিয়া।

ক্রেমলিনের একটি সূত্র বলেছে, রাশিয়া সবসময় সিরিয়ার সংকটের একটি রাজনৈতিক সমাধানের পক্ষে ছিল। আমরা জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে আলোচনার পুনরারম্ভের জন্য জোর দিচ্ছি।

তাসের খবরে আরও বলা হয়েছে, রাশিয়ার কর্মকর্তারা সিরিয়ার সশস্ত্র বিরোধী গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। বিদ্রোহীরা সিরিয়ায় অবস্থিত রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটি ও কূটনৈতিক মিশনের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিয়েছে।

এদিকে, সিরিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠকের আহ্বান করেছে রাশিয়া। জাতিসংঘে দেশটির প্রথম উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি দিমিত্রি পলিয়ানস্কি জানান, সোমবার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, কূটনৈতিক সূত্রগুলো বৈঠকের সময় নিশ্চিত করেছে। পলিয়ানস্কি বলেন, আসাদ সরকারের পতনের গভীরতা এবং এর প্রভাব রাশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের জন্য কী হতে পারে, তা এখনই বলা কঠিন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০

ইউক্রেনের একাধিক শহরে রুশ হামলা, নিহত ২৩

ইউক্রেনের একাধিক শহরে রুশ হামলা, নিহত ২৩
ইউক্রেন হামলার ছবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে রাশিয়ার হামলায় অন্তত ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। ইউক্রেনের কর্মকর্তারা এই মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে দিনে চালানো বিরল হামলায় অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছে। শহরটির মেয়র জানিয়েছেন, উদ্ধারকাজের সময় একটি শিশু হাসপাতালেও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।

কিরিভিহ রিহ শহরের সামরিক প্রশাসনের প্রধান জানিয়েছেন, ওই এলাকায় রাশিয়ার হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছে। এছাড়াও পেক্রোভস্কে তিন জন নিহত হয়েছে, ডিনিপ্রো শহরে একজন নিহত হয়েছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি পোল্যান্ড শহরে থাকা অবস্থায় জানিয়েছেন, এই দিন তার দেশে ৪০টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।

জেলেনস্কি বলেছেন, কিয়েভ, দিনিপ্রো, কিরিভি রিহসহ বিভিন্ন শহরে ৪০টির বেশি বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। এতে আবাসিক ভবন, অবকাঠামো ও শিশু হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০

সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পার্বত্যাঞ্চলে আড়াইশ ক্যাম্প চায় সেনাবাহিনী

সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পার্বত্যাঞ্চলে আড়াইশ ক্যাম্প চায় সেনাবাহিনী
ছবি: সংগৃহীত



পার্বত্য চট্টগ্রাম আবার অস্থিতিশীল করে তুলতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে ভারতীয় মদতপুষ্ট সশস্ত্র সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট বা ইউপিডিএফ। ধর্ষণের নাটক সাজিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানো, অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ নিয়ে পাহাড়ে হামলা চালানো এবং চাঁদাবাজি ও অপহরণের মতো কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়েছে সংগঠনটির সদস্যরা। নিরাপত্তা বাহিনীর মতে, পতিত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর ভারত আবার পাহাড়ে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির মাধ্যমে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলতে চাইছে।


এ পরিস্থিতিতে পাহাড়ে দায়িত্ব পালন করা সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পার্বত্যাঞ্চলে অন্তত আড়াইশ নতুন সেনা ক্যাম্প স্থাপন করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। তাদের যুক্তি, নতুন ক্যাম্প হলে প্রতিটি রুটে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানো যাবে, অস্ত্রপ্রবাহ বন্ধ হবে এবং চাঁদাবাজি ও অপহরণ বন্ধ করা সম্ভব হবে। রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প বৃদ্ধি জরুরি।


নাম প্রকাশ না করার শর্তে সেনাবাহিনীর বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এসব তথ্য জানান।


এসব সেনা কর্মকর্তার দাবি, শান্তিচুক্তির পর ক্যাম্প কমে যাওয়ায় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো নতুন করে শক্তি সঞ্চয় করেছে এবং এখন তারা প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি, অপহরণ ও হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে। পাহাড়ের সশস্ত্র গ্রুপগুলো গত এক বছরে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা চাঁদা তুলেছে। গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী, এর মধ্যে ইউপিডিএফ তুলেছে ১০৪ কোটি টাকা। চাঁদা নেওয়ার তালিকায় রয়েছে সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, কৃষি, যানবাহন, ঠিকাদার, কাঠ, বাঁশ ও অপহরণ। এর মধ্যে সশস্ত্র গ্রুপগুলো রাঙামাটি জেলা থেকে ২৪৪ কোটি, খাগড়াছড়ি থেকে ৮৬ কোটি এবং বান্দরবান থেকে ২০ কোটি টাকা চাঁদা তুলেছে।


শুধু চাঁদা নয়; অপহরণ ও হত্যার সঙ্গেও জড়িত ইউপিডিএফ। ২০০৯ থেকে এ পর্যন্ত ৩৩২ জনকে অপহরণ করে সশস্ত্র গোষ্ঠীটি। এর মধ্যে পাহাড়িরাও ছিলেন। সর্বশেষ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থীকে অপহরণ করার ঘটনা ঘটে। তাদের হাতে ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৮৯ জন হত্যার শিকার হয়েছেন, যাদের মধ্যে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য যেমন রয়েছেন, তেমনি সেনাবাহিনীর ১৬ সদস্যও রয়েছেন।


ইউপিডিএফ এবং তাদের সহযোগীরা ভারতের মিজোরামে স্থাপিত ক্যাম্প থেকে অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ নিয়ে এসে বাংলাদেশের ভেতরে নাশকতা চালাচ্ছে। সেনাবাহিনী মনে করে, সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ক্যাম্প স্থাপন অপরিহার্য। বর্তমানে খাগড়াছড়িতে ৯০, রাঙামাটিতে ৭০ এবং বান্দরবানে ৫০টিসহ ২১০টি ক্যাম্প থাকলেও পাহাড়ের ভৌগোলিক বাস্তবতায় তা যথেষ্ট নয়। আরো অন্তত আড়াইশ নতুন ক্যাম্প হলে সন্ত্রাসীরা আর মাথা তুলতে পারবে না।


সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রতি সদয় ছিল হাসিনার সরকার


সেনা সদর বলছে, শেখ হাসিনার আমলে সশস্ত্র গ্রুপগুলোর প্রতি নমনীয় থাকার অলিখিত নির্দেশ ছিল, যার ফলে সন্ত্রাসীরা রাজনৈতিক মদত ও প্রশাসনিক শৈথিল্য কাজে লাগিয়ে শক্তিশালী হয়। কিন্তু বর্তমান নীতি হলো ‘নো কম্প্রোমাইজ’। অর্থাৎ সন্ত্রাসীদের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস বা আলোচনার জায়গা নেই, সরাসরি অ্যাকশনই একমাত্র পথ। কারণ, গোষ্ঠীগুলো কখনো সাধারণ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে না; তারা পাহাড়ি ও বাঙালি- উভয় জনগোষ্ঠীকেই জিম্মি করে রেখেছে।


পাহাড়ে দায়িত্ব পালন করা একজন ব্রিগেড কমান্ডার জানান, ইউপিডিএফ ও অন্যান্য সন্ত্রাসী গ্রুপের কার্যক্রম এখন শুধু চাঁদাবাজি বা অপহরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। তারা ভারতের মিজোরাম থেকে সরাসরি প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র নিয়ে এসে পাহাড়ে হামলা চালাচ্ছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হলে অতিরিক্ত সেনা ক্যাম্প স্থাপন অপরিহার্য। আমরা মনে করি, কমপক্ষে আড়াইশ নতুন ক্যাম্প প্রয়োজন।


খাগড়াছড়ি জোনের দায়িত্বে থাকা একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল বলেন, যেভাবে মিথ্যা ধর্ষণের নাটক সাজানো হলো, সামনে আরো বড় কোনো ঘটনা ঘটানো হতে পারে। এ ধরনের ষড়যন্ত্র ঠেকাতে সেনাদের দ্রুত উপস্থিতি জরুরি। কিন্তু বিস্তীর্ণ পাহাড়ি এলাকার অনেক জায়গায় সেনা ক্যাম্প নেই, ফলে সন্ত্রাসীরা ফাঁকফোকর কাজে লাগায়। তাই আমরা আড়াইশ ক্যাম্প স্থাপনের দাবি তুলেছি।


বান্দরবানে দায়িত্ব পালন করা একজন মেজর জানান, ইউপিডিএফের চাঁদাবাজি ও হত্যাকাণ্ডের তথ্য আমাদের হাতে আছে। তারা ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার প্রত্যক্ষ সহায়তায় চলছে। প্রতিটি রুট আমরা চিহ্নিত করেছি। এখন প্রয়োজন তাৎক্ষণিক নিয়ন্ত্রণ। নতুন ক্যাম্পগুলো হলে আমরা এক ঘণ্টার মধ্যেই যেকোনো স্থানে অভিযান চালাতে পারব।


রাঙামাটির এক জোন কমান্ডার বলেন, আমাদের হাতে গোয়েন্দা প্রমাণ রয়েছে যে, ইউপিডিএফের অন্তত ছয়টি ক্যাম্প ভারতের মিজোরামে। তাদের লোকজন প্রশিক্ষণ নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। সীমান্ত পাহাড়ে ক্যাম্প বাড়ানো ছাড়া এ অনুপ্রবেশ ঠেকানো যাবে না। জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সেনা ক্যাম্পের সংখ্যা আড়াইশতে উন্নীত করা জরুরি।


সার্বিক বিষয়ে খাগড়াছড়িতে দায়িত্ব পালন করা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান মাহমুদ বলেন, নতুন সেনা ক্যাম্প স্থাপনের বিষয়টি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত। আমরা এখন আমাদের যা পুঁজি আছে, সেগুলো নিয়ে নজরদারি করছি। ধর্ষণের ঘটনাকে পুঁজি করে সাধারণ পাহাড়ি নারী ও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সামনে দিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা করছে ইউপিডিএফ। এসব কর্মসূচিতে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দিয়ে দেশীয় ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ব্যবহার করে ফায়ারিং করা হয়েছে। সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখবে।


নিরাপত্তা বিশ্লেষক মোহাম্মদ এমদাদুল ইসলাম জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামে বর্তমানে ক্রমবর্ধমান সন্ত্রাসী তৎপরতা, চাঁদাবাজি, অপহরণ ও হত্যাকাণ্ড নতুন মাত্রা পেয়েছে। সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার চাইলে কেন আমরা তা প্রত্যাহার করব? আমরা আমাদের কৌশলে এগিয়ে যাব।


নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. শহীদুজ্জামান বলেন, ইউপিডিএফ এবং অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠী ভারতের মিজোরাম ও ত্রিপুরা থেকে প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে, যা আমাদের জন্য শঙ্কার বিষয়। সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া এবং কার্যকর নজরদারি ছাড়া দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা সম্ভব নয়। সে কারণে আড়াইশ নতুন সেনা ক্যাম্প স্থাপন এখন একান্ত জরুরি। এসব ক্যাম্প স্থাপন করা হলে সেনাবাহিনী দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারবে এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম কার্যকরভাবে দমন করা সম্ভব হবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০

ভূমিদস্যুদের ছাড় দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ভূমিদস্যুদের ছাড় দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত



যারা খাল বা ভূমি দখল করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। 


তিনি বলেন, ভূমিদস্যুরা দেশ ও সমাজের শত্রু। তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।


আজ মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) সকালে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া ঝাউবাড়ি এলাকায় শুভাঢ্যা খাল খনন ও সুরক্ষা কাজের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।


তিনি বলেন, একসময় এই খালটি সচল এবং প্রবাহমান ছিল। কিন্তু ভূমিদস্যুরা দখল করে এটিকে ময়লার ভাগাড়ে পরিণত করেছে। আর কিছুদিন গেলে এই খালটি ফিরে পাওয়া যেত না। ভূমিদস্যুরা এটিকে রাস্তায় পরিণত করত।


জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, যে খাল দিয়ে মানুষ যাতায়াত করত এবং বুড়িগঙ্গা থেকে ধলেশ্বরী নদী পর্যন্ত পানি প্রবাহিত হতো, সেই খালটিকে আজ ভূমিদস্যুরা দখল ও দূষণ করে সর্বনাশ করেছে। যারা এই নির্দেশনা মানবে না, তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০

শেখ হাসিনা ও তার বোন রেহানার ব্যাংক হিসাব তলব

শেখ হাসিনা ও তার বোন রেহানার ব্যাংক হিসাব তলব
শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানা




বাংলাদেশ আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট (বিএফআইইউ) সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানার ব্যাংক হিসাবের তথ্য তলব করেছে। একইসঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের ব্যাংক হিসাবের তথ্যও তলব করা হয়েছে।


সোমবার (৯ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বিএফআইইউ দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠিয়ে অ্যাকাউন্টের তথ্য তলব করেছে।


বিএফআইইউর এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।


এ নির্দেশের মাধ্যমে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা সংশ্লিষ্ট ধারা প্রযোজ্য হবে বলে বিএফআইইউর চিঠিতে বলা হয়েছে। চিঠিতে তলব করা ব্যক্তির নাম, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য দেওয়া হয়েছে।


বিএফআইইউর নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, হিসাব তলব করা ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্ট তথ্য বা দলিল যেমন হিসাব খোলার ফরম, কেওয়াইসি ও লেনদেন বিবরণী ইত্যাদি চিঠি দেওয়ার তারিখ থেকে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে বিএফআইইউতে পাঠানোর জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বলা হয়েছে।


বিএফআইইউর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের অ্যাকাউন্টে কোথা থেকে কীভাবে টাকা এসেছে, তা জানাতে বলা হয়েছে।


এছাড়া সেই অর্থ পরবর্তী সময়ে কোথায় খরচ হয়েছে, নগদে উত্তোলন হয়েছে কি না, এসব বিস্তারিত তথ্যও চাওয়া হয়েছে। চিঠিতে এই ট্রাস্টের ঠিকানা ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের বঙ্গবন্ধু ভবন উল্লেখ করা হয়েছে। ট্রাস্টের চেয়ারম্যান শেখ হাসিনা। তার বোন শেখ রেহানা অন্যতম ট্রাস্টি।


এছাড়া অন্য যারা এই ট্রাস্টের সঙ্গে জড়িত কিংবা যেসব অ্যাকাউন্টে ট্রাস্টের হিসাব থেকে অর্থ স্থানান্তর হয়েছে, জমা হয়েছে, তাদের তথ্যও দিতে বলা হয়েছে।


বিএফআইইউর আরেক চিঠিতে গোপালগঞ্জের বাসিন্দা ও ধারাভাষ্যকার চৌধুরী জাফরুল্লাহ সরাফাত, তার ভাই চৌধুরী হাবিবুল্লাহ সরাফাত, এবং তাদের মা ডালিয়া চৌধুরী-র হিসাবের তথ্য চাওয়া হয়েছে।


এর আগে, তাদের আরেক ভাই ও পদ্মা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান চৌধুরী নাফিজ সরাফাতের ব্যাংক হিসাব জব্দ করে বিএফআইইউ। তাদের পরিবারের সঙ্গে শেখ হাসিনা পরিবারের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০

‘বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় চীন’

‘বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় চীন’
ছবি: সংগৃহীত



বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় চীন বলে জা‌নি‌য়ে‌ছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং। বাংলাদেশ-চীন কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বার্ষিকীতে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের স‌ঙ্গে বি‌নিময় করা অভিনন্দন বার্তায় এ কথা জানান শি।


ঢাকার চীনা দূতারা জানিয়েছেন, ‘চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন শনিবার (৪ অক্টোবর) দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বার্ষিকীতে অভিনন্দন বার্তা বিনিময় করেছেন।’


চীনা প্রেসিডেন্ট শি তার বার্তায় উল্লেখ করেছেন, চীন ও বাংলাদেশ ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী এবং বিনিময়ের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে।


কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত ৫০ বছরে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ভূদৃশ্যের পরিবর্তন নির্বিশেষে, চীন ও বাংলাদেশ সর্বদা শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পাঁচ নীতির ভিত্তিতে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমতা এবং দেশগুলোর মধ্যে উইন উইন সহযোগিতার উদাহরণ স্থাপন করেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন এবং বাংলাদেশ রাজনৈতিক পারস্পরিক আস্থা সুসংহত করে চলেছে। বেল্ট অ্যান্ড রোড সহযোগিতার পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাবহারিক সহযোগিতা প্রসারিত করেছে এবং তাদের ব্যাপক কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারি আরো গভীর করেছে।’


চীনা প্রেসিডেন্ট জোর দিয়ে বলেন, ‘তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেন এবং ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার, পারস্পরিক সহযোগিতা আরো গভীর করার এবং অভিন্ন উন্নয়নের লক্ষ্যে সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত, যাতে দুই দেশের জনগণের আরো ভালোভাবে কল্যাণ হয় এবং বিশ্বশান্তি ও উন্নয়নে আরো বেশি অবদান রাখা যায়।’


প্রেসিডেন্ট সাহাবুদ্দিন তার বার্তায় বলেন, ‘গত ৫০ বছরে বাংলাদেশ ও চীন পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে গভীর বন্ধুত্ব গড়ে তুলেছে, পাশাপাশি স্থায়ী সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের জন্য বাস্তব সুবিধা বয়ে এনেছে। তিনি উল্লেখ করেন যে আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং অভিন্ন সমৃদ্ধি বৃদ্ধিতে চীনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রতি বাংলাদেশ অত্যন্ত কৃতজ্ঞ এবং বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে চীনের দীর্ঘমেয়াদি মূল্যবান সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন যে, দুই দেশের নেতা ও জনগণের যৌথ প্রচেষ্টায় দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরো বৃহত্তর ফল বয়ে আনবে।’


একই দিনে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এবং বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসও অভিনন্দন বার্তা বিনিময় করেছেন।


ড. ইউনূস তার বক্তব্যে বলেন, ‘৫০ বছর আগে দ্বিপক্ষীয় কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পর থেকে দুই দেশের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্ব আরো দৃঢ় হয়েছে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ক্রমে বিকশিত হয়েছে এবং সহযোগিতা ফলপ্রসূ ফল এনেছে, যা উদযাপনের যোগ্য।’


তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ দুই দেশের মধ্যে ব্যাপক কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারির ক্ষেত্রে নতুন অর্জন তুলে ধরতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’


চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং বলেন, ‘চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের উন্নয়নকে অত্যন্ত মূল্য দেয় এবং ৫০তম বার্ষিকীকে বেল্ট অ্যান্ড রোড সহযোগিতা, পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা ত্বরান্বিত করার সুযোগ হিসেবে গ্রহণের জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। চীন-বাংলাদেশ সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারির অব্যাহত প্রবৃদ্ধিকে উৎসাহিত করে।’

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০

জুলাই অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ঘোষণা করতে হবে: সারজিস আলম

জুলাই অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ঘোষণা করতে হবে: সারজিস আলম
সারজিসরে ছবি 10

ডেস্ক রিপোর্ট:

জাতীয় নাগরিক কমিটির মূখ্য সংঘঠক সারজিস আলম  বলেছেন, ৭১ যেমন আমাদের শিকড় হিসেবে সংবিধানে স্বীকৃতি পেয়েছে, ২৪-ও আমাদের অস্তিত্বের লড়াই হিসেবে সংবিধানে ঠাঁই পাবে। এত মানুষ রক্ত ও জীবন দিয়ে সংগ্রাম করে খুনি হাসিনাকে বিতাড়িত করে তার স্বামীর সংসারে পাঠিয়ে দিলেন। ঘোষণাপত্রে এর স্বীকৃতি দেয়া উচিত কিনা। জুলাই-আগস্ট ২৪ এর অভ্যুথানের বিষটি একটি লিখিত আকারে থাকুক। এই ঘোষণাটা লিখিত আকারে সংবিধানে স্থান দেয়া হোক। আজ বুধবার দুপুরে নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা ইটাখোলা মোড়ে এই লিফলেট বিতরণ লে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় সাত দফা দাবি সম্বলিত জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশের দাবি এবং জনমত গঠনে নরসিংদীতে লিফলেট বিতরণ করা হয়। এসময় পথ সভায় কথা বলেন জাতীয় নাগরিক কমিটির মূখ্য সংঘঠক সাধারণ সম্পাদক ও জুলাই-আগস্ট ২৪ এর স্বমন্বয়ক সারজিস আলমের সাথে ছিলেন জাতীয় নাগরিক কমিটির যুগ্ম আহকায়ক সারোয়ার তুষার। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির আয়োজনে এই কর্মসূচিতে নরসিংদী ও শিবপুরের শত শত সমন্বয়ক শিক্ষার্থী-জনতা অংশ নেয়। পরে দিনব্যাপী নরসিংদীর শিবপুর, সদরসহ বিভিন্ন স্থানে লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি।

সারজিস আলম আলম আরো বলেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন তথা জুলাই অভুথ্যানের নেত্রীতের কথা পরিস্কার করে ঘোষণাপত্রে উল্লেখ থাকতে হবে। অভুত্থানে আওয়ামী খুনি ও ফ্যাসিস্টদের বিচার নিশ্চিত করার স্পষ্ট অঙ্গীকার ব্যক্ত করতে হবে। ১৯৪৭ সালের পাকিস্তানের আন্দোলন, ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ ও ২০২৪ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতা পরিস্কার করতে হবে। প্রত্যেকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ।  

ফ্যাসিবাদি রাষ্ট্র ব্যাবস্থার মূল ভিত্তি সংবিধান বাতিল করে নির্বাচিত গণপরিষদ গঠনের মাধ্যমে সম্পূণ নতুন গণতান্ত্রিক সংবিধান প্রণয়ন করতে হবে। যে সংবিধান জনগণের কথা বলবে, সে সংবিধান থাকবে। যে ধারা জনগণের কথা বলবে না সে ধারাগুলো সংবিধানে থাকতে পারবে না।

নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তে সব ধরনের বৈষম্য নিরসনের মধ্য দিয়ে নাগরিক পরিচয় প্রধান করে রাষ্ট্রকাঠামো গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি থাকতে হবে। জুলাই অভ্যুত্থানের একমাত্র প্রধান লক্ষ্য আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারকে উৎখাত করা ছিল না; বরং গত ৫৩ বছরের বৈষম্য, শোষণ ও ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক ব্যবস্থা বিলোপ করার লক্ষ্যে এ অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে। সুতরাং বিদ্যমান ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রকাঠামো বিলোপ করতে সব ধরনের সংস্কারের ওয়াদা দিতে হবে।

আমাদেরকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যাবে না। ধর্মের দোহাই দিয়ে ভাগ করা যাবে না। পেশা দিয়ে ভাগ করা যাবে না। সবাইকে সমান নাগরিক সুবিধা থাকতে হবে। একজন ভিআইপি সুবিধা পাবে অন্য জন পাবে না। তা আর হবে না। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জুলাই অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র ঘোষণা করতে হবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০

৬ দিনের রিমান্ডে কণ্ঠশিল্পী মমতাজ

৬ দিনের রিমান্ডে কণ্ঠশিল্পী মমতাজ
ছবি: সংগৃহীত




মানিকগঞ্জের সিংগাইরে হত্যা মামলা ও হরিরামপুরে মারধর ও ভাঙচুরের মামলায় আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগমের বিরুদ্ধে ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।


বৃহস্পতিবার (২২ মে) সকাল সোয়া ১১টায় মমতাজ বেগম আদালতে হাজির হওয়ার পর মানিকগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।


আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালে সিংগাইর উপজেলার গোবিন্দা এলাকায় হরতাল সমর্থনে এক মিছিলে পুলিশের গুলিতে ৪ জন নিহত হন। ওই ঘটনায় মমতাজ বেগমকে প্রধান আসামি করে গত ২৫ অক্টোবর সিংগাইর থানায় হত্যার মামলা দায়ের করা হয়। মামলার বাদী গোবিন্দা গ্রামের মো. মজনু মোল্লা।


এছাড়া, মমতাজ বেগমের নির্বাচনী এলাকা হরিরামপুরে হামলা, মারধর ও ভাঙচুরের অভিযোগে আরেকটি মামলা রয়েছে। গত ২৯ অক্টোবর হরিরামপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন এই মামলা করেন।


আদালত কর্মকর্তা আবুল খায়ের জানান, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুন নূর ও সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক আইভি আক্তারের আদালতে মমতাজ বেগমের শুনানি হওয়ার কথা ছিল।


এর আগে ঢাকার বিভিন্ন থানায় দায়ের করা হত্যা মামলায় মমতাজ বেগম ৪ দিনের রিমান্ডে ছিলেন। রিমান্ড শেষে তাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০

সরকারি চাকরি সংশোধন অধ্যাদেশ পর্যালোচনা করা হচ্ছে: উপদেষ্টা

সরকারি চাকরি সংশোধন অধ্যাদেশ পর্যালোচনা করা হচ্ছে: উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত

কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দাবির মুখে সরকারি চাকরি সংশোধন অধ্যাদেশটি পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে বলে জানান অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। 


আজ মঙ্গলবার অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে কর্মচারীরা স্মারকলিপি দিতে গেলে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।


সম্প্রতি সরকারি চাকরি সংশোধন অধ্যাদেশ জারি হওয়ার পর থেকেই এটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করে আসছে সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরাম। পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী মঙ্গলবারও বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।


অধ্যাদেশকে কালো আইন উল্লেখ করে তারা এটি বাতিলে স্লোগান দেন। এসময় অধ্যাদেশটি জারির আগেও সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে কর্মপরিবেশের কোনো ব্যাঘাত ঘটেনি মন্তব্য করে ঐক্য ফোরাম নেতারা বলেন, এই আইনের মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে।

 

আশ্বাস দেয়া সত্ত্বেও প্রস্তাবিত বাজেটে মহার্ঘ ভাতার ঘোষণা না থাকায় তীব্র ক্ষোভ জানিয়ে তারা জানান, কর্মচারীদের সঙ্গে এ ধরনের বিমাতাসুলভ আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

 

এসময় ঈদের পর সারা দেশে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার ঘোষণা দেন ঐক্য ফোরামের কো চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম এবং বাদিউল কবীর।


পরে অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে অর্থ উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি দেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। 


এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা জানায়, অধ্যাদেশটির সার্বিক দিক পরিচালনার জন্য সচিবদের একটি কমিটি কাজ করে যাচ্ছে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০

দেশের সীমান্তের জেলাগুলোকে সতর্ক থাকার নির্দেশ আইজিপির

দেশের সীমান্তের জেলাগুলোকে সতর্ক থাকার নির্দেশ আইজিপির
ছবি: সংগৃহীত



বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম দেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোর পুলিশ সুপারদের সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছেন।


বুধবার (৭ মে) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বাংলাদেশ পুলিশ বার্ষিক শ্যুটিং প্রতিযোগিতা ২০২৪-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এ নির্দেশনা দেন।


আইজিপি বলেন, ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের নিরাপত্তা যেন কোনোভাবে বিঘ্নিত না হয়, সেই লক্ষ্যে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, জঙ্গি বা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী যেন কোনোভাবেই দেশে অনুপ্রবেশ করতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে।


অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুলিশ ক্লাবের সভাপতি ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর অতিরিক্ত আইজিপি মো. মোস্তফা কামালসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০