

অগ্নিকাণ্ডে
নিমিষেই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে সাতটি বসতঘর ও মূল্যবান আসবাবপত্র আর কষ্টার্জিত নগদ টাকা।
তবে আশ্চর্যজনকভাবে ভস্মীভূত ছাইয়ের মধ্যে সম্পূর্ণ অক্ষত রয়ে গেছে পবিত্র কোরআন শরীফের
প্রতিটি হরফ।
এই
ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের দক্ষিণ হবিরবাড়ী গ্রামের
খন্দকার পাড়া এলাকায়। সোমবার (১৮ মে) দুপুরের এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রায় ২০ লাখ টাকার
ক্ষয়ক্ষতি হলেও কোরআন শরীফের হরফ না পোড়ায় হতবাক হয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়
সূত্রে জানা গেছে, ওই এলাকার বাসিন্দা আশরাফুল ইসলামের মালিকানাধীন টিনশেড ঘর থেকে
হঠাৎ বিকট শব্দে আগুনের সূত্রপাত হয়ে মুহূর্তের মধ্যেই চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। পরে আশপাশের
লোকজন ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। তবে ফায়ার সার্ভিস
পৌঁছানোর আগেই আগুন তীব্র আকার ধারণ করে আশরাফুল ইসলামের চারটি ঘর ও মিতু আক্তারের
তিনটি সম্পূর্ণ পুড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায় অন্তত ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করছেন
ক্ষতিগ্রস্তরা। তবে অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর ও ঘরে থাকা মূল্যবান আসবাবপত্র, নগদ টাকা ও প্রয়োজনীয়
কাগজপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেলেও আগুনে আংশিক পুড়লেও পবিত্র কোরআন শরীফের ভেতরের হরফ বা
লেখাগুলো অক্ষত রয়ে গেছে, যা দেখে হতবাক হয়েছেন স্থানীয়রা।
ক্ষতিগ্রস্ত
বাড়ির মালিক আশরাফুল ইসলাম বলেন, আমার বসতবাড়ির ৪টি ঘরে থাকা নগদ দুই লাখ টাকা, স্বর্ণালংকার,
শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদসহ সব আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বর্তমানে আমাদের মাথা গোঁজার
ঠাঁই বা এক মুঠো খাবারও অবশিষ্ট নেই। তবে এই ধ্বংসস্তূপের মাঝেও আল্লাহর কালামের হরফগুলো
অক্ষত দেখে মনে এক অন্যরকম সান্ত্বনা পাচ্ছি।
অপর
বাসার মালিক মিতু আক্তারের মা জানান, হঠাৎ আগুন দেখে তিনি হতভম্ব হয়ে পড়েন, জীবনের
সব সঞ্চয় পুড়ে গেছে কিছুই রক্ষা করতে পারেননি।
স্থানীয়
বাসিন্দা মাহফুজ খন্দকার বলেন, হঠাৎ লাগা এই আগুনে দুটি পরিবারের সবকিছু পুড়ে গেছে।
তারা এখন খোলা আকাশের নিচে একেবারে নিঃস্ব অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। আগুনে সবকিছু শেষ
হলেও কোরআন শরীফের পাতাগুলোর এই অবস্থা সবাইকে বিস্মিত করেছে।
ভালুকা
ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা আতিকুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের
গাড়ি রওনা হয়েছিল। তবে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই স্থানীয় লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণে
নিয়ে আসে। ফলে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ ফায়ার সার্ভিসের
পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত করা সম্ভব হয়নি।
মন্তব্য করুন


পানি
সম্পদ মন্ত্রী শহিদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, সারা দেশে আগামী ৫ বছরে ২০ হাজার
কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে। ইতিমধ্যে দেশের কয়েকটি জেলায় এ কার্যক্রম শুরু
হয়েছে।
বৃহস্পতিবার
(৭ মে) সকাল পৌনে ৮টায় উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের জামালদিতে খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন
কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
পানি
সম্পদ মন্ত্রী বলেন, খাল খনন ছিল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের একটি কর্মসূচি।
সেই
ধারাবাহিকতায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি
অনুযায়ী নতুনভাবে খাল খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। খাল খননের মাধ্যমে নতুন জাগরণ সৃষ্টি
হয়েছে।’
তিনি
আরো বলেন, ‘খাল খননের মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়ছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে,
গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা হচ্ছে, কৃষির উন্নয়ন ও পরিবেশগত উন্নয়ন হচ্ছে। দীর্ঘদিন পর
আমরা নতুনভাবে এ উদ্যোগ হাতে নিয়েছি। ভবিষ্যতেও আরো খাল খনন কার্যক্রম শুরু হবে।
খাল
খননে প্রতিবন্ধকতার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘যেসব স্থানে বড় অবকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে, সেগুলো
আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমাধান করা হবে। পরে মন্ত্রী কাজলী নদী পরিদর্শন করেন এবং
নদীতে কলকারখানার বর্জ্য দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
এসময়
উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন, পুলিশ সুপার মো.
মেনহাজুল আলম পিপিএম, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মৌসুমী মাহবুব, গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী
কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান, এবং উপজেলা প্রকৌশলী সামিউল আরেফিন।
মন্তব্য করুন


র্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) পদক পেলেন ১২০ র্যাব সদস্য।
সেবা ও সাহসিকতা এবং পেশাগত কাজে অসামান্য অবদানের জন্য তারা এ পদক পেলেন।
বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর কুর্মিটোলায় র্যাব সদর দপ্তরে আয়োজিত র্যাব মেমোরিয়াল ডে অনুষ্ঠানে এ পদক তুলে দেন র্যাবের মহাপরিচালক অতিরিক্ত আইজিপি এম খুরশীদ হোসেন।
এ সময় পদক প্রদান ছাড়াও দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিহত ৩৩ র্যাব সদস্যের পরিবারের হাতে সম্মাননা ও আর্থিক অনুদান তুলে দেন র্যাব মহাপরিচালক।
এছাড়া র্যাবের মহাপরিচালক আভিযানিক কার্যক্রমে শহীদ র্যাব সদস্যদের স্মৃতি স্মরণে তাদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন।
মন্তব্য করুন


তীব্র
তাপদাহকালীন মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রেণি কার্যক্রম চালু রাখা
সংক্রান্ত নতুন কিছু নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।
রোববার
(১৯ মে) দেশের সব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও স্কুল এন্ড কলেজ এবং বেসরকারি নিম্ন
মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও স্কুল এন্ড কলেজের প্রধানদের কাছে এই
নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।
নির্দেশনায়
বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন মাধ্যমিক
পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তীব্র তাপ প্রবাহকালীন শ্রেণি কার্যক্রম চালু অবস্থায়
নিম্নে বর্ণিত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো-
১।
পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত প্রাত্যহিক সমাবেশ বন্ধ রাখা।
২।
শ্রেণি কার্যক্রম চলাকালীন শ্রেণি কক্ষের সব দরজা-জানালা খোলা রাখা।
৩।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বৈদ্যুতিক পাখা, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (যদি
থাকে) সচল রাখা।
৪।
পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানির সুব্যবস্থা রাখা।
৫।
শিক্ষক-কর্মচারী-শিক্ষার্থীদের প্রচুর পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি পানের ব্যবস্থা করা।
৬।
নিকটবর্তী স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করা, যেন কোন শিক্ষক-কর্মচারী-শিক্ষার্থী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাৎক্ষণিক
জরুরি চিকিৎসা সেবা প্রদানের ব্যবস্থা করা যায়।
৭।
প্রয়োজনীয় খাবার স্যালাইনের ব্যবস্থা রাখা।
৮।
শিক্ষার্থীদের সার্বক্ষণিক শ্রেণিকক্ষে অবস্থান নিশ্চিত করা।
৯।
বেলা ১১টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত শিক্ষক-কর্মচারী-শিক্ষার্থীরা যেন যথাসম্ভব
সূর্যের আলো থেকে নিজেদেরকে দূরে রাখে সে বিষয়টি নিশ্চিত করা।
মন্তব্য করুন


সারাদেশে
চলমান তীব্র দাবদাহে তিন দিনের হিট অ্যালার্ট জারি করেছে আবহাওয়া অফিস। টানা ২৬ দিনের
ছুটি কাটিয়ে আগামীকাল রোববার (২১ এপ্রিল) খুলতে যাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তীব্র দাবদাহে
মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অ্যাসেম্বলি পরবর্তী নির্দেশনা দেওয়া না পর্যন্ত
বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
শনিবার
(২০ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মাহবুবুর রহমান তুহিন স্বাক্ষরিত এক প্রেস
বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
দেশজুড়ে
বিরাজমান তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অ্যাসেম্বলি বন্ধ রাখার
নির্দেশ দিয়েছে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
দেশজুড়ে
বহমান তাপদাহের ওপর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় তীক্ষ্ণ নজর রাখছেন।এ পরিস্থিতি বিবেচনায়
দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অ্যাসেম্বলি পরবর্তী নির্দেশনা দেওয়া না পর্যন্ত
বন্ধ থাকবে।
এই
অবস্থায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়ানোর দাবি জানিয়ে শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) অভিভাবক
ঐক্য ফোরাম গণমাধ্যমে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাঠান। বলা হয় দেশে হিট অ্যালার্ট জারি
করা হয়েছে। মানুষ জনকে প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হতে নিষেধ করছে প্রশাসন। এর মধ্যে স্কুল
কলেজ খুললে অনেক শিশু অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে বলে মত সংগঠনটির।
এই
পরিস্থিতিতে সব স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা সাত দিনের
জন্য শ্রেণি শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রাখার দাবি জানায় তারা।
মন্তব্য করুন


স্থানীয়
সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভূঁইয়া বলেছেন, বিশেষ অনুমতি ছাড়াই কুয়েতের ভিসা সুবিধা পাচ্ছেন বাংলাদেশিরা।
উপদেষ্টা
তার ভেরিফাইড ফেসবুকে এক পোস্টে বলেন, বিশেষ অনুমতি ছাড়াই কুয়েতের ভিসা সুবিধা পাচ্ছেন
বাংলাদেশিরা। সম্প্রতি এমনটি জানিয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত কুয়েতের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল
সৈয়দ তারেক হোসেন।
উপদেষ্টা
আসিফ মাহমুদ বলেন, গেল এক সপ্তাহ ধরে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত না হলেও বাংলাদেশিরা
ভিসা পাচ্ছেন বিশেষ অনুমতি ছাড়াই। ভিসা নিয়ে প্রতারণা না করার ব্যাপারে কঠোরভাবে সতর্ক
করেন রাষ্ট্রদূত।
উপদেষ্টা
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া তার ভেরিফাইড ফেসবুকে অপর এক পোস্টে বলেন, তফসিলি ব্যাংকগুলো
বৈদেশিক মুদ্রা বিক্রির সময় বিভিন্ন হারে পাসপোর্ট এনডোর্সমেন্ট ফি ও চার্জ এবং অতিরিক্ত
সার্ভিস ফি বা কমিশন নিচ্ছে। অতিরিক্ত ফি আদায় করায় ব্যাংক থেকে বৈদেশিক মুদ্রা কিনতে
নিরুৎসাহিত হন গ্রাহকরা। এ কারণে বৈধ চ্যানেলে বৈদেশিক মুদ্রা কিনতে উৎসাহিত করতে প্রথমবারের
মতো পাসপোর্ট এনডোর্সমেন্ট ফি নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।
উপদেষ্টা
আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, পাসপোর্ট এনডোর্সমেন্ট ফি বাবদ গ্রাহকদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ
৩০০ টাকা আদায় করতে পারবে ব্যাংকগুলো। বাংলাদেশ ব্যাংক গতকাল এই ফি নির্ধারণ করে দিয়েছে।
এর বাইরে পাসপোর্ট এনডোর্সমেন্ট ফি বাবদ বাড়তি কোনো অর্থ আদায় করা যাবে না।
মন্তব্য করুন


গত ৫ আগস্ট পদত্যাগ করেন শেখ হাসিনা।
সরকার পদত্যাগের পর সারাদেশে বিভিন্ন থানায় হামলা-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে বিক্ষুব্ধ
জনতা। থানা ও ফাঁড়িতে হামলার পর অস্ত্র-গোলাবারুদ লুট করে নেয় দুর্বৃত্তরা। গত ৪ সেপ্টেম্বর
থেকে লুট ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে যৌথবাহিনী। আর এ অভিযানে এখন পর্যন্ত
বিভিন্ন ধরণের ১১১ টি অস্ত্র উদ্ধার ও ৫১ জনকে গ্রেফতার করেছে যৌথবাহিনী।
মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায়
পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) ইনামুল হক সাগরের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে
এ তথ্য জানা যায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উদ্ধারকৃত অস্ত্রের
মধ্যে একে-৪৭ একটি, রিভলবার ৭টি, পিস্তল ৩০টি, রাইফেল ৯টি, শটগান ১৫টি, পাইপগান ৩টি,
শুটারগান ১৬টি, এলজি ১৫টি, বন্দুক ৫টি, গ্যাসগান একটি, চাইনিজ রাইফেল একটি, এয়ারগান
একটি, এসবিবিএল ৩টি, এসএমজি ৩টি ও একটি টিয়ার গ্যাস লঞ্চার রয়েছে।
উল্লেখ্য, যৌথ অভিযানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী,
পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী,
কোস্টগার্ড এবং র্যাব রয়েছে।
মন্তব্য করুন


দেশজুড়ে নতুন শিক্ষাক্রমের পাঠ্যপুস্তকে ভুল-ত্রুটি ও অসঙ্গতি নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা। শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা ক্ষোভ জানাচ্ছেন।
এসব সমালোচনা ও মতামতকে ইতিবাচকভাবে নিয়ে মূল্যায়ন করে পাঠ্যপুস্তকের ভুল-অসঙ্গতির সংশোধনী অতি দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানোর কথা জানিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।
মঙ্গলবার বিকালে পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফরহাদুল ইসলামের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগীসহ সবার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্তৃক প্রণীত ২০২৪ সালের বইয়ের বস্তুনিষ্ঠ আলোচনা ও গভীর পর্যবেক্ষণে যেসব বিষয় উঠে এসেছে, তা আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি। বছরের প্রথম দিনে পাঠ্যপুস্তক বিতরণের সময় আমরা সব শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পাঠ্যপুস্তক সম্পর্কে কোনো পরামর্শ থাকলে তা অবহিত করতে অনুরোধ করেছিলাম। আপনারা আমাদের আহ্বানে তাৎপর্যপূর্ণ ইতিবাচক মতামত দিয়েছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে একই সাথে আরো বলা হয়, আপনাদের এ তাৎপর্যপূর্ণ মতামত আন্তরিকতার সঙ্গে গ্রহণ করে বিদ্যমান পাঠ্যপুস্তক যৌক্তিকভাবে মূল্যায়ণপূর্বক সংশোধনীসমূহ অতি দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থী ও গণমাধ্যমে পাঠানো হবে। যারা আমাদের নানান তথ্য-উপাত্ত, যৌক্তিক বিশ্লেষণ এবং সঠিক উপস্থাপনার মাধ্যমে পাঠ্যপুস্তকের মানোন্নয়নে সহায়তা করছেন, তাদের প্রতি আমরা অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামের রাউজানে নূর জাহান মনি নামের এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যার ঘটনায় তার স্বামী মো. এনামকে গ্রেফতার করেছে র্যাব -৭।গতকাল সোমবার কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
রাউজান থানার পূর্বটিলা জানিপাথর গ্রামের জাবেদ আলীর ছেলে এনাম। আজ সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে র্যাব -৭। পরকীয়ায় আসক্ত হয়ে গৃহবধূ নূর জাহানকে খুন করে স্বামী এনাম।
র্যাব -৭ জানান, গত ৪ বছর আগে প্রেম করে নূর জাহান মনিকে বিয়ে করে মো. এনাম। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য স্ত্রীকে পাত্রী দেখার চাপ দিতে থাকে। এরপর থেকে নূর জাহানকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে এনাম। পরে পারিবারিকভাবে শালিস বৈঠকও হয়েছিল। ২ বছর আগে ওমানে চলে যায় এনাম। এরপর নূর জাহান মনি ভরণপোষণ না দেওয়ায় বাপের বাড়িতে চলে যায়।
গত ১৭ সেপ্টেম্বর এনাম ওমান থেকে দেশে ফিরে আসলে নূর জাহান তার কন্যা সন্তানকে নিয়ে শ্বশুর বাড়ি যায়। এরপর থেকে কয়েকদফা নির্যাতনের পর গত ১ অক্টোবর স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়ার একপর্যায়ে নূর জাহান মনিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে এনাম ঘর থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় গৃহবধূ নূর জাহান এর বাবা রাউজান থানায় স্বামী এনামকে একমাত্র আসামি করে মামলা করেন।
ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে নূর জাহানকে নির্যাতন করে শ্বাসরোধে হত্যা করার তথ্য উঠে আসে। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (৯ অক্টোবর) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম বাজার এলাকা থেকে এনামকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে মো. এনাম র্যাবকে জানিয়েছে, ওমানে থাকাবস্থায় বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছে।
এনাম ও তার স্ত্রী নূর জাহান ত্রর মধ্যে বিবাহের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পারিবারিক কলহ চলছিল, তাই ওমান থাকাকলীন এনাম দ্বিতীয় বিবাহ করার সিদ্ধান্ত হয়। ত্রছাড়া দেনমোহরের টাকার পরিমাণ বেশি হওয়ায় স্ত্রীকে তালাক দিতে না পেরে স্ত্রীর সামনেই বিভিন্ন মেয়ের সঙ্গে ভিডিওকলে অশালীন কথা বলতো। ঘটনার দিন সকালে তার পরকীয়া সম্পর্কের জের ধরে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে এনাম তার স্ত্রী নূর জাহান ত্রর ওপর শারীরিক নির্যাতন করে, তারই ব্যবহৃত ওড়না দিয়ে শ্বাসরোধ করে মৃত্যু নিশ্চিত করে বলে স্বীকার করে এনাম ।
মন্তব্য করুন


তরুণ বয়সে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছিল সিলেটের গোলাপগঞ্জের বাসিন্দা মাসুক মিয়ার। ঘটনার পর ৩৩ বছর আত্মগোপনে কাটিয়ে বৃদ্ধ বয়সে এসে গ্রেপ্তার হলেন পুলিশের হাতে।
১৯৯০ সালে পলাতক তরুণ মাসুক মিয়ার বয়স এখন ৫৬ বছর। গ্রেপ্তার হওয়া মাসুক মিয়া (৫৬) সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার লক্ষনাবন্দ ইউনিয়নের করগাঁওয়ের চরন মিয়ার ছেলে।
শুক্রবার (১১আগস্ট) ভোরে আসামির নিজ বাড়ি উপজেলার করগাঁও এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ । বোনের মৃত্যুশোকে বোরকা পরে গোপনে কুলখানিতে অংশ নিতে এসে গ্রেপ্তার হলেন পুলিশের হাতে।
পুলিশ সূত্র জানায়, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ১৯৯০ সালের এপ্রিল মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে খুন হন সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার লক্ষণাবন্দ ইউনিয়নের করগাঁওয়ের হাছন মিয়ার ছেলে আব্দুস সালাম। ঘটনার রাতে উপজেলার পুরকায়স্থ বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে ছুরিকাঘাতে তাকে খুন করা হয়।
খুনের ঘটনায় ওই বছরের ১৩ এপ্রিল থানায় মামলা করা হয়। দায়েরকৃত মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন মাসুক মিয়া। কিন্তু হত্যাকাণ্ডের পর তিনি ভারতে পালিয়ে যান। এরপর ১৯৯২ সালে সিলেটের আদালত থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হন মাসুক মিয়া। দীর্ঘ আত্মগোপনকালে সৌদি আরবেও অবস্থান করেন তিনি।
সিলেট জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. সম্রাট তালুকদার জানান, কিছুদিন আগে বোনের কুলখানিতে অংশগ্রহণের জন্য দেশে আসেন। শুক্রবার (১১ আগস্ট) ভোরে আসামি বোরকা পরে এলাকায় প্রবেশ করলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ১৯৯০ সালে খুনের ঘটনার পর মাসুক মিয়া পালিয়ে চট্রগ্রামে ৬ মাস থাকার পর আসামে চাচার কাছে চলে যান। সেখান থেকে সৌদি আরব গিয়ে বেশ কিছুদিন থেকে আবার আসামে ফিরে বিয়েও করেন। কিন্তু নিঃসন্তান থাকার কারণে স্ত্রীর সঙ্গে বিয়ে বিচ্ছেদ হয়। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে আগেও একাধিকার বোরকা পরে তিনি এলাকায় যাতায়াত করেছিলেন। সে খবর আমাদের কাছে ছিল। যে কারণে সোর্স নিয়োগ করি। কিন্তু এবার তা সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি বোনের কুলখানিতে অংশ নিতেই তিনি দেশে এসেছিলেন। শুক্রবার ভোর আড়াইটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, মামলাটি বেশ পুরোনো। তাই ওয়ারেন্ট তামিল ছাড়া কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই। তবে তিনি তরুণ বয়সে পলাতক ছিলেন। বৃদ্ধ বয়সে এসে গ্রেপ্তার হলেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে মঙ্গল শোভাযাত্রা থেকে শুরু করে পান্তা-ইলিশ শোভা পায় বাঙালির পাতে।
ঐতিহ্যবাহী এই উৎসবকে কেন্দ্র করে মাছের বাজারে রুপালি ইলিশের কদর থাকে বরাবরই তুঙ্গে।
এবারও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে যথারীতি বাজারে ইলিশের চাহিদা রয়েছে। তবে সে তুলনায় সরবরাহ কম হওয়ায় বেশি দামেই ইলিশ মাছ কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।
মাছ ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, অন্যান্য সময়ের চাইতে এখন ইলিশ ধরা পড়ছে কম। এজন্য বাজারে সরবরাহ কম, ফলে দাম বেশি। সাধারণত সরবরাহ বেশি হলেই দাম কম হয়। কিন্তু এবার পাইকারি বাজারেও ভিন্ন চিত্র।
বড় আকারের ইলিশের দেখা খুব একটা মিলছে না। বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক কেজির নিচে, ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে, সঙ্গে পাওয়া যাচ্ছে জাটকা। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা প্রতিকেজি জাটকা বিক্রি করছেন সাড়ে ৬ শ' থেকে ৭ শ' টাকায়। ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ দাম ১২০০ টাকা, ৮০০ গ্রাম ইলিশের দাম ১৩৫০ থেকে দেড় হাজার টাকার মতো। ১ হাজার টাকায় পাওয়া যাচ্ছে ৫৫০ গ্রাম ওজনের ইলিশ।
এবার ঈদের ছুটির সঙ্গে এবার পহেলা বৈশাখের ছুটি একসঙ্গে হওয়ায় অনেক মানুষ শহরে নেই ফলে অন্যান্যবারের পহেলা বৈশাখের মতো ইলিশ বেচাবিক্রির ধুম সেভাবে চোখে পড়ছে না।
বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচাবাজারগুলোতে ক্রেতা কম থাকায় বেশিরভাগ দোকানি অলস সময় পার করছেন। ঈদে শাকসবজির দাম বাড়েনি। অন্যদিকে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ১০ টাকা বেড়েছে। সোনালি বা লেয়ার মুরগির দামও বেড়েছে ২০-৩০ টাকা। এছাড়া বেশিরভাগ দোকানে গরুর মাংসের দাম ৮০০ টাকা, আর খাসির মাংসের দাম ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকা। সার্বিকভাবে বাজার স্বাভাবিকই আছে। তবে ঈদের ছুটির কারণে চাহিদা কম, ফলে সরবরাহও কম। একই প্রভাব পড়েছে ইলিশের বাজারে, যার ফলে বড় আকারের ইলিশেরও দেখা মিলছে না।
মন্তব্য করুন