

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ইয়াবাসহ এক নারী মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ সময় ১ হাজার ১০০পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।
গ্রেফতার সংসার খাতু (৪০) কক্সবাজার জেলার টেননাফ থানার সীল বনিয়া পাড়া এলাকার বড় কালা মিয়া হাজী বাড়ির নুরুল ইসলামের স্ত্রী।
শুক্রবার (২৩ জুন) দুপুরের দিকে আসামিকে নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে,গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার জমিদার পোল এলাকার নোয়াখালী-ফেনী সড়কে নোয়াখালীগামী বাধন পরিবহনের একটি বাস থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল হামিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, কক্সবাজার থেকে ইয়াবার একটি চালান নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার মাদক কারবারি আবুল কালাম আজাদ ওরফে আজুর কাছে আসছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে সন্দেহভাজন এক নারীর ওপর নজরদারি রাখা হয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম এসে গাড়ি পরিবর্তন করে একটি যাত্রীবাহী বাসে উঠে ওই নারী নোয়াখালীর সুবর্ণচরে যাচ্ছিলেন। তার বাসটি বেগমগঞ্জের জমিদার পোল এলাকার নোয়াখালী-ফেনী সড়কে পৌঁছলে তল্লাশি চৌকি বসিয়ে সেটির গতিরোধ করা হয়।
পরে বাস থেকে সন্দেহভাজন নারীকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে ওই নারীর দুটি স্যান্ডেলের ভিতরে ১হাজার ১০০পিস ইয়াবা রয়েছে বলে স্বীকার করেন।
এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বেগমগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


স্থানীয় সময় ৮ জিলহজ (২৬ জুন) সোমবার ভোরে মিনার উদ্দেশে যাত্রার মধ্য দিয়ে হজের মূল কার্যক্রম শুরু হবে। যদিও ভিড় এড়াতে আজ সন্ধ্যার পর থেকেই অনেকে হজের নিয়তে ইহরাম বেঁধে মিনার উদ্দেশে রওনা করবেন। টানা পাঁচদিনের আমল শেষে আগামী শুক্রবার (১২ জিলহজ) শেষ হবে হজের সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতা।
‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত পবিত্র কাবা চত্বর। আগামীকাল থেকে শুরু হবে পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা। বিশ্বের নানা প্রান্তের মুসলমান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে হাজির হয়েছেন মক্কায়।
হজ পালনের উদ্দেশে এ বছর এখন পর্যন্ত ১৬ লাখেরও বেশি মুসল্লি পাড়ি জমিয়েছেন সৌদির পবিত্র ভূমিতে। সময়ের সাথে মুসল্লিদের সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যাওয়া মুসল্লিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও সঠিক ব্যবস্থাপনা সৌদি সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এ লক্ষ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি। যা এ যাবতকালের মধ্যে সবচেয়ে বৃহৎ আয়োজন বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে হজযাত্রীদের নিরাপত্তার নিশ্চিতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে সৌদি প্রশাসন। এ যাবতকালের মধ্যে সবচেয়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বা শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে এমন কর্মকাণ্ড রুখতে মোতায়েন করা হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য। জনবলের পাশাপাশি সার্বক্ষণিক তদারকির জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি।
নিরাপত্তা বিভাগের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল আহমেদ শরিফ বলেন, কল পাওয়ার পর যাবতীয় তথ্য নিয়ে ৪৫ সেকেন্ডের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়। অতিথিদের সেবা দেয়ার জন্য সব নিরাপত্তা বিভাগ একটি জায়গায় অবস্থান করে কাজ করছে। আমাদের উন্নত প্রযুক্তি রয়েছে। অত্যাধুনিক সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সবগুলো ধর্মীয় স্থানে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি করা হচ্ছে। সন্দেহভাজন কোনো কিছু চোখে পড়লেই বিষয়টা তৎক্ষণাৎ নিরাপত্তা বিভাগকে জানানো হচ্ছে। যেকোনো অপরাধ প্রতিরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে আমরা বদ্ধপরিকর।
মক্কার প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে পবিত্র স্থানগুলোকে ঢেকে ফেলা হয়েছে নিরাপত্তার চাদরে। সুষ্ঠু ট্রাফিক, আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা বজায় রাখার পাশাপাশি প্রতিটি মানুষের চলাচলে নজরদারি রাখবে নিরাপত্তা বাহিনী। অনাকাঙ্ক্ষিত যেকোনো ঘটনা এড়াতে সার্বক্ষণিক তদারকিতেও প্রস্তুত বিশেষ আইটি বিভাগ।
আইনশৃঙ্খলার পাশাপাশি হাজীদের সুস্থতার দিক বিবেচনায়, গ্রহণ করা হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। প্রস্তুত রাখা হয়েছে ১৭০টি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র। যেখানে সার্বক্ষণিক সেবা দেবে ১৪ হাজার কর্মী এবং ৮ হাজার স্বেচ্ছাসেবী।
মন্তব্য করুন


রাশিয়ার বেলগোরোডের ইয়ানা বোভরোভা এক নারী উচ্চতা ৫ ফুট ২ ইঞ্চি শরীরের গড়ন নিয়ে তার স্বামী তাকে বলেছিলেন, ‘তুমি খুব মোটা হয়ে যাচ্ছ। গালের মাংস ঝুলে যাচ্ছে।’ স্বামীর এ কথা ভালো লাগেনি ইয়ানার। ওই মন্তব্য শোনার পর থেকেই নিজের চেহারা নিয়ে সন্দিহান হয়ে ওঠেন তিনি।
রাশিয়ার টিভি চ্যানেলের এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, চেহারা নিয়ে স্বামীর মন্তব্য তার ভালো লাগেনি। ফলে চেহারায় কিভাবে সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেন তিনি। প্রথমেই নিয়মিত জিম করে শরীরের মেদ কমানোর কাজ শুরু করেন ইয়ানা। একই সাথে দিন দিন নিজের খাবারের পরিমাণও কমিয়ে দেয়া শুরু করেন তিনি।
ইয়ানা জানান, তার খাবারের তালিকা থেকে অনেক কিছু বাদ দিয়েছেন। তার খাবারের তালিকায় ছিল বিস্কুট, চা, ক্যান্ডি, এক টুকরো চিজ, অর্ধেক গ্লাস স্যুপ।
এভাবে দিনের পর দিন জিম ও খাবারের তালিকায় অসামঞ্জস্যে দ্রুত ওজন কমতে থাকে ইয়ানার। একটা সময় তার ওজন ২২ কেজিতে পৌঁছায়। এরপরই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।
চিকিৎসকেরা জানায়, ইয়ানার শরীর ঠিকমতো খাবার না পাওয়ায় ভেতর থেকে খোকলা হয়েছে। যেন শরীর শরীরকেই খেতে শুরু করেছিল।
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা
মন্তব্য করুন


মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
পরিবর্তনশীল ও শান্তিপূর্ন সমাজ গঠনে স্বাক্ষরতার প্রসার এই স্লোগানে চাঁদপুরের কচুয়ায় আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস ২০২৩ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের সামনে র্যালি শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাজমুল হাসানের সভাপতিত্বে ও একাডেমিক সুপারভাইজার কে. এম সোহেল রানার পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. নাহিদ ইসলাম, উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার সুভাস চন্দ্র দাস, সমাহারের কচুয়া প্রোগ্রাম সুপারভাইজার মো. জাকির তালুকদার, উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেনসহ আরো অনেকে।
মন্তব্য করুন


নগরে
মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম এবং যন্ত্রপাতি কিনতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১১৪ কোটি ৫০ লাখ
টাকা বরাদ্দ রেখেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এ খাতে ৬৭ কোটি ৫০ লাখ
টাকা ব্যয় করা হয় ২০২২-২৩ অর্থবছরে ।
২৪
জুলাই সোমবার দুপুরে গুলশানে ডিএনসিসির নগর ভবনে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা
অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানান মেয়র আতিকুল ইসলাম।
তিনি
বলেন, একটি টেকসই ও নিরাপদ শহর বিনির্মাণে আমরা কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছি। আমি
মশক নিয়ন্ত্রণ, জলাবদ্ধতা নিরসন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নকে সর্বোচ্চ
গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। মশা নিধনে নিয়মিত লার্ভিসাইডিং ও এডিসের
প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি অন্যান্য যেসব পদক্ষেপ নিয়েছি তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য
হলো-ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান, বিএনসিসি ও
বাংলাদেশ স্কাউটের সদস্যদের যুক্ত করে প্রচারাভিযান পরিচালনা, ডিএনসিসির আওতাধীন
এলাকার মসজিদ ও মাদরাসার এক হাজার ইমাম ও খতিবদের সঙ্গে এবং স্কুল ও কলেজের প্রধান
শিক্ষক ও অধ্যক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় সভা, ছাদ বাগানে এডিসের লার্ভা শনাক্তে
ড্রোনের ব্যবহার।
মেয়র
আতিকুল ইসলাম আরো বলেন, ২০২২-২৩ অর্থ বছরের সংশোধিত বাজেটে মশক নিয়ন্ত্রণ
কার্যক্রমে ৫২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। চলতি বছর তথা ২০২৩-২৪ অর্থবছরের
বাজেটে এ খাতে ৮৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ রেখেছি। যা গত অর্থবছরের বাজেটের চেয়ে
বরাদ্দের হার ৬১ শতাংশ বেশি। এ ছাড়া গত অর্থবছরে মশক নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রপাতি কিনতে
১৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। চলতি অর্থবছরে ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যা আগের
চেয়ে ১০০ শতাংশ বেশি।
মন্তব্য করুন


বড় ভাই আর ছোট ভাই ছিলেন বন্ধুর মতো।
কিন্তু তাদের বয়সের ব্যবধান ছিল পাঁচ বছরের। হঠাৎ জন্ডিসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান
বড় ভাই। কিন্তু ছোট ভাই সেই মৃত্যুর শোক সইতে পারলেন না। মাত্র এক দিনের ব্যবধানে
মারা গেলেন ছোট ভাইও।
কোরবানির দিন গরু জবাই করার পর ছোট
ভাই সাখাওয়াত গরুর মাংস নিয়ে চলে যান বড় ভাইয়ের কবরের পাশে। কবরের পাশে বসে বসে
অশ্রুসিক্ত নয়নে বড় ভাইকে ডাকতে ডাকতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে তাকে স্থানীয়রা
উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (১৮ জুন)
সন্ধ্যায় মারা যান ছোট ভাই সাখাওয়াত।
ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড
উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের বগাচতর গ্রামের আব্দুল গাফফার চেয়ারম্যানের বাড়িতে।
মারা যাওয়া দুই ভাই হলেন, ওই এলাকার
মৃত নুরুল আফছারের বড় ভাই মোবারক হোসেন (৩৫) ও ছোট ভাই সাখাওয়াত হোসেন (৩০)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাঁচ বছর
বয়সের ব্যবধান বড় ভাই মোবারক হোসেন ও ছোট ভাই সাখাওয়াত হোসেনের। সম্পর্কে দুইজনই
ছিল বন্ধুর মতো। বড় ভাই মোবারক হোসেন হঠাৎ জন্ডিস রোগে আক্রান্ত হন। অনেক চিকিৎসা
করিয়েও মুক্তি পাননি জন্ডিস থেকে। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর বড় ভাই মোবারক হোসেন গত
রবিবার (১৬ জুন) নিজ বাড়িতে মারা যান। ওই দিনই বড় ভাইয়ের দাফন শেষে শোকাবহ হৃদয়ে
ঘরে ফিরে যান ছোট ভাই সাখাওয়াত হোসেন। পরদিন মারা গেলেন তিনিও।
সৈয়দপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত)
মমিনুল ইসলাম মামুন জানান, এটি খুবই হৃদয়বিদারক ঘটনা। তারা তিন ভাই। মোবারক ও সাখাওয়া
দুইজন ছিল বন্ধুর মতো। তাই বড় ভাইয়ের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে এক দিনের ব্যবধানে
মারা গেল ছোট ভাইও। তারা দুইজনই বিবাহিত। মোবারক হোসেনের দুই বছর বয়সী একটি মেয়ে রয়েছে।
এলাকার মধ্যে তারা খুব নম্র-ভদ্র ও পরিচিত মুখ ছিল। তাদের এই মৃত্যুতে এলাকায় শোক বইছে।
মন্তব্য করুন


নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীরের শীর্ষ নেতা মো: আব্দুল বাতেনকে (৬০) আটক করেছে র্যাব-২।
৩ সেপ্টেম্বর রোববার রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
র্যাব-২ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিয়র এএসপি শিহাব করিম জানান, সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালের ইস্যু করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি মো: আব্দুল বাতেন হিযবুত তাহরীরের শীর্ষ জঙ্গি নেতা এবং দাওয়াতি ও অর্থ বিভাগের সক্রিয় সদস্য। তিনি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিষিদ্ধ ঘোষিত উগ্র জঙ্গিবাদী বই প্রচার ও তরুণ প্রজন্মকে জঙ্গিবাদে উৎসাহিত করে আসছিলেন। তিনি হিযবুত তাহারীর বাংলাদেশ শাখার আমিরের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন এবং বিভিন্ন মসজিদে রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী লিফলেট বিতরণ ও দাওয়াতি কাজ করতেন। আসামি বাতেন বিভিন্ন ছদ্মবেশ ধারণ করে গত পাঁচ বছর ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে আত্মগোপনে থেকে জঙ্গি সংগঠনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখেন। তার বিরুদ্ধে ডিএমপির শেরেবাংলা নগর থানা ও হাজারীবাগ থানায় একটি করে এবং মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর থানায় দুটিসহ মোট ৪টি মামলা রয়েছে। আসামির বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই) ও র্যাব-১ এর যৌথ অভিযানে রাজধানীর বিমানবন্দর রেলস্টেশনে নাশকতার অভিযোগে নয়জন আটক করা হয়েছে। তবে রেলের ঠিক কোন কোন ঘটনায় তারা জড়িত সে সম্পর্কে বিস্তারিত এখনো জানায়নি র্যাব।
বিমানবন্দর রেলস্টেশনে বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ১২টায় এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মুহাম্মদ মোসতাক আহমদ বলেন, বিমানবন্দর রেলস্টেশন এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
সম্প্রতি নেত্রকোনা থেকে তেজগাঁও রেলস্টেশনে আগত একটি ট্রেনের বগিতে অগ্নিসংযোগ করে। এ ঘটনায় একজন মা-শিশুসহ ৪ জন নিহত হোন। তারই ধারাবাহিকতায় র্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআইয়ের সহযোগিতায় সন্ধ্যা থেকে অভিযান চালিয়ে নয়জনকে আটক করা হয়েছে।
র্যাব-১ এর অধিনায়ক বলেন, আটকরা সামান্য কিছু উৎকোচের বিনিময়ে চলমান হরতাল অবরোধকে কেন্দ্র রেললাইন ও ট্রেনে নাশকতা করতো। প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি- এরা কোন কুচক্রী মহলের হয়ে স্বল্প টাকার বিনিময়ে এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে থাকে। তারা বিভিন্ন জায়গাতে অগ্নিসংযোগ-ভাঙচুর করে থাকে। তাদের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বেও বিভিন্ন ধরনের মামলা রয়েছে। তাদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করবো। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের কাছ থেকে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
র্যাব-১ এর অধিনায়ক আরো বলেন, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী, অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে আমরা রেলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে যাবো। যতক্ষণ পর্যন্ত ট্রেনের যাত্রীরা নিরাপত্তা নিশ্চিত অনুভব না করবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ভবিষ্যৎতে ট্রেনে অগ্নিকাণ্ডের আশঙ্কা আছে কি না এবং বাড়তি কী ধরনের নিরাপত্তা দেওয়া হবে এমন প্রশ্নের জবাবে মোসতাক আহমদ বলেন, প্রথমে বাস-ট্রাকের ওপরে অগ্নি-সন্ত্রাস ছিল। কিন্তু অতি সম্প্রতি সময়ে তা রেলের ওপরেও এসেছে। যার কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।নাশকতাকারীরা এ ধরনের কাজ করে কখনো রেহাই পাবে না। বিভিন্ন রেলস্টেশনে আমাদের সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন রয়েছে। ট্রেন আসা ও যাওয়ার সময় নজরদারি করা হচ্ছে।
ট্রেনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সরাসরি জড়িত কাউকে গ্রেফতার বা শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে র্যাব-১ এর অধিনায়ক বলেন, আমরা আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ করবো। সেই সঙ্গে আমাদের অভিযান অব্যাহত। আমরা মূলহোতা কিংবা অগ্নিকাণ্ডে জড়িত কাউকে গ্রেফতার করলে আপনাদের জানবো।
উল্লেখ্য,গত মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁও স্টেশনে ঢাকাগামী মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনে দুর্বৃত্তের দেওয়া আগুন চারজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা সবাই রেলের যাত্রী ছিলেন। মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনটি নেত্রকোনা থেকে ছেড়ে আসে।
মন্তব্য করুন


যশোর সদর উপজেলার
বসুন্দিয়া বানিয়ারগাতিতে একটি তেলবাহী ট্রেনের ওয়াগন লাইনচ্যুত হয়ে রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে খুলনার সঙ্গে সারাদেশের।
এ দুর্ঘটনা ঘটে ২৪
আগস্ট বৃহস্পতিবার ভোর ৪টায় বানিয়ারগাতি রেলক্রসিংয়ে।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন,
রেলওয়ের খুলনা অঞ্চলের নির্বাহী প্রকৌশল গৌতম বিশ্বাস।
রেলওয়ের খুলনা অঞ্চলের
নির্বাহী প্রকৌশল গৌতম বিশ্বাস বলেন, খুলনা থেকে পার্বতীপুরের দিকে যাচ্ছিল তেলবাহী
একটি ওয়াগান। ভোর ৪টায় বানিয়ারগাতি রেলক্রসিংয়ে এলে লাইনচ্যুত হয় ওয়াগানের একটি
বগি। এতে রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায় খুলনার সঙ্গে সারাদেশের। ইতোমধ্যে খুলনা থেকে
উদ্ধারকারী যান এসেছে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেন উদ্ধারের জন্য।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ রেলওয়ে কোটা সংস্কার
আন্দোলনকে ঘিরে চলমান পরিস্থিতিতে যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ট্রেন চলাচল
বন্ধ রেখেছে ।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) রাতে
বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা বিভাগীয় বাণিজ্যিক বিভাগের দায়িত্বশীল সূত্র বিষয়টি গণমাধ্যমকে
নিশ্চিত করে বলেছে, চলমান পরিস্থিতিতে এ অবস্থায় যারা অগ্রিম টিকিট কিনেছেন তাদের টাকা
ফেরত দিচ্ছে প্রতিষ্ঠান।
গত ১৮ জুলাই রাজধানীর নাখালপাড়া
রেলগেট এলাকায় কোটা আন্দোলনকারীরা রেললাইনের ওপর আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করলে জননিরাপত্তার
স্বার্থে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে
রেলমন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিমও জানান, ট্রেন না চলার কারণে টিকিট রিফান্ড করতে হচ্ছে।
এটা সবচেয়ে বড় ক্ষতি। এখন পর্যন্ত ১৬ কোটি ২৯ লাখ টাকার বেশি টিকিট রিফান্ড করা হয়েছে
যাত্রীদের। এ ছাড়া পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চল মিলিয়ে রেলওয়ের মোট ক্ষতি হয়েছে ২২ কোটি
৩ লাখ ৮ হাজার টাকা।
এদিকে গত ১৯ তারিখ থেকে সারা
দেশে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওইদিন থেকে ২৪ তারিখ পর্যন্ত ট্রেনের
টিকিটের টাকা যাত্রীদের রিফান্ড করা হচ্ছে।
তরে যাদের টিকিট অনলাইন থেকে
কেনা হয়েছে, তাদের অনলাইনে এবং যারা কাউন্টার থেকে কিনেছেন, তাদের কাউন্টারের মাধ্যমে
টিকিটের বিপরীতে টাকা ফেরত দেওয়া হচ্ছে।
আর এই সম্পূর্ণএই সময়ের মধ্যে
যেসব আন্তঃদেশীয় ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়েছে, সেসব ট্রেনের টিকিটের টাকা আন্তঃদেশীর কাউন্টার
থেকে ফেরত দেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


১৪৪৪ হিজরির পবিত্র হজ আজ ।হজে অংশ নেওয়া মুসল্লিরা
সূর্যোদয়
থেকে
সূর্যাস্ত
পর্যন্ত
আরাফাতের
ময়দানে
অবস্থান
করবেন।
ভাষা, বর্ণ ও লিঙ্গের ভেদাভেদ ভুলে বিশ্বের প্রায় ১৬০টি দেশের ২০ লাখের মতো ধর্মপ্রাণ মুসলমান হজ পালনের লক্ষ্যে এখন সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। বাংলাদেশ থেকে এবার হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে গেছেন ১ লাখ ২২ হাজার জন।
লাখ লাখ কণ্ঠে আজ ধ্বনিত হবে ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হাম্দা ওয়ান নি’মাতা লাকা ওয়াল মুলক, লা শারিকা লাক’ (অর্থাৎ আমি হাজির, হে আল্লাহ আমি হাজির, তোমার কোনো শরিক নেই, সব প্রশংসা ও নিয়ামত শুধু তোমারই, সব সাম্রাজ্যও তোমার)।
সৃষ্টিকর্তার কাছে হাজিরা দিতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে সৌদি আরবে সমবেত হওয়া মুসল্লিরা গতকাল মিনায় নিজ নিজ তাঁবুতে নামাজ আদায়সহ অন্যান্য ইবাদত করেছেন। সেখানে ফজরের নামাজ পড়ে আজ সূর্যোদয়ের আগেই হাজিদের ঐতিহাসিক আরাফাতের ময়দানে হাজির হওয়ার কথা। কারণ, আরাফাতের ময়দানে উপস্থিত হওয়া হজের অন্যতম ফরজ। আরাফাত ময়দানের তিন দিক পাহাড়বেষ্টিত। মাঝে দুই মাইল দৈর্ঘ্য ও দুই মাইল প্রস্থের এই সমতল ভূমি। জাবাল মানে পাহাড়। জাবালে রহমত হলো রহমতের পাহাড়। হজরত মুহাম্মদ (সা.) জাবালে রহমত পাহাড়ের কাছে দাঁড়িয়ে বিদায় হজের ভাষণ দিয়েছিলেন। আরাফাতের ময়দানে খুতবার পর জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করবেন মুসল্লিরা। এ ছাড়া আল্লাহর জিকিরে মশগুল থাকবেন হাজিরা। সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতে অবস্থানের পর হাজিরা মুজদালিফায় গিয়ে মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করবেন। রাতে সেখানে অবস্থান করবেন খোলা মাঠে। শয়তানের প্রতিকৃতিতে পাথর নিক্ষেপের জন্য প্রয়োজনীয় পাথর সংগ্রহ করবেন সেখান থেকে। মুজদালিফায় ফজরের নামাজ আদায় করে হাজিরা মিনায় ফিরবেন। মিনায় বড় শয়তানকে সাতটি পাথর মারার পর পশু কোরবানি দিয়ে মাথার চুল ছেঁটে (ন্যাড়া করে) গোসল করবেন। সেলাইবিহীন দুই টুকরা কাপড় বদল করবেন। এরপর স্বাভাবিক পোশাক পরে মিনা থেকে মক্কায় গিয়ে পবিত্র কাবা শরিফ সাতবার তাওয়াফ করবেন।
কাবার সামনের দুই পাহাড় সাফা ও মারওয়ায় ‘সাঈ’ (সাতবার দৌড়ানো) করবেন। সেখান থেকে তারা আবার মিনায় যাবেন। মিনায় যতদিন থাকবেন, ততদিন তিনটি (বড়, মধ্যম, ছোট) শয়তানকে ২১টি পাথর নিক্ষেপ করবেন। আবার মক্কায় বিদায়ী তাওয়াফ করার পর নিজ নিজ দেশে ফিরবেন।
মন্তব্য করুন