

ভারতের
তেলাঙ্গনা রাজ্যের একটি ব্যাংক চোরের প্রশংসা কুড়িয়েছে। আর সেই প্রশংসার একটি
যুক্তসঙ্গত কারণও দেখিয়েছে ওই চোর।
ভারতীয়
বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, চোর চুরি করতে না পেরেই ব্যাংকের নিরাপত্তা ব্যবস্থার
প্রশংসা করেছে।
ব্যাংকে
চুরি করতে ঢুকে ওই চোর কোনো লকারই খুলতে না পারেনি। ফলে সে ব্যাংকের নিরাপত্তায়
মুগ্ধ হয়। শেষ পর্যন্ত ব্যাংকের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রশংসা করে লিখে যায় একটি
চিরকুট। সাথে একটি অনুরোধও করেন চোর, তাকে যেন খুঁজে বের করার চেষ্টা না করা হয়।
তেলেঙ্গানা
রাজ্যের মাঞ্চেরিয়াল জেলায় গত বৃহস্পতিবার রাতে ‘তেলেঙ্গানা গ্রামীনা ব্যাংক’এর
একটি শাখায় এই ব্যর্থ চুরির প্রচেষ্টা ঘটে। পরদিন শুক্রবার সকালে কর্মচারিরা এসে
ব্যাংক খোলার পর চোরের রেখে যাওয়া বার্তা পান।
প্রথমে
শঙ্কিত হয়ে উঠলেও পরে ব্যাংকের সব মূল্যবান জিনিস অক্ষত আছে দেখে স্বস্তির নিশ্বাস
ফেলেন ব্যাংকটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। চোরের লিখে রেখে যাওয়া চিরকুটটি পুলিশকেও
দেখিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। ওই বার্তায় চোর লিখেছে, ‘আমার আঙুলের ছাপ পাবেন না।
ভালো ব্যাংক। একটা রুপিও নিতে পারিনি। কাজেই আমাকে ধরবেন না।'
ব্যাংক
কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ নিশ্চিত করেছে, ব্যাংকের সমস্ত লকার অক্ষত ছিল।
চোরের
ব্যাংকে প্রবেশ এবং চলাফেরা সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। পুলিশ ধারণা করছে, ওই
চোর মাঞ্চেরিয়াল জেলার কোনো স্থানীয় লোক হতে পারে।চোর মুখোশ পরে এসেছিল, তাই
তার চেহারা দেখা যায়নি।
সূত্র:
টাইমস অব ইন্ডিয়া
মন্তব্য করুন


জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশ
উত্থাপিত ‘শান্তির সংস্কৃতি’ শীর্ষক রেজোল্যুশন (প্রস্তাবনা) সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত
হয়েছে। ১১২টি দেশ এই রেজোল্যুশনটিতে কো-স্পন্সর করেছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার
প্রথম মেয়াদে সরকার পরিচালনার সময় ১৯৯৯ সালে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে
শান্তির সংস্কৃতির ঘোষণা এবং এ বিষয়ক কর্মসূচি গৃহীত হয়। এরপর থেকে প্রতি বছর বাংলাদেশ
‘শান্তির সংস্কৃতি’ রেজোল্যুশনটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে উপস্থাপন করে আসছে, যা শান্তি
ও অহিংসার সংস্কৃতিকে উন্নীত করার জন্য আটটি বিশেষ ক্ষেত্রকে চিহ্নিত করে, সে অনুযায়ী
কার্যক্রম গ্রহণের জন্য সবার প্রতি আহ্বান রয়েছে এতে। এছাড়া সাধারণ পরিষদের সভাপতির
নেতৃত্বে ২০১২ সাল থেকে ‘শান্তির সংস্কৃতি’ বিষয়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘে একটি উচ্চ পর্যায়ের
ফোরামের আয়োজন করে আসছে।
নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার
(২ মে) জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত
বাংলাদেশের পক্ষে এটি উত্থাপন করেন। শুক্রবার (৩ মে) জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন
এ তথ্য জানায়।
স্থায়ী মিশন বলছে, চলতি বছর
আলোচ্য রেজোল্যুশনটি একটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। কেননা এ বছরে শান্তির সংস্কৃতির ঘোষণা
এবং এ বিষয়ক কর্মসূচি ২৫তম বর্ষে পদার্পণ করেছে।
প্রস্তাবনাটি উপস্থাপনের
সময় রাষ্ট্রদূত মুহিত বিভিন্ন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে শান্তির সংস্কৃতির অব্যাহত
প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আজ বিশ্ব ক্রমবর্ধমান দ্বন্দ্ব এবং মানবিক মর্যাদা
অবজ্ঞার মুখোমুখি। এই ক্রমবর্ধমান সংঘাত ও সহিংসতা থেকে উত্তরণে মানবমনে সম্প্রীতি
ও সহমর্মিতার ভাবকে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে, সমতা ও সব মানুষের সমমর্যাদার চেতনাকে সমুন্নত
করতে হবে এবং সর্বোপরি যুদ্ধের চেয়ে শান্তিকে অনেক বেশি লাভজনক করে তুলতে হবে।
যুদ্ধ ও ধ্বংসযজ্ঞে বাংলাদেশের
নিজস্ব অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত মুহিত বলেন, জাতিসংঘে শান্তির সংস্কৃতির
ধারণা প্রবর্তনের বাংলাদেশের উদ্যোগটি আমাদের নিজস্ব অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত। বৈষম্য,
বর্ণবাদী অসহিষ্ণুতা এবং পরাধীনতা আমাদের একটি ধ্বংসাত্মক যুদ্ধে অংশ নিতে বাধ্য করে।
এ কারণেই আমরা শান্তির প্রসারকে আমাদের পররাষ্ট্রনীতির একটি মৌলিক নীতিতে পরিণত করেছি।
এবারের রেজোল্যুশনে শান্তির
সংস্কৃতির ঘোষণা এবং এ বিষয়ক কর্মসূচির ২৫তম বার্ষিকী যথাযথভাবে পালন ও উদ্যাপনের
জন্য সাধারণ পরিষদের সভাপতিকে দিনব্যাপী একটি উচ্চ পর্যায়ের ফোরাম আহ্বান করার জন্য
অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়া এ রেজোল্যুশনে সাধারণ পরিষদের সদস্য রাষ্ট্র, জাতিসংঘের
আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থা, নাগরিক সমাজ, বেসরকারি খাত, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
এবং মিডিয়াসহ অন্যান্য অংশীজনদের শিক্ষা ও জনসচেতনতা সম্প্রসারণসহ অন্যান্য আয়োজনের
মাধ্যমে যথাযথভাবে এই বার্ষিকীটি পালনের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
রেজোল্যুশনটির বিবেচনার পূর্বে
শান্তির সংস্কৃতির ওপর সাধারণ পরিষদে একটি সাধারণ বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। এতে বহুসংখ্যক
সদস্য রাষ্ট্র বক্তব্য দেয়। এ সময় তারা শান্তির সংস্কৃতির ঘোষণা এবং এ বিষয়ক কর্মসূচি
বাস্তবায়নে তাদের প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে।
সবশেষে প্রতিনিধি দলগুলো
জাতিসংঘে শান্তির সংস্কৃতির ধারণাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক
নেতৃত্বের কথা উল্লেখ করে ধন্যবাদ জানায়।
মন্তব্য করুন


ইসলামাবাদের সঙ্গে ঢাকার সম্পর্ক এগিয়ে
নিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে ১৯৭১ সালের অমীমাংসিত সমস্যাগুলো সমাধানের
আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস।
ডি-৮ সম্মেলনের সাইডলাইনে আজ বৃহস্পতিবার
(১৯ ডিসেম্বর) মিসরের রাজধানী কায়রোর একটি হোটেলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ
শরিফের সঙ্গে বৈঠকের সময় অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন, বিষয়গুলো বারবার আসছে। আসুন আমরা সামনে
এগিয়ে যেতে সেই বিষয়গুলোর ফয়সালা করি।
জবাবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ
শরিফ বলেন, ১৯৭৪ সালের ত্রিপক্ষীয় চুক্তিতে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারত বিষয়গুলো মীমাংসা
করেছে, কিন্তু যদি অন্যান্য অমীমাংসিত সমস্যা থাকে, তবে সেগুলো দেখতে পেলে তিনি খুশি
হবেন।
অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের
জন্য বিষয়গুলো চিরতরে সুরাহা করে ফেলা ভালো হবে।
তারা ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং ক্রীড়া
ও সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিদের বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করতে সম্মত
হন।
এখানে প্রাপ্ত এক বার্তায় বলা হয়, দুই
নেতা চিনি শিল্প এবং ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনার মতো নতুন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারিত করার
ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
অধ্যাপক ড. ইউনূস বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তার ঘোষিত বৈদেশিক নীতির মূল বৈশিষ্ট্য সার্কের
পুনরুজ্জীবনসহ পারস্পরিক স্বার্থ সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে শরিফের সঙ্গে আলোচনা করেন।
অধ্যাপক ড. ইউনূস ২০২৬ সালের মধ্যভাগের
আগে ‘প্রয়োজনীয় সংস্কার’ এবং সাধারণ নির্বাচন করতে তার সরকারের পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ
করেন। তিনি বলেন, তিনি সংস্কারের বিষয়ে সংলাপের জন্য একটি ঐকমত্য গঠন কমিশনের নেতৃত্ব
দিচ্ছেন।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ
ঢাকা ও ইসলামাবাদের মধ্যে কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে তোলার আহ্বান জানান। শরিফ বলেন, আমরা
সত্যিই আমাদের ভ্রাতৃপ্রতিম বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করার অপেক্ষায় রয়েছি।
তিনি সার্কের পুনরুজ্জীবনে অধ্যাপক
ইউনূসের উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং আঞ্চলিক সংস্থার শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের সম্ভাবনা
নিয়ে কাজ করার জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানান।
অধ্যাপক ড. ইউনূস শরিফকে বলেন, এটি
একটি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
সার্ক বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক
ড. ইউনূস বলেন, আমি সার্কের ধারণার একজন বড় অনুরাগী। আমি ইস্যুটি নিয়ে কথা বলেই যাব।
আমি সার্ক নেতাদের শীর্ষ সম্মেলন চাই। তিনি বলেন, যদিও তা কেবল একটি ফটোসেশনের জন্যেও
হয়, তবুও এটি একটি শক্তিশালী বার্তা বহন করবে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের
রাষ্ট্র পরিচালিত চিনিকলগুলোকে আরও ভালোভাবে পরিচালনার জন্য প্রযুক্তিগত সহায়তার প্রস্তাব
দেন। তিনি বাংলাদেশে ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাবের কারণে মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন এবং বলেন,
ঢাকা এ রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা থেকে উপকৃত হতে পারে।
তিনি বলেন, প্রায় এক দশক আগে পাঞ্জাবে
ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই বিশ্বমানের বলে প্রশংসিত হয়েছিল। বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের
সঙ্গে আমাদের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করার জন্য আমরা বাংলাদেশে প্রতিনিধিদল পাঠাতে পারি।
অধ্যাপক ড. ইউনূস, শেহবাজ শরিফকে তার
সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং আশা করেন পাকিস্তান ও বাংলাদেশ এই প্রচেষ্টা অব্যাহত
রাখবে।
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে
সিদ্দিকী।
সিদ্দিকী পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দারকে ফেব্রুয়ারিতে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান এবং তিনি সেই
প্রস্তাব গ্রহণ করেন।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফও
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূসকে তার সুবিধামতো সময়ে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ জানান।
মন্তব্য করুন


এই প্রেম যেনো চিত্রনাট্যকেই হার মানাবে! প্রেমিকের হাত ধরে বাংলাদেশে গিয়ে ঘর সংসার করার স্বপ্ন ছিল ভারতের পশ্চিমবঙ্গের এক কিশোরীর।প্রেমিকাকে দেশে নিয়ে আসতে, ভারতে প্রবেশ করেছিলেন বাংলাদেশি প্রেমিক, সাথে ছিল তারই দেশের এক বান্ধবী। যদিও কিশোরীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ১৬ বছর বয়সী ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে ভারতীয় পুলিশ। অন্যদিকে আটক করা হয়েছে ওই বাংলাদেশি যুবক-তরুণীকে।
পুলিশের অভিযোগ, ভারতীয় ওই কিশোরীকে পাচার করা হচ্ছিল। আর সেই অভিযোগে আটক করা হয়েছে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে।
গত ২৭ অগস্ট আচমকাই ওই কিশোরী নিখোঁজ হয়ে যায়, আর তার পরই হুঁশ ফেরে পরিবারের। পরদিন ২৮ আগস্ট দিনের আলো ফুটতেই কুমারগ্রাম থানার পুলিশের কাছে ওই কিশোরীর নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি লিখিত আকারে জানায় তার পরিবার।
এরপরই ওই তরুণীর খোঁজে চরম তৎপরতা শুরু হয় আলিপুরদুয়ার জেলা পুলিশের অন্দরে। কারণ, ঘটনার গতিপ্রকৃতি অনুধাবন করে পুলিশ একপ্রকার নিশ্চিত ছিল যে বড়সড় পাচারকারী চক্রের খপ্পরে পড়েছে ওই কিশোরী।
তদন্তে উঠে আসে বাংলাদেশের এক যুবক মো. আবদুল সুফিয়ান ও তারই এক সহযোগী বাংলাদেশি তরুণী রুবা আখতারের নাম। তদন্তে এও জানা যায়, আবদুল ও রুনা-উভয়েই গত ২৮ আগস্ট গুয়াহাটির একটি হোটেলে রাত কাটায়। বাংলাদেশের ওই তরুণ ও তরুণী নিজেদের পাসপোর্ট দেখিয়ে স্বামী-স্ত্রী'র পরিচয় দিয়ে হোটেলে ঠাঁই নিয়েছিল। ওইদিন তাদের সাথেই ওই হোটেলেই অবস্থান করেছিল ওই ভারতীয় কিশোরীও।
মন্তব্য করুন


২১ ফুট পানির নিচে ফটোশুট করেন এক তরুণী। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম উঠেছে মডেল সিয়ারা আন্তোস্কি। শুধু সিয়ারা আন্তোস্কি নয়, একসাথে তার ফটোগ্রাফার স্টিভেন হেইনিং এই রেকর্ড অর্জন করেন। কানাডার অন্টারিওর টোবারমোরির কাছে পৃষ্ঠের ২১ ফুট নিচে একটি শ্যুট সম্পন্ন করেন তারা। এজন্য সময় নেন মাত্র ১৬ মিনিট। যদিও এই পুরো ফটোশুট প্রক্রিয়া শেষ করতে কয়েক মাস লেগেছিল। এমন একটি ফটোশুট করার ধারণা স্টিভেনের মাথায় আসে কোভিড-১৯ এর সময়। ২০২১ সালের ২১ জুন কানাডার অন্টারিওর টোবারমোরিতে ফ্যাথম ফাইভ ন্যাশনাল মেরিন পার্কের লেকের ২১ ফুট বা ৬.৪০ মিটার নিচে ফটোশুট করেন। শুটের আগের দিন পানির নিচে জাহাজের ধ্বংসাবশেষের কাছে গিয়ে কয়েকবার অনুশীলন করেন আন্তোস্কি ও স্টিভেনে। সেদিন আন্তোস্কি ৩০ মিনিট পানির তলায় ছিলেন। পানির এতটা গভীরে ফটোশুট করেছেন এমন ব্যক্তি তারাই প্রথম। স্টিভেন ইচ্ছা পানির ১০০ ফুট নিচে ফটোশুট করার। এজন্য কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। অবশ্য এর আগে বেশ কয়েকটি প্রশিক্ষণ নিতে হচ্ছে তাকে।
সূত্র: গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড
মন্তব্য করুন


মাদাগাস্কারের
জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রবেশের সময় পদদলিত হয়ে ১২ জন নিহত এবং ৮০ জন আহত হয়েছেন।
২৫
আগস্ট শুক্রবার দেশটির রাজধানী আন্তানা-নারিভোয় জাতীয় স্টেডিয়ামে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি
ঘটে।
খবর আলজাজিরার।
ওই
স্টেডিয়ামে ইন্ডিয়ান ওশান আইল্যান্ড গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান চলছিল। যে অনুষ্ঠান
দেখতে ধারণ ক্ষমতার বাইরে প্রায় ৫০ হাজার দর্শক আসেন। এ সময় স্টেডিয়ামের প্রবেশপথে
মাত্রাতিরিক্ত ভিড় জমে থাকে। চরম বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এক সময়
ধাক্কাধাক্কি ও হুড়োহুড়িতে পায়ের নিচে চাপা পড়েন অনেক মানুষ।
ঘটনার
সময় খোদ প্রধানমন্ত্রী ক্রিশ্চিয়ান এনটসে আন্তানানারিভোর স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন।
তিনি হতাহতের খবর নিতে তাৎক্ষণিক হাসপাতালের দিকে ছুটেন।
হাসপাতালে
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, এ দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১২ জন মারা গেছেন এবং প্রায় ৮০ জন
আহত হয়েছেন।
এটিকে
ট্রাজিক ঘটনা আখ্যা দিয়ে ১ মিনিট নীরবতা পালন করেন তিনি।
ইন্ডিয়ান
ওশান আইল্যান্ড গেমস প্রথম হয় ১৯৭৭ সালে। মাল্টিডিসিপ্লিনারি প্রতিযোগিতাটি প্রতি ৪
বছর পরপর অনুষ্ঠিত হয়। এবারের আয়োজনটি শুক্রবার শুরু হয়ে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে।
মন্তব্য করুন


সোনা,হীরাসহ নানা দামি সম্পদ পাচার করার জন্য প্রায়ই নতুন নতুন পন্থা অবলম্বন করে পাচারকারীরা। তবে গত তিনদিন ধরে ভারতের মুম্বাই বিমানবন্দরে ধরা পড়া পাচারকারীদের কীর্তি দেখে হতবাক নিরাপত্তারক্ষীরাও। কেউ নুডলসের প্যাকেটে, কেউ আবার শরীরের মধ্যে লুকিয়ে কোটি কোটি টাকা মূল্যের সোনা ও হীরা পাচারের চেষ্টা করেছেন। তবে শেষ পর্যন্ত ধরা পড়ে যায় তাদের কৌশল।
ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
মুম্বাই বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার রাতে ব্যাঙ্ককগামী বিমান ধরতে আসা এক যাত্রীর স্যুটকেস থেকে বিপুল পরিমাণ সোনা ও হীরা উদ্ধার করা হয়েছে। ওই যাত্রীর স্যুটকেস খুলে পরীক্ষা করার সময় বেশ কয়েকটি নুডলসের প্যাকেট পাওয়া যয়। সেই প্যাকেট কাটতেই বেরিয়ে আসে সোনা ও হীরা।
ভারতের শুল্ক দপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওই যাত্রীর কাছ থেকে ৬ কেজি ৮০০ গ্রাম সোনা উদ্ধার করা হয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে ৪ কোটি রুপি। এ ছাড়া ২ কোটি রুপিরও বেশি মূল্যের হীরাও উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মোট ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
অন্যদিকে কলম্বো থেকে মুম্বইগামী বিমানে এক বিদেশি নাগরিক শরীরের মধ্যে ৩২১ গ্রামের সোনার বার নিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টায় ছিলেন। কিন্তু মুম্বাই বিমানবন্দরে নামতেই নিরাপত্তারক্ষীদের হাতে ধরা পড়ে যান তিনি।
সূত্র- আনন্দবাজার পত্রিকা
মন্তব্য করুন


ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বৃষ্টির মধ্যেই রাজধানীর তুরাগ নীদতে নৌকা ভ্রমণে যান। তখন নৌকাবাইচ উপভোগ করেন তিনি।
সেখানে রাস্তার পাশের একজন বিক্রেতা তাকে শিঙাড়া-সমুচা-জিলাপি খাওয়ার অনুরোধ করেন। তখন তিনি ওই দোকানির সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন মাখোঁ।
তার আগে সকালে ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট। সেখানে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান জাতির পিতার ছোট মেয়ে শেখ রেহানাসহ বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের কর্মকর্তারা।
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর জাদুঘর পরিদর্শন করেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ।
ভারতে জি-২০ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার পর রবিবার রাত সোয়া ৮টায় ঢাকায় পৌঁছান ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট। বিমানবন্দরে তাকে অভ্যর্থনা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মাখোঁর সফরসঙ্গী হিসেবে ঢাকায় এসেছেন ফ্রান্সের ইউরোপ ও পররাষ্ট্রবিষয়ক মন্ত্রী ক্যাথরিন কোলোনা।
সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ সোমবার দুপুর ২টা ৪৮ মিনেটে ঢাকায় হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে বিশেষ ফ্লাইটে প্যারিসের উদ্দেশে রওনা হন মাখোঁ। বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।
মন্তব্য করুন


মাতৃভাষার জন্য জীবন
দেওয়ার ঘটনা পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শুক্রবার (২১
ফেব্রুয়ারি) মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আন্তর্জাতিক
মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার
স্বীকৃতি এনে দিতে আমাদের আত্মত্যাগ করতে হয়েছে অনেক। জাতির মুক্তি সংগ্রামের
ইতিহাসে ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব অপরিসীম। এ আন্দোলনের মধ্য দিয়েই একটি
অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, ভাষাভিত্তিক জাতিসত্তা ও রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনের ভিত
রচিত হয়।
তিনি আরো বলেন, পৃথিবীর
প্রায় সব দেশে নানান দেশের নানান ভাষার কিংবা হাতে গোনা কয়েকটি দেশের কিছু মানুষ
নাগরিকত্ব গ্রহণ করে কয়েক প্রজন্ম ধরে বসবাস করে। নতুন দেশের ভাষা তাদের দৈনন্দিন
জীবনে চব্বিশ ঘণ্টার ভাষায় পরিণত হয়ে যায়, কিন্তু তবু সে ভাষা তার মাতৃভাষায় পরিণত
হয় না। জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সব জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে মাতৃভাষার চেতনা ও মর্যাদা
রক্ষার প্রেরণা ও এ চেতনার সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিকতার সূত্রে ২০০১ সালের ১৫ মার্চ
ঢাকায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়। বিশ্বের সব
মাতৃভাষার সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও গবেষণার ইতিবৃত্তকে লক্ষ্য করে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা
ইনস্টিটিউট তার যাত্রা শুরু করে।
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, একটি নতুন ভাষা শিখলেই পুরনো ভাষায় দুর্বল হয়ে পড়বে এই ধারণার কোনো ভিত্তি
নেই। পৃথিবীর বহু দেশে একই নাগরিক সাবলীলভাবে কয়েকটি ভাষায় কথা বলবে এটা খুবই
স্বাভাবিক বলে ধরে নেওয়া হয়। তারা শৈশব থেকে নানান ভাষায় অভ্যস্ত হয়ে যায়।
স্কুলে পড়ার সময় প্রত্যেক ছাত্রকে অন্তত একটি ভিন্ন ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক করা
হয়। ছাত্ররাও আনন্দ সহকারে সেটা করে থাকে। ইংরেজি শিখলেই বাংলা ভুলে যেতে হবে এমন
কোনো চিন্তা তাদের কারও মাথায় আসে না।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন,
আমরা দ্রুত গতিতে নতুন পৃথিবী সৃষ্টি করে যাচ্ছি। এর জন্য মূলত নিত্যনতুন
প্রযুক্তি প্রধানত দায়ী। প্রযুক্তির প্রাধান্যের সঙ্গে আসে ভাষার প্রাধান্য। যে
দেশের প্রযুক্তি পৃথিবীতে প্রাধান্য অর্জন করতে থাকবে তার সঙ্গে প্রাধান্য অর্জন
করতে থাকবে প্রযুক্তিদাতা দেশের ভাষা। সারা পৃথিবী এই ভাষা শেখার জন্য ঝাঁপিয়ে
পড়বে।
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আরও বলেন, ভাষার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টির সঙ্গে সাহিত্য, প্রযুক্তি, বিজ্ঞান- সরাসরি জড়িত। আমরা যখন মাতৃভাষায় কথা বলি তখন যেন মনে রাখি মাতৃভাষা মানুষের প্রাথমিক ভাষা। সেই ভাষা প্রথম শ্রবণে যতই রূঢ় মনে হোক না কেন তা একদিন তার প্রাথমিক স্তর পার হয়ে বহু দেশের বহু মানুষের অত্যন্ত নমস্য ভাষায় পরিণত হতে পারে। যদি সে ভাষা পৃথিবীর অগ্রযাত্রায় কৌশলগত ভূমিকা দখল করে নিতে পারে।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট’এ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ তিনজনকে আমন্ত্রণ করা হয়েছে।
আমন্ত্রণ পাওয়া অন্য দুজন হলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং চেয়ারপারসনের ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে দেওয়া এ আমন্ত্রণপত্র পেয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ শনিবার (১১ জানুয়ারি) বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, আগামী ৫-৬ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটন ডিসিতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট’ অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


অনলাইন জুয়া খেলতে গিয়ে ১ ব্যবসায়ী ৫৮ লাখ রুপি হারিয়ে জিতেছেন মাত্র ৫ কোটি রুপি। ভারতের নাগপুরে এ ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর পুলিশ গত শনিবার ১জন সন্দেহভাজন জুয়াড়ির কাছে থেকে ৪ কেজি সোনার বারসহ ১৪ কোটি রুপি উদ্ধার করেন। অভিযুক্ত যুবকের নাম অনন্ত ওরফে সন্টু নবরত্ন জৈন। তিনি নাগপুর থেকে ১৬০ কিলোমিটার দূরে গোন্দিয়া সিটিতে থাকতেন। পুলিশ তার বাসভবনে অভিযান চালানোর আগে তিনি পালিয়ে যান।
নাগপুরের পুলিশ কমিশনার অমশ কুমার বলেন, ওই ব্যবসায়ীকে প্রথমে অনলাইনে জুয়া খেলার জন্য আহ্বান জানায় অনন্ত ওরফে সন্টু। ব্যবসায়ী শুরুতে সাড়া না দিলেও লোভে পরে ৮ লাখ রুপি সন্টুকে দিয়ে দেন। এরপর সন্টু ব্যবসায়ীকে একটি অনলাইন জুয়া অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য হোয়াটসঅ্যাপে লিঙ্ক পাঠান। ব্যবসায়ী সেই অ্যাকাউন্টে ৮ লাখ রুপি জমা দেখতে পান এবং জুয়া খেলতে শুরু করেন। পরে সে ৫ কোটি রুপি জিতে গিয়ে হারিয়েছেন ৫৮ কোটি রুপি।
জুয়া খেলার প্রক্রিয়া নিয়ে ব্যবসায়ীর সন্দেহ হয় এবং ওই যুবকের কাছে অর্থ ফেরত চান। এ সময় সন্টু অর্থ ফেরৎ দিতে অসম্মতি প্রকাশ করেন।
এ ঘটনার পর ওই ব্যবসায়ী সাইবার পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। ভারতীয় দণ্ডবিধির অধীনে প্রতারণার মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ গোন্দিয়াতে জৈনের বাসভবনে অভিযান চালায়। অভিযানে ১৪ কোটি নগদ রুপি এবং ৪ কেজি সোনার বারসহ যথেষ্ট পরিমাণ প্রমাণ জব্দ করা হয়।
সূত্র: এনডিটিভি
মন্তব্য করুন