

স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ২৩ মিনিট থেকে সূর্যের গা থেকে একটু একটু করে খসতে শুরু করে। প্রকট হতে থাকে উজ্জ্বল কাস্তের ফলা। তার পরে একেবারে চাঁদের আড়ালে চলে যায় সূর্য। দিনের বেলা অন্ধকার নামে পৃথিবীর বুকে। পূর্ণগ্রাস গ্রহণ শুরু হয়েছিল ১টা ৪০ মিনিটে। পুরোপুরি ঢেকে যায় সূর্য। আর ঠিক এই মুহূর্তে স্পষ্ট ভাবে, উজ্জ্বল হয়ে ওঠে সূর্যের করোনা (সূর্যের পরিমণ্ডলের একেবারে বাইরের স্তর)। এ দিনের গবেষণায় বিজ্ঞানীদের লক্ষ্য ছিল এই করোনা-ই। তাঁদের বিশ্বাস, সূর্যের এই অংশের কার্যকলাপ বা গতিবিধি বেশ গুরুত্বপূর্ণ এবং চমকপ্রদও বটে।
গত ৮ এপ্রিলের (সোমবার) পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ দৃশ্যমান হয়েছিল মেক্সিকো, আমেরিকা ও কানাডা থেকে। বিজ্ঞানীদের পাশাপাশি স্টেডিয়ামে হাজির ছিলেন কমপক্ষে ১০ হাজার সাধারণ মানুষ। এই সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেননি এরিস-এর গবেষকেরা। তাঁরা পাড়ি দিয়েছিলেন আমেরিকার টেক্সাসের ডালাস শহরে। উদ্দেশ্য, সূর্যগ্রহণ পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা। ডালাসের ‘কটন বোল স্টেডিয়াম’-এ গ্রহণ পর্যবেক্ষণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সূর্যের পূর্ণগ্রাস গ্রহণ দেখার জন্য উত্তেজনায় ফুটছিলেন সকলেই। গ্রহণ দেখলেন তাঁরা, জানলেন সৌরজগতের খুঁটিনাটি, বিজ্ঞানের গল্প শুনলেন বিশেষজ্ঞদের থেকে।
দীপঙ্কর বলেন, ‘‘এমন বিরল ঘটনার সাক্ষী হতে পারা ভাগ্যের ব্যাপার। তা ছাড়া এই গবেষণার জন্যেও এটা আদর্শ সময়।’’গত বছর ২ সেপ্টেম্বর মহাকাশে পাড়ি দেয় ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ইসরোর প্রথম সৌরযান ‘আদিত্য-এল১’। এ বছর ৬ জানুয়ারি সে পৌঁছয় গন্তব্যে। বর্তমানে পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এল ১ পয়েন্টকে ঘিরে থাকা হ্যালো অরবিট থেকে আদিত্য নজর রাখছে সূর্যের উপরে। এটি একটি করোনাগ্রাফি স্পেসক্রাফ্ট। পৃথিবী থেকে প্রায় ১৫ লক্ষ কিলোমিটার দূরে নির্দিষ্ট কক্ষপথ থেকে সূর্যের পরিমণ্ডলের উপর নজরদারি চালাচ্ছে সে। আদিত্যের ৭টি প্রোব-ই নিয়মিত ভাবে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে সূর্য ও তার হেলিওস্ফিয়ারকে নিয়ে।
দীপঙ্কর জানান, ঠিক এই সময়ে সূর্যগ্রহণ— এর থেকে ভাল সুযোগ হতে পারত না বিজ্ঞানীদের জন্য। সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবীর এমন অবস্থানে স্পষ্ট হয়ে উঠবে সৌর পরিবেশ বা সোলার অ্যাটমোস্ফিয়ার। এই সোলার অ্যাটমোস্ফিয়ারের সব চেয়ে বাইরের অংশকে বলা হয় করোনা। পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের সময়ে করোনার ভিতরের অংশ অনেকটাই পরিষ্কার দৃশ্যমান হবে।
ডালাসের স্টেডিয়ামে উপস্থিত এরিসের দলে দীপঙ্কর ছাড়াও ছিলেন বিজ্ঞানী এস কৃষ্ণপ্রসাদ এবং বিজ্ঞানী টি এস কুমার। তাঁদের সঙ্গে ছিল একটি ১৪ সেন্টিমিটার টেলিস্কোপ। গ্রহণকালে দূরবীক্ষণ যন্ত্রটির উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন ক্যামেরায় ধরা পড়েছে সূর্যের করোনায় তীব্র গতিতে ঘটতে থাকা পরিবর্তন। দীপঙ্কর বলেন, ‘এই ক্যামেরা এতটাই শক্তিশালী যে প্রতি সেকেন্ডে ৮টি ফ্রেম বন্দি করতে পারে।’’ দীপঙ্কর বলেন, ‘ইসরোর সৌরযান আদিত্য-এল১-এও একটি করোনাগ্রাফ যন্ত্র রয়েছে। পরবর্তী কাজ হচ্ছে, আদিত্যের করোনাগ্রাফ থেকে পাওয়া তথ্য ও আমাদের গ্রাউন্ড রিপোর্ট মিলিয়ে দেখা। বিষয়টা নিয়ে আমরা খুবই উত্তেজিত।’
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) দিন দিন দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হচ্ছে নাকি শুধুই বিতর্ক? বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য-উপাত্ত, এমনকি ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার দুর্নীতি বিরোধী পদক্ষেপ বিবেচনায় নিলে দুর্নীতির অকাট্য প্রমাণের কথাই জানান দেয়। কিন্তু দুর্নীতির নানা অভিযোগ উত্থাপিত হলেও বাফুফের শীর্ষ পদে থাকা ব্যক্তিরা যখন স্বপদে বহাল থাকেন তখন স্বাভাবিকভাবেই সংশ্লিষ্টদের মাঝে প্রশ্ন জাগে শীর্ষ কর্তারা প্রকৃত অর্থে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নাকি কেবলই অভিযোগ।
হিসাবের অংক আরও জটিলতর হয় যখন বাফুফের বর্তমান সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ ওরফে মহি, নারী কমিটির চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ এবং প্রধান হিসাব কর্মকর্তা আবু হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির নানা অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কোনো প্রমাণ পায় না। তখন অনেক প্রশ্নের জবাব উহ্য থেকে যায়। যদিও ভিন্ন এক দুর্নীতির অভিযোগে খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক ফুটবলার আব্দুস সালাম মুর্শেদীর বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান এখনো শেষ হয়নি।
সর্বশেষ গত ১৪ এপ্রিল দুর্নীতির প্রমাণ পেয়ে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগকে দুই বছরের জন্য ফিফা সব ধরনের ফুটবল কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ ও প্রায় ১২ লাখ টাকা জরিমানা করে। তখনই বাফুফের কর্তা ব্যক্তিদের দুর্নীতির বিষয়টি আবারও সামনে চলে আসে। বিভিন্ন মহল থেকে আবারও দাবি ওঠে বাফুফের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগসহ ফুটবল ফেডারেশনের সকল বিষয়ে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের।আইনজীবী ব্যারিস্টার সুমনের রিটের পরিপ্রেক্ষিতে এরই মধ্যে তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ১৫ মে হাইকোর্টের আদেশে আগামী চার মাসের মধ্যে দুদকসহ সংশ্লিষ্টদের ফুটবল ফেডারেশনের দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন : সালাউদ্দিন অসুস্থ, তার মানসিক চিকিৎসা প্রয়োজন : সুমন
একইসঙ্গে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতিসহ সকল বিষয়ে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।
এ বিষয়ে ব্যারিস্টার সুমন ওই দিন বলেছিলেন, ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগের দুর্নীতির কারণে বাংলাদেশের ফুটবলের উন্নয়ন হচ্ছে না। ফুটবলকে বাঁচাতে হলে তাদের বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। এ কারণে রিট দায়ের করেছি।
এর আগে গত ৩ মে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদকসহ ঊর্ধ্বতনদের দুর্নীতির তদন্তের দাবি জানিয়ে দুদকে আবেদন করেছিলেন ব্যরিস্টার সুমন। তার দাবি ছিল, আবু নাঈম সোহাগ একা বাফুফেতে অনিয়ম-দুর্নীতি করেননি। তার সঙ্গে সভাপতি, সহ সভাপতিসহ ঊর্ধ্বতনরা জড়িত ছিলেন।
আরও পড়ুন : গোলাপ পচে গেছে, আ.লীগে থাকার অধিকার নেই : ব্যারিস্টার সুমন
অন্যদিকে বাফুফের শীর্ষ কর্মকর্তাদের দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের বিষয়ে জানতে চাইলে দুদক কমিশনার (তদন্ত) জহুরুল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, আদালতের নির্দেশনা পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।দুর্নীতির অভিযোগ থেকে কাজী সালাউদ্দিনের দায়মুক্তি
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও অর্থ পাচারের অভিযোগ থাকলেও তার সত্যতা পায়নি দুদক। দীর্ঘ দুই বছরের অনুসন্ধান শেষে ২০২১ সালের মার্চ মাসে সালাউদ্দিনসহ নারী কমিটির চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ এবং প্রধান হিসাব কর্মকর্তা আবু হোসেনকেও অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়েছে সংস্থাটি।
আরও পড়ুন : সালাউদ্দিন পাবেন ৩৫ হাজার, সোহাগ ৫ লাখ!
দুদকের তৎকালীন সচিব ড. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার সই করা চিঠিতে ওই অভিযোগের কার্যক্রম সমাপ্তির বিষয়টি উল্লেখ করে ২০২১ সালের ১ মার্চ বাফুফেকে অবগত করে।আসামি হয়েও চার্জশিটে দায়মুক্ত বাফুফে সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন
গ্রাহকের গচ্ছিত ১১ কোটি টাকার স্বর্ণ আত্মসাতের অভিযোগে বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ ওরফে মহিসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি মামলা করে দুদক। মামলার পর ওই বছরের ২৭ ডিসেম্বর চার্জশিটও দাখিল করা হয়।
তবে অজ্ঞাত কারণে এজাহারভুক্ত এক নম্বর আসামি মহিউদ্দিনকে বাদ দিয়েই চার্জশিট দাখিল করেন দুদকের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম।
আদালতে দাখিল করা চার্জশিটে মহিউদ্দিন আহমেদ ওরফে মহির বিষয়ে বলা হয়, নথিতে দায়িত্বরত অবস্থায় নির্দেশনা প্রদান করায় গ্রাহকের বন্ধকীকৃত স্বর্ণ প্রদান সংক্রান্তে আবেদনপত্রে তিনি কোনো স্বাক্ষর বা অনুমোদন করার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন : সোহাগ : কম্পিটিশন ম্যানেজার থেকে ফেডারেশনের সর্বেসর্বা!
কিন্তু দায়িত্ব পালনকালে তার দায় এড়াতে পারেন কিনা সে বিষয়ে কোনো বক্তব্য চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়নি।
এ বিষয়ে দুদকের আইনজীবী রেজা ঢাকা পোস্টকে বলেন, দুদকের চার্জশিট দাখিলের পর এ বিষয়ে বিচারকার্য চলমান। এখন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হচ্ছে। আদালত এ বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন।
চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন, বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক আব্দুল আলিম, সহকারী মহাব্যবস্থাপক (হিসাব) হেদায়েত কবীর, সহকারী মহা-ব্যবস্থাপক (স্বর্ণ বন্ধকী ঋণ বিভাগ) মো. আশফাকুজ্জামান, সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার ও সমবায় ভূমি উন্নয়ন ব্যাংকের এসএস রোড শাখার ম্যানেজার মো. মাহাবুবুল হক, প্রিন্সিপাল অফিসার মো. ওমর ফারুক, সিনিয়র অফিসার (ক্যাশ) নুর মোহাম্মদ, সহকারী অফিসার (গ্রেড-১) আব্দুর রহিম ও নাহিদা আক্তার।
আরও পড়ুন : বাফুফে থেকে মুছে গেল সোহাগের নাম!
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, জালিয়াতির মাধ্যমে ২ হাজার ৩১৬ জন গ্রাহকের মোট ৭ হাজার ৩৯৮ ভরি ১১ আনা জামানত রাখা স্বর্ণ আইন বহির্ভূতভাবে আত্মসাতের চেষ্টা করেন আসামিরা। টাকার অংকের যার পরিমাণ ৪০ কোটি ৮ লাখ ৬০ হাজার ৮৮৮ টাকা। এছাড়া ১১ কোটি ৩৯ লাখ ৮৮ হাজার ৬৮৬ টাকার স্বর্ণ গ্রাহককে না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়।
মন্তব্য করুন


কোনো শিশুর ভূমিষ্ঠ হওয়ার মুহূর্ত একটি পরিবারের জন্য সবচেয়ে আনন্দের। তবে এ মুহূর্ত যদি হয় ১৩৮ বছরের এক ‘মিথ’ এর অবসান, তখন আনন্দের মাত্রা ঠিক কত হতে পারে, তা কল্পনা করাও কঠিন। এমনই এক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের একটি পরিবার। পরিবারটিতে ১৩৮ বছর পর জন্ম নিয়েছে এক কন্যাশিশু।
১৮৮৫ সালের পর দুই সপ্তাহ আগে যুক্তরাষ্ট্রে এক যুগলের ঘর আলোকিত করে পরিবারে জন্ম নিল প্রথম কোনো কন্যাশিশু। এ পরিবার তার জন্মের মধ্য দিয়ে নতুন এক অধ্যায়ে প্রবেশ করল । অবাক করা এ ঘটনায় এখন পরিবারটিতে খুশির জোয়ার বইছে।
ওই শিশুর নাম দেওয়া হয়েছে অড্রে। তার বাবা অ্যান্ড্রু ক্লার্ক ও মা ক্যারোলিন ক্লার্ক।
ক্যারোলিন বলেন, দশ বছর আগে যখন অ্যান্ড্রুর সঙ্গে আমার প্রেম, তখনই সে তাদের পরিবারে ১০০ বছরের বেশি সময় ধরে কন্যাসন্তান জন্ম না নেওয়ার বিষয়টি বলেছিল। বিষয়টি তার বাবা-মাকে জিজ্ঞাসা করলাম যাচাই করার জন্য। তারা জানালেন, তাদের ডিরেক্ট লাইনে দীর্ঘদিন থেকে কন্যাসন্তান নেই। ২০২১ সালে ক্যারোলিনের গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়। এর পরই এ কন্যাসন্তানের জন্ম, যা ওই পরিবারের আনন্দকে বাড়িয়ে দিয়েছে বহুগুণ। ক্যারোলিন বলেন, কন্যাসন্তান জন্মের পর পরিবারের আনন্দ দেখে মনে হচ্ছে, তারা চাঁদের টুকরো হাতে পেয়েছেন।
সূত্র: এনডিটিভি
মন্তব্য করুন


বিল্লাল হোসেন, মুরাদনগর:
কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার উপজেলার দক্ষিণ ভিংলাবাড়ী গ্রামে বৃষ্টির আশায় মেঘ-বৃষ্টির বিয়ের আয়োজন করেন শিশুরা।
বরের নাম মেঘ, আর কনের নাম বৃষ্টি। দুজনে মিলে মেঘ-বৃষ্টি। মেঘবৃষ্টির গায়ে জড়ানো রঙিন কাপড়। শনিবার দুপুর ১২দিকে নেঁচে গেয়ে ভিজে মেঘবৃষ্টির বিয়ে হয়। আর সাথে ছিল তাদের বৌভাত। এ আয়োজন করেন দক্ষিণ ভিংলাবাড়ী গ্রামের ছোট ছেলে মেয়েরা। তাদের এ ব্যাতিক্রমী পুরানো সংস্কৃতির ঐতিহ্যের আয়োজন দেখতে ভিড় জমায় এলাকার উৎসুক সকল শ্রেণী পেশার মানুষ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
সেনানিবাসের ৩৩ পদাতিক ডিভিশন বন্যাদুর্গত জেলা ফেনী, নোয়াখালী এবং কুমিল্লার
বুড়িচং ও চৌদ্দগ্রামে পানিতে আটকে থাকা প্রায় সাড়ে ৯ হাজার মানুষকে উদ্ধার করেছে ।
সেই সাথে সাড়ে ৪ হাজার মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দিয়েছে সেনাবাহিনী ।
সেনাবাহিনীর
এই অভিযান এখনো অব্যাহত রয়েছে।
বুধবার
থেকে আজ শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত তিন জেলায় এ উদ্ধার অভিযানের এ তথ্য নিশ্চিত
করে সেনাবাহিনী সূত্র আরো জানিয়েছে, কুমিল্লা সেনানিবাসের ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের
জিওসি ও এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম বন্যাদুর্গত এলাকায়
উপস্থিত থেকে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
সেনাবাহিনী
সূত্র এটাও জানিয়েছে যে, এছাড়া প্রায় ২০ জন রোগিকে হেলিকপ্টারে করে ফেনী থেকে
কুমিল্লা সিএমএইচ হাসপাতালে এনে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। এর মধ্যে একজন প্রসূতিও
রয়েছে। তিনি ছেলে সন্তান জন্ম দিয়েছেন। মা ও ছেলে দুইজনেই সুস্থ্য রয়েছেন বলে
সেনাবাহিনী সূত্র জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচন দিতে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি।
কিন্তু আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। এর পরিবর্তে এই জায়গায় সংস্কার আনতে নতুন দল গঠনের চিন্তাভাবনা করছেন তারা।
অতি সম্প্রতি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্যই করেছেন ছাত্র আন্দোলনের চার শিক্ষার্থী।
কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকেই শুরু হয় সরকারবিরোধী আন্দোলন। মানুষের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, সরকারি আমলা ও মন্ত্রী-এমপিদের দুর্নীতি থেকে শুরু করে সব অনিয়মের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলে ‘জেন জি’ হিসেবে পরিচিত তরুণেরা।
সরকারের পতন হয়, ক্ষমতায় আসে অন্তর্বর্তী সরকার। প্রধান উপদেষ্টা হন নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তাঁর উপদেষ্টা পরিষদে ছাত্র আন্দোলনের দুজন সমন্বয়কও রয়েছেন।
এমন অবস্থায় দেশে সংস্কার আনতে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন নিয়ে আলোচনা করছেন শিক্ষার্থীরা। রয়টার্সকে এমনটাই বলেন মাহফুজ আলম নামের এক শিক্ষার্থী। সরকার এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রণি-পেশার মানুষের মধ্যে লিয়াজোঁ করতে গঠিত কমিটির প্রধানের দায়িত্বে আছেন তিনি।
আইন নিয়ে পড়াশোনা করা ২৬ বছর বয়সী মাহফুজ আলম বলেন, এক মাসের মধ্যে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গঠনের আগে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে এ নিয়ে আলাপ করতে চায় শিক্ষার্থীরা। এর আগে পরিকল্পনার ব্যাপারে কোথাও বিস্তারিত জানানো হয়নি।
এ নিয়ে সমন্বয়ক তাহমিদ চৌধুরী বলেন, তাদের নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। এর মূল ভিত্তি হবে অসাম্প্রদায়িকতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা।
তবে, অর্ন্তবর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে থাকা দুজন ছাত্র প্রতিনিধি এ ব্যাপারে খোলাশা করে কিছু বলেননি। এমনকি কোন পলিসি নিয়ে তাঁরা কাজ করতে চাইছেন, সেটাও জানাননি। তবে, নির্বাচন কমিশনে ব্যাপক সংস্কারের কথা বলছেন।
এ নিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এই আন্দোলনের স্পিরিট ছিল মূলত নতুন বাংলাদেশ গঠন করা, যেখানে কোনো ফ্যাসিস্ট বা স্বৈরাচার আর থাকবে না। তা নিশ্চিত করতে গঠনগত সংস্কার দরকার। এতে কিছু সময় তো লাগবেই।’
দ্রুত নির্বাচন দেওয়ার জন্য আওয়ামী লীগ ও বিএনপি থেকে যে দাবি জানানো হচ্ছে, তা অন্তর্বর্তী সরকার আমলে নিচ্ছে না বলে রয়টার্সকে বলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
এ ব্যাপারে সংবিধান বিশেষজ্ঞ শাহদীন মালিক রয়টার্সকে বলেন, ‘আমরা এখন অজানা নদীতে এসে পড়েছি। সেটা আইনগত ও রাজনৈতিকভাবেও। এই অন্তর্বর্তী সরকারের ক্ষমতা কেমন হবে তাও বলা যাচ্ছে না। কেননা এই সরকার আইন মেনে হয়নি।’
বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রায় ৩০ জনের সঙ্গে কথা বলেছে রয়টার্স। এর মধ্যে শিক্ষার্থী ছাড়াও রাজনৈতিক দলের নেতা ও বিশ্লেষক রয়েছেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী মোঃ ইরফান আনোয়ার (তুষার) গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস এ নাম অন্তর্ভূক্ত করেছেন। গত ২১ মার্চ ২০২৩ তারিখে অংশগ্রহণ করে এক মিনিটে এবং ত্রিশ সেকেন্ডে সর্বোচ্চবার ড্রাম স্টিক হাতের মধ্যে ঘুড়িয়ে গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস এ নাম অন্তর্ভূক্তি করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশের ভাবমুর্তি উজ্জ্বল করেছে।
মোঃ ইরফান আনোয়ার (তুষার) এর সাফল্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এফ এম আবদুল মঈন তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং তার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সার্বিক মঙ্গল কামনা করেছেন।
উপাচার্য বলেন, বর্তমানে শিক্ষা, গবেষনা সহ সর্বক্ষেত্রে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীগণ সফলতার স্বাক্ষর রাখার মাধ্যমে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেজ বৃদ্ধি করার যে প্রচেষ্টায় নিয়োজিত রয়েছেন তা আমাদের গর্বিত করে এবং এভাবেই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় একটি লিডিং বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিনত হবে। তিনি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা চর্চা ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্ব প্রদানের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করার আহবান জানান।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদস্বাধীনতা পদক ২০২৫-এ পাচ্ছেন ।
সোমবার (৩ মার্চ) ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার আইডি থেকে এক স্ট্যাটাসে এ তথ্য জানিয়ে পোস্টে বলা হয়, “অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহসিকতার প্রতীক, মুক্ত চিন্তার এক প্রতিচ্ছবি—আবরার ফাহাদ। মরনোত্তর স্বাধীনতা পদক ২০২৫-এ ভূষিত হওয়া তার আত্মত্যাগের স্বীকৃতি। তার আদর্শ আমাদের আলোকিত করে, ন্যায়বিচারের পথে এগিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা দেয়। জাতি তোমাকে ভুলবে না, আবরার! ”
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর রাতে বুয়েটের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী পিটিয়ে হত্যা করেন।
এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে ২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর বুয়েটের ২০ শিক্ষার্থীকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত।
মন্তব্য করুন


কোনো প্রাণহানী না হওয়ায় আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে বড় কোনো বিপদ ছাড়াই বিদায় নিয়েছে ঘূর্ণিঝড় মোখা। তবে বাস্তবতা হচ্ছে ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে সেন্ট মার্টিন, টেকনাফ আর শাহ পরীর দ্বীপের মানুষরা। ঝড়ের আঘাতে লন্ডভন্ড হয়েছে সেন্টমার্টিন দ্বীপের ঘরবাড়ি ও গাছপালাসহ বহু স্থাপনা। সেন্টমার্টিনের পূর্ব থেকে পশ্চিম, উত্তর থেকে দক্ষিণ এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে মোখার প্রভাব পড়েনি। সার্বিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এক হাজার ৩০০-এর বেশি পরিবার।
মোখার আঘাত পুরোটাই নিজের চোখে দেখেছেন বাংলাদেশের একমাত্র এই ব-দ্বীপের ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান। ঘূর্ণিঝড়ের আগের প্রস্তুতি, আঘাত হানার সময়কার বিপদ আর তারপর ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডব নিয়ে তিনি কথা বলেছেন ঢাকা পোস্টের সঙ্গে।
ঢাকা পোস্ট : ঘূর্ণিঝড় মোখা শুরুর আগে দ্বীপবাসীর জন্য কী কী ব্যবস্থা নিয়েছিলেন?
মুজিবুর রহমান : ঘূর্ণিঝড় যখন সৃষ্টি হয়েছে তখন জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসন থেকে বলা হয়েছে আমাদের দিকে ঘূর্ণিঝড় আসছে। আপনারা সবাই প্রস্তুতি নেন। ওই ঘোষণার পর আমাদের যে দুর্যোগ কমিটি আছে, তাদের সঙ্গে বসেছি। আমাদের সকল মেম্বার সেখানে ছিলেন। যেহেতু শোনা যাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অনেক বড় আকারে আসবে, সেন্টমার্টিনকে লন্ডভন্ড করতে পারে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সবাইকে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে হবে। আশ্রয় কেন্দ্রে না গেলে আমাদের মৃত্যু অবধারিত, না গেলে আমরা বাঁচতে পারব না। দ্বীপ তলিয়ে গেলে আমাদের মৃত্যু অবধারিত। তারপর আমরা প্রত্যেকটা ওয়ার্ড মেম্বারদের দিয়ে মিটিং করিয়েছি। যখন ঘূর্ণিঝড় আরও এগিয়ে এসেছে, তখন আমরা মেম্বারদের দিয়ে প্রতিটি ঘরে গিয়ে বলে এসেছি আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে। আমরা মোটরসাইকেল নিয়ে গিয়েছি দ্বীপের প্রতিটি জায়গায়। যখন ঘূর্ণিঝড় শুরু হয়ে গেল তখন আমরা এলাকাবাসীকে ফোর্স করে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে এসেছি।
অতীতের যে রেকর্ড, সেন্টমার্টিনের মানুষ কখনও আশ্রয় কেন্দ্রে যেত না। কিন্তু এবার সব মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে গেছে। আমরা শতভাগ মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসতে পেরেছি।
ঢাকা পোস্ট : ঘূর্ণিঝড়ের পর আপনার দ্বীপে কেমন ক্ষতি হয়েছে?
মুজিবুর রহমান : মিনিমাম ৭০০ দরিদ্র পরিবারের ঘর ছিন্ন ভিন্ন হয়ে গেছে। আর ৩০০ পরিবারের যে সেমি পাকা ঘর ছিল, সেগুলোর টিনের চাল উড়ে গেছে। এর বাইরে গাছ পড়ে কিছু মানুষের ঘর ভেঙে গেছে, কারও পুরোটা ভেঙেছে, কারও অর্ধেক ভেঙেছে, একপাশে ভেঙেছে এমন হয়েছে। সব মিলিয়ে মিনিমাম ১৩ থেকে ১৪০০ পরিবার কোনো না কোনোভাবে ক্ষতির শিকার হয়েছে। আমি আমাদের প্রশাসনকে জানিয়েছি, সেন্টমার্টিনের এবারের ক্ষতি অপূরণীয়। এই ক্ষতি পূরণ করতে হলে সরকারকে ভালো একটা উদ্যোগ নিতে হবে।
ঘূর্ণিঝড় শেষে আমরা যেটা দেখলাম, পুরো দ্বীপে ৫ থেকে সাড়ে ৫ হাজার গাছ মাটিতে পড়ে গেছে। কমপক্ষে ১০০ দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৪০-৫০টি দোকান একেবারেই ভেঙে গেছে। অনেক টিউবওয়েল নষ্ট হয়ে গেছে। ৮টির মতো ফিশিং ট্রলার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৮-৯টি কালভার্ট নষ্ট হয়েছে। এগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্কার না করলে আমাদের চলাচলে খুব অসুবিধা হবে।ঢাকা পোস্ট : দ্বীপের কোন শ্রেণির মানুষ বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে?
মুজিবুর রহমান : যাদের অর্থ-সম্পদ আছে তারা বিল্ডিং করেছেন, সেমি পাকা ঘর করেছেন। এদের শুধুমাত্র টিনগুলোর ক্ষতি হয়েছে। যারা গরিব মানুষ, ঘর বাঁধতে পারেনি, শুধুমাত্র বাঁশ, পাতা এবং পলিথিন দিয়ে ঘর তৈরি করেছিল, তাদের ঘরগুলো একেবারে ভেঙে গেছে।
ঢাকা পোস্ট : দ্বীপে তো উত্তর-দক্ষিণ, পূর্ব-পশ্চিম অংশ আছে। কোন অংশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে?
মুজিবুর রহমান : সেন্টমার্টিন দ্বীপে কোনো এরিয়া নেই যেখানে ক্ষতি হয়নি, যেখানে যাবেন সেখানেই ক্ষতিগ্রস্ত।
ঢাকা পোস্ট : বিদ্যুৎ ব্যবস্থার কী অবস্থা?
মুজিবুর রহমান : ঘূর্ণিঝড়ে গাছ পড়ে বিদ্যুৎ লাইনের অনেক কিছু ভেঙে গেছে। এগুলো ঠিকঠাক করতে অনেকটা সময় লাগতে পারে। আমরা তারপরও বলেছি, যত দ্রুত সম্ভব এটি ঠিক করতে।
ঢাকা পোস্ট : দ্বীপের কোনো বাঁধ আছে কিনা বা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে কিনা?
মুজিবুর রহমান : আমাদের সেন্টমার্টিনে কোনো বাঁধ নেই। দ্বীপ রক্ষার স্বার্থে কোনো বেড়িবাঁধ সরকার যদি নাও করতে চায় তবে দ্বীপের চারদিকে ওয়াকিং রোড করা যেতে পারে। সেটি দিলে আমাদের দ্বীপ রক্ষা পাবে।
ঢাকা পোস্ট : দ্বীপবাসীর ত্রাণ সহায়তা কী দিতে পারলেন?
মুজিবুর রহমান : গতকাল আমাদের জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের অনেকে এখানে এসেছিলেন। আমাদের জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কোস্টগার্ড এরিয়া কমান্ডার এসেছিলেন। জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে কোস্টগার্ড গতকাল এখানে অনেক ত্রাণ নিয়ে এসেছিল, সেগুলো বিতরণ করা হয়েছে। আর আজ বাংলাদেশ নৌবাহিনী এখানে ৫০০ পরিবারকে ত্রাণ দিয়েছে। বিজিবিও ত্রাণ দিয়েছে ৩০০ পরিবারকে।
ঢাকা পোস্ট: মোখার এই ক্ষতি কাটিয়ে দ্বীপের প্রাণ ফিরতে কতদিন সময় লাগবে?
মুজিবুর রহমান : আমাদের এলাকাটা ছোট এবং এটি পর্যটন এরিয়া। সরকার যদি মনে করে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের কর্মসংস্থান করবে এবং দ্রুতই দ্বীপের প্রাণ ফিরবে তবে সেটি ২/৩ মাসের মধ্যেই সম্ভব। এটা সরকারের স্বদিচ্ছা হলেই সম্ভব।
ঢাকা পোস্ট : ঢাকা পোস্টকে সময় দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।
মুজিবুর রহমান : ঢাকা পোস্টকেও ধন্যবাদ ও শুভকামনা থাকলো।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
দেবিদ্ধার থানার হোসেনপুর গ্রামের মৃত অক্ষয় চন্দ্র সাহার ছেলে বীরমুক্তিযোদ্ধা রাখাল
চন্দ্র সাহা যাবজ্জীবনের সাজা থেকে রেয়াত পেয়ে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
রবিবার
সকালে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে যাবজ্জীবন শাস্তি প্রাপ্ত কয়েদী বীরমুক্তিযোদ্ধা
রাখাল চন্দ্র সাহা কে ৫ বছর ৭ মাস ০২ দিন এর রেয়াত পেয়ে কারামুক্তি পায়।
উল্লেখ্য
যে, ২৮শে ফেব্রুয়ারী ১৯৯৯ সালে জমি জমা নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে জেঠাতো বোনের স্বামী
দীনেশ চন্দ্র দত্তকে খুনের অভিযোগে কারা প্রেরণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে বিঙ্গ আদালত
২০০৩ সালের ২০ শে জানুয়ারী মৃতুদন্ডের সাজা প্রদান করেন।
মৃতুদন্ডের
সাজা প্রাপ্ত আসামী বীরমুক্তিযোদ্ধা রাখাল চন্দ্র সাহা মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ
ভিক্ষা চেয়ে আবেদন করলে তা না মঞ্জুর হওয়ার পর ৭ই এপ্রিল ২০০৮ সালে দিবাগত রাত ১১ টার সময় তার মৃত্যুদন্ড কার্যকরের
তারিখ নির্ধারিত হয় কিন্তু অনিবার্য কারণ বশতঃ মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয় নাই।
পরবর্তীতে
২৫ শে জুন ২০০৮ সালে মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে মৃত্যুদন্ডাদেশ মওকুফ করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন।
২ই
জুলাই ২০২৩ সালে বীরমুক্তিযোদ্ধা রাখাল চন্দ্র সাহা ২৬ বছর কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত শেষে
রেয়াত পেয়ে ৭৭ বছর বয়সে তার ছেলের নিকট কারাগার থেকে হস্তান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


রায়হান রাফী পরিচালিত 'সুড়ঙ্গ' সিনেমায় প্রথমবারের মতো তমা মীর্জা ও আফরান নিশো জুটি বেঁধেছেন। ঈদুল আজহায় মুক্তি পাচ্ছে ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমা।
এতে আইটেম গার্ল হিসেবে নেচেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া। এরইমধ্যে প্রকাশ পেয়েছে গানটি। ফারিয়ার এই গান নিয়ে যেন দুই বাংলায় উত্তেজনা তুঙ্গে।
গানের পাশাপাশি সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া সিনেমাটির টিজার ও ফার্স্টলুক দর্শকদের মাঝে সাড়া ফেলেছে। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে তমা বলেন, 'এর আগে কোনো সিনেমার জন্য এত লম্বা সময় দেইনি। অনেক যত্ন নিয়ে সিনেমাটির শুটিং করেছি। অপেক্ষায় আছি সুড়ঙ্গ মুক্তির। '
গণমাধ্যমে অভিনেত্রী বলেন, 'আমার ভক্ত দর্শকের জন্য সুখবর হচ্ছে, আগস্ট থেকে নতুন সিনেমার কাজ শুরু করছি। তার আগে আমি তুরস্ক যাব। সেখানে ঘুরে বেড়ানো শেষে দেশে ফিরে এসে আমি নতুন সিনেমার জন্য প্রস্তুতি নেব।
মন্তব্য করুন