

ভারতের উড়িষ্যায় ৩টি ট্রেনের ভয়াবহ সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৩০০ জনের কাছাকাছি। আহত হয়েছেন ৯০০ জনেরও বেশি যাত্রী। শুক্রবার সন্ধ্যায় ওড়িষার বালেশ্বরের কাছে ঘটে যাওয়া এ ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে করমণ্ডল এক্সপ্রেক্স ও যশবন্তপুর এক্সপ্রেস এবং একটি পণ্যবাহি ট্রেন।
ওড়িষা সরকারের তথ্য অনুযায়ী ৩ মে শনিবার সকাল পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ছিল ২৩৮ জন। আহত হয়েছেন ৯০০ জনেরও বেশি যাত্রী। তাদের মধ্যে আশঙ্কাজনক রয়েছে ১০০ জন। এখনও ৫টি বগি থেকে যাত্রীদের উদ্ধার করা যায়নি। আহত ও নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্থানীয়রা বলছে, প্রথমে করমণ্ডল এক্সপ্রেসই তীব্র গতিতে গিয়ে ধাক্কা মারে একই লাইনে আগে থেকে চলতে থাকা একটি মালগাড়ির পেছনের দিকে। ২৩টি বগির মধ্যে ১৫টি বগি লাইন থেকে ছিটকে পাশের ডাউন লাইনে ও নর্দমার মধ্যে গিয়ে পড়ে যায়। তখন পাশের সেই লাইন দিয়ে বেঙ্গালুরু-হাওড়া সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস আসছিল ।
শুক্রবার সন্ধ্যার দুর্ঘটনা কবলিত ওই ২ যাত্রীবাহি ট্রেনে বাংলাদেশিরাও ছিলেন। এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫ জন বাংলাদেশি যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে শুক্রবার রাতেই কলকাতাস্থ বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে যান।
মন্তব্য করুন


বিভিন্ন
সার্কাস কিংবা মেলায় দড়ির এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে হেঁটে যাওয়া দেখে মুগ্ধ
হয়েছেন অনেকেই। দূরত্ব ও উচ্চতা মাত্র কয়েক ফুটেই সীমাবদ্ধ। কিন্তু জান রুজ হেঁটে
পাড়ি দিয়েছেন কাতারের কাতারা টাওয়ারের ২ ভবন। যার একটির থেকে অন্যটির দূরত্ব ছিল
১৫০ মিটারেরও বেশি। কোনো কিছুর সাহায্য ছাড়াই এ পথ হেঁটে পাড়ি দিয়েছেন জান রুজ। জান
রুজ এস্তোনিয়ার একজন স্ল্যাকলাইন ক্রীড়াবিদ।
৩১
বছর বয়সী জান রুজ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দুঃসাহসিক সব স্থান দড়িতে হেঁটে পাড়ি
দিয়েছেন। ২০২১ সালে কাজাখস্তানে ২ পর্বতের মাঝের ৫০০ মিটার দূরত্ব জানবাজি রেখে
পাড়ি দিয়ে সাড়া ফেলেছিলেন।
এবারের
রেকর্ডের জন্য বেছে নেন কাতারের ২ সুউচ্চ ভবন। কাতারের লুসাইল মেরিনার ৪০ তলার
কাতারা টাওয়ার পাড়ি দেন। একক ভবনে দড়িতে হেঁটে প্রায় ৫০০ ফুট দূরত্ব অতিক্রম করে
গড়েছেন বিশ্ব রেকর্ডও। এছাড়া আড়াই সেন্টিমিটারের দড়িতে এটিই তার সর্বোচ্চ উচ্চতায়
হাঁটা।
অর্জনের ঝুলিতে রয়েছে অনেক
বিশ্ব রেকর্ডও। কাজ করেছেন হলিউড সিনেমায় স্ট্যান্টম্যান হিসেবে।
সূত্র:
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড/ আরব নিউজ
মন্তব্য করুন


নাইজেরিয়ায় নামাজের সময় একটি মসজিদের একাংশের ছাদধসে যায়। এ ঘটনায় ৭ মুসল্লি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেক মুসল্লি। দেশটির উত্তরাঞ্চলের কাদুনা রাজ্যের জারিয়া শহরে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। সেখানে কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
শুক্রবার নাইজেরিয়ার জারিয়া এমিরেট কাউন্সিলের মুখপাত্র আবদুল্লাহি কোয়ারবাই এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, শুক্রবার আসরের নামাজের সময় শহরের কেন্দ্রীয় মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় সেখানে অসংখ্য মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে চার মরদেহ পাওয়া যায়। পরে উদ্ধারকারী দল ধসেপড়া মসজিদে অনুসন্ধান করার পর আরও তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে।
দেশটির সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মসজিদটি ১৮৩০ সালে নির্মাণ করা হয়।
সেখানকার জরুরি ব্যবস্থাপনা এজেন্সি জানিয়েছে, এ ঘটনায় আহত ২৩ জনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বিয়ে বাড়ির খাবারের
ঘ্রাণ পেয়ে হাজির হাতি দল। হাতির দলের অবস্থা বেগতিক দেখে মোটরসাইকেলে চেপে
অনুষ্ঠানস্থল থেকে পালালেন
বর–কনেও।
গত রবিবার ভারতের
পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়গ্রাম জেলার জঙ্গলভাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। গ্রামের যুবক তন্ময়
সিংয়ের সাথে বিয়ের দিন ধার্য ছিল একই গ্রামের তরুণী মমপি সিংয়ে।
জানা গেছে, খোলা মাঠে বিশাল
প্যান্ডেলে খাসির মাংস, লাউ–চিংড়ি, মসুর ডাল আর আলুর তরকারির পদ রান্না করেছিলেন
বাবুর্চি। রান্না শেষে অতিথিদের আপ্যায়নের জন্য প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছিল। এরমধ্যে
হঠাৎ একদল হাতি এসে হাজির।
এ বিষয়ে বর তন্ময় সিং
জানান, বিয়ের দিন অতিথিরা খাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, এমন সময় হাতির গর্জন শুনতে
পাই। আগে থেকেই জানতাম যে রান্নার ঘ্রাণ পেয়ে হাতির পাল সেখানে ছুটে আসে। তাই
অতিসত্ত্বর খাবারের টেবিল ছেড়ে বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নিতে বলি অতিথিদের। স্ত্রীকে নিয়ে
আমিও ঘটনাস্থল থেকে কেটে পড়ি।
জানা গেছে, রান্নার
ঘ্রাণ পেয়ে গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে ঢুকে পড়ছে হাতি। তাই বিয়ের মত সামাজিক অনুষ্ঠান
আয়োজন করতে ভয় পাচ্ছেন গ্রামবাসী। তা ছাড়া গ্রামের বিভিন্ন স্থানে দল বেঁধে হাতি
ঘুরে বেড়ানোয় ভয়ে কোনো অতিথি বিয়েতে যেতে চাচ্ছেন না।
এতে জঙ্গলভাঙ্গা, কাজলা,
কুসুমগ্রামও কলবানি গ্রামের মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে আতঙ্ক।
মন্তব্য করুন


জাতি
গঠনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের কথা স্মরণ করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশকে ধ্বংসাবশেষ থেকে ঘুরে দাঁড়াতে প্রবাসীরাই মূল ভূমিকা পালন
করেছেন।
আজ
শুক্রবার টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসে আয়োজিত এক কমিউনিটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য
রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘এটাই সত্য যে কঠিন সময়ে দেশের যে টিকে থাকা—তা সম্ভব হয়েছে প্রবাসীদের
পাঠানো রেমিটেন্সের কারণে’।
অধ্যাপক
ড. ইউনূস বলেন, ক্ষমতাচ্যুত পতিত সরকার রাষ্ট্রীয় কোষাগার এবং ব্যাংক শূন্য করে গিয়েছিল
এবং যদি প্রবাসীরা সহায়তা না করতেন, তাহলে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াতে পারত না।
তিনি
বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার অবশ্যই তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবে, তবে জাতি গঠনে প্রবাসী
বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী হওয়া উচিত।
প্রধান
উপদেষ্টা প্রবাসীদের বাংলাদেশে ব্যবসা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
‘একজন নাগরিক হিসেবে আপনাদেরই
রাষ্ট্র মেরামতের দায়িত্ব নিতে হবে,’ তিনি বলেন।
অধ্যাপক
ড. ইউনূস বলেন, প্রবাসীদের বাংলাদেশে আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধব রয়েছেন, তাদের ব্যবসাও
আছে—এই কারণে তারা নিয়মিত বাংলাদেশে
যাতায়াত করেন।
‘তাই সামগ্রিকভাবে আমাদের
একসঙ্গে কাজ করতে হবে...আপনারা জাপান সরকারের ওপর প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করুন,’বলেন
তিনি।
প্রধান
উপদেষ্টার জাপান সফরের তৃতীয় দিনে আজ তিনটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়— যথাক্রমে অর্থনৈতিক সংস্কার
ও জলবায়ু পরিবর্তন সহনশীলতা জোরদার করতে ডেভেলপমেন্ট পলিসি লোন (৪১৮ মিলিয়ন মার্কিন
ডলার), জয়দেবপুর-ঈশ্বরদী ডুয়াল-গেজ ডাবল-লেন রেলওয়ে প্রকল্পের জন্য ঋণ (৬৪১ মিলিয়ন
ডলার) এবং মানবসম্পদ উন্নয়ন স্কলারশিপ অনুদান (৪.২ মিলিয়ন ডলার)।
বাংলাদেশের
পক্ষে রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী এবং জাপানের পক্ষে দেশটির রাষ্ট্রদূত শিনিচি সাইদা সমঝোতা
স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূস দলিল এমওইউ স্বাক্ষরের এই আনুষ্ঠানিকতা প্রত্যক্ষ করেন।
পরে,
জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের দেওয়া নৈশভোজে তিনি অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


তিন বছরের ডিপ্লোমা কোর্সে ডাক্তার তৈরির প্রস্তাব দিয়েছিলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বিশেষজ্ঞ কমিটি এর সঙ্গে একমত পোষণ করেনি। নাকচ করা হয়েছে সেই প্রস্তাব।
তিন বছরের ডাক্তারি কোর্স চালু করার কথা বলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার বক্তব্য ছিল, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসকের অভাব মেটাতে ডিপ্লোমা ডাক্তারের সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।
প্রান্তিক স্তরে চিকিৎসা পরিষেবার উন্নতি করার জন্য এই প্রস্তাব দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাব কার্যত নাকচ করে দিয়েছে রাজ্য সরকারের গঠন করা বিশেষজ্ঞ কমিটি।
মুখ্যমন্ত্রী মমতাই এই কমিটি তৈরির কথা বলেছিলেন স্বাস্থ্য দপ্তরকে। তিন বছরে ডিপ্লোমা ডাক্তার তৈরি করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখতে বলেছিলেন। সোমবার ১৫ জনের ওই বিশেষজ্ঞ কমিটির বৈঠক বসে। সেখানে প্রত্যেক সদস্য একটি বিষয়ে একমত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
তারা সকলেই মনে করেন ডিপ্লোমা ডাক্তারের যে প্রস্তাব মুখ্যমন্ত্রী দিয়েছেন, তা মেনে নেওয়া যায় না। ডিপ্লোমা ডাক্তার শব্দবন্ধটিই ব্যবহার করা যায় না। বরং হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার বলে একটি পদ তৈরি করা যেতে পারে।
প্রান্তিক অঞ্চলে চিকিৎসা পরিষেবার উন্নতির জন্য এদের ব্যবহার করা যেতে পারে। বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে এই ব্যক্তিদের। কিন্তু তাদের কখনোই চিকিৎসকের সমতুল্য পদ দেওয়া যাবে না। চিকিৎসক বলাও যাবে না।
এছাড়াও অভিজ্ঞ নার্স, আয়ুষ চিকিৎসক, গ্রামীণ স্বাস্থ্য সহায়করা আছেন। তাদের জন্যও আরও ভালো প্রশিক্ষণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই ধরনের আরও নতুন পদ চালু করা যেতে পারে কি না, তা নিয়ে এ দিনের বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে ফের তারা বৈঠকে বসবেন বলে সূত্র জানিয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী ডিপ্লোমা ডাক্তারের বিষয়ে ঘোষণা দেওয়ার পর রাজ্যজুড়ে আলোড়ন উঠেছিল। বিরোধীরা কটাক্ষ করে বলেছিলেন, সিভিক পুলিশ, প্যারাটিচারের মতো আধা-চিকিৎসক তৈরি করতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী। এর ফলে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়বে।
তবে চিকিৎসকদের একাংশের বক্তব্য, শুধু রাজ্যে নয়, গোটা দেশেই প্রয়োজনের তুলনায় চিকিৎসকের সংখ্যা কম। গ্রামে গ্রামে যে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মীরা কাজ করেন, তারাই আসলে চিকিৎসা ব্যবস্থা অনেকটা ধরে রেখেছেন। ডিপ্লোমা ডাক্তার নামটি বিভ্রান্তিকর, কিন্তু রাজ্যজুড়ে আরও অনেক স্বাস্থ্যকর্মী যে তৈরি করা দরকার, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
মন্তব্য করুন


১১ দিনের সরকারি সফরে আজ মঙ্গলবার
(১৫ অক্টোবর) ঢাকা ছেড়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান । এ সময় তিনি
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সফর করবেন।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)-এর
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
সফরকালে তিনি জাতিসংঘ সদর দফতর, যুক্তরাষ্ট্র
ও কানাডার উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠকে অংশ নেবেন ও পারস্পারিক
সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করবেন।
বৈঠকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন সংক্রান্ত
বিষয়ে আলোচনা, সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং ভবিষ্যত
কর্মপন্থা নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা করা হবে।
আইএসপিআর জানায়, সেনা প্রধান আগামী
২৫ অক্টোবর দেশে ফিরবেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে সহযোগিতা করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লেখা এক চিঠিতে এমন প্রতিশ্রুতির কথা জানান ।
ঢাকার মার্কিন দূতাবাস চিঠিটি সম্প্রতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর করেছে। রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) দূতাবাস সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
চিঠিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, যখন আমরা যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশের অংশীদারত্বের পরবর্তী অধ্যায় শুরু করছি, তখন আমি আমার প্রশাসনের পক্ষ থেকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন, এনার্জি, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, মানবিক সহায়তা বিশেষ করে রোহিঙ্গা শরনার্থীদের জন্যসহ অন্যান্য বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করতে চাই।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট শেখ হাসিনাকে লিখেছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে সহযোগিতা করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের ভাগ করা অবাধ ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক ভিশনের অংশীদারত্বে কাজ করতে চাই।
বাইডেন আরো বলেন, আমাদের দীর্ঘদিনের সাফল্যমণ্ডিত ইতিহাস রয়েছে এবং সমস্যা সমাধানে একসঙ্গে কাজ করেছি। দুই দেশের জনগণের বন্ধন আমাদের সম্পর্কের মূল ভিত্তি।
মন্তব্য করুন


সোমবার (৩ জুলাই) সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে আল আরাবিয়া জানিয়েছে, সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্যে অবস্থিত আল আহসা গর্ভনেটরের একটি ধর্মীয় স্থাপনায় হামলার ঘটনায় ৫ জনের ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে।
ধর্মীয় স্থাপনায় হামলার ফলে ৫জন নিহত হয়। সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলো।
খবরে বলা হয়, যাদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে তারা হলেন মিশরের নাগরিক তালহা হিসাম মোহাম্মাদ আবদো, সৌদি নাগরিক আহমেদ বিন মোহাম্মাদ বিন আহমেদ আসিরি, নাসের বিন আবদুল্লাহ বিন মোহাম্মাদ আল মুসা, হামাদ বিন আবদুল্লাহ বিন মোহাম্মাদ আল মুসা এবং আবদুল্লাহ বিন আব্দুল রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল তুরাইজি।
মন্তব্য করুন


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের
ডোনা গ্রিফিথস টানা ৯৭৬ দিন হাঁচি দিয়ে বিশ্বরেকর্ড করেছেন । ১২ বছর বয়সে এই হাচির
সমস্যা শুরু হয় ডোনা গ্রিফিথস। ডোনার জন্ম ১৯৬৯ সালে। ১৯৮১ সালের ২৬ জুলাই থেকে
শুরু হয় তার হাঁচি। স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি হাঁচি হচ্ছিল ডোনার। প্রথমে তিনি
ভেবেছিলেন ধুলা থেকে বা ঠান্ডা থেকে হাঁচি হচ্ছে।
তবে এই হাঁচি থেমেছিল
দুই বছর পর ১৯৮৩ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর। এই ২বছর তিনি লাখ লাখ হাঁচি দিয়েছেন। তবে
দিনে বেশ কয়েকবার তার হাঁচি হত এবং তারমধ্যে একটি দিনও বাদ যায়নি। ১৯৮৩ সালের ১৭
সেপ্টেম্বর তিনি প্রথম একটি হাঁচি মুক্ত দিন কাটিয়েছিলেন বলে ডোনা তার লেখা বইয়ে
উল্লেখ করেন ডোনা।
২০২০ সালের
জানুয়ারিতে, ডোনার রেকর্ডটি ব্রিটিশ টিভি প্যানেল শো কিউআইতে দেখানো হয়েছিল। তখন
কমেডিয়ান জিমি কার রসিকতা করে বলেছিলেন যে, ডোনা নিশ্চয়ই একটি মরিচ কারখানায় কাজ
করতেন। কিন্তু ডোনা কোনো মরিচ কারখানায় সেসময় কাজ করতেন না। এরপরই গিনেস বুক অব
ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি হাঁচি দেওয়ার জন্য ডোনা গ্রিফিথস এর নাম
ঘোষণা করা হয়।
সূত্র: গিনেস ওয়ার্ল্ড
রেকর্ড/ আরব নিউজ
মন্তব্য করুন


গত ২৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে তাইওয়ানে। বুধবার সকালে স্থানীয় সময় ৭টা ৫৮ মিনিটে এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৪। এতে অন্তত ৪ জন নিহত ও অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন। ভূমিকম্পের পর তিন দেশ- তাইওয়ান, ফিলিপাইন ও জাপানে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। খবর বিবিসির।
এক জরুরি বার্তায় তারা জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কারণে সুনামি আঘাত হানতে পারে। তাইওয়ানে এর প্রভাব পড়তে পারে। উপকূলীয় এলাকার লোকজনকে সতর্ক থাকতে বলা হচ্ছে। ২৫ বছর আগে ১৯৯৯ সালের সেপ্টেম্বরে তাইওয়ানে ৭ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত আনে। তাতে ২ হাজার ৪০০ মানুষের মৃত্যু হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্যমতে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল তাইওয়ানের হুয়ালিয়েন শহরের ১৮ কিলোমিটার দক্ষিণে। ভূপৃষ্ঠের ৩৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার গভীরে এর উৎপত্তি হয়েছে। ভূমিকম্পের পরপরই সুনামি সতর্কতা জারি করেছে তাইওয়ান কর্তৃপক্ষ। ভূমিকম্পে তাইওয়ানের একাধিক শহরের বেশকিছু ভবন ধসে পড়েছে। এসব ভবনের নিচেও চাপা পড়েছেন অনেকে। এছাড়া এই পাহাড়ি শহরটিতে ভূমিধ্বসের খবরও জানা গেছে।
মন্তব্য করুন