

এসএসসি পরীক্ষার বাকি আর মাত্র ছয় দিন আর কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলার সীমান্তবর্তী দুটি উপজেলার ৪৬৩ জন এসএসসি পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকেরা দুশ্চিন্তায় দিন পার করছেন। তারা নির্ধারিত কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে পারবে কি না, গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তা জানে না।
নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম উচ্চবিদ্যালয়ের ১৫৯ জন, উখিয়া উপজেলার কুতুপালং উচ্চবিদ্যালয়ের ২৩৩ জন ও বালুখালী কাসেমিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের ৭১ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। দুশ্চিন্তায় রয়েছে কক্সবাজারের উখিয়া ও বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তবর্তী তিনটি বিদ্যালয়ের ৪৬৩ জন এসএসসি পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম উচ্চবিদ্যালয়ের ১৫৯ জন, উখিয়া উপজেলার কুতুপালং উচ্চবিদ্যালয়ের ২৩৩ জন ও বালুখালী কাসেমিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের ৭১ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে এসব পরীক্ষার। তাদের পরীক্ষার কেন্দ্র ঘুমধুম উচ্চবিদ্যালয়। ঘুমধুমের মণ্ডলপাড়া সীমান্ত থেকে মাত্র এক কিলোমিটার দূরে বিদ্যালয়টির অবস্থান।
এদিকে কক্সবাজার ও বান্দরবান সীমান্ত এলাকায় গতকাল দু-একটি ছাড়া আর কোনো গোলাগুলির শব্দ শুনতে পাননি স্থানীয় লোকজন। স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টা করছেন তাঁরা। আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা লোকজনও ফিরেছেন বাড়ি।
তবে এরই মধ্যে গতকাল রাত আটটা থেকে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের উনছিপ্রাং, নয়াপাড়া, লম্বারবিল এলাকায় থেমে থেমে গুলির শব্দ শোনা যায়। স্থানীয় মৎস্যচাষি মাহফুজুর রহমান রাতে প্রথম আলোকে বলেন, সীমান্তের নাফ নদীর সংলগ্ন এলাকায় তাঁর মাছের খামার রয়েছে। কিন্তু রাত আটটার পর থেকে গোলাগুলির শব্দ বেড়ে গেছে, যার কারণে ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। গতকাল নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকার একটি জলাশয়ে একটি মর্টার শেল পাওয়া গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ধারণা করছে, এটি অবিস্ফোরিত। স্থানীয় শিশুরা লাকড়ি কুড়াতে গিয়ে এটি খুঁজে পায়। স্থানীয় ইউপি সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম জানান, অবিস্ফোরিত মর্টার শেলটি বিজিবি তাদের হেফাজতে নিয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে এটি লোকালয় থেকে দূরে রাখা হয়েছে। বোমাবিশেষজ্ঞ দল এসে পরবর্তী কাজ করবে। অবিস্ফোরিত মর্টার শেলটি বিজিবি তাদের হেফাজতে নিয়েছে।
গতকাল আরাকান আর্মিসহ বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হামলার মুখে নতুন করে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিপি) দুজন সদস্য টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছেন। এই নিয়ে বাংলাদেশে আসা মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী, সেনাবাহিনী, শুল্ক কর্মকর্তাসহ মোট সংখ্যা দাঁড়াল ৩৩০। তাঁরা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) হেফাজতে রয়েছেন। তাঁদের উড়োজাহাজে নাকি নৌপথে মিয়ানমার নেওয়া হবে, সে আলোচনা চলছে। প্রশাসনিক সুবিধার কথা বিবেচনা করে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু থেকে ১০১ জনকে গতকাল বিকেলে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে টেকনাফের হ্নীলায় স্থানান্তর করা হয়েছে।
২ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের ওপারে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সঙ্গে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির সংঘর্ষ চলছে। ইতিমধ্যে বিজিপিকে হটিয়ে তুমব্রু রাইট ক্যাম্প ও ঢেঁকিবনিয়া সীমান্তচৌকি আরাকান আর্মি দখলে নিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। রোববার দিবাগত রাত তিনটা থেকে দুই পক্ষের মধ্যে থেমে থেমে গোলাগুলি ও মর্টার শেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটছে। সোমবার নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের জলপাইতলী গ্রামের একটি রান্নাঘরের ওপর মিয়ানমার থেকে ছোড়া মর্টার শেলের আঘাতে দুজন নিহত হন। নিহত দুজনের মধ্যে একজন বাংলাদেশি নারী, অন্যজন রোহিঙ্গা পুরুষ।
ঘুমধুম উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খাইরুল বশর গতকাল বলেন, এখন পর্যন্ত যে পরিস্থিতি, তাতে পরীক্ষা এই কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। পরিস্থিতি বুঝে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে বিকল্প হিসেবে অন্য কেন্দ্রের কথাও ভাবা হচ্ছে।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা একাডেমিক সুপারভাইজার মোহাম্মদ সোহেল মিয়া গতকাল বলেন, পরীক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে আমরা বিকল্প হিসেবে চারটি বিদ্যালয়কে কেন্দ্র করার প্রস্তাব জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠিয়েছি। আশা করি, কেন্দ্রের বিষয়টি শিগগিরই নির্ধারিত হয়ে যাবে।
তবে উখিয়া সীমান্ত এলাকার ছয়টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গতকাল উপস্থিতি ছিল অনেক কম। সীমান্ত থেকে এক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের রহমতের বিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজ উল্লাহ বলেন, গোলাগুলির শব্দ বৃহস্পতিবার শোনা যায়নি। তারপরও শিক্ষার্থীরা স্কুলে আসছে না।
তবে নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু-ঘুমধুম সীমান্তঘেঁষা সাতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে।
মন্তব্য করুন


শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে
নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় কম্পিউটার ও ডিজিটাল ডিভাইস স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক
ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।
২২ আগস্ট মঙ্গলবার এই নির্দেশনা
দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে অধিদপ্তরের অধীনে থাকা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে।
এতে বলা হয়েছে, নতুন
কারিকুলামের আওতায় প্রণীত ডিজিটাল প্রযুক্তি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের বাস্তব
অভিজ্ঞতা ও ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের জন্য শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনায়
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ব্যবহার উপযোগী কম্পিউটার, ডিজিটাল
ডিভাইস থাকা আবশ্যক।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা
অধিদপ্তরের আওতাধীন যে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ব্যবহার
উপযোগী কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস, ল্যাব নেই, সে সব প্রতিষ্ঠানকে আগামী ১০
নভেম্বরের মধ্যে স্ব-উদ্যোগে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ইন্টারনেট সংযোগসহ ন্যূনতম ২টি
ল্যাপটপ বা ডেক্সটপ স্থাপনের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
মন্তব্য করুন


বেসরকারি স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আসছে।
নিয়োগ পদ্ধতি শিক্ষক নিবন্ধন সনদের পরিবর্তে সরাসরি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পরীক্ষার মাধ্যমে শুরু হবে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়া করবে সরকারি কর্ম কমিশনের আদলে গঠিত একটি কর্তৃপক্ষ।
তবে এ নিয়ে বর্তমানে আইন তৈরির কাজ চলছে বলে জানা গেছে।
বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সনদের ভিত্তিতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়। এজন্য প্রিলিমিনারি, লিখিত, মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হতে হয়। আর উত্তীর্ণ প্রার্থীরা বিজ্ঞপ্তির পর সনদের ভিত্তিতে আবেদন করলে আবেদনপত্রের ভিত্তিতে নিয়োগে সুপারিশ করে থাকে এনটিআরসিএ।
এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এস এম মাসুদুর রহমান বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন আইন তৈরির বিষয়টি নিশ্চিত করে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আইনটি পাস হলে শিক্ষক নিয়োগে আর কোনো নিবন্ধন সনদের দরকার হবে না। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হবে।
এর আগে গত ১২ ডিসেম্বর এনটিআরসিএর জন্য নতুন আইন তৈরি সংক্রান্ত একটি বৈঠক হয়।
শিক্ষক নিয়োগে নতুন আইন প্রসঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক অনুবিভাগ-২) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন আইন তৈরির কাজ চলমান। আশা করছি, আইনটি পাসের জন্য দ্বাদশ জাতীয় সংসদে তোলা হবে।
এদিকে এনটিআরসিএর একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নির্বাচন এবং নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলে সুপারিশ কর্তৃপক্ষ সরাসরি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের জন্য সুপারিশ করবে। তবে এই নতুন আইন কার্যকর হতে দেড় থেকে দুই বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। আর এই সময় শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া আগের নিবন্ধন সনদের ভিত্তিতে হবে।
কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, বর্তমানে এনটিআরসিএর সনদধারীরা গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর আবেদন করলে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। এ ক্ষেত্রে অনূর্ধ্ব-৩৫ বা নিবন্ধন সনদের মেয়াদ ৩ বছর রয়েছে এমন সব প্রার্থীরা আবেদনের সুযোগ পান। ফলে অনেকেই বঞ্চিত হয়ে থাকেন। তবে নতুন আইন কার্যকর হলে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বয়স উল্লেখ থাকবে। এতে বঞ্চিত হতে হবে না কাউকে।
উল্লেখ্য, ২০০৫ সাল থেকে শিক্ষক নিয়োগের জন্য নিবন্ধন সনদ দিয়ে আসছে এনটিআরসিএ। প্রথম দশকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি। তবে ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর এতে পরিবর্তন আসে। সনদ দেয়ার পাশাপাশি নিয়োগের জন্য সুপারিশের ক্ষমতা দেয়া হয় এনটিআরসিএকে।
মন্তব্য করুন


চীনের মহানগরী বেইজিং-এর ১০০ কিলোমিটার দূরে সমুদ্রতীরবর্তী তিয়ানজিনে তৈরি হয়েছে এই লাইব্রেরি। ডাচ আর্কিটেক্ট কোম্পানি MVRDV এবং চীনের ডিজাইনার কোম্পানি TUPDI তৈরি করেছে এই লাইব্রেরি।
১৩.৫ লক্ষাধিক বইয়ের সমারোহ এবং সায়েন্স ফিকশনের মত স্থাপত্যকলার এক মূর্তিমান শিল্পকর্ম হয়ে উঠেছে তিয়ানজিন বিনহাই লাইব্রেরি।
প্রায় ৩৩ হাজার ৭০০ বর্গমিটার জায়গা জুড়ে চীনের তিয়ানজিনে অবস্থিত এই পাবলিক লাইব্রেরিটি । ৫তলা উঁচু এই লাইব্রেরিটিতে স্তরে স্তরে সাজানো আছে প্রায় ১৩.৫ লক্ষাধিক বই।
এই অত্যাশ্চর্য স্থাপনাটি দেখতে প্রতিদিন এখানে প্রায় ১০ হাজার মানুষ ভিড় করে। ২০১৭ সালে নির্মাণ হওয়া লাইব্রেরিটিতে এই কম সময়ে প্রায় ১৮ লক্ষ মানুষ ভ্রমণ করেছে।
মন্তব্য করুন


জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে এবার সারাদেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এ ছুটি আগামী শীতকালীন ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।
১৯ জুলাই বুধবার মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোরনরত শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে রাজধানীর মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত বৈঠক শেষে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এ ঘোষণা দেন।
শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, ২০ জুলাই থেকে ২ আগস্ট পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গ্রীষ্মকালীন ছুটি ছিল। শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণার পর সেটি এখন আর হচ্ছে না।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে নতুন শিক্ষাক্রমে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির পাঠদান এবং মূল্যায়ন শেষ করতে হবে। এছাড়া একই সময়ের মধ্যেই বিদ্যালয়গুলোর সব বার্ষিক পরীক্ষা শেষ করতে হবে।
মন্তব্য করুন


এইচএসসি পরীক্ষা পেছানোর নোটিশটি ভুয়া জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এইচএসসি পরীক্ষা এক মাস পেছানোর বিষয়ে একটি নোটিশ ঘুরছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি পরীক্ষা পেছানোর বিষয়ে। নোটিশটি ভুয়া।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া নোটিশটি ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. আবুল বাশারের স্বাক্ষর ব্যবহার করে শুক্রবারে ছড়ানো হয়।
নোটিশটিতে বলা হয়, ‘আগাম ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও দুই দফা ছাত্র-ছাত্রীদের দেশব্যাপী আন্দোলোনের ওপর ভিত্তি করে আগামী ৩০ শে জুন অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি পরীক্ষা আগামী ৩০ শে জুলাই বোর্ড কর্তৃক প্রদত্ত শর্ট সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখ্য, শিগগিরই ২০২৪ সালের ৩০ শে জুলাই অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষার নতুন সময়সূচি প্রকাশিত হবে। ’
এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের বলেন, পরীক্ষা আগের রুটিন অনুযায়ী হবে। কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি পরীক্ষা পেছানোর বিষয়ে।
মন্তব্য করুন


২০২৫ সালে অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা পুনর্বিন্যাসকৃত (সংক্ষিপ্ত) সিলেবাস অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।
সোমবার এই বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. আবুল বাশার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এইচএসসি পর্যায়ের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অধ্যক্ষদের এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়, গত ২৮ জানুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অনুষ্ঠিত সভায় ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সিলেবাস বিষয়ক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার সিলেবাস ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার জন্য পুনর্বিন্যাসকৃত সিলেবাস অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


সরকারি
এবং বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে ১ম শ্রেণি থেকে ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত
ভর্তির লক্ষ্যে টেলিটকের কারিগরি সহায়তায় ডিজিটাল অনলাইন লটারির মাধ্যমে প্রস্তুতকৃত
ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে আজ।
২৮
নভেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় বোতাম টিপে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এই ফল প্রকাশ করেন।
এই
সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক
ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি)
মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার
সরকার সহ আরো অনেকে ।
ডিজিটাল
লটারির ভর্তির ফলাফল এসএমএসের মাধ্যমে জানার জন্য মোবাইলে GSA লিখে স্পেস দিয়ে
Result লিখে স্পেস দিয়ে User ID লিখে পাঠিয়ে দিতে হবে ১৬২২২ নাম্বারে।
মন্তব্য করুন


এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার নতুন সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর মো. আবুল বাশারের স্বাক্ষর করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নতুন সময়সূচি অনুযায়ী ১১ সেপ্টেম্বর থেকে পরীক্ষা শুরু হবে।
গত মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) স্থগিত হওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ১১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরুর একটি প্রস্তাব অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।
এর আগে কোটা আন্দোলন ঘিরে সহিংসতার কারণে স্থগিত করা হয় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। পরবর্তীতে ১১ আগস্ট থেকে শুরুর কথা থাকলেও তা সম্ভব হয়নি। আর ৬ আগস্ট ‘অনিবার্য কারণবশত’ এইচএসসি ও সমমানের সব পরীক্ষা স্থগিত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
মন্তব্য করুন


প্রচলিত পরীক্ষা পদ্ধতিতে ফেরা এবং ২০২৪ সালে জেএসসি এবং পিএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার তথ্য মিথ্যা বলে জানায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
সোমবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে এ তথ্য জানানো হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বার্তায়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো বার্তায় বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু ব্যক্তি প্রচার করছেন যে প্রচলিত পরীক্ষা পদ্ধতিতে ফিরে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ২০২৪ সালে জেএসসি এবং পিএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
'এই তথ্যটি মিথ্যা ও বানোয়াট। এ ধরনের তথ্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ করা হলো। '
নতুন শিক্ষাক্রমে শ্রেণিকক্ষে গতানুগতিক পরীক্ষার বদলে দক্ষতা নির্ভর মূল্যায়ন করা হচ্ছে। এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
প্রয়োজনে মূল্যায়ন পদ্ধতির পরিবর্তন আনা হবে বলে জানিয়েছেন নতুন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।
মন্তব্য করুন


বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়,দেশের সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছুটি কমিয়ে তালিকা সংশোধন করা হয়েছে। এতে পবিত্র রমজানের প্রথম ১৫ দিন ক্লাস চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
বছরের শুরুতে প্রকাশিত বাৎসরিক ছুটির তালিকায় ১১ মার্চ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি রাখা হয়েছিল। আর পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর, গ্রীষ্মকালীন অবকাশ, জাতীয় শিশু দিবস, স্বাধীনতা দিবস, ইস্টার সানডেসহ বেশ কয়েকটি সরকারি ছুটির সমন্বয়ে দীর্ঘ এ সময় ক্লাস বন্ধ রাখার কথা ছিল। তবে তা থেকে সরে এসে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নতুন সিদ্ধান্ত জানিয়েছে ।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, গত ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে ৩৭.০০.০০০০.০৭১.০৪.০০২.০২ (অংশ)-৬৪০ নং স্মারকে জারিকৃত সরকারি/বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের ২০২৪ সালের (১৪৩০-১৪৩১ বঙ্গাব্দ) শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি আংশিক সংশোধন করা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, এই সংশোধনের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১১ মার্চ ২০২৪ হতে ২৫ মার্চ ২০২৪ পর্যন্ত মোট ১৫ দিন সরকারি/বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের শ্রেণি কার্যক্রম চালু থাকবে।
২০২৪ সালে পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে ১১ অথবা ১২ মার্চ। তবে শাবান মাসের শেষে রমজানের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে এই তারিখ পরিবর্তন হতে পারে আর সে হিসাবে রমজানে সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চালু থাকবে ক্লাস ।
মন্তব্য করুন