মাইটিভির চেয়ারম্যান নাসির উদ্দীন সাথী গ্রেফতার

মাইটিভির চেয়ারম্যান নাসির উদ্দীন সাথী গ্রেফতার
ছবি: সংগৃহীত

বেসরকারি টেলিভিশন মাইটিভির চেয়ারম্যান নাসির উদ্দীন সাথীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।


আজ রোববার রাতে রাজধানীর গুলশানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।


বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিবির যুগ্ম কমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম।


তিনি জানায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলার আসামি নাসির উদ্দীন সাথী। সেই মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।


আগামীকাল তাকে আদালতে সোপর্দ করে রিমান্ডের আবেদন করা হবে।


সূত্র: জাগো নিউজ 

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০

সারাদেশে প্রায় ৮০০ আয়নাঘর আছে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস

সারাদেশে প্রায় ৮০০ আয়নাঘর আছে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ছবি: সংগৃহীত




অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আয়নাঘর সারা বাংলাদেশজুড়ে বিদ্যমান। এর সঠিক সংখ্যা এখনও নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি।


বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমকর্মী ও ভুক্তভোগীদের নিয়ে আয়নাঘর পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান।


জানা গেছে, এর আগে তিনি প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) যৌথ জিজ্ঞাসাবাদ সেল এবং র‌্যাব-২ এর সিপিসি-৩ এর ভেতরের সেলগুলো পরিদর্শন করেছেন। এরপর তারা র‌্যাব সদর দপ্তরের টাস্কফোর্স ইন্টেলিজেন্স সেন্টারে যান।


ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘এ ধরনের ইন্টারোগেশন সেল, টর্চার সেল সারা বাংলাদেশজুড়ে ছড়িয়ে আছে; আজকে সেগুলো সম্পর্কে শুনলাম। আগে আমার ধারণা ছিল যে, এখানে আয়নাঘর বলতে কয়েকটি স্থানকেই বোঝায়। কিন্তু এখন জানলাম, আয়নাঘরের মতো স্থান সারা দেশজুড়ে বিদ্যমান। কেউ বলছে ৭০০, কেউ বলছে ৮০০। সঠিক সংখ্যা এখনও নিরূপণ করা যায়নি। কতটা জানা আছে, কতটা অজানা রয়ে গেছে।’


তিনি আরও বলেন, ‘এখানে যা ঘটেছে তা নৃশংস। প্রতিটি ঘটনা শুনে অবিশ্বাস্য মনে হয়। এটা কি আমাদেরই জগত, আমাদেরই সমাজ? আমরা কি এটা করলাম? যারা নিগৃহীত হয়েছে, যারা এটার শিকার হয়েছে তারাও আমাদের সঙ্গে আছে। তাদের মুখ থেকে শুনলাম- এটা কীভাবে হয়েছে।’


প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আইয়ামে জাহেলিয়াত বলে একটা কথা আছে। গত সরকার সর্বক্ষেত্রে আইয়ামে জাহেলিয়াতকে প্রতিষ্ঠিত করে গেছে। এটা (আয়নাঘর) এর একটি নমুনা।’


এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার আয়নাঘর পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।


আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে ‘বিশেষ’ স্থানে রাখা হতো। এ নিয়ে সুইডেনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম নেত্র নিউজে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে এসব স্থান ‘আয়নাঘর’ নামে প্রকাশ্যে আসে। গুম হওয়া ব্যক্তিদের অনেকে শেখ হাসিনা সরকারের ক্ষমতাচ্যুতির পর আয়নাঘর থেকে ফিরে আসেন পরিবারের কাছে। তাদের বয়ানে উঠে এসেছে আয়নাঘরের ভয়াবহতা।


১৯ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে একটি বৈঠক করেছে। সে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টাকে গুমের ঘটনায় তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানানো হয়। গুম করে বন্দিদের যেখানে রাখা হতো তা জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল বা আয়নাঘর নামে পরিচিত। কমিশনের সদস্যদের আহ্বানেই সেসব স্থাপনা পরিদর্শনে গেছেন অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান।


অভিযোগ রয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনকালে ২০০৯ থেকে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬০৫ জনকে গোপনে বন্দি করে রাখা হয়েছিল। অন্য আরেকটি তথ্যে বলা হয়েছে, ২০১৪ থেকে ২০১৯ সালের জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশে ৩৪৪ ব্যক্তি গুমের শিকার হয়েছেন। তাদের মধ্যে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় ৪০ জনকে। আর ৬৬ জনকে সরকারি হেফাজতে গ্রেপ্তার অবস্থায় পাওয়া গেছে।


যেসব ব্যক্তি দীর্ঘদিন গুম থাকার পর ফিরে এসেছেন, তারা গুমের ব্যাপারে মৌনতা অবলম্বন করেছেন। ধারণা করা হয়, এসব মানুষদের গুম করে রাখা হয় আয়নাঘরে। অভিযোগ রয়েছে, আয়নাঘরেই বন্দি ছিলেন- অধ্যাপক মোবাশার হাসন, সাবেক রাষ্ট্রদূত মারুফ জামান, ব্যবসায়ী অনিরুদ্ধ কুমার রায়, মাইকেল চাকমা ও মীর আহমদ বিন কাসেমসহ অনেকে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০

বাংলাদেশ সফরে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল

বাংলাদেশ সফরে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল
বাংলাদেশ সফরে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল


ডেস্ক রিপোর্টঃ

যুক্তরাষ্ট্রের একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশ সফরে আসবে বলে জানিয়েছেন দেশটির শার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হেলেন লাফ্যাভ। 

বুধবার (২৩ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের বাংলাদেশ সফরের প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয় বলে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের এক বার্তায় জানানো হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, সাক্ষাতে তারা দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন এবং সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকে আলোচিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন।

ড. ইউনূস আরও উল্লেখ করেছেন, ৬টি বড় সংস্কার কমিশন ইতোমধ্যে তাদের কাজ শুরু করেছে এবং তারা দেশের স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে পরামর্শ করবে।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০

দুর্নীতির মামলায় খালাস পেলেন তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা

দুর্নীতির মামলায় খালাস পেলেন তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা
ছবি: সংগৃহীত

দুর্নীতির মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। 


আজ বুধবার বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। 


আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আসিফ হাসান। আপিলের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এস এম শাহজাহান, কায়সার কামাল ও জাকির হোসেন ভূঁইয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আব্দুল করিম।


আইনজীবী এস এম শাহজাহান বলেছেন, যে সম্পত্তিগুলো তারেক রহমানের নামে দেখানো হয়েছে, একটাও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত না। একটা টাকা বা একটা সম্পত্তিও বাংলাদেশের বাইরে না।


তিনি বলেন, সেনানিবাসে মইনুল রোডের বাড়িটি শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরিবারকে দেওয়া হয়েছিল। সেটাও এ মামলায় দুদক বলছে, এটা তারেক রহমানের অর্জিত সম্পদ এবং এটা অবৈধ সম্পদ। অথচ এটা সরকার নিয়মকানুন মেনে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। আরেকটা সম্পত্তি আছে গুলশানে। সেটাও রাষ্ট্রীয়ভাবে দেওয়া। অথচ মামলায় তারেক রহমানকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা দেওয়া হয়েছিল। বিচারের নামে এ রকম প্রহসন আমি আমার ওকালতি জীবনে দেখিনি।


গত ১৪ মে ডা. জুবাইদা রহমানের তিন বছরের কারাদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছিলেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে জরিমানা স্থগিত করে ওইদিন আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাকে জামিন দেওয়া হয়।


গত ১৩ মে আপিল দায়েরে ৫৮৭ দিনের বিলম্ব মার্জনা করেন হাইকোর্ট। বিলম্ব মার্জনার পর ডা. জুবাইদা রহমান সাজার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন।


সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তারেক রহমান, জুবাইদা রহমান ও তার মা সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানুর বিরুদ্ধে রাজধানীর কাফরুল থানায় মামলা করে দুদক।


এ মামলার বিচার শেষে ২০২৩ সালের ২ আগস্ট জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তারেক রহমানকে দুই ধারায় মোট নয় বছর এবং তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের তৎকালীন বিচারক মো. আছাদুজ্জামান।


রায়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আইন, ২০০৪-এর ২৬ (২) ধারায় তারেক রহমানকে তিন বছর এবং ২৭ (১) ধারায় ছয় বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাকে তিন কোটি টাকা জরিমানা করা হয়।


জুবাইদা রহমানকে ২৭ (১) ধারায় তিন বছরের কারাদণ্ড ও ৩৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পরে এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের নির্বাহী আদেশে তার সাজা এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০

তফসিল ঘোষণা, ভোট আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি

তফসিল ঘোষণা, ভোট আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি
ছবি: সংগৃহীত



ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ করা হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোটও হবে একই দিন। ওই দিন সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চলবে।


বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।


এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৬ লাখের বেশি। প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটারেরাও পোস্টাল ব্যলটে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এখন পর্যন্ত ৩ লাখের বেশি প্রবাসী ভোটার ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০

দেশ থেকে নৌকা মার্কাকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে হবে: নাহিদ

দেশ থেকে নৌকা মার্কাকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে হবে: নাহিদ
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশ থেকে নৌকা মার্কা (আওয়ামী লীগ) নিশ্চিহ্ন করতে হবে। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে চলমান বিচার প্রক্রিয়ার সময় তাদের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা উচিত। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের কারণে জুলাই ঘোষণাপত্র এখনো প্রকাশ করা হয়নি।


শুক্রবার (২ মে) বিকেলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।


নাহিদ ইসলাম বলেন, "জুলাই অভ্যুত্থানের নয় মাস পরেও আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ও তাদের নিবন্ধন বাতিলের দাবিতে আমাদের রাজপথে নামতে হচ্ছে—এটা আমাদের সম্মিলিত ব্যর্থতা। আমরা জাতির কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যে, বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনের বিচার করব এবং দেশকে সংস্কার করব।"


তিনি আরও বলেন, "বাংলাদেশের জনগণ এই প্রথমবারের মতো রাজপথে নামেনি, জীবন দেয়নি। এর আগেও বহুবার মানুষ সংগ্রাম করেছে, প্রাণ দিয়েছে। ১৯৭১ সালের পর ১৯৭২ সালে 'সোনার বাংলা'র স্বপ্ন মুজিববাদীদের হাতে বিনষ্ট হয়। দেশকে ভারতীয় শাসকগোষ্ঠীর হাতে তুলে দেওয়া হয়। মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা ও স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন ধ্বংস করা হয়। মুজিববাদী সংবিধানে 'বাঙালি জাতীয়তাবাদ'-এর নামে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতির অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়। গণতন্ত্রের নামে বাকশাল কায়েম করা হয়।"


তিনি বলেন, "বাংলাদেশে বারবার সামরিক হস্তক্ষেপ হয়েছে। নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানে জনগণ স্বৈরশাসনের পতন ঘটায়। কিন্তু ৩০ বছর পর আবারও সেই স্বৈরতন্ত্র ফিরে এসেছে। গত ১৫ বছর ধরে আওয়ামী লীগ ফ্যাসিবাদী শাসন চালিয়েছে, গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে।"


জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "যখন ছাত্র-জনতা তাদের অধিকারের দাবিতে রাজপথে নেমেছিল, তখন আওয়ামী লীগ সরকার পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবিকে দিয়ে গুলি চালিয়েছিল। আওয়ামী লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয়। তাদের নিবন্ধন বাতিল করে রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে। কিন্তু বিগত নয় মাসেও এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।"


তিনি আরও অভিযোগ করেন, "যাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে, তারা জামিন পেয়ে যাচ্ছে। মামলা-বাণিজ্য চলছে। তৃণমূল পর্যায়ে আওয়ামী লীগ পুনরায় সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে।"


নির্বাচন কমিশন সম্পর্কে তিনি বলেন, "নির্বাচন কমিশন কার স্বার্থে কাজ করবে? আমরা দেখেছি, কিছু সাংবাদিক প্রশ্ন তুলেছেন—শেখ হাসিনা কি গণহত্যাকারী? তাদের বলছি, আপনারা ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের দোসর।"


সমাবেশে তিনি আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান এবং সরকারের সমালোচনা করেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০

জাতীয় স্বার্থ কমপ্রোমাইজ করে কোনো পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করব না: আসিফ মাহমুদ

জাতীয় স্বার্থ কমপ্রোমাইজ করে কোনো পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করব না: আসিফ মাহমুদ
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া বলেছেন, জাতীয় স্বার্থ কমপ্রোমাইজ করে আমরা কোনো পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করব না। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় স্বার্থ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে রক্ষা করতে হবে। তিনি আরও বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ভারতের সাথে পূর্বের নতজানু পররাষ্ট্রনীতি থেকে সরে এসেছে। ভবিষ্যতের সম্পর্কগুলোও জাতীয় স্বার্থকে কেন্দ্র করেই পরিচালিত হবে।


বুধবার দুপুরে কুমিল্লা পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড)-এর লালমাই অডিটোরিয়ামে "ফিনান্সিয়াল ইনক্লুশন অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন" বিষয়ক আন্তর্জাতিক কর্মশালার সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এই মন্তব্য করেন। কর্মশালার শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা তুলে ধরেন।


স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ওপর অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করে জনপ্রতিনিধিদের কার্যক্রম পরিচালনা করা খুব কঠিন হয়ে পড়ছে। এজন্য স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য নতুন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে ভাবা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, স্থানীয় সরকার কমিশন ও নির্বাচন কমিশন সংস্কার শেষ হলে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।


সমাপনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন বার্ড-এর মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব সাইফ উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন আর্ডো'র গবেষণা বিভাগের প্রধান ড. খুশনুদ আলী।


এই কর্মশালায় ১২টি দেশের ২০ জন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে ছিল শ্রীলঙ্কা, মিশর, ভারত, ঘানা, জাম্বিয়া, নামিবিয়া, গাম্বিয়া, পাকিস্তান, ওমান, মালয়েশিয়া, কেনিয়া এবং বাংলাদেশ।


আফ্রিকান-এশিয়ান রুরাল ডেভেলপমেন্ট অরগানাইজেশন (আর্ডো) এর সদস্য রাষ্ট্রসমূহের নীতি-নির্ধারক ও আর্থিক সেবা প্রদানকারী কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিই ছিল এই কর্মশালার মূল লক্ষ্য। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের উদ্দেশ্যে, পল্লী এলাকায় আর্থিক অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়নের কৌশল শিখতেই এই দুই সপ্তাহব্যাপী কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০

আমার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ একক নয়: তারেক রহমান

আমার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ একক নয়: তারেক রহমান
ছবি: সংগৃহীত



বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘সংকটকালে মায়ের স্নেহ স্পর্শ পাবার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যেকোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সবার মতো এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।’ 


নিজের মা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অবস্থার সর্বশেষ জানিয়ে শনিবার (২৯ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া স্ট্যাটাসে একথা জানান তিনি।


তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ ও সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন।


তার রোগমুক্তির জন্য দলমত নির্বিশেষে দেশের সব স্তরের নাগরিক আন্তরিকভাবে দোয়া অব্যাহত রেখেছেন। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা তার রোগমুক্তির জন্য দোয়ার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসার সর্বত সহায়তার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন। দেশ বিদেশের চিকিৎসকদল বরাবরের মতো তাদের উচ্চ মানের পেশাদারিত্ব ছাড়াও সর্বোচ্চ আন্তরিকতা সেবা প্রদান অব্যাহত রেখেছেন। বন্ধুপ্রতিম একাধিক রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও উন্নত চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য সব প্রকার সহযোগিতার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করা হয়েছে।

বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তির জন্য সবার প্রতি দোয়া অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানিয়ে তারেক রহমান লিখেছেন, ‘সর্বজন শ্রদ্ধেয়া বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সবার আন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা প্রদর্শন করায় জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে সবার প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।’


দেশে ফেরার প্রসঙ্গে তারেক রহমান লিখেছেন, ‘এমন সংকটকালে মায়ের স্নেহ স্পর্শ পাবার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যেকোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সবার মতো এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। স্পর্শকাতর এই বিষয়টি বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত।


রাজনৈতিক বাস্তবতার এই পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে উপনীত হওয়া মাত্রই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে আমার সুদীর্ঘ উদ্বিগ্ন প্রতীক্ষার অবসান ঘটবে বলেই আমাদের পরিবার আশাবাদী।’

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০

প্রতিটি কন্যার স্বপ্ন পূরণে আমরা রাষ্ট্রকে অংশীদার বানাবো: তারেক রহমান

প্রতিটি কন্যার স্বপ্ন পূরণে আমরা রাষ্ট্রকে অংশীদার বানাবো: তারেক রহমান
ছবি: সংগৃহীত



বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রতিটি কন্যাশিশুর স্বপ্ন পূরণের পথে আমরা রাষ্ট্রকে তার অংশীদার বানাব, বাধা নয়। বাংলাদেশের জন্য আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি এমন, যেখানে প্রতিটি মেয়ের একই স্বাধীনতা, সুযোগ এবং সুরক্ষা থাকবে। যা যেকোনো পিতা-মাতা তাদের নিজের সন্তানের জন্য কামনা করেন।


শনিবার আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।


প্রতি বছর ১১ অক্টোবর পালিত হয় আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস। দিনটি বিশ্বজুড়ে কন্যাশিশুদের অধিকার, স্বপ্ন ও নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে উদ্‌যাপিত হয়। জাতিসংঘের নির্ধারিত ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবসের মূল প্রতিপাদ্য হলো, ‘দ্য গার্ল আইএম, দ্য চেঞ্জ আই লিড : গার্ল অন দ্য ফ্রন্টলাইন অব ক্রাইসিস।’ 


আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে তারেক রহমানের দেওয়া স্ট্যাটাসটি নিচে তুলে ধরা হলো।


আজ আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবসে আসুন, আমরা প্রতিটি মেয়ের স্বপ্ন দেখার, শেখার, নেতৃত্ব দেওয়ার, মর্যাদার সঙ্গে বেঁচে থাকার অধিকার উদযাপন করি। একজন কন্যার বাবা হিসেবে আমি জানি যে, মেয়েদের ক্ষমতায়ন শুধু নীতি নয়- এটি ব্যক্তিগত। বাংলাদেশের জন্য আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি এমন, যেখানে প্রতিটি মেয়ের একই স্বাধীনতা, সুযোগ এবং সুরক্ষা থাকবে। যা যেকোনো পিতা-মাতা তাদের নিজের সন্তানের জন্য কামনা করেন।


বিএনপি সরকারের রয়েছে জীবন পরিবর্তনের এক ঐতিহ্য এবং সুযোগ পেলে আমরা আরো বেশি কিছু করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা দেখেছি কিভাবে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান পোশাক খাতের প্রবৃদ্ধিকে একটি শিল্পের চেয়েও বেশি কিছুতে পরিণত করেছিলেন। এটি আশায় পরিণত হয়েছিল। লাখ লাখ নারী কাজে প্রবেশ করেছিলেন। আয়, সম্মান এবং স্বাধীনতা অর্জন করেছিলেন।


তার নেতৃত্বে, বাংলাদেশজুড়ে মেয়েশিশু এবং নারীদের জীবনের উন্নতিকে প্রতিষ্ঠিত করার একক উদ্দেশ্য নিয়ে ‘মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ তৈরি করা হয়েছিল।


প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে মেয়েদের শিক্ষা বিশেষ সুবিধা নয়, বরং একটি অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। দশম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা বিনা মূল্যে ঘোষণা করা হয়েছিল এবং ‘শিক্ষার জন্য খাদ্য, শিক্ষার জন্য নগদ’ কর্মসূচি লাখ লাখ মেয়েকে স্কুলে পাঠাতে সাহায্য করেছিল, পারিবারিক ভাগ্য পরিবর্তন করেছিল, শক্তিশালী সম্প্রদায় গড়ে তুলেছিল, ক্ষমতায়িত নারীদের একটি প্রজন্ম তৈরি করেছিল।


তার পথপ্রদর্শক উদ্যোগ ‘ফিমেল সেকেন্ডারি স্কুল অ্যাসিস্ট্যান্স প্রজেক্ট’ আমাদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মাধ্যমিক শিক্ষায় নারী-পুরুষের সমতা প্রতিষ্ঠা করে এবং বাল্যবিবাহের হার কমিয়ে আনে। এই প্রকল্প পরবর্তী সময়ে কন্যাশিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নের এক বৈশ্বিক আদর্শে পরিণত হয়, যা অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশেও অনুসরণ করা হয়েছে। এই সাহসী পদক্ষেপগুলো দেখায়, যা প্রমাণ করে যে যখন প্রশাসন মেয়েদের মর্যাদাকে সম্মান করে এবং তাদের ভবিষ্যতে বিনিয়োগ করে তখন কী সম্ভব। এগুলো সাহসী পদক্ষেপের দৃষ্টান্ত, যা প্রমাণ করে- যখন কোনো সরকার কন্যাশিশুদের মর্যাদা রক্ষা করে এবং তাদের ভবিষ্যতে বিনিয়োগ করে, তখন কত কিছুই সম্ভব হয়ে ওঠে।


বিএনপির ভবিষ্যৎ নীতিমালা সম্মান এবং বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছে, যার মাধ্যমে:


১. নারী পরিবারের প্রধানদের নামে ‘পরিবার কার্ড’- প্রতিটি পরিবারের প্রধানকে সরাসরি সাহায্য এবং সহায়তা পৌঁছানো নিশ্চিত করা।


২. নারী উদ্যোক্তাদের জন্য এসএমই ঋণ, ব্যাবসায়িক প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তা- কারণ অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা কোনো আপসের বিষয় নয়।


৩. মেয়েদের জন্য শক্তিশালী শিক্ষাগত এবং বৃত্তিমূলক সুযোগ- যাতে প্রতিটি মেয়ে, গ্রামে হোক বা শহরে, দক্ষতা অর্জন করতে পারে এবং ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারে।


৪. নারীরা সিদ্ধান্ত গ্রহণের টেবিলে- রাজনীতি, শাসন ও নীতিনির্ধারণে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি। একটি নিরাপদ জাতি এ থেকে কম আশা করতে পারে না।


৫. মর্যাদা এবং স্বাধীনতার সুরক্ষা - মেয়েদের চলাফেরা, কথা বলতে, ইন্টারনেট অ্যাক্সেস করতে, ভয় ছাড়াই বাঁচতে সক্ষম করা।


৬. পরিবার ও সামাজিক কল্যাণকে মূলনীতি হিসেবে-স্বাস্থ্য, গ্রামীণ ক্ষমতায়ন, সবার জন্য কর্মসংস্থান, বিশেষভাবে নারী ও কন্যাশিশুর ওপর কেন্দ্রিত।


আমরা খালি বাক্যবুলিতে কথা বলি না। আমরা বিশ্বাস এবং অভিজ্ঞতার সঙ্গে, নির্ধারিত লক্ষ্য নিয়ে কথা বলি। প্রতিটি কন্যাশিশুর স্বপ্ন পূরণের পথে আমরা রাষ্ট্রকে তার অংশীদার বানাবো, বাধা নয়।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০

হামাসকে নির্মূল করার আগে যুদ্ধ শেষ হবে না: নেতানিয়াহু

হামাসকে নির্মূল করার আগে যুদ্ধ শেষ হবে না: নেতানিয়াহু
নেতানিয়াহুরে ছবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, হামাসের সামরিক এবং প্রশাসনিক কাঠামো নির্মূল না করা পর্যন্ত যুদ্ধ অব্যাহত রাখা হবে।

তিনি বলেছেন, যুদ্ধ বন্ধ করার ক্ষেত্রে ইসরাইলের যে শর্ত রয়েছে সেটি পরিবর্তিত হয়নি; হামাসের সামরিক ও প্রশাসনিক কাঠামো ধ্বংস করা, সব জিম্মিকে মুক্ত করা এবং নিশ্চিত করা যে, গাজা আবারও ইসরাইলের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে না।

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় চলমান যুদ্ধ বন্ধে শুক্রবার একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এ প্রস্তাবে বাইডেন বলেছেন, প্রথমে ছয় সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতি হবে, এরপর ইসরাইলি বাহিনী গাজার জনবহুল এলাকা থেকে সরে যাবে, গাজায় বিপুল ত্রাণ পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হবে, কয়েকশো ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেবে ইসরাইল, হামাস মুক্তি দেবে ইসরাইলি জিম্মিদের— যার মধ্যে থাকবে পুরুষ সেনারাও।

এরপর গাজার পুনর্গঠনের কাজ শুরু হবে। সবশেষে দুই পক্ষের মধ্যে সব ধরনের হামলা বন্ধ অর্থাৎ স্থায়ী যুদ্ধবিরতি হবে। বাইডেন এটিকে ইসরাইলের প্রস্তাব হিসেবেই অভিহিত করেছেন।

তবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন দখলদার ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

তিনি আরও বলেছেন, স্থায়ী যুদ্ধবিরতি হওয়ার আগ পর্যন্ত ইসরাইল তার শর্তে অটল থাকবে। এসব শর্ত পূরণ হওয়ার আগে ইসরাইল স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রাজি হবে এমন ধারণা বাস্তব হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

এদিকে বাইডেন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় হামাস বলেছে, তারা এতে ‘ইতিবাচক’।

এছাড়া ইসরাইলের বিরোধী দলগুলোও এতে সমর্থন জানিয়েছেন। হামাসের হাতে যেসব জিম্মি রয়েছেন তাদের পরিবারের সদস্যরাও এই শর্ত কার্যকর করার জন্য দাবি জানাচ্ছেন।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০

কোনো মব করে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধকে খাটো করার সুযোগ নেই: সেনাসদর

কোনো মব করে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধকে খাটো করার সুযোগ নেই: সেনাসদর
ছবি: সংগৃহীত



কোনো ‘মব’ বা কোনোকিছু করে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধকে খাটো করার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে সেনাসদর। সোমবার ঢাকা সেনানিবাসের অফিসার্স মেসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সেনাসদরের মিলিটারি অপারেশন্সের পরিচালক কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম।


মুক্তিযোদ্ধার বাসায় মব সৃষ্টি করে হামলার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে। আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের আগেও যেভাবে সশ্রদ্ধ সম্মান করেছি, আজও করি এবং ভবিষ্যতেও অন্তরের অন্তস্থল থেকে শ্রদ্ধা ও সম্মান করবো। কোনো মব করে মুক্তিযোদ্ধা কিংবা মুক্তিযুদ্ধকে ছোট করার কোনো সুযোগ নেই।


মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানের বাড়ির সামনে একটি মব সৃষ্টি হয়েছিল, যখন সেনাবাহিনী মেসেজ পেয়েছে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে আমাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউনিট উপস্থিত হয়ে মব নিয়ন্ত্রণ করেছে। এ ব্যাপারে আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন সামনের দিনগুলোতে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে ইনশাআল্লাহ।


মবের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, মবের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। যেখানে যখন মব হয়েছে সেখানে সঙ্গে সঙ্গে সেনাবাহিনী দ্রুততার সঙ্গে পৌঁছে পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছে। কয়েকটি জায়গায় আমাদের যে বিলম্ব হয়েছে সেটা সোর্স থেকে তথ্য পেতে বিলম্ব হয়েছে। যে কোনো ঘটনা ঘটার পর সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন হয়। তারপর সেনাবাহিনীকে অনুরোধ জানানো হয়, এরমধ্যে কিন্তু কিছু কালক্ষেপণ হয়ে গেছে, তারপর আমাদের নিকটস্থ ক্যাম্প থেকে যদি পেট্রোল পাঠায় তখনো কিছু সময় লাগে। এই সময়ের মধ্যে কোনো ঘটনা ঘটে যায় এটার দায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিতে পারে না। এমন একটি উদাহরণ দেখানো যাবে না যে সেনাবাহিনীকে অনুরোধ করা হয়েছে সেনাবাহিনী সেখানে যায়নি বা সেনাবাহিনীর সামনে মব হয়েছে সেনাবাহিনী যায়নি। এরকম কোনো ঘটনা ঘটেনি।


আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দিনে দিনে অবনতির দিকে যাচ্ছে। গত এক সপ্তাহে নৃশংসভাবে কয়েকটি হত্যাকাণ্ড ও বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর বাসায় হামলা করা হয়েছে। যারা মব সৃষ্টি করে আইন হাতে তুলে নিচ্ছে তাদের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ধৈর্যের ও পরিশ্রমের সঙ্গে সরকার ও দেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছে সেনাবাহিনী। আইনশৃঙ্খলা উন্নতি কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা সেনাবাহিনীর একমাত্র কাজ নয়। সেনাবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ারের মাধ্যমে গ্রেফতার/আটক এবং হস্তান্তর করা যায়। কোনো জুডিশিয়ারি কিংবা আইনি প্রক্রিয়ায় সেনাবাহিনী কাউকে সাজা দিতে পারে না। সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সমন্বিতভাবে একত্রে কাজ করতে হবে। অলরেডি সবাই কাজ শুরু করেছে।


অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সেনাবাহিনীর সমন্বয়ের অভাব আছে কি না জানতে চাইলে কর্নেল শফিকুল ইসলাম বলেন, একটা ঘটনা কিংবা মবের সৃষ্টি হলো সেখানে ইমিডিয়েটলি একটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গিয়েছে এবং তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। পরবর্তীতে সেখানে সেনাবাহিনীকে রিকোয়েস্ট করার বিষয়টি যদি বিলম্ব হয় কিংবা আমাদেরকে পরে সংবাদ জানানো হয় তাহলে সেনাবাহিনী সেখানে পৌঁছাতে পৌঁছাতে খারাপ ঘটনার উদ্ভব হয়ে যেতে পারে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে একটা জায়গায় ঘটনা ঘটেছে কেউ জানে না, এমনকি পুলিশও জানে না। আমরা চেষ্টা করছি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করার জন্য।


রাজবাড়ীতে নুরুল হক ওরফে ‘নুরা পাগলার’ মরদেহ তুলে নিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া ও দরবারে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, রাজবাড়ীর ঘটনা অনেক পরে সেনাবাহিনী জানতে পারে। যখনই জানতে পেরেছে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সেনাবাহিনী মোতায়েনের পর রাত ১১টার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদেরকে গ্রেফতারে পুলিশ ও সেনাবাহিনী তৎপর।

global fast coder

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী : সেনাপ্রধান

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পক্ষপাতিত্ব করছে না : উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনার সঙ্গে রেহানার তিন সন্তানের কারাদণ্ড

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভালো প্রস্তুতি রয়েছে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

‘নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব করলে কঠোর ব্যবস্থা’

সারা দেশে মোতায়েন থাকবে ৩৭ হাজার বিজিবি

চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে কাজ চলমান থাকতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধান : প্রধান উপদেষ্টা

১০

নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ইসির

১১

নির্বাচনে কোনো আওয়ামী দোসর নেই: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১২

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, মাঠের পরিবেশ বেশ চমৎকার: ইসি আনোয়ারুল

১৩

কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে: উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর

১৪

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্ব গোপন করলে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ

১৫

নির্বাচনের সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি ও আন্তর্জাতিক অবস্থান জড়িত: ইসি সানাউল্লাহ

১৬

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল একসঙ্গে ঘোষণা হবে: ইসি আখতার

১৭

সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

১৮

জেতানোর মালিক আল্লাহ: তারেক রহমান

১৯

ভারতে বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের বিকল্প দল নেবে আইসিসি

২০