

সাইদ জুবায়ের রাসেল, দাউদকান্দি, কুমিল্লা:
সেন্টার ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট (সিসিডিএ) এর সাসটেইনেবল এন্টারপ্রাইজ প্রজেক্ট (এসইপি) এর আওতায় ‘কুমিল্লা জেলার প্লাবনভূমি অঞ্চলে মৎস্য চাষ কেন্দ্রিক উদ্যোক্তা উন্নয়ন শীর্ষক উপ প্রকল্পের সমাপনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত কর্মশালায় সিসিডিএ’র সহকারী পরিচালক জনাব মোঃ আমির হোসেন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা কুমিল্লা জনাব মোঃ বেলাল হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের সহ:পরিচালক মোঃ ওমর ফারুক, সহকারি পরিচালক অশোক কুমার দাস, জাতীয় পদক প্রাপ্ত পরিবেশ সমাজ ও কৃষি উন্নয়ন সংগঠক অধ্যাপক মতিন সৈকত, সিসিডিএ’র এলাকা কর্মকর্তা লোকমান হোসেন প্রমুখ।
ডকুমেন্টেশন
কর্মকর্তা মোঃ নূরুন্নবী রাসেলের সঞ্চালনায় উক্ত কর্মশালায় প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম
সম্পর্কে প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে উপস্থিত সবাইকে অবগত করেন এসইপি প্রকল্প ব্যবস্থাপক
মাসুদ আলম।
সমাপণী কর্মশালায়
৮ জন মৎস্যচাষীদের মাছচাষে পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন টেকসই উত্তম চর্চা অনুশীলন করায় বিশেষ
সম্মাননা প্রদান করা হয়।
কর্মশালায় আরো
উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলার সকল উপজেলার সিনিয়র ও মৎস্য কর্মকর্তা, খামার ব্যবস্থাপক,
এসইপি ও সিসিডিএ’র কর্মকর্তা, কর্মএলাকার মৎস্য ও এই খাতের উদ্যোক্তাসহ স্থানীয় বিভিন্ন
গণমাধ্যমের সাংবাদিকবৃন্দ।
উল্লেখ্য থাকে
যে, ২০২০ সালের অক্টোবর মাস থেকে ৩ বছর মেয়াদি এসইপি প্রকল্পের আওতায় ‘কুমিল্লা জেলার
প্লাবনভূমি অঞ্চলে টেকসই মৎস্যচাষ কেন্দ্রিক উদ্যোক্তা উন্নয়ন’ শীর্ষক উপ-প্রকল্পটি
কুমিল্লা জেলার ৪টি উপজেলায় (দাউদকান্দি, মুরাদনগর, চান্দিনা ও তিতাস) বাস্তবায়ন করেছে
সেন্টার ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট এসিসটেন্স (সিসিডিএ)। এতে পরিবেশ সম্মত মৎস্যচাষে
বিভিন্ন
প্রশিক্ষণ,
আধুনিক প্রযুক্তির প্রসারে প্রদর্শণী প্রদান, ও আর্থিক সহযোগীতামূলক নানা কার্যক্রম
বাস্তবায়ন করেছে সাসটেইনেবল এন্টারপ্রাইজ প্রকল্প। এতে আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতা দিচ্ছে
পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও দাতা সংস্থা বিশ্ব ব্যাংক।
মন্তব্য করুন


ছোট পর্দার এই সময়ের অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি । ইতোমধ্যে শোবিজে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন এ অভিনেত্রী। বিভিন্ন সময় ব্যক্তিজীবন ও কাজ নিয়ে আলোচোনায় এসেছেন তিনি। নতুন বছরে আবারও আলোচনায় উঠে এসেছেন মাহি।
তবে এবার আলোচনা কাজ দিয়ে নয়, মেকাপ ছাড়া তার একটি ভিডিও সোশ্যাল মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। আর এ নিয়েই চলছে বিভিন্ন প্রকার মন্তব্য।
ফেসবুকে মাহির নো-মেকআপ লুক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে । তারপর থেকে তার গায়ের রং নিয়ে ট্রল করছেন নেটজনতা। চলছে বর্ণবৈষম্য। ভিডিওটি দেখে বোঝা যাচ্ছে কোন একটি নাটকের শুটিংয়ের ফাঁকে মেকাপ ছাড়াই ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন এই অভিনেত্রী। আর সে সময় তার এক সহকর্মী মজার ছলেই ভিডিও করে। পরে যা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। যেখানে অনেকেই মাহির গায়ের রঙ নিয়ে বিভিন্ন প্রকার কটূক্তি করছেন।
সোশ্যাল সাইটে নাতিদীর্ঘ এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে সেই অনুভূতির কথা জানিয়েছেন মাহি।গায়ের রঙ নিয়ে ট্রল করায় কষ্ট পেয়েছেন তিনি। মাহি লিখেছেন, প্রায়ই অভিনেত্রীদের স্কিন কালার নিয়ে নানা ধরনের নেতিবাচক মন্তব্য শোনা যায়। নিজের বাইরেও অনেকের পোস্টেই এসব মন্তব্য চোখে পড়ে। কিন্তু একজন অভিনেতার ক্ষেত্রে তেমনটা ঘটে না। এর কারণ আসলেই অজানা। হয়ত আমরা অনেকেই মধ্যযুগীয় চিন্তা-চিতনা নিয়েই চলছি।
ক্যারিয়ারের শুরু থেকে কাজকে গুরুত্ব দিয়েছেন জানিয়ে অভিনেত্রী লিখেছেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে বরাবরই কাজকে গুরুত্ব দিয়ে এসেছি। বর্তমান যে জায়গায় দাঁড়িয়ে সেখানেও অনেক চেষ্টা, কষ্ট, পরিশ্রম আছে। মানুষের ভালোবাসা রয়েছে। কিন্তু তারপরও মাঝে মধ্যে রঙ নিয়ে মানুষের এমন ট্রল করা আমাকে ভীষণ ভাবায়। যদিও কিছু মানুষই কেবল এমনটা করে থাকে। অথচ একজন মানুষকে, একজন অভিনেত্রীকে তার কাজের মাধ্যমে বিচার করা উচিত। অন্য কোনো কিছু দিয়ে বিচার করা নয়।আমার কাজের সমালোচনা করুন, আমি মাথা পেতে নেব। নিজেকে আরও শুধরানোর জন্য চেষ্টা করব। কিন্তু এভাবে গায়ের রঙ নিয়ে মন্তব্য করে নিজের পরিচয় দেবেন না। আমি আপনাদের জন্যই কাজ করছি, আর করে যাব। আপনাদের সবার ভালোবাসায় থাকতে চাই এবং বাঁচতে চাই।
এর আগে গত বছর মাহি তার সোশ্যাল মাধ্যমে এক যুবকের সাথে ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেন। প্রেমিক হিসেবে ঘোষণা না দিলেও তাদের অন্তরঙ্গতা প্রেমের আভাসই দিচ্ছিল যেন। মাহি অবশেষে প্রেমের কথাও স্বীকার করেন।
প্রেমের বিষয়টি স্বীকার করে মাহি জানান ,কোভিডের আগে, ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে আমাদের পরিচয় হয়। কোভিডের সময় যোগাযোগ বাড়ে, সেখানে থেকেই আমাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। ওর নাম সাদাত শাফি নাবিল। আর পারিবারিকভাবেই ওদের গাড়ির ব্যবসা আছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন চাঁন্দপুর সাকিনস্থ চাঁন্দপুর ব্রীজ সংলগ্ন মা ভ্যারাইটিজ স্টোরের সামনে পাকা রাস্তার উপর হতে ৩২ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গতকাল (২৩ ডিসেম্বর) রাতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন চাঁন্দপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৩২ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয় হলোঃ রংপুর জেলার গঙ্গাচর থানার তালুকভুবন গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদ এর ছেলে মোঃ আব্দুল কাফী (৩৫), কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার আমরাতলী গ্রামের মৃত জুলফু মিয়া এর ছেলে মোঃ সাইফুল ইসলাম (৩২)। এসময় মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ জব্দকৃত মোটরসাইকেল ব্যবহার করে রংপুর, কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ
উপজেলার রুপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের একটি বাড়িতে শুক্রবার দুপুরে বিয়ের অনুষ্ঠানের
অতিথি হিসেবে খাবার খেয়ে ২৮ জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩ জন
চাঁদপুর সদর হাসপাতালে এবং ২৫ জন লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শুক্রবার (১৯ জানুয়ারী
তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়) রাত ৯টার পর।
এদের
মধ্যে ৩ জনের বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ এলাকায় এবং ২৫ জনে বাড়ি রায়পুর উপজেলার
কেরোয়া ইউনিয়নে।
তাদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ,
১৩ জন নারী ও ৯ জন শিশু রয়েছে।
তারা চাঁদপুরের
ফরিদগঞ্জ উপজেলার রুপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের একটি বাড়িতে শুক্রবার দুপুরে বিয়ের
অনুষ্ঠানের অতিথি হিসেবে খাবার গ্রহণ করেন। তারা সন্ধ্যার পর থেকে অসুস্থ হতে শুরু
করেন। বমি এবং পাতলা পায়খানা করেন অনেকেই।
রায়পুর উপজেলা
স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বাহারুল আলম জানান, তারা অসুস্থ
হয়েছেন ফুড পয়জনিং বা খাদ্য বিষক্রিয়ায়। তবে কোন ধরনের খাদ্যে বিষক্রিয়া ছিল, এ
চিকিৎসক সেটা নিশ্চিত করে জানাতে পারেনি।
রায়পুর উপজেলা
স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বাহারুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের
হাসপাতালে ২৫ জন ভর্তি হয়েছে। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর,
তবে অনেকের অবস্থা ভালোর দিকে। ঠিক কোন খাবারের বিষক্রিয়া হয়েছে, সেটা আমরা
নিশ্চিত নই। নমুনা ল্যাবেটরিতে পাঠালে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা
গেছে, একই খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে আরও ৩ জন ভর্তি রয়েছেন।
অসুস্থরা ধারণা করছেন, তারা
অসুস্থ হয়েছেন বিয়ে বাড়ির দধি খেয়েই।
জানা যায়, লক্ষ্মীপুরের
রায়পুর উপজেলার কেরোয়া ইউনিয়নের পাটওয়ারী বাড়ির তছলিম পাটওয়ারীর ছেলে মো. মানিকের
সঙ্গে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার রুপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের চর মান্দারী গ্রামের
তফাদার বাড়ির তোফায়েল আহমেদের মেয়ের বিয়ে হয়। শুক্রবার বউ ভাতের অনুষ্ঠানে অংশ নেয়
রব পক্ষের লোকজন।
বর মানিকের ভাই মো.
মাসুম জানান, আমরা বর পক্ষের প্রায় ২০০ অতিথি নিয়ে কনে বাড়িতে গিয়ে বিয়ের
অনুষ্ঠানের দুপুরের খাবার খাই। বিকেলে চলে আসি। এরপর আমাদের পক্ষের অন্তত ৫০ জন
অতিথির বুমি এবং পাতলা পায়খানা শুরু হয়। তাদের মধ্যে ২৫ জনকে রায়পুর উপজেলার
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। আবার অনেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বিভিন্নভাবে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে দুটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়েছে।
শনিবার মধ্যরাতে উপজেলার নাংলা গ্রামে প্রানেশ্বর সরকারের বসতঘরে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার।
ক্ষতিগ্রস্থ প্রানেশ্বর ও পুত্রবধু ইতি রানী সরকার জানান, শনিবার রাতে ঘুমিয়ে পড়লে গবাদি পশুর ডাক চিৎকারে তাদের ঘুম ভাঙে। পরে আগুনের লেলিহান চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। তাদের ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হলেও ততক্ষনে গৃহের আসবাবপত্র ও অন্যান্য মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
এতে প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে। তবে ঘটনার দিন গৃহে বিদ্যুৎ না থাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা হতে পারে বলেও জানান ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার।
মন্তব্য করুন


বরগুনার সদর উপজেলায় জাল টাকাসহ ইমরান (২৫) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। (৬ ফেব্রুয়ারি)মঙ্গলবার দুপুরে বরগুনা সদর উপজেলা চত্বর থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক জেলা সদর উপজেলার ৬ নম্বর বুড়িরচর ইউনিয়নের বুড়িরচর গ্রামের খলিল খাঁর ছেলে ইমরান।
বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে প্রতারক চক্রের এক সদস্যের কাছে টাকা পাঠাতে যান ইমরান। কুরিয়ার সার্ভিসের সদস্যরা সন্দেহজনকভাবে তার হাতে থাকা পার্সেল খুলে জাল টাকা দেখতে পান। টাকার সম্পর্কে জানতে চাইলে যুবক দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় উপজেলা পরিষদ চত্বরে গ্রাম পুলিশের সহযোগিতায় তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। ইমরানের কাছ থেকে সাড়ে ৮ হাজার টাকার জাল নোট জব্দ করা হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি জাল টাকা প্রতারক চক্রের একজন সদস্য। তার বিরুদ্ধে জাল মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হবে।
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বিতারা ফাজিল মাদ্রাসার ২০২৪ সালের দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার সকালে মাদ্রাসা মিলনায়তনে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
মাদ্রাসার গর্ভনিংবডির সভাপতি আলহাজ্ব মো. মোসলেম মোল্লার সভাপতিত্বে ও আরবী প্রভাষক মোজাম্মেল হকের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা যুবলীগের সদস্য শাহআলম প্রধান,উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন সরকার,মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ হযরত মাওলানা রেদওয়ানুল হক,শিক্ষক কাজী দেলোয়ার হোসেন,মুক্তিযোদ্ধা অলি উল্যাহ সরকার ও অভিভাবক মোতালেব হোসেন সহ আরো অনেকে।
এসময় মাদ্রাসার শিক্ষক,শিক্ষার্থী,অভিভাবক ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। পরে দাখিল পরীক্ষার্থীদের সফলতা কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
মন্তব্য করুন


১ আগস্ট আজ থেকে বাজারে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি বন্ধ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
সরকারের এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মাঠে থাকবে ।
গত ২৬ জুলাই ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন,২০০৯ ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি বিষয়ক অবহিতকরণ কর্মশালায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) এএইচএম সফিকুজ্জামান বলেন, আইন অনুসারে ১ আগস্ট থেকে প্যাকেটজাত সয়াবিন তেল বিক্রি করতে হবে, খোলা তেল বিক্রি করা যাবে না। আমরা খোলা তেল বিক্রি বন্ধে মাঠে নামব। গত জানুয়ারি থেকে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিতিশীলতার কারণে তা পিছিয়ে যায়।
সম্প্রতি শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আগস্টের শুরু থেকে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে সম্মত হয়।
মন্তব্য করুন


এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৩ এর ফলাফল আগামী ২৬-২৮ নভেম্বরের মধ্যে প্রকাশিত হতে পারে। এ সময়ের মধ্যে ফলাফল প্রকাশের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে।
১৮ নভেম্বর শনিবার এ তথ্য জানান আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর তপন কুমার সরকার।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর তপন কুমার সরকার বলেন, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৩ এর ফলাফল প্রকাশের জন্য আগামী ২৬-২৮ নভেম্বরের মধ্যে সময় চেয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছি। তবে আমরা তারিখ পাইনি এখনও।
আগামী ২৬ নভেম্বর ফল প্রকাশ করা হতে পারে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে।
মন্তব্য করুন


দিনাজপুরের বিরামপুর রেলওয়ে স্টেশনে চলন্ত ট্রেন থেকে লাফিয়ে নামার সময় রব্বানি হোসেন(২১) নামে এক কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পঞ্চগড়গামী পঞ্চগড় এক্সপ্রেস চলন্ত ট্রেন থেকে বিরামপুর রেলওয়ে স্টেশনে লাফিয়ে নামতে গিয়ে গোলাম রব্বানী নামের ওই যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে বলে জানিয়েছেন ভারপাপ্ত স্টেশন মাস্টার আব্দুল আজিজ। মৃত: রব্বানি হোসেন দিনাজপুর জেলার নবাব গঞ্জ উপজেলার কুতুব গ্রামের মনোয়ার হোসেনের ছেলে।
রব্বানি হোসেনের ফুপাত ভাই রাকিবুল ইসলাম রনি বলেন, রব্বানি হোসেন জয়পুরহাটে ইন্টার মিডিয়েটের শিক্ষার্থী ছিলেন। পরীক্ষা শেষ হওয়ায় আজ সকালে বাড়ি ফেরার পথে ভুলকরে পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেনে উঠে।ট্রেনটি বিরামপুর স্টেশনে না থামলে সে চলন্ত ট্রেন থেকে লাফিয়ে নামতে গিয়ে স্টেশনের প্লাটফর্মে পড়ে প্রথমে বাড়ি খেয়ে ট্রেনের সাথে ধাক্কা লেগে নিচে পড়ে যায়। এ সময় মাথায় ও বুকে আঁঘাত পেয়ে আহত হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। স্টেশন নিরাপত্তায় দায়ীত্বরত জনৈক আনসার সদস্য বলেন, নিহত যুবকটি চলন্ত ট্রেন থেকে লাফিয়ে নামতে গিয়ে এ দূর্ঘটনার শিকার হন।
এ দূর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে বিরামপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত: ঘোষণা করেন।
মন্তব্য করুন


১২ বছর বয়সী নুরে জারিন নুদার। বর্তমান সময়েরর ছেলে-মেয়েদের থেকে একটু আলাদা। যে বয়সে মেয়েরা মুঠোফোন নিয়ে ব্যস্ত। ওই বয়সে ক্ষুদে এ শিক্ষার্থী হাতে কোরআন লিখে পার করছে ব্যস্ত সময়। তার গল্প শুনলে অনেকেরই চোখ কপালে উঠবে। এই মাদরাসা শিক্ষার্থীর কোনো ক্লাসে পড়তে হয়নি প্রাইভেট। মাত্র ১০ মাসে নির্ভুল ভাবে সে পুরো আল-কোরআন হাতে লিখেছেন। তার দৃষ্টিনন্দন হাতের লেখা দেখলে যে কারো চোখ আটকাবে। মনে হবে এটি কম্পিউটারে ছাপা লেখা। চোখ জুড়ানো হাতের লেখায় পবিত্র কোরআন লিখে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে সে।
বর্তমানে নুদার বসুরহাট দারুল ইহসান গার্লস মাদরাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। ২০২২ সালের সেপ্টম্বর মাসের ঘটনা। তখন ১০ বছর বয়সী নুদার বাড়ির পাশের ইকরা আরাবিয়া মাদরাসার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। একদিন হঠাৎ মেয়ের সুন্দর আরবি হাতের লেখা চোখে পড়ে বাবার। এরপর তিনি মেয়েকে উদ্বুদ্ধ করেন পবিত্র কোরআন হাতে লিখতে। যে কথা, সেই কাজ। মেয়েকে প্রথমে এক রিম খোলা সাদা কাগজ এনে দেন তিনি। সেই থেকে শুরু। এরপর আস্তে আস্তে ১০ মাসে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে নুদার কোরআন লিখে শেষ করেন। এরপর তার বাবা হাতে লিখা কোরআন শরীফ নিয়ে নুদারের মাদরাসার আরবী শিক্ষক মুফতি মুহা.আবদুল্লাহ আল নোমান শরনাপন্ন হন। সেই থেকে নুদারের লেখা শেষে তিনি বানান সংশোধন করে পুনঃনিরীক্ষণ করে দিতেন। তার উৎসাহে ও সহযোগিতায় নুদারের লেখা আরও গতি পায়। পরবর্তীতে পান্ডুলিপি থেকে ১০ পারা করে তিন ভাগে পুর্ণাঙ্গ কোরআন বাঁধাই করা হয়। কোরআন লিখতে ব্যবহার করা হয়েছে ৬১১টি এ ফোর সাইজের সাদা কাগজ ও ৫৫টি বলপেন কলম। মেয়ের এমন সাফল্যে উচ্ছ্বসিত মা-বাবা,দাদা-দাদী সহ এলাকাবাসী। মা-বাবার আশা মেয়ে উচ্চ শিক্ষা অর্জন করে দেশবাসীর কল্যাণে দ্বীনি শিক্ষা প্রসারে কাজ করবে। নুরে জারিন নুদার নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার ৯নম্বর ওয়ার্ডের মওদুদ স্কুল এলাকার ছেলামত মঞ্জিলের মো.নুরুল হুদা মামুনের মেয়ে।
নুরে জারিন নুদার বলেন, বাবা-মায়ের উৎসাহে আমি চতুর্থ শ্রেণিতে থাকা অবস্থায় পবিত্র কোরআন মাজিদ লেখা শুরু করি। এরপর পঞ্চম শ্রেণিতে উঠলে আমার লেখা শেষ হয়। আমার এ লেখা দেখে মা-বাবা আমাকে মাদরাসায় পড়া লেখার পাশাপাশি এখন হিফজ বিভাগে ভর্তি করে দেয়। আমি দেশ বাসীর কাছে দোয়া চাই।
নুদারের বাবা মো.নুরুল হুদা, আমি প্রথমে আমার মেয়ের সুন্দর আরবি হাতের লেখা দেখে খুব আনন্দিত হই। আমারও তার শিক্ষকদের উৎসাহে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে সে কোরআন নিজ হাতে লেখা শুরু করে। যখন এক পারা লেখা সম্পন্ন হতো তখন ইকরা আরাবিয়া মাদরাসার শিক্ষক মুফতি মুহা.আবদুল্লাহ আল নোমান আরবি বানান গুলো যাচাই বাচাই করে পুনঃনিরীক্ষণ করে দিতে। এভাবে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে পুরো কোরআন লিখে শেষ হয়। পরে পুনরায় আবার বানান পুনঃনিরীক্ষণ করে ১০ পারা করে তিন ভাগে বাধাই করা হয়। মেয়ের এমন কাজে আমি গর্বিত। এমন কাজে অন্য ছেলে মেয়েরা উদ্ধুদ্ধ হবে বলেও আমি আশা করি।
মা বিবি ফাতেমা বলেন, আমার মেয়ে নিজ হাতে কোরআন লিখেছে, আমরা তাকে উৎসাহ দিয়েছি। লেখার সময় অনেক সময় মনমানসিকতা অন্য রকম হয়ে যেত, তো লিখবো, লিখেনা। আবার মনমানসিকতা ঠিক করে আগ্রহ দিয়ে লিখতে বসত। বিশেষ করে ভালো কাজে শয়তানের প্ররোচনা থাকে। খাতা-কলমে দাগ টানা সহ বিভিন্ন ভাবে তাকে আমি সহযোগিতা করেছি। চার বছর বয়স থেকে সে নিয়মিত নামাজ পড়ে।
ইকরা আরাবিয়া মাদরাসার নাজেমে তালিমাত, মুফতি মুহা.আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, কোরআন লেখার যে প্রাচীন নিয়ম রয়েছে। সে অক্ষরে অত্যন্ত সুনিপুন ভাবে নুদার ১০ মাসের প্রচেষ্ঠায় কোরআন হাতে লিখে সম্পন্ন করেন। ওই সময় আমি তার লেখার তত্বাবধান করি। বোঝার উপায় নেই, এটি হাতে লিখা না, না কম্পিউটারে লিখা। তার লেখা কোরআন পুরোটাই আমি পুনঃনিরীক্ষণ করি।
ইকরা আরাবিয়া মাদরাসা মোহতামিম মাওলানা মোতালেব হোসেন পারভেজ বলেন,নুরানী বোর্ডের সমাপনী পরীক্ষায় নুদার পুরো বাংলাদেশে দশম স্থান অর্জন করে। সে একজন মেধাবী ছাত্রী। তার স্বহস্তে কোরআন লেখার এ কৃতিত্বকে আমরা স্বগত জানাই।
বসুরহাট পৌরসভা ৯নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবিএম ছিদ্দিক বলেন, পবিত্র কোরআন হাতে লেখার উদ্যোগ নিয়ে সম্পন্ন করার কাজটি অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। এতো সুন্দর ভাবে কোরআন লিখলেন সেটি আসলেই অবাক হওয়ার মতো ঘটনা। আমি তার উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করছি।
মন্তব্য করুন