

চিকিৎসকরা যা পারলেন না, করে দেখিয়ে দিলেন একজন মা। এ যেন মাতৃশক্তির জয় । ৫ বছর কোমায় থাকার পর মায়ের মুখে কৌতুক শুনেই জেগে উঠলেন এক মার্কিন নারী।
জেনিফার ফ্লিওয়েলেন ২০১৭ সালে একটি গাড়ি দুর্ঘটনায় মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন । আর এরপরই কোমায় চলে যান। কিন্তু মেয়ের নিস্পন্দ শরীরটাকে আগলে রাখতেন মা পেগি মিন্স। মেয়েকে পিরে পাওয়ার প্রত্যাশায় প্রতিদিন আসতেন হাসপাতালে মা, মেয়ের সঙ্গে কথা বলতেন, হাসির-মজার নানা গল্প বলতেন, কৌতুকও শোনাতেন। হঠাৎ একদিন ঘটল মিরাকল’। কাঁপুনি দিয়ে জেগে উঠলেন মেয়ে। মুখভর্তি একগাল হাসি।
৬০ বছরের পেগি জানিয়েছেন, ২০২২ সালের ২৫ আগস্টের সেই অবিস্মরণীয় দিনটির কথা। ওইদিনই কোমা-মুক্ত হন জেনিফার। সম্প্রতি এতবছর পর ঘটনাটি প্রকাশ্যে এসেছে ।
মার কথায় জানা যায়, যখন সে জেগে উঠল, আমি প্রথমে রীতিমতো ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। কারণ সে হাসছিল। এতদিন ধরে তাকে হাসপাতালে দেখছি। কখনও আগে এরকম হাসতে দেখিনি। ওর শরীরে কাঁপুনি দিচ্ছিল। কথা বলতে পারছিল না, তবে মাথা নাড়ছিল। তবে এটা সত্যি, তাকে জেগে উঠতে দেখে বুঝেছি, আমার স্বপ্ন সত্যি হল। সেদিন নিজেকে বললাম, আমার স্বপ্ন সত্যি হল। এতদিন যে দরজা আমাদের দুইজনকে আলাদা করে রেখেছিল, তা যেন হঠাৎই খুলে গেল। আবার আমরা এক হয়ে গেলাম।
তবে কোমা মুক্ত হলেও এখনো পুরোপুরি সুস্থ হননি জেনিফার। এখনও ঠিক করে কথা বলতে পারেন না তিনি, নড়াচড়া করতেও সমস্যা হয়। জেনিফারের চিকিৎসার খরচ জোগাতে সমাজমাধ্যমে একটি ‘গো-ফান্ড-মি’নামে পেজও খোলা হয়েছে। গোটা ঘটনায় বিস্মিত মিশিগানের মেরি ফ্রি বেড রিহ্যাবিলিটেশন হাসপাতালের ডাক্তার র্যালফ ওয়াং।
ডাক্তার বলেন, এটি অলৌকিক ঘটনা, শুধু কোমা থেকে জেগে ওঠাই নয়, জেনিফার সুস্থতার দিকেও এগোচ্ছে। মাত্র ১ থেকে ২ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রেই এমনটা দেখা যায়।
এদিকে, মায়ের ফিরে আসায় উচ্ছ্বসিত পুত্র জুলিয়ান। সম্প্রতি তার ফুটবল ম্যাচ দেখতে গিয়েছিলেন জেনিফার। জুলিয়ান জানিয়েছেন, মা আমার সবচেয়ে বড় সমর্থক। দর্শকাসনে তাকে ফিরে পাওয়ার অনুভূতি বলে বোঝানো সম্ভব নয়।
সূত্র: এনডিটিভি
মন্তব্য করুন


শনিবার ভারতের নয়াদিল্লীতে অনুষ্ঠিত নবম জি-টুয়েন্টি পার্লামেন্টারি স্পিকারস সামিট (পি-টুয়েন্টি) সম্মেলনের ‘মেইনস্ট্রিমিং জেন্ডার ইক্যুয়ালিটি ফ্রম উইমেন্স ডেভলপমেন্ট টু উইমেন লেড ডেভলপমেন্ট’ শীর্ষক আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড.শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ থেকে উত্তরণের মাধ্যমে নারীদের এগিয়ে নিতে পি-টুয়েন্টি সম্মেলন ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরো বলেন,নারীরা অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের নারীরা অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
আলোচনা সভায় ড.শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন,উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে ঘরের কাজে নারীরা সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে চলেছে। নারীর ক্ষমতায়নে নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি নারী নেতৃত্বকে স্বাগত জানাতে হবে। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে লিঙ্গ সমতা প্রতিষ্ঠা জরুরি। অন্তর্ভুক্তিমূলক অগ্রযাত্রার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন অর্জন সম্ভব। এক্ষেত্রে মেয়েদের যথাযথ শিক্ষা অর্জন গুরুত্বপূর্ণ। নারীদের অর্থনীতির মূল ধারায় সম্পৃক্ত করতে পারলে টেকসই অর্থনীতি অর্জন করা যাবে।
তিনি আরো বলেন,নারীরা দেশের সম্পদ। বৈষম্য দূরীকরণ, নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ, নারীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন, চাকরিজীবী ও শ্রমজীবী নারীদের প্রতি শ্রদ্ধা ইত্যাদি বিষয়ে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে সকলকে সহযোগিতা করতে হবে। নারীদের অর্থনৈতিক ভূমিকা শক্তিশালী হলে দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল হবে।
সম্মেলনে ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা'র সভাপতিত্বে অস্ট্রেলিয়ার সিনেটের প্রেসিডেন্ট সুয়ে লিয়েন্স, মেক্সিকোর চেম্বার অব ডেপুটিস এর স্পিকার মার্সেলা গুয়েরা ক্যাস্টিলো, দক্ষিণ আফ্রিকার ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির স্পিকার নোসিভিয়ে নোলুথান্ডা মাপিসা এনকুয়ালা, স্পেনের কংগ্রেস অব ডেপুটিস এর স্পিকার ফ্রান্সিসকো সোসিয়াস, নাইজেরিয়া সিনেটের ডেপুটি প্রেসিডেন্ট জিবরিন বারাউ এবং ওমানের স্টেট কাউন্সিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট বাদরিয়া আল সাহিহি বক্তব্য প্রদান করেন। এসময় বিভিন্ন দেশের স্পিকার উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চীন বর্তমানে জনসংখ্যা গত ৬০ বছরের বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো কমে গিয়েছিল। এই সময় দেশটিতে প্রতি এক হাজার জনে মাত্র ৬ দশমিক ৭৭ জন সন্তান জন্ম দিতেন, যা ১৯৪৯ সালে কমিউনিস্ট চীন প্রতিষ্ঠার পর থেকে সর্বনিম্ন জন্মহার। দেশটি এখন ভারত থেকে এক ধাপ পিছিয়ে বিশ্বের দ্বিতীয় জনবহুল দেশ।
২০১৫ সালে বেইজিং তার কয়েক দশক ধরে চলা ‘এক সন্তান’ নীতি বাতিল করে প্রাথমিকভাবে বিবাহিত দম্পতিদের দুই সন্তান নেওয়ার অনুমতি দেয়। কিন্তু ২০১৬ সালে কিছুটা ঊর্ধ্বগতি হওয়ার পর দেশটির জাতীয় জন্মহার হ্রাস অব্যাহত আছে। বিষয়টি নীতিনির্ধারকদের জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
চায়না সিকিউরিটিজ জার্নালসহ দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেইজিংয়ের কৃষিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান বেইজিং ডাবেইনং টেকনোলজি গত বছর বলেছিল, কোনো কর্মীর তৃতীয় সন্তানের জন্ম হলে তারা ওই কর্মীদের ১২ হাজার ৩৯১ মার্কিন ডলার নগদ বোনাস দেবে। আর প্রথম বা দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দিলে যথাক্রমে ৪ হাজার ১৩০ ও ৮ হাজার ২৬০ ডলার বোনাস দেওয়া হবে।
আরবান স্যানিটেশন পরিষেবা সংস্থা কিয়াওইন সিটি ম্যানেজমেন্ট গত মাসে ঘোষণা দিয়েছে, তৃতীয় সন্তানের জন্ম দেওয়া কর্মীদের সংস্থাটি ১৩ হাজার ৭৫৯ মার্কিন ডলার বোনাস দেবে। সংস্থাটি বলছে, এই উদ্যোগের লক্ষ্য ছিল তরুণ কর্মীদের পরিবারের ওপর আর্থিক বোঝা কমানো এবং সন্তান জন্মদানে উৎসাহিত করতে সরকারের আহ্বানে সাড়া দেওয়া।
জুনের শুরুর দিকে চীনের সিভিল অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্য বলছে, ২০২২ সালে প্রায় ৬ দশমিক ৮৩ মিলিয়ন দম্পতি বিয়ে করেছেন, যা ২০২১ সালে নিবন্ধিত ৭ দশমিক ৬৩ মিলিয়ন বিয়ের চেয়ে প্রায় ১০ দশমিক ৫ শতাংশ কম। ১৯৮৬ সালে এই মন্ত্রণালয় তথ্য প্রকাশ করা শুরুর পর থেকে এটি সর্বনিম্ন রেকর্ড।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির মধ্যে অন্যতম চীনের ট্রিপ ডটকম। প্রতিষ্ঠানটি তাদের ৩২ হাজার কর্মীকে সন্তান জন্মদানে উৎসাহ দিতে ১৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার বোনাস দিচ্ছে। অন্তত তিন বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটিতে চাকরি করা কর্মীরা প্রতিবছর প্রতিটি নবজাতকের জন্য ১ হাজার ৩৭৬ মার্কিন ডলার করে বোনাস পাবেন। সন্তানের প্রথম জন্মদিন থেকে পাঁচ বছর বয়সে না পৌঁছানো পর্যন্ত এই বোনাস পাবেন কর্মীরা। আজ শনিবার থেকে এই নীতি কার্যকর হবে।
সূত্র: সিএনএন
মন্তব্য করুন


একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস একটি স্মারক ডাকটিকেট, একটি উদ্বোধনী খাম ও একটি সিলমোহর অবমুক্ত করেছেন ।
বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্তকালে উপস্থিত ছিলেন তথ্য, ডাক ও টেলিযোগাযোগ উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব ড. মুহাম্মদ মুশফিকুর রহমান এবং ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এস এম সাহাবুদ্দিন ।
এ ছাড়াও একই সময়ে সপ্তম জাতীয় কমডেকা ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে একটি স্মারক ডাকটিকেট, একটি উদ্বোধনী খাম ও একটি সিলমোহর ও অবমুক্ত করেন প্রধান উপদেষ্টা।
এছাড়া এ সময় কমডেকা উপদেষ্টা, সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মুহাম্মদ এহছানুল হক, কমডেকা চিফ মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কৌতূহল
থেকেই একজনকে খুন করে ফেললেন! দক্ষিণ কোরিয়ায় বিস্ময়কর এই ঘটনাটি ঘটেছে। খুনের অভিযোগ
প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জাং স্বীকার করেছেন ক্রাইম শো
এবং টিভি প্রোগ্রাম দেখে তার খুন করার প্রতি আগ্রহ জন্মে।
বিবিসির প্রতিবেদনে পুলিশের বরাতে জানানো হয়, ২৩ বছর বয়সী জাং সাইকোপ্যাথ টেস্টে বেশ উচ্চ লেভেলের স্কোর করেছেন। জাং হত্যার জন্য ৫০ ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করেছিলেন এবং পরিশেষে ঐ নারীকে নিজের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেন। গত মে মাসে হত্যার উদ্দেশ্য নিয়ে তিনি একটি অ্যাপের মাধ্যমে এক ইংরেজি শিক্ষকের সাথে পরিচিত হন। পরবর্তীতে তিনি ঐ শিক্ষকের বাড়িতে যেয়ে ছুরিকাঘাত করে তাকে হত্যা করেন।
আইনজীবীরা
আদালতকে জানিয়েছে, জাং বেকার ও নিঃসঙ্গ জীবনযাপন করা দাদার সাথে থাকতেন। তিনি একটি
অনলাইন টিউশন অ্যাপে ভুক্তভোগীকে মাসের পর মাস টার্গেট করেছিলেন।
দেশটির দক্ষিণ-পূর্ব শহর বুসানে ভুক্তভোগীর বাড়িতে হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। জাং অনলাইন থেকে হাই-স্কুলের ইউনিফর্ম কিনে সেটি পরে টিউটরের বাড়িতে উপস্থিত হন। সেখানে ঐ নারী শিক্ষককে প্রায় ১০০ বারেরও বেশি ছুরিকাঘাত করে জাং। নারীর মরদেহটি টুকরো টুকরো করেন এবং বুসানের উত্তরে একটি নদীর কাছে প্রত্যন্ত পার্কল্যান্ডে ভাড়া ট্যাক্সিতে গিয়ে ফেলে দেন। ট্যাক্সি ড্রাইভার রক্তমাখা স্যুটকেসটি বনের মধ্যে ফেলতে দেখেন। এরপর তিনি পুলিশকে খবর দেন।
পুলিশ জানায়, জাংয়ের অনলাইন ব্রাউজিং ইতিহাস থেকে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডটির জন্য তিনি মাসের পর মাস ঘাঁটাঘাঁটি করেছেন। কীভাবে টার্গেটকে মারা যায় কিংবা মরদেহকে লুকিয়ে ফেলা যায় ইত্যাদি বিষয়ে খুব বিশদভাবে শেখার চেষ্টা করেছেন।
মন্তব্য করুন


চিকিৎসকরা যা পারলেন না, করে দেখিয়ে দিলেন একজন মা। এ যেন মাতৃশক্তির জয় । ৫ বছর কোমায় থাকার পর মায়ের মুখে কৌতুক শুনেই জেগে উঠলেন এক মার্কিন নারী।
জেনিফার ফ্লিওয়েলেন ২০১৭ সালে একটি গাড়ি দুর্ঘটনায় মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন । আর এরপরই কোমায় চলে যান। কিন্তু মেয়ের নিস্পন্দ শরীরটাকে আগলে রাখতেন মা পেগি মিন্স। মেয়েকে পিরে পাওয়ার প্রত্যাশায় প্রতিদিন আসতেন হাসপাতালে মা, মেয়ের সঙ্গে কথা বলতেন, হাসির-মজার নানা গল্প বলতেন, কৌতুকও শোনাতেন। হঠাৎ একদিন ঘটল মিরাকল’। কাঁপুনি দিয়ে জেগে উঠলেন মেয়ে। মুখভর্তি একগাল হাসি।
৬০ বছরের পেগি জানিয়েছেন, ২০২২ সালের ২৫ আগস্টের সেই অবিস্মরণীয় দিনটির কথা। ওইদিনই কোমা-মুক্ত হন জেনিফার। সম্প্রতি এতবছর পর ঘটনাটি প্রকাশ্যে এসেছে ।
মার কথায় জানা যায়, যখন সে জেগে উঠল, আমি প্রথমে রীতিমতো ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। কারণ সে হাসছিল। এতদিন ধরে তাকে হাসপাতালে দেখছি। কখনও আগে এরকম হাসতে দেখিনি। ওর শরীরে কাঁপুনি দিচ্ছিল। কথা বলতে পারছিল না, তবে মাথা নাড়ছিল। তবে এটা সত্যি, তাকে জেগে উঠতে দেখে বুঝেছি, আমার স্বপ্ন সত্যি হল। সেদিন নিজেকে বললাম, আমার স্বপ্ন সত্যি হল। এতদিন যে দরজা আমাদের দুইজনকে আলাদা করে রেখেছিল, তা যেন হঠাৎই খুলে গেল। আবার আমরা এক হয়ে গেলাম।
তবে কোমা মুক্ত হলেও এখনো পুরোপুরি সুস্থ হননি জেনিফার। এখনও ঠিক করে কথা বলতে পারেন না তিনি, নড়াচড়া করতেও সমস্যা হয়। জেনিফারের চিকিৎসার খরচ জোগাতে সমাজমাধ্যমে একটি ‘গো-ফান্ড-মি’নামে পেজও খোলা হয়েছে। গোটা ঘটনায় বিস্মিত মিশিগানের মেরি ফ্রি বেড রিহ্যাবিলিটেশন হাসপাতালের ডাক্তার র্যালফ ওয়াং।
ডাক্তার বলেন, এটি অলৌকিক ঘটনা, শুধু কোমা থেকে জেগে ওঠাই নয়, জেনিফার সুস্থতার দিকেও এগোচ্ছে। মাত্র ১ থেকে ২ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রেই এমনটা দেখা যায়।
এদিকে, মায়ের ফিরে আসায় উচ্ছ্বসিত পুত্র জুলিয়ান। সম্প্রতি তার ফুটবল ম্যাচ দেখতে গিয়েছিলেন জেনিফার। জুলিয়ান জানিয়েছেন, মা আমার সবচেয়ে বড় সমর্থক। দর্শকাসনে তাকে ফিরে পাওয়ার অনুভূতি বলে বোঝানো সম্ভব নয়।
সূত্র: এনডিটিভি
মন্তব্য করুন


লম্বা দাড়ির জন্য গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড করলেন এরিন হানিকাট নামের এক তরুণী। ৩৮ বছর বয়সী এই তরুণী আমেরিকার মিচিগান শহরের বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা দাড়িওয়ালা নারী।
১৩ বছর বয়সে প্রথমবার শারীরিক তথা সামাজিক অস্বস্তির মধ্যে পড়েন এরিন। যেহেতু কিশোরীর মুখে ‘ছেলেদের মতো’ দাড়ি গজাতে শুরু করে। শুরুতে নিয়মিত মুখের পশম তুলে ফেলতেন এরিন। ওয়াক্সিং করতেন, হেয়ার রিমুভাল লোশনও ব্যবহার করতেন। কিন্তু একবার উচ্চ রক্তচাপের কারণে চোখে স্ট্রোক হয় তার। এর পরেই দাড়ি কাটা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেন। ফলে দিনে দিনে এরিনের দাড়ির দৈর্ঘ্য বাড়তে থাকে। এমনকি তা পুরনো গিনেস রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।
প্রায় ১ ফুট লম্বা দাড়ি এরিনের। সঠিক হিসাবে দিলে ১১.৮ ইঞ্চি। তিনি ৭৫ বছরের ভিভিয়ান হুইলারের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। ভিভিয়ানের দাড়ির দৈর্ঘ্য ১০.০৪ ইঞ্চি। অর্থাৎ এরিনের দাড়ি ১.৪ ইঞ্চি বেশি লম্বা। সেই কারণেই নতুন গিনেস রেকর্ডের মালিক হলেন তিনি।
এরিন জানিয়েছেন, পরিবার পাশে থাকাতেই সেসব কটাক্ষকে অতিক্রম করতে পেরেছেন তিনি। আমি আমাকে নিয়ে খুশি।
সূত্র : এনডিটিভি, দ্য গার্ডিয়া
মন্তব্য করুন


স্বামী-স্ত্রী দুজনেই দুর্ধর্ষ ডাকাত। ভারতের পাঞ্জাবের অপরাধ জগতে তাদের বেশ নামডাক ।
গত ১০ জুন লুধিয়ানায় একটি বড়সড় ডাকাতির ঘটনা ঘটে। খোয়া যায় ৮ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে জানতে পারে, এই ডাকাতির নেপথ্যে রয়েছেন মনদীপ, জসবিন্দরদের দল। তারপর থেকে তাদের খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি শুরু করে পাঞ্জাব পুলিশ।
সম্প্রতি অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে ফাঁদ পেতে ৮ কোটি ৪৯ টাকা লুট করে পালানো মনদীপ কৌরকে ধরেছে পুলিশ। পুলিশের জালে ধরা পড়েছেন মনদীপের স্বামী জসবিন্দর সিংহও।
সম্প্রতি পুলিশ গোপন সূত্রে জানতে পারে, লুধিয়ানায় ডাকাতিতে সাফল্য পাওয়ার পর নেপালে পালানোর ছক কষেছেন এই ডাকাত দম্পতি। তবে দেশ ছাড়ার আগে তারা কয়েকটি তীর্থস্থানে ঘুরে পুণ্য সঞ্চয় করতে চান। হেমকুণ্ড, কেদারনাথ, হরিদ্বার তাদের তালিকায় ছিল। লুধিয়ানার সাফল্যের পর ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাতে প্রথমেই তারা হেমকুণ্ড সাহিবের গুরুদ্বারে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন।
সেই সূত্র ধরেই উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলার হেমকুণ্ড সাহিবে আগে থেকেই ওত পেতে ছিল পাঞ্জাব পুলিশের একটি দল। সেখানে ‘ডাকু হাসিনা’ নামে পরিচিত মনদীপ কৌরকে ধরার জন্য ফাঁদ পাতা হয়েছিল। গুরুদ্বারের সামনে সাধারণত অনেকেই কাপড় দিয়ে মুখ ঢেকে যাতায়াত করেন। পুলিশ সেখানে বিনামূল্যে পানীয়ের বন্দোবস্ত করে। ১০ টাকা দামের পানীয় বিনামূল্যে গুরুদ্বারে আসা পুণ্যার্থীদের দেওয়া হচ্ছিল। ডাকাত দম্পতিও পানীয় নিতে যান। তা খাওয়ার জন্য তাদের মুখের কাপড় সরাতে হয় আর সে সুযোগেই পুলিশ দম্পতিকে চিহ্নিত করে।
তবে সঙ্গে সঙ্গে মনদীপ বা তার স্বামীকে ধরা হয়নি। গুরুদ্বারে প্রবেশ করে তাদের প্রার্থনা করার সুযোগ দিয়েছিল পুলিশ। প্রার্থনা শেষে বেরিয়ে আসার পর ধাওয়া করে তাদের ধরা হয়। লুধিয়ানার ডাকাতির ঘটনায় এখনও পর্যন্ত নয় জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আরও তিন জনের খোঁজ চলছে। তবে ডাকাতির ‘মাস্টারমাইন্ড’ ছিলেন মনদীপরাই। তাদের কাছ থেকে তৎক্ষণাৎ ২১ লাখ নগদ টাকা উদ্ধার করে পুলিশ।
সূত্র: এনডিটিভি
মন্তব্য করুন


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন হোয়াইট হাউসে আজ মঙ্গলবার মুসলিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে ইফতার অনুষ্ঠানে মিলিত হবেন। যদিও হোয়াইট হাউজের বাইরে কয়েকজন মুসলিম নেতা ইতিমধ্যে ইফতার অনুষ্ঠান বয়কটের ঘোষণা দিয়েছেন।
ইফতারের আগে জো বাইডেন মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন বলে নিশ্চিত করেছেন প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র জিন-পিয়েরে। তিনি এটিকে মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
জিন পিয়েরে বলেন, আমরা মুসলিম সম্প্রদায়ের সবাইকে ইফতার অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের অনুরোধ করবো। এখানে গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে তাদেরকে প্রতিক্রিয়া দেখানোর অনুরোধ করছি.প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে অনুষ্ঠানটিতে আরো যোগ দেবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস, বাইডেন প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মুসলিম কর্মকর্তারা এবং জাতীয় নিরাপত্তা দলের সদস্যরা।
যদিও বাইডেনের এ ইফতার আয়োজনের প্রতিক্রিয়ায় মুসলিম সম্প্রদায়ের একাংশ হোয়াইট হাউজের বাইরে একই ধরনের একটি ইফতার অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে। তারা এ অনুষ্ঠানের নাম দিয়েছে ‘পিপল সিজফায়ার নাউ ইফতার।’
প্রতিবাদ অনুষ্ঠানটি আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন, ‘অর্গানাইজেশন ইউথ অ্যামেরিকান মুসলিম ফর পিস’, দ্য কাউন্সিল অন অ্যামেরিকান-ইসলামিক রিলেশন, ইসলামিক সার্কেল অফ নর্থ অ্যামেরিকা, মুসলিম অ্যামেরিকান সোসাইটি, প্যালেস্টাইন ইউথ মুভমেন্ট, কোড পিঙ্ক। তারা অবিলম্বে ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধবিরতি কার্যকরে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের উপর চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে।
বাইডেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, হোয়াইট হাউস গোপনে ইসরায়েলকে ২ হাজার পাউন্ড বোমা ও বিমানসহ একটি নতুন সামরিক সহায়তা প্যাকেজ অনুমোদন করেছে। এর আগে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন অবরুদ্ধ গাজায় স্থায়ী যুদ্ধ বিরতির আহ্বানকে বারবার প্রত্যাখ্যান করে আসছিলেন। বাইডেনের এমন পদক্ষেপে বিক্ষোভকারীরা আরো বিক্ষুব্ধ হচ্ছিলো এবং তারা বারবার যুদ্ধ বিরতির দাবি জানিয়ে আসছিলো।
উল্লেখ্য, ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের অভ্যন্তরে হামাসের হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ ইসরায়েলিকে হত্যা করা হয়। এবং প্রায় ২০০ ইসরায়েলিকে অপহরণ করে গাজায় নিয়ে যায়। ইসরায়েলের পাল্টা হামলায় গাজায় এ পর্যন্ত ৩২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে প্রায় ৭৫ হাজার।
ইসরায়েল গাজায় একটি সর্বাত্মক অবরোধ আরোপ করেছে। ফলে উত্তর গাজার বাসিন্দারা অনাহারে আছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক ত্রাণ প্রবেশের ক্ষেত্রেও ইসরায়েল কড়াকড়ি আরোপ করেছে।ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার অভিযোগ রয়েছে, যা গত সপ্তাহে তেল আবিবকে গাজায় দুর্ভিক্ষ প্রতিরোধে পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানায়।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে আজারবাইজানের অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত এলচিন হুসেইনলি আজ মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনুসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
এ সময় তারা আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠেয় কপ-২৯ সম্মেলন এবং জ্বালানি, বাণিজ্য ও ব্যবসায়িক সহযোগিতা ও দুই দেশের মধ্যে বিমান পরিষেবা চুক্তির বিষয়ে আলোচনা করেন।
আশা করা হচ্ছে অধ্যাপক ইউনুস আজারবাইজানে অনুষ্ঠেয় কপ-২৯ সম্মেলনে যোগ দেবেন, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে অন্তত ৩২ হাজার মানুষ জলবায়ু অর্থায়নের বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন।
রাষ্ট্রদূত হুসেইনলি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক আরও নিবিড় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একইসাথে তিনি উভয় দেশের মধ্যে ব্যবসা ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ উন্মোচন এবং আরও বেশি ব্যবসার উপায় খোঁজার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
তিনি জানান, জুন মাসে বাকুতে দুই দেশের মধ্যে পররাষ্ট্র দপ্তর পর্যায়ে একটি পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আজারবাইজান বাংলাদেশের সঙ্গে একটি বিমান পরিষেবা চুক্তি স্বাক্ষরের ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করে।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনুস আজারবাইজানকে "ভাল বন্ধু" হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস আজারবাইজানের জনগণ, দেশটির নেতৃত্ব এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে তার দীর্ঘ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন।
মন্তব্য করুন


বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের মেয়ে সুহানা খানের এখনো কোনো ছবি মুক্তি পায়নি। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক এক প্রসাধনী সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন সুহানা।
এতে প্রথম সাফল্য পেলেন সুহানা খান। কিন্তু প্রথম কাজেই সমালোচনার মুখে সুহানা। লোকে সুহানার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেছেন ছোটপর্দার অভিনেত্রী অঙ্কিতা লোখন্ডেকে।
সম্প্রতি সুহানাকে ওই আন্তর্জাতিক প্রসাধনী সংস্থার লিপস্টিকের বিজ্ঞাপনে দেখা মাত্রই ধেয়ে এসেছে কটাক্ষ। ঠোঁটে লাল রং, গায়ের রং যেন ফেটে পড়ছে সুহানার। পোস্টারে দেখা যাচ্ছে, চিৎকার করার ভঙ্গি করছেন শাহরুখ-কন্যা। তার গায়ের রঙে এমন বদল দেখে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। কেউ লিখেছেন, সুহানা খান আসলে কালার কারেক্টেড প্রো ম্যাক্স। কেউ লিখেছেন, ওকে অঙ্কিতা লোখান্ডের মতো দেখতে লাগছে। কেউ কেউ লেখেন, অনায়াসেই সুহানার নিজস্ব স্কিন টোন ব্যবহার করা যেত। অন্য কোনো শেডের লিপস্টিক পরানো যেত তাকে। কোনো আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের কাছ থেকে তো এমনটাই আশা করা উচিত, তাই না? কারও সোজাসাপটা প্রশ্ন, তার গায়ের রং ফর্সা করার কী দরকার? কেউ লিখেছেন, ‘সুহানার মুখে প্যানকেক মেকআপ ব্যবহার করে ওর আসল রংটা নষ্ট করার কোনো দরকার ছিল কি?
এসব সমালোচনার বিষয়ে সুহানা কোনা মন্তব্য করেননি। জানা গেছে, শিগগিরই ‘দি আর্চিজ’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হতে চলেছে শাহরুখ কন্যা সুহানার।
মন্তব্য করুন