

এবার দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানলে (চ্যানেল ২৪) সংবাদ উপস্থাপন করলো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপরাজিতা।
১৯ জুলাই বুধবার চ্যানেল ২৪ এর সন্ধ্যা ৭টার বুলেটিনে যুক্ত হয়ে অপরাজিতা সংবাদ উপস্থাপন করে।
এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংবাদ উপস্থাপকের নাম রাখা হয়েছে অপরাজিতা।
সম্প্রতি বিভিন্ন দেশে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে সংবাদ উপস্থাপনার বিষয়টি লক্ষ্য করা যায়।
চলতি বছরের এপ্রিলে ’ফেদা’ নামের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে দিয়ে সংবাদ পাঠ করায় কুয়েত নিউজ। গত ৯ জুলাই ভারতের একটি বেসরকারি টেলিভিশন, ওড়িশা টেলিভিশন লিমিটেড কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে দিয়ে সংবাদ পাঠ করায়। যার নাম ছিল লিসা। যা নিয়ে ভারত-বাংলাদেশে রীতিমতো হইচই পড়ে যায়।
অপরাজিতাই হলো দেশের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংবাদ উপস্থাপক। যেখানে সে সংবাদ ও অনুষ্ঠান নিয়ে যুক্ত হয়।
এই বিষয়ে চ্যানেল২৪ এর সিনিয়র নিউজ এডিটর আব্দুল কাইয়ুম তুহিন বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অনেক ধরনের ইতিবাচক সুবিধা রয়েছে। তাই আমরাও চেয়েছি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রযুক্তিগত দিক থেকে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলার। সে লক্ষ্যেই আমাদের এ আয়োজন। আশা করছি দেশের ইতিহাসে এক বিল্পব ঘটাবে এআই প্রযুক্তি।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ।
বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদের দেওয়া এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আব্দুল হাফিজ প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়নবিষয়ক দায়িত্ব পালনে প্রধান উপদেষ্টাকে প্রয়োজনীয় সব সহযোগিতা প্রদান করবেন। প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী পদে থাকা অবস্থায় তিনি উপদেষ্টা পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক সব সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
উল্লেখ্য যে, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
মন্তব্য করুন


কোনো শিশুর ভূমিষ্ঠ হওয়ার মুহূর্ত একটি পরিবারের জন্য সবচেয়ে আনন্দের। তবে এ মুহূর্ত যদি হয় ১৩৮ বছরের এক ‘মিথ’ এর অবসান, তখন আনন্দের মাত্রা ঠিক কত হতে পারে, তা কল্পনা করাও কঠিন। এমনই এক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের একটি পরিবার। পরিবারটিতে ১৩৮ বছর পর জন্ম নিয়েছে এক কন্যাশিশু।
১৮৮৫ সালের পর দুই সপ্তাহ আগে যুক্তরাষ্ট্রে এক যুগলের ঘর আলোকিত করে পরিবারে জন্ম নিল প্রথম কোনো কন্যাশিশু। এ পরিবার তার জন্মের মধ্য দিয়ে নতুন এক অধ্যায়ে প্রবেশ করল । অবাক করা এ ঘটনায় এখন পরিবারটিতে খুশির জোয়ার বইছে।
ওই শিশুর নাম দেওয়া হয়েছে অড্রে। তার বাবা অ্যান্ড্রু ক্লার্ক ও মা ক্যারোলিন ক্লার্ক।
ক্যারোলিন বলেন, দশ বছর আগে যখন অ্যান্ড্রুর সঙ্গে আমার প্রেম, তখনই সে তাদের পরিবারে ১০০ বছরের বেশি সময় ধরে কন্যাসন্তান জন্ম না নেওয়ার বিষয়টি বলেছিল। বিষয়টি তার বাবা-মাকে জিজ্ঞাসা করলাম যাচাই করার জন্য। তারা জানালেন, তাদের ডিরেক্ট লাইনে দীর্ঘদিন থেকে কন্যাসন্তান নেই। ২০২১ সালে ক্যারোলিনের গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়। এর পরই এ কন্যাসন্তানের জন্ম, যা ওই পরিবারের আনন্দকে বাড়িয়ে দিয়েছে বহুগুণ। ক্যারোলিন বলেন, কন্যাসন্তান জন্মের পর পরিবারের আনন্দ দেখে মনে হচ্ছে, তারা চাঁদের টুকরো হাতে পেয়েছেন।
সূত্র: এনডিটিভি
মন্তব্য করুন


ঢাকায় যানজট কমাতে চালু হওয়া মেট্রোরেল যাত্রীদের মাঝে ছড়িয়েছে উচ্ছ্বাস। আর উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত চলা মেট্রোরেল মতিঝিলে বর্ধিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে গেছে র্যাপিড পাস বিক্রি। এদিকে মেট্রোরেল কেন্দ্রিক যাত্রী টানতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন (বিআরটিসি) চালু করেছে শাটল বাস।
উত্তরা (হাউজ বিল্ডিং) থেকে দিয়াবাড়ি ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) স্টেশন পর্যন্ত বিআরটিসির পরিচালিত মেট্রোরেল শাটল বাস সার্ভিসের জন্য গত বুধবার থেকে টিকিট কাউন্টার স্থাপন হয়েছে। তবে র্যাপিড পাস বিক্রির ক্ষেত্রে যাত্রীদের থেকে দারুণ সাড়া পেয়েছেন ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ)।
ডিটিসিএ- এর ডেপুটি ট্রান্সপোর্ট প্লানার ধ্রুব আলম বলেন, রোববার (৫ নভেম্বর) ১০০টি র্যাপিড পাস বিক্রি হয়েছে। সোমবার (৬ নভেম্বর) থেকে ২৫০টি করে বিক্রি করা হবে। তিনি বলেন, আজ থেকেই বিক্রি শুরু হয়েছে। মতিঝিল আর দিয়াবাড়িতে। যতক্ষণ মেট্রোরেল চলবে ততক্ষণ পর্যন্ত। মতিঝিলে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ছিল। আজ ৫০টা ৩০ মিনিটে বিক্রি হয়েছে।
র্যাপিড পাস বিক্রির লোকেশন বাড়ানো হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, সোমবার মিরপুর ১০, আগারগাঁও, মতিঝিল ও দিয়াবাড়ি।এর আগে বুধবার ডিটিসিএ-র নির্বাহী পরিচালক সাবিহা পারভীন দিয়াবাড়ি মেট্রো স্টেশনে উপস্থিত থেকে এটি উদ্বোধন করেন। উত্তরা (হাউজ বিল্ডিং) ও দিয়াবাড়ি এমআরটি স্টেশনে দুইটি অস্থায়ী টিকিট কাউন্টারের উদ্বোধন করেন।
প্রসঙ্গত, ঢাকার উত্তরা থেকে কমলাপুর পর্যন্ত ২১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের প্রথম মেট্রোরেল যেটা এমআরটি লাইন-৬ নামে পরিচিত। এ প্রকল্প সরকার হাতে নেয় ২০১২ সালে। গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর এ পথের প্রথমাংশ উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত চালু হলেও দ্বিতীয় অংশ আগারগাঁও থেকে মতিঝিল চলতি সালের শেষ দিকে চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
আর মতিঝিল থেকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত বর্ধিতাংশ চালু হতে পারে ২০২৫ সালে। এমআরটি লাইন-৬ প্রকল্পের সর্বোমোট ব্যয় হচ্ছে ৩৩ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা। এর মধ্যে উন্নয়ন সহযোগী জাইকার অর্থায়ন ১৯ হাজার ৭১৯ কোটি টাকা ও সরকারি অর্থায়ন ১৩ হাজার ৭৫৩ কোটি টাকা।
মন্তব্য করুন


সংবাদমাধ্যমের
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক আবাসিকের ক্যামেরায় তোলা ওই ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, দোতলার
টিনের কার্নিশ থেকে কোনও রকমে আটকে রয়েছে ওই একরত্তি। পা কার্নিশের বাইরে ঝুলছে।
তাকে
উদ্ধার করতে তৎপর হয়ে উঠেছেন আবাসিকরা। অনেকে আতঙ্কে চিৎকার করতে শুরু করেছেন। কেউ
কেউ একটি চাদর ধরে আবাসনের নীচে দাঁড়িয়ে পড়েছেন। এর পর তিন জন আবাসিক এক তলার
একটি ঘরের জানালা দিয়ে বাইরে বেরিয়ে ওই শিশুটিকে উদ্ধার করেন।
মন্তব্য করুন


এরমধ্যে ২০টি ফ্লাইট
সরাসরি জেদ্দায় যাবে, দুটি ফ্লাইট যাবে মদিনা।
বিমান
বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স চট্টগ্রাম জেলার ব্যবস্থাপক মো. শাহাদাত হোসেন জানান, ১৪ মে
ভোররাত ৩টা ৫০ মিনিটে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হজযাত্রীদের নিয়ে
বাংলাদেশ বিমানের বোয়িং ৭১৭ যোগে প্রথম ফ্লাইট যাত্রা শুরু করবে। প্রথম ফ্লাইটে
৪১৯ জন যাত্রী মদিনা যাবেন।
এই
বছর সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করতে যাবেন ৮৩ হাজার ২০২ জন। এর মধ্যে
সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাবেন ৪ হাজার ৩০৭ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় যাবেন ৭৮
হাজার ৮৯৫ জন।
এর
আগে ৯ মে ঢাকা থেকে এ বছরের হজ ফ্লাইট শুরু হচ্ছে। ঢাকা থেকে এদিন হজযাত্রীদের
নিয়ে প্রথম ফ্লাইট সৌদি আরবের উদ্দেশে রওনা দেবে। এরপর শিডিউল অনুযায়ী পরবর্তী
ফ্লাইটগুলো ছাড়া হবে।
চাঁদ
দেখা সাপেক্ষে ১৬ জুন পালিত হতে পারে হজ। প্রতিবছর সাধারণত একমাস আগে থেকে শুরু হয়
হজ ফ্লাইট। তার আগে হজযাত্রীদের ভিসা, ফ্লাইট শিডিউল সংক্রান্ত কাজ শেষ করে থাকে
ধর্ম মন্ত্রণালয় ও এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন,পহেলা বৈশাখের মাঝে বাঙালি
খুঁজে পায় নিজস্ব ঐতিহ্য,সংস্কৃতি ও চেতনার স্বরূপ।
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি আজ দেয়া এক বাণীতে বলেন, শুভ
নববর্ষ-১৪৩১’ পহেলা বৈশাখ বাঙালি জাতির জীবনে পরম আনন্দের একটি দিন। আনন্দঘন
এই দিনে আমি দেশে ও বিদেশে বসবাসরত সকল বাংলাদেশিকে জানাই বাংলা নববর্ষের
শুভেচ্ছা। ২০১৬ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা বিশ্ব
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাষ্ট্রদর্শন ও আদর্শের
অন্যতম ভিত্তি ছিল দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশ ও জাতীয় চেতনার উন্মেষ। সেই চেতনায়
উজ্জীবিত হয়ে বঙ্গবন্ধু কারারুদ্ধ জীবনে সহবন্দিদের নিয়ে নববর্ষ উদযাপন
করেছিলেন। জাতীয় সংস্কৃতির এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি জাতি হিসেবে বাঙালির জন্য
পরম গৌরব ও মর্যাদার।
রাষ্ট্রপতি আরো বলেন,পহেলা বৈশাখের মাঝে বাঙালি খুঁজে পায় নিজস্ব
ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও চেতনার স্বরূপ। দুঃখ, জরা, ব্যর্থতা ও মলিনতাকে ভুলে সবাই জেগে
ওঠে নব আনন্দে, নব উদ্যমে। বৈশাখের আগমনে বেজে উঠে নতুনের জয়গান। ফসলি সন
হিসেবে মোঘল আমলে যে বর্ষগণনার সূচনা হয়েছিল,সময়ের সাথে আজ সমগ্র বাঙালির
অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক স্মারক উৎসবে পরিণত হয়েছে।
এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের
আত্মবিকাশ ও বেড়ে ওঠার প্রেরণা। বৈশাখ শুধু উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।বাঙালি
সংস্কৃতির বিকাশ,আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মুক্তিসাধনায় পহেলা বৈশাখ এক অবিনাশী শক্তি।
বাংলাদেশের অভ্যুদয় ও গণতান্ত্রিক বিকাশে সংস্কৃতির এই শক্তি রাজনৈতিকতন্ত্রের
চেতনাকে দৃঢ় ও বেগবান করে।
"পহেলা বৈশাখ আমাদেরকে উদার হতে শিক্ষা দেয় এবং একটি আদর্শ জাতিকে মানব সমাজের অনুপ্রাণিত হয়ে
বিশ্বমানবের সঙ্গে মিশে যাওয়ার শক্তি জোগায়। এই উদারনৈতিক চেতনাকে ধারণ করে
বঙ্গবন্ধুর রাষ্ট্রদর্শন, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আদর্শ এবং রাষ্ট্রভাষা চেতনার
বহ্নিশিখা অন্তরে ধারণ করে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত, সুখী-সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ
বিনির্মাণ হোক আজকের দিনে সকলের অঙ্গীকার।"
ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে সকলে মিলে নাচ-গান, শোভাযাত্রা,
আনন্দ-উৎসব, হরেক রকম খাবার ও বাহারি সাজে বৈশাখকে বরণ করে নেয় উৎসবপ্রেমী বাঙালি
জাতি। নতুন বছরে যাত্রাপালা, পুতুলনাচ, লোকসংগীত, গ্রামীণ খেলাধুলা, মেলাসহ
নানাবিধ বর্ণিল আয়োজন মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেয় আনন্দ ও সম্প্রীতির নতুন
বার্তা।
রাষ্ট্রপতি প্রত্যাশা - সকল অশুভ ও অসুন্দরের ওপর সত্য ও
সুন্দরের জয় হোক। ফেলে আসা বছরের সব শোক-দুঃখ-জরা দূর হোক, নতুন বছর জাতীয় ও ব্যক্তিজীবনে
নিয়ে আসুক অনাবিল সুখ ও সমৃদ্ধি।
মন্তব্য করুন


সরকার
জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের সন্তানদের সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে
৫ শতাংশ কোটার সেই আদেশ বাতিল করেছে ।
সোমবার আগের আদেশ বাতিল করে
নতুন আদেশ জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে সই করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
উপসচিব (মাধ্যমিক-১) মোসাম্মৎ রহিমা আক্তার।
নতুন আদেশে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে অনেক
ছাত্র-জনতা আহত ও শহীদ হন। তাদের পরিবারের সদস্যদের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে
ভর্তির বিষয়ে গত ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে জারি করা আদেশ বাতিল করে নতুন আদেশ
জারি করা হলো।
এটাতে
বলা হয়, গত বছরে জুলাই-আগস্টে অভ্যুত্থানে অনেক ছাত্র-জনতা আহত ও শহীদ হন। তাদের পরিবারের
সদস্যদের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির বিষয়ে গত ২০ ফেব্রুয়ারি জারীকৃত আদেশ বাতিল
করে নতুন আদেশ জারি করা হলো।
তবে,
কোটার স্থলে আহত ও নিহতদের সন্তানদের জন্য স্কুলে ভর্তিতে লটারির জন্য নির্ধারিত আসন
সংখ্যার অতিরিক্ত প্রতি শ্রেণিতে একজন করে ভর্তির জন্য আসন সংরক্ষিত থাকবে।
আদেশে
আরও বলা হয়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত/শহীদ পরিবারের সদস্যদের আসন নির্ধারণের ক্ষেত্রে
সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র/গ্যাজেটের সত্যায়িত কপি আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে এবং
ভর্তির সময় মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মুক্তিযুদ্ধ
বিষয়ক মন্ত্রণালয় হতে ইস্যুকৃত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের গেজেট যথাযথভাবে যাচাই
করে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
এ ছাড়া
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত/শহীদ পরিবারের সদস্যদের পাওয়া না গেলে মেধা তালিকা থেকে উক্ত
আসনে ভর্তি করতে হবে। কোনো অবস্থায় আসন শূন্য রাখা যাবে না বলেও আদেশে বলা হয়।
এর আগে,
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জারি করা এক আদেশে বলা হয়, মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের
পুত্র-কন্যা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত বা শহীদ পরিবারের সদস্যদের সরকারি মাধ্যমিক
বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে।
মন্তব্য করুন


ব্রিটেনের নর্থ ওয়েলসে এক খনিতে বিলাসবহুল রাত্রিযাপন ব্যবস্থা করা হয়েছে । ন্যাশনাল পার্কের স্নোডোনিয়া পর্বতের নীচে রয়েছে সেই খনি। হোটেলের নাম ‘ডিপ স্লিপ’।
এই অসম্ভবকে সম্ভব করেছে একটি পর্যটন সংস্থা। হাজার হাজার টাকা খরচ করে সেই খনিতে রাত কাটাচ্ছেন বহু মানুষ।
সপ্তাহে কেবল এক দিনই খনিতে গিয়ে এই হোটেলে রাত্রিবাস করা যাবে। শনিবার গিয়ে রাতে থেকে রোববার সকালে আবার ফিরে আসতে হয়। এমনটাই নিয়ম।
খনিতে দুর্ঘটনা লেগেই থাকে। সারা দুনিয়ায় খনিতে কাজ করতে নেমে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। পেটের টানেই এই ঝুঁকিপূর্ণ পেশাকে সাধারণত মানুষ বেছে নেন। তারপর সেখানে ধস নেমে বা পানি ঢুকে অনেক সময়ই প্রাণ যায় শ্রমিকদের। এখন সেই খনিতে নেমেই রাত্রিযাপন!
ভিক্টোরিয়া আমলের এই খনিতে ৪১৯ মিটার (১ হাজার ৩৭৫ ফুট) গভীরে রয়েছে রাত্রিযাপনের ব্যবস্থা। এই হোটেলে চারটি দু’জন থাকার রুম রয়েছে। আর একটি গুহা রয়েছে। সেখানেও দু’জনের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।
এপ্রিল মাস থেকে এই খনি-সফর শুরু হয়েছে। এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অভিযানে গিয়ে পর্যটকেরা দারুণ খুশি। তারা জানিয়েছেন, খনিতে রাতে যেভাবে স্বস্তিতে ঘুমিয়েছেন, নিজের বাড়িতে কখনও এত ভালো ঘুমাননি।
খনিতে চলাচলের উপযুক্ত বুট, হেলমেট, টর্চলাইটও দেওয়া হবে পর্যটকদের। দীর্ঘ খনিপথের শেষে রয়েছে স্টিলের দরজা। সেই দরজা খুলেই ঢোকা যাবে হোটেলে।
হোটেলের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, গন্তব্যে পৌঁছনোর পর পর্যটকদের পানীয় দেওয়া হবে। তারপর খনির বিষয়ে কিছু তথ্য দেওয়া হবে।
বাকি সন্ধ্যা নিজের রুমে বসে আরাম করতে পারবেন পর্যটকেরা। কোনো অভিযানে যে রকম খাবার দেওয়া হয়, সে রকমই পরিবেশন করা হবে পর্যটকদের।
খাবার জন্য হোটেল কক্ষের বাইরে রাখা রয়েছে বিশাল এক টেবিল। সেই টেবিলে বসে খাওয়াদাওয়ার পর যে যার ঘরে গিয়ে বিশ্রাম করতে পারবেন পর্যটকেরা।
দু’জনের অভিযান এবং এক রাতে থাকা, খাওয়ার খরচ ৩৫০ পাউন্ড যা প্রায় ৪৮ হাজার টাকার কাছাকাছি। কেউ গুহায় রাত্রিবাস করতে চাইলে তার খরচ একটু বেশি। অভিযান-সহ গুহায় রাত্রিবাসের খরচ ৫৫০ পাউন্ড যা প্রায় ৭৫ হাজার টাকা।
মন্তব্য করুন


এই বিশাল ভূগর্ভস্থ শহরটি যেটিতে একসময় প্রায় ২০০০০ লোক বাস করত, পরবর্তীতে ঘটনাক্রমে একজন ব্যক্তি তার বেসমেন্টে একটি প্রাচীর ছিটকে পড়ার পরে পুনরায় এটা আবিষ্কার করেছিলেন। প্রত্নতাত্ত্বিকরা প্রকাশ করেছেন যে শহরটি ১৮ তলা গভীর এবং স্কুল, চ্যাপেল এবং এমনকি আস্তাবল সহ ভূগর্ভস্থ জীবনের জন্য সকল প্রয়োজনীয় জিনিস ছিল
ডেরিঙ্কুইতে ভূগর্ভস্থ শহরটি বড় ঘূর্ণায়মান পাথরের দরজা দিয়ে ভিতরে থেকে বন্ধ করা যায়। এমনকি প্রতিটি ফ্লোর আলাদাভাবে বন্ধ করা যায়।
এই শহরটি ২০০০০ জন লোকের থাকার ব্যবস্থা ছিলো,এবং ক্যাপাডোসিয়া জুড়ে অন্যান্য ভূগর্ভস্থ কমপ্লেক্সে আরও ঘড় পাওয়া যায় যেমন মদ এবং তেলের প্রেস, আস্তাবল, সেলার, স্টোরেজ রুম, রিফেক্টরি এবং চ্যাপেল। Derinkuyu কমপ্লেক্সের জন্য আলাদা এবং দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত একটি ব্যারেল-খিলানযুক্ত সিলিং সহ একটি প্রশস্ত ঘড় আছে।। জানা গেছে যে এই কক্ষটি একটি ধর্মীয় বিদ্যালয় হিসাবে ব্যবহৃত হত এবং বাম দিকের কক্ষগুলি পড়াশোনার জন্য ব্যাবহৃত হতো।
তৃতীয় এবং চতুর্থ স্তরের মধ্যে শুরু হচ্ছে উল্লম্ব সিঁড়িগুলির একটি সিরিজ, যা সর্বনিম্ন (পঞ্চম) স্তরে একটি ক্রুসিফর্ম চার্চের দিকে নিয়ে যায়।
বড় ৫৫ মিটার বয়ুচলাচল খাদ একটি কূপ হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে বলে মনে হয়। বাইরের দুনিয়ার লোকের থেকে লুকানোর জন্য এটা ছিলো মোক্ষম জায়গা।
তুরস্কের সংস্কৃতি বিভাগের মতে, খ্রিস্টপূর্ব ৮ম-৭ম শতাব্দীতে ফ্রিজিয়ানরা ক্যাপাডোসিয়া অঞ্চলের নরম আগ্নেয় শিলায় প্রাথমিকভাবে গুহাগুলি তৈরি করেছিল। রোমান কালে যখন ফ্রিজিয়ান ভাষা মারা যায়, গ্রীক ভাষার সাথে প্রতিস্থাপিত হয় তখন বাসিন্দারা তাদের গুহাগুলিকে গভীর বহু-স্তরের কাঠামোতে প্রসারিত করে চ্যাপেল এবং গ্রীক শিলালিপি যুক্ত করে।
মন্তব্য করুন


প্রাথমিক স্কুল, ঔষধ কোম্পানিসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে চাকরি দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্ধ কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম। ৩৩তম বিসিএসের এ কর্মকর্তা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিকল্পনা বিভাগে কর্মরত। তার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা চলমান থাকায় গত ৮ জানুয়ারি থেকে তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত।
কয়েক দফায় চিঠি এবং কারণ দর্শানো নোটিশ দিলেও উত্তর মেলেনি। এখন ওই শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া প্রক্রিয়া শুরু করেছে মন্ত্রণালয়।
জানা গেছে, রফিকুল ইসলাম মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিকল্পনা বিভাগের গবেষণা শাখায় কর্মরত। এর আগেও একাধিক প্রতারণার অভিযোগে তাকে মাউশি অধিদপ্তর থেকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়। তার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি চেক ডিজঅনার সংক্রান্ত মামলার রায় চলতি মাসে হওয়ার কথা রয়েছে। অন্য একটি মামলার তদন্ত করছে পুলিশের তেজগাঁও গোয়েন্দা বিভাগ। প্রতারণার আরেকটি মামলা হয়েছে সিএমএম কোর্টে।
এদিকে, বেশ কয়েক মাস ধরে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। মাঝেমধ্যে মোবাইল ফোন খোলা থাকলেও কল রিসিভ করেন না। না পেয়ে মাউশিতে এসে অনেকে তার খোঁজ করছেন, কিন্তু সহকর্মীরা তার কোনো সন্ধান দিতে পারছেন না।টানা পাঁচ মাস কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার পর গত ১০ এপ্রিল মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে চিঠি দিয়েছেন মাউশি মহাপরিচালক। ৮ জানুয়ারি থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার কারণ ব্যাখ্যা চেয়ে শোকজ দেওয়া হলেও সেই জবাব পাওয়া যায়নি। এর মধ্যে তার ব্যক্তিগত ই-মেইল ও ঠিকানায় চিঠি দেওয়া হলেও কোনো জবাব মেলেনি। এখন তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছি।
জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ ঢাকা পোস্টকে বলেন, তিনি টানা চার মাস ধরে অফিসে অনুপস্থিত। শোকজ করার পরও তিনি জবাব দেননি। তাই পুরো বিষয়টি মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নেওয়ার এখতিয়ার মন্ত্রণালয়ের।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘লোকজনের কাছ থেকে টাকা-পয়সা নিয়েছেন— এমনটা শুনেছি। কিন্তু কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি।’
রফিকুল ইসলাম সম্পর্কে যা জানা যায়
ঢাকা পোস্টের অনুসন্ধানে জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালীন রফিকুল ইসলাম একটি ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হন। ওই সময় থেকে তিনি নানা প্রতারণার জাল বিস্তার করেন। ৩৩তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে যোগ দেন। এরপর সরকারের ঊর্ধ্বতন বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে সখ্যতা রয়েছে— এমন ছবি দেখিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া শুরু করেন। এমন তিন ব্যক্তির সন্ধান পেয়েছেন এ প্রতিবেদক। তাদের কাছ থেকে ১২ লাখ টাকা নিয়েছেন রফিকুল ইসলাম। বাকিরা তার খোঁজে মাউশি, মোহাম্মদপুর ও নিজ জেলা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার কুশিল গ্রামে ধরনা দিচ্ছেন।মাউশি সূত্রে জানা যায়, এর আগে চাকরি দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নেওয়া শুরু করেন রফিকুল ইসলাম। কিন্তু কাউকে চাকরি দিতে না পারায় মাউশিতে আসতে শুরু করেন ভুক্তভোগীরা। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কয়েক দফা এসব বিষয়ে আপস-মীমাংসাও করে দেন। ২০১৮ সাল থেকে তিনি ফের প্রতারণা শুরু করেন।
ঢাকা পোস্ট তার বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করলে ভুক্তভোগীদের তিনি নানাভাবে হুমকি-ধামকি দিতে শুরু করেন। ‘ওই সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বললে টাকা তো দেবই না, উল্টো তোমাকে গুম করে ফেলব— এমনও হুমকি দেন।’ ভয়ে প্রথম দিকে অনেকে তার বিরুদ্ধে কথা বললেও পরে এ প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন তারা।
তার বিরুদ্ধে যত অভিযোগ
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার রতন চন্দ্র একটি বেসরকারি ঔষধ কোম্পানিতে চাকরি করতেন। সরকারি প্রাথমিক স্কুলে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ২০১৯ ও ২০২০ সালে তিন ধাপে তার কাছ থেকে ছয় লাখ টাকা নেন রফিকুল। পরে চাকরি না হওয়ায় টাকা ফেরত চান তিনি। কয়েক দফা ঘুরানোর পর টাকা ফেরত না দেওয়ায় ওই ব্যক্তি ২০২২ সালে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) কোর্টে একটি মামলা করেন। সেই মামলায় তার বাবা ও স্ত্রীকে আসামি করা হয়। আদালতের নির্দেশে মামলাটি তদন্ত করছে তেজগাঁও গোয়েন্দা অফিস।
মামলা সূত্রে জানা যায়, মামলা করার আগে রতন চন্দ্র রফিকুলের মোহাম্মদপুরের বাড়ির মালিক হারুনের মধ্যস্থতায় পাওনা টাকা ফেরত দেওয়ার অঙ্গীকার করেন। এরপর তিন বছর নানা ছলচাতুরী করে আজ পর্যন্ত কোনো টাকা ফেরত দেননি। টাকা চাইলে তারিখ দিতেন। কিন্তু ওই তারিখ অনুযায়ী বাসায় গেলে উনাকে পাওয়া যেত না। মোবাইল ফোনও রিসিভ করতেন না।
রতন চন্দ্র মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন, প্রতারণামূলক বিভিন্ন ধরনের কূট-কৌশল অবলম্বন করে হয়রানি করতেন রফিকুল ইসলাম। গত তিন বছর ধরে কোনো টাকা পরিশোধ করেননি তিনি। বরং টাকা পরিশোধের অনুরোধ করলে অভিযোগকারীকে নানা রকম হুমকি-ধামকি দেন। সর্বশেষ মাউশিতে কর্মরত পটুয়াখালীর আরেক শিক্ষা কর্মকর্তা চন্দ্র শেখর হালদারের (বর্তমানে বহিষ্কার) মাধ্যমে টাকা আদায়ের শেষ চেষ্টা করেও ব্যর্থ হই। রফিকুল একজন প্রতারক বলে চন্দ্র শেখর আমাদের জানায়।
মন্তব্য করুন