

কক্সবাজার শহরের বাদশাঘোনা এলাকায় পাহাড়
ধসে মাটি চাপায় স্বামী ও স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (২১ জুন) ভোরে এ দুর্ঘটনা
ঘটে।
নিহত দুজন হলেন- ওই এলাকার নজির হোসেনের
ছেলে মো: আনোয়ার হোসেন (২৬) ও তার স্ত্রী মাইমুনা আক্তার (২০)।
আনোয়ার হোসেন স্থানীয় ওমর ফারুক জামে
মসজিদের মুয়াজ্জিন ছিলেন। তার স্ত্রী মাইমুনা অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর হেলাল উদ্দিন
বলেন, বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে কক্সবাজার শহরে থেমে থেমে মাঝারি ও ভারী বৃষ্টি হচ্ছিল।
রাত ৩টার দিকে মুষলধারে ভারী বৃষ্টিপাত হয়। এ সময় ঘুমন্ত অবস্থায় তাদের ঘরের ওপর পাহাড়
ধ্বসে পড়ে। এতে স্বামী-স্ত্রী দুইজনই মাটি চাপা পড়ে মারা যান।
ঘটনার পর তাদের মায়ের চিৎকারে স্থানীয়রা
এগিয়ে এসে মাটি চাপা অবস্থায় দুইজনকে উদ্ধার করে। পরে তাদের কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে
নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তাদের মরদের কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল
মর্গে রয়েছে বলে জানান হেলাল উদ্দিন।
মন্তব্য করুন


রাজধানী
ও আশপাশের জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ২৩৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা
হয়েছে।
১৯
নভেম্বর (রোববার) বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে
ঢাকা ও আশপাশের জেলায় ২৮ প্লাটুনসহ সারা দেশে ২৩৫ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ
(বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও পর্যাপ্ত সংখ্যক বিজিবি প্লাটুন স্ট্যান্ডবাই
রয়েছে।
মন্তব্য করুন


তীব্র তাপদাহে পুড়ছে সারাদেশ। বিপাকে
পড়েছেন খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষেরা। এই অবস্থায় বায়ু দূষণ ও তীব্র তাপদাহ কমাতে রাজধানীর
বিভিন্ন সড়কে কৃত্রিম বৃষ্টির ব্যবস্থা করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন। ঢাকা উত্তর
সিটি কর্পোরেশন দুটি স্প্রে ক্যানন এবং ১০টি ব্রাউজারের মাধ্যমে রাস্তায় পানি ছেটাচ্ছে।
শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এ কার্যক্রমের
উদ্বোধন করেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন মেয়র মো: আতিকুল ইসলাম।
মেয়র মো: আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘কৃত্রিম
বৃষ্টির’ ব্যবস্থা করার পরামর্শ দিয়েছেন ডিএনসিসিতে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান
অ্যাড্রিয়েন আরশট-রকফেলার ফাউন্ডেশন রেজিলিয়েন্স সেন্টারের চিফ হিট অফিসার বুশরা
আফরিন। তারই অংশ হিসেবে ডিএনসিসির দুইটি স্প্রে ক্যাননের মাধ্যমে ‘কৃত্রিম বৃষ্টির’
ব্যবস্থা করা হয়েছে। দুটি গাড়ি দিয়ে প্রতিদিন ৪ লাখ লিটার পানি আমরা ছিটাবো। বেলা
১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে পানি দেওয়া হবে। তবে গাড়িগুলো
অলিতে গলিতে যেতে পারবে না, মেইন রোডে থাকবে। আর সড়কে পানি ছিটানোর জন্য ১০টি ব্রাউজারের
ব্যবস্থা করা হয়েছে। একেক ব্রাউজারে ১৫ হাজার লিটার করে পানি ধরে।
গত বছর আমরা চিফ হিট অফিসারের পরামর্শে
নগরের বিভিন্ন এলাকায় ৮০ হাজার গাছ লাগিয়েছি। এবার আমরা আরও ১ লাখ ২০ হাজার গাছ লাগানোর
প্রস্তুতি নিচ্ছি। বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার পরপরই আমরা এ কার্যক্রম শুরু করবো।
মন্তব্য করুন


চৌদ্দগ্রাম থানা কর্তৃক ৪৮ বোতল বিদেশি মদ সহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।
অদ্য ২৫/০৭/২০২৩ খ্রিঃ তারিখ সকাল ০৭.১০ ঘটিকায় সময় চৌদ্দগ্রাম থানায় কর্মরত এসআই(নিরস্ত্র) লিটন চাকমা ও সঙ্গীয় ফোর্স সহ থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও বিশেষ অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাস্থ চান্দিশকরা সাকিনে লাকসাম রোডের জনৈক হাজী আলা উদ্দিনের বসত বাড়ির সামনে পাকা রাস্তার উপর হতে ৪০(চল্লিশ) বোতল ROYAL GREEN WHISKY এবং ০৮(আট) বোতল ROYAL STAG DELUXE WHISKY সর্বমোট ৪৮ বোতল বিদেশি মদসহ মাদক ব্যবসায়ী আবুল কালাম(৩৮) পিতা- সফিক মিয়া, মাতা-ময়ুর বানু, সাং-নোয়াপাড়া, পোঃ চৌদ্দগ্রাম, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা, থানা- চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লাকে গ্রেফতার করা হয়।
এই সংক্রান্তে উক্ত আসামীর বিরুদ্ধে চৌদ্দগ্রাম থানার মামলা নং-৫১, তারিখ-২৫/০৭/২০২৩, ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১)সারণির ২৪(খ) ধারাতে মামলা রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


প্রায় এক বছর বন্ধ থাকার পর বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। ২ জুলাই রোববার বিকেলে পাঁচটি ট্রাক ৩৪ মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ বেনাপোল বন্দরে প্রবেশের মধ্যে দিয়ে আবারও আমদানি শুরু হলো।
ঈদুল আজহার আগে থেকে সারাদেশের ন্যায় বেনাপোলেও খুচরা বাজারে কাঁচা মরিচের দাম উঠেছে এলাকা ভিত্তিক প্রতি কেজি ৬০০ টাকা থেকে ৮০০ টাকায়। অস্বাভাবিক এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দেয় সরকার।
বেনাপোল স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-সহকারি কর্মকর্তা হেমন্ত কুমার সরকার বলেন, দেশের বাজারে ঈদের আগে থেকে হঠাৎ করে কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে যাওয়ায় সরকার ভারত থেকে আমদানির অনুমতি দেওয়ায় আজ থেকে আমদানি শুরু হয়েছে।
বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক আব্দুল জলিল জানান, এক বছর বন্ধ থাকার পর বেনাপোল দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। কৃষি মন্ত্রনালয় আজ রোববার থেকে কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দিয়েছেন। আমদানি করা কাঁচা মরিচ ব্যবসায়ীরা যাতে দ্রুত খালাস করতে পারেন তার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বেনাপোল কাস্টম হাউজের উপ কমিশনার তানভীর আহমেদ বলেন, কাঁচা মরিচ বন্দর থেকে দ্রুত খালাশ দেয়ার জন্য মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবিস্ফোরিত ৫টি ককটেল র্যাব উদ্ধার করেছে। মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর ২০২৩ইং) দিনগত গভীর রাতে সদর উপজেলার রানিহাটি ইউনিয়নের কুথানি পাড়া এলাকা থেকে ককটেলগুলো উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (৮ নভেম্বর ২০২৩ইং) বেলা ১১টার দিকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব-৫ এর চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর মারুফুল এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে সদর উপজেলার রানিহাটি ইউনিয়ানের কুথানীপাড়া এলাকায় সিমেন্টের একটি ব্যাগে বেশ কয়েকটি ককটেল পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। পরে অভিযান চালিয়ে অবিস্ফোরিত ককটেলগুলো উদ্ধার করা হয়। রাজশাহী থেকে র্যাবের বোম ডিসপোজাল ইউনিটকে ডাকা হয়। তারা ককটেলগুলো নিষ্ক্রিয় করেন। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হরতাল-অবরোধকে কেন্দ্র করে এলাকা অস্থিতিশীল করতে ককটেলগুলো মজুত করেছিল। ককটেল মজুতকারীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


গাইবান্ধার
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ক্রোগাছা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাড়ে ৯ কেজি গাঁজাসহ শফিকুল ইসলাম
(৫২) নামে এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে র্যাব।
বুধবার
(১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এ তথ্য জানানো হয়, র্যাব-১৩, গাইবান্ধা ক্যাম্পের ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট
মাহমুদ বশির আহমেদ এর স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
ওই
এলাকার সালেক উদ্দিনের ছেলে আটককৃত শফিকুল ইসলাম।
জানা
গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল (১২ সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টায় র্যাব গোবিন্দগঞ্জের
ক্রোগাছা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সেখানে গাঁজা কেনা-বেচাকালে সাড়ে ৯ কেজি গাঁজাসহ মাদক
কারবারি শফিকুলকে আটক করা হয়। তবে সে সময় শ্রী সন্তোষ চন্দ্র বর্মণ (৪৫) নামে তার এক
সহযোগী পালিয়ে যায়।
আটককৃত
শফিকুলকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে দীর্ঘদিন ধরে মাদক কেনা-বেচার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার
কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় আটককৃত ও পলাতক আসামির বিরুদ্ধে নিয়মিত মাদক মামলা রুজু
করার জন্য গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


সর্বোচ্চ ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রেখে জাতীয় সংসদে ‘খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, মজুত, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ ও বিপণন (ক্ষতিকর কার্যক্রম প্রতিরোধ) বিল-২০২৩’ পাস করা হয়েছে।
১৯৫৬ সালের ফুড (স্পেশাল কোর্ট) অ্যাক্ট এবং ১৯৭৯ সালের ফুডগ্রেইনস সাপ্লাই (প্রিভেনশন অব প্রিজুডিশিয়াল একটিভিটি) অর্ডিন্যান্স বাতিল করে নতুন এই আইনটি করা হলো।
বিলের সংশোধনী প্রস্তাবের উপর আলোচনায় অংশ নিয়ে জাতীয় পার্টির এমপি কাজী ফিরোজ রশীদ আইনটি ভয়াবহ সংকট তৈরি করবে উল্লেখ করে বলেন, আইনটি কার্যকর হলে ঘুষের বাণিজ্য বাড়বে। কেউ বাড়িতে নিজের উৎপাদিত ধান রাখলেও তাকে শাস্তি পেতে হবে। আবার পরিকল্পিত ভাবেও অনেকে ফাঁসানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে।
বুধবার রাতে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। পরে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।
এর আগে বিরোধী দলের সদস্যদের আনা জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি করা হয়। এ সময় ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
তিনি আরো বলেন, কোথাও যদি খাদ্য মজুদ না করা যায়, তাহলে কৃষক উৎপাদিত পণ্য কোথায় বিক্রি করবে? তারা উৎপাদনে নিরুৎসাহিত হবে। ফলে খাদ্য সংকট তৈরি হবে। দ্রব্যমূল্য আরো বাড়বে। আবার মিনিকেট, কাটারি ভোগসহ অন্যান্য চাল নিষিদ্ধ করলে মিল মালিক ও ব্যবসায়িরা চালের ব্রান্ডিং বন্ধ করতে বাধ্য হবে। এতে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আমদানিকে উৎসাহিত করতে এই বিলটি আনা হয়েছে।
কৃষকরা কোনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, খাদ্য উৎপাদনে কৃষকদের উৎসাহিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ নিয়েছে।
পাস হওয়া বিলে বলা হয়েছে, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণে সারাদেশে প্রয়োজনীয় সংখ্যক আদালত থাকবে। এই আদালত খাদ্যদ্রব্য বিশেষ আদালত নামে অভিহিত হবে। এই আইনের অধীনে কিছু অপরাধের বিচার মোবাইল কোর্টেও করা যাবে। খাদ্যদ্রব্য বলতে যেকোন প্রকার দানাদার খাদ্যদ্রব্য যথা- চাল, ধান, গম, আটা, ভুট্টা ইত্যাদিকে বুঝানো হয়েছে বলে বিলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিলে বলা হয়েছে, সরকার নির্ধারিত পরিমাণের বেশি পরিমাণ খাদ্যদ্রব্য মজুত করলে বা মজুত সংক্রান্ত সরকারের কোন নির্দেশনা অমান্য করলে তা হবে অপরাধ। এর শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। তবে এইরূপ অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি প্রমাণ করতে পারেন যে, তিনি আর্থিক বা অন্য কোন প্রকার লাভের উদ্দেশ্য ব্যতীত মজুত করেছিলেন তাহলে তিনি অনূর্ধ্ব ৩ মাস কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এই অপরাধ হবে অজামিনযোগ্য।
এ বিলে আরও বলা হয়েছে, কোন ব্যক্তি পুরাতন খাদ্যদ্রব্য পলিশিং বা অন্য কোন খাদ্যদ্রব্যের সঙ্গে মিশ্রণ করে বা সরকার কর্তৃক খাদ্যদ্রব্য সংগ্রহকালে সরকারি গুদামে রক্ষিত খাদ্যদ্রব্য বৈধ বা অবৈধভাবে সংগ্রহ করে, দেশে উৎপাদিত খাদ্যদ্রব্যের পরিবর্তে আমদানিকৃত খাদ্যদ্রব্য; বা সরকারি গুদামের পুরাতন বা বিতরণকৃত সিল বা বিতরণ করা হয়েছে, এমন চিহ্নযুক্ত খাদ্যদ্রব্য ভর্তি বস্তা বা ব্যাগ বা আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে খাদ্যদ্রব্যের পরিমাণগত বা গুণগত পরিবর্তন করে বা অন্য কোন অসৎ উদ্দেশ্যে সরকারি গুদামে সরবরাহ করলে তা হবে অপরাধ। এর সাজা হবে সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড। বিলের এই বিধান অনুযায়ী পলিশিং ও কাটিংয়ের মাধ্যমে তৈরি মিনিকেট চাল বিক্রি ও সরবরাহ আইনগত অবৈধ হবে।
বিলে বলা হয়েছে, কোন ব্যক্তি খাদ্য অধিদফতর কর্তৃক প্রদত্ত বিতরণকৃত সিল বা বিতরণ করা হয়েছে এইরূপ চিহ্নযুক্ত সিল ব্যতীত সরকারি গুদামের খাদ্যদ্রব্য ভর্তি বস্তা বা ব্যাগ বিতরণ, স্থানান্তর, ক্রয় বা বিক্রয় করলে তা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। এর সাজা সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড। আর কোন ব্যক্তি খাদ্যদ্রব্যের উৎপাদন, মজুত, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ ও বিপণন সম্পর্কিত কোন মিথ্যা তথ্য বা বিবৃতি তৈরি, মুদ্রণ, প্রকাশ, প্রচার বা বিতরণ করলে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
বিলে বলা হয়েছে, কোন অনুমোদিত জাতের খাদ্যশস্য থেকে উৎপাদিত খাদ্যদ্রব্যকে ওই রূপ জাতের উপজাত পণ্য হিসেবে উল্লেখ না করে ভিন্ন বা কাল্পনিক নামে বিপণন করলে বা খাদ্যদ্রব্যের স্বাভাবিক উপাদানকে সম্পূর্ণ বা আংশিক পরিবর্তন করে উৎপাদন বা বিপণন করলে সেটি অপরাধ হবে। এছাড়া খাদ্যদ্রব্যের সঙ্গে মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কৃত্রিম উপাদান মিশ্রণ করে উৎপাদন ও বিপণন করাও হবে অপরাধ। লাইসেন্স ছাড়া বা মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স দিয়ে ব্যবসা চললেও তা অপরাধ হবে। আর এসব অপরাধের জন্য ২ বছর কারাদণ্ড অথবা অন্যূন ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
গত ২৪ ঘন্টায় ১১০ বোতল ফেন্সিডিল, ৪,৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ৬০ কেজি গাঁজাসহ ৫
জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।
জেলা
গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লার একাধিক টিম কুমিল্লা জেলায় বিভিন্ন স্থানে পৃথক পৃথক মাদক
বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মঙ্গলবার কোতয়ালী
মডেল থানাধীন আলেখারচর বিশ্বরোড এলাকা থেকে ১১০বোতল ফেন্সিডিলসহ মোঃ কবির নামে ১জন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: মোঃ কবির (৩৫), পিতা- মৃত
মোসলেম উদ্দিন, গ্রাম-উত্তর বাগবের, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা। এসআই তুষ্টলাল
বিশ্বাস বাদী হয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় মাদক আইনে এজাহার দায়ের করেন। কোতয়ালী মডেল থানার
মামলা নং-৯০, তারিখ-২৫/০৭/২০২৩খ্রিঃ।
অপর
একটি অভিযানে মঙ্গলবার রাতে সদর দক্ষিন মডেল থানাধীন উলুরচর এলাকায় চৌয়ারা-টু-কুমিল্লা
রোডে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ১০০০
পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মোঃ জসিম নামে ১জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত
আসামী হলো: মোঃ জসিম (২৪), পিতা-মৃত আইয়ুব আলী, গ্রাম-মুড়াপাড়া (পূর্ব পাড়া), থানা-সদর
দক্ষিণ মডেল, জেলা-কুমিল্লা। এসআই নাসিম উল হক ইমরান বাদী হয়ে সদর দক্ষিণ মডেল থানায়
মাদক আইনে এজাহার দায়ের করেন। সদর দক্ষিণ মডেল থানার মামলা নং-৩৭, তারিখ-২৬/০৭/২০২৩খ্রিঃ।
অপর
একটি অভিযানে মঙ্গলবার রাতে সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন বিজয়পুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা
করে ৫ কেজি গাঁজা এবং ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মোঃ বেলাল হোসেন নামে ১জন মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: মোঃ বেলাল হোসেন (৩৮), পিতা- মৃত আমিনুল ইসলাম,
গ্রাম- খেয়াশ, থানা- সদর দক্ষিণ, জেলা- কুমিল্লা । এসআই তুষ্টলাল বিশ্বাস বাদী হয়ে
সদর দক্ষিণ থানায় মাদক আইনে এজাহার দায়ের করেন। সদর দক্ষিণ মডেল থানার মামলা নং-৪০,
তারিখ-২৬/০৭/২০২৩খ্রিঃ।
অপর
একটি অভিযানে অদ্য বুধবার সকালে কোতয়ালী মডেল থানাধীন বজ্রপুর গ্রামের দারোগা বাড়ী
রোডে অভিযান পরিচালনা করে ৩,০০০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার
করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: ১। মোঃ আনোয়ার হোসেন (৭০), পিতা-মৃত আবেদ আলী, সাং-পূর্ব
বাখরী আলাউদ্দিন এর বাড়ী, থানা-সোনারগাঁ, জেলা-নারায়গঞ্জ, এ/পি সাং-গোলাবাড়ীয়া ২। মোঃ
শাখাওয়াত হোসেন ভূঁইয়া (৫২), পিতা-মৃত সুরুজ মিয়া, গ্রাম-কেরানীনগর (ভূঁইয়া বাড়ী),
উভয় থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল
থানায় এসআই জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে এজাহার দায়ের করেন। কোতয়ালী মডেল থানার মামলা নং-৯৯,
তারিখ-২৬/০৭/২৩ খ্রিঃ।
অপর
একটি অভিযানে অদ্য বুধবার দুপুরে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন আমানগন্ডা (শালুকিয়া) এলাকায় মাদক
বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ৫৫ কেজি গাঁজা
উদ্ধার করা হয়। এ সংক্রান্তে এসআই মোঃ মিজানুর রহমান বাদী হয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় এজাহার
দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন ঈদ-উল আযহা উপলক্ষ্যে পশুর হাটের ইজারাদারদের সাথে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে জেলা পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ (১০ জুন) দুপুরে কুমিল্লা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে কনফারেন্স রুমে উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার)।
উক্ত মতবিনিময় সভায় কুমিল্লা জেলার ১৮টি থানার পশুর হাটের ইজারাদারগণ উপস্থিত ছিলেন। উক্ত আলোচনা সভায় পশু হাটের ইজারাদারগণ তাদের বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধা ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে মতামত ব্যক্ত করেন।
পরবর্তীতে পুলিশ সুপার পশুর হাট সংক্রান্তে আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি ও হয়রানি রোধ, জালটাকা সনাক্তের জন্য মেশিন স্থাপন ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়সহ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্তে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, কুমিল্লা জেলার ১৮টি থানা এলাকায় এই বছর স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে সর্বমোট ৪০৯টি পশুর হাট বসবে।
উক্ত মতবিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) খন্দকার আশফাকুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ট্রাফিক (অতিরিক্ত দায়িত্বে ডিবি) মোঃ নাজমুল হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) কাজী মোঃ মতিউল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ কামরান হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মুরাদনগর সার্কেল) মোঃ রবিউল ইসলামসহ জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
হারিয়ে যাওয়া ১৪টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয় এবং প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর
করে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ।
কুমিল্লা
জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার) এর দিকনির্দেশনায় অফিসার ইনচার্জ কোতয়ালী
মডেল থানার সার্বিক তত্ত্বাবধানে কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন স্থানে হারিয়ে যাওয়া ১৪ টি
মোবাইল ফোন জিডি মূলে তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থান
থেকে উদ্ধার করেন কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ। উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনসমূহ আজ ২৬ আগস্ট
২০২৩ খ্রি: কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ
প্রকৃত মালিকগণ ১) ফারদিন আলম(২২) , পিতা-খোরশেদ
আলম, সাং- অশোকতলা, থানা- কোতোয়ালী মডেল, জেলা- কুমিল্লা। ২) শহিদুল ইসলাম (৫৭), পিতা-
গোলাম হোসেন, সাং-বল্লভপুর,থানা- কোতয়ালী মডেল থানা, জেলা- কুমিল্লা। ৩)সুদর্শন চক্রবর্তী
(৬০), পিতা-রমনী মোহন, সাং বশিকপুর,থানা- চান্দিনা, জেলা- কুমিল্লা। ৪)শফিক (৪৮),পিতা-
আবুল বশর, সাং-বড়খলা,থানা- দোয়ারাবাজার, জেলা- সুনামগঞ্জ। ৫)আবু হাসান (৪২), হাজী জামাল
উদ্দিন,সাং- কালিকাপুর, থানা- চান্দিনা, জেলা- কুমিল্লা. ৬) সালমান সামি সৌরভ(১৭),
পিতা- সাদেক হোসেন, সাং- ঠাকুর পাড়া, থানা- কোতয়ালী মডেল থানা, জেলা- কুমিল্লা। ৭)
গাজী আশিকুর রহমান (৪১), পিতা- গাজী গোলাম হোসেন, সাং- গাজীপুর, থানা- কোতয়ালী মডেল,
জেলা- কুমিল্লা। ৮)শাহজাহান (৬২), পিতা-সিরাজ মিয়া,সাং- উত্তর আমপালা,থানা- কোতয়ালী
মডেল, জেলা- কুমিল্লা। ৯)মো: ফয়েজ(৫৫), পিতা- আব্দুল লতিফ, সাং- নিজ বানাশুয়া,থানা-
কোতয়ালী মডেল থানা, জেলা- কুমিল্লা। ১০) সোহেল আহাম্মাদ (৩১) পিতা মো: আমির হোসেন সাং- অশোকতলা, থানা- কোতয়ালী মডেল, জেলা : কুমিল্লা। ১১) মো: জাহিদুল ইসলাম ফাহিম(১৮) পিতা : ফজলুল হক,
সাং- ছয়ঘরিয়া, থানা- বুড়িচং, জেলা : কুমিল্লা। ১২) মো: মোশারফ হোসেন মিলন (২৭) পিতা :মো: আবু তাহের, সাং- শাসনগাছা,
থানা : কোতয়ালী মডেল, জেলা: কুমিল্লা। ১৩) মো: তন্ময় (১৯) পিতা : মো: সুলতান মিয়া,
সাং- মনোহরপুর, থানা : কোতয়ালী মডেল, জেলা : কুমিল্লা। ১৪) জোহরাতুল ইসলাম (২০), পিতা:মো:জহিরুল
ইসলাম, সাং-মনোহরপুর থানা : কোতয়ালী মডেল, জেলা: কুমিল্লাদের নিকট হস্তান্তর করেন।
মোবাইল
ফোন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভিকটিমগণ তাদের হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন ফেরত পেয়ে সন্তুষ্টি
প্রকাশ করে পুলিশ সুপার, কুমিল্লা সহ কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ
জ্ঞাপন করেন।
পুলিশ
সুপার এর সার্বিক দিক নির্দেশনায় জেলা পুলিশের এই জনবান্ধব কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত
থাকবে বলে জানান পুলিশ।
মন্তব্য করুন