

অন্তর্বর্তী সরকার ‘বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্বল প্রশাসন’ কিছু মানুষের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেসসচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ‘বাস্তবে সরকার মাত্র ১৫ মাসেই তাদের প্রায় সব লক্ষ্য অর্জন করেছে।’
আজ মঙ্গলবার শফিকুল আলম তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বলছি—এটি গত কয়েক দশকে বাংলাদেশের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ সরকারগুলোর একটি। তারা তাদের প্রায় সব লক্ষ্যই অর্জন করেছে।’
কেউ কেউ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের অদক্ষতার অভিযোগ করলেও তা নাকচ করে শফিকুল আলম বলেন, ‘দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরেছে।
বিপ্লব-পরবর্তী প্রতিশোধমূলক হামলা বন্ধ হয়েছে’ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
যুক্তরাষ্ট্র এই সরকারের দুর্বলতার কারণে ‘পাল্টা শুল্ক সুবিধা দেবে না’—এমন সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক চুক্তি করা হয়েছে কোনো লবিং ফার্ম ভাড়া না করেই।’
সরকারের আইন প্রণয়ন বিষয়ক কাজের উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মাত্র ১৫ মাসে রেকর্ডসংখ্যক আইন পাস হয়েছে, যার মধ্যে বিস্তৃত শ্রম সংস্কার আইনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।’
জুলাই ঘোষণা ও সনদের প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, ‘জুলাই ঘোষণা একটি ঐতিহাসিক নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে এবং জুলাই চার্টার এমন এক রাজনৈতিক সমঝোতা গড়ে তুলেছে, যা আগামী প্রজন্মের জন্য বাংলাদেশের রাজনীতিকে পুনর্গঠন করতে পারে।’
সরকারের অন্যান্য অর্জনের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্ট নিম্ন আদালতের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছেন, ফলে ভবিষ্যতে কোনো সরকারের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জামিন বা মামলাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা অনেক কঠিন হয়ে পড়বে।’
তিনি বলেন, ‘বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ বন্দর অপারেটর লালদিয়া টার্মিনাল চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যা বাংলাদেশের শিল্প রূপান্তরের ভিত্তি স্থাপন করেছে। এটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ইউরোপীয় বিনিয়োগ।’
এ ছাড়া নতুন পররাষ্ট্রনীতি কাঠামো বাংলাদেশের অবস্থানকে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের কেন্দ্রে নিয়ে গেছে বলেও তিনি জানান।
অর্থনীতি স্থিতিশীল হয়ে পুনরায় প্রবৃদ্ধির পথে ফিরেছে উল্লেখ করে শফিকুল আলম বলেন, ‘ব্যাংকিং খাতের লুটপাট রোধ করা হয়েছে, টাকা স্থিতিশীল এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১৪ শতাংশ থেকে নেমে ৭ শতাংশ হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আদালতের কার্যক্রম অনুযায়ী, অতীতের নিপীড়নের জন্য জবাবদিহি শুরু হয়েছে এবং দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ন্যায়বোধের আবির্ভাব ঘটেছে। শেখ হাসিনাকে তার অবস্থান দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘গুম বন্ধ হয়েছে।
একসময়ের জাতীয় জীবনে আধিপত্যকারী বিএএল চরমপন্থী রাজনৈতিক সংস্কৃতি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে এবং একটি সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণ এসেছে। পূর্ববর্তী নির্যাতনের ওপর নির্মিত জনপ্রিয় প্রামাণ্যচিত্রগুলো এর প্রমাণ। এটি এক ফারুকি-ইফেক্ট।’
র্যাব এখন আইনের অধীনে পরিচালিত হয়, আর কোনো অনানুষ্ঠানিক মতবাদে নয়। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও ভিন্নমতাবলম্বীদের হয়রানি থেকে সরে এসেছে বলে শফিকুল আলম জানান।
গত ১৬ মাসে একটিও সাজানো ‘ক্রসফায়ার’ ঘটনার রিপোর্ট পাওয়া যায়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’
সরকারের আরো অনেক সাফল্য রয়েছে জানিয়ে শফিকুল আলম বলেন, ‘ইতিহাসের এক আগ্রহী পাঠক হিসেবে আমার বিশ্বাস, বাংলাদেশের ইতিহাসে এত অল্প সময়ে কোনো সরকার এত কিছু অর্জন করতে পারেনি, যতটা অন্তর্বর্তী সরকার এই ১৫ মাসে করেছে।’
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে ফার্মের ডিমের দাম কিছুটা কমেছে। গত সপ্তাহে প্রতি ডজন ডিমের দাম ১৮০ টাকা পর্যন্ত উঠলেও চলতি সপ্তাহে এর দাম কমেছে। কারওয়ান বজারে প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। তবে পাড়া-মহল্লায় খুচরা বাজারে ডিম ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকা ডজন।
শুক্রবার কল্যাণপুর ও রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে।
বাজারে ডিমের সরবরাহ বাড়ায় দাম কমেছে বলে জানান কারওয়ান বাজারের ডিম বিক্রেতা। এদিকে ক্রেতারা বলছেন, সরকার শুধু দাম বেঁধে দিলেই হবে না, নির্ধারিত দরে বিক্রি হচ্ছে কি-না সেই বিষয়ে কঠোর নজরদারি থাকতে হবে।
এদিকে সরবরাহ বাড়ানো ও দর নিয়ন্ত্রণে ঢাকায় ডিমের প্রধান দুই পাইকারি বাজার তেজগাঁও ও কাপ্তান বাজারে প্রতিদিন ২০ লাখ ডিম সরবরাহ করবে বলে জানিয়েছে করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো। কাপ্তান বাজারে বৃহস্পতিবার থেকে করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো ডিম সরবরাহ শুরু করছে।
এ কার্যক্রমের প্রধান সমন্বয়ক বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল। সংগঠনটি জানায়, প্রাথমিকভাবে ঢাকায় এ কার্যক্রম শুরু হলেও সারাদেশেই এর প্রভাব পড়বে।
বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশনের অনুমান অনুযায়ী, প্রতিদিন দেশে ডিমের চাহিদা ৪ কোটি আর উৎপাদন হচ্ছে সাড়ে চার কোটি। তবুও ডিমের দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার কারণ হিসেবে অনেকেই উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার কথা বলছেন।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারও পক্ষে অন্যায় বা বেআইনিভাবে নির্দেশনা দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
নির্বাচনী কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি জানান, নির্বাচনে আমাদের নির্দেশনা হবে সম্পূর্ণ আইনের বিধি মোতাবেক। বেআইনি নির্দেশনা, কারও পক্ষে কাজ করার নির্দেশনা দেবো না। সঠিক কাজটি, সঠিকভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেবো।
শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় মিলনায়তনে ‘নির্বাচন কর্মকর্তা সম্মেলন-২০২৫’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
সিইসি বলেন, আমাদের ওপর আস্থা আছে বলেই প্রধান উপদেষ্টা বারবার বলছেন- ঐতিহাসিক নির্বাচন করবো। আমরা অনুরাগ, বিরাগের বশবর্তী না হয়ে, আইন মেনে কাজ করবো।
কারাবন্দি ও সরকারি কর্মকর্তাদের ভোটে আনার (ভোটাধিকার প্রয়োগের) কথা ভাবছেন জানিয়ে সিইসি বলেন, এবারের নির্বাচন বিশেষ পরিস্থিতিতে হচ্ছে। তাই আমাদের বিশেষভাবে এটা মোকাবিলা করতে হবে। বিশেষভাবে এটাকে ফেইস করতে হবে। যারা বিদেশে আছেন তাদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করবো। যারা জেলখানায় আছেন, যারা সরকারি কর্মকর্তা তাদের ভোটে আনার কথা ভাবছি। এই কাজগুলো নতুন। আমরা একসঙ্গে অনেক কাজ নিয়ে ফেললাম।
নির্বাচনী কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমরা যে শপথ করেছি সেটা আপনাদের কাছে ছড়িয়ে দিলাম। আমরা আমাদের শপথ রক্ষা করতে পারবো যদি আপনারা সঠিকভাবে কাজ করেন। দায়িত্ব আপনাদের কাছে দিয়ে দিলাম। আমাদের মাসুদ সাহেব (নির্বাচন কমিশনার) শপথের কথা বলেছেন, এখানে কোরআনের আয়াত আলোচনা হয়েছে। আমি অত বিস্তারিত আর যাবো না। আমরা শপথ নিয়েছি পাঁচজন। শপথ নিয়েছি, কিসের শপথ? একটা সঠিক নির্বাচনের শপথ।
সিইসি আরও বলেন, আমি কিন্তু গত বছরের ২ মার্চ পহেলা রমজানে আপনাদের শপথ করিয়েছিলাম। আপনারা কিন্তু ওয়াদা করেছিলেন যে নিরপেক্ষভাবে কাজ করবেন এবং প্রফেশনালি কাজ করবেন, আইন মেনে কাজ করবেন। আমাদের ব্রিগেডিয়ার ফজল সাহেব (নির্বাচন কমিশনরা) বলেছেন যে আমরা কোনো রকমের কোনো অন্যায় ইন্সট্রাকশন এখান থেকে দেবো না। আমরা কিন্তু বেআইনি কোনো ইন্সট্রাকশন দেবো না। আমরা কাউকে ফেভার করার জন্য ইন্সট্রাকশন দেবো না। আমরা কারও পক্ষে কাজ করার জন্য ইন্সট্রাকশন দেবো না। আমাদের ইন্সট্রাকশন হবে সম্পূর্ণ আইনের বিধি মোতাবেক। আইন মোতাবেক, সঠিক কাজটি সঠিকভাবে করার নির্দেশনা আমরা দেবো। সঠিকভাবে আপনারা কাজ করবেন এটা নিশ্চিত করতে হবে। আপনারা কাজটা সঠিকভাবে করছেন এটা শুধু আপনাদের জন্য না, এটা দেশের জন্য করতে হবে।
নিরপেক্ষভাবে কাজ করার জন্য এ সময় সিইসি কর্মকর্তাদের হাত তুলে আল্লাহকে সাক্ষী রেখে শপথ করতে বলেন। কর্মকর্তারা হাত তুলে সে শপথ করেন।
এ এম এম নাসির উদ্দিন আরও বলেন, কাজ আদায় করা ডিফিকাল্ট- এখন এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছি। আমরা অনেক চ্যালেঞ্জ নিচ্ছি, যার কিছু অদৃশ্য। আমি পজিটিভ মানুষ, নেগেটিভ কিছু দেখতে চাই না।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, তাহমিনা আহমেদ, আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ, নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ভারতে যাচ্ছে ৩ হাজার ৯৫০ টন ইলিশ। এ লক্ষ্যে ৭৯টি প্রতিষ্ঠানকে রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয় থেকে এ অনুমোদন দিয়ে আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
৭৯টি প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেককে ৫০ টন করে রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ইলিশ মাছ রপ্তানির বিষয়ে পাওয়া আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করে শর্ত সাপেক্ষে এসব প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের নামের নির্ধারিত পরিমাণ ইলিশ ভারতে রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হলো।
রপ্তানির শর্তে বলা হয়, রপ্তানি নীতি ২০২১-২০২৪ এর বিধি-বিধান অনুসরণ করতে হবে, শুল্ক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে রপ্তানির অনুমতি পাওয়া পণ্যের কায়িক পরীক্ষা যথাযথভাবে করতে হবে, প্রতিটি কনসাইনমেন্ট জাহাজীকরণ শেষে রপ্তানি সংক্রান্ত সব কাগজপত্র ই-মেইল করতে হবে এবং অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি রপ্তানি করা যাবে না।
প্রতিটি পণ্যচালান রপ্তানিকালে শুল্ক কর্তৃপক্ষ এসোডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেম পরীক্ষা করে অনুমোদিত পরিমাণের অতিরিক্ত পণ্য রপ্তানি না করার বিষয়টি নিশ্চিত হবেন, এ অনুমতির মেয়াদ আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। তবে সরকার মৎস্য আহরণ ও পরিবহণের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বিধি-নিষেধ আরোপ করলে তা কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এ অনুমতির মেয়াদ শেষ হবে।
এতে আরও বলা হয়, সরকার প্রয়োজনে যেকোনো সময় ইলিশ মাছ রপ্তানি বন্ধ করতে পারবে। এ অনুমতি কোনোভাবেই হস্তান্তরযোগ্য নয় এবং অনুমোদিত রপ্তানিকারক ব্যতীত সাব কন্ট্রাক্টে রপ্তানি করা যাবে না।
মন্তব্য করুন


২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার বাংলা ২য় পত্র, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) এবং ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিষয়ে প্রশ্ন কাঠামো ও নম্বর বিভাজনে পরিবর্তন এনেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।
রোববার (০৫ অক্টোবর) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবিরের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
নতুন কাঠামো অনুযায়ী, বাংলা দ্বিতীয় পত্রের রচনামূলক অংশে অনুবাদ প্রশ্ন বাতিল করা হয়েছে। আগে এই অংশে অনুবাদের জন্য ১০ নম্বর বরাদ্দ ছিল, যা এখন সংবাদ প্রতিবেদনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। ফলে এখন থেকে রচনামূলক অংশে অনুচ্ছেদ রচনা, চিঠিপত্র, সারাংশ বা সারমর্ম, ভাব সম্প্রসারণ, সংবাদ প্রতিবেদন ও প্রবন্ধ— এই ছয়টি বিভাগ থাকবে।
অন্যদিকে আইসিটি বিষয়ের প্রশ্ন কাঠামোয় সংক্ষিপ্ত–উত্তর প্রশ্ন বাদ দেয়া হয়েছে। সংক্ষিপ্ত–উত্তরের ১০ নম্বর যুক্ত করা হয়েছে বহুনির্বাচনী অংশে, ফলে এখন থেকে বহুনির্বাচনী প্রশ্নের জন্য মোট ২৫ নম্বর বরাদ্দ থাকবে। তত্ত্বীয় অংশে ২৫টি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন থাকবে এবং ব্যবহারিক অংশে মোট ২৫ নম্বরের কাজ করতে হবে— যন্ত্রসংযোগ, প্রতিবেদন প্রণয়ন ও মৌখিক পরীক্ষা মিলিয়ে এটি হবে।
এ ছাড়া, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিষয়ে প্রশ্ন কাঠামোয় পরিবর্তন আনা হয়েছে। ফিন্যান্স অংশ থেকে ৮টি ও ব্যাংকিং অংশ থেকে ৭টিসহ মোট ১৫টি সংক্ষিপ্ত–উত্তরের প্রশ্ন থাকবে। এর মধ্যে যেকোনো একটি বিভাগ থেকে অন্তত চারটি প্রশ্নসহ মোট ১০টির উত্তর দিতে হবে। সৃজনশীল প্রশ্ন ৮টি থাকবে, যার মধ্যে ৫টির উত্তর দিতে হবে, প্রতিটি অংশ থেকে ন্যূনতম ২টি করে। বহুনির্বাচনী প্রশ্ন থাকবে ৩০টি, প্রতিটির মান ১।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় নতুন প্রশ্ন কাঠামো কার্যকর হবে। এছাড়া, দশম শ্রেণির নির্বাচনী পরীক্ষায়ও (টেস্ট এক্সাম) বাংলা ২য় পত্র, আইসিটি এবং ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিষয়ের প্রশ্ন এই নতুন কাঠামো অনুযায়ী প্রস্তুত করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টিকে ‘অতীব জরুরি’ উল্লেখ করে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষক, অভিভাবক এবং ২০২৬ সালের পরীক্ষার্থীদের এ নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


৪৩তম বিসিএসের ২৬৭ জন কর্মকর্তাকে বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারে সহকারী কমিশনার হিসেবে নিয়োগ/পদায়ন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
শুক্রবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষার ফলাফল অনুসারে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নবনিয়োগ শাখা গত ৩০ ডিসেম্বর তারিখের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২৬৭ জন কর্মকর্তাকে বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারে সহকারী কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, নিয়োগ পাওয়া সহকারী কমিশনারদের চাকরি শিক্ষানবিশ সহকারী কমিশনার হিসেবে উপযুক্ত পদে পদায়ন করার জন্য তাদের বিভাগীয় কমিশনারের অধীনে ন্যস্ত করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, এসব কর্মকর্তাকে আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে বিভাগীয় কমিশনারের কাছে যোগদান করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যোগদান করা সহকারী কমিশনারদের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, সঞ্চয়পত্রের মুনাফা হার বাড়িয়ে দিলে সবাই সঞ্চয়পত্র কিনবে, ব্যাংকে টাকা রাখবে না। ব্যাংকেও তো তারল্যের ব্যাপার আছে। ব্যালেন্স করে দেখতে হবে। সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে দিলে ব্যাংক কোত্থেকে টাকা পাবে?
আজ শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যাংক পুনর্বাসনের বিষয়ে অর্থ উপদেষ্টা জানান, খারাপ ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংক পুনর্বাসনের চেষ্টা করছে। ইসলামী ব্যাংক এর একটি উদাহরণ। এ ব্যাংকে আস্থা ফিরে আসছে। অন্য ব্যাংকগুলোর জন্য ব্যাংক রেজুলেশন অ্যাক্ট করা হয়েছে। এটার প্রথম শর্ত হলো যারা ব্যাংকে টাকা জমা দিয়েছে, তাদের টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। কারও টাকা মার যাবে না। একটু সময় লাগতে পারে। কারণ টাকা নিয়ে চলে গেছে অনেকে। পৃথিবীর কোনো দেশে এরকম ঘটনা ঘটেনি।
এনবিআরে চলমান অস্থিরতা প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সমস্যা সমাধানে তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা হচ্ছে। আলোচনার মাধ্যমে যা যা করা লাগবে আমরা করব। পাঁচ সদস্যের একটি শক্তিশালী কমিটিও করে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারী আনতে আমরা নিশ্চিত করছি ব্যবসার জন্য ১০-১২ জায়গায় যেতে না হয়। যত ধরনের ছাড়পত্র আছে, সেগুলো আমরা কেন্দ্রীয়করণের চেষ্টা করছি।
এ সময় উপদেষ্টার সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলম, নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব চৌধুরী, নবীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নতুন উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ও মানবাধিকারকর্মী চৌধুরী রফিকুল আবরার (সি. আর. আবরার)। বুধবার (৫ মার্চ) বেলা ১১টা ৬ মিনিটে রাজধানীর রাষ্ট্রপতির বাসভবন ও কার্যালয় বঙ্গভবনে তাকে উপদেষ্টা হিসেবে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান শুরু হয় বেলা ১১টায়। অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর কোরআন থেকে তিলাওয়াত করা হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, নবনিযুক্ত এই উপদেষ্টা শিক্ষা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এতদিন অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ শিক্ষা ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। নতুন উপদেষ্টা নিয়োগের পর তিনি শুধু পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকবেন। নতুন একজন উপদেষ্টা যুক্ত হওয়ায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে প্রধান উপদেষ্টাসহ মোট উপদেষ্টার সংখ্যা দাঁড়াল ২৩ জন।
উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে চলে যান। ওই দিনই মন্ত্রিসভা বিলুপ্ত হয়। পরদিন ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভেঙে দেন। এরপর ৮ আগস্ট শপথ নেয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেন শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ওই সময় ১৬ জন উপদেষ্টা নিয়োগ পান। তবে ঢাকা ও দেশের বাইরে থাকায় তিনজন উপদেষ্টা ওই দিন শপথ নিতে পারেননি। তারা পরে শপথ নেন। এরপর আরও চারজন উপদেষ্টা অন্তর্বর্তী সরকারে যুক্ত হন। সর্বশেষ ১০ নভেম্বর তিনজন উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, গত বছরের ২০ ডিসেম্বর বিমান ও পর্যটন এবং ভূমি উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ মারা যান। সর্বশেষ গত ২৫ ফেব্রুয়ারি নতুন রাজনৈতিক দলে যোগ দিতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম পদত্যাগ করেন। এরপর সরকারে প্রধান উপদেষ্টাসহ মোট উপদেষ্টার সংখ্যা দাঁড়ায় ২২ জন।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
গত ১৫ বছরে পুলিশ বাহিনীতে ৮০ থেকে ৯০ হাজার সদস্যকে রাজনৈতিক পরিচয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।
সোমবার (৯ ডিসেম্বর) মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, গত ১৫ বছরে পুলিশ বাহিনীতে নিয়োগের আগে নানাভাবে তাদের তথ্য যাচাই করা হয়েছে। নিয়োগ পার্থী কোন দলের, তার বাবা কোন দলের, দাদা কোন দলের এবং আরও পূর্বপুরুষ কোন দলের তা খবর নেওয়া হয়েছে। দুই লাখ পুলিশের মধ্যে ৮০ থেকে ৯০ হাজার পুলিশ সদস্য এভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন।
তিনি বলেন, এই ৮০ থেকে ৯০ হাজার পুলিশ সদস্যকে তো বলতে পারি না ‘গো হোম’ (বাসায় ফিরে যাও)। তবে যারা দুষ্টু, যারা পেশাদারত্বের বাইরে গিয়ে নানা অপকর্মে লিপ্ত হয়েছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সাজ্জাত আলী আরও বলেন, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে যখন পুলিশ ইনঅ্যাক্টিভ হয়ে পড়ে, তখন ঢাকা শহরে ডাকাতি, লুটপাট শুরু হয়। তখন ৮০ বছরের বৃদ্ধও লাঠি নিয়ে পাহাড়া দিয়েছেন। তখন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ট্রমার মধ্যে পড়ে যায়। এরপর সদ্যবিদায়ী ডিএমপি কমিশনারসহ অন্যরা পুলিশকে সক্রিয় করতে কাজ শুরু করেন।
তিনি বলেন, ঢাকা শহরের প্রধান সমস্যা ট্রাফিক। এই শহরে বিপুল সংখ্যক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করছে। অটোরিকশা যদি বন্ধ না হয় তাহলে ঢাকা শহরের ঘর থেকে বের হলে আর হাঁটার জায়গা থাকবে না। মানুষের মুভমেন্ট বন্ধ হয়ে যাবে।
এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ঢাকা শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত বিশৃঙ্খল অবস্থায় রয়েছে। ট্রাফিক আইন কেউ মানতে চান না। হকাররা ফুটপাত দখল করে নিয়েছেন। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কাজ শুরু করেছি। ট্রাফিক আইনে দ্বিগুণ হারে মামলা করা হচ্ছে। ঢাকাবাসীর সহযোগিতা ছাড়া ট্রাফিক ব্যবস্থা উন্নত হবে না।
ইদানিং ছিনতাইয়ের ঘটনা অহরহ হচ্ছে জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, বিভিন্নভাবে আমাকে জানানো হয়েছে ছিনতাই বেড়েছে। ছিনতাই প্রতিরোধে ডিবি ও থানা পুলিশকে সক্রিয় করা হয়েছে।
তিনি বলেন, চাঁদাবাজি হচ্ছে, কিন্তু সমাজ থেকে প্রতিরোধ করা না গেলে চাঁদাবাজি বন্ধ করা কঠিন। আপনারা কেউ চাঁদা দেবেন না। আমরা পুলিশ জনগণের পাশে থাকবো।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ঢাকা মহানগর পুলিশ পেশাদারিত্বের বাইরে গিয়ে কাজ করেছে বলে মন্তব্য করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, এ ঘটনায় আমি ঢাকাসহ দেশবাসীর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
তিনি বলেন, ডিএমপির ওই সময়ের অপেশাদার আচরণের কারণে বদলি ও দোষী সদস্যদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের দেশত্যাগের ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ইমিগ্রেশন পুলিশের সদস্যসহ তিন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
বৃহস্পতিবার (৮ মে) পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) ইনামুল হক সাগর এ তথ্য জানায়।
তিনি জানান, সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের দেশত্যাগের ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ইমিগ্রেশন পুলিশের একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এছাড়া আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জের সদর থানায় দায়েরকৃত মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এবং পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) একজন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এর আগে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের নয় মাস পর বুধবার (৭ মে) দিনগত রাত ৩টা ৫ মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে দেশ ছাড়েন সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।
বিমানবন্দর ইমিগ্রেশন সূত্র জাগো নিউজকে জানায়, আবদুল হামিদ শারীরিকভাবে খুবই অসুস্থ। নিরাপত্তার অভাবের অজুহাতে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নেননি। তাই উন্নত চিকিৎসার জন্য গতকাল রাত ১১টার দিকে সাধারণ যাত্রীবেশে শাহজালাল বিমানবন্দরে যান আবদুল হামিদ। এ সময় তার মুখে মাস্ক ও মাথায় ক্যাপ ছিল। পরে ইমিগ্রেশনের প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে দেশ ছাড়ার সবুজ সংকেত দেওয়া হয়।
পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) ইমিগ্রেশন বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, আজ সকালে কর্মস্থলে এসে আবদুল হামিদের দেশত্যাগের বিষয়টি জানতে পেরেছি। তিনি বিদেশ যাওয়ার কারণ হিসেবে চিকিৎসার অজুহাত দেখিয়েছেন।
গত ১৪ জানুয়ারি কিশোরগঞ্জ সদর থানায় আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। এই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের আরও অনেকে আসামি হয়েছেন।
কিন্তু তারপরও কেন আবদুল হামিদকে দেশ ত্যাগের অনুমতি দেওয়া হলো- এমন প্রশ্নের জবাবে ইমিগ্রেশন পুলিশের ওই কর্মকর্তা জানান, আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জের মামলার বিষয়টি ইমিগ্রেশন বিভাগ অবগত ছিল। কিন্তু তার বিদেশ সফরের বিষয়ে আদালত বা দুদক থেকে কোনো নিষেধাজ্ঞা ছিল না। তাই তার বিদেশযাত্রায় বাধা দেওয়া হয়নি। আর এমনিতেই আবদুল হামিদ শারীরিকভাবে অসুস্থ।
সূত্র: জাগো নিউজ২৪
মন্তব্য করুন


ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মোহাম্মদ সাজ্জাত আলী বলেছেন, হরতালসহ যেকোনো নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগসহ কোনো গোষ্ঠী যদি হরতাল বা অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে নাশকতার চেষ্টা করে, তাহলে তাদের কঠোরভাবে দমন করা হবে। শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) একুশে বইমেলার নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
তিনি আরও বলেন, বইমেলার নিরাপত্তায় ডিএমপির পাশাপাশি র্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও নিয়োজিত থাকবে। এবার বইমেলা চলাকালীন টিএসসি থেকে দোয়েল চত্বর পর্যন্ত সড়ক সারাদিন বন্ধ থাকবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও এর আশেপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বইমেলা চলাকালীন এক মাস ঢাবি এলাকায় কোনো ভারী যানবাহন চলাচল করতে পারবে না।
ডিএমপি কমিশনার আরও উল্লেখ করেন, বইমেলায় উস্কানিমূলক কোনো বই যেন না থাকে, সে বিষয়ে বাংলা একাডেমিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বইমেলার নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নিশ্ছিদ্র করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, বইমেলায় খাবারের দোকানগুলোতে যাতে অতিরিক্ত মূল্য ধার্য করা না হয়, সে বিষয়ে পুলিশকে নজরদারি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রাজধানীতে চলমান বিভিন্ন আন্দোলন প্রসঙ্গে সাজ্জাত আলী বলেন, ছোট ছোট আন্দোলনের নামে রাস্তা বন্ধ করা উচিত নয়। তিনি আরও বলেন, পুলিশের উদ্দেশ্য কাউকে আঘাত করা নয়, বরং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা।
মন্তব্য করুন