

অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাব কেটে যাওয়ায় বরিশাল থেকে সব ধরনের নৌযান চলাচলের অনুমতি দিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ। সোমবার (১৫ মে) সকাল ৯টা থেকে অভ্যন্তরীণ ১১টি ও দূরপাল্লার একটি সব মিলিয়ে ১২টি রুটে লঞ্চ চলাচল শুরু হয়েছে।
বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন বরিশাল নদী বন্দর কর্মকর্তা মো. আব্দুর রাজ্জাক।
আব্দুর রাজ্জাক জানান, এর আগে ঘূর্ণিঝড় মোখার কারণে ২ দিন সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ। আবহাওয়া স্বাভাবিক হওয়ায় সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে।
এর আগে ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাবে পায়রা সমুদ্র বন্দরে ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ঘোষণার পর বরিশালের অভ্যন্তরীণ রুটের লঞ্চ চলাচল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় বিআইডব্লিউটিএ। শুরুতে শুধুমাত্র যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হলেও পরবর্তীতে বরিশালের ১২টি নৌরুটে সব ধরনের নৌযান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে বিআইডব্লিউটিএ। এমনকি সব ধরনের নৌযান নিরাপদে নোঙর করে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
সৈয়দ মেহেদী হাসান/এবিএস
মন্তব্য করুন


স্থানীয়
সরকার বিভাগের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ দ্রুত, সাশ্রয়ী ও জনবান্ধবভাবে বাস্তবায়নের
নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেছেন, জনগণের কল্যাণই সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের মূল লক্ষ্য এবং জনগণের অর্থের
এক টাকাও যেন অপচয় না হয়, সেদিকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
বৃহস্পতিবার
(১৪ মে) সচিবালয়ে qস্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে স্থানীয় সরকার বিভাগ ও সিটি কর্পোরেশন
কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির
বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী
বলেন, প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্প জনগণের স্বার্থে গ্রহণ করা হয় এবং জনগণের অর্থেই বাস্তবায়িত
হয়। তাই প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করতে হবে।
একই সঙ্গে প্রকল্প ব্যয় যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে হবে।
তিনি
আরো বলেন, উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারের ভাবমূর্তি যেমন উজ্জ্বল হয়, তেমনি কোনো
ধরনের অনিয়ম বা গাফিলতি পুরো মন্ত্রণালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন করতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট
কর্মকর্তা ও প্রকল্প পরিচালকদের আরো দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
স্থানীয়
সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তা, বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশনের প্রতিনিধি এবং উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকরা
উপস্থিত ছিলেন। সভায় চলমান প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি, ব্যয় ব্যবস্থাপনা এবং ভবিষ্যৎ
কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সভায়
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার
পাশাপাশি জনসেবার মান বাড়াতে আধুনিক ও টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্তব্য করুন


পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল- মামুন বলেছেন, গত ঈদে আমাদের শুধু লক্ষ্য ছিল যাত্রীদের নিরাপদ গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া। এবার একদিকে যাত্রীরা গন্তব্যে যাবেন
অন্যদিকে পশুবাহী ট্রাক এবং পশুবাহী নৌকা যাতায়াত করবে রাস্তায় এবং নদীতে। এর সাথে মৌসুমি ফলের গাড়িও আসবে। দেশবাসীকে সবকিছু বিবেচনা করে আশ্বস্ত করতে চাই সরকার
বিভিন্ন মুখী ব্যবস্থা নিয়েছে। গতবারের চেয়ে এবারের ঈদে চ্যালেঞ্জ একটু বেশি হবে।এটা সবাইকে মাথায় রাখতে বলবো।
শনিবার দুপুর ১টার দিকে আসন্ন ঈদ উল আজহা উপলক্ষ্যে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক পরিদর্শনে গিয়ে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড়ে পুলিশ বক্সের সামনে তিনি এসব কথা বলেন। আইজিপি বলেন, ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, সড়ক মন্ত্রীর
দপ্তর, রেলওয়ে মন্ত্রালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রালয়, পুলিশ হেডকোয়ার্টার এবং প্রত্যেকটি জেলায় সব স্টক হোল্ডার, মালিক শ্রমিকদের সঙ্গে মিটিং করেছি। আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করছি। আশা
করছি এবারও সবার সহযোগীতায় যাত্রীদের যথাসময়ে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করবো।
গতবারের ঈদের যাতায়াত ব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুন্দর ছিল। ওই অভিজ্ঞতাকে মাথায় রেখে আমাদের নিরাপত্তা সাজিয়েছি।গরুর হাটগুলো সর্বক্ষণ নিরাপত্তা দেওয়া হবে। হাটে পশুর দড়ি ধরে টানা হেঁচড়া , চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠে। যদি কেউ কোনো ট্রাক বা নৌকা থামায় তাদের বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের হুশিয়ার দিয়ে বলতে চাই এই কাজগুলো করবেন না। যদি করেন তাহলে আইনের যে প্রয়োগ করা দরকার সেটাই করবো।
ব্যবসায়ী ও ইজারাদার,গরুর মালিকদের কোন সমস্যা হলে নিকটস্থ পুলিশের সহয়তা নিন। যদি কাছাকাছি কাউকে না পান তাহলে ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিন। আইজিপি আরো বলেন, আমরা রাস্তা
থেকে সর্ব্বোচ্চ চেষ্টা করবো। তবে অনেক সময় আবহাওয়ার কারণে সমস্যা হয়। ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার বিষয়ে আমরা সচেতন আছি। মহাসড়কের কোথাও যদি অটোরিকশা চলে তাহলে আমাদের জানাবেন। আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেব।এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-অতিরিক্ত আইজি (হাইওয়ে) মো. শাহাবুদ্দিন খান, হায়দার আলী খান, পুলিশের হেড কোয়ার্টার এআইজি (মিডিয়া) মো. মঞ্জুর রহমান প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


শারদীয় দুর্গাপূজা, ফাতেহা ই ইয়াজদাহম,
লক্ষ্মী পূজা ও প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকবে নয় দিন। তবে সাপ্তাহিক
ছুটি সহ বর্ধিত ছুটি হবে ১১ দিন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক ক্যালেন্ডারের
তথ্য বলছে, শারদীয় দুর্গা পূজার ছুটি শুরু হবে আগামী ৯ অক্টোবর। যা চলবে ১৭ অক্টোবর
(বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত। তবে পরবর্তী দুই দিন শুক্রবার ও শনিবার হওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
খুলবে আগামী ২০ অক্টোবর থেকে। এর মধ্যে আগামী ১৩ অক্টোবর বিজয়া দশমীর ছুটি, ফাতেহা
ই ইয়াজদাহম এর ছুটি ১৫ অক্টোবর, লক্ষ্মী পূজা ও প্রবারণা পূর্ণিমা ছুটি ১৬ অক্টোবর।
আর এ দিকে শারদীয় দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক
ছুটি মিলিয়ে চলতি মাসে টানা তিন দিনের ছুটি পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা। বিজয়া দশমীর
সরকারি ছুটি থাকবে আগামী ১৩ অক্টোবর রবিবার। তার আগে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি।
দেশের সব সরকারি ও আধা-সরকারি অফিস এবং স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে
এ ছুটি থাকবে।
তবে যেসব অফিসের সময়সূচি ও ছুটি তাদের
নিজস্ব নিয়মকানুনে নিয়ন্ত্রিত হয় বা যেসব চাকরি সরকারিভাবে অত্যাবশ্যক তাদের ক্ষেত্রে
নিয়ম কিছুটা ভিন্ন। সে ক্ষেত্রে সেসব অফিস, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান নিজস্ব আইন অনুযায়ী
জনস্বার্থ বিবেচনা করে এ ছুটি ঘোষণা করবে।
মন্তব্য করুন


সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত রয়েছে এমন ব্যক্তি বা সত্তার এবং
তাদের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করার বিধান যুক্ত করে সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন করেছে উপদেষ্টা পরিষদ।
আজ রোববার (১১ মে) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান
উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের এক বৈঠকে
এই খসড়া অনুমোদন করে উপদেষ্টা পরিষদ।
বৈঠকের সারসংক্ষেপে বলা হয়, কতিপয় সন্ত্রাসী কার্য প্রতিরোধ
এবং উহাদের কার্যকর শাস্তির বিধানসহ আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়ন করার
নিমিত্ত সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ প্রণয়ন করা হয়।
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, কোন ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী
কার্যের সহিত জড়িত রয়েছে মর্মে যুক্তিসঙ্গত কারণের ভিত্তিতে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন
দ্বারা, ঐ ব্যক্তিকে তফসিলে তালিকাভুক্ত করতে পারে বা সত্তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা ও তফসিলে
তালিকাভুক্ত করতে পারে। তবে বর্তমান আইনে কোন সত্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধকরণের বিষয়ে
কোন বিধান নেই।
এই বিষয়টি স্পষ্টীকরণসহ বিধান সংযোজন আবশ্যক হেতু সন্ত্রাস বিরোধী
আইন, ২০০৯ কে সময়োপযোগী করে আইনের অধিকতর সংশোধন সমীচীন ও প্রয়োজন।
বর্ণিত প্রেক্ষাপটে সন্ত্রাস বিরোধী আইন সংশোধন করে সত্তার কার্যক্রম
নিষিদ্ধ করা, প্রয়োজনীয় অভিযোজন করা এবং অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার নিষিদ্ধকরণের
বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সেনাবাহিনীর কমিশন প্রাপ্ত কর্মকর্তারা নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব এই প্রজ্ঞাপন জারি করেন।
ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ১২(১) ধারা অনুযায়ী, সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের এই ক্ষমতা দেওয়া হয়। এই ধারা অনুযায়ী সরকারকে মেট্রোপলিটনের বাইরে যে কোনো ব্যক্তিকে বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। পুলিশের ক্ষেত্রে সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার নিচে কাউকে দায়িত্ব প্রদান করা না গেলেও অন্যদের ক্ষেত্রে এ ব্যাপারে আইনে শর্ত আরোপ করা হয়নি।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭(১) ধারা অনুযায়ী ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা (সেনা কর্মকর্তা) সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের (জেলা প্রশাসক) তত্ত্বাবধানে কাজ করবেন।
গ্রেফতার, তল্লাশি ও বেআইনি সমাবেশ ভঙ্গের ক্ষমতা: প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। এসব ধারা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারা কাউকে আটক বা গ্রেফতার বা গ্রেফতারের আদেশ, তল্লাশির আদেশ ও বেআইনি সমাবেশ ভঙ্গের জন্য আদেশ দিতে পারবেন।
গ্রেফতার বা গ্রেফতারের আদেশ: ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪ ও ৬৫ ধারায় একজন ম্যাজিস্ট্রেট তার উপস্থিতিতে ও এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে কোনো অপরাধ করলে তিনি নিজে অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারবেন অথবা অন্য কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের আদেশ দিতে পারবেন। এছাড়া ৮৩ ও ৮৪ ধারা অনুযায়ী অধিক্ষেত্রের বাহিরে কার্যকরের জন্য পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। আইনের ৮৬ ধারার বিধান মতে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দিতে পারবেন অথবা অপরাধ জামিনযোগ্য না হলে তাকে আদালতে পাঠাবেন।
তল্লশি সংক্রান্ত আদেশ: ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ৯৫(২) ধারার বিধানমতে তিনি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশক্রমে ডাক বা টেলিগ্রাম বিভাগের দ্বারা তল্লাশি পরিচালনা করবার ও উক্ত দলিল, পার্সেল বা ব্যক্তি আটক করার ব্যবস্থা করতে পারবেন। ১০০ ধারার বিধানমতে কোনো ব্যক্তিকে বেআইনিভাবে আটক করার বিশ্বাসযোগ্য সংবাদ পেলে তল্লাশি পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। ১০৫ ধারার বিধানমতে নিজ উপস্থিতিতেও ম্যাজিস্ট্রেট তল্লাশির আদেশ দিতে পারবেন।
শান্তিরক্ষায় মুচলেকা গ্রহণ: শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা থাকলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী শান্তি শান্তিরক্ষায় সদাচরণের মুচলেকা গ্রহণ করতে পারবেন। ১০৯ ধারার বিধানমতে অধিক্ষেত্রের মধ্যে ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তির কাছ থেকে মুচলেকা নিতে পারবেন। ১১০ ও ১২৬ ধারা অনুযায়ী অভ্যাসগত অপরাধীর কাছ থেকে জামিনদারসহ বা জামিনদার ছাড়াও শান্তিরক্ষায় মুচলেকা নিতে এবং প্রয়োজনে মুচলেকা বাতিল করতে পারবেন।
বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গের আদেশ দান: ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৭ ধারা অনুযায়ী সর্বসাধারণের শান্তি বিনষ্ট হওয়ার কারণ হতে পারে এই ধরনের পাঁচ বা তারবেশি ব্যক্তির সমাবেশ ছত্রভঙ্গের আদেশ দিতে পারেন। আদেশ অমান্য করলে ১২৮ ধারা অনুযায়ী একজন ম্যাজিস্ট্রেট সমাবেশ ভঙ্গে বল প্রয়োগের আদেশ দিতে পারেন। ১৩০ ধারার বিধান অনুযায়ী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে প্রয়োজনে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের গ্রেফতার করতে পারবেন।
এছাড়াও ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩৩ ধারা অনুযায়ী একজন ম্যাজিস্ট্রেট পথ, নদী, খাল বা প্রকাশ্য স্থানে বেআইনি বাঁধা অপসারণ, ব্যবসা বা সংরক্ষিত এলাকায় মানুষের আরাম আয়েশের বিঘ্ন ঘটানো, গৃহ বা তাবু হতে ক্ষতিকর বস্তু বা বৃক্ষ অপসারণ, জলাশয় ঘেরাও, বিপজ্জনক প্রাণী ধ্বংস বা আটক ইত্যাদি আদেশ দিতে পারেন। কোনো ব্যক্তি ১৪২ ধারার বিধান মতে ক্ষতি এড়াতে কোনো ব্যক্তির উপর নির্দিষ্ট স্থানে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারেন।
মন্তব্য করুন


ঢাকা মহানগরসহ দেশের সকল বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে ডিমের মূল্য স্থিতিশীল ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে বাজারে অভিযান।
আজ (১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগরসহ সারা দেশে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ডিমের মূল্য স্থিতিশীল ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে বাজার তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করে।
উল্লেখ্য, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকাতে অধিদপ্তরের ৪ জন কর্মকর্তার নেতৃত্বে ৪ টি টিম কর্তৃক ঢাকা মহানগরীর মালিবাগ, কাপ্তান বাজার, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা ও জুরাইন এলাকায় বাজার তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
আজ দেশের ৩০টি জেলায় অধিদপ্তরের ৩৩টি টিমের পরিচালিত এ অভিযানে ৮১টি প্রতিষ্ঠানকে ২,৩২,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানান, ভোক্তা অধিকার রক্ষায় অধিদপ্তরের এসকল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে ।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন,পহেলা বৈশাখের মাঝে বাঙালি
খুঁজে পায় নিজস্ব ঐতিহ্য,সংস্কৃতি ও চেতনার স্বরূপ।
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি আজ দেয়া এক বাণীতে বলেন, শুভ
নববর্ষ-১৪৩১’ পহেলা বৈশাখ বাঙালি জাতির জীবনে পরম আনন্দের একটি দিন। আনন্দঘন
এই দিনে আমি দেশে ও বিদেশে বসবাসরত সকল বাংলাদেশিকে জানাই বাংলা নববর্ষের
শুভেচ্ছা। ২০১৬ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা বিশ্ব
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাষ্ট্রদর্শন ও আদর্শের
অন্যতম ভিত্তি ছিল দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশ ও জাতীয় চেতনার উন্মেষ। সেই চেতনায়
উজ্জীবিত হয়ে বঙ্গবন্ধু কারারুদ্ধ জীবনে সহবন্দিদের নিয়ে নববর্ষ উদযাপন
করেছিলেন। জাতীয় সংস্কৃতির এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি জাতি হিসেবে বাঙালির জন্য
পরম গৌরব ও মর্যাদার।
রাষ্ট্রপতি আরো বলেন,পহেলা বৈশাখের মাঝে বাঙালি খুঁজে পায় নিজস্ব
ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও চেতনার স্বরূপ। দুঃখ, জরা, ব্যর্থতা ও মলিনতাকে ভুলে সবাই জেগে
ওঠে নব আনন্দে, নব উদ্যমে। বৈশাখের আগমনে বেজে উঠে নতুনের জয়গান। ফসলি সন
হিসেবে মোঘল আমলে যে বর্ষগণনার সূচনা হয়েছিল,সময়ের সাথে আজ সমগ্র বাঙালির
অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক স্মারক উৎসবে পরিণত হয়েছে।
এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের
আত্মবিকাশ ও বেড়ে ওঠার প্রেরণা। বৈশাখ শুধু উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।বাঙালি
সংস্কৃতির বিকাশ,আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মুক্তিসাধনায় পহেলা বৈশাখ এক অবিনাশী শক্তি।
বাংলাদেশের অভ্যুদয় ও গণতান্ত্রিক বিকাশে সংস্কৃতির এই শক্তি রাজনৈতিকতন্ত্রের
চেতনাকে দৃঢ় ও বেগবান করে।
"পহেলা বৈশাখ আমাদেরকে উদার হতে শিক্ষা দেয় এবং একটি আদর্শ জাতিকে মানব সমাজের অনুপ্রাণিত হয়ে
বিশ্বমানবের সঙ্গে মিশে যাওয়ার শক্তি জোগায়। এই উদারনৈতিক চেতনাকে ধারণ করে
বঙ্গবন্ধুর রাষ্ট্রদর্শন, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আদর্শ এবং রাষ্ট্রভাষা চেতনার
বহ্নিশিখা অন্তরে ধারণ করে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত, সুখী-সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ
বিনির্মাণ হোক আজকের দিনে সকলের অঙ্গীকার।"
ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে সকলে মিলে নাচ-গান, শোভাযাত্রা,
আনন্দ-উৎসব, হরেক রকম খাবার ও বাহারি সাজে বৈশাখকে বরণ করে নেয় উৎসবপ্রেমী বাঙালি
জাতি। নতুন বছরে যাত্রাপালা, পুতুলনাচ, লোকসংগীত, গ্রামীণ খেলাধুলা, মেলাসহ
নানাবিধ বর্ণিল আয়োজন মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেয় আনন্দ ও সম্প্রীতির নতুন
বার্তা।
রাষ্ট্রপতি প্রত্যাশা - সকল অশুভ ও অসুন্দরের ওপর সত্য ও
সুন্দরের জয় হোক। ফেলে আসা বছরের সব শোক-দুঃখ-জরা দূর হোক, নতুন বছর জাতীয় ও ব্যক্তিজীবনে
নিয়ে আসুক অনাবিল সুখ ও সমৃদ্ধি।
মন্তব্য করুন


কালীপূজা
উপলক্ষে দুই দিন বন্ধ থাকছে দেশের চতুর্দেশীয় স্থলবন্দর বাংলাবান্ধা। ১২ এবং ১৩ নভেম্বর
কালীপূজায় ২দিন বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকার তথ্যটি
নিশ্চিত করেছেন বাংলাবান্ধা সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম।
তিনি জানিয়েছেন, রবিবার ১২ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে
হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী কালীপূজা। পূজা উদযাপন উপলক্ষ্যে উভয় দেশের
এক্সপোর্টার, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ওয়েলফেয়ার ও ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে আলোচনা
সভার ভিত্তিতে এই দুদিন স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত
গ্রহণ করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত চিঠি উভয় দেশের কাস্টমস,ব্যবসায়ী সংগঠন, ও বন্দর কর্তৃপক্ষসহ
সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক
থাকবে।
বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)
নজরুল ইসলাম বলেছেন, পূজায় বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ
থাকবে তবে স্বাভাবিক থাকবে ইমিগ্রেশনে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত ।
মন্তব্য করুন


স্টাফ রিপোর্টার।।
কুমিল্লাস্থ মনোহরগঞ্জ উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা ও নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
গত শনিবার (১৬ মে) রাতে কুমিল্লা টাউন হলের মুক্তিযোদ্ধা কর্নারে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের জন্য ৩৩ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়।
নতুন কমিটিতে মো. আবুল কালাম আজাদকে (নঈম আজাদ) সভাপতি, অধ্যাপক সরওয়ার জাহান ভূঁইয়া দোলনকে সিনিয়র সহ-সভাপতি, মো. জসীম উদ্দিন পাটোয়ারীকে সাধারণ সম্পাদক এবং প্রথম আলোর কুমিল্লা প্রতিনিধি মো. আবদুর রহমানকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, "কুমিল্লাস্থ মনোহরগঞ্জ উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির আজকের অনুষ্ঠান দেখে আমি অভিভূত। মনোহরগঞ্জের এত মানুষ কুমিল্লায় কর্মরত ও বসবাস করেন তা আজ জানতে পারলাম।"
তিনি আরও বলেন, মনোহরগঞ্জ উপজেলা উন্নয়নের দিক থেকে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। কুমিল্লায় যারা প্রতিষ্ঠিত, তারা সুযোগ পেলেই যেন নিজ এলাকায় ছুটে যান এবং সবাই মিলে উপজেলাকে এগিয়ে নেন। এছাড়া মাদক, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি এবং বাল্যবিয়ে রোধে সকলকে অগ্রণী ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
সংগঠনের বিদায়ী সভাপতি এ. কে. এম মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. জসীম উদ্দিন, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আবদুল হাকিম, সোনালী ব্যাংক পিএলসি-এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহজাহান ভূঁইয়া, মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইলিয়াস পাটোয়ারী ও সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহ সুলতান খোকন।
অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক সরওয়ার জাহান ভূঁইয়া দোলন ও সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুস সালাম। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সমিতির সাবেক সভাপতি মো. গোলাম ছরওয়ার মজুমদার, বর্তমান সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট দেওয়ান সামসুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম, কুমিল্লা এভারকেয়ার স্পেশালাইজড হসপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. বোরহান উদ্দিন প্রমুখ।
সভা শেষে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী দুই বছরের জন্য অনুমোদিত পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়।
কমিটির অন্যান্য পদের দায়িত্বে আছেন— সহ-সভাপতি: অ্যাডভোকেট দেওয়ান সামসুল হক, মো. বদিউল আলম নাছির, মো. আবদুস ছালাম এবং মো. হারুনুর রশীদ ভূঁঞা। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম, ধীরেন্দ্র কিশোর মজুমদার এবং মো. মোখতার হোসেন। এছাড়া দপ্তর সম্পাদক মো. সেলিম রাজা, অর্থ সম্পাদক মো. ওমর ফারুক, আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. জামাল উদ্দিন, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. আশিকুর রহমান রব্বানী, শিক্ষা সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক ইঞ্জি. আবুল কালাম আজাদ, সমাজ ও ছাত্র কল্যাণ সম্পাদক সাফায়েত হোসেন সজল, ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক আবদুল বাশার, তথ্য ও প্রচার সম্পাদক মো. বেলায়েত হোসেন এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক পদে বেগম গুলশান বেগম নির্বাচিত হয়েছেন।
কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্যরা হলেন— মো. গোলাম ছরওয়ার মজুমদার, আব্দুল খালেক মোল্লা, সিরাজুল ইসলাম, এ. কে. এম মাসুদুর রহমান, অ্যাডভোকেট আবদুল বাতেন মজুমদার, আমির হোসেন মন্টু, বিল্লাল হোসেন, বেগম তাহমিনা আক্তার ঝর্ণা, মো. নজরুল ইসলাম, বিধান কুমার মজুমদার, মো. ফারুক, মো. তোফায়েল হোসেন এবং মো. আমির হোসেন।
সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক মো. গোলাম ছরওয়ার মজুমদারের স্বাক্ষরে এই পূর্ণাঙ্গ কমিটি চূড়ান্ত করা হয়।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন