

অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের প্রার্থীরা ব্যক্তিগত আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স চাইলে অনুমতি দেয়া হবে। যারা অস্ত্র জমা দিয়েছেন তাদের অস্ত্রও ফেরত দেয়া হবে।
শনিবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ওসমান হাদিকে হামলার ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তাতারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জড়িতদের কোনো প্রকার ছাড় দেয়া হবে না। হাদির ওপর হামলা আসন্ন নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার অপপ্রয়াস। এ ধরনের চেষ্টা কঠোর হাতে দমন করা হবে।
এ সময় হাদির ওপর হামলায় জড়িতদের ধরিয়ে দিতে পারলে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারীর যোদ্ধাদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই বলেও জানান জাহাঙ্গীর আলম।
উল্লেখ্য, শুক্রবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে রাজধানীর বিজয়নগর পানির ট্যাংকির সামনে রিকশায় করে যাওয়ার সময় ওসমান হাদিকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। ওই সময় মোটরসাইকেলে করে এসে দুইজন তাকে খুব কাছ থেকে গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে নেয়া হয়। সেখানে অস্ত্রপচার শেষে হাদিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
মন্তব্য করুন


বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেলেন ২৭ জন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে তারা মুক্তি লাভ করেন বলে জানিয়েছেন কারা কর্তৃপক্ষ। এসময় কারা ফটকে তাদের আত্মীয় স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সোমবার ৪০ আসামির জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দেন আদালত।
মুক্তি পাওদের মধ্যে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ১২ জন কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-১ থেকে পাঁচজন এবং কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২ থেকে ১০ জন।
কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, আসামিপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গেল সোমবার কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত বিশেষ আদালতের (প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ) বিচারক ইব্রাহীম মিয়া বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় ৪০ জনের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় জামিন পাওয়া ৪০ জনের মধ্যে বৃহস্পতিবার সকালে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-১ থেকে পাঁচজন, পার্ট -২ থেকে ১০ জন ও হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ১১ জন মুক্তি লাভ করেন। এছাড়া বুধবার এই ইউনিট থেকে আরও এক বিডিআর সদস্য জামিনে মুক্তি পান।
এর আগে হত্যা মামলায় খালাস পাওয়া ১৭৮ জন বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় জামিন পেয়েছিলেন। এ নিয়ে এ ঘটনায় মোট ২১৮ জন জামিন পেলেন। সাবেক বিডিআর সদস্য ও তার স্বজনরা জামিনে মুক্তি পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগাের জেল সুপার মোহাম্মদ আল মামুন জানান, বন্দি ২৭ সাবেক বিডিআর সদস্যের জামিনের কাগজপত্র কারাগারে আসার পর কাগজ পত্র যাচাই বাছাই করে বৃহস্পতিবার সকালে তাদের জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডন যাত্রা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছিল। এবার জানা গেছে, জানুয়ারির প্রথমার্ধে তিনি লন্ডন যাচ্ছেন। দলীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে, তার শারীরিক অবস্থার উন্নতির লক্ষ্যে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) রাতে মেডিকেল বোর্ডের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়। সম্ভাব্য যাত্রার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ জানুয়ারি। তবে এটি এখনও নিশ্চিত নয়। সবকিছু খালেদা জিয়ার শারীরিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে।
৭৯ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে রওনা হবেন। তার সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন ১৬ সদস্যের একটি টিম। এ টিমে তার চিকিৎসা বোর্ডের বেশিরভাগ সদস্য, তিনজন দলীয় নেতা, দুজন একান্ত সচিব, একজন প্রটোকল অফিসার, পুত্রবধূ এবং দুজন গৃহকর্মী অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
হিথ্রো বিমানবন্দরে খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানাবেন তার পুত্র ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ ৮ বছর পর মায়ের সঙ্গে তারেক রহমানের এ সাক্ষাৎ হবে।
সূত্র জানিয়েছে, খালেদা জিয়ার লন্ডন সফরের সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের ভিসা প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। যেসব হাসপাতালে তার চিকিৎসা হবে সেখানকার অ্যাপয়েন্টমেন্টও নিশ্চিত করা হয়েছে।
এর আগে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, খালেদা জিয়া শারীরিক ও মানসিকভাবে বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তার শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে কিছুটা স্থিতিশীল রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মন্তব্য করুন


ডেস্ক রিপোর্টঃ
যুক্তরাষ্ট্রের একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশ সফরে আসবে বলে জানিয়েছেন দেশটির শার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হেলেন লাফ্যাভ।
বুধবার (২৩ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের বাংলাদেশ সফরের প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয় বলে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের এক বার্তায় জানানো হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, সাক্ষাতে তারা দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন এবং সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকে আলোচিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন।
ড. ইউনূস আরও উল্লেখ করেছেন, ৬টি বড় সংস্কার কমিশন ইতোমধ্যে তাদের কাজ শুরু করেছে এবং তারা দেশের স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে পরামর্শ করবে।
মন্তব্য করুন


রাজনৈতিক দলগুলো ও কমিশন অসম্ভবকে সম্ভব করেছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো ও কমিশন অসম্ভবকে সম্ভব করেছে, সারা বিশ্বের কাছে এটি উদাহরণ হয়ে থাকবে।
জুলাই সনদে স্বাক্ষরের পর তিনি এক ভাষণে এ কথা বলেন।
এর আগে জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছে বিএনপি, জামায়াত, গণঅধিকার পরিষদ, এবি পার্টি, গণসংহতি আন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা।
আজ শুক্রবার বিকাল ৫টায় জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫–এ স্বাক্ষর করেন তারা। এর আগে বিকাল চারটা ৩৭ মিনিটে জাতীয় সংগীতে শুরু হয় জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান।
এতে উপস্থিত হয়েছেন উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা। যোগ দিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা এবং জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্যরা।
উল্লেখ্য, বিএনপি, জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল এই অনুষ্ঠানে যোগ দেবে বলে আগেই জানিয়েছে। তবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে আইনি ভিত্তির নিশ্চয়তা ছাড়া তারা এখন জুলাই সনদ স্বাক্ষর করবে না।
মন্তব্য করুন


দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থের একটি অংশ আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তবে কী পরিমাণ অর্থ ফেরত আসবে সে বিষয়ে তিনি কিছু বলেননি।
মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘যারা টাকা পাচার করে তারা সব বুদ্ধি জানে, কীভাবে করতে হবে। এটা আনতে গেলে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন। তবে কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে। অনেক লিগ্যাল ফার্মের সঙ্গে আলোচনা হচ্ছে। ফেব্রুয়ারির মধ্যে হয়তো কিছু আসতে পারে। বাকিটার জন্য আমরা ক্ষেত্র প্রস্তুত করছি।’
তিনি বলেন, ‘এই ফরমালিটি কোনো সরকার অ্যাভয়েড করতে পারবে না। মনে করেন, আমি বললাম টাকা দিয়ে দাও সেন্ট্রাল ব্যাংকে। সুইস ব্যাংকে বলে দিলাম টাকা দিয়ে দাও, দেবে না তো। ওটা আপনার লিগ্যাল ওয়েতে যেতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা জানেন ১১-১২টা আমরা একেবারে হাই প্রায়োরিটিতে দেখছি। আর বাকিগুলোর মধ্যে যেগুলো ২০০ কোটি টাকার বেশি তাদেরকেও ধরা হচ্ছে।’
এ সময়ও কিছু অর্থ পাচার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে- সাংবাদিকদের এমন মন্তব্যের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘আচ্ছা কিছুদিন পরে দেখি। একটা রিভিউ আমরা করছি। দেখি কতটুকু আনা যায়। আপনারা জানেন অলরেডি অ্যাসেট ফ্রিজ করা হয়েছে বাহিরের কতগুলো দেশে। কোথায় ওদের টাকা আছে, কোথায় অ্যাকাউন্ট আছে, কোন কোন দেশে ওদের পাসপোর্ট আছে সেটার তথ্যও আছে। এখন বাকি একটু কাজ করতে যতটুকু সময় লাগে।’
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করবেন না বলে জানান তার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
তিনি বলেন, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ক্ষমতা প্রয়োজন নেই, কিন্তু বাংলাদেশের জন্য, বাংলাদেশের শান্তিপূর্ণ ডেমোক্রেটিক ট্রাঞ্জিশনের জন্য ড. ইউনূস স্যারের দরকার আছে।
শুক্রবার নিজের ফেসবুক পেজে এ পোস্টে এসব তথ্য জানায় তিনি।
ওই পোস্টে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন, বরং ক্যাবিনেটকে আরো গতিশীল হতে হবে।
সরকারকে আরো বেশি ফাংশনাল হতে হবে, উপদেষ্টাদের আরো বেশি কাজ করতে হবে, দৃশ্যমান অগ্রগতি জনতার সামনে উপস্থাপন করতে হবে- এ ব্যাপারে কোনো দ্বিমত থাকতে পারে না। আমাদেরকে দেখাতে হবে যে, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তীতে জনতার সম্মতিতে ক্ষমতায় এসে প্রফেসর সাফল্য দেখিয়েছেন। বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সম্মান আছে, এটা রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব।
তিনি বলেন, আমি মনে করি, সরকারকে এখন থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আরো নিবিড়ভাবে আলোচনায় বসতে হবে, নিয়মিত বসে এবং বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মতামত চাইতে হবে।
কোন ধরনের বিচ্ছিন্নতা কাম্য নয়। পাশাপাশি সেনাবাহিনীও রাজনীতিতে নাক গলাতে পারবে না। আজকের দুনিয়ায় কোনো সভ্য দেশের সেনাবাহিনী রাজনীতি করে না। তাই ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের বক্তব্যে সেনাপ্রধান জুরিশডিকশনাল কারেক্টনেস রক্ষা করতে পারেননি।
তবে সেনাবাহিনীকে প্রাপ্য সম্মান দেখাতে হবে, আস্থায় রাখতে হবে। সেনাবাহিনী প্রশ্নে হুট করে কিছু করা যাবে না, হঠকারী কিছু করা যাবে না।
বিশেষ সহকারী ফয়েজ বলেন, তেমনি, ইনক্লুসিভনেসের নাম করে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনও চাওয়া যাবে না। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আমাদের গর্ব এবং আস্থার জায়গা- সেটা কেউ ভঙ্গ করবে না।
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি জানান, সকল দরকারি প্রস্তুতি শেষ করে নির্বাচন এপ্রিল-মে'র মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে বলেই আশা করি।
এ সময়ে সকল যৌক্তিক সংস্কার সম্পন্ন করতে হবে, করতে হবে জুলাই সনদ। জুলাই-আগস্ট'২৫ এ আমরা জাতীয়ভাবে দুই মাস জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তির উদযাপন করব, ইনশাল্লাহ। এবং আগস্টের মধ্যেই স্বৈরাচারী খুনি হাসিনার বিচারের প্রথম রায়টি আলোর মুখ দেখতে পাবে বলেও আশা প্রকাশ করি।
সবশেষে তিনি বলেন, ইনশাআল্লাহ আমরা হারবো না, আমাদের হারানো যাবে না। ইনকিলাব জিন্দাবাদ। প্রফেসর ইউনূস জিন্দাবাদ। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।
মন্তব্য করুন


গত ১২ জানুয়ারি রাত ১১টায় চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে যৌথ বাহিনী কর্তৃক একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে, জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন একটি ফার্মেসি দোকান থেকে অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগে মোঃ শামসুজ্জামান ওরফে ডাবলু (৫০)'কে আটক করা হয়। পরবর্তীতে, আটককৃত ব্যক্তির প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে টহল দল উক্ত ফার্মেসিতে তল্লাশি পরিচালনা করে ০১ টি ৯ মি. মি. পিস্তল, ০১ টি ম্যাগাজিন ও ০৪ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে। অভিযান শেষে আটককৃত ব্যক্তি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে অচেতন হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে, আনুমানিক রাত সাড়ে ১২ টায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত, দুঃখজনক ও কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ইতোমধ্যে উক্ত ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার ও অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যদেরকে সেনানিবাসে প্রত্যাহার এবং সঠিক কারণ উদঘাটনের উদ্দেশ্যে একটি উচ্চপদস্থ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সেনা আইন অনুযায়ী যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাজ্যের হিথ্রো, বেলজিয়ামের ব্রাসেলস ও জার্মানির বার্লিন বিমানবন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সাম্প্রতিক সাইবার হামলার পর বাংলাদেশের সব আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। এই পদক্ষেপের অংশ হিসেবে সংস্থাটি দেশের সব বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারিসহ ১০টি বিশেষ নির্দেশনা পাঠিয়েছে।
বৃহস্পতিবার বেবিচকের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বেবিচকের সদস্য (পরিকল্পনা ও পরিচালনা) এয়ার কমোডর আবু সাঈদ মেহবুব খানের সই করা নির্দেশনাপত্রটি দেশের সব বিমানবন্দরের প্রধান এবং বেবিচকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
ওই নির্দেশনায়, বাংলাদেশের বিমান পরিবহন কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শক্তিশালী ও জটিল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা, সন্দেহজনক ই-মেইল বা অজানা কোনো লিংকে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকা, অপারেটিং সিস্টেম, সফটওয়্যার ও অ্যান্টিভাইরাস নিয়মিত হালনাগাদ (আপডেট) রাখা, কোনো ধরনের পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার না করা, দাপ্তরিক ডিভাইসে ব্যক্তিগত অ্যাপ ইনস্টল থেকে বিরত থাকা এবং মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (MFA) পদ্ধতি চালু করা। এ ছাড়া যেকোনো ধরনের সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি বা ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিকভাবে বেবিচকের সিএএবি সার্ট (CAAB-CERT) টিম, আইটি বিভাগ এবং জাতীয় সাইবার ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিমকে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বেবিচক সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ সেপ্টেম্বর বেবিচকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সাইবার হামলার ঝুঁকি ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি লন্ডনের কয়েকটি বিমানবন্দরে সাইবার হামলার কারণে ফ্লাইট পরিচালনা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়েছিল। সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশেও আগাম সতর্কতা হিসেবে এই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে আরো জানানো হয়, সম্প্রতি বেবিচকের ওয়েবসাইটেও একটি সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছিল। এরপর জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি জরুরি ভিত্তিতে বেবিচকের সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়নের পরামর্শ দেয়।
এর আলোকে, সাইবার নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যালোচনার জন্য দ্রুত একটি অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠান নিয়োগের বিষয়টিও বিবেচনাধীন।
মন্তব্য করুন


সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ টি এম শামসুল হুদা মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
শনিবার সকাল ৯টায় ৮৩ বছর বয়সে তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে স্ত্রী ও এক মেয়ে রেখে গেছেন তিনি।
শামসুল হুদার ভগ্নিপতি আশফাক কাদেরী তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘সকাল ৯টায় গুলশানের নিজ বাসা থেকে ইউনাইটেড হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার মরদেহ মর্গে রয়েছে।’
এ টি এম শামসুল হুদা সিইসি হিসেবে ২০০৮ সালে জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা করেন। এর আগে তিনি ১৯৬৬ সালে পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন। পরে দেশ স্বাধীন হলে তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন। ২০০০ সালে তিনি চাকরি থেকে অবসর নেন।
চাকরি জীবনে তিনি বাগেরহাটে মহকুমা প্রশাসক (সাব ডিভিশনাল অফিসার), পানি সম্পদ ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগে তিনি বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২ হাজার এএসআই সরাসরি নিয়োগ দেয়া হবে বলে জানান পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। আজ বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
আইজিপি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দুই হাজার নতুন এএসআই নিয়োগ দেয়া হবে। এ ছাড়াও আরও ২ হাজার এএসআই আসবে পদোন্নতির মাধ্যমে।
তিনি বলেন, যতো দ্রুত সম্ভব এই নিয়োগ সম্পন্ন করে ফেলতে চাই। আট হাজার এএসআই চেয়েছিলাম। এখন চার হাজার অনুমোদন পেয়েছি, বাকিটা দেখা যাক।
মন্তব্য করুন