

ডেস্ক রিপোর্টঃ
ভারতের অভ্যন্তরে মারা যাওয়া রিজাউল করিমের লাশ হস্তান্তর করেছে বিএসএফ।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে নেত্রকোনা ব্যাটালিয়নের (৩১ বিজিবি) মাধ্যমে তার লাশ হস্তান্তর করে বিএসএফ।
রেজাউল করিম শেরপুর জেলার নারায়নপুর গ্রামের আব্দু সাত্তারের ছেলে। তিনি ওষুধ ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি স্বল্পমূল্যে ওষুধ আনার জন্য ওই দিন ভারতের প্রবেশ করার পর রাত ৯টার দিকে সীমান্তে গুলির শব্দ পায় স্থানীয়রা। এরপর রেজাউল করিম আর ফেরত আসেনি।
বিএসএফ সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বিজিবির নেত্রকোনা ব্যাটালিয়নের (৩১ বিজিবি) অধীনস্থ মুন্সিপাড়া বিওপির দায়িত্বপূর্ণ ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার দীগলবাঘ এলাকার সীমান্ত পিলারের নিকট দিয়ে সাতজন বাংলাদেশি নাগরিক কাঁটাতার দিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে অনুপ্রবেশ করে। এসময় ১৮১ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের দমদমা ক্যাম্পের টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করলে ছয়জন পালাতে সক্ষম হলেও একজন সেখানে একটি কালভার্ট হতে পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে অচেতন হয়ে কালভার্টের পানিতে তলিয়ে যায়।
সূত্র থেকে আরও বলা হয়েছে, তাৎক্ষণিক বিএসএফ সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সেন্টারে ভর্তি করে এবং সেখানেই তার মৃত্যু হয়। ভারতে মৃত ব্যক্তির ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার বেলা ১১টার দিকে নেত্রকোনা ব্যাটালিয়ন (৩১ বিজিবি) এর অধীনস্থ বিজয়পুর বিওপির বিপরীতে ২০০ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের বাগমারা এলসি দিয়ে নেত্রকোনা জেলা পুলিশের মাধ্যমে মৃত রিজাউলের পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে মরদেহটি হস্তান্তর করে।
রিজাউলের লাশ পাওয়ার পর বাংলাদেশে পুনরায় সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত করে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
মন্তব্য করুন


ঘন কুয়াশায় ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাসসহ ১০টি যানবাহনের সংঘর্ষে একজন নিহত এবং অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। রোববার (২২ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম মো. ফরহাদ হোসেন (৪০), যিনি ফরিদপুরের ভাঙা এলাকার বাসিন্দা এবং একটি বাসের চালক ছিলেন।
হাঁসাড়া হাইওয়ে থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সগির মিয়া জানান, এক্সপ্রেসওয়ের নিমতলা এলাকার কিছু দূরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। যানবাহনগুলো ঢাকা থেকে মাওয়ার দিকে যাচ্ছিল।
জানা যায়, ভোরে প্রথমে দুটি পণ্যবাহী ট্রাকের সংঘর্ষ ঘটে। এরপর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে একটি বাস পেছন থেকে আরেকটি বাসকে ধাক্কা দেয়, এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। একই সময়ে একটি পিকআপভ্যান একটি প্রাইভেটকারকে চাপা দেয়, যার ফলে আরও কয়েকজন আহত হন।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে।
হাঁসাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাদের জিলানী বলেন, "দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহনগুলো সরিয়ে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করি। সকালে ঘন কুয়াশার কারণে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।"
তিনি আরও জানান, আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, ঘন কুয়াশার মধ্যে অতিরিক্ত গতির কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
কক্সবাজারের পেকুয়ায় আসছেন জনপ্রিয় ইসলামী আলোচক মিজানুর রহমান আজহারী। তার আসার খবরে মাহফিল শুরু হওয়ার আগেই মানুষের ঢল নেমেছে।
পেকুয়ায় মরহুম মাওলানা শহিদ উল্লাহ স্মৃতি সংসদ ও সমাজ উন্নয়ন পরিষদের যৌথ উদ্যোগে এ মাহফিলে প্রধান বক্তা হিসেবে আলোচনা করার কথা রয়েছে তার।
আয়োজক কমিটি ও প্রশাসন তাফসির ময়দানস্থলে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
মিজানুর রহমান আজহারী আজ শুক্রবার রাত ৮টার দিকে হেলিকপ্টারে চড়ে পেকুয়া আসার কথা রয়েছে এবং তিনি রাত ১০টায় আলোচনা করবেন।
পেকুয়া সমাজ উন্নয়ন পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা নিয়ামত উল্লাহ নিজামী বলেন, ‘আজহারী হুজুরসহ জনপ্রিয় ইসলামী আলোচকদের আগমনে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের ঢল নেমেছে। মানুষ সামাল দিতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। তবে যৌথ বাহিনী আমাদের সহযোগিতা করছে। আজহারী হুজুর রাত ১০টায় আলোচনা করবেন।’
মাহফিলে আসা কয়েকজন যুবক বলেন, হুজুরকে দেখতে এসেছি। এত পরিমাণ মানুষ হয়েছে যে প্যান্ডেলে পর্যন্ত যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সিরাজুল মোস্তফা বলেন, বৃহত্তর ঐতিহাসিক তাফসির মাহফিল ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এরই মধ্যে চকরিয়া-পেকুয়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো.রাকিব-উর রাজা মাহফিলের স্থান পরিদর্শন করেছেন। আমাদের ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ মধ্যযুগীয় কায়দায় প্রকাশ্যে এক বিএনপি কর্মিকে গুলির পর জবাই করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তবে তাৎক্ষণিক নিহতের স্বজন ও পুলিশ এই হত্যাকান্ডের কোনো কারণ জানাতে পারেনি।
শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের দিকে উপজেলার আলাইয়াপুর ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ডের সুজায়েতপুর গ্রামের সুজায়েতপুর পূর্ব জামে মসজিদের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত কবির হোসেন ওরফে ছালি কবির (৩৫) একই ইউনিয়নের সুজায়েতপুর গ্রামের মৃত নুরনবীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ছালি কবির স্থানীয় বিএনপির ওয়ার্ড পর্যায়ের একজন সক্রিয় কর্মি ছিলেন। গত ৫ আগস্টের পর কবির এলাকায় আসেন। তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা ছিল। শুক্রবার দুপুরে তিনি বাড়ির পাশের সুজায়েতপুর পূর্ব জামে মসজিদের জুমার নামাজ পড়তে যান। ইমামের পেছনে জুমার ফরজ নামাজ আদায় করেই তিনি মসজিদ থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে বের হয়ে যান। ওই সময় মুখোশপরা ৫-৬ জন দুর্বৃত্ত সিএনজি চালিত অটোরিকশাযোগে সুজায়েতপুর পূর্ব জামে মসজিদের সামনে আসেন। এক পর্যায়ে ছালি কবির মসজিদ থেকে বের হওয়ার সাথে সাথে তাকে লক্ষ্য করে তারা গুলি ছোঁড়েন। এতে কবির মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে সন্ত্রাসীরা তার বাম পায়ের রগ কেটে, গলা কেটে জবাই করে হত্যা করে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়।
নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো.আব্দুল্লাহ্-আল-ফারুক বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে চেষ্টা চলছে। আশা করছি অল্প সময়ের মধ্যে হত্যার কারণ জানাতে পারব।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
পঞ্চগড়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে প্রাণ গেল আনোয়ার হোসেন (৪০) নামে এক বাংলাদেশির।
শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) ভোরে নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আওতাধীন পঞ্চগড় সদর উপজেলার মোমিনপাড়া এবং ভারতের শিংপাড়া সীমান্তের মেইন পিলার ৭৫১ এর ৮ ও ৯ নম্বর সাব পিলারের মাঝামাঝি এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
নিহত আনোয়ার তেঁতুলিয়া উপজেলার দেবনগর এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে আরও কয়েকজনের সঙ্গে ভারতে গরু আনতে যান আনোয়ার। শুক্রবার ভোরে গরু নিয়ে ফেরার পথে ভারতীয় সীমান্তের ভেতরে বিএসএফ সদস্যরা তাদের ধাওয়া করেন। এসময় কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শোনেন স্থানীয়রা।
এদিকে গুলির শব্দ পেয়ে এবং চোরাকারবারি প্রতিহত করতে আট রাউন্ড ফাঁকা গুলি করেন পঞ্চগড়ে ঘাগড়া বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরাও। পরে ঘটনাস্থল থেকে আনোয়ারের মরদেহ নিয়ে যায় বিএসএফ।
নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ মো বদরুদ্দোজা বলেন, সীমান্তের ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানানো হবে। পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে মরদেহ ফেরত আনার প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার পর বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকা থেকে চোরাচালানের একটি ভারতীয় গরু জব্দ করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা নগরীতে সরকারবিরোধী ঝটিকা মিছিলে অংশগ্রহণ করা ১২ জন ছাত্রলীগ-যুবলীগ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে কোতয়ালী থানা ও ডিবি পুলিশ।
জানা যায়, বিভিন্ন বৈষম্য বিরোধী মামলার ঘটনায় জড়িত পলাতক ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাকর্মীরা গত ৩০ অক্টোবর ভোরে ২ টি সিএনজিতে করে ৮/১০ জন সদস্য গোপনে এসে নগরীর ঈদগাহ মাঠের সিএনজি স্ট্যান্ড গলিতে ও পার্কের সামনে এসে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে অতি অল্প সময়ে ৩০/৪০ সেকেন্ড ঝটিকা মিছিল করে পার্কের গেট হতে সিএনজি যোগে পালিয়ে যায়।
সংবাদ পেয়ে পুলিশ সুপারের দিক নির্দেশনায় কুমিল্লা জেলার আইন শৃঙ্খলা সম্বন্বত রাখতে কোতয়ালী থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশ দিনভর অভিযান করে উক্ত মিছিল সংশ্লিষ্ট ১২ জন ছাত্রলীগ-যুবলীগ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, আকরাম হোসেন ওকি (২৮}, মো: সাগর (২৪), মোঃ মহিউদ্দিন সুমন (৩২), মোহাম্মদ রাসেল হোসেন (৩০ ), মোঃ ফয়সাল (২৮), মাকসুদুর রহমান প্রকাশ বাবলু (৩১), আমিন খান নাহিদ (৩০), তুহিন আলম(২৮), কাজী শামসুল আলম (৫২), মোহাম্মদ মোবারক হোসেন রুবেল (৩৫), আব্দুল্লাহ আল হাদী (৩৬) ও গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী (২৭)।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম জানান, মিছিল করছে সিএনজিতে আসা ৮/১০ জনসহ ১৫/২০ জন ৩০/৪০ সেকেন্ডে ৩০/৪০ গজের মধ্যে মিছিল করে পালিয়ে যায়। তাৎক্ষণিক খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাউকে পায়নি। পরে দিনভর অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কুমিল্লা ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের উদ্যোগে ৫ জেলায় “মেডিকেল ক্যাম্পেইন–২০২৬" এর আওতায় মোট ৭ হাজার ২৯৯ জন রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ প্রদান করা হয়েছে।
মানবিক সহায়তা ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ৬ জানুয়ারি থেকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত এই মেডিকেল ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগণকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করা হয়।
এই ক্যাম্পেইন এর মাধ্যমে ৭ হাজার ২৮৩ জন রোগীকে সাধারণ চিকিৎসা পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করা হয় এবং ১৬টি অপারেশন (স্থানীয় অ্যানেস্থেশিয়ার মাধ্যমে) সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়। রোগীদের মধ্যে পুরুষ ছিলেন ২ হাজার ৭২ জন, নারী ৩ হাজার ২৬০ জন এবং শিশু ১ হাজার ৯৬৭ জন।
৬ জানুয়ারি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলায়, ৯ জানুয়ারি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলায়,
১১ জানুয়ারি নোয়াখালী চৌমুহনীতে, ১৩ জানুয়ারি ফেনি জেলার সোনাগাজী উপজেলায় ও ১৫ জানুয়ারি চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলায় এই মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।
৩৩ পদাতিক ডিভিশনের এই মানবিক উদ্যোগ স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং স্বাস্থ্যসেবাবঞ্চিত মানুষের জন্য তা অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মানবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের উদ্যোগে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগরে একটি বিনামূল্যের মেডিকেল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।
এ মেডিকেল ক্যাম্পে নবীনগর ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মোট ১,৩৯৩ জন রোগী চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন, যার মধ্যে পুরুষ ৩২৪ জন, নারী ৭০৬ জন এবং শিশু ৩৬৩ জন। পাশাপাশি স্থানীয় অ্যানেস্থেশিয়ার মাধ্যমে ৫টি সফল অপারেশন সম্পন্ন করা হয়।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও মেডিকেল স্টাফরা বিনামূল্যে চিকিৎসা, বিশেষজ্ঞ পরামর্শ ও ওষুধ প্রদান করেন।
এ মানবিক উদ্যোগে স্থানীয় জনগণ সন্তোষ প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের উদ্যোগে ৬ জেলার চার হাজার শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
৯ জানুয়ারি থেকে আজ ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম ৬ জেলার ১৮ টি এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার' এর আওতায় দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় স্থানীয় গরীব ও দুঃস্থ মানুেষের মাঝে এ শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
উক্ত কর্মসূচির আওতায় ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার' এ সহায়তায় দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় স্থানীয় গরীব ও দুঃস্থ জনগণের মাঝে মোট ৪ হাজার পিস শীতের কম্বল বিতরণ করা হয়।
দাউদকান্দি আর্মি ক্যাম্পের অধীনে চরগোপাল, চাঁদপুর সদর আর্মি ক্যাম্পের অধীনে মাস্টারপাড়া এতিমখানা, কুমিল্লা সদর সমাজসেবা আর্মি ক্যাম্পের অধীনে দক্ষিণ সদর জোর কানন ভূমি অফিস এলাকা, চৌদ্দগ্রাম আর্মি ক্যাম্পের অধীনে শুভপুর ইউনিয়ন, কুমিল্লা সদর সমাজসেবা আর্মি ক্যাম্পের অধীনে অনন্যপুর আশ্রয় প্রকল্প, কুমিল্লা মেঘনা আর্মি ক্যাম্পের অধীনে চালিভাঙ্গা ইউনিয়ন, দেবিদ্বার আর্মি ক্যাম্প, বুড়িচং আর্মি ক্যাম্প, আখাউড়া আর্মি ক্যাম্প, নোয়াখালী সদর এলাকা, বেগমগঞ্জ এলাকা, কোম্পানীগঞ্জ এলাকা, সোনাইমুড়ি এলাকা, ফেনী সদর, দাগনভূঞা এলাকা, ফুলগাজী, লক্ষীপুর সদর ও রায়পুর এলাকায় এসব কম্বল বিতরণ করা হয়।
শীত মৌসুমে অসহায় মানুষের কষ্ট লাঘবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই মানবিক উদ্যোগ স্থানীয় জনগণের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সেনাবাহিনী সূত্র।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
রাঙামাটির অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র সাজেকে পর্যটকদের ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করেছে জেলা প্রশাসন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বুধবার (৪ ডিসেম্বর) মেঘের রাজ্যে পর্যটকদের না যাওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) জোবাইদা আক্তারের সই করা এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়েছে, রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার আইনশৃঙ্খলার সার্বিক পরিস্থিতি এবং এ সকল এলাকায় পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটকদের ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করা হলো।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দিনভর সাজেক ইউনিয়নের মাচালং ব্রিজপাড়ায় বিবদমান দুই আঞ্চলিক দলের মধ্যে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটেছে। এ অবস্থায় পর্যটকদের নিরাপত্তা বিবেচনায় মূলত বুধবার থেকে সাজেক যেতে না করছে প্রশাসন।
এর আগে, গত ১৯ ও ২০ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে সহিংসতার ঘটনায় ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দফায় দফায় সাজেক পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটকদের ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করা হয়। পরে ১ নভেম্বর থেকে রাঙামাটির সকল পর্যটন কেন্দ্র থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধলেশ্বরী টোল প্লাজায় বেপরোয়া গতির বাসের ধাক্কায় একই পরিবারের ৪ জনসহ মোট ৬ জন নিহত হয়েছে।এই ঘটনায় ঘাতক বাসটির চালক মোহাম্মদ নুরুদ্দিনকে গ্রেফতার করেছে এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেলে র্যাব সদরদপ্তরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনীম ফেরদৌস এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে ধলেশ্বরী টোল প্লাজায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় ঘাতক বাসটির চালক মোহাম্মদ নুরুদ্দিনকে শুক্রবার রাতে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
লে. কর্নেল মুনীম ফেরদৌস আরও বলেন, দুর্ঘটনার পর বাসচালক আত্মগোপনে সিদ্ধিরগঞ্জ লুকিয়ে ছিলেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের ধলেশ্বরী টোল প্লাজায় দাঁড়িয়ে থাকা ৩ টি গাড়িতে ধাক্কা দেয় যাত্রীবাহী একটি বাস। এতে একই পরিবারের ৪ জনসহ দুটি গাড়ির ৬ আরোহী নিহত ও ৪ জন আহত হন। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলেই ৫ জন ও বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজন মারা যান।
নিহতরা হলেন- মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার নন্দনকোনা গ্রামের বাসিন্দা ও দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেটকারের মালিক নুর আলমের স্ত্রী আমেনা আক্তার (৪০), তার বড় মেয়ে ইসরাত জাহান (২৪), ছোট মেয়ে রিহা মনি (১১), ইসরাত জাহানের ছেলে আইয়াজ হোসেন (২), মোটরসাইকেলের চালক সুমন মিয়ার স্ত্রী রেশমা আক্তার (২৬) ও তার ছেলে মো. আবদুল্লাহ (৭)।
আহত হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন প্রাইভেটকারের মালিক নুর আলম (৪২), তার বোন ফাহমিদা আক্তার (১৭), প্রাইভেটকারের চালক হাবিবুর রহমান (৩৮) ও মোটরসাইকেলের চালক সুমন মিয়া (৪২)।
শুক্রবার দুর্ঘটনার পর পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয় আহত ব্যক্তিদের।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনায় ১০ জনকে এ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এর মধ্যে ৫ জন হাসপাতালে নেওয়ার আগেই মারা যান। আহত ৫ জনের মধ্যে ৩ জনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ২ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ৩ জনের মধ্যে গুরুতর আহত রেশমাকে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) পাঠানো হয়েছিল। পরে তারা জানতে পারেন, শুক্রবার বিকেলে সেখানে রেশমার মৃত্যু হয়।
মন্তব্য করুন