

ভালোবাসার লাল রঙের মাঝে বিশাল এক জায়গা জুড়ে থাকে বেদনার নীল রং।
শরীরে কোথাও আঘাত লাগলে যন্ত্রণায় প্রথমে জায়গাটার রং তীব্র নীল রঙ ই হয় যদিওবা পরে কালচে হয়ে যায়।যন্ত্রণার তীব্রতায় এই নীল রং ধারণ করার জন্যই বুঝি বা বলা হয় - বেদনার রং নীল।
আমেরিকার নাগরিকদের কাছে আজকের দিনটি (১০ নভেম্বর) একটি বিশেষ দিন। প্রিয়জন বা কাছের মানুষকে ভুলে না যাওয়ার দিন। তারা দিনটির নাম রেখেছে, ‘ফরগেট মি নট ডে' বা ‘ভুলে না যাওয়ার দিন'। এদিন হারিয়ে যাওয়া প্রিয় মানুষকে স্মরণ করা হয় সেই ছোট্ট নীল ফুল দিয়ে।
পশ্চিমা দেশে পথের ধারে ফুটে থাকা নীল রঙা ছোট্ট ঘাসফুল ‘মায়োসটিস’ তাই বেদনার প্রতীক। মনোযাতনার অনুভূতির সমার্থক হয়ে ওঠা এই নীল ফুলটির আরেক নাম ‘ফরগেট মি নট’ বা ‘ভুলো না আমায়' ।
১৯২১ সালের কথা। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেওয়া বীর যোদ্ধাদের স্মরণে শুরু হয় দিনটির উদযাপন, যার গোড়াপত্তন হয়েছিল বিচারক রবার্ট এস. মার্কসের হাত ধরে যিনি নিজেও ছিলেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধের একজন বীর যোদ্ধা। যুদ্ধে যারা প্রাণ দিয়েছেন, হারিয়েছেন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, তাদের স্মরণে এ দিন ছুটি ঘোষণা করা হয়।
আর যুক্তরাষ্ট্রে তখন থেকেই শুরু হয় ফর গেট মি নট ডে উদযাপন।
রবার্ট এস. মার্কস যুদ্ধাহত বীরদের জন্য অর্থ সংগ্রহের কথাটাও ভাবলেন বিচারক । সিদ্ধান্ত নিলেন সেই নীল রঙা ঘাসফুল বা ‘ফরগেট মি নট' ফুল বিক্রি করে অর্থাভাবে থাকা প্রবীণ যোদ্ধাদের পাশে দাঁড়াবেন। এরই ধারাবাহিকতায়, ১৯৪৯ সালে ফরগেট মি নট ফুলটিকে রাজ্য ফুল এর স্বীকৃতি দেয় যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা।
দেশ ভেদে দিনটি উদযাপনের তারিখ ও উদ্দেশ্যের ভিন্নতা আছে। নিউজিল্যান্ডে আলঝেইমারে আক্রান্ত হয়ে যারা মারা গেছেন তাদের স্মরণ করা হয় দিনটিতে। আলঝেইমার নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে ২০০৩ সাল থেকে বছরের ৫ ও ৬ জুনকে ফর গেট মি নট ডে হিসেবে পালন করে দেশটি।
ভুল বোঝাবুঝি থেকে দূরে সরে যাওয়া কিংবা ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক জোড়া দিতেও দিনটিকে বেছে নেন অনেকে। তবে যে ঘটনাকে সামনে রেখেই দিনটি উদযাপন করেন না কেন, নীল রঙা ফুলের কথা কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না!
কারণ, সম্পর্কে মান-অভিমান থাকে। ভালবাসায় ভুল বোঝাবুঝি আসতেই পারে কিন্তু তাই বলে কি দূরে সরে যাওয়া যায়?
নীল রংয়ের এই ঘাসফুলের তোড়া দিয়ে সে মানুষটাকে তখন বলে দেয়াই যায় - বেদনার তীব্রতা টুকু নিয়েও সে মানুষটা আপনাকে স্মরণ করছে প্রতি মুহূ্র্তে । সে আছে যে কখনো আপনাকে ভুলে যাবে না। আপনাকে প্রতি মুহুর্তে ভেবে যায়।
সে চায় যেন আপনিও তাকে কখনো ভুলে না যান ।
মন্তব্য করুন


কোনো শিশুর ভূমিষ্ঠ হওয়ার মুহূর্ত একটি পরিবারের জন্য সবচেয়ে আনন্দের। তবে এ মুহূর্ত যদি হয় ১৩৮ বছরের এক ‘মিথ’ এর অবসান, তখন আনন্দের মাত্রা ঠিক কত হতে পারে, তা কল্পনা করাও কঠিন। এমনই এক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের একটি পরিবার। পরিবারটিতে ১৩৮ বছর পর জন্ম নিয়েছে এক কন্যাশিশু।
১৮৮৫ সালের পর দুই সপ্তাহ আগে যুক্তরাষ্ট্রে এক যুগলের ঘর আলোকিত করে পরিবারে জন্ম নিল প্রথম কোনো কন্যাশিশু। এ পরিবার তার জন্মের মধ্য দিয়ে নতুন এক অধ্যায়ে প্রবেশ করল । অবাক করা এ ঘটনায় এখন পরিবারটিতে খুশির জোয়ার বইছে।
ওই শিশুর নাম দেওয়া হয়েছে অড্রে। তার বাবা অ্যান্ড্রু ক্লার্ক ও মা ক্যারোলিন ক্লার্ক।
ক্যারোলিন বলেন, দশ বছর আগে যখন অ্যান্ড্রুর সঙ্গে আমার প্রেম, তখনই সে তাদের পরিবারে ১০০ বছরের বেশি সময় ধরে কন্যাসন্তান জন্ম না নেওয়ার বিষয়টি বলেছিল। বিষয়টি তার বাবা-মাকে জিজ্ঞাসা করলাম যাচাই করার জন্য। তারা জানালেন, তাদের ডিরেক্ট লাইনে দীর্ঘদিন থেকে কন্যাসন্তান নেই। ২০২১ সালে ক্যারোলিনের গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়। এর পরই এ কন্যাসন্তানের জন্ম, যা ওই পরিবারের আনন্দকে বাড়িয়ে দিয়েছে বহুগুণ। ক্যারোলিন বলেন, কন্যাসন্তান জন্মের পর পরিবারের আনন্দ দেখে মনে হচ্ছে, তারা চাঁদের টুকরো হাতে পেয়েছেন।
সূত্র: এনডিটিভি
মন্তব্য করুন


মরক্কোর মধ্যাঞ্চলে ৬ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শক্তিশালী এই ভূমিকম্পে দেশটিতে ২৯৬ জন নিহত হয়েছেন, এতে ১৫৩ জনের বেশি আহত হয়েছে। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সময় ৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাত ১১টায় ভূমিকম্পটির উৎপত্তি হয় বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)।
রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৮। এর গভীরতা ছিল ১৮ দশমিক পাঁচ কিলোমিটার। ভূমিকম্পটি ২০ সেকেন্ড পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। ৫০০ বছরের মধ্যে ওই এলাকায় এত বড় ভূমিকম্প হয়নি।
স্পেন ও পর্তুগালেও কম্পন অনুভূত হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কোন
জায়গা থেকে স্বর্ণমুদ্রাগুলো উদ্ধার
করা হয়েছে এবং যে ব্যক্তি
এগুলোর সন্ধান পেয়েছেন, তার পরিচয় এখনও প্রকাশ
করা হয়নি।
ওই খামারের কর্তৃপক্ষ এবং স্বর্ণমুদ্রাগুলো বিক্রির
দায়িত্ব পাওয়া কোম্পানি সূত্র জানিয়েছে, স্বর্ণমুদ্রার এই মজুতকে ‘গ্রেট
কেন্টাকি হোর্ড’ নামে ডাকা হচ্ছে।
কয়েক
মাস আগে ওই ব্যক্তি
ভুট্টাখেতে স্বর্ণমুদ্রাগুলোর সন্ধান পাওয়ার পর বিরল মুদ্রা
সংগ্রহকারী জেফ গ্যারেটের সঙ্গে
যোগাযোগ করেন।
সন্ধান পাওয়া স্বর্ণমুদ্রাগুলো পরীক্ষা করে এরই মধ্যে
প্রত্যয়নপত্র দিয়েছে নুমিসম্যাটিক গ্যারান্টি কোম্পানি। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এ প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন
মুদ্রা পরীক্ষা ও বিশ্লেষণ করে
থাকে।
জানা
গেছে, স্বর্ণমুদ্রাগুলো আমেরিকার গৃহযুদ্ধের (১৮৬১-১৮৬৫) সময়কার।
উদ্ধার হওয়া এসব স্বর্ণমুদ্রা
এখন বিক্রির জন্য তোলা হবে।
ধারণা করা হচ্ছে, এগুলো
লাখ লাখ ডলার মূল্যে
বিক্রি হবে।
উদ্ধার স্বর্ণমুদ্রাগুলো বিক্রির দায়িত্ব পেয়েছে গভমিন্ট ডটকম। ওই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত
এক ভিডিওতে দেখা গেছে, এক
ব্যক্তি মাটি খুঁড়ে স্বর্ণমুদ্রাগুলো
বের করছেন।
এর মধ্যে আছে
১ ডলার গোল্ড ইন্ডিয়ানস,
১০ ডলার গোল্ড লিবার্টিস
ও ২০ ডলার গোল্ড
লিবার্টিস। এর মধ্যে ১৮টি
অত্যন্ত বিরল ধরনের ২০
ডলার গোল্ড লিবার্টিস আছে। এগুলো ১৮৬৩
সালে ফিলাডেলফিয়াতে তৈরি করা।
সূত্র: ফক্স১৯
মন্তব্য করুন


স্কুলে পড়ার বয়সেই কাড়ি কাড়ি অর্থ কামাই করছে খুদে মডেল সিতারা। । সম্প্রতি একটি জুয়েলারি হাউসের বিজ্ঞাপনের জন্য ১ কোটি রুপি নিয়ে নতুন রেকর্ডও গড়েছে সে। তার নামেই লঞ্চ করেছে তাদের নতুন কালেকশন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারীর সংখ্যা ১ কোটি ৩০ লাখ
জি ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,জুয়েলারি হাউসের গয়নার নতুন কালেকশনের নাম ‘সিতারা কালেকশন’। সেই গয়নার কালেকশনের বিজ্ঞাপনের মডেলও শুট করেছে সিতারা।
জানা যায়, সিতারাই প্রথম মডেল, যে মাত্র ১১ বছর বয়সে স্থান পেয়েছে টাইমস স্কোয়ারের বিলবোর্ডে। মেয়ের এই সাফল্যে আনন্দে আত্মহারা সুপারস্টার বাবা ও অভিনেত্রী মা।
প্রসঙ্গত, সিতারা দক্ষিণের সুপারস্টার মহেশবাবু ও নব্বইয়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নম্রতা শিরোদকরের মেয়ে। মেয়ের সাফল্যগাঁথা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন গর্বিত বাবা-মা। এই বয়সেই নামের মতোই তারকা বনে গেছে সিতারা।
সূত্র : জি ইন্ডিয়া
মন্তব্য করুন


সুজন মজুমদার:
রক্তঋন সামাজিক সংগঠন সৌদিআরবের
রিয়াদ শাখা ও আল খারিজ ফ্রেন্ডস ক্লাবের আয়োজনে শুক্রবার সৌদিআরব সময় রাত ১২টায় রিয়াদ
প্রদেশে ফুটবল একাডেমিতে ফুটবল প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রথমে অতিথিদেরকে ফুল দিয়ে
বরণ ও পরিচয় পর্বের মধ্যে দিয়ে ফুটবল প্রীতি ম্যাচের প্রথম পর্ব শুরু হয়।
বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী
হাজী মোহাম্মদ মামুনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী
ও সমাজসেবক জাকির মোল্লা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ক্রীড়া সংগঠক ও সমাজসেবক
নুর মোহাম্মদ বাবু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ি ও সমাজসেবক কবির মজুমদার, আসলাম আহমেদ মুরশিদ,
হাজী শাহজাহান ও মুকবুল হোসেন। আমন্ত্রিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ
ও সমাজসেবক কাজী সাইফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ রিপন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, শফিকুল ইসলাম,
বিল্লাল হোসেন, রাকিবুল ইসলাম এবং সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন, ইনতিয়ার আহমেদ।
ফুটবল খেলা রেফারি দায়িত্ব
পালন করেন, মোহাম্মদ হাসান। আল খারিজ লাল দল ও আল খারিজ সবুজ দল ১-১ গোলে ড্র করলে
খেলাটি ট্রাইবেকারে গড়ায়। ট্রাইবেকারে আল খারিজ লাল দল ৫-৩ গোলে আল খারিজ সবুজ দলকে
পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ান হন আল খারিজ লাল দল।
উক্ত খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ান ও রানার্স আপ খেলোয়াড়দের মাঝে টিভি, ট্রপি, ক্রেস্ট ও মেডেল
প্রদান করে অতিথি বৃন্দ।
মন্তব্য করুন


অভিনেতা সিদ্ধার্থ
চন্দ্রশেখর মায়ের দ্বিতীয়বার বিয়ে দিলেন। সেই কথা সামাজিকমাধ্যমে গর্বের সঙ্গে
জানিয়েছেন এই মারাঠি অভিনেতা নিজেই। মারাঠি বিনোদন জগতের অতি পরিচিত নাম সিদ্ধার্থ
চন্দ্রশেখর। তার এমন ঘটনায় নেটিজেনরা প্রশংসার বন্যায় ভাসাচ্ছেন।গত বুধবার
সিদ্ধার্থ ইনস্টাগ্রামে এই ঘটনার কথা জানিয়েছেন।
মা সীমা চন্দ্রশেখরের
দ্বিতীয় বিয়ের ছবি শেয়ার করে তিনি লেখেন, ‘সেকেন্ড ইনিংস’-এর অভিনন্দন।
তার কথায়, ‘হ্যাপি
সেকেন্ড ইনিংস আই (মা)। আমার কখনও মনে হয়নি, তোমারও কাউকে দরকার। তোমার যে
সন্তানদের বাদ দিয়ে জীবন আছে, সে কথা টের পাইনি। তোমারও তো শুধুমাত্র নিজের জন্য
একটা জগত থাকা উচিৎ। আর কত দিন তুমি একা থাকবে?
এরপর অভিনেতা লেখেন,
তুমি এতদিন পর্যন্ত সকলের জন্য ভেবে গেছ। এবার সময় এসেছে, যখন তুমি নিজের কথাও
ভাববে এবং তোমার নতুন সঙ্গীর কথাও ভাববে। তোমার সন্তানরা সব সময়ে তোমার পাশে
থাকবে।
সিদ্ধার্থের ভাষ্য,
তুমি আমার বিয়ে দিয়েছিলে বিশাল আয়োজন করে। আর এবার আমার পালা তোমার জন্য একই জিনিস
করার। আমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দদায়ক বিয়ের ঘটনা হল, আমার মায়ের বিয়ে। আমি তোমাকে
ভালোবাসি মা। হ্যাপি ম্যারেড লাইফ।
অনেকেই তার এই আচরণের
প্রশংসা করেছেন।
মন্তব্য করুন


ইসলামের পবিত্রতম স্থানটিতে শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে বার্ষিক হজ পালনে ১৬০টি দেশ থেকে ১৬ লাখের বেশি ধর্মপ্রাণ মুসলমানের উপস্থিতি সাম্প্রতিক বছরগুলোর উপস্থিতির রেকর্ড ভাঙতে পারে।
সৌদি আরবের গ্রীষ্মের প্রখর গরম আবহাওয়া উপেক্ষা করে বিগত বছরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম আজ রোববার (২৫ জুন) শুরু হয়েছে। ইসলামের পঞ্চম স্তম্ভ পবিত্র হজ পালনে মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদের বৃহৎ কালো ঘনক কাবা ঘর প্রদক্ষিণে পোশাকধারী হজ যাত্রীদের ভিড় তাই সেখানে এক ভাব গম্ভীর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
রোববার সকালে কাবা ঘরে ‘তাওয়াফ’ (কাবার চারপাশ প্রদক্ষিণ) করার ভেতর দিয়ে হজ শুরু হয়। সোনার ছাঁট দিয়ে কালো কাপড়ে মোড়া বিশাল ঘন কাঠামো কাবা ঘরের কাছে লাখো লাখো মুসলমান প্রতিদিন প্রার্থনা করে।
তেলসমৃদ্ধ সৌদি আরবের পশ্চিমে মক্কা এবং এর আশেপাশে চার দিনের ধারাবাহিক আচার পালনের মধ্যে দিয়ে হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে।
সব মুসলমান জীবনে একবার মক্কায় হজ পালনের আকাঙ্খাা লালন করেন এবং সামর্থবানদের জীবনে একবার এই হজ পালনের বিধান রয়েছে। তবে অমুসলিমদের এই অনুষ্ঠানে যোগ দেয়া কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত গেয়ে শুনিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ উপস্থিত সবাই করতালির মাধ্যমে তাকে উৎসাহ দেন।
১০ সেপ্টেম্বর রোববার রাতে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নৈশভোজ শুরুর আগে চলে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত বাঙালিদের জন্য বিশেষ সৌন্দর্য। এসময় জাতীয় সংগীতের কয়েক লাইন গেয়ে শুনান ম্যাক্রোঁ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে ফ্রান্স আমাদের বিশ্বস্ত উন্নয়ন সহযোগী। আমাদের পার্টনারশিপ বিভিন্ন সংকট, জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিশ্বের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখতে পারে।
রোববার রাত ৮টায় ভারতে জি-২০ সম্মেলন শেষে ২ দিনের সফরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট। তারপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। এসময় ম্যাক্রোঁকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
জানা গেছে, ম্যাক্রোঁর এ সফরে ফ্রান্স ও বাংলাদেশের মধ্যে দুটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সই হবে।
মন্তব্য করুন


মেক্সিকোতে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বহনকারী একটি বাস দুর্ঘটনারকবলে পড়েছে।বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) মেক্সিকোর কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এতে ১৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গছে। বাসটিতে বিদেশিদের পাশাপাশি স্থানীয় নাগরিকও ছিল।
জানা গেছে, দুর্ঘটনারকবলে পড়া বাসটি মেক্সিকো সিটি থেকে উত্তর সীমান্ত শহর টিজুয়ানার দিকে যাচ্ছিল। বাসটিতে ৪২ জন যাত্রীর মধ্যে ভারত, ডোমিনিকান রিপাবলিক ও আফ্রিকার দেশগুলোর নাগরিকও ছিল।
নায়ারিত রাজ্যের নাগরিক সুরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে তিন শিশুও রয়েছে। তাছাড়া এ ঘটনায় অন্তত ২৩ জন আহত হয়েছে। তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মেক্সিকো দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তে যায় অভিবাসনপ্রত্যাশীরা। দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছে, কিছু যাত্রীর গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তের দিকে।
প্রায়ই দেশটিতে এ ধরনের বাস দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়।
মেক্সিকোর বেশির ভাগ সড়ক দুর্ঘটনা মূলত উচ্চ গতি, গাড়ির খারাপ অবস্থা বা চালকের ক্লান্তির কারণে ঘটে থাকে। এর আগে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ভেনেজুয়েলা, কলম্বিয়া ও মধ্য আমেরিকার দেশগুলো থেকে আগত অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বহনকারী একটি বাস দুর্ঘটনায় পড়লে অন্তত ১৭ জন নিহত।
গত জুলাই মাসে ওক্সাকায় একটি যাত্রীবাহী বাস একটি পাহাড়ি রাস্তা থেকে ছিটকে খাদে পড়ে গেলে কমপক্ষে ২৯ জন নিহত হয়।
মন্তব্য করুন


সাঁতার কাটতে নদীতে নেমেছিলেন এক ফুটবলার। ফুটবলার
জানতেন না, পানির মধ্যেই ঘাপটি মেরে আছে বিশালাকার এক হিংস্র কুমির। ঘটনাটি কোস্টারিকার
গুয়ানাকাস্ট প্রদেশে ঘটেছে।
সাঁতরে নদীর মাঝ বরাবর যেতেই কুমিরটি ওই
ফুটবলারের ওপর আক্রমণ করে বসে । কুমির তাকে ছিঁড়ে কামড়ে মেরে ফেলে ।
গত ২৯ জুলাই গুয়ানাকাস্টের
রিও কানাস নদীতে গোসল করতে নেমেছিলেন ২৯ বছর বয়সি ফুটবলার লোপেজ ওর্তিজ চুকো। এ সময়ই
ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার।
এই
ঘটনার বেশ কয়েকটি ভিডিও ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যদিও সেই
ভিডিওগুলোর সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ভিডিওগুলোতে
দেখা যাচ্ছে, বিশাল কুমিরটি লোপেজের দেহ মুখে করে পানির মধ্যে সাঁতরাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি দেখতে পেয়ে কুমিরটিকে তাড়া করলে সেটি পালিয়ে যায়।
সংবাদমাধ্যমের
প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্ত্রী এবং ২ সন্তানকে নিয়ে থাকতেন লোপেজ। স্থানীয় রিও কানাস
দলের হয়ে ফুটবল খেলতেন লোপেজ ওর্তিজ চুকো। গত ৩১ জুলাই, লোপেজের পরিবারের পক্ষ
থেকে তার শেষকৃত্যের ব্যবস্থা করা হয়। লোপেজের দলের পক্ষ থেকেও শোকবার্তা জ্ঞাপন
করা হয়েছে।
সূত্র: ডেইলি মেইল, দ্য সান, মেট্রো, নিউ ইয়র্ক পোস্ট
মন্তব্য করুন