

সারাদেশের বিভিন্ন জেলায় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা
শান্তিপূর্ণভাবে তাদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব 'শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা'
উদযাপন করছে।
গতকাল (১৭ অক্টোবর ২০২৪) পার্বত্য চট্টগ্রামের
বান্দরবান জেলার সার্বজনীন বৌদ্ধ বিহার, মংসুইপ্রুপাড়া বৌদ্ধ বিহার, সেন বৌদ্ধ
বিহার, আমতলী বৌদ্ধ বিহার; খাগড়াছড়ি জেলার শালবন বৌদ্ধ বিহার, বোয়ালখালী ও
দীঘিনালা উপজেলায় এবং রাঙ্গামাটি জেলার শৌধর্ম বৌদ্ধ বিহার, রেস বাজার ও
রাঙ্গামাটি সদরে উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে উৎসবটি পালিত হয়। এছাড়া চট্টগ্রাম ও
কক্সবাজার জেলার ১১ টি উপজেলায় বৌদ্ধ ও রাখাইন সম্প্রদায়ের জনগণ ২৯১ টি বৌদ্ধ
বিহারে শান্তিপূর্ণভাবে প্রবারণা উৎসব পালন করে। পাশাপাশি রামু উপজেলার বাকখালী
নদীর তীরে 'কল্প জাহাজ ভাসা উৎসব' সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও বরিশাল জেলার
১৪ টি বিহারে শান্তিপূর্ণভাবে প্রবারণা উৎসব পালিত হয়।
আজ (১৮ অক্টোবর ২০২৪) কক্সবাজার সদর উপজেলায় আরেকটি 'কল্প জাহাজ ভাসা উৎসব' আয়োজন করা হয়েছে এবং চট্টগ্রাম ইপিজেড-এর সিমেন্সের মাঠে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা একটি সমাবেশের আয়োজন করেছে। উক্ত সমাবেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত কল্পে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। 'শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা' উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনে সহযোগিতার জন্য সেনাবাহিনীর প্রতি বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, প্রফেসর ড. সুকোমল বড়ুয়া বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
মন্তব্য করুন


সোমবার (১২ আগস্ট) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে হটলাইন সেবা চালু করা নিয়ে বলা হয় ।
একটি অনুরোধ জানিয়ে আরো বলা হয় যে,
মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা বা অন্য কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলা হলে তার তথ্য জানাতে
অনুরোধ করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
এতে আরো বলা হয়, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা
বা অন্য কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান দুর্বৃত্ত কর্তৃক হামলার শিকার বা আক্রান্ত হলে তার
তথ্য ০১৭৬৬-৮৪৩৮০৯ এই মোবাইল নম্বরে ফোন বা ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে জানানোর জন্য অনুরোধ
করা হলো।
এর আগে গতকাল দুপুরের দিকে অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা ঠেকাতে হটলাইন চালুর
কথা বলেন। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চালু হলো এই সেবা।
মন্তব্য করুন


সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত চার বিচারপতি আজ শপথগ্রহণ করেছেন।
শপথগ্রহণ করা আপিল বিভাগের চার বিচারপতি হলেন, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম, বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক।
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের জাজেজ লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ আপিল বিভাগের চার নবনিযুক্ত বিচারককে শপথবাক্য পাঠ করান।
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শপথ অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা।
শপথ অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট উভয় বিভাগের বিচারপতিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এবং অন্যান্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
চার বিচারপতি নিয়োগ কার্যকরের মধ্য দিয়ে আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা দাঁড়ালো ৬ জনে।
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে কর্মরত চার বিচারপতিকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সোমবার (১২ আগস্ট) রাতে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে কর্মরত চারজন বিচারককে তাদের শপথগ্রহণের তারিখ থেকে আপিল বিভাগের বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। শপথগ্রহণের দিন থেকে এই নিয়োগ কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।
শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে গত শনিবার (১০আগস্ট) দেশের ২৪তম প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান এবং আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতি পদত্যাগ করেন। পদত্যাগের আগে আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা ছিল ৭। শনিবার রাতে দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান হাইকোর্ট বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। পরদিন রোববার (১২ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন তিনি।
বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। দুই বছর পর ২০০৫ সালের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান তিনি।
বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম, বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক ২০০৪ সালের ২৩ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। দুই বছর পর ২০০৬ সালের ২৩ আগস্ট এই তিন বিচারপতি হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।
মন্তব্য করুন


তরুণদের মাধ্যমে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার
আধুনিকায়নের আহ্বান জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভূঁইয়া।
বুধবার (৯ অক্টোবর) ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা
ও সামাজিক সচেতনতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্সের (২য় পর্যায়) উদ্বোধনের পর এ আহ্বান জানান
তিনি।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ মিলনায়তনে এ
আয়োজন করে যুব উন্নয়ন অধিদফতর। দুই দিনব্যাপী এই কোর্সের আওতায় প্রতি ব্যাচে ৩০০
জন করে সাতটি ব্যাচে মোট ২ হাজার ১০০ জন প্রশিক্ষণার্থীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ
বলেন, ‘যানজট বাংলাদেশের একটি অন্যতম সমস্যা। গত ৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদী সরকার পতনের পর
তিন দিন দেশে সরকার ছিল না। ঠিক সেই সময় সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে শিক্ষার্থীরা রাস্তায়
নেমে আসে। যানজট নিরসনে ছাত্ররাই প্রথম ট্রাফিক পুলিশের সহযোগিতায় এগিয়ে আসে। কোনও
প্রশিক্ষণ না থাকা সত্ত্বেও তরুণ ছাত্র-যুবরা দিন-রাত সড়কের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায়
নিরলসভাবে কাজ করেন। দেশ পুনর্গঠনে তরুণদের দায়িত্ব নিতে হবে। আমরা তারুণ্যের শক্তিকে
কাজে লাগিয়ে একটি আধুনিক সুন্দর দেশ গড়তে চাই। এ জন্য ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সবাইকে
সচেতন হতে হবে। ট্রাফিক আইন বিষয়ে সবার মাঝে সামাজিক সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া জরুরি।
ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে ম্যানুয়াল পদ্ধতি থেকে আধুনিকায়নে উত্তরণ ঘটাতে হবে।’
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো.
রেজাউল মকছুদ জাহেদী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ছাত্রদের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নজিরবিহীন
দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল; যার সুফল আমরা পেয়েছি। উপদেষ্টার দিক-নির্দেশনা এবং সবার
সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবো।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুব উন্নয়ন
অধিদফতরের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) ড. গাজী মো. সাইফুজ্জামান।
মন্তব্য করুন


আগামীকাল
ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের সাইডলাইনে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে বলে নিশ্চিত
করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথমবারের মত অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির
বৈঠক হতে চলেছে।
প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশের সরকার প্রধানের
মধ্যে আগামীকাল বৈঠক হবে। ব্যাংককে আজ বিমসটেক সম্মেলনের নৈশভোজে দুই নেতার সাক্ষাৎ
হয় এবং তারা কুশলাদি বিনিময় করেন। নৈশভোজে উভয় নেতাকে বেশ কিছু সময় ধরে ঘনিষ্ঠভাবে
কথা বলতে দেখা গেছে। বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোটের (বিমসটেক) শীর্ষ
সম্মেলন উপলক্ষে অধ্যাপক ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি বর্তমানে ব্যাংককে অবস্থান করছেন। ২
থেকে ৪ এপ্রিল ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সম্পাদক পরিষদের নেতারা।
আজ
রোববার (১৭ মে) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে
এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর
প্রেস উইং এ কথা জানায়।
বৈঠকে
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর
তথ্যবিষয়ক উপদেষ্টা ডা.জাহেদ উর রহমান, সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও নিউএজ সম্পাদক নুরুল
কবির, সাধারণ সম্পাদক বণিক বার্তার সম্পাদক দেওয়ান হানিফ, দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক
ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম, মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর
রহমান, দ্য ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ, দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক
এএমএম বাহাউদ্দিন, সুপ্রভাত বাংলাদেশ সম্পাদক রুশো মাহমুদ এবং দৈনিক করতোয়া সম্পাদক
মো. মোজাম্মেল হক উপস্থিত ছিলেন।
এ
সময়, প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের নিয়ে মধ্যাহ্ন ভোজ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর
প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


যুব ক্রীড়া এবং কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জানান, দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের দেশের বিভিন্ন সেক্টরে ইভিল প্র্যাকটিস হয়ে আসছিল। যার মধ্যে অন্যতম ছিল বাজার খাত। যে কারণে প্রতিবছরই কোনো না কোনো পণ্যের দাম বেড়ে যায়। এ বছরে ডিমের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে গেছে। এর পেছনে মূলত দায়ী চাঁদাবাজি এবং সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম। আমরা সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য ভাঙার জন্য কাজ করে যাচ্ছি।
বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) টিসিবি কার্যালয়ের সামনে ফসল ডট কম কর্তৃক আয়োজিত ন্যায্যমূল্যে কৃষি পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, সাসটেইনেবল দামে পণ্য বিক্রি করায় ফসল ডটকমকে স্বাগত জানাচ্ছি। আমরা অন্যদেরও আহ্বান জানাব, তারা যেন এ ধরনের উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে আসে। প্রয়োজনে সরকারের পক্ষ থেকে লোনের ব্যবস্থাও করা হবে। যারা সিন্ডিকেট করে তারা ব্যবসা নিয়ে সারাক্ষণ চিন্তায় থাকে। এমনটা যাতে না হয়, সে জন্য আমরা উদ্যোক্তারদের পাশে থাকব।
উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব সেলিম উদ্দিন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের
সচিব এ এইচ এম
শফিকুজ্জামান, জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আলীম আখতার খান প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


দেশের রাজনৈতিক আকাশকে আবারও ঘোলাটে
করার চক্রান্ত চলছে বলে মন্তব্য করেছেন, বিএনপি চেয়াপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক।
আজ শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) বিএনপির ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে
এ মন্তব্য করেন তিনি।
জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই অবস্থান
কর্মসূচির আয়োজন করে ঢাকাস্থ সেনবাগ ফোরাম।
বিএনপি চেয়াপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল
আবদিন ফারুক বলেন, বাংলাদেশে আগস্টের বিপ্লবের পর দেশের রাজনৈতিক আকাশকে আবার ঘোলাটে
করার জন্য চক্রান্ত চলছে। শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে এনে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
ড. ইউনূসকে উদ্দেশ্য করে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, বাংলাদেশের মানুষের অনেক প্রত্যাশা
আপনার কাছে। আপনি আবু সাঈদের রক্ত, মুগ্ধের রক্তের ওপর দিয়ে ক্ষমতায় এসেছেন। আপনাকে
কেউ বসিয়ে দেয়নি। আপনি নিজের ইচ্ছায় এদেশের ক্ষমতায় আসেননি। আপনি বাংলাদেশের মানুষের
কাছে একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি। ৫ আগস্টের পর বাংলাদেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আপনাকে
ক্ষমতায় বসাতে হবে। কারণ আপনিই পারবেন বাংলাদেশের ১৬ বছর ধরে যারা গণতন্ত্রকে হত্যা
করেছে, মায়ের বুক খালি করেছে, তাদের বিচারের আওতায় আনতে। আপনার কাছে জনগণের প্রত্যাশা
বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে জনগণের ভোটের মাধ্যমে সরকার গঠন করা। সেই সরকার
গঠনের প্রক্রিয়া আপনাকে অবশ্যই শুরু করতে হবে। তাই আপনি সময় বুঝে অবশ্যই বাংলাদেশের
সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করবেন।
উক্ত কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন,
কৃষক দলের সহ-সভাপতি ভিপি ইব্রাহীম, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মাওলানা নেছারুল
হক, মাওলানা আলমগীর হোসেন, মৎস্যজীবী দলের সদস্য ইসমাইল হোসেন সিরাজী, জাতীয়তাবাদী
গণতান্ত্রিক পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক মীর আমির হোসেন আমু সহ অনেকে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টার ঘোষিত সময় সূচি অনুযায়ী
আগামী জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র
সচিব আখতার আহমেদ।
আজ মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) আগারগাঁওয়ে
কমিশন ভবনে ইউএনডিপির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
ইসি সচিব বলেন, ভোটার তালিকা প্রণয়ন
এবং নির্বাচনে কারিগরি সহযোগিতা করবে ইউএনডিপি। এ ক্ষেত্রে আগামী দশ দিনের মধ্যে কী
কী ধরনের সহযোগিতা দরকার তার তালিকা দেবে ইউএনডিপি।
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সহায়তা
করতে আগ্রহী ইউএনডিপি। সেই লক্ষ্যে এবার আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিভাবে সহযোগিতা
করতে পারে তা নিয়ে মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের সাথে বৈঠকে বসে ইউএনডিপির প্রতিনিধি দল।
বেলা ১১টায় ইউএনডিপির পাঁচ সদস্যের
একটি প্রতিনিধি দল আসে নির্বাচন কমিশন ভবনে। ইসির কোনো চাহিদা আছে কিনা, থাকলে কী করে
সহায়তা দিতে পারবে এসব বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। ২০০৫ সাল থেকে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত
সব নির্বাচনেই কমিশনকে সরাসরি সহযোগিতা করেছে সংস্থাটি। জাতিসংঘ কোনো দেশের নির্বাচনে
পরামর্শ, কারিগরি, লজিস্টিক, প্রশিক্ষণ, ভোটার তালিকা প্রণয়ন, জনসচেতনতা সৃষ্টিসহ নানা
ধরনের সহায়তা করে থাকে।
এ বিষয়ে জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি
গোয়েন লুইস বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচনে সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি। টেকনিক্যাল সাপোর্টসহ
সব ধরনের সহযোগিতা দিতে চায়।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে সহযোগিতা করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লেখা এক চিঠিতে এমন প্রতিশ্রুতির কথা জানান ।
ঢাকার মার্কিন দূতাবাস চিঠিটি সম্প্রতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর করেছে। রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) দূতাবাস সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
চিঠিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, যখন আমরা যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশের অংশীদারত্বের পরবর্তী অধ্যায় শুরু করছি, তখন আমি আমার প্রশাসনের পক্ষ থেকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন, এনার্জি, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, মানবিক সহায়তা বিশেষ করে রোহিঙ্গা শরনার্থীদের জন্যসহ অন্যান্য বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করতে চাই।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট শেখ হাসিনাকে লিখেছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে সহযোগিতা করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের ভাগ করা অবাধ ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক ভিশনের অংশীদারত্বে কাজ করতে চাই।
বাইডেন আরো বলেন, আমাদের দীর্ঘদিনের সাফল্যমণ্ডিত ইতিহাস রয়েছে এবং সমস্যা সমাধানে একসঙ্গে কাজ করেছি। দুই দেশের জনগণের বন্ধন আমাদের সম্পর্কের মূল ভিত্তি।
মন্তব্য করুন


১২ নভেম্বর রোববার দুপুরে ময়মনসিংহ নগরীর নতুন বাজার এলাকায় মেয়াদ উত্তীর্ণ খাদ্যদ্রব্য বিক্রি এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও পরিবেশনের দায়ে ৫টি বেকারি ও রেস্টুরেন্টকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এ জরিমানা করেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্টেট মো. বুলবুল আহমেদ তালুকদার।
দুটি হাজী বিরিয়ানিকে ১০ হাজার টাকা, অভিযানে রয়েল বেকারিকে ৫০ হাজার টাকা, সারিন্দাকে ৩০ হাজার টাকা এবং নবাবী রেস্টুরেন্টকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিটি কর্পোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা শেখ মহাবুল হোসেন রাজীব।
সিটি কর্পোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা শেখ মহাবুল হোসেন রাজীব বলেন, ভোক্তার অধিকার সংরক্ষণ ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে পরিচালিত হয় এই ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান ভাণ্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তা, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর জাবেদ ইকবালসহ পুলিশ সদস্যরা।
মন্তব্য করুন