

‘টাইগার’ ফ্র্যাঞ্চাইজির
৩য় কিস্তি নিয়ে হাজির হলেন সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফ জুটি। যশরাজ ফিল্মস
প্রযোজিত সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে ১২ নভেম্বর (রোববার)। কিন্তু সিনেমাটি মুক্তির কয়েক ঘণ্টা পরই অনলাইনে ফাঁস হয়েছে। মুক্তির
প্রথম দিনে ফাঁস হওয়ায় বক্স অফিসের আয়ে প্রভাব ফেলতে পারে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম
ইন্ডিয়া ডট কম জানিয়েছে, মুক্তির কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সালমান খানের ‘টাইগার ৩’
সিনেমা অনলাইনে ফাঁস হয়েছে। এইচডি কোয়ালিটির প্রিন্ট পাওয়া যাচ্ছে টরেন্ট
ওয়েবসাইটে। তা ছাড়াও তামিল রকার্স, টেলিগ্রাম, মুভিরুলসে পাওয়া যাচ্ছে সিনেমাটি।
মুক্তির প্রথম দিনে ফাঁস হওয়ায় বক্স অফিসের আয়ে প্রভাব ফেলতে পারে।
‘টাইগার ৩’ সিনেমায়
অতিথি চরিত্রে দেখা যাবে শাহরুখ খানকে। সিনেমাটির অ্যাকশন দৃশ্যে সালমানের সঙ্গে
হাজির হবেন কিং খান।
‘টাইগার ৩’ সিনেমার অনান্য
চরিত্রে আছেন ইমরান হাশমি,আশুতোষ রাণা, রেবতী, রণবীর শোরে, বিশাল জেঠওয়া, রিদ্ধি
ডোগরা।
মন্তব্য করুন


এ
যেন রহস্যে ঘেরা, অদৃশ্য এক শক্তির ছোঁয়া! আধ্যাত্মিক ও বাস্তবতার সমন্বয়ে গড়ে
উঠেছে ‘পাফ ড্যাডি’র গল্প। গল্পের পরতে পরতে ছড়িয়ে আছে রহস্য। আর সেই ফাঁদে পড়েছেন
জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমণি। যার প্রমাণ মেলে ‘পাফ ড্যাডি’ ওয়েব ফিল্মের ট্রেলারে।
ঢাকাই
সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমণি। তার অভিনীত ওয়েব ফিল্ম ‘পাফ ড্যাডি’। প্রায় ৪
বছর আগে শুরু হয় ‘পাফ ড্যাডি’র কাজ। শুরুতে এটি ছিল ওয়েব সিরিজ, পরিচালনায় ছিলেন
মাসুদ হাসান উজ্জ্বল। তবে এরপরে উজ্জ্বল সরে যান, নির্মাণে যুক্ত হন সহীদ উন নবী ও
মুশফিকুর রহমান মঞ্জু। সিরিজ হিসেবে শুটিং হলেও এটি মুক্তি পাচ্ছে সিনেমা
ফরম্যাটে। আগামী ৭ সেপ্টেম্বর বঙ্গ-তে মুক্তি পাবে ওয়েব ফিল্মটি।
সিনেমাটির নাম ভূমিকায় অভিনয়
করেছেন আজাদ আবুল কালাম। তাকে ঘিরেই যত রহস্য। উঠতি নায়িকা থেকে তরুণ রাজনীতিক,
সবাই সাহায্যের জন্য তার কাছে ছুটে আসে। এই ‘বাবা’র আশীর্বাদ পেলেই যেন জাদুকরী
উপায়ে প্রসন্ন হয়ে যায় সবার ভাগ্য! এতে উঠতি নায়িকা টিনার চরিত্রে আছেন পরীমণি।
যিনি তার সিনেমা হিট করানোর জন্য ‘পাফ ড্যাডি’র সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হন। তাদের অন্তরঙ্গ
দৃশ্যও উঠে এসেছে সিনেমার ট্রেলারে। এছাড়া তরুণ রাজনীতিকের ভূমিকায় থাকা সজলের
সঙ্গেও টিনা তথা পরীমণির ঘনিষ্ঠতা দেখা গেছে।
এ সিনেমাটি
নিয়ে পরিচালক সহিদ উন নবী বলেছেন, প্রতিটি মানুষের জীবনে একটা ফাদার ফিগার বা বস
থাকে। তাদের আমরা ‘বাবা’ বলি। সাফল্য পাওয়ার জন্য তাদের সহযোগিতার প্রয়োজন হয়। কেউ
মন থেকে সহযোগিতা করে, আবার কেউ নিজের সুবিধার জন্য করে। মানুষের জীবনে সেই
বাবাদের প্রভাব নিয়েই ‘পাফ ড্যাডি’র গল্প।
এ সিনেমাটিতে বিভিন্ন চরিত্রে
আরও অভিনয় করেছেন ইন্তেখাব দিনার, শহীদুজ্জামান সেলিম, সালাউদ্দিন লাভলু, বিজরী
বরকতুল্লাহ, মৌটুসী বিশ্বাস, ফারুক আহমেদ সহ আরো অনেকে।
মন্তব্য করুন


পৃথিবীর দ্বিতীয় জনবহুল দেশ চীনের তরুণ-তরুণীদের মধ্যে বিয়ের প্রতি অনাগ্রহ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। তাদের এমন অনাগ্রহের কারণে দেশটির জনসংখ্যাও কমছে আশঙ্কাজনক হারে। তরুণ বয়সেই বিয়ের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে চীনের সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
চীনের পূর্বাঞ্চলের চ্যাংসান কাউন্টি ঘোষণা দিয়েছে, যদি কোনো তরুণ-তরুণী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন এবং ওই নববধূর বয়স ২৫ বছর বা তার কম হয় তাহলে নতুন দম্পতিকে নগদ ১ হাজার ইউয়ান পুরস্কার দেওয়া হবে।
চ্যাংসান কাউন্টির অফিসিয়াল উইচ্যাট অ্যাকাউন্টে এ সংক্রান্ত একটি নোটিশ প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘উপযুক্ত বয়সে বিয়ে’ এবং ‘গর্ভধারনের’ জন্য এই পুরস্কারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া যেসব দম্পতির সন্তান রয়েছে তাদের জন্য বিভিন্ন ধরনের বিশেষ সুযোগ-সুবিধাও রেখেছে তারা।
২০২২ সালে গত ৬০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো চীনের জনসংখ্যা কমে যেতে দেখা যায়। জন্মহার খুবই কম হওয়ায় দেশটিতে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা কমে গেছে; অপরদিকে বেড়ে গেছে বয়স্কদের সংখ্যা। এ বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে চীন। জন্মহার বাড়াতে তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা দেয়।
চীনের আইন অনুসারে দেশটিতে ছেলেদের বিয়ের বৈধ বয়স হলো ২২। মেয়েদের বিয়ের বৈধ বয়স হলো ২০। এ বয়সী তরুণ-তরুণীদের মধ্যে বিয়ের কোনো চিন্তাভাবনাই দেখা যায় না। আর এ বিষয়টি জন্মহারে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে।
২০২২ সালে চীনে মাত্র ৬০ লাখ ৮০ হাজার বিয়ে হয়। যা ১৯৮৬ সালের পর সর্বনিম্ন। ২০২১ সালে যে সংখ্যক বিয়ে হয়েছিল ২০২২ সালে সে তুলনায় ৮ লাখ কম বিয়ে হয়েছিল।
সন্তান লালন-পালনের ব্যয় ও নানান কারণে দেশটির অনেক নারী বিয়ের পরও সন্তান নিতে চান না।
সূত্র: রয়টার্স
মন্তব্য করুন


সোহানা
সাবা নাচের মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন। কিন্তু নাটক এবং সিনেমায় ভিন্ন
মাত্রার চরিত্রে অভিনয় করে খুব অল্প সময়েই দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছেন সোহানা সাবা।
বর্তমানে দুই বাংলাতেই সমানতালে কাজ করছেন এই অভিনেত্রী। সামনেই প্রেক্ষাগৃহে
মুক্তি পাবে তার নতুন সিনেমা।
সম্প্রতি
দেশের একটি গণমাধ্যমে নিজের অভিনয়, ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিজীবন নিয়ে কথা বলার সময় পুরুষদের
ভয় পান বলে মন্তব্য করেন সোহানা সাবা।
বিয়ে
করার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এখন পুরুষদের ভয় পাই। পুরো পৃথিবীতে
সত্যিই কি আমার জন্য এরকম কোনো মানুষ আছে, যার সাথে নিশ্চিন্তে বাকিটা জীবন কাটাতে
পারব? যদি এরকম কেউ থেকে থাকে আর তার সঙ্গে আজ দেখা হয়ে যায়, তাহলে কালই তাকে বিয়ে
করে ফেলতাম।
শিগগিরই মুক্তি পাবে সোহানা
সাবা অভিনীত সরকারি অনুদানের সিনেমা ‘অসম্ভব’। এটি নির্মাণ করেছেন চিত্রনায়িকা
অরুণা বিশ্বাস। মূলত যাত্রাশিল্প এবং যাত্রাশিল্পীদের গল্পে তৈরি হয়েছে সিনেমাটি।
মন্তব্য করুন


দিন কয়েক ধরেই গুঞ্জনটা শোনা যাচ্ছিল। বিবাহবিচ্ছেদ হতে চলেছে অভিনেত্রী মাহিয়া মাহির। যদিও প্রতি বারই জল্পনায় জল ঢালেন তিনি। কিন্তু শুক্রবার ফেসবুক লাইভে এসে আচমকাই কান্নায় ভেঙে পড়েন অভিনেত্রী। তার পরই দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের খবর দেন নায়িকা।
এরই মধ্যে তাঁরা আলাদা থাকা শুরু করেছেন। এ অভিনেত্রী নিজেই আজ রাতে এক ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন।
নিজের ফেসবুকে ভিডিও বার্তায় কেঁদে মাহি বলেন, আমরা দুজন মিলেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের মধ্যে কিছু বিষয় নিয়ে সমস্যা রয়েছে। তবে রকিব খুব ভালো মানুষ। তাকে আমি সম্মান করি। অনেক কেয়ারিং সে। খুব দ্রুতই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদে যাচ্ছি। কবে আর কীভাবে হবে, সেটিও দুজন মিলেই ঠিক করব।
কিন্তু কী কারণে সন্তান জন্মের মাস কয়েকের মধ্যেই স্বামীর থেকে আলাদা হচ্ছেন তিনি তা নিয়ে কিছু বলেননি তিনি ।
তিনি জানান, অনেক দিন ধরে তাঁরা আলাদা থাকছেন।
সাথে আরো বলেন, একটা ছাদের নিচে দুটি মানুষ কেন ভালো নেই, সেটা তারাই ভালো জানে। এটা বাইরের থেকে বোঝা যাবে না। আসলে সংসার কেন ভাঙে, কেন হাজবেন্ডের সঙ্গে থাকতে পারল না বা হাজবেন্ড কেন তাঁকে সহ্য করতে পারছে না। অথবা তাঁর ওয়াইফটা কেন তাঁর হাজবেন্ডকে সহ্য করতে পারছে না। অথবা দুজন কেন ভালো নাই। দুজনের মধ্যে আসলে কী ঝামেলা হয়েছে—এগুলো তো আমরা আসলে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বুঝব না। তাই আমরা কাউকে নিয়ে যেন জাজ না করি।
মাহি বলেন, আমি জানি এই ভিডিওটি দেখার পর অনেকেই আমাকে গালি দিবেন, অনেক বাজে কথা বলবেন। বিশ্বাস করেন আপনাদের কমেন্ট গুলো আমার কাছে তীরের মত আমার বুকে লাগবে।
ভিডিওর একপর্যায়ে মাহি তাঁর সন্তানকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য না করার অনুরোধ জানান নেটিজেনদের প্রতি। মাহি বলেন,আমার ছেলেকে নিয়েও আপনারা অনেকে খারাপ কমেন্ট করেন, সেগুলো দেখে মা হিসেবে আমার বুকটা ফেটে যায়। কোনো বাচ্চাকে নিয়ে এমন খারাপ কমেন্ট করবেন না সে যেমনি হোক না কেনো দেখতে ।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ও হয়তো এখন এসব বুঝতে পারে না; কিন্তু একসময় এসব বুঝবে, তখন নিশ্চয়ই কষ্ট পাবে। দয়া করে এসব করবেন না। আপনারা আমার ছেলে ফারিশের জন্য দোয়া করবেন, যেন ওকে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।
মন্তব্য করুন


এই পুরো গ্রামটাই হচ্ছে আসলে পুতুলের গ্রাম। পুতুলরাই সড়ক ধরে হাঁটার ভঙ্গিমায় দাঁড়িয়ে; দোকানে বসে আছে পুতুল দোকানি; বাড়ির উঠানেও পুতুল এবং এমনকি স্কুলের সারি সারি বেঞ্চে বসে থাকা সব বাচ্চা পুতুল। এই গ্রামে কি জীবিত কেউ থাকে না? অবশ্যই থাকে তবে সঙ্গে নিয়ে প্রাণহীন একঝাঁক পুতুল। আজকের আয়োজনটা এই অদ্ভুত আর রহস্যেঘেরা গ্রামটাকে কেন্দ্র করেই।
ছোট্ট গ্রাম নাগোরো। যে গ্রামে এককালে প্রায় ৩/৪০০ পরিবারের বাস ছিল। কিন্তু, এখন মাত্র ১৫ থেকে ১৬ জন মানুষ থাকেন সেখানে। কারণ কি? গত শতকের পঞ্চাশের দশকে গ্রামটিতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে একটি বাঁধ নির্মান করা হয়। এরপর থেকেই গ্রামে পানির অভাব দেখা দেয়। বেশীরভাগ মানুষ গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে শুরু করে। রয়ে যান হাতে গোণা কয়েকজন কেবল।
জনসংখ্যা ধীরে ধীরে কমতেই থাকে। গ্রামটিতে শেষ শিশুর জন্ম হয়েছিল ২০০১ সালে। গ্রামটিতে এখন কোনো দোকান নেই। নেই কোনো হাসপাতালও। সামান্য অসুখ হলেও শহরে যেতে হয় বাসিন্দাদের। এক সমীক্ষায় জানা যায়, ২০১৪ সালে গ্রামটিতে মাত্র ৩৭ জন বাস করতো। যা ২০১৫ সালে কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৩৫ জনে। এভাবেই ক্রমাগত কমতে থাকে গ্রামের লোকসংখ্যা।
গ্রামের নাম – পুতুলের গ্রাম! কারণ গ্রামের নির্জীব কিছু বাসিন্দা আছে। তারা সকলেই পুতুল! পুরো গ্রাম জুড়েই এদের দেখা পাওয়া যায়।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুতুল, দোকানে পুতুল, স্কুলে পুতুল, বাড়ির উঠানে পুতুল! সবখানে পুতুল! পুরো গ্রামটিকে ভরে ফেলা হয়েছে পুতুল দিয়ে। জীবিত বাসিন্দাদের সাথে ওরাও হয়ে উঠেছে এই গ্রামেরই নতুন বাসিন্দা। কিন্তু গ্রামটি পুতুলদের গ্রাম হয়ে উঠলো কী করে? এর জন্য দায়ী সুকিমি আইয়ানো নামের এক নারী।
যিনি বহুকাল আগে গ্রাম ছেড়ে পড়াশোনার জন্য ওসাকায় চলে গিয়েছিলেন। তারপরে সেখানেই বিয়ে করে সংসার পাতেন। ২০০২ সালে নিজের অসুস্থ বাবার দেখাশোনা করার জন্য ফিরে আসেন তিনি গ্রামে। এসে অবাক হয়ে যান! তিনি গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সময়েও গ্রামে প্রায় ৩০০ মানুষ ছিল। কিন্তু তখন গ্রামের লোকসংখ্যা পঞ্চাশেরও নিচে নেমে গিয়েছিল। হতাশ হয়ে যান সুকিমি। কিন্তু কী আর করা? নিজের বাবার দেখাশোনা আর মাঝে মাঝে টুকটাক ক্ষেতে কাজ করা শুরু করেন তিনি।
২০০৩ সালের কথা। সুকিমির বাবার একটি মূলা আর মটরশুঁটির ক্ষেত ছিল। সেই ক্ষেতের দেখাশোনা করতে লাগলেন সুকিমি। কিন্তু গ্রামে কাক আর অন্যান্য পাখিদের উৎপাত বাড়তে লাগলো দিনকে দিন। নীরব আর জনবিরল জায়গা বলে পাখিরা নিজের আবাসস্থল বানাতে শুরু করলো। সমস্যা বাঁধল, পাখিগুলোর ব্যাপক অত্যাচারে। কোনো গাছের চারা বের হলেই পাখিরা চারাগুলো নষ্ট করে দিতো। বিরক্ত হয়ে একদিন সুকিমি একটি কাকতাড়ুয়া বানালেন। ওটার মুখটা বানালের নিজের বাবার মুখের আদলে! তারপর দাঁড় করিয়ে দিলেন ক্ষেতের ঠিক মাঝ বরাবর।
কাকতাড়ুয়াটাকে মানুষ ভেবে ভয়ে আর এলো না পাখিগুলো। ব্যাপারটা সুকিমিকে নতুন করে ভাবাতে বাধ্য করলো। পুতুল গ্রামের শুরুটা হয়েছিল এভাবেই। মৃত মানুষদের স্মরণে একের পর এক পুতুল বানাতে লাগলেন তিনি। প্রথম পুতুলটা বানালেন নিজের এক মৃত প্রতিবেশীর আদলে। যার সাথে ছোটবেলায় খেলতেন তিনি, তারপর ওটাকে বসিয়ে দিলেন সেই প্রতিবেশীর বাড়িতে। ধীরে ধীরে পুতুলে ভরে যেতে লাগলো গ্রামটি।
গ্রামের অন্য বাসিন্দারাও সুকিমির এই বিচিত্র শখে বেশ উৎসাহই দিতে লাগলেন। ফাঁকা গ্রামে পুতুলগুলোর উপস্থিতি উনাদের মন্দ লাগতো না। এভাবেই চলতে লাগলো। ধীরে ধীরে আলোচিত হয়ে উঠতে লাগলো নাগোরো গ্রামের পুতুলগুলো।
এভাবেই কেটে গেল নয়টি বছর। ২০১২ সালের কথা। গ্রামের স্কুলে তখন মাত্র দুজন শিক্ষার্থী ছিল। তাদের স্কুলের পড়াশোনাও একটা পর্যায়ে গিয়ে শেষ হলো! উচ্চ শিক্ষার আশায় শহরের দিকে পাড়ি দিল ওরা। স্কুল রয়ে গেল ফাঁকা। কোনো ছাত্র-ছাত্রী নেই। তাই বন্ধ হয়ে গেল গ্রামের একমাত্র স্কুলটিও।
ওই স্কুলে সুকিমিও ছোটবেলাতে পড়তেন। নিজের সহপাঠীদের চেহারা ভেবে ভেবে তিনি পুতুল বানাতে শুরু করলেন। পরিচিত শিক্ষকদেরও পুতুল বানালেন। সেগুলোকে বই-খাতা সহকারে বসিয়ে দিলেন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণীকক্ষে। ধীরে ধীরে প্রতিটি শ্রেণীকক্ষই ভরে উঠলো পুতুলে। যেন সবাই শান্তমনে বসে ক্লাস করছে।
কিন্তু সব কিছু নীবর! তাই, গ্রামের প্রতিটি দোকান খুলে দেওয়া দেওয়া হলো। সেখানেও বসিয়ে দেওয়া হলো পুতুলদের। নেই কোনো মালামাল, নেই কোনো খদ্দের, শুধু আছে পুতুল!
জানা যায়, গ্রামের শেষ বিয়েটি হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। যে জায়গাতে বিয়ের উৎসব হতো সেখানে দুটো বর আর বউ পুতুল বানিয়ে বসিয়ে দেন সুকিমি। আশেপাশে বসে আছে নিমন্ত্রিত অতিথিরা। বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাদকেরা। যেন পুতুল বিয়ে হচ্ছে সেখানটাতে।
গ্রামটি আবার ভরে উঠলো। কিন্তু নেই কোনো কোলাহল। নেই কোনো শব্দ। এভাবেই কেটে গেল আরো দুটি বছর। ২০১৪ সালে জার্মান তথ্যচিত্র নির্মাতা ফ্রিটজ স্কুম্যান এই গ্রামটি নিয়ে তৈরী করেন তাঁর বিখ্যাত তথ্যচিত্র ‘ভ্যালি অফ ডলস’। এরপর থেকেই গোটা পৃথিবীতে নাগোরো পরিচিত হয়ে ওঠে ‘পুতুলদের গ্রাম’ হিসাবে। দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকেরা আসেন শুধুমাত্র এই গ্রামটি দেখতে।
পর্যটকেরা অবাক না হয়ে পারে না। গাছের নিচে কেউ বসে আছে, পার্কে প্রেমিক-প্রেমিকা, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা…সবকিছুকে কেমন যেন জীবন্ত মনে হয় তাদের কাছে। সুকিমির কাজ এতই নিখুঁত যে তারা চমকে উঠতে বাধ্য হন! পুতুল বানানোর ক্লাসও নিয়ে থাকেন সুকিমি। বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর পর্যন্ত প্রতি বুধবার তিনি পর্যটকদের দেখান যে কী করে পুতুল বানাতে হয়। যদিও পুতুল বানানোর সরঞ্জাম শিক্ষার্থীকেই বহন করতে হয়।
বছরের অক্টোবর মাসে গ্রামের সবগুলো পুতুল নিয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। ২০১৩ সাল থেকে এমনটা হয়ে আসছে। এই সময়েই সবচেয়ে বেশী পর্যটক আসে গ্রামটিতে। আপনি চাইলে সুকিমির বাড়িতেও যেতে পারেন। তার বাবা এখনো জীবিত। ভদ্রলোকের বয়স এখন ৯০। নাগেরোর সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি তিনিই।
মোটামুটি এই ছিল নাগোরোর পুতুল গ্রামের গল্প।
মন্তব্য করুন


শাহরুখ
খান অভিনীত সিনেমা ‘জওয়ান’ বাংলাদেশেও মুক্তি পেতে যাচ্ছে । সারা বিশ্বের পাশাপাশি
এটি ৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে মুক্তি পাবে। ‘জওয়ান’ ৭ সেপ্টেম্বর সারা বিশ্বে মুক্তি পাচ্ছে।
২৭
আগস্ট রোববার বিকেলে সিনেমার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ‘অ্যাকশন কাট
এন্টারটেইনমেন্ট’-এর প্রধান ও নির্মাতা অনন্য মামুন এ কথা জানান।
তিনি
বলেন, আগামী ৭ সেপ্টেম্বর যেহেতু বৃহস্পতিবার, বাংলাদেশে সিনেমাটি মুক্তি পাবে ৮
সেপ্টেম্বর, শুক্রবার। কারণ বাংলাদেশে শুক্রবার ছাড়া সিনেমা মুক্তির নিয়ম নেই। সাপ্টা
চুক্তির আওতায় সিনেমাটি মুক্তির জন্য বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি
পেয়েছে। এটি বাংলাদেশে আমদানি করছে অ্যাকশন কাট এন্টারটেইনমেন্ট ও রংধনু গ্রুপ।
অ্যাটলি
কুমারের পরিচালনায় সিনেমাটি প্রযোজনা করছে রেড চিলিস এন্টারটেইনমেন্ট।
এ
সিনেমায় শাহরুখ খানের বিপরীতে দেখা যাবে দক্ষিণী সুপারস্টার নয়নতারাকে। আরও আছেন
দীপিকা পাড়ুকোন। এছাড়া আরও সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন বিজয় সেতুপতি, সানিয়া
মালহোত্রা, প্রিয়ামণি, সুনীল গ্রোভার, যোগি বাবু প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপনের মডেল হয়ে দারুণ সাড়া পান প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। সেই ছোট্ট দিঘী এখন পুরোদস্তুর নায়িকা। নায়িকা হিসেবে অভিষেক হওয়ার পর এ পর্যন্ত ৪টি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে দিঘীর। তবে আশানুরূপ আলোচনা বা ব্যবসা কোনোটাই এ নায়িকার কপালে জোটেনি। তবে বর্তমান সময়ে
দিঘী কী করছেন? ব্যস্ততা নিয়ে এ অভিনেত্রী
দিঘী বলেন, সত্যি কথা বলতে, বর্তমানে হাতে তেমন কোনো কাজ নেই। অনেকটাই ফ্রি সময় কাটাচ্ছি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেক সময় পার করছি। বলা
যায় এক ধরনের অলস সময় পার করছি। ছোটবেলা থেকেই শুটিং করে আসছি। এখন লাইট ক্যামেরা অ্যাকশন ছাড়া কীভাবে সময় কাটবে- বুঝতে পারছি না। এ ছাড়া চলতি মাসে আরও কিছু কাজ করার কথা রয়েছে। অনেকগুলো স্টেজ শোতে অংশ নেওয়ারও কথা। সেগুলোও একের পর এক বন্ধ ঘোষণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া অচিরেই নতুন একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে মডেলিং করার কথা। যদি এটাও পিছিয়ে যায় হরতাল-অবরোধের কারণে- তাহলে বলেন কী করব! সবাই এখন সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন।
মন্তব্য করুন


বিমানে
উড়তে গিয়ে মাঝপথে আকাশে হয়েছিল বিপত্তি। মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফিরলেন ভারতের দক্ষিণী
সিনেমার নায়িকা রাশমিকা মান্দানা। অভিনেত্রী রাশমিকা নিজেই জানিয়েছেন এই চাঞ্চল্যকর
খবর।
নিজের
ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ২টি ছবির কোলাজ পোস্ট করেছেন রাশমিকা মান্দানা। একটিতে তার সঙ্গে
দেখা যাচ্ছে শ্রদ্ধা দাসকে। হাসিমুখেই ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়েছেন ২ নায়িকা। এই ছবির
নিচেই আবার আরেকটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ২জনের পা সামনের সিটে ঠেকানো। যেন সেখানে পা
রেখেই নিজেদের ভারসাম্য বজায় রেখেছিলেন তারা।
এমন
ছবিতেই রাশমিকা লেখেন, আপনাদের জানিয়ে রাখি, আজ আমরা মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলাম…।
জানা
যায়, মুম্বাই থেকে হায়দরাবাদে যাচ্ছিলেন রাশমিকারা। ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ আন্তর্জাতিক
বিমানবন্দর থেকে সবে মাত্র তাদের বিমান ছেড়েছিল। হঠাৎ ফ্লাইটে কিছু সমস্যা দেখা দেয়।
প্রায় ৩০ মিনিট পরে আবার বিমানবন্দরে ফ্লাইট ফিরিয়ে আনা হয়। পুরো এই সময়টায় বেশ উদ্বিগ্ন
ছিলেন যাত্রীরা। কিন্তু নিরাপদে বিমানবন্দরে ফিরেই হাসি ছড়িয়ে যায় রাশমিকা-শ্রদ্ধার
মুখে।
যে
সংস্থার বিমানে রাশমিকা-শ্রদ্ধা যাচ্ছিলেন সেই সংস্থার মুখপাত্র জানান, বিমান ওড়ার
কিছুক্ষণের মধ্যেই টেকনিক্যাল সমস্যা দেখা দেয়। আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবেই তা
ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


পবিত্র ওমরাহ হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে গিয়েছেন ,ঢাকাই সিনেমার আলোচিত তারকা দম্পতি চিত্রনায়ক অনন্ত জলিল ও চিত্রনায়িকা আফিয়া নুসরাত বর্ষা।
বুধবার রাতে সৌদি আরবের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন তারা। সেখানে আগামী দশদিন থাকবেন এ তারকা দম্পতি।
বৃহস্পতিবার ফেসবুকে এক ভিডিও পোস্ট করে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা ও প্রযোজক এমডি ইকবাল। ওই ভিডিওতে সবার কাছে দোয়া চান অনন্ত জলিল ও বর্ষা।
উল্লেখ্য, গত রোজার ঈদে ‘কিল হিম’ সিনেমার মাধ্যমে সবশেষ পর্দায় দেখা যায় অনন্ত জলিল ও বর্ষাকে। এমডি ইকবাল পরিচালিত এ সিনেমাটি মুক্তির পর দর্শকদের প্রশংসা কুড়ায়। বর্তমানে মুক্তি অপেক্ষায় রয়েছে এ দম্প্রতির ‘নেত্রী দ্যা লিডার’ সিনেমাটি।
মন্তব্য করুন


হিরো
আলম এখন অভিনয় নিয়ে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন। এবার তাকে দেখা যাবে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য
চলচ্চিত্রে প্রতিবাদী রিকশা চালকের ভূমিকায়। এ চলচ্চিত্রটির নাম ‘আয়না’।
স্বল্পদৈর্ঘ্য
এ চলচ্চিত্র প্রসঙ্গে হিরো আলম বলেন, এ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের গল্পটি খুব ভালো।
আমি এতে প্রতিবাদী রিকশা চালকের ভূমিকায় অভিনয় করছি। এখন শুটিং চলছে উত্তরায়। আমি এখনো
অভিনয়টা শিখতে চেষ্টা করছি। একদিনে তো সম্ভব নয়, দীর্ঘদিন ধরে অনুশীলনের মাধ্যমে অভিনয়
শিখতে হয়। এর আগে আমি কবিতা আবৃত্তির ওপর প্রশিক্ষণ নিয়েছি। উচ্চারণের সমস্যা কিছুটা
অতিক্রম করেছি।
হিরো
আলম সম্প্রতি ‘বাদশা দ্য কিং’ সিনেমার শুটিং শেষে করছেন।
মন্তব্য করুন