

আওয়ামী লীগের সময়ের নির্বাচনকে লায়লাতুল নির্বাচন বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হলেও তাদের ভোটার অধিকার নিষিদ্ধ নয়, তাই তারা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোন দলে ভোট দেবেন, তা কেউ বলতে পারবে না।’
শনিবার সকালে ঢাকার ধামরাই উপজেলা পরিষদে জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি বিষয়ক মতবিনিময়সভায় যোগ দিয়ে তিনি এমন কথা বলেন।
উপদেষ্টা এ সময় বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো দল নেই, তাই অন্তর্বর্তী সরকার নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছে।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন করবে অন্তর্বর্তী সরকার, সেই নির্বাচনে কে জিতল কে হারল এটা তাদের দেখার বিষয় না, নির্বাচনে কোনো সরকারি কর্মকর্তারা কারো পক্ষ নিতে পারবে না।’
কেউ কোনো দলের পক্ষ নিলে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, নির্বাচনে যে দলেই জিতুক না কেন সরকারি কর্মকর্তারা সেই দলের পক্ষেই কাজ করবেন, নির্বাচনে ডিসি এসপি ও ওসিরা কারো পক্ষ নিলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আওয়ামী লীগ ২০১৮ সালে যে নির্বাচন করেছিল সেটা দিনের ভোট রাতে হয়েছে, সেটা ছিল লায়লাতুল নির্বাচন।
ফাওজুল কবির খান বলেন, এখন বিদ্যুৎ সংকট নেই, কারখানাগুলোতে কিছুটা গ্যাসের সংকট আছে তা ঠিক হয়ে যাবে, সব সময় সরকার বিদ্যুতের লোডশেডিং মনিটরিং করছে।
সেই সঙ্গে, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে নির্মাণ কাজ চলায় মানুষের কিছুটা দুর্ভোগ হচ্ছে। উন্নয়ন কাজে দুর্ভোগ হলে সেটা কিছুই না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
উপদেষ্টা পরে বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ফারজানা মমতাজসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ঢাকার প্রতিটি ভবনে সেপটিক ট্যাংক বা এসটিপি (স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট) স্থাপন বাধ্যতামূলক করতে হবে।
বুধবার রাজধানীর র্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে ‘নির্মিত/নির্মাণাধীন ভবনসমূহে সেপটিক ট্যাংক/এসটিপি স্থাপন’ বিষয়ক অংশীজনের সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেছেন।
পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, ঢাকা শহরের হাসপাতাল, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানসহ সব স্থাপনার জন্য এসটিপি স্থাপন কোনোভাবেই কঠিন কাজ নয়। ঢাকাকে একটি ব্রাউন শহর থেকে সবুজ ও স্মার্ট নগরীতে রূপান্তর করতে হলে কার্যকর স্যুয়ারেজ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা জরুরি।
তিনি আরো বলেন, রাজধানীর নদী ও খাল দূষণমুক্ত করা কঠিন হলেও, তা অসম্ভব নয়। এ জন্য সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে এবং উৎস থেকে বর্জ্য ফেলার প্রবণতা বন্ধ করতে হবে। শুধু ড্রেজিং করে কিংবা দায় এড়িয়ে সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়
সভায় পরিবেশ উপদেষ্টা দীর্ঘমেয়াদি ভিশন, কার্যকর গভর্নেন্স এবং আইনগত সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) আইন সংশোধন ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে ঢাকা একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব নগরীতে রূপান্তরিত হবে।
তিনি নগরীর ছাদবাগান, সড়ক বিভাজকে সবুজায়ন এবং পার্ক সংরক্ষণের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে ভবন নির্মাণে সেপটিক ট্যাংক ও এসটিপি স্থাপনের বাধ্যবাধকতা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
রাজউকের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রিয়াজুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আব্দুল মতিন। বক্তৃতা করেন রাজউকের সদস্য (পরিকল্পনা) মো. গিয়াস উদ্দিন ও রাজউকের উপনগর পরিকল্পনাবিদ সাঈদ রেজাউল হক।
বিষয়ভিত্তিক উপস্থাপনা করেন ওয়াটারএইড বাংলাদেশ’র কান্ট্রি ডিরেক্টর হাসিন জাহান, ডাইকি এক্সিস বাংলাদেশ’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুই ওয়াসে ও প্রধান নির্বাহী শফিকুল ইসলাম।
সভায় অংশগ্রহণকারীরা ঢাকা শহরকে টেকসই ও বাসযোগ্য নগরীতে রূপান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে মতামত তুলে ধরেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের জন্য রাষ্ট্রদূত হিসেবে পেশাদার কূটনীতিক ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে মনোনীত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। গতকাল মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
এতে বলা হয়েছে, সিনিয়র ফরেন সার্ভিসের সদস্য ও ভার্জিনিয়ার বাসিন্দা ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। একাধিক নিয়োগ ও মনোনয়নের অংশ হিসেবে এই পদে তার নাম প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র বিভাগ।
ক্রিস্টেনসেনের পাশাপাশি বর্তমান স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুসকে জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত এবং সের্গেই গরকে ভারতে রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। তিনটি নিয়োগই দেশটির সিনেটে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বর্তমানে ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে আন্ডার সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি এর আগে ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত তিন বছর ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক বিভাগে কাউন্সিলর হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন।
কর্মজীবনের শুরুতে পররাষ্ট্র দপ্তরের পাকিস্তান ও বাংলাদেশবিষয়ক অফিসে বাংলাদেশ কান্ট্রি অফিসার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। অবশ্য বর্তমানে এ নামে আর কোনো অফিস নেই।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রকাশিত প্রোফাইল অনুসারে, ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের পুরো নাম ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। তিনি মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের পলিটিক্যাল-মিলিটারি অ্যাফেয়ার্স ব্যুরোর আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অস্ত্র হস্তান্তর অফিসের ডেপুটি ডিরেক্টর (২০১৬-২০১৯) এবং হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির এশিয়া ও প্যাসিফিক সাব-কমিটির সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের স্টাফে পারসন ফেলো (২০১৫-২০১৬) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এ ছাড়াও উত্তর কোরিয়া নীতির জন্য বিশেষ প্রতিনিধির বিশেষ সহকারী, ইস্ট এশিয়া ও প্যাসিফিক অ্যাফেয়ার্স ব্যুরোর সাইবার কো-অর্ডিনেটর, ম্যানিলায় মার্কিন দূতাবাসে অর্থনীতিবিষয়ক ডেপুটি কাউন্সেলর, সান সালভাদরে মার্কিন দূতাবাসে ডেপুটি ইকোনমিক কাউন্সেলর, রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে অর্থনৈতিক কর্মকর্তা এবং হো চি মিন সিটিতে মার্কিন কনস্যুলেট জেনারেলের ভাইস কনসাল হিসেবে কাজ করেছেন।
সিনেটে অনুমোদন পেলে রাষ্ট্রদূত হিসেবে পিটার হাসের স্থলাভিষিক্ত হবেন ক্রিস্টেনসেন। গত বছর বাংলাদেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে বিদায় নেওয়ার পর অবসরে যান হাস। তারপর থেকে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস রাষ্ট্রদূতশূন্য রয়েছে।
হাসের পর মার্কিন পররাষ্ট্র বিভাগ অবসরপ্রাপ্ত আরেক পেশাদার কূটনীতিক ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসনকে বাংলাদেশে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব দিয়ে পাঠায়।
তিনি চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এই পদে দায়িত্বে রয়েছেন।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
ইউরোপীয় ইউনিয়নের কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর ভিসা সেন্টার দিল্লি থেকে সরিয়ে ঢাকায় অথবা প্রতিবেশী কোনো দেশে স্থানান্তরের অনুরোধ করেছেন।
সোমবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
১৯ সদস্যের প্রতিনিধিদলটির নেতৃত্বে ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের হেড অব ডেলিগেশন মাইকেল মিলার। প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।
প্রায় আড়াই ঘণ্টাব্যাপী এ বৈঠকে ১৫ জন প্রতিনিধি তাদের মতামত তুলে ধরেন। বৈঠকে শ্রম অধিকার, বাণিজ্য সুবিধা, জলবায়ু পরিবর্তন, মানবাধিকার, ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম ট্রাইব্যুনাল অ্যাক্ট, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বাস্তবায়ন ও টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণে উভয়ের অঙ্গীকার ও করণীয় সম্পর্কে আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘ডিসেম্বর মাসে গোটা মাসজুড়ে আমরা বিজয় উদযাপন করি। বিজয়ের মাসে আপনাদের সঙ্গে এমন একটি ইন্টার্যাক্টিভ আলোচনায় অংশ নিতে পেরে আমি খুব আনন্দিত। ’
বাংলাদেশে জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন প্রধান উপদেষ্টা। এ সময় তিনি গত ১৬ বছর ধরে অত্যাচার, শোষণ, বলপূর্বক গুম, মানবাধিকার লঙ্ঘনের সম্পর্কে সংক্ষেপে কূটনীতিকদের সামনে তুলে ধরেন। তিনি অর্থনৈতিক শ্বেতপত্রের বিষয় উল্লেখ করে দুর্নীতি, অর্থপাচার এবং ব্যাংকিং সিস্টেমকে কীভাবে বিপর্যস্ত করা হয়েছিল সেসব কথা জানান।
বাংলাদেশ সম্পর্কে ব্যাপক আকারে অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘আমরা এই মিসইনফরমেশন ঠেকাতে আপনাদের সহযোগিতা কামনা করি।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রশাসন নিরপেক্ষভাবেই কাজ করছে।’ কেউ কোনো পক্ষপাতিত্ব করছে না দাবি করে প্রার্থীদের অভিযোগ রাজনৈতিক বলেও মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বরিশাল বিভাগে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক এক মতবিনিময়সভায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন। শহরের শিল্পকলা একাডেমিতে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
এতে মাঠ পর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় তারা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নানা চ্যালেঞ্জ, সমস্যা ও তাদের চাহিদা তুলে ধরেন। সুষ্ঠু নির্বাচন বাস্তবায়নে নানা দিকনির্দেশনা দেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ভোটের পরিবেশ ভালো আছে বলে মন্তব্য করেন।
যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী প্রস্তুত আছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু করতে ১ লাখ সেনা সদস্য থাকবে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর বাড়তি সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রাম বন্দরকে দেশের অর্থনীতির হৃৎপিণ্ড আখ্যায়িত করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘নেপাল-ভুটান, সেভেন সিস্টার্সেরও হৃৎপিণ্ড চট্টগ্রাম বন্দর।’
বুধবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি চট্টগ্রাম পৌঁছান। প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণের পর নিজ জন্মস্থান চট্টগ্রামে এটাই তার প্রথম সফর।
প্রধান উপদেষ্টা জানান, ‘চট্টগ্রাম বন্দর শুধু বাংলাদেশের জন্য না, আশেপাশের দেশের জন্যও। যে কারণে নেপালের কথা বললাম, ভুটানের কথা বললাম, সেভেন সিস্টার্সের কথাও বললাম। সবার জন্য মৃত্যুঞ্জয়।’
তিনি জানায়, ‘নেপালের জন্য হৃৎপণ্ডিই নেই। কাজেই আমাদের হৃৎপিণ্ড দিয়ে এটা জ্বালতে হবে। আমরা তাদের সংযুক্ত করতে চাই। এটা তাদেরও লাভ আমাদেরও লাভ। এই হৃৎপিণ্ডে যদি সংযুক্ত হয় সে লাভোবান হবে আমরাও লাভবান হবো। ভুটান যদি সংযুক্ত হয় তারা লাভবান হবে আমরাও হবো। সেভেন সিস্টার যদি যুক্ত হয় তারাও লাভবান হবে আমরাও হবো। এই হৃৎপিণ্ডকে বাদ দিয়ে চললে, যারা এটাকে বাদ দেবে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বহুদিন ধরে ইচ্ছে ছিল চট্টগ্রাম বন্দরে আসব এবং এর অগ্রগতির খোঁজ নেব, সবার সঙ্গে কথা বলব, এই অপেক্ষাতেই ছিলাম। চট্টগ্রাম বন্দর আমার কাছে অপরিচিত কোনো জায়গা নয়। ছাত্র অবস্থায়ই এখানে এসেছি, শুধু জাহাজ দেখার আগ্রহে। তখন জাহাজ থেকে মাল খালাসের দৃশ্য দেখেছিলাম, সেটা ছিল একদম ভিন্ন অভিজ্ঞতা।’
তিনি আরো বলেন, ‘কিন্তু বরাবরের মতোই দুঃখ একটাই, এই বন্দরের পরিবর্তন এত ধীরগতিতে কেন? দুনিয়ার সব কিছু পাল্টে যাচ্ছে, কিন্তু এখানে তেমন পরিবর্তন নেই। এটা আজকের প্রশ্ন না। যখন গাড়ি চলে না, ট্রাক আটকে যায়, মাল খালাস করা যায় না, তখন কতবার গুরুত্বপূর্ণ প্লেন মিস করেছি। এই বিষয়গুলো নিয়ে মাঝে মাঝে কথা বলেছি, লেখালেখিও করেছি।’
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এবার যখন সুযোগ পেলাম, প্রথম দিন থেকেই চেষ্টা করছি, কীভাবে এই ব্যবস্থার পরিবর্তন আনা যায়। এটাকে কি সত্যিকারের বন্দর হিসেবে গড়ে তোলা যায় না? আমরা সত্যিই মুগ্ধ হয়েছি। প্রেজেন্টেশনে যেভাবে ছবিগুলো দেখানো হলো, ভালো লেগেছে। দুনিয়ায় অন্যরা এখানে থেমে নেই, তারা অনেক দূর এগিয়ে গেছে। দেখার সময় মনে হচ্ছিল, স্ক্রিনের এক পাশে চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান, অন্য পাশে বিশ্বের বর্তমান, তখনই বোঝা গেল আমরা কতটা পিছিয়ে আছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘সার্বিকভাবে এই বন্দরে বড় পরিবর্তনের প্রয়োজন আছে, কিন্তু কারো মনে হয় না এটার দরকার আছে। তবে ফোন ধরেন চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান সাহেব, তার কথা শুনে আশ্বস্ত হলাম, অন্তত একজন আছেন যিনি মন দিয়ে শোনেন। আমাদের কাজ হচ্ছে তাকে সহায়তা করা।’
তিনি বলেন, ‘আমি সাখাওয়াতকে বলেছি, আমি আর শুনতে চাই না, অমুক তারিখের মধ্যে সব দিয়ে দিতে হবে। যারা বন্দরের ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞ, পৃথিবীর যেখানেই থাকুক, তাদের দিয়ে এই কাজ করাতে হবে। যেভাবেই হোক। মানুষ যদি রাজি না হয়, জোরাজুরি নয়, রাজি করিয়েই করতে হবে। কারণ, এই কাজের জন্য রাজি না হওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। সবাই চায়, বন্দরের উন্নয়ন হোক। আমি আশিককে পাঠিয়েছি, যাতে সে গিয়ে মানুষকে বোঝায়, আমরা কী করতে চাই, কেন করতে চাই। সেও চেষ্টা করছে।’
ড. ইউনূস বলেন, ‘আমার চিন্তার কারণ একটাই, বাংলাদেশের অর্থনীতি যদি সত্যিই বদলাতে হয়, তাহলে চট্টগ্রাম বন্দরই আমাদের একমাত্র ভরসা। এটাকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি কোনো নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করতে পারবে না। এর পথ খুলে দিলে দেশের অর্থনীতির পথ খুলবে। আর না খুললে যতই আমরা লাফালাফি বা ঝাঁপাঝাঁপি করি, কিছুই হবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘কেন আমি এটি নিয়ে ভাবি। একজনকে বলছিলাম, চট্টগ্রাম বন্দর হচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতির হৃদপিণ্ড। হৃদপিণ্ড দুর্বল হলে ডাক্তার, পদ্ধতি সব কিছু এনে লাভ নেই। কারণ ছোট্ট এই হৃদপিণ্ডটাই যদি রোগাক্রান্ত হয়, তাহলে পুরো শরীরই চলবে না।’
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল-৫ পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা শেষে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে যাবেন প্রধান উপদেষ্টা। সেখান থেকে চট্টগ্রামের কালুরঘাট রেল কাম সড়ক সেতুর ভিত্তি প্রস্তর উন্মোচন করবেন। দুপুর দুইটায় তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ম সমাবর্তনে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে অংশ নেবেন।
সমাবর্তন শেষে বিকেলে জোবরা গ্রামে গ্রামীন ব্যাংক পরিদর্শন এবং হাটহাজারীর বাথুয়া গ্রামে নিজ পৈত্রিক নিবাসে যাবেন। সন্ধ্যায় তিনি বিমানযোগে ঢাকায় ফিরবেন।
মন্তব্য করুন


বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশকে এগিয়ে নিতে শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, মানবিক ও ভালো মানুষ না হলে দেশের উন্নতি সম্ভব না।
আজ শনিবার মিরপুর সেনানিবাসে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে (এমআইএসটি) ‘মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অ্যাপ্লাইড সাইন্স’ বিষয়ক তৃতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন তিনি।
সেনাপ্রধান বলেন, ‘শুধু ভালো ইঞ্জিনিয়ার নয়, ভালো মানুষ হতে হবে। তাহলেই দেশের উপকার হবে।’
তিনি বলেন, ‘শৃঙ্খলা মেনে চললে দেশই লাভবান হবে। উন্নয়নের জন্য প্রকৌশল শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম।’ এসময় পাঁচটি ক্যাটাগরিতে পাঁচজনকে পুরস্কার দেন তিনি।
তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, নবায়নযোগ্য শক্তি, উৎপাদন কৌশল, তাপ প্রকৌশল ও মহাকাশ গবেষণাসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়। এতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, চীন, জাপান ও বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের খ্যাতনামা গবেষক ও পেশাজীবীরা অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে স্বাক্ষরিত দেশি-বিদেশি সব ধরনের বিদ্যুৎ সংক্রান্ত চুক্তি পর্যালোচনা করা হবে বলে জানান অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানায় তিনি।
উপদেষ্টা বলেন, আগের সরকারের সময়ে কিছু পাওয়ার প্ল্যান্টের চুক্তি হয়, যেখানে বেশ কিছু অসম শর্ত রয়েছে। এসব চুক্তি পর্যালোচনার বিষয়ে হাইকোর্ট নির্দেশনা দিয়েছে। দেশি-বিদেশি সব ধরনের পাওয়ার প্ল্যান্ট চুক্তি পর্যালোচনায় আইনি সহায়তা গ্রহণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, খাদ্য মজুদ সন্তোষজনক। কী কী কেনা হবে সেটির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দিয়েছি। সবচেয়ে বেশি বোরো ধান কেনা হয়, এরপর আমন। সবচেয়ে কম কেনা হয় আউশ। সরকার বাজারে মূল্য স্থিতিশীল চেষ্টা করছে, দামের উঠানামা খুব বেশি যেন না হয়।
এ সময় উপদেষ্টা আরও জানান, জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করা হবে আগামী ৫ আগস্ট। এর নির্মাণ ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি) ৪৭তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। রোববার (২৯ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা থেকে ৪৭তম বিসিএসের আবেদন শুরু হবে। প্রার্থীরা আগামী ৩০ জানুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।
পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, ৪৭তম বিসিএস থেকে আবেদন ফি ও মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) নম্বর কমানো হয়েছে। এ বিসিএসে ভাইভা নম্বর ২০০ থেকে কমিয়ে ১০০ করা হয়েছে।
আবেদন ফি ৭০০ টাকার পরিবর্তে ২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী এবং তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের জন্য আবেদন ফি ৫০ টাকা ধরা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে ৪৭তম বিসিএসের আবেদন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও আবেদন ফি কমানোর প্রজ্ঞাপন না হওয়ায় আবেদন প্রক্রিয়া স্থগিত করে পিএসসি।
পিএসসি গত ২৮ নভেম্বর ৪৭তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১০ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে আবেদন শুরু হয়ে ৩১ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত চলার কথা ছিল। তবে বিশেষ কারণে আবেদন প্রক্রিয়া স্থগিত করা হয়।
এবার প্রথমবারের মতো বিসিএসে আবেদনকারীদের বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।
৪৭তম বিসিএসে ৩ হাজার ৪৮৭টি ক্যাডার এবং ২০১টি নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। সবচেয়ে বেশি শূন্যপদ রয়েছে স্বাস্থ্য ক্যাডারে। সহকারী সার্জন পদে ১,৩৩১টি এবং সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদে ৩০টি শূন্যপদে নিয়োগ দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


বাজেটে কালোটাকা সাদা করার সুবিধা তুলে দেয়া হবে, রাখা হতে পারে অপ্রদর্শিত অর্থ হিসেবে। আজ শনিবার গবেষণা প্রতিষ্ঠান র্যাপিড আয়োজিত বাজেট আলোচনায় এ কথা জানান পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।
উপদেষ্টা বলেন, এই সুযোগ (কালোটাকা সাদা করার সুযোগ) খুব একটা কাজে আসে না। পাঁচ কোটি টাকা দিয়ে কিনে কেউ যদি এক কোটিও দেখাতে না পারে, তাহলে এটা থাকার তো কোনো দরকার নেই। এতই যখন আলোচনা হয়েছে, তা তুলে দেয়া হোক।
এ সময় তৈরি পোশাক শিল্প মালিকরা বলেন, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন একটি প্রস্তুতিহীন পরিকল্পনা। তারা এর জন্য প্রস্তুত নন। এই উত্তরণ মান-সম্মানের ইস্যু নয়, বরং বাস্তবতা।
বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি রুবানা হক বলেন, ‘এটি একটি প্রস্তুতি পরিকল্পনা, আমরা কোনোমতেই এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের জন্য প্রস্তুত নই।’
তবে উত্তরণ পেছানোর বিপক্ষে বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান। তিনি বলেন, ‘গ্র্যাজুয়েশন আমাদের হয়ে গেছে ২০২১ সালে। এখন আমরা প্রথম তিন বছরের পর দুই বছর এক ধরনের গ্রেস পিরিয়ডে আছি। এখন নতুন করে যদি তিন বা পাঁচ বছর চাওয়া হয়–এটা এক ধরনের আবদার হতে পারে।’
অর্থনীতিবিদরা বলেন, গ্র্যাজুয়েশন-পরবর্তী প্রযুক্তির ব্যবহারে শিল্প খাতে কর্মসংস্থান কমার শঙ্কা আছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারকে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় বাড়াতে হবে।
র্যাপিড চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘হেলথে যদি পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট বেশি হয়, এডুকেশনে যদি পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট বেশি করতে পারি, স্যোশাল প্রটেকশনে যদি পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট বেশি করতে পারি–এটা হবে এমপ্লয়মেন্ট জেনারেট করার সবচেয়ে বড় জায়গা। এবং আগামী দিনে কৌশলে কিন্তু আমাদের সেটাই চিন্তা করতে হবে।’
মন্তব্য করুন


শহর ছেয়ে গেছে নির্বাচনী পোস্টারে। অথচ আমরা পোস্টার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছি। এগুলো সরাতে হবে। যারা লাগিয়েছেন সরিয়ে নিন; আমরা কঠোর হব। এসব ক্ষেত্রে উই উইল নট স্পেয়ার, আমরা ব্লাইন্ডলি উইল জাম্প ওভার দিস ভায়োলেশন। যখন তফসিল ঘোষণা হবে, তখন আমরা ঝাঁপিয়ে পড়ব।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আয়োজিত সংলাপের সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
এ সময় তিনি বলেন, ‘আপনাদের সহযোগিতা এখন অধিকতর প্রয়োজন। নরমাল ইলেকশনে আপনারা যতটুকু সহযোগিতা করেন, এই ইলেকশনে আপনাদের আরো বেশি সহযোগিতা লাগবে। কারণ এক্সট্রা বার্ডেন এসে গেছে। অনেকগুলো এক্সট্রা বার্ডেন এসে গেছে। যেটা নরমালি আগের ইলেকশন কমিশনের কাঁধে ছিল না।’
তিনি আরো বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের কাছে নিবন্ধিত সব দলই সমান, সেটা বড়-ছোট যে দলই হোক না কেন। ৫৪টি নিবন্ধিত দল আছে। এই ৫৪ দলই আমাদের কাছে সমান। নির্বাচনের আগে, নির্বাচনের দিন ও নির্বাচনের পরে কী করা যায় সে জন্য দলগুলো থেকে সুচিন্তিত পরামর্শ ও মতামত দরকার।’
রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে সিইসি বলেন, ‘নির্বাচনে খেলবেন আপনারা, আপনারাই প্লেয়ার। আমরা প্রকৃত অর্থে রেফারির ভূমিকায় থাকতে চাই। আপনাদের সহযোগিতা ছাড়া রেফারির ভূমিকা রাখা, সুষ্ঠু নির্বাচন করা মুশকিল।’
তিনি বলেন, ‘একটা ফ্রি, ফেয়ার ক্রেডিবেল ইলেকশন করতে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা মূলত দরকার। মূল প্লেয়ারদের সহযোগিতা যদি আমরা না পাই, তাহলে এটা প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন হয়ে যাবে।’
এই নির্বাচনী সংলাপ অনেক আগে থেকে করার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক নেতারা জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে আলোচনায় ব্যস্ত আছেন। প্যারালালই যদি আমরাও দলগুলোর সঙ্গে বসতাম, তাহল... এ জন্য আমরা অপেক্ষা করেছিলাম।'
গণভোট প্রসঙ্গে এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, ‘এখনো আমরা অফিশিয়ালি কিছু জানি না। এটা নিয়ে খুব আলোচনা আছে। এটাও যদি আমাদের ওপর এসে পড়ে... এমনিতেই তো একটা বিশেষ পরিস্থিতিতে একটা বিশেষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হচ্ছে। এর মধ্যে নির্বাচন করতে গিয়ে অনেকগুলো অতিরিক্ত জিনিস আমাদের ঘাড়ে এসে পড়েছে।’
মন্তব্য করুন