

আগামীকাল থেকে শুরু হবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের যাত্রা। মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় বসবে এই সংসদের প্রথম অধিবেশন।
১ম অধিবেশনে নির্বাচিত করা হবে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার। এরপর ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। ইতোমধ্যে প্রথম অধিবেশনের জন্য সব প্রস্তুতি শেষ করেছে সংসদ সচিবালয়।
এরইমধ্যে সংসদ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আর উপনেতা হয়েছেন মতিয়া চৌধুরী। পাশাপাশি বিরোধী দলীয় নেতা হয়েছেন জাতীয় পার্টির জি এম কাদের ও উপনেতা আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। দ্বাদশ সংসদে আওয়ামী লীগের ২২৩ জন সংসদ সদস্য ছাড়াও স্বতন্ত্র ৬২ জন, জাতীয় পার্টির ১১ জন এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, ওয়ার্কার্স পার্টি ও কল্যাণ পার্টির একজন করে সংসদ সদস্য আছেন।
সংসদ সচিবালয়ের তথ্যানুযায়ী, একাদশ সংসদের যাত্রা শুরু হয় ২০১৯ সালের ৩০ জানুয়ারি। ২০২৩ সালের ২ নভেম্বর অধিবেশন শেষ হয়। সর্বশেষ ২৫তম অধিবেশনের ৯ কার্যদিবসসহ এই সংসদের মোট কার্যদিবস ছিল ২৭২টি। এর আগে দশম সংসদ ৪১০ কার্যদিবস ও নবম সংসদ ৪১৮ কার্যদিবস চলে।
মন্তব্য করুন


বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ৩১ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে মোংলা বন্দরে পৌঁছেছে বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ এমভি বসুন্ধরা ইমপ্রেস।
২৩ সেপ্টেম্বর শনিবার ভোর ৫টার দিকে বন্দরের হাড়বাড়িয়া-১১ নম্বরে নোঙর করেছে জাহাজটি।
ইতোমধ্যে জাহাজের কয়লা খালাস শুরু হয়েছে। খালাস শেষে লাইটার জাহাজে করে নেওয়া হবে রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের জেটিতে।
এর আগে, গত ৪ সেপ্টেম্বর ইন্দোনেশিয়ার মুয়ারা পাত্তাই বন্দর থেকে ৪৯ হাজার ৭শ মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে বাংলাদেশের উদ্দেশে আসে বাণিজ্যিক জাহাজ এমভি বসুন্ধরা ইমপ্রেস। সেখান থেকে প্রথমে ১৮ হাজার ৪শ মেট্রিকটন কয়লা খালাস করা হয় চট্টগ্রাম বন্দরে। পরে অবশিষ্ট কয়লা নিয়ে জাহাজটি মোংলা বন্দরে আসে।
জাহাজটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট টগি শিপিং অ্যান্ড লজিস্টিক লিমিটেড, খুলনার সহকারী ব্যবস্থাপক খন্দকার রিয়াজুল হক জানান, শুরু হয়েছে কয়লা খালাস এর কাজ। খালাস শেষে কয়লা গুলো লাইটার জাহাজে করে বিদ্যুৎকেন্দ্রের জেটিতে নিয়ে সেখান থেকে ইয়ার্ডে রাখা হবে কয়লা।
মন্তব্য করুন


শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করতে চায় দক্ষিণ কোরিয়া।
দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের এক বিবৃতিতেতে এ কথা জানিয়ে আরো বলা হয়েছে যে, অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশে দ্রুত শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে বলে আশাবাদী দক্ষিণ কোরিয়া। কোরিয়া-বাংলাদেশ সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যেতে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করার জন্য উন্মুখ দক্ষিণ কোরিয়া।
প্রসঙ্গত, গত ৫ আগস্ট ছাত্র আন্দোলনের মুখে সরকারের পতনের গত ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হয়।
মন্তব্য করুন


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডাবের দোকানগুলোতে অভিযান চালিয়ে দুই ব্যবসায়ীকে ৬ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেছে জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
এ অভিযান চালানো হয় ৩১ আগস্ট বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায়।
জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান বলেন, ডাবের বাজারদর স্থিতিশীল রাখতে চালানো হচ্ছে অভিযান। অভিযানে ডাবের কেনা দামের রশিদ না রাখায় এবং বাড়তি দামে ডাব বিক্রি করায় দুই ডাব ব্যবসায়ীকে মোট সাড়ে ছয় হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এর মধ্যে ৯০ টাকায় ডাব কিনে ১৬০ টাকায় বিক্রি করায় রেলগেটের ডাব ব্যবসায়ী মো. শামীম মিয়াকে ৫ হাজার টাকা এবং রেলস্টেশন এলাকার ডাবের আড়ত মায়ের দোয়ার মালিককে দেড় হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ম্যাজিস্ট্রেট দেখে পালিয়ে যাওয়ায় জানা যায়নি মায়ের দোয়া আড়তের মালিকের নাম।
মন্তব্য করুন


জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের দায়িত্ব
ছেড়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম।
নিজ ফেসবুক প্রোফাইলে আজ বুধবার (২২
জানুয়ারি) সকালে দেওয়া এক পোস্টে দায়িত্ব ছাড়ার বিষয়টি জানিয়ে তিনি লিখেছেন, জুলাই
শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে আমি নেই। এ ফাউন্ডেশনের গতি ত্বরান্বিত
করার জন্য ফাউন্ডেশনের গঠনতন্ত্র, কাঠামো ও কাজের প্রক্রিয়াতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।
এখন থেকে ‘এক্সিকিউটিভ কমিটি’ পুরো অফিসের সার্বিক বিষয় পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবে।
চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) সেখানে অফিসের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। মীর
মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ বর্তমানে সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। ‘গভর্নিং বডি’ ফাউন্ডেশনের
পলিসি মেকিংয়ে কাজ করবে। যেখানে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টাসহ চারজন উপদেষ্টা রয়েছেন (স্বাস্থ্য,
সমাজকল্যাণ, স্থানীয় সরকার, আইসিটি)। ‘সাধারণ সম্পাদক’ নামে কোনো পদ এখন নেই। এ ফাউন্ডেশন
প্রথম আর্থিক সহযোগিতা শুরু করে ১ অক্টোবর, অফিস চালু হয় ১৫ অক্টোবর থেকে। আমি সাধারণ
সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছি ২১ অক্টোবর। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় ২ মাস ১০
দিন আমি দায়িত্ব পালন করি। এরপর আমি দায়িত্ব থেকে সরে আসি। ফাইনালি আমার সাইনিং অথোরিটি
৭ জানুয়ারি হস্তান্তর হয় এবং অফিসিয়ালি আমার দায়িত্ব শেষ করি। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত
ভেরিফায়েড ৮২৬ জন শহীদ পরিবারের মধ্যে ৬২৮ জনকে আর্থিক সহযোগিতা করা হয়। পাশাপাশি প্রায়
১১ হাজার ভেরিফায়েড আহতের মধ্যে প্রায় ২ হাজার আহতকে আর্থিক সহযোগিতা করা হয়। যতদিন
পর্যন্ত আমি আমার সর্বোচ্চ সময় ফাউন্ডেশনে দিতে পেরেছি ততদিন আমি দায়িত্ব পালন করেছি।
যখন মনে হয়েছে এখন থেকে ফাউন্ডেশনে প্রয়োজনীয় সময় দেওয়া আমার জন্য সম্ভব হবে নয়, তখন
আমি দায়িত্ব থেকে সরে এসেছি। আমার কাছে নিজের সীমাবদ্ধতা অ্যাড্রেস করা এবং সে অনুযায়ী
দায়িত্ব গ্রহণ বা ত্যাগ করা কোনো দুর্বলতা নয়, বরং এটাতে সৎ সাহস লাগে। আমি চেষ্টা
করেছি আমার চেয়ারের দায়িত্বের সঙ্গে সৎ থাকতে।
মন্তব্য করুন


শাহানাজ পারভিন চৌধুরী
পরিচালক, ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশ
আজ ২১ মার্চ। বিশ্ব ডাউন সিনড্রোম দিবস।পৃথিবীর সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ ও ভালোবাসার একটি শব্দ হচ্ছে মা। মায়ের কাছে একটি সন্তান যেমন তার জগৎ তেমনি সন্তানের কাছে তার মা-ই সব। আর এজন্য মা এবং সন্তানের মধ্যকার সম্পর্কটি সবচেয়ে মধুর ও মমতাময়। একটি সন্তান যখন ঠিক মতো খেতে পারে না কথা বলতে পারে না এমন কি নিজের কাজ নিজেও করতে পারে না তখন তাকে আগলে রাখেন মা। তার পরম মমতার চাদরের উষ্ণতায় তাকে বড় করে তোলে। সন্তানের সব আবদার মা হাসি মুখে মেনে নেয়। সেই ভালোবাসা মাখা মা ডাক মায়ের কাছে যেন মধুর থেকেও মধুর হয়ে যায়। এই ভাবেই মায়ের সাথে সন্তানের সম্পর্ক সুন্দর আর ভালোবাসা পূর্ণ হয়ে ওঠে। ডাউন সিনড্রোম শিশুরা সময়ের সাথে সাথে বয়সে বড় হলেও তাদের হৃদয় থাকে শিশুদের মতো কোমল। ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন শিশু ও ব্যক্তিরা মা-বাবা,আত্মীয়-স্বজন,প্রতিবেশী সকলের কাছ থেকে সব সময় শুধু একটা জিনিস ই চায় আর তা হলো - ভালোবাসা ।
প্রতি বছরের মতো ডাউন সিনড্রোম সোসাইটি অব বাংলাদেশ- দেশব্যাপী ডাউন সিনড্রোম কমিউনিটিকে সঙ্গে নিয়ে যথাযথ মর্যাদায় এ বিশেষ দিবসটি উদযাপন করছে। এ বছর জাতীয়ভাবে ১১তম ও আন্তর্জাতিকভাবে ১৯তম বারের মতো বিশ্ব ডাউন সিনড্রোম দিবসটি পালিত হচ্ছে। ২০১২ সাল থেকে জাতিসংঘ সারাবিশ্বে বিশ্ব ডাউন সিনড্রোম দিবসটি উদযাপন করে আসছে। এরই মাধ্যমে ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু ও ব্যক্তিরা সমাজে তাদের অধিকার ফিরে পাওয়ার মাধ্যমে একীভূত সমাজ গঠনে কার্যকরী অবদান রাখবে বলে আশা রাখি।
ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু ও ব্যক্তিদের নিয়ে কাজ করতে গিয়ে আমাকে প্রায়শই মায়েদের কাছ থেকে একটি প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। তা হলো- ‘আপা, আমি আমার ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুর যত্ন কিভাবে করবো? এরই পরিপ্রেক্ষিতে আমার আজকে এই প্রবন্ধটি লেখা। যাতে করে মায়েরা তাদের শিশুকে সঠিকভাবে পরিচর্যা করতে পারেন।
ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুর যত্নে পিতামাতার ভূমিকা মুখ্য। কারণ শিশু স্বাভাবিকভাবেই পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের তুলনায় বাবা-মার সাথেই বেশি সময় অতিবাহিত করে থাকে।
আমি আমার সন্তান রাফানকে যেভাবে গড়ে তুলেছি তাই আজকে আমি আপনাদের কাছে তুলে ধরবো। নিম্নে ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুকে বাবা-মা কিভাবে লালনপালন করবে তার একটি বয়সভিত্তিক সার্বিক চিত্র উপস্থাপন করা হলো। উপস্থাপনাটি কোন গবেষণা বা প্রমিত মানদন্ডের ভিত্তিতে প্রণীত হয়নি। তাই এটি স্থান, কাল, পাত্রভেদে পরিবর্তিত হতে পারে।
৬-১২ সপ্তাহ
কিছুর প্রয়োজন হলে কান্না করা, শিশুর মাথা স্থির রাখা ও কোন জিনিসের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা এই বয়সে শিশুর স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। কিন্তু ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুদের বিকাশ অন্যদের থেকে তুলনামূলক দেরিতে হওয়ায় মা-বাবাকে অল্প বয়স থেকেই ঘাড়, মেরুদণ্ড, শরীরের পেশীসমূহে দিনে দুইবার করে ম্যাসাজ করতে হবে। শিশুর সামনে ঝুনঝুনি বা হালকা রকমারি আলোর ব্যবস্থা করা যেতে পারে, যাতে করে তার দৃষ্টির স্থিরতা আসে।
৩ মাস
বিভিন্ন ধরণের কু-ধ্বনি উচ্চারণ করা, মাকে চিনতে পারা, তার গলার আওয়াজ শুনে খোঁজা ও কিছুক্ষণ মাথা সোজা রাখা এই বয়সে সাধারণ শিশুদের বৈশিষ্ট্য। সেক্ষেত্রে মা শিশুকে কোলে নিয়ে আধবোলে কথা বলা, তালি বা শব্দের মাধ্যমে দৃষ্টি আকর্ষণ করা ও নিয়মিত পেশীর ম্যাসাজ- এই বয়সে ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুদের ক্ষেত্রে নিয়মিত করতে হবে।
৬ মাস
আধবুলি (বা…বা, দাদা….দা, মা…মা, মা…ম) করা, আশেপাশের শব্দে মাথা ঘোরানো, ঠেকা দিয়ে অল্প সময়ের জন্য বসা, চিত ও উপুড় হতে পারা এই সময়ের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। এই সময়ে বাবা-মা শিশুকে নরম বালিশে শোয়ানো ও নরম কিছু দিয়ে ঠেকা দেওয়ার মাধ্যমে বসানোর চেষ্টা করতে পারে।
৯ মাস
কিছু না ধরে বসা ও হামাগুড়ি দেওয়া এই বয়সে শিশুর মধ্যে না দেখলে বাবা-মা শিশুর চারপাশে বালিশ দিয়ে বসানোর চেষ্টা করবে এবং নিয়মিত পেশীর ম্যাসাজ করাবে।
১২ মাস
সব শেষ/আরো দাও বলতে পারে, দাঁড়ানোর চেষ্টা করা এবং আসবাবপত্র ধরে হাঁটা এই বয়স থেকেই একজন সাধারণ শিশু শুরু করে। কিন্তু এই বৈশিষ্ট্যগুলো একজন ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুর মধ্যে না দেখা দিলে শিশুকে একটি ওয়াকার কিনে দিতে হবে এবং সাথে সাথে পেশীর ব্যায়ামগুলো চলমান রাখতে হবে।
১৮ মাস
কুকুরকে কুকুল, দুই শব্দে কথা বলা, গ্লাস ধরে পানি পান করা এবং হাঁটা এ বয়সের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। কিন্তু ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুর বিকাশ ধীরে হয়। তাই বাবা-মা শিশু কিছু না ধরতে পারলে শিশুর আঙ্গুল ও কব্জির সংযোগস্থলে নিয়মিত দুইবেলা ম্যাসাজ করবে এবং ওয়াকারের মাধ্যমে হাঁটানোর চেষ্টা করাতে হবে। এই বয়সেও সে এক শব্দের কথা না বললে, মা শিশুকে নিয়ে আয়নার সামনে বসে ধীর লয়ে কথা বলানোর চেষ্টা করবে।
২ বছর
সীমিত বহুবচনের ব্যবহার, কি/কোথায় জাতীয় প্রশ্ন ও এ জাতীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, দৌঁড়াতে পারা, কিছু চাওয়া, পায়জামা ধরণের জামাকাপড় খুলে ফেলা এই বৈশিষ্ট্যগুলো দুই বছর বয়সে স্বাভাবিক। অন্যথায় বাবা-মা শিশুকে কোন কিছুতে দড়ি বেঁধে দিয়ে বা আসবাবপত্র ধরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করাতে হবে এবং ধীরেধীরে হাঁটানোর চেষ্টা করাতে হবে।
৩ বছর
প্রায় ৮০০০ শব্দ বলতে পারে, স্মৃতি হতে ৫ পর্যন্ত সংখ্যা, মৌলিক রংয়ের নাম, ক্রিয়ার অতীতকালের রূপ, তিন শব্দ বিশিষ্ট বাক্য যেমন, আমি ভাত খাই, বাবা কই যাও?, হাত তুলে কাঁধের উপর থেকে কিছু ছোঁড়া, কিছু সরিয়ে রাখা এই বয়সের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য হলেও ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুদের ক্ষেত্রে তিন বছর বয়সে এই বৈশিষ্ট্যগুলো নাও পরিলক্ষিত হতে পারে। সেক্ষেত্রে বাবা-মা পরিচিত জিনিসপত্রের নাম বলা, শিশু যে শব্দগুলো বলে তা পুনরাবৃত্তি করা, বিভিন্ন রংয়ের সাথে পরিচয় করানোর চেষ্টা করতে হবে।
৪ বছর
নিজের নাম ও বয়স বলা, বস্তুর ব্যবহার সম্পর্কে জানা, সাইকেলে প্যাডেলিং করা, বই বা ম্যাগাজিন দেখে ছবির নাম বলা এই বয়সে শিশুদের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। সেক্ষেত্রে বাবা-মা উক্ত ডাউন সিনড্রোম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু যদি এগুলো না করতে পারে তাহলে তাকে নিয়মিত বিভিন্ন রঙিন বই বা ছবিযুক্ত ম্যাগাজিন নিয়ে নিয়ম করে সকাল ও সন্ধ্যা দুইবেলা পড়ার টেবিলে বসাতে হবে। এর মাধ্যমে শিশুর যেমন বসার অভ্যাস তৈরি হবে তেমনি সে পড়ালেখার প্রতিও আগ্রহী হবে। এছাড়া বাংলা ও ইংরেজি বর্ণমালা শিশুকে লিখানোর চেষ্টা করাতে হবে এবং ধীরে ধীরে তাকে প্রি-স্কুলিংয়ের জন্য প্রস্তুত করতে হবে।
৫ বছর
১৫০০-২০০০ শব্দ বলতে পারা, শব্দের অনিয়মিত বহুবচনের ব্যবহার, বিভিন্ন জটিল বাক্য যেমন, আমরা নানা বাড়িতে এত সুন্দর ঘুরেছি যে খুব মজা হয়েছিলো, জামাকাপড়ের বোতাম লাগানো, কয়েকটি রংয়ের নাম বলা, সিঁড়ি দিয়ে নামতে পারা, পা ফাঁকা করে লাফানো পাঁচ বছর বয়সী শিশুর স্বাভাবিক বিকাশের ধাপ।
মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড গভর্নমেন্ট সামিট ২০২৫- এ
যোগ দিতে দুবাই পৌঁছেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস।
বুধবার স্থানীয় সময় রাত ১১:১৫ মিনিটে
তিনি সেখানে পৌঁছান বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্রীড়ামন্ত্রী
আহমেদ বেলহৌল আল ফালাসি অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে দুবাইয়ে স্বাগত জানান।
ড. আহমেদ বেলহৌল আল ফালাসি ওয়ার্ল্ড
গভর্নমেন্ট সামিটে অংশগ্রহণের জন্য প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ধন্যবাদ জানান
এবং গত এক দশক ধরে দুবাইয়ে হয়ে আসা আন্তর্জাতিকভাবে অত্যন্ত সমাদৃত এই সম্মেলনের
বিষয়ে অবহিত করেন।
উভয় নেতা দুই দেশের মধ্যে ক্রীড়া
ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সম্ভাব্য সহযোগিতা বিনিময়সহ পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়
নিয়ে আলোচনা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
তৌহিদ হোসেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ এবং ঢাকায় নিযুক্ত
আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলী খাসেফ আল হামৌদি।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন
বলেছেন, ঐতিহাসিক ৬ দফা শুধু বাঙালি জাতির মুক্তিসনদ নয়, সারাবিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত
মানুষের মুক্তি আন্দোলনের অনুপ্রেরণার উৎস।
‘ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস’ উপলক্ষে
এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা দাবি
থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান
মো. সাহাবুদ্দিন উল্লেখ করেন,
৭ জুন ‘ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস’। বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম ও স্বাধীনতার ইতিহাসে ৬ দফা
একটি অনন্য মাইলফলক। ৬ দফার মাধ্যমেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির
রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও অর্থনৈতিক মুক্তির দাবি দেশবাসীর সামনে তুলে ধরেন।
তিনি এই মহান দিনে জাতির
পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, বাঙালির
মুক্তির সনদ ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য যারা জীবন দিয়েছেন আমি তাদের স্মৃতির প্রতি
জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।
রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীনতা
বাঙালির সুদীর্ঘ সংগ্রামের ফসল। ১৯৪৮ সালে বাংলা ভাষার দাবিতে যে আন্দোলনের সূত্রপাত
হয়, ৫২’র ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তার সফল পরিসমাপ্তি ঘটে। রচিত হয় বাঙালি জাতীয়তাবাদের
ভিত্তি। এরপর ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট গঠন, ১৯৫৮ সালে সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন ও ১৯৬২
সালে শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় বাঙালির স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার
লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে সর্বদলীয় সম্মেলনে ঐতিহাসিক ৬ দফা
প্রস্তাব পেশ করেন। শাসনতান্ত্রিক কাঠামো, কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা, মুদ্রানীতি, রাজস্ব
ও করনীতি, বৈদেশিক বাণিজ্য, আঞ্চলিক বাহিনী গঠনসহ এই ৬ দফার মধ্যেই তিনি পূর্ব বাংলার
রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার তুলে ধরেন, যার মধ্যে নিহিত ছিল
বাঙালির স্বাধিকার ও স্বায়ত্তশাসনের রূপরেখা।
তিনি বলেন, ঐতিহাসিক ৬ দফা
ঘোষণার পর শাসকগোষ্ঠী বঙ্গবন্ধুর ওপর অমানবিক নির্যাতন চালায় এবং তাকে বারবার গ্রেফতার
করে। তা সত্ত্বেও বঙ্গবন্ধু ৬ দফার দাবি থেকে পিছপা হননি।
রাষ্ট্রপতি জানান, বঙ্গবন্ধু
রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়তে চেয়েছিলেন।
এজন্য তিনি বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্নপূরণ তথা সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সবার প্রতি আহ্বান
জানান।
মন্তব্য করুন


প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার এর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সাক্ষাৎতে বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষায় চীনা ভাষা অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্ব আরোপ এবং প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন দেশটির রাষ্ট্রদূত।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে উপদেষ্টার অফিস কক্ষে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট দ্বিপাক্ষিক বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করেন তারা।
চীনা রাষ্ট্রদূত স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশের সঙ্গে গণচীনের পারস্পরিক দ্বিপক্ষীয় হৃদ্যতাপূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্কের দীর্ঘ ঐতিহ্যের বিষয়গুলো বিশদভাবে তুলে ধরেন।
চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানান, এর ধারাবাহিকতায় বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর জুলাই-আগস্ট ছাত্রজনতার আন্দোলনে আহতদের চীন চিকিৎসা সেবা দিয়েছে, সেপ্টেম্বরে বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে। তিনি দু'দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বিনিময়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন। চাইনিজ রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষায় চীনের ভাষা অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানান, বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকল্পে চীন ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে। চীনের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেন, চীনের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। তিনি বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে বিশেষ করে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা কামনা করেন। প্রাইমারি শিক্ষার পাশাপাশি ভোকেশনাল ট্রেনিং এর মাধ্যমে মানবসম্পদ তৈরির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। এতে করে বেকারত্বের হার হ্রাস পাবে ও নিত্যনতুন কর্মসংস্থান সৃজন হবে। প্রাথমিক শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি খাতে দক্ষ হয়ে কর্মক্ষেত্রে নিজেদেরকে গড়ে তুলতে পারবে। উপদেষ্টা বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৪ সমাপ্তির পথে। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৫ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৫ এর সকল কম্পোনেন্টে চীনের সহযোগিতা সম্প্রসারণে অনুরোধ করেন তিনি।
চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বিভিন্ন প্রকল্পে বিশেষ করে সাউথ সাউথ কো-অপারেশন এর আওতায় অথবা ইআরডির মাধ্যমে সহযোগিতার ধারা অব্যাহত রাখা ও নতুন নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণে একযোগে কাজ করারর আগ্রহ প্রকাশ করেন।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান বলেছেন, ‘আজকে থেকে আমাদের কাজ হবে একটাই, সেটা হচ্ছে দেশ গঠন, রাষ্ট্র
পুনর্গঠন। এটাই হোক আমাদের প্রতিজ্ঞা।’
তিনি
বলেছেন, ‘আমাদের লক্ষ্য একটাই, আমাদের উদ্দেশ্য একটাই। আমরা শুধু স্বপ্ন দেখতে চাই
না। আমরা পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চাই। যেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের মানুষের উপকার
হবে।’
আজ
শনিবার (১৬ মে) দুপুরে চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের ওয়ারুক বাজারের
খোর্দ্দ খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে এক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী
যখন খোর্দ্দ খাল খননকাজের উদ্বোধন শেষে পাশেই তৈরি সমাবেশ মঞ্চে ওঠেন, সেসময় খালের
দু’পাশে কয়েক হাজার নেতা-কর্মী-সমর্থকরা তুমুল স্লোগান ও করতালি
দিয়ে তাকে স্বাগত জানায়।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, ‘আমরা পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চাই। যেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশ সামনের দিকে
এগিয়ে যাবে। আমরা পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চাই, যেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের মানুষের
ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।’
খাল
খনন কর্মসূচির প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৪৮ বছর আগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর
রহমান শুরু করে দিয়ে গিয়েছিলেন, সেই খাল পুনঃখননের এই অনুষ্ঠান। আসুন আমরা সবাই প্রতিজ্ঞা
করি, কী প্রতিজ্ঞা প্রতিজ্ঞা? সেটা হচ্ছে-
দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রতিজ্ঞা।’
তিনি
বলেন, ‘আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কোরআন শরীফে বলে দিয়েছেন, যে জাতি নিজেদেরকে সাহায্য
করে, আমি তাকে সাহায্য করি। এই খাল (খোর্দ্দ খাল) যদি খনন না করি কৃষক ভাইয়েরা কি পানি
পাবে? পাবে না। কাজেই খাল খনন করলে কৃষক ভাইয়েরা পানি পাবে। ঠিক একইভাবে আমরা যদি কাজ
করি, হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করি, বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত যদি একসাথে
কাজ করে, ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশকে আমরা পৃথিবীর বুকে একটি মর্যাদাশীল রাষ্ট্রে পরিণত
করতে সক্ষম হবো।’
বিএনপি
জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,
‘আমরা নির্বাচনের আগে জনগণের সামনে যে সকল প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, আগামীতে সকল প্রতিশ্রুতি
আস্তে আস্তে বাস্তবায়ন করব।’
বিএনপির
শক্তির উৎস বাংলাদেশের জনগণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যারা
বিএনপি করি, আমরা যারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দল করি, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার
নেতৃত্বে আমরা দল করেছি, আমরা সকলে বলি- জনগণই হচ্ছে আমাদের সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস।
আপনাদের শক্তি হচ্ছে আমাদের শক্তি। আপনারা যতক্ষণ আমাদের পাশে থাকবেন, আপনাদের সমর্থন
যতক্ষণ থাকবে, আমাদের দেশ গড়ার কাজ ইনশাআল্লাহ চলতে থাকবে।’
দেশকে
সামনের দিকে এগিয়ে নিতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,
‘আজকে এই খাল কাটা অনুষ্ঠানে আসুন আমাদের প্রতিজ্ঞা হোক- ‘করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার
আগে বাংলাদেশ।’
এ
সময় তিনি জনগণের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, ‘আপনারা আছেন নাকি আমার সঙ্গে দেশ
গড়ার কাজে?’ এমন প্রশ্ন শুনে জনগণ হাত নেড়ে সমর্থন জানিয়ে বলেন, আছি আছি। এ কথা শুনে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আলহামদুলিল্লাহ।
এর
আগে বেলা ২টা ৪০ মিনিটে শাহরাস্তি উপজেলার টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের ওয়ারুক বাজারের ‘খোর্দ্দ
খাল’ পুনঃখনন স্থলে পৌঁছে ফলক উন্মোচন করে কর্মসূচির উদ্বোধন
করেন প্রধানমন্ত্রী।
ফলক
উন্মোচনের পরে খালের তীরে নেমে কোদাল দিয়ে মাটি কাটেন প্রধানমন্ত্রী। পরে খালের তীরে
বৃক্ষরোপণ করেন তিনি।
এই
সময়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, স্থানীয় সংসদ সদস্য মোমিনুল
হক, জেলা সদস্য সচিব সলিম উল্যা সেলিম, শাহরাস্তি উপজেলা সভাপতি আয়াত আলী ভূঁইয়া, সহসভাপতি
আবু ইউসুফ রুপম উপস্থিত ছিলেন।
১৯৭৮
সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই খোর্দ্দ খাল খনন করেছিলেন। ৪৮ বছর পর সেই খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন প্রয়াত জিয়াউর
রহমানের ছেলে তারেক রহমান।
মন্তব্য করুন


পৃথক দুইটি অভিযানে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন নোয়াগাও চৌমুহনী ও পদুয়ার বাজার এলাকা হতে ০৫ জন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ৩১ মে ২০২৪ ইং তারিখ বিকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন নোয়াগাও চৌমুহনী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী ১। মোঃ শরীফ হোসেন (২৫), ২। মোঃ শহীদুল ইসলাম (২৬) এবং ৩। মোঃ শিপন মিয়া (২০) নামক ০৩ জন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীদের হেফাজত হতে চাঁদাবাজির ৬,১৬০/- টাকা উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে গত ৩১ মে ২০২৪ ইং তারিখ বিকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী ১। মোঃ নাসির উদ্দিন (৪০) ও ২। মোঃ আব্দুল রহিম (৩৮) নামক ০২ জন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীদের হেফাজত হতে চাঁদাবাজির ৩,১৬০/- টাকা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ শরীফ হোসেন (২৫) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার দৌলতপুর গ্রামের মোঃ নাসির উদ্দিন এর ছেলে, ২। মোঃ শহীদুল ইসলাম (২৬) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার বাগমারা গ্রামের মৃত জহির মিয়া এর ছেলে, ৩। মোঃ শিপন মিয়া (২০) কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার থানার লক্ষীপুর গ্রামের মোঃ খায়ের মিয়া এর ছেলে, ৪। মোঃ নাসির উদ্দিন (৪০) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার কৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত দুলা মিয়া এর ছেলে এবং ৫। মোঃ আব্দুল রহিম (৩৮) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার দুতিয়াপুর গ্রামের মৃত ইব্রাহিম এর ছেলে।
আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, তারা সকলেই চাঁদাবাজ চক্রের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানা ও এর আশ-পাশের বিভিন্ন রাস্তায় অটো, সিএনজি ইত্যাদি পরিবহনের ড্রাইভার ও হেলপারদের নিকট হতে ক্ষয়ক্ষতি ও গুরুতর আঘাতের ভয়ভীতি দেখিয়ে বলপূর্বক টাকা গ্রহণ করে আসছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন