

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরায় বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন নদ-নদীতে অভিযান চালিয়ে নয় দিনে ১৯৩ জেলেকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১৪ লাখ ৪৩ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বিভাগীয়
মৎস্য অফিস থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ অক্টোবর
থেকে ২১ অক্টোবর মধ্যরাত
পর্যন্ত বরিশাল বিভাগে ১ হাজার ১১২টি
অভিযান চালানো হয়েছে এবং ৩৪৬টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার পাশাপাশি ৩৮৬টি মামলা করা হয়েছে।
এ
সময়ে বরিশাল বিভাগে ২২০ বার বিভিন্ন মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র, ১ হাজার ৬৫৫
বার বিভিন্ন মাছঘাট, ৩ হাজার ৫৫
বার বিভিন্ন আড়ত ও এক হাজার
৮০১ বার বিভিন্ন বাজার পরিদর্শন করেছে মৎস্য অধিদপ্তরে জেলা ও উপজেলা কার্যালয়ের
কর্মকর্তারা। এদিকে গত দুই দিনের
অভিযানে নয় হাজার ৯৬৫
কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়েছে।
পাশাপাশি
১০ কোটি ৪৭ লাখ ৭৫
হাজার ৬০০ টাকা মূল্যের ৫৮ লাখ ৫৪
হাজার ১০০ মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়েছে।
এছাড়া
নৌকাসহ জব্দ হওয়া সরঞ্জাম নিলাম করে দুই লাখ ৩২ হাজার ১০০
টাকা আয় হয়েছে।
মৎস্য
বিভাগের উপ পরিচালক নৃপেন্দ্র
নাথ বিশ্বাস জানায়, গত ১৩ অক্টোবর
মধ্যরাত থেকে ২২ দিনের জন্য
উপকূলের সাত হাজার বর্গকিলোমিটারের মূল প্রজননস্থলসহ সারাদেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন ও বিপণন নিষিদ্ধ
থাকছে।
মন্তব্য করুন


যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সকাল সাড়ে ৯টার পর থেকে বন্ধ রয়েছে মেট্রোরেল চলাচল। কর্তৃপক্ষ ধারণা করছে, বৈদ্যুতিক গোলযোগ কিংবা অন্য কোনো ত্রুটির কারণে মেট্রোরেল চলাচল করতে পারছে না।
ত্রুটি সারানোর পর স্বাভাবিক হবে মেট্রোরেল চলাচল।
বুধবার (৯ আগস্ট) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন, ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) জেনারেল ম্যানেজার ইফতেখার হোসেন।
তিনি বলেন, মেট্রোরেল বন্ধ আছে কারিগরি ত্রুটির কারণে। ক্যাটারিং সার্ভিসে সাপ্লাই নেই, কাজ করা হচ্ছে। ঠিক হলে মেট্রোরেল আবারও চলাচল শুরু করবে।
ধারণা করা হচ্ছে বিদ্যুতের লাইনে কোনো কিছু হয়তো পড়েছে তাই বিদ্যুতের সঞ্চালন বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) পরিচালক (অপারেশন) নাসির উদ্দিন।
তিনি আরও জানান, তাদের কর্মীরা রেললাইন ধরে হেঁটে হেঁটে দেখছেন কোথায় সমস্যা হয়েছে। সমস্যার জায়গা খুঁজে পেলে তা ঠিকঠাক করা হবে।
এর আগে সোমাবার (৭ আগস্ট) সকালেও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে মেট্রোরেল ৪০ মিনিট বিলম্বে ছাড়ে।
শুক্রবার ছুটির দিন ছাড়া মেট্রোরেল চলাচল শুরু করে প্রতিদিন সকাল ৮টায়।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার; ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সব পক্ষের সঙ্গে বসে পরামর্শ নিয়ে গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন করতে চাই।
সোমবার (৭ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘সংবাদ মাধ্যমের সংস্কার: কেন? কীভাবে?’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম এ কথা বলেন।
আলোচনায় তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলামকে সংস্কার সংশ্লিষ্ট প্রশ্নে করে সাংবাদিকরা। তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিকভাবে বসছি। সম্পাদকদের সঙ্গেও বসা হয়েছে। আজকের আলোচনাও সেটার একটা অংশ। বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে বসা এখনও শেষ হয়নি। সব পক্ষের সঙ্গে বসে পরামর্শ নিয়ে আমরা সংস্কার কমিশন করতে চাই।
মুক্ত আলোচনায় তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, এটা খুবই যুক্তিযুক্ত যে সাংবাদিকতা যদি পেশা হয় তাহলে আসলে কতটুকু পেশাদারিত্বের সঙ্গে আমাদের দেশের সাংবাদিকরা কাজ করতে পারছে। সেই কাজ করতে যদি না পারে তাহলে তার পেছনে কারণগুলো কী এবং তার সমাধানগুলো কী। এখানে সেই কারণগুলো চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা জানি, রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অনেক আইন-কানুন, বাধা-নিষেধ থাকে। সাংবাদিকতাকে এক ধরণের বেড়াজালে আবদ্ধ করে রাখার চেষ্টা থাকে। দ্বিতীয়ত সাংবাদিকদের অর্থনৈতিক জায়গাটা তুলে ধরা হয়েছে। অর্থনৈতিকভাবে সাংবাদিকতা বা গণমাধ্যমে নানাভাবে বাধা দেওয়া হয়। সাংবাদিকতাকে যদি পেশাদারিত্বের কথা বলি সেই ধরণের পেশাদারিত্ব কালচার আমাদের দেশে অনুপস্থিত এবং মিডিয়া লিটারেসি আমাদের মধ্যে গড়ে উঠেনি।
তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, আমার অল্প সময়ের অভিজ্ঞতায় যেটুকু বুঝি, খুব জটিল একটি বিষয় গণমাধ্যমকে নিয়ে কাজ করাটা। এখানে নানামুখী স্টেক হোল্ডার ও পরস্পর বিরোধী পক্ষ রয়েছে। যাদের নিয়ে একইসঙ্গে মিলে আমরা যদি কাজ করতে চাই তাহলে কাজ করতে হবে এবং ঐক্যমত্যে আসতে হবে।
তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, যখন ওয়েজ বোর্ডের কথা আসে তখন সম্পাদক-মালিকরা কিন্তু এটি নিয়ে এক ধরনের বিরোধিতা করে। বিভিন্ন সময়ে শোনা যায় যে হাউজগুলোয় ঠিক মতো বেতন পরিশোধ করা হচ্ছে না। সে জায়গা থেকে যারা মাঠ পর্যায়ের সাংবাদিক আছে এই ধরনের ঘটনা আসলে খুবই কমন। সেক্ষেত্রে বেতনের বিষয়টা আসলে সুরাহা হওয়া উচিত। সাংবাদিকতা যদি পেশা হয় তাহলে পেশাদারিত্ব রক্ষা করতে হলে সেই মর্যাদাটা দিতে হবে। এখানে দাসসুলভ আচরণ করার কোনো সুযোগ নেই।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যকার সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে
যাওয়া হবে।
আজ শুক্রবার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
এ সময় আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, টিকিট
জটিলতায় মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা ১৮ হাজার শ্রমিককে সব সহায়তা দেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানান,
বৈঠকে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, কর্মসংস্থান তৈরি, ভিসা সহজীকরণ এবং উচ্চশিক্ষা, রোহিঙ্গা
সমস্যা নিয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম
বলেন, বাংলাদেশের কর্মীদের দুই দেশের অর্থনীতিতে অবদান গুরুত্বপূর্ণ। টিকিট জটিলতায়
মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা ১৮ হাজার শ্রমিককে সব সহায়তা দেওয়া হবে। এই অঞ্চলকে শান্তিপূর্ণ
দেখতে আসিয়ানকে আরও কার্যকর করতে চায় মালয়েশিয়া।
এর আগে
দুপুর দুইটার দিকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত
জানান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এসময় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে
গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। পরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ
করবেন আনোয়ার ইব্রাহিম।
মন্তব্য করুন


বিশ্বব্যাপী আলোচিত এবং সমাদৃত প্রধান
উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’ এবং ‘সামাজিক ব্যবসায়’ ধারণাটি
বাস্তবায়নে সমবায় অধিদপ্তর অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী
উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভুঁইয়া।
আজ রোববার (৫ জানুয়ারি) ঢাকায় সমবায়
অধিদপ্তর পরিদর্শন এবং পায়রা সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় সভায়
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যকালে তিনি এ কথা জানান। উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী
গৃহীত ‘থ্রি জিরো তত্ত্ব’ একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, যার ভিত্তি হচ্ছে
শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব এবং শূন্য কার্বন নিঃসরণ। এ সময় ‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’
এবং ‘সামাজিক ব্যবসায়’ ধারণাটি বাস্তবায়নে কাজ করতে সমবায় অধিদপ্তরের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের
নির্দেশ দেন উপদেষ্টা।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, সমবায় অধিদপ্তরের
প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম এবং পারফরম্যান্স নিম্নমুখী বলে মনে হচ্ছে, কিন্তু তা ঊর্ধ্বমুখী
করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সমবায় আইন সংশোধন এবং যুগোপযোগী করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের
নির্দেশনা দেন তিনি। দ্রুত সময়ের মধ্যে শূন্যপদ পূরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার
বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন উপদেষ্টা। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সমবায় অধিদপ্তরের সদস্যদের
নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে পাইলটিং প্রকল্প গ্রহণ এবং দ্রুত বাস্তবায়ন করার নির্দেশনা দেন
স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা। এছাড়াও দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন এবং সুষম সম্পদের বণ্টনের
জন্য সমবায় অধিদপ্তর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
মতবিনিময় সভার শুরুতে সমবায় অধিদপ্তরের
নিবন্ধক ও মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে সমবায় কার্যক্রম সম্পর্কে মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন
দেন যুগ্ম নিবন্ধক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়
বিভাগের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. মোখলেছুর রহমান। সভায় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও সমবায় অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


পুলিশ-জনতা ঐক্য করি, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলি - এ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে দেশব্যাপী শনিবার (৪ নভেম্বর) উদযাপিত হতে যাচ্ছে কমিউনিটি পুলিশিং ডে-২০২৩।
শুক্রবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে পুলিশ সদস দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পিআরও) কামরুল হাসান বিষয়টি জানান।
বাংলাদেশ পুলিশের সব মেট্রোপলিটন, রেঞ্জ, জেলা পুলিশ, বিশেষায়িত ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশ ইত্যাদি ইউনিটে দিবসটি পালিত হবে বলে বাংলাদেশ পুলিশ সদস দপ্তর থেকে জানানো হয়।এ উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।এছাড়া শ্রেষ্ঠ কমিউনিটি পুলিশিং সদস্যদের পুরস্কার দেওয়া হবে।
কামরুল হাসান জানান, কমিউনিটি পুলিশিং একটি সংগঠনভিত্তিক দর্শন ও ব্যবস্থাপনা, যা জনগণকে সম্পৃক্ত করে জনগণ ও পুলিশের অংশীদারত্বের ভিত্তিতে সমাজে অপরাধ ভীতি কমানো ও বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করা হয়। এটি একটি গণমুখী, প্রতিরোধমূলক এবং সমস্যা সমাধানমূলক পুলিশি ব্যবস্থা।
কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে স্কুল/কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের পুলিশের কাজে সহযোগিতা, অপরাধ বিরোধী সচেতনতা তৈরি, বাল্যবিয়ে রোধ, ইভটিজিং প্রতিরোধ, জঙ্গিবাদ দমন, সন্ত্রাস দমন, মাদকের কুফল, নারী ও শিশু নির্যাতন, যৌতুক নিরোধ, মোবাইল ফোনের অপব্যবহার, সামাজিক মূল্যবোধ বাড়ানো ইত্যাদি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষে দেশব্যাপী ৪৯ হাজার ৫২৯টি কমিটিতে ৮ লাখ ৯৪ হাজার ২০৬ জন কমিউনিটি পুলিশিং সদস্য রয়েছেন বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


মগবাজার ফ্লাইওভারের গোপন আস্তানা থেকে হাতিরঝিল থানা পুলিশ তিন নারী ও এক পুরুষ ছিনতাইকারী আটক করেছে । বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করে পুলিশ।
এ সময় পালাতে গিয়ে আকবর (১৯) নামে এক ছিনতাইকারী আহত হয়েছেন। গতকাল রাতেই এক নারীকে আটক করা হয়েছিল।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মো. আওলাদ হোসেন।
পুলিশ বলছে, ফ্লাইওভারের নিচে এ খালি জায়গাকে ছিনতাইকারীরা গোপন সুড়ঙ্গ হিসেবে ব্যবহার করত। যেখানে ছিনাতাইয়ের পর তারা লুকিয়ে থাকত।
তিনি বলেন, মগবাজার ফ্লাইওভারে বিশেষ কায়দায় সুরঙ্গ (আস্তানা) তৈরি করে ছিনতাই করত একটি চক্র। গতকাল রাতে সেখান থেকে এক নারীকে আটক করা হয়। এরপর আজ বিকেল ৩টার দিকে আবারও অভিযান পরিচালনা করে সেখান থেকে দুই নারীকে আটক করা হয় এবং আকবর নামে এক যুবক ফ্লাইওভার থেকে লাফিয়ে পড়ে গুরুতর আহত হন। আহত ওই যুবকের ঢাকা মেডিকেলের চিকিৎসা চলছে। আমাদের অভিযান চলমান আছে। পরে বিস্তারিত আপনাদের জানাব।
এদিকে আহত যুবক আকবর বলেন, আমরা ওই সুরঙ্গে মাদক সেবন ও ছিনতাই করে নিরাপদে লুকিয়ে থাকতাম। ওই সুরঙ্গে চারজন ছিলাম। আমি লাফ দিয়ে পড়ে আহত হয়েছি। আমার সঙ্গে আরও তিন নারী ছিলেন।। তারা হলেন, নাসরিন, রানী ও শেফালী।
পুলিশের একটি সূত্রে আরো জানা যায়, মগবাজার ফ্লাইওভারে ছিনতাই করে তারা নিরাপদে ওই সুরঙ্গ দিয়ে পালিয়ে যেত। গতকাল রাতেও একজনকে ছিনতাইকারী আহত করে। এই চক্রটি ফ্লাইওভারে মাদক সেবন, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপকর্ম করত।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাজ্যে দীর্ঘ ১৭ দিন চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
স্বাস্থ্যের যথেষ্ট উন্নতি হওয়ায় ডাক্তাররা আপাতত তাকে বাসায় থেকে চিকিৎসা নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
শুক্রবার লন্ডনের স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৯টা এবং বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৩টায় বেগম খালেদা জিয়াকে তারেক রহমান তার বাসায় নিয়ে যান।
এর আগে তারেক বাংলাদেশি অধ্যুষিত ব্রিকলেন মসজিদে তার প্রয়াত ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফিরাতে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন।
এদিকে, বৃহস্পতিবার বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন জানান, শুক্রবার রাতের মধ্যে বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার রিপোর্ট হাতে আসবে। সবকিছু ভালো থাকলে তাকে রিলিজ দেয়া হতেও পারে বলে জানান তিনি। তবে, হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও সাবেক প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক প্রফেসর পেট্রিক কেনেডি ও জেনিফার ক্রসের তত্ত্বাবধানে থাকবেন।
বেগম খালেদা জিয়ার লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করার বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্তে আসা যায়নি জানিয়ে তিনি বৃহস্পতিবার বলেন, ওনার লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করার বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্তে আসা যায়নি। কারণ ওনার বয়সটা একটা বিবেচ্য বিষয়। তাছাড়া, জেলে রেখে তাকে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। তখন তাকে বিদেশে নিয়ে আসা গেলে আরও হয়তো দ্রুত সুস্থ করা যেত। এখন আমাদের চিকিৎসকদের বক্তব্য হচ্ছে আগে হলে হয়তো উনার লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করা যেত। বর্তমানে বেগম খালেদা জিয়ার লিভার, কিডনি, হার্ট, ডায়াবেটিস, প্রেশার, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসসহ-সব রোগের জন্য ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা চলছে। আপাতত ওষুধের মাধ্যমেই এটি অব্যাহত থাকবে। এর বাইরেও আরও যদি কোনো চিকিৎসা করা যায়, সেজন্য যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিনস হসপিটালের মেডিকেল টিমের সদস্যরা এখানে মেডিকেল বোর্ডের সভায় অংশগ্রহণ করেছিলেন।
এদিকে, লন্ডন দ্য ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ডাক্তারের পরামর্শে বেগম খালেদা জিয়াকে প্রতিদিন বাসা থেকে খাবার এনে দেয়া হতো এবং ছেলে তারেক রহমান, পুত্রবধূ জুবায়দা রহমান, নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমান, প্রয়াত ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান সিঁথি, দুই কন্যা জাফিয়া ও জাহিয়া রহমান তাকে নিয়মিত দেখাশোনা করতেন।
এছাড়া, যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি ও চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এমএ মালেক, সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমেদ প্রতিদিন হাসপাতালে উপস্থিত থাকতেন।
গত ৮ জানুয়ারি বুধবার বেগম খালেদা জিয়া উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডন যান।
মন্তব্য করুন


মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১০ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক ডাক টিকিট অবমুক্ত করেছেন।
একই সঙ্গে ১০ টাকা মূল্যমানের উদ্বোধনী খাম ও ৫ টাকা মূল্যমানের একটি ডাটাকার্ডও অবমুক্ত করেন তিনি।
আজ রোববার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এগুলো অবমুক্ত করেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
এ সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব ড. মো. মুশফিকুর রহমান ও ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এস.এম. শাহাবুদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম প্রধান উপদেষ্টাকে একটি স্মারক ডাক বাক্স ও ‘ন্যাচারাল বিউটি অ্যান্ড ওয়াইল্ড লাইফ’শীর্ষক একট বই উপহার দেন।
মন্তব্য করুন


মজুত করা পেঁয়াজ বেশি দামে বিক্রি করার অভিযোগে বরিশাল নগরের ৬ আড়তকে প্রায় লক্ষাধিক টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
এ অভিযান শনিবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে চালানো হয় বলে জানিয়েছেন অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রানী মিত্র।
এ জরিমানা করেন বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক অপূর্ব অধিকারী।
বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রানী মিত্র জানায়, হঠাৎ পেয়াঁজের দাম বেড়ে যাওয়ার খবরে বরিশাল নগরীর পেঁয়াজপট্টির পাইকারি বিক্রির আড়তে অভিযান চালানো হয়। সেখানে দেখা যায়, বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে মজুত করা পেঁয়াজ।
বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রানী মিত্র আরও জানায়, ৯৪ থেকে ৯৫ টাকা কেজি দরে কেনা পেঁয়াজ বতর্মানে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। এ প্রমাণ পেয়ে ৯৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় ৬ আড়তকে।
মন্তব্য করুন


‘শিশুর শিক্ষা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করি, শিশুশ্রম বন্ধ করি’ এই প্রতিপাদ্যকে ধারন করে আগামীকাল ‘বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষ্যে আজ দেয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, সরকারের লক্ষ্য এসডিজি বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশকে সকল ধরনের শিশুশ্রম হতে মুক্ত করা।
রাষ্ট্রপতি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস’ পালনের উদ্যোগকে স্বাগত জানান।
বাংলাদেশ জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদ ও ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম বিষয়ক আইএলও কনভেনশন অনুসমর্থনকারী দেশ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বিষয়ক এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য শিশুশ্রম নিরসনকে অন্যতম সূচক হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। শিশুশ্রম নির্মূলে জাতীয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠনের মাধ্যমে চারস্তবিশিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো প্রস্তুত করা হয়েছে।
সাহাবুদ্দিন বলেন, শিশুরাই জাতির ভবিষ্যৎ। উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হলে শিশুর সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করে তাদের সুযোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার বিকল্প নেই। শিশুশ্রম একটি বৈশ্বিক সমস্যা। শিশুশ্রম নির্মূল করে বাধ্যতামূলক শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে শিশুর যথাযথ বিকাশ নিশ্চিত করতে হবে।
মন্তব্য করুন