

বিয়ে
করে বাড়ি ফেরার পথে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল নবদম্পতির। এসময় গাড়িতে তাদের সঙ্গে
আরও কয়েকজন আত্মীয়স্বজনও প্রাণ হারান এ দুর্ঘটনায়।
কনের
বাড়ি থেকে ফেরার পথে গাড়িটি সড়ক দুর্ঘটনার মুখে পড়ে। বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের
সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় গাড়িটির। ধাক্কায় গাড়ির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। গাড়ির
ভেতরেই আটকে থাকা নবদম্পতিসহ ৫জনের মৃত্যু হয়।
ভারতীয়
গণমাধ্যম আনন্দবাজার জানায়, রোববার ছত্তীসগঢ়ের বোলুদাতে ভয়াবহ এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ
জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটিকে ধাক্কা মারে।
দুর্ঘটনার পরই ট্রাক ফেলে রেখে পালান চালক। গাড়িটি পামগড় থেকে আকালতারায় ফিরছিল।
পাকারিয়া জঙ্গলের কাছে গাড়িটি দুর্ঘটনার মুখে পড়ে।
মন্তব্য করুন


গত ২ আগস্ট শনিবার ভারতের
আবহাওয়া দপ্তর দুই ঘণ্টার মধ্যে
ওড়িশা জুড়ে বিস্ময়কর ভাবে ৬১ হাজার বার বজ্রপাতের ঘটনা রেকর্ড করেছে। এই দিন
বজ্রপাতের ফলে মারা যাওয়া ব্যক্তির সংখ্যাও দাঁড়িয়েছে ১০ থেকে বেড়ে ১২ জনে।
তাছাড়া
আরও ১৪ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
ওড়িশায় আবহাওয়ার এই চরম
অবস্থা চলমান থাকতে পারে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যার কারণে আবহাওয়া সতর্কতা জারি করা
হয়েছে অঞ্চলটিতে।
ভারতের আবহাওয়া দপ্তর
জানায়, বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় একটি ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে একটি
নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে এবং এর প্রভাবে ওড়িশা জুড়ে হতে পারে ব্যাপক বৃষ্টিপাত।
খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া।
ওড়িশার বিশেষ ত্রাণ কমিশনারের
কার্যালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, শনিবারের বজ্রপাতে নিহতদের মধ্যে চারজন খুরদা
জেলার, দুইজন বালাঙ্গির এবং একজন করে রয়েছেন আঙ্গুল, বৌধ, ঢেনকানাল, গজপতি,
জগৎসিংহপুর এবং পুরীর। এছাড়াও গজপতি এবং কান্ধমাল জেলায় বজ্রপাতের ফলে গবাদি পশু
মারা গেছে ৮ টি।
আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা
জানায়, ঠাণ্ডা ও উষ্ণ বাতাসের সংঘর্ষ এই ধরনের নজিরবিহীন বজ্রপাতের জন্য উপযুক্ত
পরিবেশ তৈরি করেছে। এসব অস্বাভাবিক ও চরম বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে বর্ষার আগমনে
স্বাভাবিক চেয়ে বেশি সময় লাগলে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ থেকে হজ ব্যবস্থাপনা আরও সহজ ও গতিশীল করতে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে ‘নসুক’ নামে একটি অ্যাপ উদ্বোধন করা হয়েছে। গতকাল বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) আয়োজিত রোড শোতে এই অ্যাপের উদ্বোধন করা হয়।
ফলে বাংলাদেশিদের জন্য সৌদি আরব ভ্রমণ আরও সহজ হবে। ওমরাহ পালনে ব্যক্তিগতভাবেই আবেদন করতে পারবেন আগ্রহীরা। অ্যাপটি ইউরোপ-আমেরিকায় আগেই চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে এজেন্সিকেন্দ্রিক হজ ব্যবস্থাপনা থেকে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনার যুগে ঢুকবে বাংলাদেশ। ধীরে ধীরে কমে আসবে এজেন্সি-নির্ভরতা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সৌদি হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রী ড. তৌফিগ আল-রাবিয়া এবং নসুক এশিয়া প্যাসিফিকের প্রেসিডেন্ট আলহাসান আলদাববাগ।
মন্তব্য করুন


ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৭ সালে হ্যাম্পশায়ারের রিংউডের বাসিন্দা জেনিফার সাটনের বয়স ছিল ২২। ওই বছরই হৃৎপিণ্ডের জটিল রোগ ধরা পড়ায় চিকিৎসকদের পরামর্শে তা প্রতিস্থাপন করা হয়।
সম্প্রতি লন্ডনে হান্টেরিয়ান জাদুঘরে একটি প্রদর্শনীতে গিয়ে ওই নারী তার নিজের হৃৎপিণ্ড দেখতে পান।
জীবন বাঁচাতে ১৬ বছর আগে হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপন হয়েছিল এক তরুণীর। অপসারণ হওয়া সেই হৃদযন্ত্রটি জাদুঘরে গিয়ে দেখে আসলেন সেই নারী। এমন অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাজ্যে।
বিবিসিকে জেনিফার বলেন, এটা আমার শরীরের ভেতর ছিল, বেশ সুন্দর, আমার বন্ধুর মতো। এটা আমাকে ২২ বছর ধরে বাঁচিয়ে রেখেছিল। আমি সত্যিই এর জন্য বেশ গর্বিত।
মন্তব্য করুন


বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের মেয়ে সুহানা খানের এখনো কোনো ছবি মুক্তি পায়নি। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক এক প্রসাধনী সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন সুহানা।
এতে প্রথম সাফল্য পেলেন সুহানা খান। কিন্তু প্রথম কাজেই সমালোচনার মুখে সুহানা। লোকে সুহানার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেছেন ছোটপর্দার অভিনেত্রী অঙ্কিতা লোখন্ডেকে।
সম্প্রতি সুহানাকে ওই আন্তর্জাতিক প্রসাধনী সংস্থার লিপস্টিকের বিজ্ঞাপনে দেখা মাত্রই ধেয়ে এসেছে কটাক্ষ। ঠোঁটে লাল রং, গায়ের রং যেন ফেটে পড়ছে সুহানার। পোস্টারে দেখা যাচ্ছে, চিৎকার করার ভঙ্গি করছেন শাহরুখ-কন্যা। তার গায়ের রঙে এমন বদল দেখে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। কেউ লিখেছেন, সুহানা খান আসলে কালার কারেক্টেড প্রো ম্যাক্স। কেউ লিখেছেন, ওকে অঙ্কিতা লোখান্ডের মতো দেখতে লাগছে। কেউ কেউ লেখেন, অনায়াসেই সুহানার নিজস্ব স্কিন টোন ব্যবহার করা যেত। অন্য কোনো শেডের লিপস্টিক পরানো যেত তাকে। কোনো আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের কাছ থেকে তো এমনটাই আশা করা উচিত, তাই না? কারও সোজাসাপটা প্রশ্ন, তার গায়ের রং ফর্সা করার কী দরকার? কেউ লিখেছেন, ‘সুহানার মুখে প্যানকেক মেকআপ ব্যবহার করে ওর আসল রংটা নষ্ট করার কোনো দরকার ছিল কি?
এসব সমালোচনার বিষয়ে সুহানা কোনা মন্তব্য করেননি। জানা গেছে, শিগগিরই ‘দি আর্চিজ’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হতে চলেছে শাহরুখ কন্যা সুহানার।
মন্তব্য করুন


পৃথিবীর দ্বিতীয় জনবহুল দেশ চীনের তরুণ-তরুণীদের মধ্যে বিয়ের প্রতি অনাগ্রহ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। তাদের এমন অনাগ্রহের কারণে দেশটির জনসংখ্যাও কমছে আশঙ্কাজনক হারে। তরুণ বয়সেই বিয়ের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে চীনের সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
চীনের পূর্বাঞ্চলের চ্যাংসান কাউন্টি ঘোষণা দিয়েছে, যদি কোনো তরুণ-তরুণী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন এবং ওই নববধূর বয়স ২৫ বছর বা তার কম হয় তাহলে নতুন দম্পতিকে নগদ ১ হাজার ইউয়ান পুরস্কার দেওয়া হবে।
চ্যাংসান কাউন্টির অফিসিয়াল উইচ্যাট অ্যাকাউন্টে এ সংক্রান্ত একটি নোটিশ প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘উপযুক্ত বয়সে বিয়ে’ এবং ‘গর্ভধারনের’ জন্য এই পুরস্কারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া যেসব দম্পতির সন্তান রয়েছে তাদের জন্য বিভিন্ন ধরনের বিশেষ সুযোগ-সুবিধাও রেখেছে তারা।
২০২২ সালে গত ৬০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো চীনের জনসংখ্যা কমে যেতে দেখা যায়। জন্মহার খুবই কম হওয়ায় দেশটিতে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা কমে গেছে; অপরদিকে বেড়ে গেছে বয়স্কদের সংখ্যা। এ বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে চীন। জন্মহার বাড়াতে তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা দেয়।
চীনের আইন অনুসারে দেশটিতে ছেলেদের বিয়ের বৈধ বয়স হলো ২২। মেয়েদের বিয়ের বৈধ বয়স হলো ২০। এ বয়সী তরুণ-তরুণীদের মধ্যে বিয়ের কোনো চিন্তাভাবনাই দেখা যায় না। আর এ বিষয়টি জন্মহারে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে।
২০২২ সালে চীনে মাত্র ৬০ লাখ ৮০ হাজার বিয়ে হয়। যা ১৯৮৬ সালের পর সর্বনিম্ন। ২০২১ সালে যে সংখ্যক বিয়ে হয়েছিল ২০২২ সালে সে তুলনায় ৮ লাখ কম বিয়ে হয়েছিল।
সন্তান লালন-পালনের ব্যয় ও নানান কারণে দেশটির অনেক নারী বিয়ের পরও সন্তান নিতে চান না।
সূত্র: রয়টার্স
মন্তব্য করুন


দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক পরপর ২বার (২০২২ ও ২০২৩) বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি) নির্বাচিত হয়েছেন সুইজারল্যান্ড প্রবাসী অধ্যাপক ড. আমিন আহম্মেদ খোন্দকার। দেশে বৈধ চ্যানেলে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণকারী অনিবাসী ক্যাটাগরিতে তাকে সিআইপি হিসেবে মনোনীত করেছে সরকার।
গতকাল শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) বিশ্ব প্রবাসী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইমরান আহমদ তাকে এ সম্মাননা প্রদান করেন।
এর আগে গত ২০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সরকার ২০২২ ও ২০২৩ সালের জন্য দেশে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণকারী অনিবাসী বাংলাদেশিদের সিআইপি-এনআরবি ক্যাটাগরিতে বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। গত দুই বছরে ১৫০ জন অনাবাসী বাংলাদেশি এই সিআইপি মর্যাদা লাভ করেছেন।
ড. আমিন বলেছেন, আমরা সকলেই অবগত বিগত কয়েক বছর যাবৎ হুন্ডির মাধ্যমে দেশে প্রচুর পরিমাণ রেমিট্যান্স আসে এতে সরকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকে। বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে সরকার ইতোমধ্যে প্রণোদনা চালু করেছে। এ প্রণোদনা চালু করার ফলে আমরা দেখতে পারছি বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্সের পরিমাণ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে আমাদের দেশের রিজার্ভ অনেক কমে গেছে। দেশের অর্থনীতিকে পূর্বের ন্যায় ফিরিয়ে নিতে আমরা যারা প্রবাসী আছি তাদেরকেই বড় ভূমিকা পালন করতে হবে। বিশেষ করে বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রেরণের মাধ্যমে আমরা দেশের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করতে পারি। সেক্ষেত্রে সরকার ও দূতাবাসগুলোকে প্রবাসীদের কল্যাণে আরও যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
ড. আমিন আহম্মেদ খোন্দকার হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ট্রেনিংপ্রাপ্ত মাস্টার্স টিচার্স ট্রেইনার ও ২০১২ সাল সুইস এডুকেশনাল কলেজের সিইও হিসেবে কর্মরত আছেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সোমবার বাংলাদেশের কর্মকর্তা, এনজিও এবং সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দকে
বাকুতে কপ২৯ সম্মেলনে দেশের জলবায়ু সংকটের উদ্বেগ তুলে ধরতে অতিরিক্ত প্রচেষ্টা চালাতে
বলেছেন।
জাতিসংঘের
বার্ষিক জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিতে আজারবাইজানের রাজধানীতে
পৌঁছার পরপরই বাকুতে তিনি এ আহ্বান জানান।
তিনি
বাকুর একটি হোটেলে সমন্বয় সভায় বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে বলেন, আমাদের প্রধান প্রচেষ্টা
হবে আমাদের উদ্বেগ ও দাবিগুলি কপ২৯-এর চূড়ান্ত ঘোষণায় অন্তর্ভুক্ত করা’।
বৈঠকে
পরিবেশ সচিব ফারহিনা আহমেদ সম্মেলনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান
সম্পর্কে কর্মকর্তাদের অবহিত করেন।
তিনি
বলেন, বাংলাদেশ শীর্ষ সম্মেলনে জলবায়ু অর্থায়ন, ক্ষতি ও প্রশমন এবং শুধু রূপান্তর ও
অভিযোজন প্রক্রিয়াসহ সকল প্রধান ক্ষেত্রে আলোচনার জন্য নয়টি দল গঠন করেছে। বাংলাদেশের
অন্তত ২৯টি এনজিও এবং সুশীল সমাজ গোষ্ঠী কপ২৯-এ যোগ দিচ্ছে। গ্লোবাল নর্থের ধনী দেশগুলোর
আশ্বাস সত্ত্বেও বাংলাদেশ এ পর্যন্ত ৩৪৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান এবং ২৫০ মিলিয়ন
মার্কিন ডলার ঋণ জলবায়ু অর্থায়ন হিসেবে পেয়েছে।
এর
আগে বিকেল ৫.১৫ মিনিটে স্থানীয় সময় বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস
বাকু পৌঁছান।
তিনি
আগামীকাল (মঙ্গলবার) কপ২৯-এর মূল শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন এবং অন্তত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেন।
মন্তব্য করুন


চীনের আনহুই প্রদেশে ২০১৪ সালে হার্ট
অ্যাটাকে আক্রান্ত হন এক ব্যক্তি। তারপর তিনি কোমায় চলে যান। কিন্তু স্ত্রীর বিশ্বাস
ছিল, তার জীবনসঙ্গী একদিন স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবেন। আর সেই বিশ্বাস, মনের প্রবল
জোর ও নিঃস্বার্থ সেবায় দীর্ঘ ১০ বছর পর কোমা থেকে স্বামীকে ফিরে পেলেন সান হংশিয়া
নামের ওই নারী।
এই দম্পতির একটি আবেগঘন ভিডিও চীনের
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, জেগে ওঠা স্বামীর পাশে বিছানায়
বসে আছেন সান হংশিয়া। গত কয়েক বছর কীভাবে কেটেছে, সেই বর্ণনা স্বামীকে দিচ্ছিলেন ওই
নারী। এসব শুনে কোমা থেকে জেগে ওঠা ওই ব্যক্তির চোখ থেকে পানি গড়িয়ে পড়ছে।
গণমাধ্যমকে সান বলেন, যদিও আমি অনেক
ক্লান্ত। তারপরও একটি পরিবারের সবাই যদি আবার এক হয়, সেটার অনুভূতি অন্য রকম।
হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে স্বামী
কোমায় চলে যাওয়ার পর তিনি কী দুরবস্থার মধ্য দিয়ে গেছেন, সেগুলোর স্মৃতিচারণা করেন
সান। তিনি বলেন, দুই সন্তানের চিন্তাই তাকে শক্তি জুগিয়েছে, ভেঙে পড়তে দেয়নি। পাশাপাশি
তিনি সন্তানদের জন্য সুন্দর একটি উদাহরণও তৈরি করতে চেয়েছিলেন।
সান আরও বলেন, তার কাছে অগ্রাধিকার
ছিল স্বামী। অচেতন স্বামীর থাকাটা যেন আরামদায়ক হয়, সে জন্য তিনি সময় ও শক্তি দুটিই
ব্যয় করেছেন। দীর্ঘদিন কোমায় থাকার কারণে ওই ব্যক্তির (স্বামী) অনেক ধরনের শারীরিক
সমস্যা হয়েছিল। শ্বাসপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে তার জন্য ট্র্যাকিওস্টমি প্রক্রিয়া
ব্যবহার করা হয়েছে। পুরুষাঙ্গে ক্যাথেটার ব্যবহার করা হয়েছে। অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে।
তারপরও সান লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হননি।
সানের ৮৪ বছর বয়সী শ্বশুর বউমার প্রতি
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, সে আমার বউমা, কিন্তু আমার মেয়ের চেয়েও বেশি। ওর
সঙ্গে কারও তুলনা হয় না।
সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট
মন্তব্য করুন


জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চীন বর্তমানে জনসংখ্যা গত ৬০ বছরের বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো কমে গিয়েছিল। এই সময় দেশটিতে প্রতি এক হাজার জনে মাত্র ৬ দশমিক ৭৭ জন সন্তান জন্ম দিতেন, যা ১৯৪৯ সালে কমিউনিস্ট চীন প্রতিষ্ঠার পর থেকে সর্বনিম্ন জন্মহার। দেশটি এখন ভারত থেকে এক ধাপ পিছিয়ে বিশ্বের দ্বিতীয় জনবহুল দেশ।
২০১৫ সালে বেইজিং তার কয়েক দশক ধরে চলা ‘এক সন্তান’ নীতি বাতিল করে প্রাথমিকভাবে বিবাহিত দম্পতিদের দুই সন্তান নেওয়ার অনুমতি দেয়। কিন্তু ২০১৬ সালে কিছুটা ঊর্ধ্বগতি হওয়ার পর দেশটির জাতীয় জন্মহার হ্রাস অব্যাহত আছে। বিষয়টি নীতিনির্ধারকদের জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
চায়না সিকিউরিটিজ জার্নালসহ দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেইজিংয়ের কৃষিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান বেইজিং ডাবেইনং টেকনোলজি গত বছর বলেছিল, কোনো কর্মীর তৃতীয় সন্তানের জন্ম হলে তারা ওই কর্মীদের ১২ হাজার ৩৯১ মার্কিন ডলার নগদ বোনাস দেবে। আর প্রথম বা দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দিলে যথাক্রমে ৪ হাজার ১৩০ ও ৮ হাজার ২৬০ ডলার বোনাস দেওয়া হবে।
আরবান স্যানিটেশন পরিষেবা সংস্থা কিয়াওইন সিটি ম্যানেজমেন্ট গত মাসে ঘোষণা দিয়েছে, তৃতীয় সন্তানের জন্ম দেওয়া কর্মীদের সংস্থাটি ১৩ হাজার ৭৫৯ মার্কিন ডলার বোনাস দেবে। সংস্থাটি বলছে, এই উদ্যোগের লক্ষ্য ছিল তরুণ কর্মীদের পরিবারের ওপর আর্থিক বোঝা কমানো এবং সন্তান জন্মদানে উৎসাহিত করতে সরকারের আহ্বানে সাড়া দেওয়া।
জুনের শুরুর দিকে চীনের সিভিল অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্য বলছে, ২০২২ সালে প্রায় ৬ দশমিক ৮৩ মিলিয়ন দম্পতি বিয়ে করেছেন, যা ২০২১ সালে নিবন্ধিত ৭ দশমিক ৬৩ মিলিয়ন বিয়ের চেয়ে প্রায় ১০ দশমিক ৫ শতাংশ কম। ১৯৮৬ সালে এই মন্ত্রণালয় তথ্য প্রকাশ করা শুরুর পর থেকে এটি সর্বনিম্ন রেকর্ড।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির মধ্যে অন্যতম চীনের ট্রিপ ডটকম। প্রতিষ্ঠানটি তাদের ৩২ হাজার কর্মীকে সন্তান জন্মদানে উৎসাহ দিতে ১৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার বোনাস দিচ্ছে। অন্তত তিন বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটিতে চাকরি করা কর্মীরা প্রতিবছর প্রতিটি নবজাতকের জন্য ১ হাজার ৩৭৬ মার্কিন ডলার করে বোনাস পাবেন। সন্তানের প্রথম জন্মদিন থেকে পাঁচ বছর বয়সে না পৌঁছানো পর্যন্ত এই বোনাস পাবেন কর্মীরা। আজ শনিবার থেকে এই নীতি কার্যকর হবে।
সূত্র: সিএনএন
মন্তব্য করুন


কোনো শিশুর ভূমিষ্ঠ হওয়ার মুহূর্ত একটি পরিবারের জন্য সবচেয়ে আনন্দের। তবে এ মুহূর্ত যদি হয় ১৩৮ বছরের এক ‘মিথ’ এর অবসান, তখন আনন্দের মাত্রা ঠিক কত হতে পারে, তা কল্পনা করাও কঠিন। এমনই এক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের একটি পরিবার। পরিবারটিতে ১৩৮ বছর পর জন্ম নিয়েছে এক কন্যাশিশু।
১৮৮৫ সালের পর দুই সপ্তাহ আগে যুক্তরাষ্ট্রে এক যুগলের ঘর আলোকিত করে পরিবারে জন্ম নিল প্রথম কোনো কন্যাশিশু। এ পরিবার তার জন্মের মধ্য দিয়ে নতুন এক অধ্যায়ে প্রবেশ করল । অবাক করা এ ঘটনায় এখন পরিবারটিতে খুশির জোয়ার বইছে।
ওই শিশুর নাম দেওয়া হয়েছে অড্রে। তার বাবা অ্যান্ড্রু ক্লার্ক ও মা ক্যারোলিন ক্লার্ক।
ক্যারোলিন বলেন, দশ বছর আগে যখন অ্যান্ড্রুর সঙ্গে আমার প্রেম, তখনই সে তাদের পরিবারে ১০০ বছরের বেশি সময় ধরে কন্যাসন্তান জন্ম না নেওয়ার বিষয়টি বলেছিল। বিষয়টি তার বাবা-মাকে জিজ্ঞাসা করলাম যাচাই করার জন্য। তারা জানালেন, তাদের ডিরেক্ট লাইনে দীর্ঘদিন থেকে কন্যাসন্তান নেই।
২০২১ সালে ক্যারোলিনের গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়। এর পরই এ কন্যাসন্তানের জন্ম, যা ওই পরিবারের আনন্দকে বাড়িয়ে দিয়েছে বহুগুণ। ক্যারোলিন বলেন, কন্যাসন্তান জন্মের পর পরিবারের আনন্দ দেখে মনে হচ্ছে, তারা চাঁদের টুকরো হাতে পেয়েছেন। সূত্র: এনডিটিভি
মন্তব্য করুন