

দেশের তরুণদের স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রমকে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গঠনের ভিত্তি হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, “যুবদের প্রতিটি ছোট ছোট প্রচেষ্টাই দেশের জন্য মস্ত বড় অর্জনের পথ তৈরি করবে।”
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় রাজধানীতে আয়োজিত ‘ইয়্যুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২৫’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি তারুণ্যের শক্তিকে জাতির চালিকাশক্তি হিসেবে বর্ণনা করেন। প্রফেসর ইউনূস বলেন, “যখন একটি দেশের যুবসমাজ সক্রিয়, উদ্যমী এবং উদ্ভাবনী শক্তিতে বলীয়ান হয়, তখন কোনো প্রতিবন্ধকতাই তাদের অগ্রযাত্রাকে থামাতে পারে না।”
তিনি তরুণদের স্বেচ্ছাসেবাকে আত্ম-উন্নয়ন, চরিত্র গঠন এবং নেতৃত্ব বিকাশের এক আদর্শ মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “আমরা চাই তরুণরা সমাজের নীতি নির্ধারক, উদ্ভাবক এবং পরিবর্তনের স্থপতি হয়ে উঠুক।”
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, স্বাস্থ্যখাতে তরুণদের একটি ক্ষুদ্র উদ্যোগ হাজারো শিশুকে রোগমুক্ত রাখতে পারে, শিক্ষা ক্ষেত্রে তাদের প্রচেষ্টা শিক্ষার মান উন্নত করতে পারে এবং পরিবেশ রক্ষায় তাদের সম্মিলিত প্রয়াস ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ পৃথিবী নিশ্চিত করতে পারে।
অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবামূলক বিভিন্ন উদ্যোগে অবদান রাখা তরুণদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রফেসর ইউনূস বলেন, এ স্বীকৃতি যেন নতুন উদ্দীপনায় সমাজ পরিবর্তনের কাজে তাদের আরও এগিয়ে নিয়ে যায়।
মন্তব্য করুন


সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার বিষয়ে কোনো ঘোষণা সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেছেন, "সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার বিষয়ে কে ঘোষণা দিয়েছে, আমি জানি না।"
মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।
সরকারি চাকরিজীবীরা মহার্ঘ ভাতা পাচ্ছেন কিনা—এমন প্রশ্ন করলে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, "মহার্ঘ ভাতার বিষয়ে এখনো আমরা কোনো সিদ্ধান্ত নেইনি।"
এ বিষয়ে সরকার কি সরে আসছে? এমন প্রশ্নে তিনি পাল্টা প্রশ্ন করেন, "মহার্ঘ ভাতার ঘোষণা কে দিল?"
সাংবাদিকরা জানান, জনপ্রশাসন সচিব মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা বলেছেন। জবাবে উপদেষ্টা বলেন, "কে ঘোষণা দিয়েছে আমি জানি না। আমরাতো ঘোষণা দেইনি। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রস্তাব আসলে তারপরে সিদ্ধান্ত নেব, দেব কি দেব না।"
তিনি আরও বলেন, "অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে কোনো প্রস্তাবনা গেছে কিনা, তা জানতে চাই। তবে আমরা এখনো ঘোষণা দেইনি বা সিদ্ধান্ত নেইনি।"
সম্প্রতি সাড়ে ১৪ লাখ সরকারি চাকরিজীবীকে মূল বেতনের সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ হারে মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার একটি খসড়া প্রস্তুত করেছিল অর্থ বিভাগ। তবে বাড়তি ৫ শতাংশ বার্ষিক বৃদ্ধি (ইনক্রিমেন্ট) বাদ দেওয়ারও সুপারিশ করা হয়।
অর্থ বিভাগের হিসাবে, মহার্ঘ ভাতা বাস্তবায়নে এক অর্থবছরে অন্তত পাঁচ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত খরচ হবে। তবে আপাতত মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরকার সরে এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
মন্তব্য করুন


চাকরির জন্য নয় মানুষের জন্ম হয়েছে উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর খিলজি রোডে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) ভবন-২ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, মানুষ কারো চাকরি করার জন্য আসেনি। মানুষের জন্ম হয়েছে উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য। কাজেই সেদিকে যেন আমরা যেতে পারি, সবাইকে সেই সুযোগ যেন দিতে পারি।
তিনি বলেন, এখন মানুষ বহু রকমের উদ্যোক্তা হয়েছে। আমরা কারও তালিকা করে রাখিনি। কাজেই আরও সুযোগ আসছে। এর বড় কারণ হলো প্রযুক্তি। প্রযুক্তি আমাদেরকে সমস্ত কাজে একেবারে বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত করে দিয়েছে। এখন প্রযুক্তিকে ব্যবহার করার সময় এসেছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা প্রতিটি মানুষকে তার নিজের সক্ষমতাকে কেন্দ্র করে যেখানে যেতে চায় সেখানে যাওয়ার সুযোগ করে দিতে চাই। আশা করি, এই কাজে পিকেএসএফ নতুন ভবনে এসে নতুন যাত্রা শুরু করবে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, পিকেএসএফ এখন আগের কাঠামো নিশ্চয়ই পরিবর্তন করেছে। অনেক নিয়মকানুনের মধ্যে পরিবর্তন হয়েছে। বিনিয়োগের মধ্যে যেতে পারলে তো বড় আকারের একটা কিছু হতে পারে। এখনকার ছেলেমেয়েরা ৮০ সালের ছেলেমেয়ের মতো না। তারা অনেক পরিবর্তিত, অনেক দূর এগিয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, ছেলেমেয়ে সবাই মিলে কয়েক লাখ বিনিয়োগকারী হয়েছে, উদ্যোক্তা হয়েছে। আইনকানুনের মধ্যে যেসব দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে, ইতোমধ্যে সেগুলো সংশোধন করা যায় কি না তা পরীক্ষা করে দেখার প্রয়োজন আছে। নিজস্ব আইন যেটা আছে, এটাকে আরও সম্প্রসারণ করা যায় কি না সেটিও দেখতে হবে।
পিকেএসএফ প্রতিষ্ঠার স্মৃতি তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিশ্বব্যাংক থেকে ২০ কোটি টাকার একটি ফান্ড এসেছিল। ওই ২০ কোটি টাকাকে কেন্দ্র করে পুরো ঘটনা ঘটেছে। সেই ২০ কোটি টাকা উপলক্ষ্য না হলে পিকেএসএফ-এর জন্ম এভাবে হতো না, অন্য কোনোভাবে কোনোদিন হতে পারত। ধাক্কাটাও আসত না। আর এর পেছনে লেগে গিয়েছিল স্বয়ং প্রেসিডেন্ট (এরশাদ)। কাজেই ধাক্কাটা জোরেসোরে এসেছে। উনি চাচ্ছিলেন, টাকাটা থাকুক। উনি (এরশাদ) ভরসা করে আমাকে চাচ্ছিলেন যে, আমি একটু সমর্থন করি। আমি বলেছিলাম, টাকাটা ফেরত দিয়ে দিন। এই টাকাটা মানুষ খেয়ে ফেলবে। দারিদ্র্য নিরসনের অন্য কোনো দেশে এ রকম হয়েছে বলে মনে হয় না। একেবারে গোড়াতে গিয়ে যে মানুষের সঙ্গে কাজ করা, সেদিকে যথেষ্ট কাজ হয়েছে। সবাই মিলে কাজ করেছে। আমরা ফাইন্যান্সিয়াল সিস্টেমকে গড়ে তুলতে পারলে সত্যি সত্যি মানুষকে উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি করতে পারি।
মন্তব্য করুন


পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা এবং সম্মিলিত বৈশ্বিক পদক্ষেপের পক্ষে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। অভিন্ন অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আলোচনা ও সহযোগিতার ওপরও গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে সাউথ এশিয়ান ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্ট্যান্টস (সাফা) আয়োজিত ‘নেক্সট জেনারেশন প্রফেশন: কনভার্জিং এথিক্যাল এআই অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্টিং’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দায়িত্বশীল প্রতিবেশী এবং জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার সক্রিয় সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা এবং সম্মিলিত পদক্ষেপের পক্ষে। আমরা আলোচনা, আস্থা বৃদ্ধি ও অভিন্ন উদ্বেগের বিষয়ে সহযোগিতামূলক সমাধানকে সমর্থন করি।
তৌহিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশ স্থিতিশীলতা, আস্থা ও সহযোগিতামূলক সমাধান প্রচারে বহুপাক্ষিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নৈতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও টেকসই রিপোর্টিংয়ের সমন্বয় ক্রমেই প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে। কারণ, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন বিশ্বব্যাপী পেশাকে রূপান্তরিত করছে। একইসঙ্গে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দায়িত্বশীল শাসনব্যবস্থার ওপর বৈশ্বিক গুরুত্ব বাড়ছে।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের জন্য প্রযুক্তি ও টেকসই উন্নয়নের সমন্বয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা এবং বৈশ্বিক সংহতি জোরদার করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি উল্লেখ করেন, পেশাদারদের শুধু প্রযুক্তিগতভাবে দক্ষ হওয়া নয়, বরং নৈতিকভাবে দৃঢ় ও দায়বদ্ধ থাকা প্রয়োজন।
তৌহিদ হোসেন বলেন, সাফা সম্মেলনের মতো মঞ্চ জ্ঞানের আদান-প্রদান, সেরা পন্থা-পদ্ধতিগুলো ভাগ করে নেওয়া এবং অর্থবহ সহযোগিতার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
তিনি আরও বলেন, এই সম্মেলন দক্ষিণ এশিয়া এবং এর বাইরেও বিশেষজ্ঞ, পেশাজীবী এবং চিন্তাবিদদের একত্রিত করেছে দেখে আমি উৎসাহ বোধ করছি।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেনের ওপর হামলা হয়েছে। এ ঘটনায় বাংলাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন যুবলীগের এক নেতাকে আটক করা হয়েছে।
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় রাত ৯টা ২৮ মিনিটে তাকে আটক করা হয়।
জানা গেছে, আটক ওই যুবলীগ নেতার নাম মিজানুর রহমান। তার বাড়ি সিলেটে। জ্যাকসন হাইটস থেকে নিউইয়র্ক পুলিশ তাকে আটক করে। এ সময় তাকে হাতকড়াও পরানো হয়।
এর আগে মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টা ২৩ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেনের ওপর হামলার ঘটনাটি নিজে ফেসবুক পেজে এ-সংক্রান্ত পোস্ট দেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারা।
পোস্টে তাসনিম জারা লিখেছেন, ‘আজ যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর পর আমাদের দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেনের ওপর হামলা হয়েছে। তাকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়েছে, গালিগালাজ করা হয়েছে।’
তিনি লিখেছেন, ‘এটি ব্যক্তি আখতার হোসেনের ওপর আক্রমণ নয়, তার রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে করা হয়েছে। কারণ তিনি প্রতিনিধিত্ব করেন সেই দলকে, যে দল ফ্যাসিবাদের কাঠামো ভেঙে দিতে প্রতিনিয়ত কাজ করছে।’
হামলার পর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আখতার বলেছেন, আমরা সেই প্রজন্ম যারা হাসিনার গুলির সামনে দাঁড়াতে ভয় পায়নি। অতএব, কারও ভাঙা ডিমে আমাদের কিছু যায়-আসে না।
মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) হামলার বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, এ ঘটনার মধ্য দিয়ে আবারও প্রমাণিত হয়েছে, আওয়ামী লীগ একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। আওয়ামী লীগ জন্মগত এবং প্রকৃতিগতভাবে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। তারা যে জুলাই অভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তি ওপর হামলে পড়বে এইটাতে আমরা আর অবাক হই না।
অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে বিচারের আহ্বান জানিয়ে এনসিপির সদস্য সচিব আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার এক বছরে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনার যে প্রক্রিয়া শুরু করেছে সেটি খুব সামান্য অগ্রসর হয়েছে। আওয়ামী লীগের যেসব সন্ত্রাসীরা বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে এসেছে, তারা বিদেশের বিভিন্ন জায়গায় এখনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করছে। অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আহ্বান রাখব, আওয়ামী লীগের যেসব লোকজন দেশে এবং দেশের বাইরে হামলা করছে তাদের অতিদ্রুত বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের আওতায় নিয়ে আসবে।
মন্তব্য করুন


মানব পাচারের শিকার হয়ে মিয়ানমারের স্ক্যাম সেন্টারে বন্দি জীবন কাটানো ১৮ বাংলাদেশি অবশেষে দেশে ফিরেছেন। মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) দিবাগত রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে তারা ঢাকায় পৌঁছান। বিমানবন্দরে তাদের জরুরি সহায়তা দিয়েছে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের কর্মীরা।
জানা গেছে, ভালো চাকরি ও উচ্চ বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে মানব পাচারকারীরা দুবাইসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে এই বাংলাদেশিদের প্রথমে থাইল্যান্ডে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাদের মিয়ানমারের স্ক্যাম সেন্টারে পাঠানো হয়। পাচারকারীরা তাদের জোরপূর্বক সাইবার অপরাধমূলক কাজে নিয়োজিত করে। কেউ কাজ করতে অস্বীকার করলে তাদের বৈদ্যুতিক শকসহ নানা ধরনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো।
ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান (মাইগ্রেশন এন্ড ইয়ুথ প্ল্যাটফর্ম) জানান, ভুক্তভোগীদের পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের উদ্ধারের জন্য ব্র্যাকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এরপর বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সিআইডি এবং থাইল্যান্ডে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় করে তাদের উদ্ধার কার্যক্রম চালানো হয়। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই ১৮ বাংলাদেশি দুঃসহ বন্দিদশা থেকে মুক্তি পান।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ওমর ফারুক, রাশেদুল ইসলাম, মো. আলিফ, রায়হান সোবহান, শেখ আরমান, মো. পাভেল চৌধুরী, মনির হোসেন, মো. ইসমাইল হোসেন, মো. নিজাম উদ্দীন, জহির উদ্দিন, তানভীর আকন্দ রাফি, তোয়ানুর খলিলুল্লাহ, মো. সায়মন হোসেন, মো. উজ্জ্বল হোসেন, মেহেদী হাসান, মো. কায়সার হোসেন, মো. শাহ আলম ও মো. আকাশ আলী।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে চট্টগ্রামের মো. আলিফ বলেন, "দুবাইতে আমি জাহাজে কাজ করতাম। আমাকে উচ্চ বেতনে ডাটা এন্ট্রির কাজের প্রলোভন দেখিয়ে থাইল্যান্ডে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে পাচারকারীরা আমাকে থাই-মিয়ানমার সীমান্তের ম্যাসটে নিয়ে যায়। সেখানে আমার মতো বিভিন্ন দেশের আরও অনেক মানুষকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে স্ক্যাম সেন্টারে বিক্রি করে দেওয়া হয়। আমি ছয় মাস ধরে ভয়াবহ নির্যাতনের মধ্যে বন্দি ছিলাম। জীবন বাঁচাতে আমি স্ক্যাম সেন্টারে কাজ করতে বাধ্য হই।"
সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, পাচারকারীদের মূল হোতা ইফতেখারুল ইসলাম রনির বিরুদ্ধে মানব পাচারের অভিযোগে দেশের বিভিন্ন থানায় ৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ১৮ জানুয়ারি তাকে চট্টগ্রাম এয়ারপোর্ট থেকে আটক করা হয়। পাচারকারী চক্রের আরেক নেতা আব্দুল্লাহ আল নোমানকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ব্র্যাকের শরিফুল হাসান আরও জানান, "সাইবার স্ক্যাম মানব পাচারের একটি ভয়াবহ রূপ। কম্পিউটার অপারেটর, টাইপিস্ট, কল সেন্টার অপারেটরসহ বিভিন্ন পদে আকর্ষণীয় বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে অনলাইন মাধ্যমে (ভুয়া ওয়েবসাইট, ই-মেইল, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম ইত্যাদি) নিয়োগের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। এরপর সুকৌশলে তাদের স্ক্যাম সেন্টারে নিয়ে গিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে স্ক্যামের কাজ করানো হয়। থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, লাওস, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ায় কাজের প্রলোভন দেখিয়ে এই ধরনের প্রতারণার ঘটনা ঘটছে। সরকার ইতিমধ্যে এসব দেশে যাওয়ার বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে। এই নতুন ধরনের প্রতারণা সম্পর্কে বিদেশগামীসহ সবাইকে সচেতন হতে হবে।"
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্ট:
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সমালোচনা করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের খুব বকবক করছেন, বেশি কথা বলছেন, মনে হচ্ছে বিএনপির জন্য উনার খুব মায়াকান্না। বিএনপির ভাবনায় উনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। মুরগির বাচ্চার জন্য চিল যেমন মায়াকান্না করে ওবায়দুল কাদেরের কান্নাও সে রকম।
রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সোমবার বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী-খান সোহেল মুক্তি পরিষদের উদ্যোগে 'দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী-খান সোহেল, সহ সেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল কাদির ভূইয়া জুয়েলসহ সব রাজবন্দির মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির দাবিতে' এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, তিনি (ওবায়দুল কাদের) মাঝে মাঝে আওয়াজ দেন বিএনপি নাকি দুর্বল হয়ে গেছে, বিএনপি ক্লান্ত, হতাশ, বিদেশ চলে যাচ্ছে। তারা যে ভেতর থেকে ধ্বসে গেছে, ভেঙে গেছে- এটা চাপা দেওয়ার জন্যই তিনি এসব কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, জনগণের সঙ্গে বারবার বিশ্বাসঘাতকতা করা। জনগণের মালিকানা ছিনিয়ে নেওয়া। এ কারণে তাদের (আওয়ামী লীগ) জনসমর্থন নেই। কয়েকজন সুবিধাবাদী লোক, কয়েকজন ঋণ খেলাপি, কয়েকজন বাজার সিন্ডিকেটের লোক আওয়ামী লীগকে ঘিরে আছে। এরা তো গণশত্রু, যারা বাজার সিন্ডিকেট করে দ্রব্যের দাম বাড়ায়, যারা ব্যাংক লুটপাট করে টাকা বিদেশে পাচার করে। তাদের সঙ্গে তো দেশের জনগণ থাকে না। এই সরকারের সঙ্গে জনগণের সমর্থন নাই। জনগণের সমর্থন পাবে না বলে তারা এখন ফাঁকা বুলি মারে।
আসন্ন উপজেলা নির্বাচন প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, সরকার আবার একটি ডামি নির্বাচন করতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনে মন্ত্রী-এমপিদের আত্মীয়-স্বজন যাতে না দাঁড়ায় সেজন্য কেন্দ্র থেকে নিষেধ করেছে। তারপরও মন্ত্রী-এমপিদের আত্মীয়-স্বজনরা দাঁড়িয়েছে এবং তারা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর তো ২০ থেকে ২৫ জন আত্মীয়-স্বজন আছেন। তারা যদি ভোটে দাঁড়াতে পারেন তাহলে আমরা বাদ যাব কেন।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম নোমানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির সেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, সহ অর্থ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন না হলে বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীলতা তৈরি হওয়ার পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তাও বিঘ্নিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তবে তিনি এ-ও বলেছেন, ‘রাষ্ট্রের কাঠামোগত পরিবর্তনগুলোর ব্যাপারে যদি একমত না হওয়া যায়, তাহলে আমার শঙ্কা হচ্ছে, নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা যে জায়গায় দাঁড়াব, তাতে মৌলিক কোনো হেরফের ঘটবে না।’
শনিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে প্রথম আলোর কার্যালয়ে এক গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নিয়ে আলী রীয়াজ এ কথাগুলো বলেন। ‘নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক সমঝোতার পথ’ শিরোনামে এ বৈঠকের আয়োজন করে প্রথম আলো।
বৈঠকে ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে আমি বারবার আহ্বান করেছি। তারা যথেষ্ট পরিমাণে সাড়া দিয়েছে, কিন্তু কোনো না কোনো সময় তো প্রক্রিয়াটা শেষ করতে হবে, এটা তো অনিঃশেষ প্রক্রিয়া হতে পারে না। সে ক্ষেত্রে নির্বাচনটা করতে হবে। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন না হলে বাংলাদেশে কেবল অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীলতা তৈরি হবে, তা নয়; জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে। আমি তা-ই মনে করি। সেই কারণে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রয়োজন এ জিনিসটা মোকাবিলা করা।’
আলী রীয়াজ বলেন, ‘আগামী নির্বাচনটি আমরা করছি এ কারণে যে রাষ্ট্রকাঠামোর ক্ষেত্রে কতগুলো পরিবর্তন আমরা নিশ্চিত করতে চাই। সংস্কার কমিশনে কাজ করার সময় আমরা দেখেছি, গত ১৬ বছরের যে সংকট, সেটা ১৬ বছরের সংকট নয়। ১৬ বছরের সংকটের ভয়াবহতাটা আমরা দেখতে পেয়েছি; কারণ, একটা ব্যক্তিতান্ত্রিক স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু কাঠামোগত দিক থেকে আমরা বিভিন্নভাবে এই জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছি।’
আলী রীয়াজ বলেন, `এখন যদি আমরা ওই কাঠামোটা ঠিক রাখি, একেবারেই সামান্য পরিবর্তন করি, আপনি নির্বাচন করে কোথায় যাবেন? একজন বিজয়ী হবে, একটি দল ক্ষমতায় যাবে, দেশ শাসন করবে? আমরা একটা কনসলিডেটেড ডেমোক্রেসি চাই। তিন দফা (১৯৭৩, ১৯৯১ ও ২০০৯) চেষ্টা করেও যেটা আমরা পাইনি। কাঠামোগত পরিবর্তনগুলোর ব্যাপারে যদি একমত না হওয়া যায়, তাহলে আমার শঙ্কা হচ্ছে, পরবর্তী সময় আরেকটা নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা যে জায়গায় দাঁড়াব, তাতে মৌলিক কোনো হেরফের ঘটবে না। শেখ হাসিনার ব্যক্তিতান্ত্রিক স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এবং এর পরপর রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেটা ফ্র্যাগমেন্টেড হয়েছে। এর কারণেই পার্থক্যগুলো তৈরি হয়েছে। আমরা কী চাই, সেটা যদি স্পষ্ট হয় এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে, তাহলে আমার ধারণা, এই জায়গায় আসা যাবে।’
মন্তব্য করুন


দেশের বিপদের সময় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়ানো গুজব বা অপতথ্যে কান না দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।
তিনি বলেন, দুর্ঘটনাস্থলে অশান্তি বিরাজ করছে এটা দুঃখজনক। এখানে লুকানোর বা গোপন করার কিছুই নেই। কার কাছে গোপন করবো। আমরা সবাই দেশের মানুষ।
মঙ্গলবার (২২ জুলাই) ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির ইসলামের জানাজা শেষে মিডিয়া ব্রিফিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। কুর্মিটোলায় বীর উত্তম এ কে খন্দকার বিমান বাহিনী ঘাঁটিতে ওই ব্রিফিং হয়।
দেশবাসীর উদ্দেশে বিমান বাহিনী প্রধান বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য বিমান বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ। দয়া করে গুজব ছড়িয়ে দেশের সার্বভৌমত্বের এই স্তম্ভকে দুর্বল করে দেবেন না।
হতাহতের বিষয়ে যখনই কোন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে তা আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মাধ্যমে প্রকাশ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, বিমান রক্ষণাবেক্ষণে বিমান বাহিনী কোনো আপোষ করে না। বিমান সাধারণত সহজে পুরোনো হয় না। প্রতিটি বিমানের একটি লাইফ টাইম আছে। এক যুগ, দুই যুগ ব্যাপার না। বিষয় হলো রক্ষণাবেক্ষণ। আমাদের রক্ষণাবেক্ষণ সবসময় ভালো হয়। এগুলো আমরা ভালোভাবেই মেরামত করি। প্রযুক্তি হয়তো পুরোনো হতে পারে, কিন্তু এই বিমানগুলো পুরোনো নয়।
তিনি আরও বলেন, বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা তদন্ত করে বের করবে কি ঘটেছিল। কোনো ভুল ত্রুটি থাকলে সে অনুযায়ী আমরা ব্যবস্থা নেব।
বিমানটিকে একটি খালি জায়গায় নেয়ার জন্য পাইলট তৌকির ইসলাম সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন বিমান বাহিনী প্রধান।
তিনি বলেন, তিনি (তৌকির) তার জীবন উৎসর্গ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, গতকাল থেকেই দেশের এই বিপদের সময় আমাদের প্রধান উপদেষ্টা ও অন্যান্য উপদেষ্টারা, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, চিকিৎসকবৃন্দ, ফায়ারসার্ভিস, স্বেচ্ছাসেবী, বিভিন্ন সেবাদানকারী সংস্থা, সাধারণ শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সাধারণ জনগণ কাঁধে কাধ মিলিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ ও তার স্ত্রী দিলশাদ নাহার কাকলীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালত দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
এদিন দুদকের উপপরিচালক জাকারিয়া তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। এসময় দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন।
আবেদনে তদন্তকারী কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিজ নামে ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনসহ বিভিন্ন ব্যাংক ও হন্ডির মাধ্যমে বিদেশে অর্থপাচার করে মালেশিয়া, সিঙ্গাপুর ও দুবাইয়ে ব্যবসা পরিচালনা ও বাড়ি ক্রয়ের অভিযোগটি অনুসন্ধানাধীন রয়েছে।
অনুসন্ধানকালে অভিযোগ সংশ্লেষে রেকর্ডপত্র/তথ্যাদি সংগ্রহের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অনসন্ধানকালে বিশ্বস্তসূত্রে জানা যায় যে, অভিযোগ তারা দেশ ত্যাগের চেষ্টায় রয়েছেন। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশগমন রহিতকরণ প্রয়োজন।
মন্তব্য করুন


নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, সাংবিধানিক আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রতীকের তালিকায় শাপলা না থাকায় তা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
রোববার সকালে সিলেট পুলিশ লাইনসে নির্বাচনী দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে পুলিশের দক্ষতা বৃদ্ধিতে আয়োজিত প্রশিক্ষণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, প্রতীক বরাদ্দ বিধিমালা অনুযায়ী যে প্রতীকগুলো থাকে সেখান থেকে একটি প্রতীক দিতে হয়। নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, তাই আইনগতভাবে কাজ করে। আইনের বাইরে নির্বাচন কমিশন কোনো কাজ করে না। আইন ও বিধি অনুযায়ী তারা (এনসিপি) যে প্রতীক চাচ্ছে সেটি দিতে পারছে না নির্বাচন কমিশন।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে না হওয়ার মতো কোনো কাজ বা কোনো ঘটনা ঘটেনি। অনেক কিছুই মিডিয়াতে এসেছে। এতে নির্বাচনে কোনো প্রভাব পড়বে না। আমরা আশা করি, রমজানের আগেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
সবার সহযোগিতায় সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সব বাহিনী প্রস্তুত এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কোনো চ্যালেঞ্জ হিসেবে থাকবে না বলে জানিয়ে তিনি বলেন, অতীতের মতো নির্বাচন হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। পাশাপাশি বিতর্কিত কেউ আগামী নির্বাচনী দায়িত্বে থাকতে পারবেন না বলেও জানান তিনি।
পিআর পদ্ধতির দাবির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্বাচন পদ্ধতি রাজনৈতিক বিষয়, এ নিয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না।
মন্তব্য করুন