

মো: মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
চাঁদপুরে চলতি বছরের জুলাই মাসের উপকারভোগীদের মাঝে টিসিবি পন্য বিক্রির কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
সোমবার সকালে শহরের পুরান বাজরস্থ শ্রম কল্যাণ কেন্দ্রের মাঠে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান।
এসময় পৌর মেয়র মো. জিল্লুর রহমানসহ সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। চাঁদপুর জেলায় ১০৬ টি কেন্দ্রে এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
সিদ্ধেশ্বরী এলাকা থেকে জাতীয় রাজস্ব
বোর্ডের (এনবিআর) এক নারী যুগ্ম
কমিশনারকে (৪৯) অপহরণের পর
নির্যাতনের ঘটনায় প্রধান আসামি মাসুদসহ ৩জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
শুক্রবার
দিনগত রাতে তাদের গাজীপুরের
শ্রীপুর ও রাজধানীর সবুজবাগ
এলাকা থেকে গ্রেফতার করে
র্যাবের একটি দল।
২৬
আগস্ট শনিবার র্যাব সদরদপ্তরের
লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক সিনিয়র এএসপি আ ন ম
ইমরান খান এ তথ্য
জানান।
তিনি
বলেন, আজ দুপুরে রাজধানীর
কারওয়ানবাজার র্যাব মিডিয়া
সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত
জানানো হবে।
জানা
গেছে, গত ১৭ আগস্ট রাত
৮টার দিকে মাইক্রোবাসে করে
মগবাজার থেকে সিদ্ধেশ্বরীর বাসায়
ফেরার সময় যুগ্ম কমিশনার
পদমর্যাদার ওই নারী কর
কর্মকর্তার মাইক্রোবাস থামিয়ে কয়েকজন মিলে চালককে মারধর
শুরু করেন। একপর্যায়ে গাড়ি থেকে চালককে
নামিয়ে মাইক্রোবাসসহ ওই নারীকে অপহরণ
করা হয়। এরপর ১৮
ঘণ্টা পর্যন্ত তার কোনো খোঁজ
ছিল না। পরদিন দুপুর
২টার দিকে ওই নারী
কৌশলে গাড়ি থেকে নেমে
চিৎকার শুরু করলে ঢাকার
সবুজবাগ এলাকা থেকে স্থানীয়রা তাকে
উদ্ধার করে ও ৩
অপহরণকারীকে আটক
করে। যখন ওই নারী
কর্মকর্তাকে উদ্ধার করা হয়, তখন
তার একটি পা ভাঙা,
চোখে ও মাথায় মারাত্মক
আঘাতের চিহ্ন ছিল। তিনি এখন
রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে
চিকিৎসাধীন।
এ
ঘটনায় ঢাকার রমনা থানায় ৪
জনের নাম উল্লেখ একটি অপহরণ মামলা
হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে মো.
মাসুদ নামের এক ব্যক্তিকে, যিনি
জুলাই মাসে ওই নারীর
ব্যক্তিগত গাড়ির চালক ছিলেন। আগস্ট
মাসের ১ তারিখে তাকে
চাকরিচ্যুত করা হয়।
ওই
নারী কর কর্মকর্তা বলেন,
অপহরণকারীরা কোনো মুক্তিপণ চায়নি।
অপহরণের পর নির্মম নির্যাতনের
সময় মাসুদ বারবার তাকে চাকরিচ্যুত করার
কারণে ক্ষোভের কথাই বলছিলেন। অপহরণকারীদের
মধ্যে শুধু মাসুদকে তিনি
চিনতে পেরেছেন। ২০-২৫ দিন
কাজ করার পর তাকে
চাকরিচ্যুত করেছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
জেলার মুরাদনগর থানাধীন ১৫নং নবীপুর (পশ্চিম) ইউনিয়নের কোম্পানীগঞ্জ বাজারস্থ নিপুন
জুয়েলার্স দোকানে এসে আসামী তার বোনের বিবাহ উপলক্ষে স্বর্ণ ক্রয় করতে চায়। দোকানদার
২ জোড়া ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের চুড়ি, যার ওজন ৬ ভরি ৮ আনা, মূল্য অনুমান ৫,৯৮,০০০ টাকা
এবং ২ টি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের চেইন, যার ওজন ২ ভরি, ১৪ আনা, ২ রত্তি, মূল্য ২,৬৬,০০০
টাকা, সর্বমোট মূল্য ৮,৬৪,০০০ টাকার স্বর্নালংকার দেখায় এবং উক্ত স্বর্ণলংকারের জুয়েলারী
লাল বক্স দিয়ে দোকানদার প্যাকেট করার জন্য ব্যাগ আনতে দোকানের পিছনের অংশে যায়। কিছুক্ষণ
পরে দোকানদার ফিরে এসে দেখে যে, দোকানের ভিতর থাকা আসামী ও স্বর্ণালংকার নাই। উক্ত
অভিযোগের ভিত্তিতে মুরাদনগর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নাল আবেদীন এর তত্ত্বাবধানে
এসআই(নিঃ) ওমর ফারুক ও একটি চৌকস টিম তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামীকে হোমনা থানা
পুলিশের সহযোগিতায় সোমবার ভোরে হোমনা থানাধীন ঘনিয়ারচর (ছোট) মিছির আলী প্রধানের বাড়ি
থেকে বাদীর চোরাই যাওয়া বর্ণিত স্বর্ণালংকার এবং নগদ ৩,৫০,০০০টাকাসহ গ্রেফতার করেন।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: কুমিল্লা জেলার হোমনা থানার ঘনিয়ারচর গ্রামের আতাউর রহমান এর
ছেলে রুনা আক্তার। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মুরাদনগর থানার মামলা দায়ের করা হয়েছে
এবং আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলামকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও চোখ উপড়ে হত্যার ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী রাজনসহ সরাসরি জড়িত সাতজনকে গত রাতে রাজধানীর শাহবাগ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জে মাদক কারবারে জড়িত রাজন। গত ২৮ জুন গ্রেপ্তার হন তিনি। তার ধারণা, গ্রেপ্তারের পেছনে ব্যবসায়ী সাইফুলের হাত রয়েছে। জেল থেকে জামিনে বের হয়েই তিনি সাইফুলকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। সাইফুল সম্প্রতি পশ্চিমের একটি দেশে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন।
এজন্য তাড়াহুড়া করে রাজনের নেতৃত্বে জানে আলম, সুমন, লিটন, দিপু, সরোয়ার ও সজীবসহ ১০-১২ জন সাইফুল দোকান থেকে বাসায় ফেরার পথে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী খেজুরবাগ স্কুল রোডে ওৎ পেতে থাকেন।
রোববার (৩০ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টায় খেজুরবাগ স্কুল রোডে পৌঁছালে পথরোধ করে ভিকটিম সাইফুলকে ক্রিকেট ব্যাট, ব্যাটন, লোহার রড় ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথাড়ি আঘাত করতে থাকেন তারা। একপর্যায়ে মাটিতে পড়ে গেলে রাজন পাশের একটি দোকান থেকে কাঁটা চামচ নিয়ে সাইফুলের চোখ নৃশংসভাবে উপড়ে ফেলেন।
সাইফুলের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। স্থানীয়রা ভিকটিমকে উদ্ধার করে রাজধানীর একটি সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মঙ্গলবার (১ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে লিগাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, গত ৩০ জুলাই রাতে ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের খেজুরবাগ সাতপাখি এলাকায় সাইফুল ইসলাম নামে এক পোশাক ব্যবসায়ীকে দুর্বৃত্তরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে এবং চোখ উপড়ে ফেলে নির্মমভাবে হত্যা করে।
এ ঘটনায় নিহতের বড় বোন বাদী হয়ে রাজধানীর কেরাণীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
র্যাব হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারে লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। গত রাতে র্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা ও র্যাব-১০ এর একটি দল রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে চাঞ্চল্যকর সাইফুল হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মো. রাজন হোসেনসহ (৩১) সাতজনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন– জানে আলম (৩৬), মো. সুমন ওরফে গর্দা সুমন (২৫), লিটন হোসেন (২৬), মো. দিপু (২৩), সরোয়ার আকন্দ (২৬) এবং মো. সজীব (২৯)। উদ্ধার করা হয় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সুচালো লোহার রড, একটি ভাঙা ক্রিকেট ব্যাট, একটি ব্যাটন ও ছয়টি মোবাইল ফোন।
গ্রেপ্তারদের দেওয়া প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে কমান্ডার মঈন বলেন, সাইফুল দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের খেজুরবাগ সাতপাখি এলাকায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করে আসছিলেন এবং সাতপাখি রোডে একটি দোকান ভাড়া নিয়ে কাপড়ের ব্যবসা করতেন। গ্রেপ্তার আসামিরা রাজধানীর দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ এলাকায় বসবাস করেন।
তিনি আরো বলেন, সাইফুল ছিল এলাকায় সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদী কণ্ঠ। মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনে তিনি বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতেন। তিনি বিভিন্ন সময় সন্ত্রাসী ও মাদক করবার সম্পর্কে তথ্য দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও সহায়তা করেন। এ কারণে বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় মাদক কারবারি ও অন্যান্যরা সাইফুলের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে।
গ্রেপ্তারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেপ্তার রাজন গত ২৮ জুন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হাতে গ্রেপ্তার হয় এবং ধারণা করে যে, তার গ্রেপ্তারের পেছনে সাইফুলের হাত রয়েছে। এছাড়াও গ্রেপ্তার জানে আলম, সুমন ও তার মা আগে বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পেছনেও সাইফুলের হাত রয়েছে বলে তারা ধারণা করেন।
গ্রেপ্তার রাজন গত ১৯ জুলাই মুক্তি পেয়ে গ্রেপ্তার জানে আলম, সুমন ও অন্য সহযোগীদের নিয়ে ভিকটিম সাইফুলকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার পরিকল্পনা করেন এবং গত ৩০ জুলাই রাতে সাইফুলকে নৃশংসভাবে হত্যা করে পালিয়ে যান।
র্যাব মুখপাত্র বলেন, গ্রেপ্তাররা হত্যাকাণ্ডের পর এলাকা থেকে পালিয়ে কেরাণীগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করেন। গ্রেপ্তাররা এলাকায় মাদক কারবার ও অর্থের বিনিময়ে সন্ত্রাসীসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করতেন বলে জানা যায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে কমান্ডার মঈন বলেন, গ্রেপ্তার রাজন স্থানীয় একটি রিকশা গ্যারেজ পরিচালনা করতেন। পাশাপাশি এলাকায় মাদক, ছিনতাই, ডাকাতি, গাড়ি চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। গ্রেপ্তার রাজনের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক, বিস্ফোরক দ্রব্য ও চুরিসহ পাঁচটির বেশি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার জানে আলম রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। পাশাপাশি তিনি এলাকায় মাদক, ছিনতাই, চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। সাইফুল হত্যাকাণ্ডে রাজনের অন্যতম সহযোগী জানে আলম। হত্যাকাণ্ডের সময় জানে আলম ভিকটিম সাইফুলকে ব্যাটন দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করেন। তার বিরুদ্ধেও অস্ত্র, মাদক, বিস্ফোরক দ্রব্য ও চুরিসহ চারটির বেশি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার সুমন কাঠ কাটা শ্রমিকের কাজ করতেন। পাশাপাশি তিনি এলাকায় মাদক, ছিনতাই, চুরিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। ভিকটিম সাইফুল হত্যাকাণ্ডে রাজনের অন্যতম সহযোগী ছিলেন সুমন। তিনি ভিকটিম সাইফুলকে ক্রিকেট ব্যাট দিয়ে মাথায় গুরুতর জখম করেন। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক, ডাকাতি ও মারামারিসহ বিভিন্ন অপরাধে চারটির বেশি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার লিটন, দিপু, সরোয়ার ও সজীব ভিকটিম সাইফুল হত্যাকাণ্ডে রাজনের সহযোগী ছিলেন। গ্রেপ্তার লিটন মুদ্রাক্ষরিক, গ্রেপ্তার দিপু ও সজীব জাহাজ ভাঙার শ্রমিক এবং সরোয়ার রং মিস্ত্রির কাজ করেন। এছাড়াও তারা গ্রেপ্তার রাজনের নেতৃত্বে এলাকায় মাদক, ছিনতাই, চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে জানা যায়।
হত্যাকাণ্ডের সময় গ্রেপ্তার লিটন, দিপু, সরোয়ার ও সজীব লাঠি ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ভিকটিমকে এলোপাথাড়ি আঘাত করে গুরুতর জখম করেন। তাদের বিরুদ্ধে মাদক ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধে একাধিক মামলা রয়েছে।
তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
মন্তব্য করুন


রাজধানী ঢাকায় বিভিন্ন এলাকায় পশু
কোরবানি করতে গিয়ে লাথি-গুতু এবং মাংস কাটার সময় ছুরিকাঘাতে এ পর্যন্ত ৯৪ জন আহত
হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
সোমবার (১৭ জুন) আহত অবস্থায় তাদেরকে
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।
ঢামেকের জরুরি বিভাগের (ভারপ্রাপ্ত)
আবাসিক সার্জন ডা. আমান বলেন, কোরবানি করতে গিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ঢামেকে
আহত অবস্থায় এখন পর্যন্ত ৯৪ জন এসেছে। আহতদের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে প্রাথমিক চিকিৎসা
দেওয়া হয়।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ
পরিদর্শক মো: বাচ্চু মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বাচ্চু মিয়া জানান , ঢাকার বিভিন্ন
এলাকা থেকে কোরবানি দিতে গিয়ে আহত অবস্থায় ৯৪ জনকে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে তাদেরকে
চিকিৎসা দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন বাবুচি বাজার এলাকা হতে ৩০ কেজি গাঁজা ও ৯৪বোতল ফেন্সিডিল’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল অদ্য ০৬ আগস্ট ২০২৩ইং তারিখ সকালে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম মডেল থানাধীন বাবুচি বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ৩০ কেজি গাঁজা ও ৯৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী হলো: চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া থানাধীন আফজল নগর গ্রামের মৃত ইদ্রিস এর ছেলে মোঃ আব্দুস সবুর (৩৮)।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয়কে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা, ফেন্সিডিল’সহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে বিদেশি অস্ত্র, গুলি ও ম্যাগজিনসহ এনামুল হক (৫৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে এ তথ্য জানানো হয় র্যাব-৫ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্প থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
বুধবার (১০ জানুয়ারি) রাতে এনামুল হককে গ্রেফতার করা হয় শিবগঞ্জ উপজেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নের উপরচকপাড়া এলাকা থেকে।
র্যাব-৫ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্প থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে (১০ জানুয়ারি) রাতে শিবগঞ্জের শাহাবাজপুর ইউনিয়নের উপরচকপাড়া এলাকায় এনামুলের বাড়িতে অভিযান চালায় র্যাব। সে সময় তার ষ্টোর রুমে একটি ধানের ড্রাম থেকে ১টি বিদেশি অস্ত্র, ২১ রাউন্ড গুলি ও ১টি ম্যাগজিনসহ হাতেনাতে এনামুল হককে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় শিবগঞ্জ থানায় একটি মামলা হয়েছে।
র্যাবের পক্ষ থেকে দায়ের করা অস্ত্র মামলায় এনামুল হককে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানান শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন।
মন্তব্য করুন


মো. মাসুদ রানা, কচুয়া প্রতিনিধি:
আসন্ন চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কচুয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক ভোরের কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মো. রাকিবুল হাসান উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন।
বৃহস্পতিবার প্রেসক্লাব কার্যালয়ে বিশেষ সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করেন তিনি।
কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রিয়তুষ পোদ্দারের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক জিসান আহমেদ নান্নু’র পরিচালনায় এসময়, কচুয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল হোসেন, মানিক ভৌমিক, সহ-সভাপতি মফিজুল ইসলাম বাবুল, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য কাজী এনামুল হক শামীম, উপজেলা যুবলীগের সদস্য সোহেল মাহমুদসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


সোমবার(১৩ নভেম্বর) সকাল সোয়া ১১টার দিকে মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার চরকেওয়ার ইউনিয়নের টরকি এলাকায় সিএনজি ও ট্রলির মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা-ছেলে নিহত হয়েছে। নিহতরা হলেন দাদন সরকার এবং তার ছেলে হোনাইন সরকার। মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার চর আব্দুল্লাহ এলাকায় তাদের বাড়ি । এ ঘটনায় আহত হয়েছে নিহত শিশুর মা কুলসুমসহ আরও তিন জন। তাদের মধ্যে শিশুর মাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ সকালে বাংলাবাজার থেকে মুন্সিগঞ্জ অভিমুখে আসছিল সিএনজিটি। সকাল ১১টার কিছুক্ষণ পরে টরকি এলাকায় পৌছালে ওই সিএনজি ও ট্রলির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। তখন সিএনজিতে থাকা সবাই আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক বাবা ও ছেলেকে মৃত ঘোষণা করেন।
মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডাঃ কামাল প্রধান বলেন, নিহত দুই জনের হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই মৃত্যু হয়েছে।
মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনায় বাবা ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে৷ আহত হয়েছে মা সহ আরও ৩জন। দুর্ঘটনা কবলিত সিএনজি ও ট্রলি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানান আমিনুল ইসলাম ।
মন্তব্য করুন


বেনাপোল এক্সপ্রেসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ ৮জনের প্রত্যেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে বার্ন ইউনিট।
শনিবার(৬জানুয়ারি) শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটের প্রধান সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।
ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, দগ্ধ আসিফ মোহাম্মদ খানের শরীরে ৮ শতাংশ পুড়ে গেছে। নাফিজ আলমের ৫ শতাংশ পুড়েছে। সবারই শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। আমরা পর্যবেক্ষণে রেখেছি তাদের। সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এর আগে ঢাকা-মাওয়া রেলপথে বেনাপোল এক্সপ্রেসে রাত ৯টা ৫ মিনিটে আগুনের ঘটনা ঘটে। রাত ১০টা ২২ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রাকিবুল হাসান গণমাধ্যমকে বলেছেন, ট্রেনটি চলন্ত অবস্থায় ছিল। ট্রেনের ৪টি বগি পুড়ে গেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে ৮টি ইউনিট।
মন্তব্য করুন


অবশেষে শেষ হলো সব জল্পনা-কল্পনার অবসান।
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের নতুন ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে ঘোষণা করা হলো সাকিব আল হাসানের নাম। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন গণমাধ্যমকে আজ (শুক্রবার) এ খবর নিশ্চিত করেছেন।
আগে থেকেই টেস্ট ও টি-টোয়েন্টির নেতৃত্বে আছেন সাকিব। ওয়ানডেতে দায়িত্ব পাওয়ায় এখন তিন ফরম্যাটেই এক অধিনায়কের অধীনে বাংলাদেশের ক্রিকেট। এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক থাকবেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।
তামিম ইকবাল নেতৃত্ব ছেড়ে দেওয়ার পর সাকিবের সঙ্গে অধিনায়কের দৌড়ে ছিলেন লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞতাতেই ভরসা রেখেছে বিসিবি।
সাকিব এর আগে বাংলাদেশ দলকে ৫০টি ওয়ানডেতে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এর মধ্যে জয় এসেছে ২৩ ম্যাচে। ২০১১ সালে তার নেতৃত্বেই বিশ্বকাপে খেলেছিল টাইগাররা।
২০২০ সালে মাশরাফি বিন মর্তুজার কাছ থেকে ওয়ানডে অধিনায়কের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তামিম। তার নেতৃত্বে ওয়ানডে সুপার লিগে সেরা তিনে থেকে শেষ করে বাংলাদেশ। তবে চোটের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে দলে অনিয়মিত হয়ে পড়েন তামিম।
জুলাইয়ের শুরুতে দেন আবেগী অবসরের ঘোষণা। তবে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে অবসর ভেঙে ফিরতে হয় তামিমকে। কিন্তু চোটের সঙ্গে লড়াই করা কঠিন হয়ে পড়ায় গত ৩ আগস্ট বিসিবির সঙ্গে আলোচনা করে নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন তামিম। আর তারই স্থলাভিষিক্ত হলেন সাকিব ।
মন্তব্য করুন