

এক সময় গরুর গাড়ি ছাড়া বিকল্প বাহনের কথা ভাবাই যেত না। কিন্তু কালের বিবর্তনে সেই গরুর গাড়িও নেই। নেই গাড়িয়ালের কণ্ঠে ভাওয়াইয়া গানও। যান্ত্রিকতার কাছে হারিয়ে গেছে পরিবেশবান্ধব এসব গরুর গাড়ি। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে চলছে যানবাহন।
ওকি গাড়িয়াল ভাই, কত রব আমি পন্থের দিকে চাইয়া রে...এসব ভাওয়াইয়া গানের সৃষ্টি হয়েছে গরুর গাড়িকে ঘিরে। গরুর গাড়ি আর গাড়িয়ালকে নিয়ে প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী আব্বাস উদ্দিনের ভাওয়াইয়া দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও স্থান করে নিয়েছিল।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঘিওর এলাকার ৮৭ বছরের এক ব্যক্তি বলেন, আমি এক সময় মানিকগঞ্জে গরুর গাড়ি চালাতাম। খাদ্য গুদামে মাল আনা-নেওয়া করেছি। এক স্থান থেকে অন্য স্থানে মালামাল আনা-নেওয়া করতাম। প্রচুর চাহিদা ছিল গরুর গাড়ির। গরুর গাড়ি করে আমি নতুন বউ আনা-নেওয়া করেছি। গরুর গাড়ির জন্য লোকজন অপেক্ষায় থাকতো।
তিনি আরও বলেন, দিনে দিনে গরুর গাড়ির চাহিদাও কমলো। তার পর অনেকদিন ঘোড়া চালিয়েছি। গোড়ার গাড়ি ছিল আমার। তবে ঘোড়ার পিঠে ধান, কালাই হাট-বাজারে আনা-নেওয়া করতাম। তখন এক শ্রেণি শুধু ঘোড়ায় মালামাল টানতো, আরেক শ্রেণি ঘোড়ার গাড়ি চালাতো। গাড়িতে মানুষ চলাচল করতো।
তিনি দুঃখ করে বলেন, গরুর গাড়ি চালাতাম বলে লোকজন আমাদের ছোট চোখে দেখতো। এখন আমি ছেলে সন্তান নিয়ে সাভার নিজের বাড়িতে থাকি। মাঝে মধ্যে এলাকায় আসি। বর্তমানে জেলার কোথাও গরুর গাড়ি আছে কিনা, আমার জানা নেই। তবে ফসল উঠলে চরে কিছু ঘোড়া দেখা যায়।
মন্তব্য করুন


বগুড়ার বিখ্যাত সরার দই, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া ও আশ্বিনা আম, শেরপুরের তুলসীমালা ধান ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
২৬ জুন শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেড মার্কস অধিদপ্তর
(ডিপিডিটি) এর এক সভায় এ অনুমোদন দেয়। দেশের প্রথম
ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি। এরপর নতুন ৪টি পণ্যসহ
দেশের ১৫টি পণ্য জিআই স্বীকৃতি পেল।
বগুড়া রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির আবেদন পরীক্ষা-নিরীক্ষা
ও যাচাই-বাছাই শেষে বগুড়ার দইসহ ৪ পণ্যকে জিআই পণ্য হিসেবে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে
বলে জানিয়েছেন ডিপিডিটির ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. জিল্লুর রহমান।
বগুড়ার দইয়ের জিআই পণ্যের স্বীকৃতির আবেদনে বলা হয়,
বাংলাদেশের অন্যান্য জেলা কিংবা অঞ্চলে দই উৎপাদিত হলেও কিছু বিশেষত্বের কারণে ‘বগুড়ার
দই’র খ্যাতি দেশজুড়ে। উৎপাদন ব্যবস্থার প্রতিটি পর্যায়ে কারিগরদের (উৎপাদক) বিশেষ
পদ্ধতি অনুসরণের পাশাপাশি মান নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে তারা যত্নবান হওয়ায় বগুড়ার
দই স্বাদে-গুণে তুলনাহীন।
প্রায় ১৫০ বছর আগে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ঘোষ পরিবারের
হাত ধরে বগুড়ার দইয়ের উৎপাদন শুরু হয়। শেরপুরে দই তৈরির প্রবর্তক ঘোষপাড়ার নীলকণ্ঠ
ঘোষ।
এর আগে স্বীকৃতি পেয়েছে ইলিশ, ক্ষীরশাপাতি আম, মসলিন,
বাগদা চিংড়ি, কালিজিরা চাল, বিজয়পুরের সাদা মাটি, রাজশাহীর সিল্ক, রংপুরের শতরঞ্জি,
দিনাজপুরের কাটারিভোগ চাল, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম। নতুন করে এ তালিকায়
যুক্ত হলো বগুড়ার দইসহ ৪ পণ্য। এখন থেকে এ পণ্য বাংলাদেশের নিজস্ব পণ্য হিসেবে
বিশ্বে পরিচিতি পাবে।
মন্তব্য করুন


কোনো প্রাণহানী না হওয়ায় আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে বড় কোনো বিপদ ছাড়াই বিদায় নিয়েছে ঘূর্ণিঝড় মোখা। তবে বাস্তবতা হচ্ছে ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে সেন্ট মার্টিন, টেকনাফ আর শাহ পরীর দ্বীপের মানুষরা। ঝড়ের আঘাতে লন্ডভন্ড হয়েছে সেন্টমার্টিন দ্বীপের ঘরবাড়ি ও গাছপালাসহ বহু স্থাপনা। সেন্টমার্টিনের পূর্ব থেকে পশ্চিম, উত্তর থেকে দক্ষিণ এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে মোখার প্রভাব পড়েনি। সার্বিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এক হাজার ৩০০-এর বেশি পরিবার।
মোখার আঘাত পুরোটাই নিজের চোখে দেখেছেন বাংলাদেশের একমাত্র এই ব-দ্বীপের ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান। ঘূর্ণিঝড়ের আগের প্রস্তুতি, আঘাত হানার সময়কার বিপদ আর তারপর ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডব নিয়ে তিনি কথা বলেছেন ঢাকা পোস্টের সঙ্গে।
ঢাকা পোস্ট : ঘূর্ণিঝড় মোখা শুরুর আগে দ্বীপবাসীর জন্য কী কী ব্যবস্থা নিয়েছিলেন?
মুজিবুর রহমান : ঘূর্ণিঝড় যখন সৃষ্টি হয়েছে তখন জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসন থেকে বলা হয়েছে আমাদের দিকে ঘূর্ণিঝড় আসছে। আপনারা সবাই প্রস্তুতি নেন। ওই ঘোষণার পর আমাদের যে দুর্যোগ কমিটি আছে, তাদের সঙ্গে বসেছি। আমাদের সকল মেম্বার সেখানে ছিলেন। যেহেতু শোনা যাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অনেক বড় আকারে আসবে, সেন্টমার্টিনকে লন্ডভন্ড করতে পারে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সবাইকে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে হবে। আশ্রয় কেন্দ্রে না গেলে আমাদের মৃত্যু অবধারিত, না গেলে আমরা বাঁচতে পারব না। দ্বীপ তলিয়ে গেলে আমাদের মৃত্যু অবধারিত। তারপর আমরা প্রত্যেকটা ওয়ার্ড মেম্বারদের দিয়ে মিটিং করিয়েছি। যখন ঘূর্ণিঝড় আরও এগিয়ে এসেছে, তখন আমরা মেম্বারদের দিয়ে প্রতিটি ঘরে গিয়ে বলে এসেছি আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে। আমরা মোটরসাইকেল নিয়ে গিয়েছি দ্বীপের প্রতিটি জায়গায়। যখন ঘূর্ণিঝড় শুরু হয়ে গেল তখন আমরা এলাকাবাসীকে ফোর্স করে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে এসেছি।
অতীতের যে রেকর্ড, সেন্টমার্টিনের মানুষ কখনও আশ্রয় কেন্দ্রে যেত না। কিন্তু এবার সব মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে গেছে। আমরা শতভাগ মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসতে পেরেছি।
ঢাকা পোস্ট : ঘূর্ণিঝড়ের পর আপনার দ্বীপে কেমন ক্ষতি হয়েছে?
মুজিবুর রহমান : মিনিমাম ৭০০ দরিদ্র পরিবারের ঘর ছিন্ন ভিন্ন হয়ে গেছে। আর ৩০০ পরিবারের যে সেমি পাকা ঘর ছিল, সেগুলোর টিনের চাল উড়ে গেছে। এর বাইরে গাছ পড়ে কিছু মানুষের ঘর ভেঙে গেছে, কারও পুরোটা ভেঙেছে, কারও অর্ধেক ভেঙেছে, একপাশে ভেঙেছে এমন হয়েছে। সব মিলিয়ে মিনিমাম ১৩ থেকে ১৪০০ পরিবার কোনো না কোনোভাবে ক্ষতির শিকার হয়েছে। আমি আমাদের প্রশাসনকে জানিয়েছি, সেন্টমার্টিনের এবারের ক্ষতি অপূরণীয়। এই ক্ষতি পূরণ করতে হলে সরকারকে ভালো একটা উদ্যোগ নিতে হবে।
ঘূর্ণিঝড় শেষে আমরা যেটা দেখলাম, পুরো দ্বীপে ৫ থেকে সাড়ে ৫ হাজার গাছ মাটিতে পড়ে গেছে। কমপক্ষে ১০০ দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৪০-৫০টি দোকান একেবারেই ভেঙে গেছে। অনেক টিউবওয়েল নষ্ট হয়ে গেছে। ৮টির মতো ফিশিং ট্রলার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৮-৯টি কালভার্ট নষ্ট হয়েছে। এগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্কার না করলে আমাদের চলাচলে খুব অসুবিধা হবে।ঢাকা পোস্ট : দ্বীপের কোন শ্রেণির মানুষ বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে?
মুজিবুর রহমান : যাদের অর্থ-সম্পদ আছে তারা বিল্ডিং করেছেন, সেমি পাকা ঘর করেছেন। এদের শুধুমাত্র টিনগুলোর ক্ষতি হয়েছে। যারা গরিব মানুষ, ঘর বাঁধতে পারেনি, শুধুমাত্র বাঁশ, পাতা এবং পলিথিন দিয়ে ঘর তৈরি করেছিল, তাদের ঘরগুলো একেবারে ভেঙে গেছে।
ঢাকা পোস্ট : দ্বীপে তো উত্তর-দক্ষিণ, পূর্ব-পশ্চিম অংশ আছে। কোন অংশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে?
মুজিবুর রহমান : সেন্টমার্টিন দ্বীপে কোনো এরিয়া নেই যেখানে ক্ষতি হয়নি, যেখানে যাবেন সেখানেই ক্ষতিগ্রস্ত।
ঢাকা পোস্ট : বিদ্যুৎ ব্যবস্থার কী অবস্থা?
মুজিবুর রহমান : ঘূর্ণিঝড়ে গাছ পড়ে বিদ্যুৎ লাইনের অনেক কিছু ভেঙে গেছে। এগুলো ঠিকঠাক করতে অনেকটা সময় লাগতে পারে। আমরা তারপরও বলেছি, যত দ্রুত সম্ভব এটি ঠিক করতে।
ঢাকা পোস্ট : দ্বীপের কোনো বাঁধ আছে কিনা বা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে কিনা?
মুজিবুর রহমান : আমাদের সেন্টমার্টিনে কোনো বাঁধ নেই। দ্বীপ রক্ষার স্বার্থে কোনো বেড়িবাঁধ সরকার যদি নাও করতে চায় তবে দ্বীপের চারদিকে ওয়াকিং রোড করা যেতে পারে। সেটি দিলে আমাদের দ্বীপ রক্ষা পাবে।
ঢাকা পোস্ট : দ্বীপবাসীর ত্রাণ সহায়তা কী দিতে পারলেন?
মুজিবুর রহমান : গতকাল আমাদের জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের অনেকে এখানে এসেছিলেন। আমাদের জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কোস্টগার্ড এরিয়া কমান্ডার এসেছিলেন। জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে কোস্টগার্ড গতকাল এখানে অনেক ত্রাণ নিয়ে এসেছিল, সেগুলো বিতরণ করা হয়েছে। আর আজ বাংলাদেশ নৌবাহিনী এখানে ৫০০ পরিবারকে ত্রাণ দিয়েছে। বিজিবিও ত্রাণ দিয়েছে ৩০০ পরিবারকে।
ঢাকা পোস্ট: মোখার এই ক্ষতি কাটিয়ে দ্বীপের প্রাণ ফিরতে কতদিন সময় লাগবে?
মুজিবুর রহমান : আমাদের এলাকাটা ছোট এবং এটি পর্যটন এরিয়া। সরকার যদি মনে করে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের কর্মসংস্থান করবে এবং দ্রুতই দ্বীপের প্রাণ ফিরবে তবে সেটি ২/৩ মাসের মধ্যেই সম্ভব। এটা সরকারের স্বদিচ্ছা হলেই সম্ভব।
ঢাকা পোস্ট : ঢাকা পোস্টকে সময় দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।
মুজিবুর রহমান : ঢাকা পোস্টকেও ধন্যবাদ ও শুভকামনা থাকলো।
মন্তব্য করুন


এক সময় গরুর গাড়ি ছাড়া বিকল্প বাহনের কথা ভাবাই যেত না। কিন্তু কালের বিবর্তনে সেই গরুর গাড়িও নেই। নেই গাড়িয়ালের কণ্ঠে ভাওয়াইয়া গানও। যান্ত্রিকতার কাছে হারিয়ে গেছে পরিবেশবান্ধব এসব গরুর গাড়ি। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে চলছে যানবাহন।
ওকি গাড়িয়াল ভাই, কত রব আমি পন্থের দিকে চাইয়া রে...এসব ভাওয়াইয়া গানের সৃষ্টি হয়েছে গরুর গাড়িকে ঘিরে। গরুর গাড়ি আর গাড়িয়ালকে নিয়ে প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী আব্বাস উদ্দিনের ভাওয়াইয়া দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও স্থান করে নিয়েছিল।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঘিওর এলাকার ৮৭ বছরের এক ব্যক্তি বলেন, আমি এক সময় মানিকগঞ্জে গরুর গাড়ি চালাতাম। খাদ্য গুদামে মাল আনা-নেওয়া করেছি। এক স্থান থেকে অন্য স্থানে মালামাল আনা-নেওয়া করতাম। প্রচুর চাহিদা ছিল গরুর গাড়ির। গরুর গাড়ি করে আমি নতুন বউ আনা-নেওয়া করেছি। গরুর গাড়ির জন্য লোকজন অপেক্ষায় থাকতো।
তিনি আরও বলেন, দিনে দিনে গরুর গাড়ির চাহিদাও কমলো। তার পর অনেকদিন ঘোড়া চালিয়েছি। গোড়ার গাড়ি ছিল আমার। তবে ঘোড়ার পিঠে ধান, কালাই হাট-বাজারে আনা-নেওয়া করতাম। তখন এক শ্রেণি শুধু ঘোড়ায় মালামাল টানতো, আরেক শ্রেণি ঘোড়ার গাড়ি চালাতো। গাড়িতে মানুষ চলাচল করতো।
তিনি দুঃখ করে বলেন, গরুর গাড়ি চালাতাম বলে লোকজন আমাদের ছোট চোখে দেখতো। এখন আমি ছেলে সন্তান নিয়ে সাভার নিজের বাড়িতে থাকি। মাঝে মধ্যে এলাকায় আসি। বর্তমানে জেলার কোথাও গরুর গাড়ি আছে কিনা, আমার জানা নেই। তবে ফসল উঠলে চরে কিছু ঘোড়া দেখা যায়।
মন্তব্য করুন


প্রেমিকার মন গলাতে হাঁটু গেড়ে প্রেমিকের ২১ ঘণ্টা পার। ঘটনাটি চীনের সিচুয়ান প্রদেশের তাঝৌ এলাকার।
কয়েকদিন আগে প্রেমিকার সঙ্গে ওই ব্যক্তির বিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের পর প্রেমিকার মন গলাতে তার অফিসের সামনে হাঁটু গেড়ে পার করেছেন ২১ ঘণ্টা।
ওই ব্যক্তি তার প্রেমিকার অফিসের সামনে ২৮ মার্চ দুপুর ১টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত টানা হাঁটু গেড়ে বসেছিলেন। তার সঙ্গে ছিল ফুলের একটি তোড়া। এর মধ্যে বৃষ্টি হয়েছে, আবহাওয়াও ছিল ঠান্ডা—এসব কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি ওই ব্যক্তির চেষ্টার কাছে।
হাঁটু গেড়ে বসে থাকায় ওই ব্যক্তির চারপাশে ধীরে ধীরে জমতে থাকে স্থানীয় লোকজন। তারা অনেক চেষ্টা করেও ওই ব্যক্তিকে বুঝিয়ে সেখান থেকে সরাতে পারে নাই। কিন্তু লোকজন জমলেও কোথাও দেখা যায়নি ওই ব্যক্তির প্রেমিকাকে। একপর্যায়ে পুলিশ আসে ওই ব্যক্তিকে বোঝানোর জন্য। কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ‘ঠান্ডা সহ্য করতে না পেরে’ ২৯ মার্চ সকাল ১০টায় ওই ব্যক্তি ঘটনাস্থল ছাড়েন।
সূত্র: এনডিটিভি
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
সেনানিবাসের ৩৩ পদাতিক ডিভিশন বন্যাদুর্গত জেলা ফেনী, নোয়াখালী এবং কুমিল্লার
বুড়িচং ও চৌদ্দগ্রামে পানিতে আটকে থাকা প্রায় সাড়ে ৯ হাজার মানুষকে উদ্ধার করেছে ।
সেই সাথে সাড়ে ৪ হাজার মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দিয়েছে সেনাবাহিনী ।
সেনাবাহিনীর
এই অভিযান এখনো অব্যাহত রয়েছে।
বুধবার
থেকে আজ শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত তিন জেলায় এ উদ্ধার অভিযানের এ তথ্য নিশ্চিত
করে সেনাবাহিনী সূত্র আরো জানিয়েছে, কুমিল্লা সেনানিবাসের ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের
জিওসি ও এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম বন্যাদুর্গত এলাকায়
উপস্থিত থেকে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
সেনাবাহিনী
সূত্র এটাও জানিয়েছে যে, এছাড়া প্রায় ২০ জন রোগিকে হেলিকপ্টারে করে ফেনী থেকে
কুমিল্লা সিএমএইচ হাসপাতালে এনে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। এর মধ্যে একজন প্রসূতিও
রয়েছে। তিনি ছেলে সন্তান জন্ম দিয়েছেন। মা ও ছেলে দুইজনেই সুস্থ্য রয়েছেন বলে
সেনাবাহিনী সূত্র জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো বার্তায় দেশবাসীকে সালাম জানিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আমাদের তরুণ বিপ্লবীরা দেশের মানুষের মনে নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন জাগিয়ে দিয়েছে তা পূরণে আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। শহীদদের আত্মত্যাগে উদ্বুদ্ধ হয়ে এক নতুন যুগের সূচনা করতে চাই।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরো বলেছেন, আজ আমরা বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জনের প্রথম মাস উদযাপন করছি। ইতিহাসের অন্যতম গৌরবময় বিপ্লবের জন্য শত শত ছাত্র এবং সর্বস্তরের মানুষ সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন। আমাদের বাংলাদেশকে এর পূর্ণ গৌরবে প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব আমাদের।
তিনি বলেন, আমি সেই সাহসী তরুণ, শ্রমিক, দিনমজুর, পেশাজীবীদের স্মরণ করছি যারা মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেছিল। স্মরণ করছি আন্দোলন চলাকালে নিহত সাংবাদিকদের। আজ আমি এই বিপ্লবে শাহাদাত বরণকারী সবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। আমি অভিবাদন জানাই হাজার হাজার মানুষকেও যারা আহত হয়েছেন, প্রাণঘাতী আঘাতের শিকার হয়ে চিরজীবনের জন্য পঙ্গু হয়েছেন, কিংবা চক্ষু হারিয়েছেন।
গত মাসে আমাকে যখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, তখন আবু সাঈদ, মুগ্ধ এবং সমস্ত জানা এবং অজানা শহীদদের নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমার সকল সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও এই দায়িত্ব গ্রহণ করেছি।’
ড. ইউনূস বলেন, ‘আমার প্রিয় তরুণেরা, তোমরা তোমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের শপথ নিয়েছিলে। শহর ও গ্রামীণ জনপদের দেয়ালে আঁকা তোমাদের স্বপ্নগুলো এখনো নানা রঙের সাজ নিয়ে আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছে।’
তিনি আরো বলেন, বিপ্লবের সময়, তোমরা পড়াশুনা ছেড়ে দিয়ে বন্ধুদের নিয়ে উদ্বিগ্ন ঘুমহীন রাত কাটিয়েছো এবং দিনে নিষ্ঠুর শাসনকে প্রতিহত করার জন্য পরস্পরের থেকে চির বিদায় নিয়ে রাস্তায় নেমেছো। বিপ্লব শেষ হওয়ার পর তোমরা দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও তাদের উপাসনালয় পাহারা দিয়েছো এবং সারাদেশে ট্রাফিক পরিচালনা করার দায়িত্ব নিয়েছো। আমি জানি তোমাদের পড়াশোনার অনেক ক্ষতি হয়েছে। তাই এখন সময় পড়াশোনায় ফেরার। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় খোলা হয়েছে। আমি তোমাদেরকে ক্লাস ও ক্যাম্পাসে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। কেননা বিপ্লবের সুফল ঘরে তুলতে আমাদের একটি সুশিক্ষিত ও দক্ষ প্রজন্মের দরকার।
তিনি বলেন, মাত্র একমাস হলো অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। তা সত্ত্বেও আমরা বিপ্লবের প্রকৃত লক্ষ্য অর্জনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের কাজ শুরু করেছি। আমাদের প্রথম কাজ জুলাই ও আগস্টের হত্যাকাণ্ডের বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। গণহত্যার বিষয়ে জাতিসংঘের নেতৃত্বে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা করার জন্য আমরা জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। তারা এদেশে এসেছেন এবং তাদের কাজ শুরু করে দিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমাদের প্রধান দায়িত্বগুলির মধ্যে একটি হল বিপ্লবের সময় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হাজার হাজার মানুষের বিনামূল্যে চিকিৎসা নিশ্চিত করা। হাসিনার দুর্বৃত্তরা তাদের চোখ লক্ষ্য করে রাবার বুলেট ছোড়ায় অসংখ্য তরুণ শিক্ষার্থী দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছে। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করবো তাদের চোখের আলো ফিরিয়ে দিতে। আমরা শহীদ ও আহতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির জন্য ক্রমাগত কাজ করে যাচ্ছি। মূল তালিকা হয়ে গেছে। এখন শুধু দূর-দূরান্তে যাদের লাশ নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাদের তথ্য সংগ্রহ করে তথ্যগুলিতে পূর্ণাঙ্গতা দেওয়া হচ্ছে। আহত শত শত মানুষ যাদের দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা প্রয়োজন, তাদের ব্যয়বহুল চিকিৎসা এবং শহীদদের পরিবারের দেখাশোনার জন্য একটি ফাউন্ডেশন এখন তৈরির শেষ পর্যায়ে আছে। যাদের শাহাদাতের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে আমরা তাদের কখনোই ভুলবো না।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস সবশেষে বলেন, আমরা সবাই প্রতিজ্ঞা নিলাম শহিদদের রক্ত এবং আহত ভাইবোনদের আত্মত্যাগকে জাতি হিসাবে আমরা কিছুতেই ব্যর্থ হতে দেবো না। যে সুযোগ তারা আমাদের জন্য তৈরি করে দিয়েছেন সে সুযোগকে আমরা কখনো হাতছাড়া হতে দেবো না। আজ তাদের স্মৃতিময় দিনে আবারও প্রতিজ্ঞা করলাম তাদের স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ আমরা গড়বোই। মহান আল্লাহ আমাদের সকলের সহায় হোন।
মন্তব্য করুন


লিওনেল
মেসি ও বিখ্যাত পানীয় প্রস্ততকারী প্রতিষ্ঠান মার্ক অ্যান্থনি ব্রান্ডস এই পানীয়টি
বাজারে আনছে। এ বছরের মার্চে নিজের সামাজিক মাধ্যমে সর্বপ্রথম এই সম্পর্কিত ঘোষণা দেন
মেসি। তিনি নিজেই জানান যে তিনি এই নিয়ে খুবই উৎসাহিত। মেসির এই পানীয়টি বাজারের অনান্য
পানীয় থেকে আলাদা এবং সম্পূর্ণভাবে নন অ্যালকোহলিক হতে যাচ্ছে।
বুধবার
(২৯ এপ্রিল) মেসি নিজের ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে তার আসন্ন এই হাইড্রেশন ড্রিংকস
সম্পর্কে আপডেট প্রকাশ করেন। তিনি জানান সর্বপ্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাতে
ড্রিংকসটি জুনের ১৪ তারিখ থেকে পাওয়া যাবে। ইন্সটাগ্রামে দেওয়া ভিডিওতে দেখা যায় মেসি
ও তার স্ত্রী অ্যান্তোনেলা রোকুজ্জো ড্রিংকস প্রস্তুতকরা ফ্যাক্টরি ঘুরে দেখছেন।
মেসি
ভিডিওর ক্যাপশনে লেখন, ‘আমরা নিজেদের হাইড্রেশন ড্রিংকটি বাজারে আনার জন্য কঠোর পরিশ্রমের
সঙ্গে প্রস্তুতি নিচ্ছি। কারণ, হাইড্রেশন সবার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। সবকিছু ঠিকঠাকভাবে
হওয়ার বিষয়টি আমরা নিশ্চিত করতে চাই। যেখানে আমাদের কাজটি এগিয়ে যাচ্ছে, সেখান থেকে
মাত্রই ফিরলাম। আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের হাইড্রেশন পানীয়টি কীভাবে তৈরি হচ্ছে, সেটি
সম্পর্কে জেনেছি।’
তবে
মার্ক অ্যান্থনি ব্রান্ডসের সাথে তৈরি করা পানীয় বাদেও মেসির আরো অনেক ব্যবসা ও পার্টনারশিপ
রয়েছে যেখান থেকে বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা বছরে বড় ধরনের অর্থ আয় করেন। ফোর্বসের মতে মেসির
বর্তমান আর্থিক ভ্যালু প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ডলারের মতো। অ্যাডিডাস, পেপসিকো, বাডউইসার
ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান থেকেও মোটা অঙ্কের টাকা পান বিশ্বের সেরা এই ফুটবলার।
ফুটবলে
সবচেয়ে বিখ্যাত খেলোয়াড়ের নাম বলতে বলা হলে প্রথমেই থাকবে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী
তারকা লিওনেল মেসির নাম। ফুটবলে প্রায় ২০ বছর ধরে রাজত্ব করা এই আর্জেন্টাইন ফুটবল
যে যা যা পাওয়ার সবই পেয়েছেন। বিশ্বকাপ জয়ে ফুটবলকে পূর্ণতা দেওয়া মেসির হয়তো আর ফুটবল
থেকে চাওয়ার কিছু নেই। তাই এবার ফুটবলের বাইরে ব্যবসার দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন এই মহাতারকা।
ফুটবলের
বাইরে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত আছেন আট বারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই
তারকা। যার মধ্যে রয়েছে হাইড্রেশন পানীয় তৈরির ব্যবসাও। মেসির নিজের ভাষ্যমতেই তিনি
যে পানীয়টি বাজারজাত করতে যাচ্ছেন তা পানীয়র বাজারকে পুরোপুরি বদলে দিবে। মেসি ভক্তরাও
অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছে পানীয়টির জন্য। তাদেরও জানার আগ্রহ কবে থেকে পানীয়টি তারা
বাজারে পাবে?
অবশ্য
জুনে মেসির নন অ্যালকোহলিক হাইড্রেশন ড্রিংক বাজারে আসলেও পানীয়টির নাম এখনো ঠিক করা
হয়নি।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ।
বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদের দেওয়া এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আব্দুল হাফিজ প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়নবিষয়ক দায়িত্ব পালনে প্রধান উপদেষ্টাকে প্রয়োজনীয় সব সহযোগিতা প্রদান করবেন। প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী পদে থাকা অবস্থায় তিনি উপদেষ্টা পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক সব সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
উল্লেখ্য যে, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
মন্তব্য করুন


রায়হান রাফী পরিচালিত 'সুড়ঙ্গ' সিনেমায় প্রথমবারের মতো তমা মীর্জা ও আফরান নিশো জুটি বেঁধেছেন। ঈদুল আজহায় মুক্তি পাচ্ছে ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমা।
এতে আইটেম গার্ল হিসেবে নেচেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া। এরইমধ্যে প্রকাশ পেয়েছে গানটি। ফারিয়ার এই গান নিয়ে যেন দুই বাংলায় উত্তেজনা তুঙ্গে।
গানের পাশাপাশি সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া সিনেমাটির টিজার ও ফার্স্টলুক দর্শকদের মাঝে সাড়া ফেলেছে। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে তমা বলেন, 'এর আগে কোনো সিনেমার জন্য এত লম্বা সময় দেইনি। অনেক যত্ন নিয়ে সিনেমাটির শুটিং করেছি। অপেক্ষায় আছি সুড়ঙ্গ মুক্তির। '
গণমাধ্যমে অভিনেত্রী বলেন, 'আমার ভক্ত দর্শকের জন্য সুখবর হচ্ছে, আগস্ট থেকে নতুন সিনেমার কাজ শুরু করছি। তার আগে আমি তুরস্ক যাব। সেখানে ঘুরে বেড়ানো শেষে দেশে ফিরে এসে আমি নতুন সিনেমার জন্য প্রস্তুতি নেব।
মন্তব্য করুন


সংবাদমাধ্যমের
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক আবাসিকের ক্যামেরায় তোলা ওই ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, দোতলার
টিনের কার্নিশ থেকে কোনও রকমে আটকে রয়েছে ওই একরত্তি। পা কার্নিশের বাইরে ঝুলছে।
তাকে
উদ্ধার করতে তৎপর হয়ে উঠেছেন আবাসিকরা। অনেকে আতঙ্কে চিৎকার করতে শুরু করেছেন। কেউ
কেউ একটি চাদর ধরে আবাসনের নীচে দাঁড়িয়ে পড়েছেন। এর পর তিন জন আবাসিক এক তলার
একটি ঘরের জানালা দিয়ে বাইরে বেরিয়ে ওই শিশুটিকে উদ্ধার করেন।
মন্তব্য করুন