

দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন ঘিরে যে কোনো আইনশৃঙ্খলাজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পুলিশ সক্ষম হবে বলে জানিয়েছেন বাহিনীর মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন।
৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে হবিগঞ্জ পুলিশ সুপার কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু কর্নার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইজিপি এ কথা বলেন।
আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। একসময় দেশে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদের হোলিখেলা চলছিল। বাংলাদেশ পুলিশের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় তা এখন সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আমি বিশ্বাস করি আমাদের যে সক্ষমতা আছে তা দিয়ে আগামী জাতীয় নির্বাচনে যে কোনো আইনশৃঙ্খলাজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম হবো। আমাদের সে আস্থাও আছে। আমাদের সব ফোর্স ওয়েল মোটিভেটেড। তারা দায়িত্ব পালনে আগামী দিনে যে কোনো চ্যালেঞ্জ যদি আসে তা মোকাবিলার সক্ষমতা রাখে। আমাদের দায়িত্ব এবং কর্তব্য যেভাবে করা দরকার সেভাবেই পালন করবো। আমাদের আইন আছে, বিধিবিধান আছে। এর ভিত্তিতে আমরা নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশনের অধীনে তাদের নির্দেশনার আলোকে দায়িত্ব পালন করবো।
অনুষ্ঠানে সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি শাহ মিজান শাফিউর রহমান, হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার এস এম মুরাদ আলিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে আইজিপিকে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। তারপর তিনি পুলিশ সুপার কার্যালয়ে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।
মন্তব্য করুন


শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করতে চায় দক্ষিণ কোরিয়া।
দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের এক বিবৃতিতেতে এ কথা জানিয়ে আরো বলা হয়েছে যে, অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশে দ্রুত শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে বলে আশাবাদী দক্ষিণ কোরিয়া। কোরিয়া-বাংলাদেশ সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যেতে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করার জন্য উন্মুখ দক্ষিণ কোরিয়া।
প্রসঙ্গত, গত ৫ আগস্ট ছাত্র আন্দোলনের মুখে সরকারের পতনের গত ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হয়।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ফোনালাপ হয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির।
শুক্রবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্ট দিয়ে নরেন্দ্র মোদি বিষয়টি জানিয়েছেন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি
জানান, অধ্যাপক মুহম্মদ ইউনূসের টেলিফোন কল পেয়েছি। বিরাজমান পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের
মধ্যে মতবিনিময় হয়েছে। একটি গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল, শান্তিপূর্ণ ও প্রগতিশীল বাংলাদেশের
প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি।
এছাড়াও নরেন্দ্র মোদি, বাংলাদেশের হিন্দু
সম্প্রদায়সহ সব সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের ওপর জোর দিয়েছেন।
ফোনে ড. ইউনূস নরেন্দ্র মোদিকে জানান,
অন্তর্বর্তী সরকার হিন্দু সম্প্রদায়সহ সব সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তার বিষয়টিকে
অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
কথোপকথনে ড. ইউনূস ও মোদি অগ্রাধিকার
ভিত্তিতে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
এর আগে ১৫ আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা দিবসের
অনুষ্ঠানে মোদি বলেন, ১৪০ কোটি ভারতীয় বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে
চিন্তিত। ভারত সর্বদা বাংলাদেশের অগ্রগতির শুভাকাঙ্ক্ষী। আমরা আশা করি, বাংলাদেশে পরিস্থিতি
শিগগিরই স্বাভাবিক হবে। আমরা চাই হিন্দু ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হোক।
মন্তব্য করুন


মাতৃভাষার জন্য জীবন
দেওয়ার ঘটনা পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শুক্রবার (২১
ফেব্রুয়ারি) মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আন্তর্জাতিক
মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার
স্বীকৃতি এনে দিতে আমাদের আত্মত্যাগ করতে হয়েছে অনেক। জাতির মুক্তি সংগ্রামের
ইতিহাসে ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব অপরিসীম। এ আন্দোলনের মধ্য দিয়েই একটি
অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, ভাষাভিত্তিক জাতিসত্তা ও রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনের ভিত
রচিত হয়।
তিনি আরো বলেন, পৃথিবীর
প্রায় সব দেশে নানান দেশের নানান ভাষার কিংবা হাতে গোনা কয়েকটি দেশের কিছু মানুষ
নাগরিকত্ব গ্রহণ করে কয়েক প্রজন্ম ধরে বসবাস করে। নতুন দেশের ভাষা তাদের দৈনন্দিন
জীবনে চব্বিশ ঘণ্টার ভাষায় পরিণত হয়ে যায়, কিন্তু তবু সে ভাষা তার মাতৃভাষায় পরিণত
হয় না। জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সব জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে মাতৃভাষার চেতনা ও মর্যাদা
রক্ষার প্রেরণা ও এ চেতনার সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিকতার সূত্রে ২০০১ সালের ১৫ মার্চ
ঢাকায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়। বিশ্বের সব
মাতৃভাষার সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও গবেষণার ইতিবৃত্তকে লক্ষ্য করে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা
ইনস্টিটিউট তার যাত্রা শুরু করে।
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, একটি নতুন ভাষা শিখলেই পুরনো ভাষায় দুর্বল হয়ে পড়বে এই ধারণার কোনো ভিত্তি
নেই। পৃথিবীর বহু দেশে একই নাগরিক সাবলীলভাবে কয়েকটি ভাষায় কথা বলবে এটা খুবই
স্বাভাবিক বলে ধরে নেওয়া হয়। তারা শৈশব থেকে নানান ভাষায় অভ্যস্ত হয়ে যায়।
স্কুলে পড়ার সময় প্রত্যেক ছাত্রকে অন্তত একটি ভিন্ন ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক করা
হয়। ছাত্ররাও আনন্দ সহকারে সেটা করে থাকে। ইংরেজি শিখলেই বাংলা ভুলে যেতে হবে এমন
কোনো চিন্তা তাদের কারও মাথায় আসে না।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন,
আমরা দ্রুত গতিতে নতুন পৃথিবী সৃষ্টি করে যাচ্ছি। এর জন্য মূলত নিত্যনতুন
প্রযুক্তি প্রধানত দায়ী। প্রযুক্তির প্রাধান্যের সঙ্গে আসে ভাষার প্রাধান্য। যে
দেশের প্রযুক্তি পৃথিবীতে প্রাধান্য অর্জন করতে থাকবে তার সঙ্গে প্রাধান্য অর্জন
করতে থাকবে প্রযুক্তিদাতা দেশের ভাষা। সারা পৃথিবী এই ভাষা শেখার জন্য ঝাঁপিয়ে
পড়বে।
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আরও বলেন, ভাষার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টির সঙ্গে সাহিত্য, প্রযুক্তি, বিজ্ঞান- সরাসরি জড়িত। আমরা যখন মাতৃভাষায় কথা বলি তখন যেন মনে রাখি মাতৃভাষা মানুষের প্রাথমিক ভাষা। সেই ভাষা প্রথম শ্রবণে যতই রূঢ় মনে হোক না কেন তা একদিন তার প্রাথমিক স্তর পার হয়ে বহু দেশের বহু মানুষের অত্যন্ত নমস্য ভাষায় পরিণত হতে পারে। যদি সে ভাষা পৃথিবীর অগ্রযাত্রায় কৌশলগত ভূমিকা দখল করে নিতে পারে।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশে কার্যকরভাবে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী
জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না
কেন, তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে। রাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করার মতো দুঃসাহস যে সমস্ত
সন্ত্রাসী দেখিয়েছে, তাদের যথাযথভাবে দমন করা হবে।
মন্ত্রী
আজ রোববার ( ৩১মে ) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের
বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভা শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী
বলেন, সলিমপুর, জঙ্গল সলিমপুর ও আলীনগরসহ পার্শ্ববর্তী সমগ্র এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি
সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণে আনা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। সেজন্য
এই অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
মন্ত্রী
বলেন, জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় পরিকল্পিত সরকারি স্থাপনা ও একাডেমি নির্মাণের লক্ষ্যে
আজ সব বিভাগীয় প্রধানদের সাথে ম্যাপ পর্যালোচনা করে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তিনি
বলেন, প্রাথমিকভাবে চট্টগ্রামের বর্তমান কারাগারটি বায়েজিদ লিঙ্ক রোডের পাশের ওই এলাকায়
স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ শিগগিরই স্থানটি সরেজমিনে
পরিদর্শন করবেন। তিনি আরো বলেন, কারা অধিদপ্তর প্রথমে কারাগারের নির্ধারিত স্থানটি
নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে পরবর্তী উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করবে, যা বর্তমান প্রেক্ষাপটে
অত্যন্ত জরুরি। অন্যান্য সরকারি দপ্তরের জন্য কোন স্থানে কী স্থাপনা করা হবে, তাও সুনির্দিষ্ট
পরিকল্পনার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।
আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনীর সক্ষমতা ও যৌথ অভিযান প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী
বলেন, জঙ্গল সলিমপুরে কেবল প্রচলিত ধারার পুলিশিং নয়, বরং র্যাব, বিজিবি, সেনাবাহিনীসহ
রাষ্ট্রের সকল বাহিনী হেলিকপ্টার সাপোর্টের মাধ্যমে সমন্বিতভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন,
রাষ্ট্রের কল্যাণে ও জননিরাপত্তা বিধানে সকল বাহিনী একযোগে কাজ করে যাচ্ছে। জঙ্গল সলিমপুরের
মতো রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, ফটিকছড়ি ও বোয়ালখালীসহ সব অঞ্চলের সন্ত্রাসীদের তালিকা
ও আস্তানা চিহ্নিত করে সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে নির্মূল করা হবে। তিনি আরো বলেন,
রাষ্ট্রীয় বাহিনীর ওপর হামলাকারী ও আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে
না এবং তাদের সর্বশেষ আস্তানাও গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।
মন্ত্রী
এ সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির টেকসই উন্নয়ন, দেশের কল্যাণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে
গণমাধ্যমকর্মীদের বস্তুনিষ্ঠ তথ্য দিয়ে প্রশাসনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
উচ্চপর্যায়ের
এই বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভায় ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ
হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রামের সিটি মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলার সংসদ সদস্যবৃন্দ,
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, আইজিপি মোঃ আলী হোসেন ফকির,
বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, আইজি প্রিজন ব্রিগেডিয়ার
জেনারেল সৈয়দ মোঃ মোতাহার হোসেন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম
রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ মনিরুজ্জামান, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত
আলী, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম বিপিএম-সহ
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
আজ মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাইয়ে চরমোনাই জামিয়া রশীদিয়া আহছানাবাদ মাদরাসা প্রাঙ্গণে যান।
এ সময় তিনি গোটা মাদরাসা কম্পাউন্ড ঘুরে দেখেন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, জামায়াতের আমিরসহ অন্য নেতারা চরমোনাইতে এসেছেন। আল্লাহ যেন আমাদের ইসলামের পক্ষে, দেশের পক্ষে, মানবতার পক্ষে ভালো কাজ করার তৌফিক দান করেন। আজ স্বাধীনতার ৫৪ বছর চলছে, কিন্তু এতদিন যারা দেশ পরিচালনা করেছিল তাদের দ্বারা আমাদের জাতির প্রত্যাশা বাস্তবায়িত হয়নি। আমরা যেন সবাই পরামর্শভিত্তিক এ দেশটাকে সুন্দরভাবে এবং ইসলামের পক্ষে মানবতার পক্ষে কাজ করতে পারি সে তৌফিক আল্লাহ আমাদের দান করুণ।
জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সবাইকে সামনে রেখে বলতে চাই আমরা শুধু আল্লাহর জন্য পরস্পরকে ভালোবাসি, আল্লাহ যেন আমাদের এই ভালোবাসাকে কবুল করেন। দেশের ১৮ কোটির কমবেশি মানুষ আছে, এর মধ্যে শতকরা ৯১ জন নিজেদের মুসলমান হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। বাকি যারা আছেন তারাও এদেশের মানুষ, ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের। আর সব মিলিয়েই আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ। পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন- স্বাধীনতার ৫৪ বছরে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে যে মর্যাদায় থাকার কথা তা আমরা পাইনি। এটার মূল কারণ দুটি একটা দুর্নীতি আর একটা দুঃশাসন। যেখানে আল্লাহ তাআলার বিধান থাকবে না সেখানে দুর্নীতি অবিসংবাদিত, আর দুঃশাসন সেখানে দুর্নীতির হাত ধরেই আসবে। নামাজে আল্লাহর বিধান মানলাম আর সমাজে মানলাম না সেখানে আল্লাহকে পরিপূর্ণভাবে মানলাম না। কিছু মানলাম আর কিছু মানলাম না তাহলে দুনিয়াতে লাঞ্ছিত হতে হবে আর আখিরাতেও কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হবে। আমরা মনে হয় সেই লাঞ্ছনার মধ্যে আছি, কিছু মানা না মানার জন্য। কিন্তু আমাদের মনের আকাঙ্ক্ষা আমরা পুরোটা মানতে চাই। মদিনার বিধানের অধীনে সব ধর্মের মানুষ পূর্ণ নিরাপত্তার পাশাপাশি সব নাগরিক সুবিধা পাবে। ৫৩ বছর পরে ৫ আগস্টে যে নতুন স্বাধীনতা পেয়েছি এর মাধ্যমে ইসলামের পক্ষে একটি ভালো ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। সেই ক্ষেত্রে যদি সময় উপযোগী পদক্ষেপ না নিতে পারি তাহলে এটা আমাদের জন্য অকল্যাণ এবং দুর্ভাগ্যের। এজন্য আমরা সবাই একত্রিত হয়ে দেশ গড়ার ক্ষেত্রে যেন কাজ করতে পারি সেজন্য সবার দোয়া চাই। নির্বাচন নিয়ে আমাদের দাবি উনাদের দাবি একই। আমাদের একটা রাজনৈতিক দাবির মধ্যেও কোন কনফ্লিক্ট নেই, কিন্তু এক্ষেত্রে আমাদের কোন পরামর্শ করিনি, অন্তর থেকে জাতির প্রয়োজনে বের হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আগামী ৯ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির সাথে সিইসির সাক্ষাত
রাষ্ট্রপতির সাথে সিইসির সাক্ষাতের সময় পিছালো।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিশনের সাক্ষাতের সময়সূচি পিছিয়ে আগামী ৯ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।ওই দিন দুপুর ১২টায় বঙ্গবভনে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের দপ্তর থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ময়মনসিংহ শহরে গ্যাসের
লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে আগুন লেগে
শিশুসহ দগ্ধ হয়েছে ছয়জন।
এ দুর্ঘটনাটি ঘটে ২৬
আগস্ট শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় নগরীর শানকিপাড়া শেষ মোড় এলাকায়।
দগ্ধরা হলো: বাসার
মালিক নুরুল ইসলাম (৭৩), সাত বছরের শিশু ও বাসায় কাজ করা শ্রমিক সোয়েব মাহমুদ (৪০),
সাদ্দাম (৩০), প্রান্ত (৩০), বিল্লাল হোসেন (৩২)।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন,
ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ।
ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ জানান, শানকিপাড়া শেষ মোড়
এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করছিলেন শ্রমিকরা। এ সময় ভবনটির একটি কক্ষে
সিলিন্ডার গ্যাস সংযোগের চুলা জ্বালানোর সময় লিকেজ
থেকে বিস্ফোরণ হয়ে আগুন লেগে
যায়। এতে চার শ্রমিকসহ বাড়িটির মালিক নুরুল ও তার নাতি দগ্ধ হন। তাদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে ভর্তি করেন
স্থানীয়রা। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন আহতরা বর্তমানে শঙ্কামুক্ত ।
মন্তব্য করুন


জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের দায়িত্ব
ছেড়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম।
নিজ ফেসবুক প্রোফাইলে আজ বুধবার (২২
জানুয়ারি) সকালে দেওয়া এক পোস্টে দায়িত্ব ছাড়ার বিষয়টি জানিয়ে তিনি লিখেছেন, জুলাই
শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে আমি নেই। এ ফাউন্ডেশনের গতি ত্বরান্বিত
করার জন্য ফাউন্ডেশনের গঠনতন্ত্র, কাঠামো ও কাজের প্রক্রিয়াতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।
এখন থেকে ‘এক্সিকিউটিভ কমিটি’ পুরো অফিসের সার্বিক বিষয় পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবে।
চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) সেখানে অফিসের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। মীর
মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ বর্তমানে সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। ‘গভর্নিং বডি’ ফাউন্ডেশনের
পলিসি মেকিংয়ে কাজ করবে। যেখানে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টাসহ চারজন উপদেষ্টা রয়েছেন (স্বাস্থ্য,
সমাজকল্যাণ, স্থানীয় সরকার, আইসিটি)। ‘সাধারণ সম্পাদক’ নামে কোনো পদ এখন নেই। এ ফাউন্ডেশন
প্রথম আর্থিক সহযোগিতা শুরু করে ১ অক্টোবর, অফিস চালু হয় ১৫ অক্টোবর থেকে। আমি সাধারণ
সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছি ২১ অক্টোবর। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় ২ মাস ১০
দিন আমি দায়িত্ব পালন করি। এরপর আমি দায়িত্ব থেকে সরে আসি। ফাইনালি আমার সাইনিং অথোরিটি
৭ জানুয়ারি হস্তান্তর হয় এবং অফিসিয়ালি আমার দায়িত্ব শেষ করি। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত
ভেরিফায়েড ৮২৬ জন শহীদ পরিবারের মধ্যে ৬২৮ জনকে আর্থিক সহযোগিতা করা হয়। পাশাপাশি প্রায়
১১ হাজার ভেরিফায়েড আহতের মধ্যে প্রায় ২ হাজার আহতকে আর্থিক সহযোগিতা করা হয়। যতদিন
পর্যন্ত আমি আমার সর্বোচ্চ সময় ফাউন্ডেশনে দিতে পেরেছি ততদিন আমি দায়িত্ব পালন করেছি।
যখন মনে হয়েছে এখন থেকে ফাউন্ডেশনে প্রয়োজনীয় সময় দেওয়া আমার জন্য সম্ভব হবে নয়, তখন
আমি দায়িত্ব থেকে সরে এসেছি। আমার কাছে নিজের সীমাবদ্ধতা অ্যাড্রেস করা এবং সে অনুযায়ী
দায়িত্ব গ্রহণ বা ত্যাগ করা কোনো দুর্বলতা নয়, বরং এটাতে সৎ সাহস লাগে। আমি চেষ্টা
করেছি আমার চেয়ারের দায়িত্বের সঙ্গে সৎ থাকতে।
মন্তব্য করুন


শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আজ (১৪
ডিসেম্বর) ভোরে রাজধানীর মিরপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের
প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
আজ সকাল ৭টায় প্রথমে রাষ্ট্রপতি মো.
সাহাবুদ্দিন এবং পরে প্রধান উপদেষ্টা সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শ্রদ্ধা
নিবেদন শেষে তারা সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল
রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধানকে রাষ্ট্রীয় সালাম জানায়।
এ সময় বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।
দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর
বাঙালি জাতির চূড়ান্ত বিজয়ের মাত্র দুই দিন আগে ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর দখলদার পাকিস্তানি
বাহিনী ও তাদের এই দেশীয় দোসররা জাতিকে মেধা শূন্য করতে এই দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের
হত্যা করে।
মন্তব্য করুন


মেট্রোরেল নির্বাচনের দিনেও যথা নিয়মে চলবে বলে জানিয়েছেন মেট্রোরেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল)।
শনিবার(৬ জানুয়ারি) সকালে ডিএমটিসিএল জেনারেল ম্যানেজার (অপারেশন) মোহাম্মদ ইফতিখার হোসেন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মোহাম্মদ ইফতিখার হোসেন বলেন, আমরা এই বিষয়ে কোনো ঘোষণা দিইনি। যেহেতু দিইনি, সেহেতু মেট্রোরেল চলবে। যদি না চলতো, তহালে আমরা নোটিশ দিতাম, ঘোষণা দিতাম। শুক্রবার মেট্রোরেলের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন ছাড়া প্রতিদিন নিময় অনুযায়ী মেট্রোরেল সাভাবিক ভাবে চলাচল করবে।
মন্তব্য করুন