

পেরুতে একটি যাত্রীবাহী বাস পাহাড়ি
খাদে পড়ে কমপক্ষে ১৬ জন নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৪ মে) দেশটির পাহাড়ি আয়াকুচো
অঞ্চলে ভ্রমণের সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বার্তাসংস্থা এএফপির বরাত দিয়ে বুধবার
(১৫ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম মলদোভা নিউজ।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাসটি ৪০ জনেরও
বেশি যাত্রী নিয়ে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল আন্দিজের রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল। এক পর্যায়ে ছিটকে
১০০ মিটার গভীর খাদে পড়ে যায়।
তবে দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন আয়াকুচোর কর্মকর্তা
ওয়াইবার ভেগা।
সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, ১৩ জনের মৃতদেহ
ইতোমধ্যেই উদ্ধার করা হয়েছে এবং আরও তিন মরদেহ বাসের নিচ থেকে উদ্ধার করা বাকি রয়েছে।
শিলাবৃষ্টি-সহ খারাপ আবহাওয়ার কারণে উদ্ধারকাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
পেরুর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতির
বরাতে এএফপি বলছে, বাসটি লিবার্তাদোরস হাইওয়ের আঁকাবাঁকা রাস্তা দিয়ে লিমা থেকে আয়াকুচো
শহরে যাচ্ছিল। একপর্যায়ে বাসটি উল্টে একটি ঢালে গড়িয়ে পড়ে।
মন্তব্য করুন


এক অন্যরকম আবেগের শব্দ মা। এর সাথে জড়িয়ে থাকে একটি মানুষের হৃদস্পন্দন। মায়ের মতো দুনিয়াতে কেউ হয় না।
এবার সেই কথাকেই যেন বাস্তবে প্রমাণ করলেন এক ছেলে। করলেন ইক অকল্পনীয় কাজ ।
নিজের গায়ের চামড়া কেটে মায়ের জন্য জুতা বানালেন। শুধু তাই নয়, নিজের হাতে সে জুতো পরিয়েও দিলেন এই ছেলে।
এই যুবকের নাম রৌনক গুর্জর। ভারতের মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনীর বাসিন্দা সে। রৌনক গুর্জর জানান, তিনি রামায়ণের ভক্ত। রোজ একবার করে রামায়ণ পাঠ করেন। রাম তার আদর্শ। সেই গ্রন্থ পাঠ করেই মায়ের জন্য কিছু করার ইচ্ছা জাগে তার মনে। এজন্য নিজের গায়ের চামড়া দিয়ে মায়ের জুতা তৈরির পরিকল্পনা করেন।
জানা গেছে, অতীতে বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যকলাপের সাথে যুক্ত ছিলেন রৌনক। একবার পায়ে পুলিশের গুলিও খান তিনি। পরে সেই পায়ের অংশ থেকে অস্ত্রপচারের মাধ্ম্যমে কিছুটা চামড়া কেটে মায়ের জন্য জুতা বানান এই ছেলে। শুধু তাই নয়, নিজের হাতে মায়ের পায়ে পরিয়ে দেন সেই জুতা। আর এতে আবেগে মা কেঁদে ফেলেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, রামায়ণ অনুযায়ী, ভগবান রাম একবার বলেছিলেন, নিজের চামড়া দিয়ে তৈরি জুতা মায়ের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের জন্য যথেষ্ট নয়। সেখান থেকেই এই ভাবনাটি মাথায় আসে বলে জানায় ওই যুবক।
অন্যদিকে, জুতা পেয়ে উচ্ছ্বসিত বৃদ্ধা মা বলেন,এমন ছেলে যেন ঈশ্বর সব মাকেই দেন।
মন্তব্য করুন


স্মরণকালের সবচেয়ে বড় বন্যায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি। অতিবৃষ্টির পর যমুনা নদীর পানি বেড়ে তা শহরে ঢুকে পড়ে। আর এ বন্যার পানিতে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে দিল্লিতে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, শুক্রবার (১৪ জুলাই) দিল্লির সবচেয়ে ব্যস্ততম সড়ক বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। ইন্দ্রপ্রস্থ মেট্রো স্টেশনের কাছে একটি ড্রেন ব্যবস্থা ভেঙে যাওয়ার পর গুরুত্বপূর্ণ সড়কটিতে পানি ঢুকে পড়ে।
আর এই ড্রেন ব্যবস্থা ভেঙে যাওয়ার পর দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল সেনাবাহিনী ও জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন বাহিনীর সহায়তা চেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সারাদিন যমুনার পানি স্থিতিশীল ছিল এবং সন্ধ্যার পর থেকে তা কিছুটা নেমে এসেছে। বৃহস্পতিবার রাতে যমুনার পানির স্তর ছিল ২০৮.৬৬ মিটার। শুক্রবার সকালে তা ২০৮.৪৬ মিটারে নেমে এসেছে। ওয়াটার কমিশনের আশা শুক্রবার দুপুরের পর থেকে যমুনার পানি আরও কমবে এবং দুপুর নাগাদ তা ২০৮.৩০ মিটারে নেমে যাবে। তা সত্ত্বেও এখনো পানির নিচে রয়ে গেছে দিল্লির অনেক অঞ্চল। সেখানকার স্থানীয় সরকার স্কুল, কলেজ, শ্মশান; এমনকি পানি শোধনাগারও বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
আইটিও ও রাজঘাটের অনেক এলাকা এখনো পানির নিচে রয়েছে। এছাড়া রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র তিলক মার্গ এলাকায় অবস্থিত সুপ্রিম কোর্টের আঙ্গিনায় বন্যার পানি ঢুকেছে। আইটিওতে সরকারি অনেক অফিস ও পুলিশের সদর দপ্তর অবস্থিত।
এদিকে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হিমাচল প্রদেশে কমপক্ষে ৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে গত পাঁচ দিনে মারা গেছেন ৪২ জন। ওই রাজ্যে শতাধিক মানুষ বিভিন্ন দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। বন্যার পানিতে গাড়ি, বাস, সেতু, বাড়িঘর ভেসে যাচ্ছে।
বুধবার থেকে বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন দুর্ঘটনায় উত্তর প্রদেশে ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। রাজ্য সরকারের মুখপাত্র শিশির সিং এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এদিকে বন্যার পানি অনেক আগে দিল্লির লালকেল্লা ছুঁয়েছে। এবার সুপ্রিম কোর্ট চত্বরেও পৌঁছে গেছে যমুনার পানি।
সেচ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বিভাগের কর্মকর্তা এবং বিপুল সংখ্যক কর্মী পানির প্রবাহ বন্ধ করার জন্য ইতোমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শুরু করেছেন।
মন্তব্য করুন


ভুক্তভোগী নারীরা সবাই একই বেসরকারি স্কুলে পড়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে
অনিচ্ছাকৃত গর্ভধারণ এড়াতে কার্যকর একটি উপায় হিসেবে কনডোমের ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়। এটি যৌনবাহিত রোগ থেকেও সুরক্ষা দিয়ে থাকে। তবে যে অর্থেই হোক, ব্যবহারের পর এই বস্তুর জায়গা হয় আবর্জনার ভেতরে।
তবে নোংরা এই বস্তুটি যখন একের পর এক নারীর কাছে পাঠানো হয় তখন সেটিকে বেশ বিব্রতকর ঘটনা বলেই মনে করা হয়। শুনতে অবাক লাগলেও চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন শহরে। এখন পর্যন্ত ৬৫ জন নারীর কাছে পাঠানো হয়েছে ব্যবহৃত কনডোম। বুধবার (১৭ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডাকযোগে কমপক্ষে ৬৫ জন নারী ব্যবহৃত কনডোম পাওয়ার পরে অস্ট্রেলিয়ান পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এর সঙ্গে হাতে লেখা বার্তা সম্বলিত চিঠিও রয়েছে এবং এগুলো দক্ষিণ-পূর্ব ও পূর্ব মেলবোর্নের বিভিন্ন ঠিকানায় পাঠানো হয়।
পুলিশ মনে করছে, ভুক্তভোগী নারীরা একে-অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং টার্গেটেড হামলার অংশ হিসেবেই তাদের কাছে সেগুলো পাঠানো হয়েছে।
বিবিসি বলছে, যেসব নারীর কাছে ব্যবহৃত কনডোম পাঠানো হয়েছে তাদের সবাই ১৯৯৯ সালে মেলবোর্ন শহরের কিলব্রেদা কলেজ প্রাইভেট গার্লস স্কুলে পড়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। এই ধরনের প্রথম ঘটনা চলতি বছরের মার্চ মাসে প্রথমবারের মতো এবং গত সোমবার সর্বশেষ ঘটনাটি রিপোর্ট করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
মেলবোর্নের হেরাল্ড সান সংবাদপত্র জানিয়েছে, ভুক্তভোগী নারীরা সন্দেহ করছেন, তাদের ঠিকানাগুলো হয়তো তাদের পুরোনো স্কুলের ইয়ারবুক থেকে নেওয়া হয়েছে।
ব্রি ওয়াকার নামে এক নারী অস্ট্রেলীয় ওই সংবাদপত্রকে বলেন, যে রাতে তিনি ওই চিঠিটি পেয়েছিলেন সে রাতে তার ‘ঘুম হয়নি’। ওই চিঠিতে ‘খুব গ্রাফিক (হস্তলিখিত) বার্তা’ ছিল। তিনি পরে বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করেন যে, তারাও অনুরূপ কোনও প্যাকেজ পেয়েছেন কিনা।
পুলিশ বলছে, বেশিরভাগ নারী একাধিক চিঠি পেয়েছেন, যার সবকটিতে ব্যবহৃত কনডোম ছিল। এই ঘটনায় তদন্ত চলমান রয়েছে এবং পুলিশ যে কাউকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করার আহ্বান জানিয়েছে। বুধবার তারা এ বিষয়ে মামলার আপডেট দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


গতকাল
(৩ ডিসেম্বর) বিয়ে করলেন অভিনেতা আমির খানের মেয়ে ইরা খান ও তার জিম ট্রেনার প্রেমিক
নূপুর শিখরে। মুম্বাইয়েই বসেছিল তাদের বিয়ের আসর।
আমিরের
প্রথম স্ত্রী রিনার বাড়িতেই পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে ৪ হাত এক হলো। ইরা
বিয়েতে সাবেকি সাজই বেছে নিয়েছিলেন।
যদিও
আর ৫জন কনের মতো লেহেঙ্গা বা শাড়ি পরেননি আমিরকন্যা। ইরার পরনে ছিল নীল ও গোলাপির
কম্বিনেশনে তৈরি ডিজাইনার পোশাক।
তবে
ইরার স্বামী নূপুর শিখরের সাজে ছিল অন্য চমক। শেরওয়ানি, পঞ্জাবি নয় কালো রঙের গেঞ্জি
ও সাদা হাফপ্যান্ট পরে বিয়ের মঞ্চে এসে উঠলেন জামাই!
ইরা
ও নূপুরের বিয়ের ছবি ও ভিডিয়ো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হতেই নূপুরের সাজপোশাক
নিয়ে শুরু হয়ে গেছে আলোচনা। নূপুরের এই সাজ দেখে অবাক সবাই। অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে
পারে, কেন কালো টি-শার্ট আর হাফপ্যান্ট পরে বিয়ের আসরে এসেছিলেন বর। আসলে প্রায় ৮ কিলোমিটার
দৌড়ে ইরাকে বিয়ে করতে আসেন নুপূর। রেজিস্ট্রি বিয়ে হয়েছে তাদের। আর স্বাক্ষর করার
সময় স্যান্ডো গেঞ্জিই পরে ছিলেন নুপূর।
আপাতত
রেজিস্ট্রি করেই বিয়ে করেছেন এই জুটি। আগামী ৮ জানুয়ারি উদয়পুরে হবে জমকালো বিয়ের অনুষ্ঠান।
মন্তব্য করুন


একজন ইউটিউবারের একমাত্র ধ্যান জ্ঞান থাকে ভিউ পাওয়া । সামাজিক মাধ্যমে নিজেদের
ভিডিওতে বাকিদের তুলনায় একটু বেশি ভিউ পাওয়ার জন্য কতকিছুই না তারা করেন।
তবে ট্রেভর জ্যাকব নামে ৩০ বছর বয়সী এক মার্কিন ইউটিউবার এমনই এক ঘটনা ঘটাতে
গিয়ে উল্টো ঘটালেন এক অঘটন যার দরুণ সেই ইউটিউবার সম্ভবত সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন।
বিবিসির খবরের সূত্র হতে জানা যায়, তিনি ভিডিওতে দর্শক টানতে স্বেচ্ছায় নিজের
বিমান বিধ্বস্ত করেছেন। শুধু তাই নয়, বিমান বিধ্বস্ত করে তদন্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে
মিথ্যাচারও করেছেন। এই অপরাধের দায়ে তাকে ছয় মাসের সাজা দিয়েছেন আদালত। সাজাপ্রাপ্ত
ওই ইউটিউবার ২০২১ সালের ডিসেম্বরে এই ঘটনার একটি ভিডিও ইউটিউবে পোস্ট করেন । সেখানে
দেখা যায়, তিনি সেলফি স্টিক হাতে বিমান থেকে প্যারাস্যুটে করে নিচে নামছেন। মূলত বিমান
বিধ্বস্ত করে সেটাকে দুর্ঘটনা হিসেবে চালিয়ে দিতেই এমনটা করেন তিনি।
ক্যালিফোর্নিয়ার সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অফিস জানিয়েছে, ২০২১ সালের
নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা বারবারা বিমানবন্দর থেকে বিমান নিয়ে
উড্ডয়ন করেন ট্রেভর জ্যাকব। এ সময় তার সঙ্গে ক্যামেরা, প্যারাসুট ও সেলফি স্টিক ছিল।
উড্ডয়নের ৩৫ মিনিট পর বিমানটি লস প্যাড্রেস ন্যাশনাল ফরেস্টে বিধ্বস্ত হয়। ঘটনাস্থলে
গিয়ে ভিডিও ফুটেজ উদ্ধার করলেও বিমানটি নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর কোনো চেষ্টা করেননি
জ্যাকব। বরং উড্ডয়নের পর বিমান থেকে বের হয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন এবং প্যারাসুট
ব্যবহার করে মাটিতে নেমে আসেন।
এরপর একই বছরের ২৩ ডিসেম্বর ‘আই ক্রাশড মাই এয়ারপ্লেন’ নামে একটি ভিডিও ইউটিউবে
ছাড়েন জ্যাকব। ভিডিওটি ৩০ লাখ বার দেখা হয়েছে। তবে পরবর্তীতে ভিডিওটি ইউটিউব থেকে সরিয়ে
নেওয়া হয়।
মার্কিন তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, ইউটিউবে দর্শকপ্রিয়তা পেতেই স্বেচ্ছায় বিমানটি
বিধ্বস্ত করেছিলেন ট্রেভর জ্যাকব। পরে এ ঘটনায় মামলা হলে তাদের সঙ্গে মিথ্যা কথা বলেছেন
তিনি।
দোষ স্বীকার করে আদালতকে জ্যাকব জানান, একটি পণ্যের প্রচারের জন্য চুক্তি করেছিলেন
তিনি। এর অংশ হিসেবে তিনি বিমানটি বিধ্বস্ত করে ভিডিও ধারণ করেছেন। এই মামলায় সোমবার
জ্যাকবকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ক্যালিফোর্নিয়ার একটি আদালত।
মন্তব্য করুন


সৌদি আরবে তীব্র তাপদাহে ৬ হাজার ৫০০ হাজি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। দেশটির মেডিকেল টিম তাদের সুস্থ করে তুলতে চিকিৎসা দিচ্ছে। এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
সৌদি গণমাধ্যম স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ডা. মোহাম্মদ আল-আব্দুলালির বরাত দিয়ে জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নজরে এনেছে। পবিত্র স্থানে আল্লাহর মেহমানদের সেবায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।
সৌদি টিভি আল এখবারিয়া জানিয়েছে, ২৯ জুন বৃহস্পতিবার ভোরে পবিত্র শহর মক্কার কাছে মিনা উপত্যকায় তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে।
দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় হাজিদের সরাসরি রোদ এড়িয়ে চলতে পরামর্শ দিয়েছে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি এবং অন্যান্য তরল পানের পাশাপাশি সূর্য থেকে রক্ষা করার জন্য ছাতা ব্যবহারের পরামর্শও দিয়েছে।
মন্ত্রণালয় বলেছে, মক্কা ও মদিনায় গত ৩৯ দিনে ১ লাখ ১১ হাজার ৭৬১ হাজি স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা পেয়েছেন। এ বছর হাজিদের সেবায় সৌদি আরবের পবিত্র স্থানগুলোতে মোট ১৭২টি স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা স্থাপন করা হয়েছে। ১৪০টি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ও ৩২টি হাসপাতাল হাজিদের স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত ছিল। এ বছর পবিত্র স্থানগুলোতে আরও ভার্চুয়াল ক্লিনিক চালু করা হয়েছে। এ বছর হাজিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য ৩২ হাজারের ও বেশি স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োজিত ছিল।
সূত্র: গালফ নিউজ
মন্তব্য করুন


ভারতের
তেলাঙ্গনা রাজ্যের একটি ব্যাংক চোরের প্রশংসা কুড়িয়েছে। আর সেই প্রশংসার একটি
যুক্তসঙ্গত কারণও দেখিয়েছে ওই চোর।
ভারতীয়
বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, চোর চুরি করতে না পেরেই ব্যাংকের নিরাপত্তা ব্যবস্থার
প্রশংসা করেছে।
ব্যাংকে
চুরি করতে ঢুকে ওই চোর কোনো লকারই খুলতে না পারেনি। ফলে সে ব্যাংকের নিরাপত্তায়
মুগ্ধ হয়। শেষ পর্যন্ত ব্যাংকের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রশংসা করে লিখে যায় একটি
চিরকুট। সাথে একটি অনুরোধও করেন চোর, তাকে যেন খুঁজে বের করার চেষ্টা না করা হয়।
তেলেঙ্গানা
রাজ্যের মাঞ্চেরিয়াল জেলায় গত বৃহস্পতিবার রাতে ‘তেলেঙ্গানা গ্রামীনা ব্যাংক’এর
একটি শাখায় এই ব্যর্থ চুরির প্রচেষ্টা ঘটে। পরদিন শুক্রবার সকালে কর্মচারিরা এসে
ব্যাংক খোলার পর চোরের রেখে যাওয়া বার্তা পান।
প্রথমে
শঙ্কিত হয়ে উঠলেও পরে ব্যাংকের সব মূল্যবান জিনিস অক্ষত আছে দেখে স্বস্তির নিশ্বাস
ফেলেন ব্যাংকটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। চোরের লিখে রেখে যাওয়া চিরকুটটি পুলিশকেও
দেখিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। ওই বার্তায় চোর লিখেছে, ‘আমার আঙুলের ছাপ পাবেন না।
ভালো ব্যাংক। একটা রুপিও নিতে পারিনি। কাজেই আমাকে ধরবেন না।'
ব্যাংক
কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ নিশ্চিত করেছে, ব্যাংকের সমস্ত লকার অক্ষত ছিল।
চোরের
ব্যাংকে প্রবেশ এবং চলাফেরা সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। পুলিশ ধারণা করছে, ওই
চোর মাঞ্চেরিয়াল জেলার কোনো স্থানীয় লোক হতে পারে।চোর মুখোশ পরে এসেছিল, তাই
তার চেহারা দেখা যায়নি।
সূত্র:
টাইমস অব ইন্ডিয়া
মন্তব্য করুন


যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট ভবন একটি ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ। শতাব্দীপ্রাচীন এই ভবন বহু ইতিহাসের সাক্ষী। কিন্তু সেই ভবনই আর কতদিন রক্ষা করা যাবে, তা নিয়ে এমনপিদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।
হাউস অব কমন্সে পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি যে রিপোর্ট দিয়েছে তাতে বলা হয়েছে, ভবনের বিভিন্ন জায়গা থেকে পানি চুঁইয়ে পড়ছে। বিভিন্ন জায়গায় ফাটল দেখা গেছে। আগুন লাগলে তা নেভানোর মতো যথেষ্ট ব্যবস্থা নেই। ফলে বড় কোনও বিপর্যয় ঘটলে ভবনটি ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
আর তাই অবিলম্বে এই ভবনের সংস্কার প্রয়োজন বলে রিপোর্টে বলা হয়েছে।
আইনপ্রণেতাদের বক্তব্য, ভবনটির এখন যা অবস্থা তা সংস্কার করতে বহু অর্থ ব্যয় হবে। কিন্তু আরও সময় ব্যয় করলে খরচ বহু গুণ বেড়ে যাবে। যা করদাতাদের টাকা থেকেই নিতে হবে। এছাড়া আরও অপেক্ষা করলে ভবনটি সংস্কারের অযোগ্যও হয়ে পড়তে পারে।
এখনও পর্যন্ত যা কাজ হয়েছে তা কার্যত ধর তক্তা মার পেরেক গোছের বলে জানিয়েছে পার্লামেন্টের কমিটি। তাতেই সপ্তাহে দুই মিলিয়ন পাউন্ড করে খরচ হয়েছে।
ওয়েস্টমিনস্টার রাজপ্রাসাদটিকেই যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এর আগেও এর সংস্কার নিয়ে বার বার আলোচনা হয়েছে। কিন্তু কখনোই সামগ্রিক সংস্কারের ব্যবস্থা হয়নি। আলোচনাও খুব ধীর গতিতে এগিয়েছে।
২০১৮ সালে এমপিরা ভোটাভুটির মাধ্যমে ঠিক করেছিলেন, ২০২০ সালে ভবনটি কিছুদিনের জন্য খালি করে দেওয়া হবে। সে সময় সংস্কারের কাজ করা যাবে। কিন্তু ২০২০ সালে সকলে পার্লামেন্ট ভবন ছেড়ে যেতে চাননি। ফলে সংস্কারও সম্ভব হয়নি।
যারা ভবনটি ছেড়ে যেতে চাননি, তারা বার বার বলেছেন, পার্লামেন্ট ঠিকমতো সংস্কার করতে হলে বহু বছর সময় লেগে যাবে। এতদিন ওই ভবন ছেড়ে অন্যত্র পার্লামেন্ট চালানো সম্ভব নয়।
২০১৬ সাল থেকে পার্লামেন্ট ভবনে অন্তত ৪৪টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। যার ফলে এখন ২৪ ঘণ্টা দমকলকর্মীরা ভবনটি পাহারা দেন। ১৮৩৪ সালে অগ্নিকাণ্ডেই নষ্ট হয়েছিল পুরোনো ওয়েস্টমিনস্টার প্রাসাদ। এরপর চার্লস ব্যারি নামক এক স্থপতি নতুন ভবনটি তৈরি করেন। নিও গথিক স্থাপত্যের সেই ভবনই এখন যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন।
তিনি বলেছেন,বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র উন্মুখ।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে ব্লিঙ্কেন বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আমি বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানাই, কারণ তারা ২৬ মার্চ তাদের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করবে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, অর্থনৈতিক উন্নয়নের অগ্রগতি, রোহিঙ্গা সংকটে সহযোগিতা, বিশ্বব্যাপী শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সহায়তা করা এবং বৈশ্বিক স্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলাসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদার হতে পেরে যুক্তরাষ্ট্র গর্বিত। আমাদের অংশীদারত্ব একটি মুক্ত, উন্মুক্ত, নিরাপদ এবং সমৃদ্ধ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
গণতন্ত্র এবং মানবাধিকারের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বিবৃতিতে ব্লিঙ্কেন বলেন, বাংলাদেশ যখন স্বাধীনতার আরেকটি বছর উদযাপন করছে, তখন আমরা গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থাকে শক্তিশালীকরণ এবং মানবাধিকার রক্ষায় আমাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করছি- যে প্রচেষ্টাগুলো বাংলাদেশের সমৃদ্ধি বাড়াতে সহায়তা করবে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আমি এই বিশেষ দিনে সকল বাংলাদেশিদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।
মন্তব্য করুন


গত ২ আগস্ট শনিবার ভারতের
আবহাওয়া দপ্তর দুই ঘণ্টার মধ্যে
ওড়িশা জুড়ে বিস্ময়কর ভাবে ৬১ হাজার বার বজ্রপাতের ঘটনা রেকর্ড করেছে। এই দিন
বজ্রপাতের ফলে মারা যাওয়া ব্যক্তির সংখ্যাও দাঁড়িয়েছে ১০ থেকে বেড়ে ১২ জনে।
তাছাড়া
আরও ১৪ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
ওড়িশায় আবহাওয়ার এই চরম
অবস্থা চলমান থাকতে পারে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যার কারণে আবহাওয়া সতর্কতা জারি করা
হয়েছে অঞ্চলটিতে।
ভারতের আবহাওয়া দপ্তর
জানায়, বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় একটি ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে একটি
নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে এবং এর প্রভাবে ওড়িশা জুড়ে হতে পারে ব্যাপক বৃষ্টিপাত।
খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া।
ওড়িশার বিশেষ ত্রাণ কমিশনারের
কার্যালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, শনিবারের বজ্রপাতে নিহতদের মধ্যে চারজন খুরদা
জেলার, দুইজন বালাঙ্গির এবং একজন করে রয়েছেন আঙ্গুল, বৌধ, ঢেনকানাল, গজপতি,
জগৎসিংহপুর এবং পুরীর। এছাড়াও গজপতি এবং কান্ধমাল জেলায় বজ্রপাতের ফলে গবাদি পশু
মারা গেছে ৮ টি।
আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা
জানায়, ঠাণ্ডা ও উষ্ণ বাতাসের সংঘর্ষ এই ধরনের নজিরবিহীন বজ্রপাতের জন্য উপযুক্ত
পরিবেশ তৈরি করেছে। এসব অস্বাভাবিক ও চরম বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে বর্ষার আগমনে
স্বাভাবিক চেয়ে বেশি সময় লাগলে।
মন্তব্য করুন