

ব্রাজিলের
দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য রিও গ্র্যান্ডে ডো সুলে বন্যায় মৃত্যের সংখ্যা বেড়ে
দাঁড়িয়েছে ৭৮ জন। আর নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত
১০৫ জন।
দেশটির
বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
স্থানীয়
কর্তৃপক্ষ গতকাল রবিবার (৬ মে) জানিয়েছে, বন্যায় ১ লাখ
১৫ হাজারেরে বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এ বারের বিপর্যয় ১৯৪১ সালের ভয়ঙ্কর
বন্যাকেও ছাপিয়ে গিয়েছে। রিও গ্র্যান্ডে ডো সুলে ছাড়াও দক্ষিণাংশের কয়েকটি শহরে
জলস্তর ১৫০ বছরের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।
দেশটির
প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে উদ্ধার প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা গতকাল রবিবার (৬ মে) সকালে রিও গ্র্যান্ডে ডো সুলে পৌঁছেছেন। রাজ্যের গভর্নর এডুয়ার্ডো লেইট
বলেছেন, ‘এটি
একটি যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং যুদ্ধ-পরবর্তী ব্যবস্থার প্রয়োজন হবে।’ স্বেচ্ছাসেবকরা
চলমান উদ্ধার প্রচেষ্টায় সহায়তা করেছেন। মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।
গতকাল
রবিবারেও ১০৫ জনের নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
মন্তব্য করুন


নিজেকে নেকড়ে রূপে দেখার স্বপ্ন দেখতেন ছোটবেলা থেকেই। সেই স্বপ্ন পূরণ করতে ২৬ লাখ টাকা খরচ করেছেন জাপানি এক যুবক।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, সে যুবকের নাম তোরু উয়েদা। তিনি পেশায় প্রকৌশলী। চলতি বছরের শুরুতে তাকে নেকড়ের পোশাকটি হস্তান্তর করা হয়েছে। পোশাকটির জন্য জাপানি মুদ্রায় খরচ হয়েছে ৩০ লাখ ইয়েন। বাংলাদেশি টাকায় যার মূল্য ২৬ লাখেরও বেশি টাকা। এই পোশাক পরে তোরু উয়েদা অনেক ছবি তুলেছেন। তার এই অদ্ভুত পোশাকের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। জেপেট ওয়ার্কশপ নামে একটি প্রতিষ্ঠান তার এ পোশাকটি তৈরি করেছে। প্রতিষ্ঠানটি সিনেমা ও টিভি অনুষ্ঠানের জন্য বিশেষ বিশেষ পোশাক ও কস্টিউম তৈরি করেন। এই নেকড়ে পোশাকটি তৈরি করতে তাদের ৪জন কর্মীর ৭ সপ্তাহ সময় লেগেছে।
তোরু উয়েদা বলেন, এই পোশাক পরলে মনে হয় আমি আর মানুষ নেই। আমি সব ধরনের মানবীয় সম্পর্ক থেকে মুক্ত। সব ঝামেলা, কাজ ও অন্যান্য বিষয় ভুলে যাই। আমি যখন আয়নায় তাকাই, একটি নেকড়ে দেখতে পাই।
মন্তব্য করুন


ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে চার দিনব্যাপী সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফের মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে।
শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
১৭ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত চারদিনের সম্মেলনে দুই দেশ সীমান্ত হত্যার ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনাসহ বেশ কিছু বিষয়ে একমত হয়।
বিজিবির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করে। অপর দিকে বিএসএফের মহাপরিচালক দলজিৎ সিং চৌধুরীর নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের প্রতিনিধিদল সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে।
সম্মেলনে বিজিবি মহাপরিচালক সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিহতের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশসহ হত্যার ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিএসএফ মহাপরিচালকের প্রতি জোর আহ্বান জানান। এ ছাড়া আঙ্গরপোতা-দহগ্রাম সীমান্তের শূন্যরেখায় কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের বিষয়টি তুলে ধরে সীমান্তে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করার বিষয়ে বিএসএফ মহাপরিচালকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
সম্মেলনে যেসব বিষয়ে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফ একমত হয়েছে, সেগুলো হলো—
১. সীমান্তে নিরস্ত্র নাগরিকদের ওপর গুলি চালানো, হত্যা, আহত বা মারধরের ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যে সীমান্তের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় যৌথ টহল বৃদ্ধি, উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী উপকৃত হবে, এমন তাৎক্ষণিক এবং আগাম গোয়েন্দা তথ্য একে অপরের মধ্যে আদান-প্রদান, সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসরত জনসাধারণের মধ্যে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ, বিভিন্ন ধরনের আর্থসামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মসূচি গ্রহণ এবং সীমান্তে যেকোনো হত্যা সংঘটিত হলে তার যথাযথ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
২. আলোচনায় সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে কোনো স্থাপনা, কাঁটাতারের বেড়া, প্রতিরক্ষায় ব্যবহৃত হয়, এমন কোনো স্থাপনা বা বাংকার নির্মাণের ক্ষেত্রে উভয় দেশের যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ পরিদর্শক দলের পরিদর্শন এবং যৌথ আলোচনার দলিলের ভিত্তিতে নির্মাণের ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এ ছাড়া সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে বন্ধ থাকা অন্যান্য উন্নয়নমূলক কাজের ব্যাপারে যথোপযুক্ত পর্যায়ে জয়েন্ট ভেরিফিকেশনের (যৌথ যাচাই) মাধ্যমে দ্রুত সমাধান করা হবে।
৩. বিভিন্ন ধরনের আন্তসীমান্ত অপরাধ দমন, বিশেষ করে ফেনসিডিল, ইয়াবা, গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ও গবাদিপশু পাচার রোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ, মানব পাচার, স্বর্ণ, অস্ত্র, জাল মুদ্রার নোট প্রভৃতি চোরাচালান রোধ এবং এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সম্পর্কে তাৎক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদান করা হবে।
৪. আন্তর্জাতিক সীমানা আইন লঙ্ঘন করে উভয় দেশের নাগরিক ও বাহিনীর সদস্যদের অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের ফলে সৃষ্ট ভুল–বোঝাবুঝি ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সীমান্তে উভয় বাহিনীর নজরদারি বৃদ্ধির পাশাপাশি দুই দেশের সীমান্তবর্তী জনসাধারণকে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করা থেকে বিরত রাখতে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।
৫. মানব পাচার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, বিশেষ করে মানব পাচারের মতো অমানবিক কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত উভয় দেশের অপরাধী বা দালালচক্রের কার্যক্রম প্রতিরোধে পরস্পরকে সহায়তা এবং মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্ট দেশের প্রচলিত দেশের আইন অনুযায়ী উদ্ধার ও পুনর্বাসন করা হবে।
৬. উভয় পক্ষ ‘সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার’ আওতায় পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধির জন্য গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে উভয় বাহিনীর পারস্পরিক সহযোগিতার প্রশংসা করেন। উভয় পক্ষ আগামী দিনে যৌথ খেলাধুলা, জয়েন্ট রিট্রিট সেরিমনিসহ বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবে।
৭.
এ ছাড়া আগরতলা থেকে আখাউড়ার দিকে প্রবাহিত সীমান্তবর্তী চারটি খালের বর্জ্য পানি অপসারণে
উপযুক্ত পানি শোধনাগার স্থাপন, জকিগঞ্জের কুশিয়ারা নদীর সঙ্গে রহিমপুর খালের মুখ উন্মুক্তকরণ,
আঞ্চলিক বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সম্ভাব্য অবস্থান এবং তাদের কর্মকাণ্ড
সম্পর্কে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আফগানিস্তানে
প্রথমবারের মতো বাল্যবিয়েকে আইনি স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে তালেবান সরকার। মানবাধিকার কর্মীদের
মতে, গত সপ্তাহে অনুমোদিত এই নতুন ‘লজ্জাজনক’ বিবাহবিচ্ছেদ আইনটি কার্যকর হলে কোনো
মেয়ে বা তরুণীর পক্ষে তার স্বামীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে ডিভোর্স বা বিবাহবিচ্ছেদ নেওয়া অসম্ভব
হয়ে পড়বে। তালেবানের এই পদক্ষেপকে আফগান নারী
ও শিশুদের বিরুদ্ধে একটি নিয়মতান্ত্রিক সহিংসতা হিসেবে দেখছেন দেশটির অধিকার কর্মীরা।
আফগানিস্তানে
জোরপূর্বক এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের বিয়ের কোনো আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান না থাকলেও আন্দোলনকারীরা
বলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই হার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে ১১ বছরের বেশি
বয়সী মেয়েদের শিক্ষার ওপর তালেবানের নিষেধাজ্ঞার পর থেকেই এই প্রবণতা তীব্র রূপ নিয়েছে।
একটি
বেসরকারি খসড়া সমীক্ষা বলছে, শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হওয়ার পর দেশটির প্রায় ৭০ শতাংশ মেয়েকে
কম বয়সে বা জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ৬৬ শতাংশেরই বয়স ১৮ বছরের কম। তালেবান
শাসনে বাল্যবিয়ের ওপর কোনো আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা তো নেই-ই, বরং নতুন এই আইনটি এমন
এক পরিস্থিতি তৈরি করছে যেখানে কোনো মেয়ে যদি দাবিও করে যে তার অমতে বিয়ে হয়েছে, তবুও
স্বামী রাজি না থাকলে সে কোনোভাবেই আইনি বিচ্ছেদ পাবে না। এমনকি স্বামী নিখোঁজ থাকলে
বা ভরণপোষণ না দিলেও একজন নারী এককভাবে ডিভোর্স চাইতে পারবেন না।
এই
বিতর্কিত আইনের বিরুদ্ধে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে বেশ কিছু নারী অধিকার রক্ষা
আন্দোলন বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। ফাতেমা নামের এক আফগান নারী আন্দোলনকারী ক্ষোভ প্রকাশ
করে বলেন, নারীবিরোধী শত শত ডিক্রি জারির পর তালেবান এখন বাল্যবিয়েকে তাদের আনুষ্ঠানিক
আইনি কাঠামোর মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছে। নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার
নিশ্চিত করার পরিবর্তে তারা নারীবিরোধী আইন জারি এবং মানুষের স্বাধীনতা দমনে ব্যস্ত।
আফগানিস্তানে
জাতিসংঘের সহায়তা মিশনও (ইউনামা) এই আইন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, এই
ডিক্রি আফগান নারী ও মেয়েদের অধিকার হরণের আরও একটি বড় ধাপ এবং এটি আইনের মাধ্যমে
নারীদের ওপর প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্যকে পাকাপোক্ত করছে।
অবশ্য
আন্তর্জাতিক মহলের এবং দেশের ভেতরের এই তীব্র সমালোচনাকে সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেছে
তালেবান সরকার। তালেবান নিয়ন্ত্রিত জাতীয় রেডিও ও টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে
সরকারের একজন মুখপাত্র বলেন, যারা এই ব্যবস্থার শত্রু, ইসলামের ওপর যাদের ক্ষোভ রয়েছে
এবং যারা ইসলামিক ব্যবস্থার ভিত্তির বিরোধিতা করে, তাদের এই ধরণের বিক্ষোভে কান দেওয়ার
কোনো প্রয়োজন সরকারের নেই।
আফগানিস্তান
হিউম্যান রাইটস সেন্টারের সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, বাল্যবিয়ের শিকার অধিকাংশ মেয়েই
চরম পারিবারিক সহিংসতা এবং তীব্র মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছে। সম্প্রতি
দেশটির দাইকুন্দি প্রদেশে এক ১৫ বছর বয়সী কিশোরী স্বামীর নির্মম নির্যাতনের শিকার
হয়ে মারা গেছে। তার বাবা জানান, বিয়ের মাত্র দুই মাস পর থেকেই তার মেয়ের ওপর নির্যাতন
শুরু হয় এবং প্রতিবারই স্থানীয় প্রবীণরা সালিশের মাধ্যমে তাকে স্বামীর ঘরে ফিরে যেতে
বাধ্য করেন।
আফগানিস্তান
ইন্ডিপেন্ডেন্ট হিউম্যান রাইটস কমিশনের আব্দুল আহাদ ফারজাম এই পরিস্থিতির ব্যাখ্যা
দিয়ে বলেন, তালেবানের নতুন এই সংহিতা বাল্যবিয়েকে বৈধতা দিচ্ছে এবং বিয়েতে নারীর স্বাধীন
সম্মতির অধিকার কেড়ে নিচ্ছে। এটি মূলত পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী
করছে এবং নারীদের একটি আইনগতভাবে অসম ও অধীনস্থ অবস্থানে ঠেলে দিচ্ছে।
মন্তব্য করুন


মালয়েশিয়ায় বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ৪২৫ জন অভিবাসীকে আটক করা হয়। তার মধ্যে
২৫২ জন বাংলাদেশের নাগরিক।
৫ আগস্ট শনিবার মালয়েশিয়ার
সিনার ডেইলি পত্রিকা এক প্রতিবেদনে এ খবর প্রকাশ করে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা
হয়, শুক্রবার মধ্যরাত থেকে শনিবার ভোর পর্যন্ত মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ
কুয়ালালামপুরের তামান বুকিত চেরাসের অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে অভিযান চালায়। এ
অভিযানে তাদেরকে আটক করা হয়েছে।
কুয়ালালামপুরের
ইমিগ্রেশন ডিরেক্টর স্যামসুল বদরিন মহসিন বলেন, অভিযানে অ্যাপার্টমেন্ট
কমপ্লেক্সের তিনটি ব্লকে ৬০০ বিদেশি নাগরিককে লক্ষ্য করে অভিযান চালানো হয়।
বৈধ ভ্রমণ নথি না থাকার জন্য ৪২৫ জনকে আটক করা হয়েছে। আটকদের মধ্যে ৩৭১ জন
পুরুষ, ৫৩ জন নারী এবং একজন শিশু রয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৩০ জন ইন্দোনেশিয়ান,
২৫২ জন বাংলাদেশি, ১০৮ মায়ানমার, ২ জন ফিলিপিনো, ৭ জন পাকিস্তানি, ৬ জন
কম্বোডিয়ান এবং ২০ জন নেপালি।
আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট ও ইমিগ্রেশন রেগুলেশনের অধীনে তদন্ত করা
হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট ভবন একটি ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ। শতাব্দীপ্রাচীন এই ভবন বহু ইতিহাসের সাক্ষী। কিন্তু সেই ভবনই আর কতদিন রক্ষা করা যাবে, তা নিয়ে এমনপিদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।
হাউস অব কমন্সে পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি যে রিপোর্ট দিয়েছে তাতে বলা হয়েছে, ভবনের বিভিন্ন জায়গা থেকে পানি চুঁইয়ে পড়ছে। বিভিন্ন জায়গায় ফাটল দেখা গেছে। আগুন লাগলে তা নেভানোর মতো যথেষ্ট ব্যবস্থা নেই। ফলে বড় কোনও বিপর্যয় ঘটলে ভবনটি ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
আর তাই অবিলম্বে এই ভবনের সংস্কার প্রয়োজন বলে রিপোর্টে বলা হয়েছে।
আইনপ্রণেতাদের বক্তব্য, ভবনটির এখন যা অবস্থা তা সংস্কার করতে বহু অর্থ ব্যয় হবে। কিন্তু আরও সময় ব্যয় করলে খরচ বহু গুণ বেড়ে যাবে। যা করদাতাদের টাকা থেকেই নিতে হবে। এছাড়া আরও অপেক্ষা করলে ভবনটি সংস্কারের অযোগ্যও হয়ে পড়তে পারে।
এখনও পর্যন্ত যা কাজ হয়েছে তা কার্যত ধর তক্তা মার পেরেক গোছের বলে জানিয়েছে পার্লামেন্টের কমিটি। তাতেই সপ্তাহে দুই মিলিয়ন পাউন্ড করে খরচ হয়েছে।
ওয়েস্টমিনস্টার রাজপ্রাসাদটিকেই যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এর আগেও এর সংস্কার নিয়ে বার বার আলোচনা হয়েছে। কিন্তু কখনোই সামগ্রিক সংস্কারের ব্যবস্থা হয়নি। আলোচনাও খুব ধীর গতিতে এগিয়েছে।
২০১৮ সালে এমপিরা ভোটাভুটির মাধ্যমে ঠিক করেছিলেন, ২০২০ সালে ভবনটি কিছুদিনের জন্য খালি করে দেওয়া হবে। সে সময় সংস্কারের কাজ করা যাবে। কিন্তু ২০২০ সালে সকলে পার্লামেন্ট ভবন ছেড়ে যেতে চাননি। ফলে সংস্কারও সম্ভব হয়নি।
যারা ভবনটি ছেড়ে যেতে চাননি, তারা বার বার বলেছেন, পার্লামেন্ট ঠিকমতো সংস্কার করতে হলে বহু বছর সময় লেগে যাবে। এতদিন ওই ভবন ছেড়ে অন্যত্র পার্লামেন্ট চালানো সম্ভব নয়।
২০১৬ সাল থেকে পার্লামেন্ট ভবনে অন্তত ৪৪টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। যার ফলে এখন ২৪ ঘণ্টা দমকলকর্মীরা ভবনটি পাহারা দেন। ১৮৩৪ সালে অগ্নিকাণ্ডেই নষ্ট হয়েছিল পুরোনো ওয়েস্টমিনস্টার প্রাসাদ। এরপর চার্লস ব্যারি নামক এক স্থপতি নতুন ভবনটি তৈরি করেন। নিও গথিক স্থাপত্যের সেই ভবনই এখন যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট।
মন্তব্য করুন


প্রতি বছরের ন্যায় এবারো মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষার টান দুই বাংলার ভাষাপ্রেমীদের মিলনমেলা বসে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট নো-ম্যান্সল্যান্ড এলাকায়।
বুধবার সকালে এ মেলার আয়োজন করা হয়। এসময় দু'দেশের শতশত ভাষাপ্রেমী মানুষ বিজিবি ও বিএসএফের বাধার মুখে প্রবেশ করতে পারেনি।
বেনাপোল চেকপাস্ট নো-ম্যান্সল্যান্ডে নির্মিত অস্থায়ী শহীদ বেদীতে সকাল সাড়ে ১১টায় ভারত ও বাংলাদশ ভাষাপ্রমী শতশত মানুষ ফুল দিয়ে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
দু'দেশের পক্ষ নেতৃত্ব দেন পশ্চিমবঙ্গ বনগাঁও অঞ্চলের এমএলএ শ্রী নারায়ন গোস্বামী ও যশোর-১ আসনর সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন।
ভারতের পক্ষে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান, পশ্চিমবঙ্গ বনগাঁও অঞ্চলর এমএলএ শ্রী নারায়ন গোস্বামী, শ্রী বীনা মন্ডল সভপতি উত্তর ২৪ পরগঁনা জেলা পরিষদ, সাবেক এমপি মমতা ঠাকুর, শ্রীমতি ইলাবাচী সভাপতি গাইঘাটা পঞ্চায়ত সমিতি, শ্রী সুরজীত বিশ্বাস সাবেক বিধায়ক, শ্রী বিশ্বজিত দাস সাবেক সাংসদ, হাবড়া পৌর মেয়র শ্রী নারায়ন সাহা।
বাংলাদেশের পক্ষে শ্রদ্ধা জানান, যশোর-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন, উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযাদ্ধা সিরাজুল হক মঞ্জু, শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নয়ন কুমার রাজবংশী, শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি ফারজানা ইসলাম, বেনাপোল পৌর মেয়র আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন, অধ্যক্ষ ইব্রাহিম খলিল, বেনাপাল পোর্ট থানার ওসি শ্রী সুমন ভক্ত, ইমিগ্রেশন ওসি কামরুজ্জামান বিশ্বাস, শার্শা থানার ওসি মনিরুজ্জামান, শার্শা উপজেলা বীর মুক্তিযাদ্ধা কামান্ডার মাজাফ্ফর হোসেন, বিজিবির আইসিপি ক্যাম্পর কামান্ডার মিজানুর রহমান, যুবলীগের সভাপতি অহেদুজ্জামান অহিদ এবং সাধারণ সম্পাদক সাহরাব হোসেন।
এছাড়াও সর্বস্তরের জনগণ এতে অংশ নেন।
এরপর দুই দেশের জনগণের জন্য উভয় দেশ থেকে মিষ্টি পাঠানা হয়।
মন্তব্য করুন


একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস একটি স্মারক ডাকটিকেট, একটি উদ্বোধনী খাম ও একটি সিলমোহর অবমুক্ত করেছেন ।
বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্তকালে উপস্থিত ছিলেন তথ্য, ডাক ও টেলিযোগাযোগ উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব ড. মুহাম্মদ মুশফিকুর রহমান এবং ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এস এম সাহাবুদ্দিন ।
এ ছাড়াও একই সময়ে সপ্তম জাতীয় কমডেকা ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে একটি স্মারক ডাকটিকেট, একটি উদ্বোধনী খাম ও একটি সিলমোহর ও অবমুক্ত করেন প্রধান উপদেষ্টা।
এছাড়া এ সময় কমডেকা উপদেষ্টা, সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মুহাম্মদ এহছানুল হক, কমডেকা চিফ মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে আন্তর্জাতিক
মঞ্চে রাশিয়া বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার
রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার মান্টিটস্কি।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধে
রাশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এবং চট্টগ্রাম বন্দর থেকে মাইন অপসারণের কথা স্মরণ
করেন।
তিনি রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতকে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি বাংলাদেশের
অন্যান্য পণ্যও আমদানি বাড়ানোর আহ্বান জানান। বর্তমানে রাশিয়ায় বাংলাদেশের মোট
রপ্তানির ৯০ শতাংশ তৈরি পোশাক।
বৈঠকে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত রাশিয়ার কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায়
বাংলাদেশে নির্মিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং খাদ্য নিরাপত্তা,
জ্বালানি অনুসন্ধান এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সহায়তা বাড়ানোসহ পারস্পরিক স্বার্থ
সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি আলোচনা করেন।
বাংলাদেশের খাদ্যশস্য এবং সারের বড় একটি অংশ রাশিয়া থেকে আমদানি
করা হয় উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক
অংশীদার।
গত বছর রাশিয়া থেকে বাংলাদেশ ২ দশমিক ৩ মিলিয়ন টনেরও বেশি গম
আমদানি করেছে এবং চলতি বছর আমদানির পরিমাণ ইতোমধ্যে ২ মিলিয়ন টন অতিক্রম করেছে।
রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত জানান, রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জ্বালানি
কোম্পানি গ্যাজপ্রম ভোলা দ্বীপে এবং দেশের অভ্যন্তরে আরও পাঁচটি গ্যাস কূপ
অনুসন্ধান করতে আগ্রহী।
তিনি আরও জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণকাজ
চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং এটি আগামী বছর চালু হতে পারে।
তিনি বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশে এলএনজি রপ্তানিতে আগ্রহী।
প্রধান উপদেষ্টা অর্থনৈতিক ও শিক্ষা সহযোগিতা এবং দুই দেশের জনগণের
মধ্যে সম্পর্ক বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের নাগরিকরা যেন কোনো বাধা বা হুমকি ছাড়াই অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচনে ভোট দিতে পারেন সেই প্রক্রিয়া তৈরি করার ওপর জোর দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রতিষ্ঠাতা ক্লাউস শোয়াবের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ডব্লিউইএফ-এর বার্ষিক সম্মেলনের ফাঁকে ক্লাউস শোয়াব অধ্যাপক ড. ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, গত বছর জুলাই মাসে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা সরকারি চাকরিতে বৈষম্য নিরসনের দাবি নিয়ে রাজপথে নেমেছিল।
তিনি উল্লেখ করেন, আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীরা ঢাকার দেয়ালগুলোতে গ্রাফিতি এঁকে তাদের আকাঙ্ক্ষা ও স্বপ্ন প্রকাশ করেছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, গত ১৬ বছরে বাংলাদেশে যারা নতুন ভোটার হয়েছেন, তাদের ভোট দেওয়ার সুযোগই হয়নি, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার এজেন্ডা তুলে ধরে ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ৮৪ বছর বয়সী এই অর্থনীতিবিদ বলেন, দেশের মানুষ কোন ধরনের নির্বাচন চায়, সেটি না জেনে সরকার নির্বাচন আয়োজন করতে পারবে না। সরকার নির্বাচন আয়োজনের অপেক্ষায় রয়েছে, তবে এখন দেশের জনগণকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে প্রক্রিয়াটি কেমন হবে। তারা কি ছোট পরিসরের সংস্কার কর্মসূচিতে যাবে, নাকি দীর্ঘ মেয়াদী সংস্কার চাইবে। যদি মানুষ দ্রুত সংস্কার চায়, তাহলে আমরা এ বছরের শেষ নাগাদ নির্বাচন করার লক্ষ্য নিয়েছি। আর যদি বলে, না- আমাদের দীর্ঘ মেয়াদী সংস্কার দরকার, তাহলে আমাদের আরও ছয় মাস সময় লাগবে।
বর্তমান প্রজন্মকে মানব ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রজন্ম আখ্যায়িত করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, এই প্রজন্মের অমিত সম্ভাবনা রয়েছে। প্রযুক্তি বর্তমান প্রজন্মকে বদলে দেওয়ার কারণে তারা এখন শুধু বাংলাদেশি আর তরুণ নয় বরং সারাবিশ্বের তরুণ প্রজন্মের অংশ হয়ে গেছে। এই প্রজন্ম পুরনো বাংলাদেশে ফিরে যেতে চায় না, তাই একটি নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে। তরুণদের কাজের প্রতিটি অংশে ঐকমত্য গড়ে তোলার জন্য একটি ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হচ্ছে। সকল রাজনৈতিক দল এবং সুশীল সমাজের সংগঠনের ঐকমত্যের ভিত্তিতে ‘জুলাই সনদ’ প্রস্তুত করা হবে। তাঁর সরকার বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ইতিবাচক ধারায় ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে। ইতোমধ্যে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থায় গতি ফিরে এসেছে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের বক্তব্যে মুগ্ধ হন ক্লাউস শোয়াব এবং আধাঘণ্টার আলাপচারিতায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন তিনি।
মন্তব্য করুন


আগামীকাল
ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের সাইডলাইনে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে বলে নিশ্চিত
করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথমবারের মত অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির
বৈঠক হতে চলেছে।
প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশের সরকার প্রধানের
মধ্যে আগামীকাল বৈঠক হবে। ব্যাংককে আজ বিমসটেক সম্মেলনের নৈশভোজে দুই নেতার সাক্ষাৎ
হয় এবং তারা কুশলাদি বিনিময় করেন। নৈশভোজে উভয় নেতাকে বেশ কিছু সময় ধরে ঘনিষ্ঠভাবে
কথা বলতে দেখা গেছে। বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোটের (বিমসটেক) শীর্ষ
সম্মেলন উপলক্ষে অধ্যাপক ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি বর্তমানে ব্যাংককে অবস্থান করছেন। ২
থেকে ৪ এপ্রিল ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
মন্তব্য করুন