খাসির স্পেশাল রেজালা তৈরির সহজ রেসিপি

খাসির স্পেশাল রেজালা তৈরির সহজ রেসিপি

পোলাওয়ের সাথে খাসির মাংসের রেজালা থাকলে বেশ জমে। সবাই খাসির মাংসের রেজালা ঠিকভাবে রান্না করতে পারেন না। আজ জানবো খাসির স্পেশাল রেজালা তৈরির সহজ রেসিপি-

** তৈরি করতে যা লাগবে

১. খাসির মাংস- ৫০০ গ্রাম

২. আদা বাটা- আধা টেবিল চামচ

৩. রসুন বাটা- ১ চা চামচ

৪. পেঁয়াজ বাটা- সিকি কাপ

৫. হলুদের গুঁড়া- আধা চা চামচ

৬. মরিচের গুঁড়া- আধা চা চামচ

৭. জিরার গুঁড়া- আধা চা চামচ

৮. ধনিয়া গুঁড়া- আধা চা চামচ

১০. পোস্তদানা বাটা- আধা টেবিল চামচ

১১. তেল- সিকি কাপ

১২. ঘি- ১ টেবিল চামচ

১৩. লবণ- স্বাদ অনুযায়ী

১৪. কাঁচা মরিচ- ৮টি

১৫. তেজ পাতা- ১টি

১৬. দারুচিনি- ২ টুকরা

১৭. এলাচ- ২টি

১৮. দেশি পেঁয়াজ কুচি- আধা কাপ

১৯. আলু- ৪টি

২০. কেওড়া জল- ১ টেবিল চামচ।

** যেভাবে তৈরি করবেন

মাংস টুকরো করে কেটে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। হাঁড়িতে তেল গরম করে তাতে এলাচ, দারুচিনি, তেজপাতা ও পেঁয়াজ বাদামি করে ভাজুন। এবার মাংস ও লবণ দিয়ে তা ১০-১৫ মিনিট ভেজে নিন। মাংস ভাজা হলে তাতে পোস্তদানা বাটা ও জিরা বাদে অন্যান্য বাটা মসলা দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে ঢেকে দিবেন। ১০-১৫ মিনিট পর ঢাকনা খুলে এককাপ গরম পানি দিয়ে মাঝারি আঁচে কিছুক্ষণ রান্না করবেন। 

আলুগুলো খোসা ছাড়িয়ে লম্বালম্বি মাঝখান থেকে কেটে ২ টুকরা করে দিবেন। পানি শুকিয়ে এলে আরও ১ থেকে দেড় কাপ গরম পানি দিয়ে আলু এবং ৪টি কাঁচা মরিচ দিয়ে নেড়ে ঢেকে দিবেন। ১০ মিনিট পর ঢাকনা খুলে জিরা গুঁড়া ও পোস্তদানা বাটা দিয়ে নেড়ে আবারও ঢেকে দিন। আলু সেদ্ধ হয়ে গেলে চুলার আঁচ কমিয়ে দিন।

ঢাকনা খুলে প্রয়োজন হলে সামান্য পানি দিয়ে নেড়ে দিবেন। তারপর বাকি কাঁচা মরিচ ও কেওড়া দিয়ে হালকা নেড়ে ঢেকে দিন। মাংস সিদ্ধ হয়ে তেল অল্প ছাড়লে ১ টেবিল চামচ ঘি দিয়ে নেড়ে ঢেকে দিরেন। ১০ মিনিট পর চুলা বন্ধ করে কিছুক্ষণ দমে রাখুন।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাগুরায় নির্যাতিত শিশুটির জীবন সংকটাপন্ন, দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা

৫৪৯৩ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বাংলাদেশে হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাসে প্রথম আক্রান্ত নারীর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৯৭

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪৮ জন

কুমিল্লা সদর হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কুমিল্লা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে আলোচনা সভা

কোটা আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার সব খরচ দেবে সরকার

বিসিপিএসকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশনা

রাষ্ট্রপতি চিকিৎসায় বিদেশমুখীতা কমাতে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিলেন

শনিবার থেকে স্কুল-কলেজ খোলা: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

১০

‘হিটস্ট্রোকে’ এক সপ্তাহে প্রাণ গেল ১০ জনের

১১

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১২

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১৩

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত স্কুল-মাদরাসা বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

১৪

তাপদাহের কারণে আগামীকাল ৫ জেলায় স্কুল-কলেজ বন্ধ, খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয়

১৫

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি

১৬

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

কাশি থামছে না কিছুতেই, কাশি কমানোর উপকার

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

 অত্যধিক গরমে তাই নাজেহাল কমবেশি সকলেই। তীব্র গরমে অস্বস্তি যেমন রয়েছে, তেমনই অনেকে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। ডায়েরিয়া, বমি, হজমের গোলমাল তো লেগেই আছে। তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ঝুঁকি বাড়ছে আরও বেশ কিছু অসুখের। মাত্রাতিরিক্ত গরম থেকেই হানা দিচ্ছে নানা ধরনের অসুস্থতা। চিকিৎসক সুবর্ণ গোস্বামীর কথায়, ‘‘যা গরম পড়েছে, তাতে সুস্থ থাকা সত্যিই একটা বড় চ্যালেঞ্জ। তবে সুস্থ তো থাকতেই হবে। তার জন্য প্রথমেই রোদ এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ, এই প্রখর রোদের তাপ থেকেই বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ছে।’’ গ্রীষ্মের মরসুম শুরুর সময় থেকেই ‘হিট ওয়েভ’ সবচেয়ে আশঙ্কার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই তাপপ্রবাহ থেকে কোন রোগগুলির ঝুঁকি বা়ড়ছে? জানাচ্ছেন চিকিৎসক।

হিট পিডিমা

গরমে অনেকের হাত-পা ফুলে যায়। চিকিৎসা পরিভাষায় যাকে ‘হিট পিডিমা’ বলে। অনেকেরই হয় এমন। বিশেষত পা বেশি ফুলে যায়। কখনও আবার হাত এবং পা একসঙ্গে ফুলে যায়। এই রোগেরও বিশেষ কোনও ওষুধ নেই। বিশ্রাম নিলে, বেশি করে জল খেলে আর উঁচু বালিশের উপর পা তুলে রাখলে দ্রুত সেরে ওঠা যায়।

হিট স্ট্রোক

গরমের সময়ে সবচেয়ে ঝুঁকি থাকে হিট স্ট্রোক হওয়ার। এই স্ট্রোক হলে শরীর অত্যধিক শুকিয়ে যায়। ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। শরীরের ভিতরটা গরম হয়ে যায়। কিন্তু হাত-পা ঠান্ডা থাকে। হৃৎস্পন্দনের গতি কমে যায়। শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে সমস্যা হয়। কারও ক্ষেত্রে খিঁচুনি উঠতে পারে। ভুল বকা কিংবা সাময়িক ভাবে মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়াও হিট স্ট্রোকের লক্ষণ। এমন হলে রোগীকে ভাল করে স্নান করিয়ে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

 

হিট ক্র্যাম্প

গরমে কায়িক পরিশ্রম বেশি হলে কিংবা দীর্ঘ ক্ষণ শরীরচর্চা করলে ‘হিট ক্র্যাম্প’ হতে পারে। এমন হলে কাঁধ, ঘাড় এবং ঊরুর পেশিতে টান ধরে। বেশি করে জল খেলে অবশ্য স্বস্তি মেলে। তবে শুধু জল না খেয়ে ওআরএস কিংবা নুন-চিনির জল খেলে বেশি উপকার হয়। সেই সঙ্গে বিশ্রাম নিলে আর রোদ এড়িয়ে চললেই টান ধরা কমে যাবে।

 

হিট টিটানি

অত্যধিক তাপপ্রবাহে অনেক সময় হাত-পা বেঁকে যায়। হাত-পায়ের সাড় চলে যায়। হাত আর পা ভাঁজ করতেও বেগ পেতে হয়। এই ধরনের সমস্যাকে ‘হিট টিটানি’ বলে। এমন হলে প্রাথমিক ভাবে বিশ্রাম নেওয়া জরুরি। সেই সঙ্গে হাত-পা মালিশ করতে পারলে ভাল। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিলে আর পরিমাণমতো জল খেলেই ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠা যায়।

 হিট সিঙ্কোপ

মাথা ঘুরে যাওয়া, চোখমুখে অন্ধকার দেখা— প্রচণ্ড রোদে বেরোলে অনেক সময়ে এমন কিছু শারীরিক সমস্যা হয়। এগুলিকেই ‘হিট সিঙ্কোপ’ বলে। দীর্ঘ ক্ষণ আগুনের ধারে থাকলেও এমন হতে পারে। এমন হলে সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা জলে স্নান করে নেওয়া জরুরি। কিংবা বরফজল দিয়ে গা-হাত-পা মুছে নিতে পারলে ভাল। অবশ্যই বেশি করে জল খেতে হবে। না হলে যে কোনও সময় এমন হতে পারে।

  ঘামাচি

ঘামাচি গরমের সবচেয়ে বড় সমস্যা। কিন্তু অনেকে বিষয়টিকে ততটাও গুরুত্ব দেন না। ঘামাচি কমাতে অধিকাংশেই ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করেন। তাতে হিতে বিপরীত হয়। পাউডারের কারণে ঘর্মগ্রন্থিগুলিতে সংক্রমণ হয়। তখন চিকিৎসকের কাছে ছুটতে হয়। তবে আগে থেকেই বিষয়টি নিয়ে সচেতন হলে বাড়াবাড়ি হওয়ার সুযোগ থাকে না।

 


global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাগুরায় নির্যাতিত শিশুটির জীবন সংকটাপন্ন, দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা

৫৪৯৩ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বাংলাদেশে হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাসে প্রথম আক্রান্ত নারীর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৯৭

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪৮ জন

কুমিল্লা সদর হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কুমিল্লা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে আলোচনা সভা

কোটা আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার সব খরচ দেবে সরকার

বিসিপিএসকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশনা

রাষ্ট্রপতি চিকিৎসায় বিদেশমুখীতা কমাতে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিলেন

শনিবার থেকে স্কুল-কলেজ খোলা: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

১০

‘হিটস্ট্রোকে’ এক সপ্তাহে প্রাণ গেল ১০ জনের

১১

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১২

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১৩

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত স্কুল-মাদরাসা বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

১৪

তাপদাহের কারণে আগামীকাল ৫ জেলায় স্কুল-কলেজ বন্ধ, খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয়

১৫

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি

১৬

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

কাশি থামছে না কিছুতেই, কাশি কমানোর উপকার

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে হলো বড় রদবদল

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে হলো বড় রদবদল

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে রদবদল করা হয়েছে। এর মধ্যে আবারও স্বাস্থ্য প্রশাসনের অতিরিক্ত মহাপরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের অতিরিক্ত মহাপরিচালক পদে দায়িত্বরত অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীরকে।


বুধবার (৭ ফেব্রয়ারি) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের পারসোনেল-২ শাখার যুগ্মসচিব মো. মঞ্জুরুল হাফিজের সই করা প্রজ্ঞাপনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে ।


এছাড়াও জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের (নিপসম) পরিচালক পদে থাকা অধ্যাপক ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরাকে করা হয়েছে পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের অতিরিক্ত মহাপরিচালক।


 বর্তমানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্বরত মো. শামিউল ইসলামকে করা হয়েছে জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের (নিপসম) পরিচালক এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সিলেট বিভাগের স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. হারুন অর রশীদকে।


বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডার/ স্বাস্থ্য সার্ভিসের নিন্ম বর্ণিত কর্মকর্তাদের তাদের নামের পাশে বর্ণিত পদ ও কর্মস্থলে বদলি/পদায়ন করা হলো। জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হলো এবং অনতিবিলম্বে কার্যকর করা হবে।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাগুরায় নির্যাতিত শিশুটির জীবন সংকটাপন্ন, দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা

৫৪৯৩ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বাংলাদেশে হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাসে প্রথম আক্রান্ত নারীর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৯৭

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪৮ জন

কুমিল্লা সদর হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কুমিল্লা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে আলোচনা সভা

কোটা আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার সব খরচ দেবে সরকার

বিসিপিএসকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশনা

রাষ্ট্রপতি চিকিৎসায় বিদেশমুখীতা কমাতে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিলেন

শনিবার থেকে স্কুল-কলেজ খোলা: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

১০

‘হিটস্ট্রোকে’ এক সপ্তাহে প্রাণ গেল ১০ জনের

১১

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১২

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১৩

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত স্কুল-মাদরাসা বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

১৪

তাপদাহের কারণে আগামীকাল ৫ জেলায় স্কুল-কলেজ বন্ধ, খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয়

১৫

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি

১৬

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

কাশি থামছে না কিছুতেই, কাশি কমানোর উপকার

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি

২০২৩ সালের ১৭ এপ্রিল আগের নয় বছরের মধ্যে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ঈশ্বরদীতে,৪৩ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ২০১৪ সালের মে মাসে চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৪৩ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবারও সারা দেশে তিন দিনের ‘হিট অ্যালার্ট’ দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এ নিয়ে চতুর্থবার হিট অ্যালার্ট দিল সংস্থাটি।

গত ২০ এপ্রিল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে ৪২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন চুয়াডাঙ্গায় ৪২ দশমিক ৩ ডিগ্রি, মোংলায় ৪১ দশমিক ৭ ডিগ্রি, ঈশ্বরদীতে ৪১ দশমিক ৬ ডিগ্রি, খুলনায় ৪১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া দেশের অন্যান্য স্থানেও মৃদু থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে, এখনো যা বিদ্যমান আছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম জানিয়েছেন, দেশের ওপর দিয়ে চলমান তাপপ্রবাহ আজ (২৫ এপ্রিল) হতে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে। এছাড়া জলীয়বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তি বাড়তে পারে।

এর আগের আরও তিনবার তথা গত ৩, ১৯ ও ২২ এপ্রিল তিন দিনের ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছিল। তবে প্রথম দুইবার তাপমাত্রা বাড়ার আভাস ছিল।

চলতি মাসে টানা তাপপ্রবাহ চলছে। মাঝে অতিতীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে গেলে বর্তমানে কিছুটা কমেছে।

 ২০২৩ সালের ১৬ এপ্রিল আগের ৫৮ বছরের মধ্যে ঢাকার তাপমাত্রা ছিল সর্বোচ্চ, ৪০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় ১৯৬৫ সালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।  

এর আগে ১৯৬০ সালে ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল ৪২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ১৯৭২ সালের ১৮ মে রাজশাহীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৪৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এই রেকর্ড এখনো ভাঙেনি।

 

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাগুরায় নির্যাতিত শিশুটির জীবন সংকটাপন্ন, দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা

৫৪৯৩ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বাংলাদেশে হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাসে প্রথম আক্রান্ত নারীর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৯৭

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪৮ জন

কুমিল্লা সদর হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কুমিল্লা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে আলোচনা সভা

কোটা আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার সব খরচ দেবে সরকার

বিসিপিএসকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশনা

রাষ্ট্রপতি চিকিৎসায় বিদেশমুখীতা কমাতে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিলেন

শনিবার থেকে স্কুল-কলেজ খোলা: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

১০

‘হিটস্ট্রোকে’ এক সপ্তাহে প্রাণ গেল ১০ জনের

১১

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১২

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১৩

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত স্কুল-মাদরাসা বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

১৪

তাপদাহের কারণে আগামীকাল ৫ জেলায় স্কুল-কলেজ বন্ধ, খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয়

১৫

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি

১৬

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

কাশি থামছে না কিছুতেই, কাশি কমানোর উপকার

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

‘হিটস্ট্রোকে’ এক সপ্তাহে প্রাণ গেল ১০ জনের

‘হিটস্ট্রোকে’ এক সপ্তাহে প্রাণ গেল ১০ জনের

দেশে তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ‘হিটস্ট্রোকে’ গত এক সপ্তাহে ১০ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে গতকাল সোমবার (২৯ এপ্রিল) তিনজনের মৃত্যু হয়েছে হিটস্ট্রোকে।

এছাড়াও হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে আরও পাঁচজন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।

মঙ্গলবার (৩০এপ্রিল)  সকাল ৯টায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম এসব তথ্য জানায়।

কন্ট্রোল রুম জানায়, এ পর্যন্ত সারা দেশে হিটস্ট্রোকে মারা যাওয়া ১০ জনের মধ্যে আটজন পুরুষ ও দুজন নারী। হিটস্ট্রোকে নতুন করে মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে মাদারীপুর জেলায়। আরেকজনের মৃত্যু হয়েছে চট্টগ্রাম জেলায়। মারা যাওয়া ১০ জনের মধ্যে দুজন মাদারীপুরের। এ ছাড়া চুয়াডাঙ্গা, খুলনা, হবিগঞ্জ, রাজবাড়ী, ঝিনাইদহ, লালমনিরহাট, বান্দরবান ও চট্টগ্রাম জেলায় একজন করে মারা গেছেন।

উষ্ণতাজনিত অসুস্থতার চিকিৎসায় একটি গাইডলাইন তৈরি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। 

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাগুরায় নির্যাতিত শিশুটির জীবন সংকটাপন্ন, দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা

৫৪৯৩ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বাংলাদেশে হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাসে প্রথম আক্রান্ত নারীর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৯৭

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪৮ জন

কুমিল্লা সদর হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কুমিল্লা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে আলোচনা সভা

কোটা আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার সব খরচ দেবে সরকার

বিসিপিএসকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশনা

রাষ্ট্রপতি চিকিৎসায় বিদেশমুখীতা কমাতে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিলেন

শনিবার থেকে স্কুল-কলেজ খোলা: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

১০

‘হিটস্ট্রোকে’ এক সপ্তাহে প্রাণ গেল ১০ জনের

১১

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১২

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১৩

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত স্কুল-মাদরাসা বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

১৪

তাপদাহের কারণে আগামীকাল ৫ জেলায় স্কুল-কলেজ বন্ধ, খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয়

১৫

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি

১৬

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

কাশি থামছে না কিছুতেই, কাশি কমানোর উপকার

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

কুমিল্লা সদর হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কুমিল্লা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে আলোচনা সভা

কুমিল্লা সদর হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কুমিল্লা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে আলোচনা সভা

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুমিল্লা আজ কুমিল্লা সদর হাসপাতাল পরিদর্শন করে।

শনিবার ১৭ই আগস্ট কুমিল্লা সদর হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সাথে হাসপাতালে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ কিছু অনিয়ম, লোকবল সংকট এবং রোগীদের থাকা নানা অভিযোগ নিয়ে এই আলোচনা করা হয়েছে।

কুমিল্লা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন এই অভিযোগগুলোর প্রেক্ষিতে কিভাবে কি কি সমাধান আনা যাবে সে নিয়ে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা হয়।

আজকের আয়োজিত এই আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন ডা: নাসিমা আক্তার, কুৃমিল্লা জেনারেল হাসপাতাল এর আবাসিক মেডিকেল অফিসার

ডা: আব্দুল করিম খন্দকারসহ বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডাক্তার এবং সিনিয়র স্টাফ নার্সবৃন্দ । 

সদর হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান নিয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় কুমিল্লা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক মুহাম্মদ রাশেদুল হাসান, ইব্রাহিম খালিদ হাসান এবং মোঃ রফিকুল ইসলাম (রকি) উপস্থিত ছিলেন।

 

আজকের এই আলোচনা সভায় সমস্যার সমাধানে কুমিল্লা সদর হাসপাতালে কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে কুমিল্লা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এ সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান আনয়নে তারা কাজ করবেন।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাগুরায় নির্যাতিত শিশুটির জীবন সংকটাপন্ন, দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা

৫৪৯৩ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বাংলাদেশে হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাসে প্রথম আক্রান্ত নারীর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৯৭

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪৮ জন

কুমিল্লা সদর হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কুমিল্লা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে আলোচনা সভা

কোটা আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার সব খরচ দেবে সরকার

বিসিপিএসকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশনা

রাষ্ট্রপতি চিকিৎসায় বিদেশমুখীতা কমাতে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিলেন

শনিবার থেকে স্কুল-কলেজ খোলা: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

১০

‘হিটস্ট্রোকে’ এক সপ্তাহে প্রাণ গেল ১০ জনের

১১

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১২

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১৩

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত স্কুল-মাদরাসা বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

১৪

তাপদাহের কারণে আগামীকাল ৫ জেলায় স্কুল-কলেজ বন্ধ, খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয়

১৫

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি

১৬

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

কাশি থামছে না কিছুতেই, কাশি কমানোর উপকার

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

৫৪৯৩ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

৫৪৯৩ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, রাজধানীসহ সারাদেশে স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে ৫ হাজার ৪৯৩ জন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (৪ মার্চ) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে উপদেষ্টা জানান, রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে আজ উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অতিরিক্ত দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তিনি বলেন, গ্রামগঞ্জে মানুষ চিকিৎসা পায় না। তাদের তাদের জন্য পর্যাপ্ত চিকিৎসক নিশ্চিত করার অতিরিক্ত চিকিৎসক নিয়োগের মূল উদ্দেশ্য।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, পিএসসির মাধ্যমে ৩ হাজার ৪৯৩ জন চিকিৎসক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এটার অতিরিক্ত হিসেবে আরও ২ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, ডেপুটি প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার, ডেপুটি প্রেস সচিব অপূর্ব জাহাঙ্গীর এবং সহকারী প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাগুরায় নির্যাতিত শিশুটির জীবন সংকটাপন্ন, দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা

৫৪৯৩ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বাংলাদেশে হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাসে প্রথম আক্রান্ত নারীর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৯৭

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪৮ জন

কুমিল্লা সদর হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কুমিল্লা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে আলোচনা সভা

কোটা আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার সব খরচ দেবে সরকার

বিসিপিএসকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশনা

রাষ্ট্রপতি চিকিৎসায় বিদেশমুখীতা কমাতে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিলেন

শনিবার থেকে স্কুল-কলেজ খোলা: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

১০

‘হিটস্ট্রোকে’ এক সপ্তাহে প্রাণ গেল ১০ জনের

১১

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১২

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১৩

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত স্কুল-মাদরাসা বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

১৪

তাপদাহের কারণে আগামীকাল ৫ জেলায় স্কুল-কলেজ বন্ধ, খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয়

১৫

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি

১৬

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

কাশি থামছে না কিছুতেই, কাশি কমানোর উপকার

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

উচ্চ রক্তচাপ : এক নীরব ঘাতক

উচ্চ রক্তচাপ : এক নীরব ঘাতক

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস পালিত হচ্ছে আজ (১৭ মে)। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তত্ত্বাবধানে ওয়ার্ল্ড হাইপারটেনশন লিগ ও ইন্টারন্যাশনাল হাইপারটেনশন সোসাইটি এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে ‌‘সঠিকভাবে রক্তচাপ মাপুন, নিয়ন্ত্রণে রাখুন এবং দীর্ঘজীবী হোন।’

অসংক্রামক ব্যাধির মধ্যে অন্যতম হলো উচ্চ রক্তচাপ, যা প্রায়ই একটি স্থায়ী রোগ হিসেবে বিবেচিত। এর জন্য চিকিৎসা ও প্রতিরোধ খুবই জরুরি। না হলে বিভিন্ন জটিলতা, এমনকি হঠাৎ করে মৃত্যুরও ঝুঁকি থাকে।

উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন কি?

স্বাভাবিক রক্তচাপ হলো সেই বল, যার সাহায্যে রক্ত শরীরের একস্থান থেকে অন্যস্থানে পৌঁছায়। হৃদপিণ্ডের পাম্পিং ক্রিয়ার মাধ্যমে রক্তচাপ তৈরি হয়। রক্তচাপের কোনো একক নির্দিষ্ট মাত্রা নেই। বিভিন্ন বয়সের সঙ্গে সঙ্গে একেক জনের রক্তচাপের মাত্রা ভিন্ন এবং একই মানুষের বেলায় বিভিন্ন সময়ে রক্তচাপও কম-বেশি হতে পারে। উত্তেজনা, দুশ্চিন্তা, অধিক পরিশ্রম, কম ঘুম ও অতিরিক্ত ব্যায়ামের ফলে রক্তচাপ বাড়তে পারে। ঘুম ভালো হলে ও পরিমিত বিশ্রাম নিলে রক্তচাপ কমে যায়। রক্তচাপের এই পরিবর্তন স্বাভাবিক। সাধারণত বয়স যত কম, রক্তচাপও তত কম হয়। যদি কারও রক্তচাপ স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে বেশি হয় এবং অধিকাংশ সময় এমনকি বিশ্রামের সময়ও বেশি থাকে, তবে ধরে নিতে হবে তিনি উচ্চ রক্তচাপের রোগী।

রক্তচাপ কত প্রকার

রক্তচাপ সাধারণত দুই ধরনের, যথা- সিস্টোলিক ও ডায়াস্টলিক। নরমাল সিস্টোলিক ১০০ থেকে ১৪০ এবং ডায়াস্টলিক ৬০ থেকে ৯০ মি.মি মার্কারি। কারও ব্লাড প্রেশার যদি ১৪০/৯০ বা এর চেয়েও বেশি হয়, তখন বুঝতে হবে তার উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা আছে। তবে বয়স ভেদে তারতম্য হতে পারে।

উচ্চ রক্তচাপ কি আসলেই কোনো জটিল ব্যাধি?

উচ্চ রক্তচাপ ভয়ঙ্কর পরিণতি ডেকে আনতে পারে। অনেক সময় উচ্চ রক্তচাপের কোনো প্রাথমিক লক্ষ্মণ দেখা যায় না। এটাই উচ্চ রক্তচাপের সবচেয়ে খারাপ দিক। যদিও অনেক সময় উচ্চ রক্তচাপের রোগীর কোনো লক্ষ্মণ থাকে না, তবুও নীরবে উচ্চ রক্তচাপ শরীরের বিভিন্ন অংশকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এ জন্যই উচ্চ রক্তচাপকে বলা হয় ‌‘নীরব ঘাতক’। অনিয়ন্ত্রিত ও চিকিৎসাবিহীন উচ্চ রক্তচাপ থেকে মারাত্মক শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে।

উচ্চ রক্তচাপ হলে কী কী জটিলতা হতে পারে?

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রিত না থাকলে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি অঙ্গে (হৃদপিণ্ড, কিডনি, মস্তিষ্ক ও চোখ) মারাত্মক জটিলতা হতে পারে। অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ থেকে হৃদযন্ত্রের মাংসপেশি দুর্বল হয়ে হৃদযন্ত্র রক্ত পাম্প করতে পারে না। এই অবস্থাকে বলা হয় হার্ট ফেইলিওর। রক্তনালী সংকুচিত হয়ে হার্ট অ্যাটাক বা মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন হতে পারে। উচ্চ রক্তচাপের কারণে কিডনি বিকল হয়ে কার্যকারিতা হারাতে পারে, যার অন্যতম কারণ অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ। এছাড়া মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বা স্ট্রোক হয়ে রোগীর মৃত্যুও হতে পারে। আবার চোখের রেটিনাতে রক্তক্ষরণ হয়ে অন্ধত্ব বরণ করতে হতে পারে।

যেসব কারণে উচ্চ রক্তচাপ হয়

শতকরা ৯০ ভাগ রোগীর উচ্চ রক্তচাপের কোনো নির্দিষ্ট কারণ জানা যায় না। একে প্রাইমারি বা এসেন্সিয়াল রক্তচাপ বলে। সাধারণত বয়স্ক মানুষের উচ্চ রক্তচাপ বেশি হয়ে থাকে। কিছু কিছু বিষয় উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ায়, যেমন-

• বংশানুক্রমিক : উচ্চ রক্তচাপের বংশগত ধারাবাহিকতা আছে। যদি বাবা-মায়ের উচ্চ রক্তচাপ থাকে তবে সন্তানেরও উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এমনকি নিকটাত্মীয়ের উচ্চ রক্তচাপ থাকলেও অন্যদের রক্তচাপের ঝুঁকি থাকে।

• ধূমপান : ধূমপায়ীদের শরীরে তামাকের নানা রকম বিষাক্ত পদার্থের প্রতিক্রিয়ায় উচ্চ রক্তচাপসহ ধমনী, শিরার নানা রকম রোগ ও হৃদরোগ দেখা দিতে পারে। তামাক, জর্দা, গুল ব্যবহারে একই সমস্যা হতে পারে।

• অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ : খাবার লবণে সোডিয়াম থাকে যা রক্তের জলীয় অংশ বাড়িয়ে দেয়। ফলে রক্তের আয়তন বেড়ে যায় এবং রক্তচাপ বেড়ে যায়।

• অধিক ওজন ও অলস জীবনযাত্রা : যথেষ্ট পরিমাণে ব্যায়াম ও শারীরিক পরিশ্রম না করলে শরীরে ওজন বেড়ে যেতে পারে। এতে হৃদযন্ত্রকে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হয়। ফলে অধিক ওজন সম্পন্ন লোকদের উচ্চ রক্তচাপ হয়ে থাকে।

• অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস : অতিরিক্ত চর্বিজাতীয় খাবার, যেমন- মাংস, মাখন ও ডুবা তেলে ভাজা খাবার খেলে ওজন বাড়বে। কলিজা, গুর্দা, মগজ এসব খেলে রক্তে কোলেস্টেরল বেড়ে যায়। রক্তে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল হলে রক্তনালীর দেয়াল মোটা ও শক্ত হয়ে যায়। এর ফলে রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে।

• অতিরিক্ত মদ্যপান : যারা নিয়মিত অত্যধিক পরিমাণে মদ্যপান করেন, তাদের উচ্চ রক্তচাপ বেশি হয়। অ্যালকোহলে অতিরিক্ত ক্যালরি থাকে। এর ফলে ওজন বেড়ে যায় ও রক্তচাপ বেড়ে যায়।

• ডায়াবেটিস : ডায়াবেটিস রোগীদের অথারোসক্লেরোসিস বেশি হয়। ফলে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ডায়াবেটিস রোগীদের উচ্চ রক্তচাপ দেখা দেয়। এছাড়া তাদের অন্ধত্ব ও কিডনির নানা রকম রোগ হতে পারে।

• অতিরিক্ত উৎকণ্ঠা : অতিরিক্ত রাগ, উত্তেজনা, ভীতি ও মানসিক চাপের কারণেও রক্তচাপ সাময়িকভাবে বেড়ে যেতে পারে। যদি মানসিক চাপ অব্যাহত থাকে এবং রোগী ক্রমবর্ধমান মানসিক চাপের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে না পারেন, তবে এই উচ্চ রক্তচাপ স্থায়ী রূপ নিতে পারে।

অন্যান্য কারণসমূহ : কিছু কিছু অঙ্গ আক্রান্ত হলে রোগের কারণে উচ্চ রক্তচাপ হতে পারে। নির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া গেলে একে বলা হয় সেকেন্ডারি হাইপারটেনশন। এই কারণগুলোর মধ্যে কয়েকটি হলো:
   • কিডনির রোগ।
   • অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি ও পিটুইটারি গ্রন্থির টিউমার।
   • ধমনীর বংশগত রোগ।
   • গর্ভধারণ অবস্থায় অ্যাকলাম্পসিয়া ও প্রি-অ্যাকলাম্পসিয়া হলে।
   • অনেকদিন ধরে জন্মনিয়ন্ত্রণের বড়ির ব্যবহার, স্টেরয়েড গ্রহণ ও ব্যথা নিরামক কিছু কিছু ওষুধ সেবন করলে।

উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমাতে কী করা উচিত?

জীবন যাত্রার পরিবর্তন এনে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। বংশগতভাবে উচ্চ রক্তচাপ থাকলে তা কমানো সম্ভব না। তবে এ রকম ক্ষেত্রে যেসব উপাদান নিয়ন্ত্রণ করা যায়, সেগুলোর ব্যাপারে বেশি মনোযোগী হওয়া উচিত। যেমন- অতিরিক্ত ওজন কমাতে হবে, খাওয়া দাওয়া নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং নিয়মিত ব্যায়াম ও কায়িক পরিশ্রম করতে হবে।

• খাদ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে সতর্কতা : কম চর্বি ও কম কোলেস্টেরল যুক্ত খাবার গ্রহণ করতে হবে। খাসি বা গরুর গোস্ত , কলিজা, মগজ, গিলা, গুর্দা ইত্যাদি কম খেতে হবে। কম তেলে রান্না করা খাবার ও ননী তোলা দুধ, অসম্পৃক্ত চর্বি যেমন- সয়াবিন, ক্যানোলা, ভুট্টার তেল অথবা সূর্যমুখীর তেল খাওয়া যাবে। বেশি আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করা ভালো। আটার রুটি ও সুজি জাতীয় খাবার পরিমাণ মতো খাওয়া ভালো।

• লবণ নিয়ন্ত্রণ : তরকারিতে প্রয়োজনীয় লবণের বাইরে অতিরিক্ত লবণ পরিহার করতে হবে। 

• মদ্যপান : অতিরিক্ত মদ্যপান পরিহার করতে হবে।

• নিয়মিত ব্যায়াম : সকাল-সন্ধ্যা হাঁটা-চলা, সম্ভব হলে দৌড়ানো, হালকা ব্যায়াম, লিফটে না চড়ে সিঁড়ি ব্যবহার ইত্যাদি।

• ধূমপান বর্জন : ধূমপান অবশ্যই বর্জনীয়। ধূমপায়ীর সংস্পর্শ থেকে দুরে থাকুন। তামাক পাতা, জর্দা, গুল লাগানো ইত্যাদিও পরিহার করতে হবে।

• ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ : যাদের ডায়াবেটিস আছে, তা অবশ্যই নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।  

• মানসিক ও শারীরিক চাপ সামলাতে হবে : নিয়মিত বিশ্রাম, সময় মতো ঘুমানো, শরীরকে অতিরিক্ত ক্লান্তি থেকে বিশ্রাম দিতে হবে। নিজের সখের কাজ করা বা নিজ ধর্ম চর্চা করা এসবের মাধ্যমে মানসিক শান্তি বেশি হবে।

• নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা : নিয়মিত চিকিৎসকের কাছে গিয়ে রক্তচাপ পরীক্ষা করানো উচিত। যত আগে উচ্চ রক্তচাপ ধরা পড়ে, তত আগে নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং জটিলতা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

উচ্চ রক্তচাপ হলে কি চিকিৎসা করাতেই হবে?

উচ্চ রক্তচাপ সারে না, একে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এর জন্য নিয়মিত ওষুধ সেবন করতে হবে। অনেক রোগী কিছু দিন ওষুধ খাওয়ার পর রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এলে ওষুধ বন্ধ করে দেন। মনে করেন রক্তচাপ ভালো হয়ে গেছে, কাজেই ওষুধ খাওয়ার দরকার কি? এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। কোনোক্রমেই চিকিৎসকের নির্দেশ ছাড়া ওষুধ সেবন বন্ধ করা যাবে না। 

অনেকে আবার উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত জানার পরেও ওষুধ খেতে অনীহা প্রকাশ করেন বা খেতে চান না। কারো কারো ধারণা, একবার ওষুধ খেলে তা আর বন্ধ করা যাবে না। আবার কেউ কেউ এমনও ভাবেন, উচ্চ রক্তচাপ দৈনন্দিন জীবন প্রবাহে কোনো সমস্যা করছে না বা রোগের কোনো লক্ষণ নেই, তাই উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ খেতে চান না বা প্রয়োজন মনে করেন না। তাদের ধারণা, ভালই তো আছি, ওষুধের কি দরকার? এই ধারণাগুলো সম্পূর্ণ ভুল। এ ধরনের রোগীরা হঠাৎ করে হৃদরোগ বা স্ট্রোকে আক্রান্ত হন, এমন কি মৃত্যুও হয়ে থাকে। মনে রাখতে হবে, যারা উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত তাদেরকে অবশ্যই ডাক্তারদের পরামর্শ নিতে হবে। নিয়মিত সারা জীবন ওষুধ সেবন করতে হবে। নিয়মিত চেক করাতে হবে।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাগুরায় নির্যাতিত শিশুটির জীবন সংকটাপন্ন, দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা

৫৪৯৩ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বাংলাদেশে হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাসে প্রথম আক্রান্ত নারীর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৯৭

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪৮ জন

কুমিল্লা সদর হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কুমিল্লা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে আলোচনা সভা

কোটা আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার সব খরচ দেবে সরকার

বিসিপিএসকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশনা

রাষ্ট্রপতি চিকিৎসায় বিদেশমুখীতা কমাতে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিলেন

শনিবার থেকে স্কুল-কলেজ খোলা: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

১০

‘হিটস্ট্রোকে’ এক সপ্তাহে প্রাণ গেল ১০ জনের

১১

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১২

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১৩

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত স্কুল-মাদরাসা বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

১৪

তাপদাহের কারণে আগামীকাল ৫ জেলায় স্কুল-কলেজ বন্ধ, খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয়

১৫

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি

১৬

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

কাশি থামছে না কিছুতেই, কাশি কমানোর উপকার

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতালের জন্য নতুন ১০ নির্দেশনা

বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতালের জন্য নতুন ১০ নির্দেশনা

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আজ বৃহস্পতিবার অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স প্রবেশপথে টানানো, তথ্য কর্মকর্তা নিয়োগসহ ১০ দফা নতুন নির্দেশনা দিয়েছে ।


নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ‌সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর পরিচালনার ক্ষেত্রে বর্ণিত শর্তাবলি আবশ্যিকভাবে প্রতিপালন করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো। আর এ ১০ নির্দেশনা হলো :


১. বেসরকারি ক্লিনিক হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিকের লাইসেন্সের কপি প্রতিষ্ঠানের মূল প্রবেশ পথের সামনে দৃশ্যমান স্থানে অবশ্যই স্থায়ীভাবে প্রদর্শন করতে হবে।


২. সব বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তথ্যাদি সংরক্ষণ ও সরবরাহের জন্য একজন নির্ধারিত দায়িত্বপ্রাপ্ত তথ্য কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকতে হবে। একইসঙ্গে তার ছবি ও মোবাইল নম্বর দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে।


৩. যেসব প্রতিষ্ঠানের নাম ডায়াগনস্টিক ও হাসপাতাল হিসেবে আছে, কিন্তু শুধু ডায়াগনস্টিক অথবা হাসপাতালের লাইসেন্স রয়েছে, তারা লাইসেন্স পাওয়া ছাড়া কোনাভাবেই নামে উল্লিখিত সেবা প্রদান করতে পারবে না।


৪. ডায়াগনষ্টিক সেন্টার, প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরির ক্ষেত্রে যে ক্যাটারগরিতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত, শুধু সে ক্যাটাগরিতে নির্ধারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া কোনোভাবেই অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা যাবে না। ক্যাটাগরি অনুযায়ী প্যাথলজি বা মাইক্রোবায়োলজি, বায়োকেমিস্ট্রি ও রেডিওলজি বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করতে হবে।


৫. বেসরকারি ক্লিনিক, হাসপাতালের ক্ষেত্রে লাইসেন্সের প্রকারভেদ ও শয্যা সংখ্যা অনুযায়ী সব শর্তাবলি বাধ্যতামূলকভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।


৬. হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়োজিত সব চিকিৎসকের পেশাগত ডিগ্রির সনদ, বিএমডিসির হালনাগাদ নিবন্ধন ও নিয়োগপত্রের কপি অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে।


৭. হাসপাতাল, ক্লিনিকের ক্ষেত্রে যে কোনো ধরনের অপারেশন বা প্রসিডিউরের জন্য অবশ্যই রেজিস্ট্রার্ড চিকিৎসককে সার্জনের সহকারী হিসেবে রাখতে হবে।


৮. কোনো অবস্থাতেই লাইসেন্সপ্রাপ্ত বা নিবন্ধিত হাসপাতাল ও ক্লিনিক ব্যতীত চেম্বারে অথবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়া যাবে না। বিএমডিসি স্বীকৃত বিশেষজ্ঞ ছাড়া যে কোনো ধরনের অপারেশন/সার্জারি/ ইন্টারভেনশনাল প্রসেডিউর করা যাবে না।


৯. সব বেসরকারি নিবন্ধিত লাইসেন্সপ্রাপ্ত হাসপাতাল, ক্লিনিকে লেবার রুম প্রটোকল অবশ্যই মেনে চলতে হবে।


১০. নিবন্ধিত বা লাইসেন্সপ্রাপ্ত হাসপাতাল, ক্লিনিকে অপারেশন থিয়েটারে অবশ্যই ‘Operation Theatre Etiquette’ মেনে চলতে হবে।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাগুরায় নির্যাতিত শিশুটির জীবন সংকটাপন্ন, দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা

৫৪৯৩ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বাংলাদেশে হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাসে প্রথম আক্রান্ত নারীর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৯৭

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪৮ জন

কুমিল্লা সদর হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কুমিল্লা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে আলোচনা সভা

কোটা আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার সব খরচ দেবে সরকার

বিসিপিএসকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশনা

রাষ্ট্রপতি চিকিৎসায় বিদেশমুখীতা কমাতে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিলেন

শনিবার থেকে স্কুল-কলেজ খোলা: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

১০

‘হিটস্ট্রোকে’ এক সপ্তাহে প্রাণ গেল ১০ জনের

১১

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১২

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১৩

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত স্কুল-মাদরাসা বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

১৪

তাপদাহের কারণে আগামীকাল ৫ জেলায় স্কুল-কলেজ বন্ধ, খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয়

১৫

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি

১৬

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

কাশি থামছে না কিছুতেই, কাশি কমানোর উপকার

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

কাশি থামছে না কিছুতেই, কাশি কমানোর উপকার

কাশি থামছে না কিছুতেই, কাশি কমানোর উপকার

ওষুধ, কাফ সিরাপ, অ্যান্টিবায়োটিক— সব রকম ভাবে চেষ্টা চালিয়েও কাশি থামছে না কিছুতেই।

কাশি এক বার শুরু হলে, তা সহজে সারতে চায় না। তবে কাশি কমানোর কিছু ঘরোয়া নিয়ম রয়েছে। সেগুলি মেনে চললে উপকার পেতে পারেন।

 নুন জলে গার্গল:

কাশির দাপট নিয়ন্ত্রণে রাখার সবচেয়ে ভাল উপায় হল গরম জলে সামান্য নুন দিয়ে গার্গল করা। সকালে ঘুম থেকে উঠে এবং রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে দু’বার গার্গল করতেই হবে। প্রয়োজনে আরও বেশি বার করা যেতে পারে।

হলুদ এবং দুধ:

রান্নাঘরের অপরিহার্য উপকরণ হল হলুদ। এতে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। বিশেষ করে গরম দুধে হলুদ মিশিয়ে খেলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়িয়ে তোলে। প্রতি দিন রাত্রে ঘুমোতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস গরম দুধে হলুদ মিশিয়ে খেলে ঠান্ডা লাগা এবং সর্দি-কাশির সমস্যা থেকে দ্রুত রেহাই মিলতে পারে।

 মধু, তুলসীপাতা এবং গোলমরিচ:

প্রতি দিন এক চামচ করে এমনি মধু খেতে পারেন। আবার, এক চামচ মধুর সঙ্গে তুলসীপাতার রস এবং এক চিমটে গোলমরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে খেতে পারেন। গলায় কোনও রকম সংক্রমণ হলে তা সেরে যাবে এই টোটকায়।

 গরম জলের ভাপ:ঠান্ডা লাগলে চিকিৎসকেরা প্রথমেই ভাপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। গলায় জমে থাকা মিউকাস তাপের সংস্পর্শে বাইরে বেরিয়ে আসে। তবে শুধু গরম জলে ভাপ না নিয়ে তার মধ্যে লবঙ্গ কিংবা ইউক্যালিপটাস অয়েল মিশিয়ে নিতে পারেন।

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাগুরায় নির্যাতিত শিশুটির জীবন সংকটাপন্ন, দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা

৫৪৯৩ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বাংলাদেশে হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাসে প্রথম আক্রান্ত নারীর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৯৭

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪৮ জন

কুমিল্লা সদর হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কুমিল্লা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে আলোচনা সভা

কোটা আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার সব খরচ দেবে সরকার

বিসিপিএসকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশনা

রাষ্ট্রপতি চিকিৎসায় বিদেশমুখীতা কমাতে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিলেন

শনিবার থেকে স্কুল-কলেজ খোলা: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

১০

‘হিটস্ট্রোকে’ এক সপ্তাহে প্রাণ গেল ১০ জনের

১১

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১২

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১৩

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত স্কুল-মাদরাসা বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

১৪

তাপদাহের কারণে আগামীকাল ৫ জেলায় স্কুল-কলেজ বন্ধ, খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয়

১৫

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি

১৬

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

কাশি থামছে না কিছুতেই, কাশি কমানোর উপকার

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

গত ৪ এপ্রিল প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। গভীর রাতে গোটা সিয়ারা লিওন যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ নামক মাদকের ব্যবহার।

মানুষের হাড় জোগাড় করতে মাদক প্রস্তুতকারকেরা হানা দিচ্ছেন কবরস্থানে। কবর খুঁড়ে বার করে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল। তার পর সেই কঙ্কালের হাড় গুঁড়ো করে অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদার্থের সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করে ফেলা হচ্ছে কুশ। সিগারেট, বিড়ি বা গাঁজার মতো এই মাদক সেবন করছেন সিয়েরা লিওনের বাসিন্দারা।


শুধু জরুরি অবস্থা জারি করে নিশ্চিন্ত হতে পারেননি সে দেশের প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস মাদা বায়ো, কবরস্থান গুলিতে মোতায়েন করতে হয়েছে সশস্ত্র নিরাপত্তা বাহিনী।পশ্চিম আফ্রিকার সিয়েরা লিওন নামক ছোট্ট দেশটির কাছে এখন হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে ওই মাদক। এক জাতীয় মাদকের ব্যবহার রুখতে জারি করা হল জরুরি অবস্থা।

হাজার হাজার মানুষ ছুটছেন এই মাদকের পিছনে। ভয়াবহতা আর তৈরির প্রক্রিয়ার জন্য একে ‘পিশাচ মাদক’ও বলা হয়।সিয়েরা লিওনে এখন আতঙ্কের কারণ কুশ। কুশ এক ধরনের মাদক। কিন্তু সে দেশের বেশির ভাগ নাগরিকের কাছেই কুশ যেন ‘অমৃত’।

এই কুশের দাম বেশ কম। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, মাত্র ৮০০ টাকার মাদক কিনে বেশ কয়েক জন নেশা করেন। তবে যে দেশের বার্ষিক আয় মাত্র ৪২ হাজার টাকা, সে দেশের মানুষের কাছে কুশ এক বিলাসিতা। কিন্তু নেশার টানে সেই বিলাসিতার জীবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার যুবক।

যে সব পদার্থ মিশিয়ে কুশ তৈরি করা হয়, তা চিকিৎসকদের আরও বেশি করে চিন্তায় ফেলেছে। অনেকেই এই মাদককে ‘মৃত্যুফাঁদ’ বলেও উল্লেখ করছেন। বহু প্রচার করেও এই মাদক ব্যবহার থেকে দেশের মানুষকে বিরত করতে পারেনি প্রশাসন। দেশে তাই জরুরি অবস্থা জারি করা ছাড়া কোনও রাস্তা ছিল না বলে দাবি করেছেন বায়ো।

এই মাদক তৈরিতে ব্যবহার করা হয় সালফার। আর এই সালফার জোগাড় করতেই প্রয়োজন পড়ছে মানুষের হাড়! হাড় গুঁড়ো করে মাদকে মেশানো হচ্ছে।কুশ বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত পদার্থ মিশিয়ে তৈরি করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে ফেন্টানাইল, গাঁজা, ফর্মালডিহাইড জাতীয় দ্রব্য।

গভীর রাতে গোটা সিয়েরা লিওন যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ! তিনি বলেন, ‘‘বর্তমানে বিধ্বংসী সিন্থেটিক মাদক কুশের অপব্যবহারের কারণে আমাদের দেশ অস্তিত্বগত সঙ্কটে ভুগছে। এই মাদক এক মৃত্যুফাঁদ। মানুষ এই মাদক সেবন করে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।’’

জুলিয়াস সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে ভাবেই হোক কুশ ব্যবহার আটকাবেই তারা।কবর থেকে কঙ্কাল চুরি আটকাতে কবরস্থানের চারপাশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করেছে সিয়েরা লিওন সরকার। সন্দেহভাজন কোনও ব্যক্তিকে দেখলেই গ্রেফতার করা হচ্ছে।

বর্তমানে গোটা দেশ যেন নেশায় আচ্ছন্ন। বছর কয়েক আগেও এই দেশের অবস্থা এমন ভয়াবহ ছিল না। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মাদক এক বার সেবন করলে তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায় পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশে বেকারত্বের হার প্রায় ৬০ শতাংশ। দু’বেলা পেটভরা খাবার জোগাতে হিমশিম খান বেশির ভাগ মানুষ। কিন্তু খাবারের থেকেও কুশ সেবনের প্রবণতা বেশি। আর তা কেনার জন্য অর্থ জোগাড় করতে অপরাধ জগতে পা দিচ্ছেন অনেকেই।যে ব্যক্তি এই মাদক সেবন করেন, তিনি কয়েক ঘণ্টা নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকেন। বিশেষত, তরুণ প্রজন্মের মধ্যেই এই মাদক সেবনের প্রবণতা বেশি।

কুশ ব্যবহারের ফলে স্নায়ু শিথিল হয়ে যায়। স্বাভাবিক চিন্তাভাবনার শক্তি হারিয়ে ফেলেন সেবনকারী। তবে কুশে ব্যবহৃত ফেন্টানাইলের মতো দ্রব্যগুলির নেতিবাচক প্রভাব ভয়ঙ্কর।

২০২০ সালেও সিয়েরা লিওনে এই মাদকের ব্যবহার এতটা ছিল না। সরকারি এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২০ সালে গোটা দেশে কুশ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৭। ২০২২ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ১০১।

২০২০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই মাদক ব্যবহার বেড়েছে চার হাজার শতাংশ। তাঁদের মধ্যে বেশির ভাগই পুরুষ। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সিরাই এই মাদকে আসক্ত হচ্ছেন বেশি।

এই মাদকের ফলে সিয়েরা লিওনে বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যুর হার। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, সে দেশের হাসপাতালগুলিতে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ৬৩ শতাংশই কুশ মাদকে আসক্ত। এই মাদকে আসক্ত অসুস্থ হয়ে পড়া ব্যক্তিদের বাঁচার সম্ভাবনা খুবই কম।

চিকিৎসকদের মতে, কুশ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেমন হৃদ্‌যন্ত্র, মস্তিষ্ক, লিভার, কিডনি এবং ফুসফুসে সরাসরি প্রভাব বিস্তার করে। ফলে এক বা একাধিক অঙ্গ বিকল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। প্রধানত অঙ্গ বিকল হয়েই মৃত্যু হয় কুশ মাদকে আসক্ত ব্যক্তির।

এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ নামক মাদকের এক জাতীয় মাদকের ব্যবহার রুখতে জারি করা হল জরুরি অবস্থা। পশ্চিম আফ্রিকার সিয়েরা লিওন নামক ছোট্ট দেশটির কাছে এখন হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে ওই মাদক। শুধু জরুরি অবস্থা জারি করে নিশ্চিন্ত হতে পারেননি সে দেশের প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস মাদা বায়ো, কবরস্থানগুলিতে মোতায়েন করতে হয়েছে সশস্ত্র নিরাপত্তা বাহিনী।

সিয়েরা লিওনে এখন আতঙ্কের কারণ কুশ। কুশ এক ধরনের মাদক। কিন্তু সে দেশের বেশির ভাগ নাগরিকের কাছেই কুশ যেন ‘অমৃত’। হাজার হাজার মানুষ ছুটছেন এই মাদকের পিছনে। ভয়াবহতা আর তৈরির প্রক্রিয়ার জন্য একে ‘পিশাচ মাদক’ও বলা হয়।

যে সব পদার্থ মিশিয়ে কুশ তৈরি করা হয়, তা চিকিৎসকদের আরও বেশি করে চিন্তায় ফেলেছে। অনেকেই এই মাদককে ‘মৃত্যুফাঁদ’ বলেও উল্লেখ করছেন। বহু প্রচার করেও এই মাদক ব্যবহার থেকে দেশের

মানুষকে বিরত করতে পারেনি প্রশাসন। দেশে তাই জরুরি অবস্থা জারি করা ছাড়া কোনও রাস্তা ছিল না বলে দাবি করেছেন বায়ো।

 গত ৪ এপ্রিল গভীর রাতে গোটা সিয়েরা লিওন যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। এই জরুরি অবস্থার নেপথ্যে একমাত্র কারণ কুশ! তিনি বলেন, ‘‘বর্তমানে বিধ্বংসী সিন্থেটিক মাদক কুশের অপব্যবহারের কারণে আমাদের দেশ অস্তিত্বগত সঙ্কটে ভুগছে। এই মাদক এক মৃত্যুফাঁদ। মানুষ এই মাদক সেবন করে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।’’

কুশ বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত পদার্থ মিশিয়ে তৈরি করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে ফেন্টানাইল, গাঁজা, ফর্মালডিহাইড জাতীয় দ্রব্য। শুধু তা-ই নয়, এই মাদক তৈরিতে ব্যবহার করা হয় সালফার। আর এই সালফার জোগাড় করতেই প্রয়োজন পড়ছে মানুষের হাড়! হাড় গুঁড়ো করে মাদকে মেশানো হচ্ছে।

 মানুষের হাড় জোগাড় করতে মাদক প্রস্তুতকারকেরা হানা দিচ্ছেন কবরস্থানে। কবর খুঁড়ে বার করে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল। তার পর সেই কঙ্কালের হাড় গুঁড়ো করে অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদার্থের সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করে ফেলা হচ্ছে কুশ। সিগারেট, বিড়ি বা গাঁজার মতো এই মাদক সেবন করছেন সিয়েরা লিওনের বাসিন্দারা।

 কবর থেকে কঙ্কাল চুরি আটকাতে কবরস্থানের চারপাশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করেছে সিয়েরা লিওন সরকার। সন্দেহভাজন কোনও ব্যক্তিকে দেখলেই গ্রেফতার করা হচ্ছে। জুলিয়াস সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে ভাবেই হোক কুশ ব্যবহার আটকাবেই তারা।

 বছর কয়েক আগেও এই দেশের অবস্থা এমন ভয়াবহ ছিল না। বর্তমানে গোটা দেশ যেন নেশায় আচ্ছন্ন। যে ব্যক্তি এই মাদক সেবন করেন, তিনি কয়েক ঘণ্টা নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকেন। বিশেষত, তরুণ প্রজন্মের মধ্যেই এই মাদক সেবনের প্রবণতা বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মাদক এক বার সেবন করলে তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়।

 পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশে বেকারত্বের হার প্রায় ৬০ শতাংশ। দু’বেলা পেটভরা খাবার জোগাতে হিমশিম খান বেশির ভাগ মানুষ। কিন্তু খাবারের থেকেও কুশ সেবনের প্রবণতা বেশি। আর তা কেনার জন্য অর্থ জোগাড় করতে অপরাধ জগতে পা দিচ্ছেন অনেকেই।

 কুশ ব্যবহারের ফলে স্নায়ু শিথিল হয়ে যায়। স্বাভাবিক চিন্তাভাবনার শক্তি হারিয়ে ফেলেন সেবনকারী। তবে কুশে ব্যবহৃত ফেন্টানাইলের মতো দ্রব্যগুলির নেতিবাচক প্রভাব ভয়ঙ্কর।এই মাদকের ফলে সিয়েরা লিওনে বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যুর হার। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, সে দেশের হাসপাতালগুলিতে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ৬৩ শতাংশই কুশ মাদকে আসক্ত। এই মাদকে আসক্ত অসুস্থ হয়ে পড়া ব্যক্তিদের বাঁচার সম্ভাবনা খুবই কম।


২০২০ সালেও সিয়েরা লিওনে এই মাদকের ব্যবহার এতটা ছিল না। সরকারি এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২০ সালে গোটা দেশে কুশ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৭। ২০২২ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ১০১।

 ২০২০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে এই মাদক ব্যবহার বেড়েছে চার হাজার শতাংশ। তাঁদের মধ্যে বেশির ভাগই পুরুষ। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সিরাই এই মাদকে আসক্ত হচ্ছেন বেশি।

চিকিৎসকদের মতে, কুশ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেমন হৃদ্‌যন্ত্র, মস্তিষ্ক, লিভার, কিডনি এবং ফুসফুসে সরাসরি প্রভাব বিস্তার করে। ফলে এক বা একাধিক অঙ্গ বিকল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। প্রধানত অঙ্গ বিকল হয়েই মৃত্যু হয় কুশ মাদকে আসক্ত ব্যক্তির।

এই কুশের দাম বেশ কম। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, মাত্র ৮০০ টাকার মাদক কিনে বেশ কয়েক জন নেশা করেন। তবে যে দেশের বার্ষিক আয় মাত্র ৪২ হাজার টাকা, সে দেশের মানুষের কাছে কুশ এক বিলাসিতা। কিন্তু নেশার টানে সেই বিলাসিতার জীবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার যুবক।

 

global fast coder

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাগুরায় নির্যাতিত শিশুটির জীবন সংকটাপন্ন, দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা

৫৪৯৩ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

বাংলাদেশে হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাসে প্রথম আক্রান্ত নারীর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৯৭

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৬ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১২৪৮ জন

কুমিল্লা সদর হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কুমিল্লা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে আলোচনা সভা

কোটা আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসার সব খরচ দেবে সরকার

বিসিপিএসকে রাষ্ট্রপতির নির্দেশনা

রাষ্ট্রপতি চিকিৎসায় বিদেশমুখীতা কমাতে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিলেন

শনিবার থেকে স্কুল-কলেজ খোলা: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

১০

‘হিটস্ট্রোকে’ এক সপ্তাহে প্রাণ গেল ১০ জনের

১১

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১২

গরমে অসুস্থ হয়ে সড়কে পড়ে যান রিকশাচালক, প্রাণ বাঁচাল ট্রাফিক পুলিশ

১৩

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত স্কুল-মাদরাসা বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

১৪

তাপদাহের কারণে আগামীকাল ৫ জেলায় স্কুল-কলেজ বন্ধ, খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয়

১৫

দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি

১৬

তাপপ্রবাহের মাঝে সুস্থ থাকতে কী করবেন - চিকিৎসক

১৭

সৌদির চেয়েও তাপমাত্রা বেশি ঢাকায়

১৮

কাশি থামছে না কিছুতেই, কাশি কমানোর উপকার

১৯

কবরস্থান পাহারা দিচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী! কবর খুঁড়ে আনা হচ্ছে মানুষের কঙ্কাল

২০