

রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বান্দরবান প্রেসক্লাবের হলরুমে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বান্দরবান মাইক্রোবাস, জিপ ও পিকআপ মালিক সমবায় সমিতির নেতারা পার্বত্য জেলা বান্দরবানে আরও সাশ্রয়ী ভ্রমণের লক্ষ্যে আগামী ১ অক্টোবর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ২ মাস ২০ শতাংশ ছাড় দেওয়ার এই ঘোষণা দেন।
বান্দরবানে পর্যটকদের ভ্রমণে উৎসাহী করার পাশাপাশি সমবায় সমিতিটির সভাপতি মো. নাছিরুল আলম বলেন, বান্দরবানের প্রতিটি পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটকবাহী মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপগুলো নিয়মিত চলাচল করার পাশাপাশি পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রতিটি চালক একজন দক্ষ গাইড হিসেবে কাজ করেন। আমরা আগামী ১ অক্টোবর থেকে ৩০ নভেম্বরের পর্যন্ত ২ মাস ২০ শতাংশ ছাড়ের ঘোষণা করছি।
বান্দরবানে পর্যটকদের ভ্রমণে উৎসাহী করার পাশাপাশি সমবায় সমিতিটির সভাপতি মো. নাছিরুল আলম আরো জানান, তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে বান্দরবান সবচেয়ে বেশি সম্প্রীতির জেলা হিসেবে পরিচিত। এই জেলার পাহাড়ি ও বাঙালি সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির মধ্যে বসবাস করে। এই সম্প্রীতির সহাবস্থান দেখার পাশাপাশি বান্দরবানে নতুন নতুন পর্যটনকেন্দ্র গড়ে উঠছে এবং সেখানে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকদের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা প্রতিনিয়ত কাজ করছেন।
এসময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, মাইক্রোবাস, জিপ ও পিকআপ মালিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক নেজাম উদ্দিন চৌধুরী, বান্দরবান প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চু, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এন এ জাকিরসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
মন্তব্য করুন


প্রবাসী বাংলাদেশিদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সেবায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে মাঠ কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের পর এমন নির্দেশনা সব থানা/উপজেলা কর্মকর্তাদের পাঠিয়েছেন ইসি সচিব শফিউল আজিম।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মাঠ পর্যায়ের প্রতিটি কার্যালয়কে জনবান্ধব সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে জনগণকে সেবাদান করতে হবে এবং প্রবাসী ভোটার নিবন্ধনের কার্যক্রম সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে নিষ্পত্তি করতে হবে। এক্ষেত্রে কর্মকর্তারা নিজ নিজ কর্মস্থলে উদ্যোগ গ্রহণপূর্বক জনবান্ধব কার্যালয় পরিচালনার মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্র এবং ভোটার নিবন্ধন সংক্রান্ত যাবতীয় সেবা প্রদানের নির্দেশনা প্রদান করবেন। সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে অফিসের সেবা কর্নার বা হেল্প ডেস্কে জাতীয় পরিচয়পত্র সেবা সীমাবদ্ধ না রেখে মাঠ পর্যায়ের প্রতিটি অফিসকেই সামগ্রিক সেবা কেন্দ্রে পরিণত করতে হবে।
আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও সিনিয়র জেলা/জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের দেওয়া নির্দেশনায় ইসি সচিব বলেন, উপজেলা/থানা নির্বাচন কর্মকর্তাদের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে মনিটরিং করতে হবে। সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম বা ব্যত্যয় ঘটলে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে এবং ভালো কাজের জন্য পুরস্কার প্রদান করতে হবে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
কৃষিতে আধুনিক যন্ত্রের ব্যবহার বৃদ্ধি, শ্রমিক সংকট নিরসন, সময় অপচয়রোধ ও অতিরিক্ত খরচ রোধে চাঁদপুরের কচুয়ায় ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে সমলয় পদ্ধতিতে বোরো ধান চাষাবাদের উদ্বোধন করা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে উপজেলার প্রসন্নকাপ গ্রামের মাঠে রাইসপ্লান্টারের মাধ্যমে জমিতে ধানের চারা রোপন করে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন,উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. মেজবাহ উদ্দিন।
এ উপলক্ষে আয়োজিত কৃষক সমাবেশে কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ হেলাল চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ আবু তাহের, এসিল্যান্ড বাপ্পি দত্ত রনি, ওসি এম আব্দুল হালিম প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ওসমান গণি।
আয়োজকরা জানায়, সরকারিভাবে কৃষি প্রণোদনার আওতায় প্রসন্নকাপ গ্রামের ৮০ জন কৃষকের ৫০ একর জমিতে সমলয় পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা হবে। এই পদ্ধতিতে বীজতলা ও ধানের চারা রোপণে ব্যবহার করা হচ্ছে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি। ফলে কৃষিতে খুলছে এক নতুন দুয়ার।
তাছাড়া প্রচলিত রীতিতে বীজতলা তৈরি না করে জমি ও সময় অপচয়রোধে কৃষি যান্ত্রিকীকরণের যুগোপযোগী পদ্ধতি হচ্ছে সমলয় চাষ। স্বল্প জমিতে প্লাস্টিকের ফ্রেম বা ট্রেতে লাগানো যায় ধানের বীজ। ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে চারা হয়। রাইস ট্রান্সপ্ল্যান্টারের মাধ্যমে ধানের চারা রোপণ করলে সময় কম লাগবে।' এতে উৎপাদন খরচ ও শ্রমিক সংকট দূর হবে। কৃষকরা আরও বেশী লাভবান হবেন।
এসময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মেহেদী হাসান,উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ফারুকুল ইসলাম,শম্ভু নাথ,অমল সরকার,প্রসন্নকাপ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিবাস চন্দ্র গোপ,কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আতাউল করিম, সাধারন সম্পাদক এমদাদ উল্যাহ,ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, বিএনপি নেতা সাইফুর রহমান বাহাদুর সহ এলাকার কৃষক-কৃষানী উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মোঃ মাসুদ রানা, কচুয়া:
কচুয়া উপজেলার সাচার বাজারে সরকারি রাস্তার উপর দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় অবৈধ ভাবে গড়েউঠা প্রায় ফলফলাদীসহ শতাধিত বিভিন্ন দোকান ও ভ্রাম্যমান স্থাপনা স্থায়ী ভাবে উচ্ছেদ করা হয়েছে। প্রশাসনেরউর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্র্দেশে কচুয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট বাপ্পী দত্ত রনি'র নেতৃত্বে সোমবার বিকেলে সাহসি এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে অংশ গ্রহণ করেন সাচার ইউনিয়নের প্রশাসক ও কচুয়া উপজেলা সহকারি মৎস্য কর্মকর্তা মো: জহিরুল ইসলাম, সেনাবাহিনি’র সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মো: এমদাদুল হক, সাচার পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ (এসআই) মো: শাহজাহান, কচুয়া প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো: এমদাদ উল্যাহ।
এদিকে সাচার বাজারে সরকারি রাস্তার উপর দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় অবৈধ ভাবে গড়েউঠা প্রায় ফলফলাদীসহ শতাধিত বিভিন্ন দোকান ও ভ্রাম্যমান স্থাপনা স্থায়ী ভাবে উচ্ছেদ করায় ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
মন্তব্য করুন


যারা নতুন ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন, তাদের তথ্যে কোনো ভুল বা কারো কোনো দাবি আপত্তি থাকলে আগামী ১৭ জানুয়ারির মধ্যে আবেদন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এ সংক্রান্ত আবেদন নেবেন।
ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা মাঠ পর্যায়ে পাঠিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্বাচন সহায়তা শাখা-২’র সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী।
গত ২ জানুয়ারি হালনাগাদ করা ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এরপর ভুল-ভ্রান্তি বা কারো কোনো দাবি আপত্তি থাকলে আবেদন করতে হবে ১৭ জানুয়ারির মধ্যে। ৩০ জানুয়ারির মধ্যে দাবি আপত্তিগুলোর নিষ্পত্তি করা হবে। আর ২ মার্চ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।
নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানায়, হালনাগাদের আগে ভোটার ছিল ১২ কোটি ১৮ লাখ ৫০ হাজার ১৬০ জন। নতুন করে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন ১৮ লাখ ৩৩ হাজার ৩৫২ জন। এ হিসেবে ভোটার সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ১২ কোটি ৩৬ লাখ ৮৩ হাজার ৫১২ জন। ভোটার বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ৫০ শতাংশ।
নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, দাবি আপত্তি নিষ্পত্তি শেষে আগামী ২ মার্চ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। এই সময়ের মধ্যে কারো কোনো দাবি বা আপত্তি থাকলে তা জানাতে পারবেন। ১৭ জানুয়ারি দাবি আপত্তি জানানোর শেষ সময়।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়ায় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীস ও জমঈয়তে শুব্বানে আহলে হাদীস।
তাদের যৌথ উদ্যোগে দহুলিয়া গ্রামে অবস্থিত জামিআ দারুত তাওহীদ একাডেমী মাদ্রাসা মাঠে সকালে এলাকার গরীব ও অসহায় শীতার্ত পরিবার এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।
উদ্যোক্তারা জানান, অসহায় ও শীতার্ত মানুষের মাঝে এসব কম্বল বিতরণ করা হয়। এ ধরনের উদ্যোগ এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর শীত নিবারণে সহায়ক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।
এসময় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীস চাঁদপুর জেলা শাখার সহ-সভাপতি শায়েখ আকরামুজ্জামান,সেক্রেটারী হাজী মো. দুলাল মিয়া, সহ-সেক্রেটারী আব্দুল মালেক মিয়াজী সহ আরো অনেকে।
এসময় জামিআ দারুত তাওহীদ মাদ্রাসার সহ-সেক্রেটারী সাইফুল ইসলাম, বিএনপি নেতা মজুল হক, মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক রিয়াদ হোসেন, সহকারী শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম, ওমর ফারুক, ফরিদ হোসেন, সমাজেসবক শাহ জালাল মিয়া, হাজী আব্দুল জাব্বার, মতিন মিয়া সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলছেন, রাতের আকাশের এই নক্ষত্র দেখতে অনেকটা ধোঁয়াসদৃশ। প্রায় এক দশক পর রাতের এই নক্ষত্রের দেখা পাওয়া গেছে।
জানুয়ারির ২৫ তারিখের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য প্রকাশ করেছেন যুক্তরাজ্যের সৌর-গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়্যাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি (আরএএস)।
নতুন সন্ধান পাওয়া বিশালাকার এ নক্ষত্রের অবস্থান মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কাছাকাছি। নক্ষত্রগুলো দশকের পর দশক ধরে অনাবিষ্কৃত ছিল। সৌরজগতে যুগ যুগ ধরে এদের অবস্থান রয়েছে বলে ধারণা বিজ্ঞানীদের।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে এবারই প্রথম সৌরজগতে এমন নক্ষত্রের খোঁজ পাওয়া গেছে। সৌরজগতে এমন প্রায় ১০০ কোটি নক্ষত্র রয়েছে, যা খালি চোখে দেখা যায় না। চিলির আন্দিজের এক এলাকা থেকে টেলিস্কোপের সাহায্যে এ পর্যবেক্ষণ চালিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
সূত্র: সিএনএন
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
তীব্র শীত আর ঘন কুয়াশাকে উপক্ষো করেই জমি তৈরি করে বোরো ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত সময় পার করেছেন চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার কৃষকরা। কৃষকদের আশা, আবহাওয়া ভালো থাকলে এবার তারা বোরো ধানের বাম্পার ফলন পাবেন। গেল বছরের তুলনায় এ বছর বাজারে ধানের দাম বেশি থাকায় কচুয়া প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ইরি-বোরো ধান চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের। ফলে উপজেলার গ্রামাঞ্চল কিংবা পৌরসভার আবাদী ও অনাবাদী জমিতে ব্যাপকহারে বোরো ধান চাষের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা।
এদিকে শ্যালো মেশিন কিংবা পাম্পের সাহায্যে জমিতে পানি দিয়ে ধান রোপণের জন্য জমি উপযোগী করে তুলছেন বেশিরভাগ কৃষক। অধিকাংশ জমিতে ট্রাক্টর দিয়ে চাষ করা ও বীজতলা থেকে ধানের চারা উত্তোলন করে জমিতে রোপণে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন চাষিরা।
কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে উপজেলার ১২ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ হাজার ২০০ হেক্টর জমি।
ইতিমধ্যে বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামগুলোতে দেখা যায় ইরি-বোরো রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। তবে পালাখাল, সাচার, বিতারা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে পুরোদমে বোরো ধান রোপণ শুরু হয়েছে। গেলো বোরো মৌসুমে ধানের দাম বেশি পাওয়ায় এবারও দাম ভালো পাওয়ার আশায় আছেন চাষিরা।
পালাখাল গ্রামের ধান চাষী ফজল হক ও ফজলু মিয়া সহ অনেকেই জানান, ধানের দাম বাজার বেশি থাকায় বোরো রোপণ করছি অধিকাংশ জমিতে। আরও অনেক জমিতে রোপণ করা বাকি আছে। বাজারের ধানের দাম বেশি। তাই বোরো ধান চাষ বেশি আবাদ করবেন বলে জানান তারা।
দোয়াটি গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম ও আবুল হোসেন বলেন, ইতিমধ্যে আমরা অনেক জমিতে বোরো ধানের চারা রোপন করেছি, বাকী জমি গুলোতে পর্যায়ক্রমে রোপন করা হবে। আশা করছি এ বছর আবহাওয়া ভালো থাকলে এবং ধানের ফলন ভালো হলে দাম পাওয়া যাবে।
এব্যাপারে উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মেজবাহ উদ্দিন জানান, চলতি মৌসুমে ধানের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বোরো চাষে কৃষকরা বেশি আগ্রহী হচ্ছেন। তবে এ বছর উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি রোপণ হতে পারে বলেও জানান তিনি। তাছাড়া বোরো আবাদে কৃষকদের সার্বিক পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার সফিবাদ দরবার শরীফের আওতাধীন জামেয়া আহমাদিয়া সফিবাদ মাদরাসা ও দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদরাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ করা হয়েছে।
নতুন বছরের শুরুতে বই পেয়ে খুশি কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। সোমবার সকালে মাদ্রাসা মিলনায়তনে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে এসব বই বিতরণ করেন সফিবাদ দরবার শরীফের পরিচালক মুফতি সোলায়মান বিন কাসেম।
এদিকে সফিবাদ দরবার শরীফের সেবামূলক প্রতিষ্ঠান সিরাজাম মুনিরা ফাউন্ডেশন ও একদল তরুন দক্ষ শিক্ষকদের সঠিক পাঠদানের মাধ্যমে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা সুশিক্ষা অর্জনে পড়াশুনা করে যাচ্ছে।
এসময় সিংআড্ডা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী প্রধান শিক্ষক আব্দুল গনি মাষ্টার সহ মাদ্রাসার শিক্ষক সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষাও প্রদান করা হয়। মাদ্রাসার সফলতা ও শিক্ষার মান অগ্রগতি কামনায় সকলের সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছেন পরিচালক মুফতি সোলায়মান বিন কাসেম। তাছাড়া বছরের শুরুতে মাদ্রাসায় বিনামূল্যে বই পেয়ে খুশি কোমলমতি শিক্ষার্থী।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়ায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের নিয়ে কৃষক মাঠ দিবস ও কারিগরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের আয়োজনে তেগুরিয়া প্রদর্শনী মাঠে এ মাঠ দিবস করা হয়।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. মেজবাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও কৃষি উপ-সহকারী কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেনের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার কৃষিবিদ সাইফুল হাসান আলামিন। মাঠ দিবসে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো.মাসুদ হোসেন।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মানসুরা আক্তার,বিতারা ইউনিয়ন পশ্চিম ছাত্রদলের আহবায়ক দেলোয়ার পাটোয়ারী, যুগ্ন আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম সরকার , কৃষক আবদুর ছাত্তার প্রমুখ।
এসময় কৃষক-কৃষানী সহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। পরে অতিথিবৃন্দ কৃষকের সরিষার মাঠ পরিদর্শন করেন এবং সার্বিক বিষয়ে পরামর্শ দেন।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার পালাখাল বাজার ব্যবসায়ী এলাকাবাসীর উদ্যোগে বিশেষ ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার পালাখাল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দুপুর ২টা থেকে মাগরিব পর্যন্ত এ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
পালাখাল ছালেহিয়া আলিম মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আবুল কাশেমের সভাপতিত্বে ও পালাখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাওলানা শরীফুল ইসলাম ও কচুয়া জামিয়া ইসলামিয়া আহমাদিয়া মাদ্রাসার মুফতি মাওলানা শাহজালাল ইব্রাহিমী এবং ক্বারী মো. তাফাজ্জল হোসেন মুন্সীর যৌথ পরিচালনায় প্রধান মেহমান হিসেবে দ্বীন ও ইসলাম সম্পর্কে বয়ান রাখেন, কচুয়া জামিয়া ইসলামিয়া আহমাদিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আবু হানিফ।
বিশেষ মেহমান হিসেবে বয়ান রাখেন, জামিয়া ইসলামিয়া ইব্রাহীমিয়া উজানী মাদ্রাসার মুহতামিম আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মাহবুবে এলাহি, জামিয়া দারুল উলুম বরুড়া মাদ্রাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা মুফতি আতাউল্লাহ, নিশ্চিন্তপুর ডিএস ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার হেড মুহাদ্দিস হযরত মাওলানা নুরুজ্জামান, দহুলিয়া দরবার শরীফের পীর আবুল হাসান শাহ মুহাম্মদ রুহুল্লাহ শাজুলী, সফিবাদ দরবার শরীফের পরিচালক মুফতি সোলায়মান বিন কাসেম, পালাখাল বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আজিজুল হক সালেহী সহ আরো অনেকে।
এসময় বক্তারা বলেন, প্রত্যেক মুসলিম ব্যক্তি ব্যবহারিক জীবনে কুরআন ও সুন্নায় বর্ণিত আদবসমূহ মেনে চলতে পারলে ব্যক্তিগতভাবে সে দুনিয়ার জীবনে একজন ভদ্র, শালীন ও সভ্য মানুষ হিসেবে সম্মান ও মর্যাদা নিয়ে বসবাস করতে পারবে এবং পরকালীন জীবনে আল্লাহর প্রিয় বান্দাগণের মিছিলে শামিল হতে পারবে। তাই আমাদের ভ্রান্ত ধারনা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। কুরআন সুন্নাহের আলোকে আমাদের মেনে চলতে হবে।
এসময় পালাখাল বাজারের ব্যবসায়ী, এলাকাবাসী ও ওলামায়ে কেরামগন ওয়াজ দোয়ার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন। পরে মুসলিম উম্মার মঙ্গল কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
মন্তব্য করুন