

নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীরের শীর্ষ নেতা মো: আব্দুল বাতেনকে (৬০) আটক করেছে র্যাব-২।
৩ সেপ্টেম্বর রোববার রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
র্যাব-২ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিয়র এএসপি শিহাব করিম জানান, সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালের ইস্যু করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি মো: আব্দুল বাতেন হিযবুত তাহরীরের শীর্ষ জঙ্গি নেতা এবং দাওয়াতি ও অর্থ বিভাগের সক্রিয় সদস্য। তিনি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিষিদ্ধ ঘোষিত উগ্র জঙ্গিবাদী বই প্রচার ও তরুণ প্রজন্মকে জঙ্গিবাদে উৎসাহিত করে আসছিলেন। তিনি হিযবুত তাহারীর বাংলাদেশ শাখার আমিরের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন এবং বিভিন্ন মসজিদে রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী লিফলেট বিতরণ ও দাওয়াতি কাজ করতেন। আসামি বাতেন বিভিন্ন ছদ্মবেশ ধারণ করে গত পাঁচ বছর ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে আত্মগোপনে থেকে জঙ্গি সংগঠনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখেন। তার বিরুদ্ধে ডিএমপির শেরেবাংলা নগর থানা ও হাজারীবাগ থানায় একটি করে এবং মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর থানায় দুটিসহ মোট ৪টি মামলা রয়েছে। আসামির বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশকে বিদেশে পাচারকৃত অর্থ উদ্ধার এবং বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হেলেন লাফেভ আজ বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) ঢাকার তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে লাফেভ বিদায়ী সাক্ষাৎকালে এ আশ্বাস দেন।
হেলেন লাফেভ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই বাংলাদেশকে পরামর্শ ও অন্যান্য সহায়তা দিয়ে অর্থ উদ্ধার এবং তা বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করছে।
‘চুরি করা টাকা ফেরত দেওয়া কঠিন, কিন্তু এটা অসম্ভব নয়,’ বলেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা অবশ্যই এটি করব।’
এসময় একজন শীর্ষ কূটনীতিক হিসেবে লাফেভের দায়িত্ব পালন ও সেবার প্রশংসা করেন প্রধান উপদেষ্টা। একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্ক এগিয়ে নিতে তার আন্তরিক প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন তিনি।
জুলাই-আগস্টে শিক্ষার্থী-নেতৃত্বাধীন গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণ করে হেলেন লাফেভ বলেন, ‘আমি ইতিহাসের সাক্ষী হতে পেরে খুবই গর্বিত।’
এসময় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিকেনের একটি চিঠি অধ্যাপক ইউনূসের কাছে হস্তান্তর করেছেন মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টাকে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ ক্যাম্প থেকে উত্তর আমেরিকার দেশে পুনর্বাসন ত্বরান্বিত করছে।
আলোচনায় বিচারিক সংস্কার, দক্ষিণ এশীয় বিদ্যুৎ সংযোগ, সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ, স্বৈরচারী সরকার আমলে বাংলাদেশ থেকে চুরি হওয়া কয়েক বিলিয়ন ডলার দেশে ফেরানোর প্রচেষ্টা, বেসামরিক আমলাতন্ত্রের সংস্কার এবং শ্রম সমস্যাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয়েছে।
তাঁর সরকার ব্যাপক শ্রম সংস্কার করতেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করার প্রয়াসে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তা বাংলাদেশ সফর করবেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হেলেন লাফেভ।
মন্তব্য করুন


হাইকোর্ট এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫ লাখের বেশি শিক্ষক ও কর্মচারীকে ৬ মাসের মধ্যে অবসর ভাতা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছে ।
বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ রায় দেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এই রায় বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।
রায়ে হাইকোর্ট বলেছে, এটা চিরন্তন সত্য যে শিক্ষকরা রিটায়ারমেন্ট বেনিফিট পেতে বছরের পর বছর ঘুরতে হয়। এই হয়রানি থেকে তারা কোনভাবেই পার পান না। একজন প্রাথমিকের শিক্ষক কত টাকা বেতন পান, সেটাও বিবেচনায় নিতে হবে। এজন্য তাদের অবসরভাতা ৬ মাসের মধ্যে দিতে হবে আর এই অবসরভাতা পাওয়ার জন্য শিক্ষকরা বছরের পর বছর দ্বারে দ্বারে ঘুরতে পারে না। যেখানে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শিক্ষকদের প্রতি সহানুভূতিশীল। প্রধানমন্ত্রীর মনোভাব ইতিবাচক দৃষ্টিতে নিয়েই শিক্ষকদের অবসর ভাতা কিভাবে দ্রুত দেওয়া যায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে মাথায় রাখতে হবে।
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট প্রবিধানমালা, ১৯৯৯ এর প্রবিধান-৬ এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা প্রবিধানমালা, ২০০৫ এর প্রবিধান-৮ অনুযায়ী শিক্ষক ও কর্মচারীদের মূল বেতনের ২ ভাগ এবং ৪ ভাগ কর্তনের বিধান ছিল। যার বিপরীতে শিক্ষকদের ট্রাস্টের তহবিল হতে শিক্ষক ও কর্মচারীদের কিছু আর্থিক সুবিধা প্রদান করা হতো। কিন্তু ২০১৭ সালের ১৯ এপ্রিল উল্লিখিত প্রবিধানমালাগুলোর শিক্ষক ও কর্মচারীদের মূল বেতনের ২ ভাগ এবং ৪ ভাগ কর্তনের বিধানগুলো সংশোধন করে তা ৪ ভাগ এবং ৬ ভাগ করে দুইটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে শিক্ষক ও কর্মচারীদের মূল বেতনের ২ ভাগ এবং ৪ ভাগ কর্তনের পরিবর্তে ৪ ভাগ এবং ৬ ভাগ কর্তনের বিধান করা হলেও উক্ত অতিরিক্ত অর্থ কর্তনের বিপরীতে শিক্ষক ও কর্মচারীদের কোন বাড়তি আর্থিক সুবিধা প্রদানের বিধান করা হয়নি।
এই অতিরিক্ত অর্থ কর্তনের বিপরীতে কোন আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধি না করায় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় পাঁচ লাখ শিক্ষক ও কর্মচারীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়। এই অতিরিক্ত অর্থ কর্তনের আদেশ বাতিলের জন্য শিক্ষক-কর্মচারীরা সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও কোন পদক্ষেপ নেয়নি। পরে শিক্ষকরা মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচী পালন করে। এতেও কর্তৃপক্ষ নীরব থাকেন। এরপর শিক্ষক ও কর্মচারীগণ ২০১৯ সালে হাইকোর্টে রিট করেন। রিটে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়।
প্রাথমিক শুনানি শেষে ওই বছরের ১৫ এপ্রিল বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এবং বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত প্রজ্ঞাপনটি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবেনা তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে। পরে আরেকটি সম্পুরুক আবেদনে ২০১৭ সালে জারি করা দুটি প্রজ্ঞাপানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করলে বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল জারি করেন। এসব রুলের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে রায় ঘোষণার জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করে দেয় হাইকোর্ট।
এদিকে পাঁচ লক্ষাধিক শিক্ষক ও কর্মচারীর বেতনের ১০ ভাগ কর্তনের বিপরীতে আর্থিক সুবিধা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। আদালত বলেছে, দশ ভাগ কর্তন করলে সে পরিমাণ সুবিধা শিক্ষকদের দিতে হবে। একেক সময় একেক ধরনের সিদ্ধান্ত কাম্য নয়। আদালতে শিক্ষকদের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। রিটকারীদের পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া রায়ের বিষয়টি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


শনিবার (১৩ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে রমনায় নিরাপত্তার সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে ব্রিফিংকালে বর্ষবরণ ঘিরে হামলার শঙ্কা নেই জানিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেছেন, পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে আয়োজিত উৎসবে নিরাপত্তার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
ডিএমপি কমিশনার বলেন,পহেলা বৈশাখের উৎসব বাঙালি সংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশ কিন্তু সেই আয়োজনে অতীতে হামলা হয়েছে। তাই নিরাপত্তার জন্য আমরা শতভাগ প্রস্তুত রয়েছি। তবে সন্ধ্যার আগে সব অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, মানুষে পহেলা বৈশাখ পালনের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। রাজধানীতে বিভিন্ন সংগঠন বিভিন্ন আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়েছে। যেসব জায়গায় অনুষ্ঠান হবে, ডিএমপির পক্ষ থেকে সেসব জায়গা পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। ডিবি, এসবিসহ গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।
হাবিবুর রহমান বলেন, ঢাকার বিভিন্ন স্পট ওয়াচ টাওয়ার, ড্রোন ক্যামেরা, সিসি ক্যামেরা দ্বারা পর্যবেক্ষণ রাখবে ডিএমপি।
যানবাহন চলাচলের জন্য কিছু জায়গায় ডাইভার্শন দেওয়া থাকবে উল্লেখ করেও তিনি বলেন, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করা হবে আজ সন্ধ্যা থেকেই। আগামীকাল রোববারও (১৪ এপ্রিল) যানবাহন চলাচলে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


আজ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফৌজদারহাটে চলন্ত লরি উল্টে একটি প্রাইভেট কার চাপা পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এসময় প্রাইভেট কারে থাকা ৪ যাত্রী অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেছেন।
আজ সকাল ১০টার দিকে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের সামনে ঢাকামুখী লেইনে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চলন্ত অবস্থায় হঠাৎ একটি কাভার্ডভ্যান উল্টে প্রাইভেটকারের ওপর পড়ে যায়।
সে সময় ভেতর থেকে ‘বাঁচাও বাঁচাও’ বলে চিৎকার শোনতে পেয়ে, স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়।
কুমিরা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সুলতান মাহমুদ চৌধুরী বলেন, লরি উল্টে প্রাইভেট কারের ওপর চাপা পড়েছিল।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ১১টার দিকে লরি সরিয়ে প্রাইভেট কারে থাকা চালকসহ ৪ যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। তারা সামান্য আহত হয়েছেন। চালককে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বারো আউলিয়া হাইওয়ে থানার ওসি বেলাল উদ্দিন জাহাঙ্গীর বলেন, ভয়াবহ এ দুর্ঘটনায় প্রাইভেট কারে থাকা চার যাত্রী প্রাণে বেঁচে গেছেন। দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেট কার ও লরি জব্দ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বরিশালে
সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার ( ২৬মে ) গৌরনদী উপজেলার
বাটাজোর নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা
হলেন—উজিরপুর উপজেলার
ফিরোজ মাহমুদ (৩৬), তার স্ত্রী মনিরা বেগম (২৬) ও তাদের কন্যাসন্তান জান্নাত
(৪)।
প্রত্যক্ষদর্শী
ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহতরা মোটরসাইকেল আরোহী ছিলেন। তারা বরিশাল থেকে মোটরসাইকেলযোগে
গৌরনদী যাচ্ছিলেন। বাটাজোর এলাকায় পৌঁছালে বরিশালগামী তাজ আনন্দ পরিবহনের ধাক্কায়
তারা ঘটনাস্থলে নিহত হন।
ঘটনার
সত্যতা নিশ্চিত করে গৌরনদী থানার ওসি মো. তারিখ হাসান রাসেল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা
তাজ আনন্দ পরিবহনটি আটক করেছি। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।’
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে গত ১ জুলাই অজ্ঞাতনামা এক পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরবর্তীতে ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। নাম আকরাম উল্লাহ (৪২) যিনি ছিলেন পেশায় কাভার্ড ভ্যানচালক,বাড়ি নোয়খালীর সেনবাগ উপজেলায়।
আকরাম হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কাহিনী বের করে এনেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিট।
সংস্থাটির কর্মকর্তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ভুক্তভোগী কাভার্ড ভ্যানচালকের প্রেমিকা রোজিনা বেগম রোজিকে (২৩) গ্রেপ্তার করেছে। ৩ জুলাই খুলনা নগরের ফুলবাড়ি গেট মিন্টুর মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেখানে বড় বোনের বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন রোজি। গত বৃহস্পতিবার আকরাম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে চট্টগ্রাম আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পিবিআই কর্মকর্তারা জানান, আকরাম উল্লাহ এবং রোজির দুজনেরই আলাদা সংসার ছিল। নোয়াখালীর সেনবাগ এলাকার বাসিন্দা আকরামের সংসারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তার বড় ছেলে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। অন্যদিকে রোজির বিয়ে হয় বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলার কবীর মোল্লার সঙ্গে। তাদের সংসারে ৫ বছর বয়সী এক কন্যা সন্তান রয়েছে।
পিবিআই সূত্র আরো জানায়, রোজি এবং তার তার স্বামী দুজনেই পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। কিন্তু করোনাকালীন সময়ে তারা দুজনেই বেকার হয়ে যান। সংসার চালাতে রোজির স্বামী ওই সময় ইপিজেড থানার লেবার কলোনিতে একটি চায়ের দোকান দেন। ২০২০ সালে সেই চায়ের দোকানে প্রায় সময় চা খেতে আসতেন আকরাম। ওইসময় রোজি ও তার স্বামী কবীরের সঙ্গে আকরামের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কবীর মাঝেমধ্যে দোকানের বাইরে গেলে তখন আকরামকে ক্যাশে বসিয়ে যেতেন। একপর্যায়ে রোজির সঙ্গে আকরামের প্রেমের সম্পর্ক হয়। কিছুদিনের মধ্যে সেই সম্পর্কের বিষয় জানতে পারেন কবীর। এনিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে তার কয়েকবার ঝগড়া হয়।
এরপর রোজির সঙ্গে আকরামের প্রেম ঠেকাতে কবীর স্ত্রীকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে চলে যান। সেখানে কয়েকমাস থেকে কবীর জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে চলে যান। ২০২২ সালে রমজান মাসের আগে রোজি পুনরায় চট্টগ্রাম চলে আসেন এবং মেয়েকে নিয়ে তার ভাই মিজানের কলসীদিঘীর পাড় এলাকার বাসায় থাকা শুরু করেন। একই সঙ্গে তিনি পুনরায় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি শুরু করেন। এরই মধ্যে তার সঙ্গে আবার সেই পুরনো প্রেমিক ও কাভার্ড ভ্যানচালক আকরামের যোগাযোগ হয়। দুজনে মিলে আলাদা বাসায় ওঠার সিদ্ধান্ত নেন।
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে রোজি তার মেয়েকে খুলনা বোনের বাড়িতে রেখে আসেন। এরপর আকরামকে নিয়ে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে ঘটনার ৩ মাস আগে একটি ভাড়া বাসায় উঠেন। সেখানে দুই মাস থেকে তারা জুনের শুরু থেকে ইপিজেড থানার নিউমুরিং কেবি ম্যানশনের তৃতীয় তলার ৩০৭ নম্বর রুমে উঠেন। বাসাটিতে একমাস থেকে চলে যাওয়ার কথা ছিল দুজনের। কিন্তু তার আগেই খুন হন আকরাম।
হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রোজি পিবিআই কর্মকর্তাদের জানান, আকরাম কয়েকমাস ধরে বেকার ছিলেন। তারা একসঙ্গে থাকলে বেশিরভাগ খরচ চালাতে হত রোজিকে। এই খরচের পাশাপাশি মেয়ের জন্য বোনের কাছে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া লাগত রোজির। টানাপড়েনে পড়ে মাঝেমধ্যে স্বামী কবীরের কাছ থেকে টাকা নিতেন রোজি। সবমিলিয়ে তিনি বাসা ভাড়া ও খাবারের খরচ চালাতেন। কিন্তু আকরাম তেমন কোনো টাকা খরচ করতে পারতেন না। এনিয়ে প্রায় সময় দুজনের মধ্যে ঝগড়া হত।
এরই মধ্যে গত ৩০ জুন রোজির স্বামী কল করে তাকে শরীরের গোপন অংশের ছবি ও ভিডিও পাঠাতে বলেন। কথামতো রোজি ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ইমো অ্যাপস ব্যবহার করে পাঠানোর চেষ্টা করে। কিন্তু মোবাইলের কোনো জটিলতায় তিনি এগুলো স্বামীর কাছে পাঠাতে পারেননি। তবে এগুলো মোবাইলের গ্যালারিতে সেভ হয়ে যায়। এদিকে রোজির মোবাইল ফোনে আকরাম এসব গোপন ছবি-ভিডিও দেখে উত্তেজিত হয়ে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে রোজির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করেন।
কিন্তু ওই সময় রোজির পিরিয়ড চলছিল। এ কারণে তিনি আকরামকে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতে বারণ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রোজির স্বামীকে সব জানিয়ে দেবে বলে হুমকি দিতে থাকে আকরাম। এ জন্য আকরাম রোজির মোবাইল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় দুজনের মধ্যে হাতাহাতি হয়।
একপর্যায়ে রোজি আকরামের গোপন অঙ্গে সজোরে চেপে ধরে। এতে আকরাম দাঁড়ানো থেকে মেঝেতে পড়ে যায় এবং মাথায় আঘাত পেয়ে অজ্ঞান হয়ে যায়। এ সময় নাক দিয়ে রক্ত পড়তে দেখে একটি রশি দিয়ে আকরামের গলা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে মৃত্যু নিশ্চিত করে রোজি। এরপর তাকে খাটের নিচে লুকিয়ে রাখে।
পরদিন ১ জুলাই সকাল ১১টার দিকে বাসায় তালা লাগিয়ে রোজি খুলনার উদ্দেশ্যে বের হয়। তিনি নিউমুরিং গিয়ে খুলনার টিকিট কাটেন। তবে ওই সময় খুলনা না গিয়ে তিনি পুনরায় বাসায় ফিরে আসেন। এরপর বাসায় থাকা রক্তমাখা তোয়ালে ও আকরামের রক্তমাখা হাফ হাতা গোল গেঞ্জি বাসার পেছনের ময়লার ড্রেনের মধ্যে ফেলে দেয়। বিকেলে বাড়ির কেয়ারটেকার এসে রোজিকে বাসা ছেড়ে দিতে বলে। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রোজি পুনরায় বাসায় তালা লাগিয়ে খুলনার উদ্দেশ্যে বের হয়। প্রথমে একটি অটোরিকশাযোগে তিনি নগরের অলংকার মোড়ে বের হন। সেখান থেকে রাত ৯টায় বাসযোগে খুলনা চলে দিয়ে বোনের বাসায় ওঠেন। ওই বাসা থেকেই পিবিআই কর্মকর্তারা তাকে গ্রেপ্তার করে।
পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিটের পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. মাসুদ পারভেজ এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বলেন, রোজি এবং আকরাম দুজনেরই আলাদা সংসার রয়েছে। তারা দুজনে মিলে বিয়ে না করে অবৈধভাবে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে একত্রে থেকেছেন। একপর্যায়ে সম্পর্কের টানাপড়েনের জেরে কৌশলে আকরামকে হত্যা করে রোজি। হত্যাকাণ্ডের আগে থেকে আকরামের সঙ্গে তার পরিবারের তেমন যোগাযোগ ছিল না। তবে হত্যাকাণ্ডের পর খবর পেয়ে আকরামের স্বজনরা তার মরদেহ নিয়ে যায় এবং তার বড় ছেলে আশরাফুল ইসলাম রাজু বাদী হয়ে ইপিজেড থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে।
মন্তব্য করুন


আওয়ামী লীগের নিবন্ধন
বাতিল করে তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক
পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
আজ শুক্রবার
(২ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবে আমার বাংলাদেশ-এবি পার্টির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর
অনুষ্ঠানে তিনি এ দাবি জানান।
এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ
ইসলাম বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক আলোচনার
মূল বিষয় হলো সংস্কার, নির্বাচন এবং আওয়ামী লীগের
বিচার। এই তিনটি বিষয় একে অপরের পরিপূরক এবং এর মাধ্যমেই গণতান্ত্রিক রূপান্তর
সম্ভব। ৫ আগস্ট দেশের জনগণ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে, তারা আর রাজনীতি করতে পারবে না। জনগণই তাদের ভাগ্য
নির্ধারণ করবে, যা ভোটের মাধ্যমে অথবা
গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রকাশ পাবে। ইতিহাসে একটি গণঅভ্যুত্থান হয়েছে, যেখানে জনগণ মুজিববাদ ও আওয়ামী লীগকে প্রত্যাখ্যান
করেছে। জনরোষের ভয়ে আওয়ামী লীগের নেতারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। তাই তাদের রাজনীতি
করার নৈতিক ভিত্তি নেই। এখন আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের রাজনীতি থেকে বের করে
দেওয়াই একমাত্র উপায়। অবিলম্বে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল এবং তাদের সাংগঠনিক
কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা উচিত।
নাহিদ ইসলাম সংস্কারের
প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে বলেন, দেশের সব রাজনৈতিক দল সংস্কারের কথা বলছে। একটি মৌলিক
সংস্কারের মাধ্যমে শাসনব্যবস্থা ও ক্ষমতা হস্তান্তরের পথ প্রশস্ত করতে হবে।
অন্যথায় জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে না।
মন্তব্য করুন


গাছে গাছে ঝুলছে পরপক্ক বিভিন্ন জাতের আম। কয়েকদিনের মধ্যেই জমে উঠবে আমের রাজধানীখ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম বাজারগুলো। ইতোমধ্যে গাছ থেকে পাড়া শুরু হয়েছে গোলাপভোগ ও গুটি জাতের আম। এর মধ্যে কৃষকদের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখা। তবে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ঘূর্ণিঝড় মোখার তেমন কোনো প্রভাব না থাকায় স্বস্তি পেয়েছেন আমচাষি ও ব্যবসায়ীরা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ বা এর আশেপাশে সরাসরি আঘাত না হানলেও কক্সবাজার বা চট্রগ্রাম আঘাত হানলে এর প্রভাবে ঝড় ও টানা বৃষ্টির আশঙ্কা ছিল। এতে গাছ থেকে আম ঝরে ও টানা বৃষ্টিতে ছত্রাকের আক্রমণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে বলে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল আমচাষি ও ব্যবসায়ীদের মনে। তবে ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাবে ঝড় বা বাতাস কিছুই হয়নি চাঁপাইনবাবগঞ্জে। এতে রক্ষা পেয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকার আম।
মন্তব্য করুন


আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে আজ (শুক্রবার) থেকে ৮ জোড়া বিশেষ ট্রেন নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী চলাচল করবে।
৮ জোড়া বিশেষ ট্রেন সম্পর্কে জানা যায়, ঈদুল ফিতরে চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল (১ ও ৩) চট্টগ্রাম-চাঁদপুর; চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল (২ ও ৪) চাঁদপুর-চট্টগ্রাম; ময়মনসিংহ ঈদ স্পেশাল (৫ ও ৬) চট্টগ্রাম-ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম; দেওয়ানগঞ্জ ঈদ স্পেশাল (৭ ও ৮) ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ-ঢাকা রুটে শুক্রবার (৫ এপ্রিল) থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত এবং ঈদের পরে ৫ দিন চালানো হবে।
কক্সবাজার ঈদ স্পেশাল (৯ ও ১০) চট্টগ্রাম-কক্সবাজার-চট্টগ্রাম রুটে ঈদের আগে (৮ ও ৯) এপ্রিল ও ঈদের পরের দিন থেকে ৩ দিন চলাচল করবে।
এছাড়া শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল (১১ ও ১২) ভৈরব বাজার-কিশোরগঞ্জ-ভৈরব বাজার; শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল (১৩ ও ১৪) ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ রুটে শুধু ঈদের দিন চলাচল করবে।
ঈদ স্পেশাল (১৫ ও ১৬) জয়দেবপুর-পার্বতীপুর-জয়দেবপুর রুটে ঈদের আগে ৭-৯ এপ্রিল পর্যন্ত ৩ দিন এবং ঈদের পরের দিন থেকে ৩ দিন চলাচল করবে।
কিন্তু ঈদুল ফিতরের দিন সব আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে বিশেষ সিদ্ধান্তে দু-একটি কমিউটার ট্রেন চলাচল করবে। তবে কোন কোন ট্রেন চলবে তা ঈদের দুই দিন আগে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শুক্রবার (৫ এপ্রিল) সকালে ঢাকা বিভাগীয় রেলওয়ের বাণিজ্যিক কর্মকর্তা শাহ আলম কিরণ শিশির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঈদের দিন সব আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে কয়েকটি কমিউটার ও মেইল ট্রেন চলাচল করবে। তবে রেলওয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, মেইল ট্রেনের মধ্যে শুধু ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চট্টগ্রাম মেইল চলাচল করবে।
মন্তব্য করুন


বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক
উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, পরিস্থিতি জটিল না হলে গ্যাস-বিদ্যুতের
দাম বাড়ানো হবে না। আমরা চাই দাম সহনীয় রাখতে। চেষ্টা করবো জনপ্রত্যাশা পূরণ করতে।
আপাতত নির্বাহী আদেশে আর বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হবে না। যে সব প্রকল্প
চুক্তির প্রক্রিয়ায় রয়েছে, সেগুলো বন্ধ থাকবে।
রবিবার (১৮ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদ
সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।
মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বিদ্যুৎ জ্বালানি
ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর দুপুরে প্রথম সচিবালয়ে
আসেন।
এ সময় তিনি আরও বলেন, নির্বাহী আদেশে
আর বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম নির্ধারণ করা হবে না। দাম সমন্বয় করতে হলে বাংলাদেশ এনার্জি
রেগুলেটরি কমিশনে পাঠানো হবে। অতিরিক্ত যেকোন ব্যয় বন্ধ করে মিতব্যয়িতা নীতি গ্রহণ
করতে হবে, কিন্তু কাজ কমানো যাবে না। কম অর্থে বেশি কাজ করতে হবে।
মন্তব্য করুন