

ভারতীয় এক গৃহবধু সীমান্তের কাঁটাতারের
বেড়া পেরিয়ে প্রেমিকের হাত ধরে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছেন। স্বামী-সন্তান ছেড়ে প্রেমিককে
বিয়ে করে সংসার বাধার উদ্দেশে বাংলাদেশে আসে ঘর বাঁধার জন্য। কিন্তু তাদের সে আশা
পূরণ করতে দেয়নি বিজিব'র সদস্যরা।
দালালের মাধ্যমে সীমান্তের কাঁটাতারের
বেড়া পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় প্রেমিকের সহযোগীসহ বিজিবির সদস্যদের হাতে আটক
হয়েছেন ভারতীয় ওই গৃহবধু।
রবিবার ( ১৯ জানুয়ারী ) বিকালে কুড়িগ্রামের
ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের বালাতাড়ী সীমান্তের ৯৩৩ নম্বর আন্তর্জাতিক সীমানা
পিলারের পাশে বালাতাড়ী গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটলিয়নের অধীন
বালারহাট বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা রবিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশী সহযোগী সহ আটক দুই ভারতীয়
নাগরিককে ফুলবাড়ী থানায় সোপর্দ করেছেন।
আটককৃতরা হলেন, ভারতের পুর্ব বর্ধমান
জেলার নাদনঘাট থানার ধামাই গ্রামের বাবর আলী মন্ডলের মেয়ে এক সন্তানের জননী রেশমা মন্ডল
(২৮), দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার উশতি থানার গড়খালী গ্রামের দেবকুমার সাপুইয়ের ছেলে
সৌরভ কুমার সাপুই (১৮) এবং সহযোগী কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার কাশিরডারা গ্রামের
বাচ্চু মিয়ার ছেলে ইউসুফ আলী (২২)।
এ প্রঙ্গসে ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ
(ওসি) মামুনুর রশীদ জানান, সন্ধ্যায় বিজিবি ভারতীয় এক নারী, এক যুবক ও তাদের সহযোগী
এক বাংলাদেশীসহ তিনজনকে থানায় সোপর্দ করেছে। এ ব্যাপারে বিজিবি বাদী হয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ
আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মামুনুর
রশীদ জানান, সন্ধ্যায় বিজিবি ভারতীয় এক নারী, এক যুবক ও তাদের সহযোগী এক বাংলাদেশী
সহ তিনজনকে থানায় সোপর্দ করেছে। এ ব্যাপারে অবৈধ অনুপ্রবেশ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি
চলছে।
মন্তব্য করুন


ফরিদপুরের
সালথায় গভীর রাতে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক হয়েছেন মো.
আজাদ শেখ (৩৫) নামে এক স্কুল দপ্তরি। মঙ্গলবার (৬ মে) দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার
যদুনন্দী ইউনিয়নের বড় খারদিয়া এলাকায় ওই প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরের আলমারির ভেতর থেকে তাকে
আটক করা হয়। যদিও পরে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহলকে মোটা অঙ্কের অর্থ দিয়ে তাকে ছাড়িয়ে
নেয় তার পরিবার। তবে ঘটনার ৫৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওতে
দেখা যায়, প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরের আলমারির ভেতর খালি গায়ে লুকিয়ে আছেন আজাদ। তাকে আলমারির
ভেতর থেকে বের করার চেষ্টা করছেন কয়েকজন যুবক। এসময় অনেককে ঘটনাটি মোবাইলে ভিডিও ধারণ
করতে দেখা গেছে। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
আটক
আজাদ শেখ বড় খারদিয়া গ্রামের বর শেখের ছেলে। তিনি বড় খারদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের
দপ্তরি হিসেবে কর্মরত। স্থানীয়রা জানান, ওই প্রবাসীর স্ত্রীর ছেলে বড় খারদিয়া স্কুলে
পড়ে। ছেলেকে স্কুলে আনা-নেওয়ার সময় দপ্তরি আজাদের সঙ্গে তার পরিচয় হয়।
পরে
তারা দুজন পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। যে কারণে মাঝে মাঝেই গভীর রাতে ওই নারীর ঘরে যাওয়া-আসা
করত আজাদ। বিষয়টি স্থানীরা টের পেলে রাতে পাহাড়া দিতে থাকে। মঙ্গলবার গভীর রাতে আজাদ
ওই নারীর ঘরে ঢুকলে স্থানীয় লোকজন বাড়িটি ঘিরে ফেলেন। পরে ঘরের ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে
একটি আলমারির ভেতর লুকিয়ে থাকা অবস্থায় তাকে বের করে আটক করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা
জানান, ঘটনাটি ঘটনার পর আজাদকে পুলিশে না দিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময় তাকে ছেড়ে
দেন স্থানীয় প্রভাবশালী মহল। এখন এ ঘটনা মিমাংসা করার জন্য দেন-দরবার চলছে।
ঘটনার
সত্যতা স্বীকার করে প্রবাসীর স্ত্রী বলেন, রাতে পাশের বাড়ির মৃত্যুর খবর পেয়ে আমি সেখানে
যাই। পরে বাড়িতে এসে দেখি আজাদ ঘরের ভেতরে। এসময় আজাদ আমাকে চুপ থাকতে বলেন। কিন্তু
প্রতিবেশীরা যখন আমার বাড়ি ঘিরে ফেলে, তখন ভয় পেয়ে আজাদ আলমারিতে লুকিয়ে পড়েন। পরবর্তীতে
স্থানীয়রা এসে তাকে আটক করেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ইরন বলেন, এ
ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। সবই ভিত্তিহীন। এখানে কোনো সমস্যা নেই। এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ
না করার অনুরোধ করেন তিনি।
বড়
খারদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোরশেদা খান
লিমা বলেন, আজাদের স্ত্রী ফোন করে তার জন্য ছুটির আবেদন করেন। আমি ছুটি মঞ্জুর করি।
পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি।
সালথা
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো.
তামেম উদ্দিন বলেন, বিষয়টি জানতে পেরেছি। আমি বর্তমানে প্রশিক্ষণে আছি। রবিবার অফিসে
এসে বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সালথা
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. দবির উদ্দিন কালের কণ্ঠকে বলেন, এ ঘটনায় যদি স্কুল দপ্তরি
আজাদের বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং তিনি দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা
নেওয়া হবে। এমনকি সাময়িক বরখাস্তও করা হতে পারে।
মন্তব্য করুন


পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় তো বটেই, সব সংস্করণের ক্রিকেট মিলিয়েই পাকিস্তানের মাটিতে এটি বাংলাদেশের প্রথম সিরিজ জয়।
অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত যেন নতুন এক ইতিহাস গড়ারই অগ্রপথিক হলেন। এমন বর্ণিল সাফল্যের দিনে ঢাকা থেকে নিশ্চয়ই অভিনন্দনসিক্ত অনেক ফোন পেয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। তার মধ্যে একটি ফোনকল নিশ্চিতভাবেই আলাদা।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসও যে ফোনে অভিনন্দন জানিয়েছেন তাঁকে। মাঠে দাঁড়িয়েই প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয়ের জন্য ম্যাচের পরই নাজমুল ও তাঁর ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানিয়ে মুঠোফোনে প্রধান উপদেষ্টা অধিনায়ককে বলেছেন, ‘আমার ও সরকারের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন। পুরো জাতি তোমাদের নিয়ে গর্বিত।’
দেশে ফেরার পর বাংলাদেশ দলকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন ড. ইউনূস।
বাংলাদেশ দলকে অভিনন্দন জানিয়ে একই পোস্ট দেওয়া হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজেও।
রাওয়ালপিন্ডিতে প্রথম টেস্টে ১০ উইকেটে জয়। এরপর আজ একই মাঠে পাকিস্তানকে ৬ উইকেটে হারিয়ে ২–০ তে সিরিজও জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ দল।
মন্তব্য করুন


চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) এক সফল অভিযান পরিচালনা করেছে। উক্ত অভিযানে গোমস্তাপুর থানা এলাকা থেকে ১ কেজি ৫০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই নারী মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ০৬ মে ২০২৬ তারিখ বিকেল ৫:৩০ থেকে সন্ধ্যা ৬:১০ ঘটিকা পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি চৌকস দল গোমস্তাপুর থানাধীন রহনপুর পৌরসভার নুনগোলা কেডিসিপাড়া এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে আসামিদের হেফাজত থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত দুই আসামি সম্পর্কে আপন বোন। তারা হলেন:১. মোসাঃ সাজেদা বেগম (৫৪), স্বামী- আঃ সাত্তার, সাং- নুনগোলা কেডিসিপাড়া, রহনপুর পৌরসভা, গোমস্তাপুর ২. মোসাঃ শাহিদা বেগম (৫৮), স্বামী- মৃত শামসুল আলম, বর্তমান ঠিকানা- নুনগোলা কেডিসিপাড়া (সাজেদার বাড়ি), স্থায়ী ঠিকানা- গ্রাম: মহাডাঙ্গা, পোরশা, নওগাঁ।
অভিযান শেষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক মামুনুর রশীদ বাদী হয়ে গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে গোমস্তাপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকের বিস্তার রোধে এবং জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে।
মন্তব্য করুন


যুব ও ক্রীড়া এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভূঁইয়া জানিয়েছেন, যুব প্রশিক্ষণ ও যুব ঋণের মাধ্যমে উদ্যোক্তা তৈরি করে কর্মসংস্থানের
ব্যবস্থা করছে সরকার। বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতায় ৯ লাখ যুবককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, যারা
কোনো শিক্ষা বা কাজে নেই। আগামী দুই বছরে ৫ লাখ কর্মসংস্থান তৈরি করা হবে।
আজ শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে
জাতীয় যুব দিবসের আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের ম্যান্ডেট নিয়ে এই সরকার
গড়ে উঠেছে। সংস্কার কার্যক্রমে যুবসমাজের সহযোগিতা ও মতামত প্রত্যাশা করে সরকার। ৫
আগস্টের পর যারা ট্রাফিক কাজে যুক্ত হয়েছিল, তাদের আরও প্রশিক্ষণ শেষে সহ-পুলিশ হিসেবে
নিয়োগ কার্যক্রম চলমান আছে। সাংবিধানিক ও কাঠামোগত সংস্কারের মাধ্যমে সমতা প্রতিষ্ঠার
যে লক্ষ্য সেখানে সহায়ক ভূমিকায় থাকবে যুব সমাজ। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পরে জাতীয় যে
নৈতিক বুস্টিং হয়েছে তারই ফল হিসেবে ক্রীড়া ক্ষেত্রে আমাদের বেশকিছু অর্জন এসেছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ভোক্তাপর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি)
নতুন দাম নির্ধারণ করেছে ।
সোমবার
সন্ধ্যা ৬টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হবে।
সোমবার
(৩ মার্চ) বিকেলে বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ সংবাদ সম্মেলনে জানান, ১২ কেজি সিলিন্ডারের
দাম ২৮ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৪৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া
ভোক্তাপর্যায়ে অটোগ্যাসের মূল্য ১ টাকা ৩১ পয়সা কমিয়ে ৬৬ টাকা ৪৩ পয়সায় সমন্বয় করা
হয়েছে।
এর
আগে, গত ২ ফেব্রুয়ারি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৯ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৪৭৮ টাকা নির্ধারণ
করা হয়। এছাড়া অটোগ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ৬৭ টাকা ৭৪ পয়সা।
প্রসঙ্গত,
২০২৪ সালে এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম ৪ দফা কমানো হয়েছিল এবং ৭ দফা বাড়ানো হয়েছিল।
এর
মধ্যে জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ, জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে বাড়ানো
হয়েছিল এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম। আর এপ্রিল, মে, জুন ও নভেম্বরে দাম কমানো হয়েছিল।
তবে দাম অপরিবর্তিত ছিল ডিসেম্বরে।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেছেন,সংবাদপত্রের গুণগত মানোন্নয়নে টাস্কফোর্স গঠন করবে সরকার। এই টাস্কফোর্স স্বচ্ছতার সঙ্গে সংবাদপত্রের প্রকৃত প্রচারসংখ্যা নির্ধারণ, ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন, বিজ্ঞাপন হার নির্ধারণসহ সংবাদপত্রের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবে।
আজ সোমবার (২১ এপ্রিল) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা
অধিদপ্তরের (ডিএফপি) অংশীজনের সভায় উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
সরকারের
নীতিমালা মেনে সংবাদপত্র প্রকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করে উপদেষ্টা বলেন, যে-সব সংবাদপত্র সরকারি নীতিমালা মেনে প্রকাশিত হবে, সেসব সংবাদপত্র বিজ্ঞাপনসহ সরকারি সুবিধা পাবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার
মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, ঢাকা বিশ্ববিদালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. গীতি আরা নাসরীন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, দৈনিক মানবজমিনের সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, বিএফইউজের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, ডিইউজের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, দৈনিক প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরীফ, দৈনিক দিনকালের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শিমুল বিশ্বাস, দৈনিক নয়াদিগন্তের নির্বাহী সম্পাদক মাসুমুর রহমান খলিলীসহ বিভিন্ন সংবাদপত্রের প্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


আজ বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) রাতের তাপমাত্রা বেড়ে শীত কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। কয়েকদিন শীতের তীব্রতা বাড়ার সম্ভাবনা নেই। বরং এসময়ে রাতের তাপমাত্রা ক্রমে বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
আগামী সপ্তাহে দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে (রংপুর এবং সিলেট অঞ্চল) বৃষ্টি হতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।
বৃহস্পতিবার(২১ডিসেম্বর) সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। যা একদিন আগে ছিল ১০ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাস তুলে ধরে আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম জানিয়েছেন, আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। শেষ রাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। এসময়ে সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
শুক্রবার এবং শনিবারও রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে জানিয়ে তিনি বলেছেন, পরবর্তী ৫দিনে সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে এবং দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


দেশের
স্বাস্থ্যখাতে দীর্ঘ দিন থেকে যেসব সমস্যা রয়েছে তা নিরসনে স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্কার
কমিশনের সুপারিশগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে উল্লেখ করে যেসব সুপারিশ এখনই বাস্তবায়নযোগ্য
তা দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ
ইউনূস।
আজ
সোমবার (৫ মে) স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্কার কমিশন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার
নিকট তাদের প্রতিবেদন পেশ করার পর তিনি এই নির্দেশ প্রদান করেন।
স্বাস্থ্যবিষয়ক
সংস্কার কমিশনের এই প্রতিবেদনকে যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করে প্রধান উপদেষ্টা
বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাতের সমস্যাগুলো বহুদিনের সমস্যা, এর মাধ্যমে আমরা যদি এসব সমস্যার
সমাধান করতে পারি তা হবে যুগান্তকারী ঘটনা।’
তিনি
বলেন, সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যেসব সুপারিশ আশু বাস্তবায়নযোগ্য
তা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের এখনি মনোযোগী হতে হবে।
ড.
মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, একটি বড় সমস্যা হচ্ছে ডাক্তারের সংকট, আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে
ডাক্তার থাকলেও যেখানে দরকার সেখানে ডাক্তার নেই। এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে হবে।
চিকিৎসা
ব্যবস্থা বিকেন্দ্রীকরণের উপর জোর দিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এটা ছাড়া সমস্যা নিরসন
সম্ভব নয়। চিকিৎসকদের যেখানে পোস্টিং সেখানে থাকাটা নিশ্চিত করতে হবে।
কমিশন
প্রধান জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খানের নেতৃত্বে এই কমিশনের সদস্যরা তাদের প্রতিবেদন
প্রধান উপদেষ্টার নিকট হস্তান্তর করেন।
এসময়
আরও উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের জনস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্য ইনফরমেটিকস
বিভাগের অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ জাকির হোসেন, অধ্যাপক লিয়াকত আলী, ডা. সায়েবা আক্তার,
সাবেক সচিব এম এম রেজা, ডা. আজহারুল ইসলাম, ডা. সৈয়দ মো. আকরাম হোসেন, ডা. সৈয়দ আতিকুল
হক, ডা. আহমেদ এহসানুর রাহমান এবং শিক্ষার্থী প্রতিনিধি উমায়ের আফিফ।
স্বাস্থ্য
বিষয়ক সংস্কার কমিশনের অন্য দুই সদস্য হলেন ডা: নায়লা জামান খান, ডা: মোজাহেরুল হক।
মন্তব্য করুন


পাবনার
শালগড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. আশরাফুল খাঁকে একটি মাদক মামলায় ২০২২ সালের ২৩ নভেম্বর
পাবনা জেলা কারাগারে নিয়ে আসা হয়। কারাগারে থাকাকালে শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন এই
বন্দি।
পাবনা
জেলা কারাগারের ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন সময় চিকিৎসা গ্রহণের পর পরীক্ষায় জানা যায়,
তিনি বোন ক্যান্সারে আক্রান্ত। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে
(কেরানীগঞ্জ) পাঠানো হয়।
ঢাকা
কেন্দ্রীয় কারাগারে তার চিকিৎসা চলমান থাকলেও ক্যান্সারের মতো ব্যয়বহুল, স্পর্শকাতর
ও দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা কারাগারে থেকে যথাযথভাবে গ্রহণ করা তার পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ে।
বিষয়টি
মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করেন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (কেরানীগঞ্জ) সিনিয়র
জেল সুপার ফারুক আহমেদ।
তিনি
পাবনা জেলা কারাগারের জেল সুপারের সঙ্গে পরামর্শ করে বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন। পরে
আদালতের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বন্দি আশরাফুলের জামিনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
শুক্রবার
(১৫ মে) ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (কেরানীগঞ্জ) সিনিয়র জেল সুপার ফারুক আহমেদ বলেন,
বন্দি আশরাফুল খাঁ কারাগার থেকে জামিনে বের হয়েছেন। তাকে নিজ গ্রামে পাঠানোর ব্যবস্থা
করা হয়েছে।
এদিকে
বোন ক্যান্সারে আক্রান্ত বন্দির জামিনের ব্যবস্থা করায় ধন্যবাদ জানিয়েছে কারা অধিদপ্তর।
তারা বলছে, এটি একটি মানবিক দৃষ্টান্ত।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
লে. জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, কোনো অভিযান পরিচালনার সময় আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনীকে নিজেদের পরিচয় দিয়ে গ্রেফতার করতে হবে, পরিচয় না দিয়ে কোনো অবস্থাতেই
কাউকে গ্রেফতার করা যাবে না।
রবিবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা ফয়সল হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত
করা হয়।
অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর)
থেকে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল।
এর আগে পুলিশ সদর দফতর থেকে কোনো ব্যক্তির
কাছে এ ধরনের অস্ত্র ও গোলাবারুদ রক্ষিত থাকলে মঙ্গলবারের মধ্যে নিকটস্থ থানায় জমা
দিতে বলা হয়েছিল। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আগেই
ঘোষণা দেয়া হয়েছিল।
গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগের
খবরে দেশের বিভিন্ন থানায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। থানায় সংরক্ষিত বিপুল
পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এরপর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর
অভিযানে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার করা হয় কিছু অস্ত্র ও গোলাবারুদ। তবে সে সংখ্যাটা
খুবই নগণ্য। বহু অস্ত্র বাইরে রয়ে গেছে। সেসব অস্ত্র এবং আগে থেকে অনেকের কাছে থাকা
অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে যৌথ অভিযান পরিচালনা করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে
লুট হওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার কার্যক্রমসহ নিয়মিত টহল ও নজরদারি অব্যাহত রাখা
হবে বলে এরই মধ্যে একাধিকবার জানিয়ে আসছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।
মন্তব্য করুন