নকল বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম উৎপাদন, জরিমানা সাড়ে ৩১ লাখ টাকা

নকল বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম উৎপাদন, জরিমানা সাড়ে ৩১ লাখ টাকা

অনুমোদনহীন নকল বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি, প্লাস্টিকের পাইপ ও ভেজাল ভোজ্যতেল উৎপাদন, মজুদ ও বিক্রি করায় ১০ প্রতিষ্ঠানকে ৩১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছের‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার রাতে র‌্যাব -১০ এর সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) এনায়েত কবীর সোয়েব এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, বুধবার সকাল ১০টা থেকে আজ বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত র‌্যাবের একটি দল রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, কদমতলী ও ডেমরা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।এ সময় বিএসটিআইয়ের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাজহারুল ইসলাম।  

ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই এলাকায় অনুমোদনহীন নকল বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি, প্লাস্টিকের পাইপ ও ভেজাল ভোজ্যতেল উৎপাদন, মজুত ও বিক্রি করার অপরাধে ১০টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।  

এছাড়া ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত আনুমানিক ৫০ হাজার টাকা মূল্যের নকল বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি ও ভেজাল ভোজ্যতেল জব্দ ও ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানানএই কর্মকর্তা।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

বইছে মৃদু শৈত প্রবাহ, হিমেল হাওয়ায় কাবু জনজীবন

বইছে মৃদু শৈত প্রবাহ, হিমেল হাওয়ায় কাবু জনজীবন

কুড়িগ্রামে তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেলেও কমেনি শীতের দাপট। বইছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ। হিমেল হাওয়ায় কাবু হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রাম জেলা। কনকনে ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। 

বুধবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ ডিগ্রী সেলসিয়াস। গতকাল ছিল  ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

অপর দিকে ঠান্ডায় সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে শ্রমজীবি ও নিম্ন আয়ের মানুষজন। শীত উপেক্ষা করে বাড়ী থেকে বের হলেও কাজ পাচ্ছে না অনেকে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সুর্যের দেখা মিলছে না। দিনের অধিকাংশ সময় থাকছে মেঘাচ্ছন্ন। এ সময় উওরীয় হিমেল হাওয়ায় ঠাণ্ডার তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। শীত ও কনকনে ঠান্ডায় হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, সর্দি কাশিসহ - শীতজনিত রোগীর সংখ্যা।

সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়নের মিরাজুল বলেন, এই ঠান্ডায় বাইরে  কাজ করতে যাচ্ছি। খুবই সমস্যা হচ্ছে,দুদিন ধরে সর্দি-কাশিতে ভুগছি। শীতকালে ঠিকমতো কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোয় মুসকিল হয়েছে। অভাবের সংসার, ছেলেদের গরমের কাপড় কিনবো তাও পারছি না।

কুড়িগ্রাম সদরের ভোগডাঙ্গা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান বলেন, ধরলা নদী বেষ্টিত এই ইউনিয়ন। এখানকার মানুষ বেশীরভাগ দিনমজুর। এখানে এ যাবত সরকারিভাবে ৩১০ টি কম্বল বরাদ্দ পেয়েছি। যা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, জানুয়ারি মাস জুড়েই তাপমাত্রা এরকম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ মাসের ২৫ তারিখের পর তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

গণমাধ্যমের ওপর সরকারের কোনো চাপ নেই: তথ্য উপদেষ্টা

গণমাধ্যমের ওপর সরকারের কোনো চাপ নেই: তথ্য উপদেষ্টা

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো: নাহিদ ইসলাম বলেছেন, গণমাধ্যমের ওপর সরকারের কোনো চাপ নেই। এই স্বাধীনতাকে কাজে লাগিয়ে গণমাধ্যমকে সাহসের সঙ্গে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করতে হবে।

আজ  মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দৈনিক সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।

উপদেষ্টা মো: নাহিদ ইসলাম বলেন, সঠিক তথ্য ব্যাপকভাবে প্রচার না হওয়ায় গুজব ও অপতথ্যের দ্বারা মানুষ প্রতিনিয়ত বিভ্রান্ত হচ্ছে। গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধে গণমাধ্যমকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে যারা শহিদ ও আহত হয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগের গল্প গণমাধ্যমে প্রচার করতে হবে। আন্দোলনে শহিদ ও আহতদের জনস্মৃতিতে রাখতে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের সমালোচনা করে উপদেষ্টা মো: নাহিদ ইসলাম বলেন, ওই সময় অনেক গণমাধ্যমকর্মী ভয়ে সত্য ঘটনা প্রকাশ করতে পারেননি। এখন সেই সময় কেটে গেছে।

উপদেষ্টা ফ্যাসিবাদী সরকারের গুম ও দুর্নীতিসহ সকল অপকর্মের তথ্য গণমাধ্যমে প্রচারের জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছানোর ক্ষেত্রে সরকার গণমাধ্যমের কার্যকর ভূমিকা প্রত্যাশা করে।

গণমাধ্যমের সংস্কার প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, সরকার গণমাধ্যমের সংস্কারের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে কমিশন গঠন করেছে। কমিশনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গণমাধ্যমের সংস্কার করা হবে।

মতবিনিময় সভায় পত্রিকার সম্পাদকগণ বলেন, বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের ওপর সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই, যা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য আশীর্বাদ। দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের কার্যকর ভূমিকা রয়েছে।

তারা বলেন, গত ১৬ বছর গণমাধ্যম সঠিক ভূমিকা পালন করলে দেশে ফ্যাসিবাদের উত্থান হতো না।

মতবিনিময় সভায় ইংরেজি পত্রিকার জন্য আলাদা নীতিমালা প্রণয়নেরও দাবি জানানো হয়।

মতবিনিময় সভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম মোহাম্মদ শামসুদ্দিন, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ আবদুল্লাহ এবং দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক ও প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশব্যাপী নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশব্যাপী নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নিরাপত্তা রক্ষায় দেশব্যাপী জেলায় জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন থেকে পূজামন্ডপ সমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে সদা তৎপর রয়েছে। হিন্দু ধর্মাবলম্বী প্রত্যেক বাংলাদেশী অত্যন্ত উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে উৎসবমুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন করবেন এবং অন্যান্য সকল ধর্মাবলম্বীগণ সহযোগিতা ও সম্প্রীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন সার্থক ও সুন্দর করে তুলবেন- এই প্রত্যাশা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর।

  global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

রামিসার পর এবার নারায়ণগঞ্জে ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষণ

রামিসার পর এবার নারায়ণগঞ্জে ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষণ

‌‎নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় ছয় বছর বয়সী এক কন্যাসন্তানকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ জনতার গণপিটুনিতে গুরুতর আহত এক অভিযুক্তসহ মোট দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৩ মে) ঘটনার পর ভুক্তভোগী শিশুটির পাশে দাঁড়াতে এবং তার পরিবারের খোঁজখবর নিতে থানায় ছুটে গেছেন জেলা প্রশাসন ও পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (২২ মে) বিকেলে ফতুল্লা মডেল থানার বক্তাবলী এলাকায় এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পর শিশুটির মা বিষয়টি বুঝতে পারলেও প্রথমে লোকলজ্জার ভয়ে কাউকে কিছু জানাননি। পরবর্তীতে রাতে শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সেখানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে প্রেরণ করেন। বর্তমানে শিশুটি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং তার স্বাস্থ্যগত পরীক্ষার (মেডিকেল টেস্ট) প্রক্রিয়া চলছে। ​মামলায় অভিযুক্ত দুইজন হলেন, বক্তাবলীর ওই গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে হিরো এবং জামাল পাটোয়ারীর ছেলে সোহেল।

​শুক্রবার রাতে ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বিক্ষুব্ধ জনতা রাতেই অভিযুক্ত হিরোকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী জানান, গণপিটুনিতে গুরুতর আহত হিরো বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) চিকিৎসাধীন। এ ছাড়া রাতে অভিযান চালিয়ে অপর অভিযুক্ত সোহেলকেও আটক করে থানা হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। শনিবার সকালে ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ওই দুইজনকেই আসামি করা হয়েছে।

​শনিবার সকালে ফতুল্লা মডেল থানায় ভিকটিম ও তার পরিবারের সদস্যদের সাথে দেখা করতে যান জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. রায়হান কবির, পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মিজানুর রহমান মুন্সী, এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ (ইউএনও) জেলা প্রশাসন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা ভুক্তভোগী পরিবারটিকে সান্ত্বনা দেন এবং আইনি সহায়তাসহ পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

​থানায় সাক্ষাৎ শেষে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মিজানুর রহমান মুন্সি গণমাধ্যমকে বলেন, ছয় বছরের এক মেয়েকে দুজন ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং অভিযুক্ত দুজনই আমাদের হেফাজতে বা নজরদারিতে (একজন হাসপাতালে ও একজন থানায়) আটক আছে। যেহেতু এটি একটি শিশু বাচ্চা, আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছি। মেয়েটির মেডিকেল টেস্ট করানোসহ পরবর্তী আইনি কার্যক্রম চলছে।

​ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহাবুব আলম জানান, পুলিশ ঘটনাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে এবং আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত গতিতে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

লাখো রোহিঙ্গার সঙ্গে ইফতার করলেন প্রধান উপদেষ্টা ও জাতিসংঘ মহাসচিব

লাখো রোহিঙ্গার সঙ্গে ইফতার করলেন প্রধান উপদেষ্টা ও জাতিসংঘ মহাসচিব

কক্সবাজারে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক . মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসলাখো রোহিঙ্গার সঙ্গে ইফতার করলেন

শুক্রবার (১৪ মার্চ) রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গার সঙ্গে ইফতার করেন তারা।

এর আগে দুপুরে বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইটে কক্সবাজার পৌঁছান তারা। এরপর বিমানবন্দর থেকে সরাসরি কক্সবাজারের উখিয়ায় যান জাতিসংঘের মহাসচিব গুতেরেস। পরে সেখানে রোহিঙ্গা শিক্ষা সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং পাটজাত পণ্যের উৎপাদন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

অন্যদিকে কক্সবাজারে পৌঁছে সেখানে নির্মাণাধীন কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর খুরুশকূল জলবায়ু উদ্বাস্তু কেন্দ্র পরিদর্শন করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক . মুহাম্মদ ইউনূস। পরবর্তীতে বিকেলে উখিয়ায় প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর সঙ্গে ইফতারে যোগ দেন প্রধান উপদেষ্টা জাতিসংঘ মহাসচিব।

উল্লেখ্য, দিনের সফরে বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) ঢাকায় পৌঁছান জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার অগ্রগতি জানাতে সেনাবাহিনীর বিজ্ঞপ্তি

আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার অগ্রগতি জানাতে সেনাবাহিনীর বিজ্ঞপ্তি

সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে সিএমএইচগুলোতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত ছাত্রদের চিকিৎসার অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

শনিবার (৩১ আগস্ট) রাত ৯টা ৫৬ মিনিটে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১৮ আগস্ট ২০২৪ তারিখ হতে সারা দেশব্যাপী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত ছাত্রদের দ্রুত সুস্থ করে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিরলসভাবে আন্তরিকতার সাথে সিএমএইচ সমূহে জরুরি উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদান করছে। সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা সিএমএইচসহ দেশের অন্যান্য ১০টি সিএমএইচে সর্বমোট ৮২৯ জন আহত ছাত্র চিকিৎসা সেবা গ্রহণের জন্য আগমন করেন। তন্মধ্যে ২১৯ জন আহত ছাত্র সিএমএইচসমূহে চিকিৎসাধীন আছেন এবং অবশিষ্ট ছাত্রগণ চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত ছাত্রদের অতিদ্রুত সুস্থতা কামনা করছে। পাশাপাশি দেশব্যাপী আহত চিকিৎসাধীন ছাত্রদের প্রয়োজনীয় জরুরি চিকিৎসা সেবা প্রাপ্তিতে সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদানে সদা তৎপর আছে।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

সারাদেশে টানা ৭-৮ দিন বৃষ্টি হতে পারে- আবহাওয়া অধিদপ্তর

সারাদেশে টানা ৭-৮ দিন বৃষ্টি হতে পারে- আবহাওয়া অধিদপ্তর

আজ (৬ মে) থেকে সারা দেশে টানা সাত-আট দিন বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। কোথাও কোথাও কালবৈশাখী ঝড়ের আভাস দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৬ মে) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার পূর্বভাসে এসব তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

পরবর্তী পাঁচ দিনের আবহাওয়া পরিস্থিতে বলা হয়েছে, এ সময়ও বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। সে হিসেবে আগামী এক সপ্তাহ টানা বৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওবিদ মো. ওমর ফারুক স্বাক্ষরিত ওই পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী তিন দিন দেশের বিভিন্ন জেলায় ভারি বৃষ্টি, কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দমকা হাওয়াসহ শিলাবৃষ্টির আভাস রয়েছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।

এ সময়ের শুরুতে দিনের তাপমাত্রা কমতে এবং রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে। পরে তা অপরিবর্তীত থাকবে।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

ঘাটতি মেটাতে কিছু পণ্যের ওপর ভ্যাট বাড়ানো হয়েছে : খাদ্য উপদেষ্টা

ঘাটতি মেটাতে কিছু পণ্যের ওপর ভ্যাট বাড়ানো হয়েছে : খাদ্য উপদেষ্টা

সরকারের রাজস্ব ঘাটতি মেটাতেই কিছু পণ্যের ওপর ভ্যাট বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার।

তিনি আরও বলেন, সরকারের রাজস্ব প্রয়োজন। প্রচুর ভর্তুকিও লাগে। এ অর্থ কোথাও না কোথাও থেকে সংগ্রহ করতে হয়। তাই কিছু পণ্যের ভ্যাট বাড়ানো হয়েছে, এতে তেমন কোনো অসুবিধা হবে না।

আজ সোমবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে মাদারীপুর সার্কিট হাউসে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

এসময় মাদারীপুর জেলা প্রশাসক ইয়াসমিন আক্তার, পুলিশ সুপার মো. সাইফুজ্জামান, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. হাবিবুল আলমসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেন, এ বছর অকাল বন্যায় আমন ধানের ক্ষতি হয়েছে। এতে খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ছিল। সেই ঘাটতি পূরনের জন্য বর্তমান সরকার চেষ্টা চালাচ্ছে। বিদেশ থেকে খাদ্য আমদানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগামীতে ভালো ফসল হবে, ইরি ধানের বাম্পার ফলন হলে চাল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হবে না। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম দায়িত্ব বিদেশ থেকে খাদ্য আমদানি করা এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে সেই খাদ্য সঠিকভাবে পৌঁছানো। দেশের চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে আমদানি কার্যক্রম সহায়ক হবে। ওএমএস-এর সুবিধা বাড়ানোর চিন্তা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে প্রতি উপজেলায় দুই টন করে চাল দেওয়া হয়েছে। খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে আগামী দুই মাস দেশের ৫০ লাখ উপকারভোগী মাত্র ১৫ টাকা কেজিতে ৩০ কেজি করে চাল পাবেন।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

ধানমন্ডি ৩২-এ অপ্রীতিকর ঘটনার তদন্ত হচ্ছে: সারজিস আলম

ধানমন্ডি ৩২-এ অপ্রীতিকর ঘটনার তদন্ত হচ্ছে: সারজিস আলম

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীর দিনে বেশ কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে। সেখানে শোক জানাতে যাওয়া ব্যক্তিদের ফোন চেক তাদের মারধর করার মতো অভিযোগও রয়েছে। এছাড়াও এক ব্যক্তিকে প্রায় নগ্ন করে নাচতে বাধ্য করার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

এসব অপ্রীতিকর ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেউ জড়িত কি না সে বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এর সমন্বয়ক সারজিস আলম।

শুক্রবার (১৬ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশে হলে ১৫ আগস্টের বিভিন্ন ঘটনা সমসাময়িক ইস্যুতে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি কথা জানান।

সারজিস বলেন, ১৫ আগস্ট রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ সহ বিভিন্ন জায়গায় কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে, যা আমাদের গণ অভ্যুত্থানের স্পিরিটের সাথে যায় না। তাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাসভবনে শোক প্রকাশে ঘটে যাওয়া বিতর্কিত কাজ নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। ১৫ আগস্ট ধানমন্ডিতে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে। কেউ যদি ১৫ আগস্ট ধানমন্ডিতে ফুল দিতে চায় তাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বাধা দিতে পারে না। বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর গাড়িতে হামলার অধিকার কারও নেই। তাই এসবের সঙ্গে সমন্বয়ক বা অন্য কেউ জড়িত থাকলে বহিষ্কার এবং ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সারজিস বলেন, ২০১৩ সালে আওয়ামী লীগ পুলিশের মাধ্যমে হেজাফতে ইসলামের সমাবেশের সময় কান ধরে ওঠবস করানোর সংস্কৃতি শুরু করেছিল। তবে গতকাল ১৫ আগস্ট কান ধরে ওঠবস করানো মোবাইল চেক করাসহ ঘটে যাওয়া কিছু কাজ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্দেশ্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। আমরা ১৫ আগস্ট রাষ্ট্রীয় আয়োজনে শোক দিবস পালনের পক্ষে না। তবে কেউ ব্যক্তিগতভাবে শোক প্রকাশ করতে চাইলে তাকে সম্মান জানাতে হবে।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০

রাষ্ট্র সংস্কারে জামায়াতের ১০ প্রস্তাব

রাষ্ট্র সংস্কারে জামায়াতের ১০ প্রস্তাব

জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র সংস্কারে দলের প্রস্তাব প্রকাশ করেছেন। দলটি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য রাখা, পুলিশের জন্য স্বাধীন কমিশন গড়ে তোলাসহ বিভিন্ন প্রস্তাব দিয়েছে। এ সময় রাষ্ট্র সংস্কারে সেক্টর অনুযায়ী আলাদা আলাদা ১০টি প্রস্তাবনা তুলে ধরেছে দলটি।

বুধবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে হোটেল ওয়েস্টিনে আয়োজিত 'রাষ্ট্র সংস্কার প্রস্তাবনা' শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রস্তাব তুলে ধরেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।

এর আগে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন তিনি। নিহত এবং আহতদের জন্য দোয়া কামনা করেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সম্পাদক মতিউর রহমান আকন্দ।

জামায়াতে ইসলামী জানিয়েছে, এই ১০ প্রস্তাব শুধুমাত্র অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য। নির্বাচিত কোনো সরকারের জন্য নয়।

এই সরকারের কাছে তাদের মোট ৪১টি প্রস্তাব আছে, যার মধ্যে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব গণমাধ্যমে তুলে ধরা হয়।

জামায়াতের সংস্কারের প্রস্তাবগুলো হলো--

১. আইন ও বিচার

● উচ্চ আদালতে বিচারপতি নিয়োগের জন্য সুষ্ঠু ও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে।

● বিচার বিভাগ থেকে দ্বৈত শাসন দূর করতে হবে।

● বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথকীকরণের কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

● আইন মন্ত্রণালয় থেকে আলাদা করে সুপ্রিম কোর্টের অধীনে পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

● ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার স্বার্থে বিদ্যমান আইনসমূহের প্রয়োজনীয় সংশোধনী ও গণমানুষের মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্যশীল আইন প্রণয়ন করতে হবে।

● ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩ওসকল কালো আইন বাতিল করতে হবে।

● বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা কমাতে বিভাগীয় পর্যায়ে হাইকোর্ট বেঞ্চ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

● নিম্ন আদালতের যথাযথ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য পৃথক বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠন করতে হবে।

● সকল ফৌজদারি মামলা তদন্তের জন্য স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে।

● দেওয়ানি মামলার জন্য সর্বোচ্চ ৫ বছর এবং ফৌজদারি মামলাসমূহ সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে নিষ্পত্তি করার বিধান করতে হবে।

২. সংসদ বিষয়ক সংস্কার

● সংসদের প্রধান বিরোধীদল থেকে একজন ডেপুটি স্পিকার মনোনীত করতে হবে।

● সংসদীয় বিরোধী দলীয় নেতার নেতৃত্বে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

● সংসদে বিরোধী দলীয় সদস্যদের পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে।

৩. নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার

● জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বমূলক ব্যবস্থা (Proportional Representation-PR) চালু করতে হবে।

● সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে স্থায়ীভাবে সন্নিবেশিত করতে হবে।

● নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন দেশে প্রত্যাখ্যাত ইভিএম ভোটিং ব্যবস্থা বাতিল করতে হবে।

● কোনো সরকারি চাকরিজীবী তাদের চাকরি ছাড়ার কমপক্ষে ৩ বছরের মধ্যে কোনো ধরনের নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।

● স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয়ভাবে সম্পন্ন করার ব্যবস্থা করতে হবে।

● অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক ২০০৮ সালে প্রবর্তিত রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রথা বাতিল করতে হবে।

● নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য কমিশনার নিয়োগের জন্য প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা ও প্রধান বিচারপতির সমন্বয়ে সার্চ কমিটি গঠিত হবে।

● জাতীয় সংসদ নির্বাচন একাধিক দিনে অনুষ্ঠিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

● ঘওউ- ব্যবস্থাপনা নির্বাচন কমিশনের অধীনে আনতে হবে।

৪. আইনশৃঙ্খলা সংস্কার

ক) পুলিশ বাহিনীর সংস্কার

● ১৮৬১ সালে ব্রিটিশ সরকার প্রণীত পুলিশ আইন পরিবর্তন এবং পুলিশের জন্য একটি পলিসি গাইডলাইন তৈরি করতে হবে।

● পুলিশ সদস্যদের নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি এবং চাকরিচ্যুতির জন্য স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠন করতে হবে।

● নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি এবং চাকরিচ্যুতির ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক ব্যক্তির সুপারিশের সুযোগ রাখা যাবে না তথা সর্বপ্রকার দলীয় ও ব্যক্তিগত প্রভাব বা হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে।

● পুলিশ ট্রেনিং ম্যানুয়ালের মধ্যে ধর্মীয়  শিক্ষা ও নৈতিক অনুশাসন অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

● পুলিশের মধ্যে মারণাস্ত্রের ব্যবহার বাতিল করতে হবে।

● রিমান্ড চলাকালে জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষেত্রে আসামি পক্ষের আইনজীবীর উপস্থিতি এবং মহিলা আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাদের অভিভাবকের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।

● বিচার বিভাগীয় সদস্যদের দ্বারা পুলিশ ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান থাকতে হবে।

● পুলিশের ডিউটি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা উন্নত করতে হবে।

● ‘পুলিশ আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও পরিমার্জনের মাধ্যমে আধুনিকায়ন করতে হবে।

খ) র‌্যাব বিষয়ক সংস্কার

● র‌্যাব ও অন্যান্য বিশেষায়িত বাহিনীর প্রতি জনসাধারণের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করতে হবে।

● গত সাড়ে ১৫ বছর যারা র‌্যাবে কাজ করেছে তাদেরকে স্ব স্ব বাহিনীতে ফিরিয়ে আনতে হবে এবং তাদেরকে পুনরায় র‌্যাবে নিয়োগ দেয়া যাবে না।

● বিচারবহির্ভূত সকল প্রকার হত্যাকাণ্ড- বন্ধ করতে হবে।

● র‌্যাবের সামগ্রিক কার্যক্রম মনিটরিং-এর জন্য সেল গঠন করতে হবে। কোনো র‌্যাব সদস্য আইনবহির্ভূত কোনো কাজে জড়িত হলে এই সেল তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করবে।

● মিডিয়ার ক্ষেত্রে নীতিমালা প্রণয়ন ও অনুসরণ নিশ্চিত করতে হবে।

৫. জনপ্রশাসন সংস্কার

● জনবল নিয়োগ, বদলি, পদায়নে তদবির, সুপারিশ ও দলীয় আনুগত্যের পরিবর্তে যোগ্যতা, দক্ষতা ও সততাকে প্রাধান্য দিতে হবে।

● যে কোনো চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি থেকে শুরু করে নিয়োগ পর্যন্ত সময়ক্ষেপণ না করে যৌক্তিক সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

● সরকারি চাকরিতে আবেদন বিনামূল্যে করতে হবে।

● চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা আগামী ২ বছরের জন্য ৩৫ বছর ও পরবর্তী বয়সসীমা স্থায়ীভাবে ৩৩ বছর এবং অবসরের বয়সসীমা ৬২ বছর নির্ধারণ করতে হবে।

● চাকরির আবেদনে সকল ক্ষেত্রে বয়সসীমার বৈষম্য নিরসন করতে হবে।

● সকল সরকারি দপ্তরে দুর্নীতি নিরোধকল্পে বিশেষ ব্যবস্থা তৈরি করা যাতে করে কেউ দুর্নীতি করার সুযোগ না পায়। এ জন্য প্রয়োজনীয় মনিটরিং-এর ব্যবস্থা করতে হবে।

● চাকরিতে বিরাজমান আন্তঃক্যাডার বৈষম্য দূর করতে হবে।

● বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে সরকারি চাকরিতে যারা প্রশ্নপত্র ফাঁস, দুর্নীতি, জালিয়াতি ও দলীয় বিবেচনায় চাকরি পেয়েছে তাদের নিয়োগ বাতিল করতে হবে।

৬. দুর্নীতি

● দুর্নীতি দমন কমিশনে পরীক্ষিত সৎ, ন্যায়পরায়ণ, দক্ষ ও যোগ্য লোক নিয়োগ দিতে হবে।

● রাষ্ট্রের সকল সেক্টরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

● দুর্নীতি দমন কমিশনকে শক্তিশালী করে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার স্বাধীনতা দিতে হবে।

● বিগত সরকারের আমলে দেশ থেকে পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনার উপযুক্ত বিধান প্রণয়ন ও তা কার্যকর করার পদক্ষেপ নিতে হবে।

● মন্ত্রণালয় ভিত্তিক দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন করতে হবে।

● দুর্নীতি দমন কমিশনের আইন সংস্কার, জনবল ও পরিধি বৃদ্ধি করতে হবে।

● রাষ্ট্রীয় ও জনগণের সম্পদ অবৈধভাবে ভোগ দখলকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সুস্পষ্ট আইন প্রণয়ন করতে হবে।

৭. সংবিধান সংস্কার

● রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য রাখার বিধান সংযুক্ত করতে হবে।

● একই ব্যক্তি পরপর দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।

৮. শিক্ষা ও সংস্কৃতি সংস্কার

ক) বিরাজমান সমস্যার আলোকে শিক্ষা সংস্কার প্রস্তাব

● ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মাধ্যমিক এবং একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিকে উচ্চমাধ্যমিক হিসেবে বলবৎ রাখতে হবে। অষ্টম শ্রেণির পাবলিক পরীক্ষা বাতিল করে পূর্বের পরীক্ষা পদ্ধতি ফিরিয়ে আনতে হবে।

● পাঠ্যপুস্তকে ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাস গুরুত্বের সাথে তুলে ধরতে হবে।

● সকল শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে ধর্মীয় মূল্যবোধবিরোধী উপাদান বাদ দিতে হবে।

● সকল শ্রেণিতে নবী করিম সা. এর জীবনীসহ মহামানবদের জীবনী সংবলিত প্রবন্ধ সংযোজন করতে হবে।

● স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বিদ্যমান স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসাগুলোকে সরকারীকরণ করতে হবে।

● প্রতিটি জেলায় কমপক্ষে একটি করে কামিল মাদরাসাকে সরকারীকরণ করতে হবে।

● কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষাকে সাধারণ শিক্ষার মূলধারায় যুক্ত করতে হবে।

● Department of Higher Education নামে একটি স্থায়ী  শিক্ষা কমিশন গঠন করতে হবে।

● শিক্ষা সংস্কারের লক্ষ্যে গঠিত শিক্ষা কমিশনের সকল ধারা তথা সাধারণ, আলিয়া, কওমীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে।

খ) সংস্কৃতি সংস্কার

● জাতির ঐতিহাসিক আন্দোলন-সংগ্রাম ও মূল্যবোধের আলোকে বিভিন্ন ধরনের চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে হবে।

● জাতির ঐতিহাসিক দিনগুলোকে স্মরণীয় করার লক্ষ্যে বিশেষ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় তা পালনের ব্যবস্থা করতে হবে।

● নাটক, সিনেমাসহ বিভিন্ন বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানগুলো অশ্লীলতামুক্ত করতে হবে। নাটক, সিনেমা ও বিভিন্ন কন্টেন্টে বিভিন্ন ধর্ম, বিশেষ করে ইসলামকে হেয় করা থেকে বিরত থাকার বিধান প্রণয়ন করতে হবে।

● প্রাণীর মূর্তিনির্ভর ভাস্কর্য নির্মাণ না করে দেশীয় প্রকৃতি, ঐতিহ্যকে বিভিন্ন চিত্রাঙ্কন-ভাস্কর্যে তুলে আনতে হবে।

● সকল গণমাধ্যমে শিক্ষামূলক প্রোগ্রাম প্রচার নিশ্চিত করতে হবে।

৯. পররাষ্ট্র বিষয়ক সংস্কার

● পররাষ্ট্রীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে সকল গণতান্ত্রিক দেশের সাথে সাম্য ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে পারস্পরিক সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।

● জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় চীন, নেপাল, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার আন্তর্জাতিক নদীসমূহের পানিবণ্টন চুক্তির উদ্যোগ নিতে হবে।

● আসিয়ানভুক্ত দেশসমূহের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধি করতে হবে।

● অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে বিগত সরকারের আমলে সম্পাদিত সকল চুক্তি রিভিউ করতে হবে। এক্ষেত্রে একটি রিভিউ কমিশন গঠন করতে হবে।

● বাংলাদেশকে আসিয়ান জোটভুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

● শক্তিশালী SAARC পুনর্গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

● কোনো দেশের সাথে চুক্তি অথবা সমঝোতা চুক্তি হলে পরবর্তী সংসদ অধিবেশনে সেসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক উত্থাপন করে বিস্তারিত আলোচনা পূর্বক তা অনুমোদন করতে হবে।

১০. ধর্ম মন্ত্রণালয় সংস্কার

● ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশকে (ইফাবা) রাষ্ট্রের কল্যাণে অর্থবহ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

● ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমিকে স্বতন্ত্র সংস্থা বা দপ্তরে রূপান্তর করতে হবে, যাতে তারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে।

● ইসলামিক মিশনকে সরাসরি মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্বতন্ত্র সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

● হজ ব্যবস্থাপনার জন্য স্বতন্ত্র অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

● হজ্জ ও উমরার খরচ কমানোর জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

● ইসলামিক ফাউন্ডেশনে একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যেখানে দেশের বরণ্যে আলেমগণ সম্পৃক্ত থাকবেন।

● বিতর্কিত সকল বই বাতিল ও প্রকাশনা বন্ধ করতে হবে।

● সকল ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, আ ন ম শামসুল ইসলাম, এটিএম মাছুম, সাইফুল আলম খান মিলন, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা আবদুল হালিম, এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, নূরুল ইসলাম বুলবুল, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধের মৃত্যু

বাসচাপায় হাসপাতালের দারোয়ানের মৃত্যু

বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল একজনের

সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বিচারকের বাসায় চুরি

ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশি নিহত

কোরবানি পশুর হাটে মহিষের তাণ্ডব, নিহত ২

ঢাকাসহ ৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস

কোরবানির পশু পালন প্রান্তিক খামারিদের বছরের বড় আয়ের উৎস : কৃষি মন্ত্রী

সৌদিতে হজে গিয়ে আরও ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

১০

তালাকের পর সাবেক স্ত্রীকে ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার

১১

পিকআপের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের

১২

২০ সেকেন্ডের ঝড়ে দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

১৩

নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ জনের

১৫

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা

১৬

হামের উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

১৭

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিআরপি কর্তৃপক্ষের সাক্ষাৎ

১৮

রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট আজই, ৫-৭ দিনের মধ্যে বিচার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধ

২০