

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় আসছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পক্ষে শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকা আসছেন তিনি।
এছাড়া পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার, ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং মালদ্বীপের একজন মন্ত্রীও ঢাকায় আসবেন।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ঢাকার একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করে।
সূত্র জানায়, খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ঢাকায় আসবেন। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার আগামীকাল বুধবার খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় পৌঁছাবেন। পাশাপাশি ভুটান ও মালদ্বীপের প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
এভারকেয়ার হাসপাতালে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে মারা যান বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। গত ২৩ নভেম্বর রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল খালেদা জিয়াকে। এরপর থেকে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন।
মন্তব্য করুন


সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে জুলাই গণহত্যার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১২ মে) সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে প্রধান প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামের কাছে এই প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক ও তদন্ত কর্মকর্তাসহ তিনজন। তদন্তে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জুলাই গণহত্যায় নির্দেশনা দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।
এটি জুলাই গণহত্যার ঘটনায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রথম তদন্ত প্রতিবেদন, যেখানে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠে এসেছে। সোমবারই এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং দেবে প্রসিকিউশন পক্ষ।
এর আগে, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি জুলাই গণহত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তদন্ত ২০ এপ্রিলের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
প্রসিকিউশন পক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই আদেশ দিয়েছিলেন। ওই দিন অতিরিক্ত প্রধান প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম আদালতে শুনানিতে অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে ৬০ কোটি টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন আজ বৃহস্পতিবার এক নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানায়।
আক্তার হোসেন বলেন, ২০০০ সাল থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে সজীব ওয়াজেদ ৫৪ কোটি ৩৯ লাখ ২০ হাজার ৯৭৮ টাকার স্থাবর এবং ৬ কোটি ৭৮ লাখ ৮৪ হাজার ৮৯১ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেছেন। তার বৈধ আয়ের পরিমাণ ছিল মাত্র ১ কোটি ৩২ লাখ ৮ হাজার ৫৪২ টাকা। এ হিসেবে তার অবৈধ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৬০ কোটি ১৪ লাখ ৭৩ হাজার ৯৭০ টাকা।
দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সজীব ওয়াজেদ অসৎ উদ্দেশ্যে সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়া হুন্ডি ও অন্যান্য মাধ্যমে ৫৪ কোটি ৪ লাখ ৩২ হাজার ২৫৮ টাকা বিদেশে পাচার করে যুক্তরাষ্ট্রে দুটি বাড়ি ক্রয় বা বিনিয়োগ করেছেন।
তার নামে থাকা দুটি ব্যাংক হিসাবে ৩ কোটি ৪৬ লাখ ২২ হাজার ৫৭ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনসহ মোট ৫৭ কোটি ৫০ লাখ ৫৪ হাজার ৩১৫ টাকার লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
দুদক মহাপরিচালক বলেন, এসব কার্যক্রম দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪; মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাই মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
এছাড়া দুদক শত কোটি টাকার লুটপাটের অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিপণন ও বিক্রয় বিভাগের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে।
দুদকের মহাপরিচালক বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে ৫৪ কোটি টাকার দুটি বাড়ির সন্ধান পেয়েছি। সেগুলো আয়কর নথিতে দেখানো হয়নি এবং বিদেশে পাচার করা হয়েছে।’
এর আগে, সজীব ওয়াজেদের বিরুদ্ধে পূর্বাচলে প্লট জালিয়াতির অভিযোগে মামলার বিচারিক কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়া বিদেশে ৩০০ মিলিয়ন ডলার পাচার, সিআরআই'র নামে অর্থ লুটপাটসহ একাধিক দুর্নীতির তদন্তও চলছে।
মন্তব্য করুন


জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত পালাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।
রবিবার (০৩ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ শুনানির পর অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের একথা জানায়।
তিনি বলেন, ‘স্বৈরাচারদের সমিতি করা হলে, শেখ হাসিনা সভাপতি হতে পারেন। মিথ্যার পিএইচডি করা জন্য হিটলারও হয়তো তার কাছে আসতেন। আমাদের কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ক্ষোভ নেই। আমরা অপরাধের বিরুদ্ধে এসেছি। আমরা ন্যায়বিচার চাই, দেশের মানুষের স্বপ্নের বিচার চাই। আমরা ন্যায়বিচার চাইবো, ন্যায়বিচারের মধ্য দিয়েই আমরা সর্বোচ্চ শাস্তি চাইবো। যুগ সন্ধিক্ষণে ন্যায়বিচারের জন্য দাঁড়িয়েছি। শুধু রাষ্ট্রপক্ষ নয়, সকলে ন্যায়বিচার পাবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের আগামী জন্য এমনভাবে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে; যাতে ভবিষ্যতে এখানে আর খুনের রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত হতে না পারে।’
এ সময় ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, ‘এই বিচার অতীতের হিসাব চুকানোর চেষ্টা নয়, এটি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দৃপ্ত পদক্ষেপ। কেউ যতেই ক্ষমতাধর হোক, সে আইনের ঊর্ধ্বে নয়। আসামির অনুপস্থিতি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় বাধা হবে না। আসামির ইচ্ছাকৃত পলায়ন এবং বিদেশি রাষ্ট্রের নিলির্প্ততা ন্যায়বিচার নিশ্চিতে বাধা হবে না। এই বিচারের প্রতিটি ধাপ জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে, এই বিচার হবে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্পৃহার অঙ্গীকার।’
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হলে দেশের অর্থনীতি কতটা চাঙ্গা হবে এবং স্থানীয়রা কতটা উপকৃত হবে তা বিবেচনায় নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি বলেন, আমাদের প্রথমে ভাবতে হবে ফলাফল কি হবে এবং বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করে একটি প্রকল্প নেওয়ার পরে জনগণ কতটা উপকৃত হবে। আমাদের দেশের উন্নয়ন এমনভাবে করতে হবে যাতে আমাদের সক্ষমতা বাড়বে এবং অন্যের উপর নির্ভরশীলতা কমবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে স্মার্ট বাংলাদেশ-২০৪১ বিনির্মাণে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের কার্যক্রমের রূপরেখা সংক্রান্ত উপস্থাপনা অবলোকনকালে এ কথা বলেন।
রূপরেখা প্রত্যক্ষ করার পর, প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন এবং অপ্রয়োজনীয় ব্যয় এড়াতে এবং প্রকল্পগুলো দ্রুত শেষ করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে অগ্রাধিকার দিতে বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব কে এম সাখাওয়াত মুন এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে দেশের কতটা উন্নয়ন হবে এবং মানুষ কতটা উপকৃত হবে তা আপনাদের বিবেচনা করতে হবে। দ্রুত কিছু অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে বলে দেশবাসী এর সুফল পাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা একটি লক্ষ্য নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করছেন। তিনি আরো বলেন, ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর তার সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার ছিল জনগণের জন্য খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
তিনি বলেন, গবেষণার মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির করে আমরা সফলভাবে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছি। তার সরকার রূপকল্প ২০২১ ঘোষণা করেছিল এবং উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি লাভের মধ্যদিয়ে সফলভাবে তা বাস্তবায়ন করেছে। এখন আমাদের লক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট দেশে রূপান্তর করা। আমরা সেই রূপকল্প বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি।
এসময় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, সঞ্চয়পত্রের মুনাফা হার বাড়িয়ে দিলে সবাই সঞ্চয়পত্র কিনবে, ব্যাংকে টাকা রাখবে না। ব্যাংকেও তো তারল্যের ব্যাপার আছে। ব্যালেন্স করে দেখতে হবে। সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে দিলে ব্যাংক কোত্থেকে টাকা পাবে?
আজ শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যাংক পুনর্বাসনের বিষয়ে অর্থ উপদেষ্টা জানান, খারাপ ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংক পুনর্বাসনের চেষ্টা করছে। ইসলামী ব্যাংক এর একটি উদাহরণ। এ ব্যাংকে আস্থা ফিরে আসছে। অন্য ব্যাংকগুলোর জন্য ব্যাংক রেজুলেশন অ্যাক্ট করা হয়েছে। এটার প্রথম শর্ত হলো যারা ব্যাংকে টাকা জমা দিয়েছে, তাদের টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। কারও টাকা মার যাবে না। একটু সময় লাগতে পারে। কারণ টাকা নিয়ে চলে গেছে অনেকে। পৃথিবীর কোনো দেশে এরকম ঘটনা ঘটেনি।
এনবিআরে চলমান অস্থিরতা প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সমস্যা সমাধানে তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা হচ্ছে। আলোচনার মাধ্যমে যা যা করা লাগবে আমরা করব। পাঁচ সদস্যের একটি শক্তিশালী কমিটিও করে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারী আনতে আমরা নিশ্চিত করছি ব্যবসার জন্য ১০-১২ জায়গায় যেতে না হয়। যত ধরনের ছাড়পত্র আছে, সেগুলো আমরা কেন্দ্রীয়করণের চেষ্টা করছি।
এ সময় উপদেষ্টার সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলম, নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব চৌধুরী, নবীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠক শেষ হয়েছে। বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (১৩ জুন) বেলা পৌনে ৪টার দিকে বৈঠক শেষে পার্ক লেনের হোটেল থেকে তারেক রহমানকে হাসিমুখে বের হতে দেখা গেছে। দুপুর ২ টার দিকে এই বৈঠক শুরু হয়েছিল।
জানা গেছে, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক প্রসঙ্গে কিছুক্ষণের মধ্যেই সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
এর আগে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম লন্ডনে স্থানীয় সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকের কোনো ফরমেট নেই। তারেক রহমান যেহেতু বাংলাদেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির নেতা সেজন্য প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে মিটিংটি হবে।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তারেক রহমানের মধ্যকার বৈঠকে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নির্বাচনের দিনক্ষণ, সংস্কার এবং জুলাই চার্টারসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এর আগে লন্ডনে বৈঠকের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনের ওপর দেশের গণতন্ত্রের গতিপথ নির্ভর করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্র কোন পথে হাঁটবে, সেটি নির্ভর করছে আগামীর নির্বাচনের ওপর। এই নির্বাচনকে আমি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি। গতানুগতিকভাবে এই নির্বাচন করলে হবে না।
সোমবার দুপুরে রাজধানীতে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সহায়তা ছাড়া সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন সম্ভব নয়। যতই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিয়োগ করি না কেন।
সিইসি বলেন, রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা ছাড়া কখনো একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব নয়। ১০ লাখ লোক নির্বাচনী কার্যক্রমে যুক্ত থাকবেন। যারা জেলে আছেন এবং প্রবাসীদের জন্যও এবার অ্যাপে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ১৬ নভেম্বর আমরা পোস্টাল ব্যালটের অ্যাপ লঞ্চ করব। পোস্টাল ব্যালটে নির্বাচনি দায়িত্বে যারা থাকবেন তারা ভোট দেবেন। আপনাদের বাড়ির ঠিকানায় পোস্টাল ব্যালট পৌঁছে যাবে।
এআই ব্যবহার নিয়ে তিনি বলেন, এআই অপব্যবহার রোধে আমরা একটা সেল খুলেছি। সেখানে যোগাযোগ করে আপনারা যেকোনো ঘটনার সত্য-মিথ্যা যাচাই করতে পারবেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেশে ব্যাপক লুটপাট হয়েছে। তিনি দাবি করেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে "চোরতন্ত্র" প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তিনি বলেন, অর্থের বিনিময়ে বড় বড় প্রকল্পের কাজ দেওয়া এবং দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ পাচার করা সেই সময়ের নিয়মিত ঘটনা ছিল। সে সময় পাচার করা অর্থ দিয়েই এখন প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে পাচারকারীরা।
শনিবার (১১ জানুয়ারি) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘জুলাই বিপ্লবে গণমাধ্যমের ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
জুলাই বিপ্লবের প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, “যারা এই বিপ্লবে অংশ নিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা চালানো হচ্ছে। বলা হচ্ছে, এখানে কোনো গণঅভ্যুত্থান হয়নি বরং মৌলবাদী শক্তির উত্থান ঘটেছে। এ ধরনের অপপ্রচার করে পরাজিত শক্তি আপনাদের জঙ্গি হিসেবে উপস্থাপন করতে চায়।”
তিনি আরও বলেন, "জুলাই বিপ্লবের সময় অনেক গণমাধ্যম আন্দোলনকারীদের 'জাতির শত্রু' হিসেবে চিত্রিত করেছিল। গণমাধ্যমের মাধ্যমে এমন ভাষা ব্যবহার করা হয়েছিল যা শাসকদের কাছে আন্দোলনকারীদের দমন করার বার্তা পৌঁছে দিয়েছিল। যদি ফ্যাসিস্ট শক্তি জয়ী হতো, তবে হাজার হাজার মানুষকে কারাগারে পাঠানো হতো এবং আন্দোলনকে 'অরাজকতা সৃষ্টিকারী' হিসেবে দেখানো হতো।"
সাংবাদিকতা কেবল পেশা নয়, এটি একটি দায়িত্ব উল্লেখ করে শফিকুল আলম বলেন, "জুলাই বিপ্লবে কার কী ভূমিকা ছিল তা আরও গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। সবাইকে তাদের অভিজ্ঞতা এবং পর্যবেক্ষণ লিখে রাখার আহ্বান জানাই।"
অনুষ্ঠানে উপস্থিত পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ বলেন, “যদি ফ্যাসিস্ট সরকার আরও এক মাস সময় পেত, তাহলে ২৫ মার্চের মতো আরও একটি কালরাত দেখা যেত। সেই রাতে শিক্ষক, সাংবাদিক এবং তরুণদের টার্গেট করে হত্যা করা হতো। ফ্যাসিস্ট সরকার টিকে গেলে যুবসমাজের চাকরির অধিকারও হরণ করা হতো।”
মন্তব্য করুন


বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর ২ হাজার ২৭৬ জন নেতাকর্মীকে গুম ও খুনের অভিযোগ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিএনপির পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে এ অভিযোগ দাখিল করা হয়।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং গুম, খুন, মামলাবিষয়ক সমন্বয়ক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এ অভিযোগ দাখিল করেছেন।
এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ২০০৮ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত ইলিয়াস আলীসহ বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর ২ হাজার ২৭৬ জন নেতাকর্মীকে গুম ও খুন করা হয়েছে। আজ এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করা হলো বিএনপির পক্ষ থেকে।
২০০৮ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সারা দেশের জেলা-উপজেলা, মহানগর ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ক্রসফায়ার ও হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া ১৫৩ জনকে গুম করা হয়েছে, যাদের মধ্যে অনেকে এখনো নিখোঁজ বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এর আগে বেলা ১১টার দিকে দলটির মামলা ও তথ্যবিষয়ক প্রতিনিধি দলের তিন সদস্য বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত চিঠি নিয়ে ট্রাইব্যুনালে আসেন।
মন্তব্য করুন


সদ্যঃ প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা-দাফন সব পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে খালেদা জিয়ার জানাজা, দাফনসহ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এই তথ্য জানান তিনি।
প্রেসসচিব বলেন, ‘খালেদা জিয়ার জানাজা, দাফন ও নিরাপত্তার প্রস্তুতি কিভাবে হবে, সেটি নিয়ে সভা হয়েছে। বিএনপির সঙ্গে আলোচনা করে সব কাজ সম্পন্ন করা হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে খালেদা জিয়ার মরদেহ সংসদ ভবনে আনা হবে। আনার সময় পুরো রাস্তার দুই পাশে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আনা হবে মরদেহ। জানাজা, দাফন সব পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় হবে।’
শফিকুল আলম বলেন, ‘খালেদা জিয়ার জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা, অন্যান্য উপদেষ্টা, বিএনপি নেতাসহ কূটনীতিকরা থাকবেন। সংসদ, বাংলাদেশের দূতাবাস, বিএনপির পার্টি অফিসে শোক বই খোলা হবে। জানাজা, দাফন ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। ১০ হাজারের বেশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্য থাকবেন। কিছু জায়গায় সেনাবাহিনী থাকবে।’
মন্তব্য করুন