

ঈদে গরু, খাসির রান্নায় তেল-চর্বির কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকিও অনেক বেড়ে যায়। ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, হৃদ্রোগে যারা আক্রান্ত তাদের জন্য গরু-খাসির ফ্যাট অনেক ক্ষতি করে। রান্নার পরে ওপরে যে তেল টা ভাসতে থাকে সেটা ফেলে দিয়ে শুধু মাংসটুকু খেতে হবে।
কলিজা, মগজ এগুলো যেমন সুস্বাদু তেমনি কোলেস্টেরল সমৃদ্ধ। তরুণদের জন্য সমস্যা না হলেও বয়স্করা মগজ, কলিজা, হাড়ের মজ্জা এসব পরিহার করুন।
ঈদে অনেক বাসাতেই বিভিন্ন রকম কাবাব তৈরি করা হবে, কাবাবের একটা সুবিধা হচ্ছে ঝলসানোর কারণে রান্না মাংসের থেকে কাবাবে চর্বির পরিমাণ কমে যায়। তাই এক আধটু কাবাব খেতে পারেন। খেয়াল রাখবেন কাবাবের মাংস যেন আধাসিদ্ধ না থাকে, না হলে ফিতা কৃমির হওয়ার ভয় থেকে যায়।
ঈদের সময় খাবারে সবজির কোনো স্থান থাকবে না তাই সালাদের সাথে যোগ করতে পারেন অতিরিক্ত সবজি। খাবার পরে কোল্ড ড্রিঙ্কসের বদলে দই, বোরহানি, লাবাং, মাঠা ইত্যাদি পানীয় নিয়ে আসুন।
ঈদের সময়ে বদহজম আর কোষ্ঠকাঠিন্য সাধারণ সমস্যা। বদহজম হলে অ্যান্টাসিড জাতীয় ট্যাবলেট খেতে পারেন। কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতে ঘরে রাখুন ইসবগুলের ভুসি, প্রয়োজনে মাংস খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিন। প্রচুর পানি পান করুন। কয়েক প্যাকেট ওরস্যালাইন হাতের কাছে রাখতে ভুলবেন না। অনেকের গরুর মাংসে অ্যালার্জি আছে, ঈদের সময় অ্যালার্জির ওষুধ সাথে রাখুন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় গরমে অসুস্থ
হয়ে পড়েছিল একজন রিকশাচালক, ট্রাফিক পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপে রক্ষা পেল রিকশাচালকের
প্রাণ। প্রচণ্ড গরমে রিকশা চালানো অবস্থায় হঠাৎ শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে সড়কে পড়ে
যান ওই ব্যক্তি। এমন ঘটনা দেখে ট্রাফিক পুলিশরা দ্রুত গিয়ে তাকে সুস্থ করে তোলেন।
সোমবার (২৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার
দিকে যাত্রাবাড়ী ট্রাফিক পুলিশ বক্সের সামনে ঘটে এমন ঘটনা। জানা যায়, সেখানে দায়িত্বরত
ছিলেন ট্রাফিক ইন্সপেক্টর পবিত্র বিশ্বাস। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে যাত্রাবাড়ী মোড়ে দায়িত্বরত
অন্যান্য ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের সহযোগিতায় রিকশাচালকের মাথায়, চোখে ও মুখে পানি ছিটিয়ে
দেন। এরপর পুলিশ বক্স থেকে নিয়মিতভাবে সাধারণ জনগণের জন্য বিলি করা পানি ও স্যালাইন
অসুস্থ রিকশাচালককে খাওয়ালে তিনি ক্রমাগত সুস্থ হয়ে সাধারণ অবস্থায় ফিরে আসেন।
সুস্থ হওয়ার পর রিকশাচালক জানান, তিনি
রিকশা চালাচ্ছিলেন। প্রচণ্ড গরমের কারণে হঠাৎ তার শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যায়। তখন
তিনি চলন্ত রিকশা থেকে রাস্তায় পড়ে যান। পুলিশের দ্রুত সহযোগিতার জন্য তিনি তার প্রাণ
ফিরে পেয়েছেন। তা না হলে হয়তো হিট স্ট্রোকে তার মৃত্যুও হতে পারতো।
এ সময় তিনি ট্রাফিক পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা
প্রকাশ করেন।
মন্তব্য করুন


পোলাওয়ের সাথে খাসির মাংসের রেজালা থাকলে বেশ জমে। সবাই খাসির মাংসের রেজালা ঠিকভাবে রান্না করতে পারেন না। আজ জানবো খাসির স্পেশাল রেজালা তৈরির সহজ রেসিপি-
** তৈরি করতে যা লাগবে
১. খাসির মাংস- ৫০০ গ্রাম
২. আদা বাটা- আধা টেবিল চামচ
৩. রসুন বাটা- ১ চা চামচ
৪. পেঁয়াজ বাটা- সিকি কাপ
৫. হলুদের গুঁড়া- আধা চা চামচ
৬. মরিচের গুঁড়া- আধা চা চামচ
৭. জিরার গুঁড়া- আধা চা চামচ
৮. ধনিয়া গুঁড়া- আধা চা চামচ
১০. পোস্তদানা বাটা- আধা টেবিল চামচ
১১. তেল- সিকি কাপ
১২. ঘি- ১ টেবিল চামচ
১৩. লবণ- স্বাদ অনুযায়ী
১৪. কাঁচা মরিচ- ৮টি
১৫. তেজ পাতা- ১টি
১৬. দারুচিনি- ২ টুকরা
১৭. এলাচ- ২টি
১৮. দেশি পেঁয়াজ কুচি- আধা কাপ
১৯. আলু- ৪টি
২০. কেওড়া জল- ১ টেবিল চামচ।
** যেভাবে তৈরি করবেন
মাংস টুকরো করে কেটে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। হাঁড়িতে তেল গরম করে তাতে এলাচ, দারুচিনি, তেজপাতা ও পেঁয়াজ বাদামি করে ভাজুন। এবার মাংস ও লবণ দিয়ে তা ১০-১৫ মিনিট ভেজে নিন। মাংস ভাজা হলে তাতে পোস্তদানা বাটা ও জিরা বাদে অন্যান্য বাটা মসলা দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে ঢেকে দিবেন। ১০-১৫ মিনিট পর ঢাকনা খুলে এককাপ গরম পানি দিয়ে মাঝারি আঁচে কিছুক্ষণ রান্না করবেন।
আলুগুলো খোসা ছাড়িয়ে লম্বালম্বি মাঝখান থেকে কেটে ২ টুকরা করে দিবেন। পানি শুকিয়ে এলে আরও ১ থেকে দেড় কাপ গরম পানি দিয়ে আলু এবং ৪টি কাঁচা মরিচ দিয়ে নেড়ে ঢেকে দিবেন। ১০ মিনিট পর ঢাকনা খুলে জিরা গুঁড়া ও পোস্তদানা বাটা দিয়ে নেড়ে আবারও ঢেকে দিন। আলু সেদ্ধ হয়ে গেলে চুলার আঁচ কমিয়ে দিন।
ঢাকনা খুলে প্রয়োজন হলে সামান্য পানি দিয়ে নেড়ে দিবেন। তারপর বাকি কাঁচা মরিচ ও কেওড়া দিয়ে হালকা নেড়ে ঢেকে দিন। মাংস সিদ্ধ হয়ে তেল অল্প ছাড়লে ১ টেবিল চামচ ঘি দিয়ে নেড়ে ঢেকে দিরেন। ১০ মিনিট পর চুলা বন্ধ করে কিছুক্ষণ দমে রাখুন।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৯জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময় ১হাজার ৭৫৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
২০ জুলাই বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১হাজার ৭৫৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৮৪৫ জন ও ঢাকার বাইরে ৯১০ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১হাজার ৩৬১ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে ৬৮৫ জন ও ঢাকার বাইরে ৬৭৬ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় ৮জন ও ঢাকার বাইরে ১জন।
এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় ১২১ জন ও ঢাকার বাইরে ৩৪ জন।
চলতি বছরের ২০ জুলাই পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ২৭ হাজার ৫৪৭ জন। এর মধ্যে ঢাকায় ১৭ হাজার ২৪৩ জন ও ঢাকার বাইরে ১০ হাজার ৩০৪ জন। এখন পর্যন্ত ২১ হাজার ৪৫৫ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ১৩ হাজার ৬০০ জন ও ঢাকার বাইরে ৭ হাজার ৮৫৫ জন।
বর্তমানে সারা দেশে ৫ হাজার ৯৩৭ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৩ হাজার ৫২২ জন ও ঢাকার বাইরে ২হাজার ৪১৫ জন।
মন্তব্য করুন


তীব্র তাপদাহের কারণে আগামীকাল সোমবার (২৯ এপ্রিল) ঢাকাসহ ৫ জেলার স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
রবিবার (২৮ এপ্রিল) রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়েরের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তি বলা হয়, দেশে চলমান তাপদাহের কারণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও আবহাওয়া অধিদপ্তরের সাথে পরামর্শক্রমে ঢাকা, চুয়াডাঙ্গা, যশোর, খুলনা ও রাজশাহী জেলার সকল মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আগামীকাল ২৯ এপ্রিল বন্ধ থাকবে। তবে যে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আছে, সেই সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ চাইলে খোলা রাখতে পারবে।
আগামীকাল পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলেও জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।
এদিকে, প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা থাকার কথা জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মাহবুবুর রহমান তুহিন।
তিনি বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত নেই। যেহেতু প্রাথমিকের সব ক্লাস সকালে হবে, তাই প্রাথমিক খোলাই থাকবে।
মন্তব্য করুন


উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন) একটি দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্যগত সমস্যা; যা অসংখ্য মানুষের অকালমৃত্যু ঘটায়।
একটা সময়ে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ আর স্ট্রোককে ‘বড়লোকের রোগ’ বলে মনে করতেন অনেকে। তবে বর্তমানে সমাজের সব স্তরে ছড়িয়ে পড়ছে এ রোগ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উচ্চ রক্তচাপের নীরব মহামারির মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ। এ অবস্থায় দীর্ঘমেয়াদি সচেতনতা, খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ এবং নানা শারীরিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের পরামর্শ তাদের।
বাংলাদেশ এনসিডি স্টেপস সার্ভে- ২০১৮ অনুযায়ী, দেশে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে জনগোষ্ঠীর মধ্যে ২১ শতাংশ (নারী ২৪.১%, পুরুষ ১৭.৯%) উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত। এদের মধ্যে ওষুধ গ্রহণের মাধ্যমে রোগটি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে মাত্র ১৪ শতাংশ অর্থাৎ প্রতি ৭ জনে একজনেরও কম।
অন্যদিকে বাংলাদেশ ডেমোগ্রাফিক অ্যান্ড হেলথ সার্ভে ২০১৭-১৮ অনুযায়ী, ২০১১ থেকে ২০১৭-১৮ সাল সময়ের মধ্যে, ৩৫ বছর ও তদূর্ধ্ব জনগোষ্ঠীর মধ্যে উচ্চ রক্তচাপের প্রকোপ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এই সময়ে পুরুষের মধ্যে এ রোগে আক্রান্তের হার ২০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩৪ শতাংশে এবং নারীর ক্ষেত্রে এই হার ৩২ শতাংশ থেকে ৪৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা রয়েছে এমন নারী এবং পুরুষের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার হার যথাক্রমে ৪৯ শতাংশ এবং ৪২ শতাশ, যেখানে স্বাভাবিক ওজনের নারী এবং পুরুষের মধ্যে এই হার যথাক্রমে ২৫ শতাংশ এবং ২৪ শতাংশ।
উচ্চ রক্তচাপ কী? কিভাবে বুঝবেন আপনি উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকিতে?
প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক, ইমেরিটাস অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ বলেন, উচ্চ রক্তচাপ হলো একটি নীরব ঘাতক রোগ। গতানুগতিক কিছু কারণ ছাড়াও উচ্চ রক্তচাপের বেশ কিছু কারণ রয়েছে। উত্তেজনা, দুশ্চিন্তা, অধিক পরিশ্রম, কম ঘুম ও অতিরিক্ত ব্যয়ামের ফলে রক্তচাপ বাড়তে পারে। ঘুম ভালো হলে এবং বিশ্রাম নিলে রক্তচাপ কমে যায়। রক্তচাপের এই পরিবর্তন স্বাভাবিক। যদি কারও রক্তচাপ স্বাভাবিক মাত্রার চাইতে বেশি হয় এবং অধিকাংশ সময় এমনকি বিশ্রামকালীনও বেশি থাকে, তবে ধরে নিতে হবে তিনি উচ্চ রক্তচাপের রোগী।
এ বি এম আবদুল্লাহ বলেন, একবার কারও উচ্চ রক্তচাপ বেড়ে গেলে তা একেবারে সারে না, তবে একে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এর জন্য নিয়মিত কিছু ওষুধপত্র খেতে হবে। এক্ষেত্রে এমন অসংখ্য রোগী আমরা পাই, যারা কিছুদিন ওষুধ খাওয়ার পর রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এলে পরে ওষুধ বন্ধ করে দেন। তারা মনে করেন, তাদের রক্তচাপ ভালো হয়ে গেছে, এখন আর ওষুধ খাওয়ার দরকার কী? এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। কোনোক্রমেই ডাক্তারের নির্দেশ ছাড়া ওষুধ সেবন বন্ধ করা যাবে না।
মন্তব্য করুন


গরুর বা খাসির নেহারি খেতে আমরা সবাই কমবেশি পছন্দ করি। পরোটা-লুচি দিয়ে নেহারি খাওয়ার মজাই আলাদা। খুব সহজেই ঘরে থাকা উপকরণ দিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন মজাদার গরু-খাসির নেহারি। জেনে নিন গরু-খাসির নেহারি রান্নার সহজ রেসিপি-
** তৈরি করতে যা লাগবে
১. খাসি বা গরুর সেদ্ধ পায়া ৪ টি
২. পানি পরিমাণমতো
৩. আদা বাটা এক চা চামচ
৪. রসুন বাটা এক চা চামচ
৫. জিরার গুঁড়ো এক টেবিল চামচ
৬. গরম মসলার গুঁড়ো আধা চা চামচ
৭. ধনে গুঁড়ো এক চা চামচ
৮. লাল মরিচের গুঁড়ো এক টেবিল চামচ
৯. হলুদের গুঁড়ো এক চা চামচ
১০. তেজপাতা দুটি
১১. লবঙ্গ ৫-৬টি
১২. পেঁয়াজ বাটা এক টেবিল চামচ
১৩. লবণ স্বাদমতো
১৪. দারুচিনি পরিমাণমতো
১৫. টমেটো কিউব এক কাপ
১৬. তেল পরিমাণমতো
১৭. ঘি ২ টেবিল চামচ
১৮. পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ
১৯. রসুন কুচি এক টেবিল চামচ
২০. কাঁচা মরিচ ৪-৫টি
**যেভাবে তৈরি করবেন
প্রথমে সসপ্যানে গরু বা খাসির পায়া সেদ্ধ করে নিতে হবে। তারপর সামান্য পানি মিশিয়ে আদা-রসুন বাটা, সব গুঁড়ো মশলা, লবণ ও দারুচিনি দিয়ে ঢেকে সেদ্ধ করে নিন। সেদ্ধ হয়ে গেলে টমেটো কিউব দিয়ে ঢেকে রান্না করুন। মাঝে মাঝে ঢাকনা খুলে নেড়ে দিন।
এরপর ফ্রাইপ্যানে তেল গরম করে নিন। এবার সামান্য ঘি, পেঁয়াজ ও রসুনকুচি হালকা বাদামি করে ভেজে নেহারির মধ্যে ঢেলে দিবেন। সসপ্যানে কয়েকটি আস্ত কাঁচা মরিচ দিন। এরপর কিছুক্ষণ রান্না করে নামিয়ে নিন। পরোটা বা লুচির সাথে মজাদার নেহারি পরিবেশন করুন।
মন্তব্য করুন


দেশে তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ‘হিটস্ট্রোকে’
গত এক সপ্তাহে ১০ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে গতকাল সোমবার (২৯ এপ্রিল) তিনজনের মৃত্যু
হয়েছে হিটস্ট্রোকে।
এছাড়াও হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে দেশের
বিভিন্ন হাসপাতালে আরও পাঁচজন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।
মঙ্গলবার (৩০এপ্রিল) সকাল ৯টায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি
অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম এসব তথ্য জানায়।
কন্ট্রোল রুম জানায়, এ পর্যন্ত সারা
দেশে হিটস্ট্রোকে মারা যাওয়া ১০ জনের মধ্যে আটজন পুরুষ ও দুজন নারী। হিটস্ট্রোকে নতুন
করে মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে মাদারীপুর জেলায়। আরেকজনের মৃত্যু
হয়েছে চট্টগ্রাম জেলায়। মারা যাওয়া ১০ জনের মধ্যে দুজন মাদারীপুরের। এ ছাড়া চুয়াডাঙ্গা,
খুলনা, হবিগঞ্জ, রাজবাড়ী, ঝিনাইদহ, লালমনিরহাট, বান্দরবান ও চট্টগ্রাম জেলায় একজন করে
মারা গেছেন।
উষ্ণতাজনিত অসুস্থতার চিকিৎসায় একটি
গাইডলাইন তৈরি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
মন্তব্য করুন


ঈদে গরু, খাসির রান্নায় তেল-চর্বির কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকিও অনেক বেড়ে যায়। ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, হৃদ্রোগে যারা আক্রান্ত তাদের জন্য গরু-খাসির ফ্যাট অনেক ক্ষতি করে। রান্নার পরে ওপরে যে তেল টা ভাসতে থাকে সেটা ফেলে দিয়ে শুধু মাংসটুকু খেতে হবে।
কলিজা, মগজ এগুলো যেমন সুস্বাদু তেমনি কোলেস্টেরল সমৃদ্ধ। তরুণদের জন্য সমস্যা না হলেও বয়স্করা মগজ, কলিজা, হাড়ের মজ্জা এসব পরিহার করুন।
ঈদে অনেক বাসাতেই বিভিন্ন রকম কাবাব তৈরি করা হবে, কাবাবের একটা সুবিধা হচ্ছে ঝলসানোর কারণে রান্না মাংসের থেকে কাবাবে চর্বির পরিমাণ কমে যায়। তাই এক আধটু কাবাব খেতে পারেন। খেয়াল রাখবেন কাবাবের মাংস যেন আধাসিদ্ধ না থাকে, না হলে ফিতা কৃমির হওয়ার ভয় থেকে যায়।
ঈদের সময় খাবারে সবজির কোনো স্থান থাকবে না তাই সালাদের সাথে যোগ করতে পারেন অতিরিক্ত সবজি। খাবার পরে কোল্ড ড্রিঙ্কসের বদলে দই, বোরহানি, লাবাং, মাঠা ইত্যাদি পানীয় নিয়ে আসুন।
ঈদের সময়ে বদহজম আর কোষ্ঠকাঠিন্য সাধারণ সমস্যা। বদহজম হলে অ্যান্টাসিড জাতীয় ট্যাবলেট খেতে পারেন। কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতে ঘরে রাখুন ইসবগুলের ভুসি, প্রয়োজনে মাংস খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিন। প্রচুর পানি পান করুন। কয়েক প্যাকেট ওরস্যালাইন হাতের কাছে রাখতে ভুলবেন না। অনেকের গরুর মাংসে অ্যালার্জি আছে, ঈদের সময় অ্যালার্জির ওষুধ সাথে রাখুন।
মন্তব্য করুন


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে রদবদল করা হয়েছে। এর মধ্যে আবারও স্বাস্থ্য প্রশাসনের অতিরিক্ত মহাপরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের অতিরিক্ত মহাপরিচালক পদে দায়িত্বরত অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীরকে।
বুধবার (৭ ফেব্রয়ারি) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের পারসোনেল-২ শাখার যুগ্মসচিব মো. মঞ্জুরুল হাফিজের সই করা প্রজ্ঞাপনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে ।
এছাড়াও জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের (নিপসম) পরিচালক পদে থাকা অধ্যাপক ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরাকে করা হয়েছে পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের অতিরিক্ত মহাপরিচালক।
বর্তমানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্বরত মো. শামিউল ইসলামকে করা হয়েছে জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের (নিপসম) পরিচালক এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সিলেট বিভাগের স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. হারুন অর রশীদকে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডার/ স্বাস্থ্য সার্ভিসের নিন্ম বর্ণিত কর্মকর্তাদের তাদের নামের পাশে বর্ণিত পদ ও কর্মস্থলে বদলি/পদায়ন করা হলো। জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হলো এবং অনতিবিলম্বে কার্যকর করা হবে।
মন্তব্য করুন