

জেলার নকলায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য তৈরি ও সংরক্ষণের অপরাধে চার হোটেল ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এ ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয় ২৮ আগস্ট সোমবার দুপুরে পৌর শহরে।
এ সময় নকলা-চন্দ্রকোনা মোড় এলাকার সায়েদুল ইসলাম ও রাসেল মিয়ার খাবারের হোটেলে এবং থানার সামনে ধানহাটি রাস্তার নবী হোসেন ও জুলহাস উদ্দিনের হোটেলে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা আদায় করা হয়।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯-এর ৫৩ ধারা মোতাবেক এই জরিমানা করেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী বিচারক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া উম্মুল বানিন। অভিযানে সায়েদুল ইসলাম, রাসেল মিয়া, নবী হোসেন ও জুলহাস উদ্দিন প্রত্যেককে ৩ হাজার টাকা করে মোট ১২ হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের হুমকি, প্রাণহানিকর বা প্রাণের হুমকি আছে এমন কোনো পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরি ও সংরক্ষণ করলে এবং এর যথাযথ প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী বিচারক সাদিয়া উম্মুল বানিন।
তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


গত ২৬/০৮/২০২৩ ইং তারিখে আমন্ত্রিত সম্মানিত অতিথিবৃন্দ এবং নগদহাটের গ্রাহক ও শুভানুধ্যায়ীদের উপস্থিতিতে আড়ম্বরপূর্ণ এবং উৎসবমুখর পরিবেশে বন্দর নগরী চট্টগ্রামের ডবল মুরিং এলাকার শেখ মুজিব রোডস্থ জোহরা টাওয়ারের ৬ষ্ঠ তলায় নগদহাট বাংলাদেশ লিমিটেডের চট্টগ্রাম অফিসের শুভ উদ্ভোধন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। আমন্ত্রিত বিশিষ্ট অতিথিদের পাশাপাশি নগদহাটের গ্রাহক ও শুভানুধ্যায়ীরা ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সাথে এই তথ্যবহুল ও আনন্দঘন শুভ উদ্ভোধন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। নগদহাট বাংলাদেশ লিমিটেডের সম্মানিত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোঃ ইসরাফিল মোল্লার সভাপতিত্বে আয়োজিত উক্ত শুভ উদ্ভোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের এল জি আর ডি মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত এডিশনাল সেক্রেটারি জনাব এ এফ এম আলাউদ্দিন খান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ২৪ নং ওয়ার্ডের সম্মানিত কাউন্সিলর জনাব নাজমুল হক ডিউক।
নগদহাট বাংলাদেশ লিমিটেডের সম্মানিত উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব কারিমুল মাওলা শামীমের সঞ্চালনায় পরিচালিত উক্ত শুভ উদ্ভোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন নগদহাট বাংলাদেশ লিমিটেডের এডমিন ডিরেক্টর জনাব মাহতাব ফারাহি, ডিরেক্টর জনাব অহিদুল ইসলাম শিপন এবং কোম্পানির সেলস ম্যানেজার মোঃ হামিদুল হক। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নগদহাট বাংলাদেশ লিমিটেডের চট্টগ্রাম অফিসের কর্মকর্তা মাজেদুল হক, জামশেদুর রহমান মামুন, নাসিরুল করিম ইফাজ ও আবু সাদাত মোঃ সায়েম। শুভ উদ্ভোধন অনুষ্ঠানে মিলাদ ও দোয়া পরিচালনা করেছেন হাফেজ মাওলানা জনাব মোঃ এনায়েত হোসেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ২৪ নং ওয়ার্ডের সম্মানিত কাউন্সিলর জনাব নাজমুল হক, উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও বেকারত্ব দূরীকরণে নগদহাট বাংলাদেশ লিমিটেডের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন নগদহাটের মাধ্যমে তার ওয়ার্ডসহ চট্টগ্রাম মহানগরীর বেকারদের বেকারত্ব দূর হবে। তার ওয়ার্ডে অফিস স্থাপন করার জন্য তিনি নগদহাট সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
সভাপতির বক্তব্যে নগদহাট বাংলাদেশ লিমিটেডের সম্মানিত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোঃ ইসরাফিল মোল্লা নগদহাট বাংলাদেশ লিমিটেডের চট্টগ্রাম অফিসের শুভ উদ্ভোধন অনুষ্ঠানটিকে অংশগ্রহণমূলক এবং সর্বাত্মকভাবে সফল করে তোলার জন্য আগত অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন নগদহাট উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে বেকারত্ব দূরীকরণে সক্রিয় ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। তিনি বলেন নগদহাট তার সেবা দেশের প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছে দিতে ক্লান্তিহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছে, এরই অংশ হিসেবে আমরা দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী ও দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর বন্দর নগরী চট্টগ্রামসহ দেশের মোট ২২টি জেলায় অফিস স্থাপন করেছি। জনাব মোঃ ইসরাফিল মোল্লা বলেন ২০২৪ সালের মধ্যে দেশের ৬৪ টি জেলার সবগুলোতেই নগদহাটের অফিস স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।তিনি বলেন নতুন নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং তাদের প্রশিক্ষিত করার মাধ্যমে দেশের ক্রমবর্ধবান বেকারত্ব ও দারিদ্র দূরীকরণে নগদহাট বাংলাদেশ লিমিটেডের চট্টগ্রাম অফিস সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। নতুন উদ্যোক্তাদের নিকট সরাসরি মূল উৎপাদনকারী থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য পৌঁছে দিয়ে নগদহাট তাদেরকে দ্রুত সাফল্য পেতে সাহায্য করছে বলেও তিনি জানান। জনাব ইসরাফিল মোল্লা দঢ়তার সাথে বলেন, উদ্যোক্তাদেরকে নগদহাট আগামীতেও সব রকমের পৃষ্ঠপোষকতা ও সহযোগিতা দিয়ে যাবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের এল জি আর ডি মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত এডিশনাল সেক্রেটারি জনাব এ এফ এম আলাউদ্দিন খান দেশজুড়ে উদ্যোক্তা সংস্কৃতি তৈরির ব্যাপারে গুরত্বারোপ করেন। তিনি বলেন ব্যাপক পরিসরে উদ্যোক্তা সৃষ্টি ছাড়া দেশের ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব সমস্যার টেকসই সমাধান সম্ভব নয়। তিনি প্রোগ্রামে আগত সবাইকে সফল উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠতে অনুপ্রাণিত করেন। জনাব এ এফ এম আলাউদ্দিন খান বলেন সৃজনশীলতা, উদ্যম, প্রজ্ঞা , দূরদর্শীতা ও আত্মবিশ্বাসের সম্মিলনেই একজন সফল উদ্যোক্তা গড়ে উঠে। দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নে উদ্যোক্তারাই নিয়ামকের ভূমিকা পালন করবে বলে তিন আশা প্রকাশ করেন।
মন্তব্য করুন


এই দুর্ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার
(১০ আগস্ট) সকালে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বোয়ালমারি গ্রামের মাঠে।
একই গ্রামের আতিকুর
রহমানের ছেলে নিহত সাদিকুর রহমান। পেশায় কাঠমিস্ত্রি ছিল সে।
স্থানীয়রা বলেন, সকালে
খুলনা থেকে রাজশাহীগামী আন্তঃনগর কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেন বোয়ালমারি এলাকা
অতিক্রম করার সময় ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে কাটা পড়ে সাদিকুর রহমান। খবর পেয়ে পুলিশ
ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহত সাদিকুর রহমানের মরদেহ উদ্ধার করে।
চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ে
পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উপ-পরিদর্শক মাসুদ রানা বলেন, নিহত ওই
কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনি
বিষয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এ ঘটনায়।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


গতকাল টানা দ্বিতীয়বার সাফ চ্যাম্পিয়ন
হয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল।
আজ বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) বাংলাদেশ
সময় দুপুর আড়াইটার দিকে ট্রফি নিয়ে দেশে পা রাখেন সাবিনা-ঋতুপর্ণারা। এরপর সংবাদ সম্মেলন
শেষে ছাদখোলা বাসে শুরু হয় বিজয় প্যারেড। এই বাসে করে বাফুফে ভবনে যাবেন মেয়েরা।
আগেরবারের মতো এবারও তাদের ছাদখোলা
বাসে সংবর্ধনা দিচ্ছে বাফুফে। চ্যাম্পিয়নদের ছবি দিয়ে সাজানো হয়েছে বাস।
এবার নারী ফুটবলারদের জন্য বাসের ব্যবস্থা
করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন।
এর আগে গতকাল দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে
আসরের ফাইনালে স্বাগতিক নেপালকে ২-১ গোলে হারিয়ে মেয়েদের সাফের শিরোপা ধরে রাখে বাংলাদেশ।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি (বিপিএম৬) অনুযায়ী বর্তমানে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়াল দুই হাজার ১৯ কোটি ৬১ লাখ ৯০ হাজার ডলার বা ২০ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলারে।
দুই সপ্তাহ ব্যবধানে বৈদেশিক মুদ্রার এ রিজার্ভ আবারো ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল।
বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের সাপ্তাহিক নির্বাচিত অর্থনৈতিক সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে। অন্যদিকে, গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়াল দুই হাজার ৫৩২ কোটি ৭১ লাখ ৪০ হাজার ডলারে।
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রধানত আমদানি ব্যয় মেটানো তথা বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনে ব্যবহার হয়। এ রিজার্ভ আর্থিক খাতের সক্ষমতার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। বৈদেশিক ঋণ, প্রবাসী আয়, বৈদেশিক ঋণ বা সহায়তা রিজার্ভের উৎস। আবার আমদানি ব্যয় মেটানো, বৈদেশিক ঋণ-সুদ পরিশোধ, বিদেশে চিকিৎসা, শিক্ষাসহ হাজারো খাত রয়েছে ব্যয়ের ক্ষেত্রে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, জানুয়ারির শেষে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২১ বিলিয়ন ডলারের বেশি। ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে তা নেমে আসে ১৯ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন ডলারে (বিপিএম৬)। আগের সপ্তাহেও রিজার্ভের পরিমাণ ছিল এক হাজার ৯৯৩ কোটি ৫১ লাখ ২০ হাজার ডলার। মাসের তৃতীয় সপ্তাহে এসে ১৬ কোটি ১০ লাখ ৫০ হাজার যোগ হয়ে আবারো তা ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল।
করোনা মহামারির মধ্যে আমদানি কমে গিয়েছিল। তবে প্রবাসীরা দেশে ফেরার সময় সঞ্চিত অর্থ নিয়ে আসেন। অনেকে বিদেশে থেকেও বাড়িতে স্বজনদের কাছে অর্থ পাঠিয়ে দেন। এতে বাড়ে রিজার্ভ। ২০২১ সালের আগস্টে রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন অতিক্রম করে। করোনার পর যখন দেশে দেশে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার শুরু হয়, তখন উল্টো অবস্থা তৈরি হয়। আমদানি ব্যয় বাড়তে থাকে। মূল্যস্ফীতি বাড়ে। রাশিয়া-ইউক্রেইন যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তোলে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রিজার্ভ বিক্রি করে আমদানি ব্যয় সামাল দিতে হয়।
বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত ব্যাংকের একাধিক সূত্র বলছে, ওই সময়ে রিজার্ভ বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ ছিল হুন্ডি বন্ধ হয়ে যাওয়া। তখন অধিকাংশ দেশ করোনা মহামারির বিস্তার রোধে অন্য দেশের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এতে যেমন ডলার বাড়তে থাকে। আবার আমদানি কমে যাওয়ার কারণে খরচের খাতও ছোট হয়ে আসে।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সঙ্গে পরামর্শের ভিত্তিতে গঠিত হবে গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন। আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করা হচ্ছে।
আজ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘সংবাদমাধ্যমের সংস্কার : কেন? কীভাবে?’ শীর্ষক এক মুক্ত আলোচনায় তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
সাংবাদিকদের ওয়েজবোর্ডসহ বেতনের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, সাংবাদিকদের সঙ্গে দাসসুলভ আচরণের সুযোগ নেই। সাংবাদিকদের পেশাদারিত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাংবাদিকরা কেন পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করতে পারেন না, সেসব বিষয় পর্যালোচনা করা হচ্ছে। দেশে গণমাধ্যম সক্ষমতা গড়ে ওঠেনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যমে পেশাদারিত্বের সংস্কৃতি অনুপস্থিত। অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে ঐক্যমতের ভিত্তিতে এ বিষয়ে কাজ করা হবে। এ ক্ষেত্রে সাংবাদিক সংগঠনসমূহের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
সম্প্রতি ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে উপদেষ্টা বলেন, এই অভ্যুত্থান গণমাধ্যমের জন্য বড়ো কেস স্টাডি। এই অভ্যুত্থানে গণমাধ্যমের কী ভূমিকা ছিল তা নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আন্দোলনের সময় মাঠ পর্যায়ে অনেক সাংবাদিক সংবাদ সংগ্রহ করলেও মিডিয়া হাউজ পলিসির কারণে সেসব সংবাদ প্রকাশ করেনি।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় ইলেকট্রনিক মিডিয়া আন্দোলনের পক্ষে কোনো তথ্যই প্রচার করেনি উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, ওই সময় ইলেকট্রনিক মিডিয়া কী প্রচার করেছে, তা দেশের মানুষ জানে। এই অভ্যুত্থানে সাংবাদিকদের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিরোধও দেখা যায়নি।
মুক্ত গণমাধ্যমের জন্য সাংবাদিকদের পেশাদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি অভিহিত করে তিনি বলেন, সামনের দিনগুলোতে সাংবাদিকদের পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করার পাশাপাশি তরুণদের এই পেশায় আগ্রহী করে তুলতে হবে।
এসময় তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের সংস্কারের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।
মুক্ত আলোচনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ড. সাইফুল আলম চৌধুরী প্রমুখ।
মিডিয়া সাপোর্ট নেটওয়ার্কের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন সাংবাদিক জিমি আমির। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, এখন প্রধান
চ্যালেঞ্জ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করা।
সোমবার
(১৯ আগস্ট) সচিবালয় নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
এ কথা জানান।
এর
আগে তিনি জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গোয়েন লুইসের সঙ্গে বৈঠক করেন।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে
আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো আইনশৃঙ্খলা, যত দ্রুত সম্ভব আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি
করা যায়। আমি কৃষি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব রয়েছি, সেখানে আমার লক্ষ্য কীভাবে উৎপাদন
বাড়িয়ে লোকজনকে খাওয়াতে পারি বেশি।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা আরও বলেন, জাতিসংঘ থেকে যে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন আসার কথা, সেটা তারা পাঠাবে।
সেক্ষেত্রে তারা আমাদেরকে কোন ধরনের সহযোগিতা করবে, আমরা কোন ধরনের সহযোগিতা চাই-
এসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মেশিন আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশে
আসতে পারে।
মন্তব্য করুন


দেশের
সার্বিক অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের
সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।
প্রধান
উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বৈঠকে
আর্থিক খাত স্থিতিশীল ও সংস্কার এবং মূল্যস্ফীতি মোকাবিলার জন্য অন্তর্বর্তী সরকার
চারটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সিদ্ধান্তগুলো
হলো-
১।
চাহিদা ও জোগানের যথাযথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশের বিদ্যমান মূল্যস্ফীতি কমিয়ে আনতে
হবে। এজন্য মুদ্রানীতিকে সংকোচমূলক অবস্থায় ধরে রাখতে হবে এবং একই সঙ্গে সরবরাহ পরিস্থিতির
উন্নয়ন ঘটাতে হবে। এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু হয়েছে। তবে মূল্যস্ফীতির চাপ
থেকে স্বস্তি পেতে সবাইকে আরও কিছুদিন ধৈর্য ধরতে হবে।
২।
বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে তারল্য বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আন্তঃব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা
লেনদেনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ব্যান্ড ১ শতাংশ থেকে ২ দশমিক ৫ শতাংশ করা হয়েছে।
৩।
ব্যাংকিং খাতের বর্তমান অবস্থা নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে সংস্কারের
বিষয়টি চলে এসেছে। ব্যাংকিং খাতে টেকসই সংস্কারের জন্য একটি ব্যাংকিং কমিশন গঠন করে
দ্রুত কার্যক্রম নেওয়া হবে।
৪।
আর্থিক খাতের সার্বিক পরিস্থিতি এবং সংস্কারের বিষয়ে একটি রূপকল্প তৈরি করা হবে, যা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হওয়ার ১০০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হবে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ দণ্ডিত
সব আসামি খালাস পেয়েছেন।
রায়ে এ মামলায় সম্পূরক অভিযোগপত্রের
ভিত্তিতে বিচারিক আদালতের রায় অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে এ রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি
সৈয়দ এনায়েত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশ বেঞ্চ আজ এ রায় দেন।
এর আগে হাইকোর্টের একই বেঞ্চ ২১ নভেম্বর
আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি গ্রহণ শেষ করেন। সেদিন আদালত মামলা দুটি
রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখেন। আজ রায় ঘোষণা করা হল।
২০১৮ সালে বিচারিক আদালতের রায়সহ মামলা
দুটির নথিপত্র হাইকোর্টে এসে পৌঁছায়। এটি ডেথ রেফারেন্স মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়।
কোনো ফৌজদারি মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ে কোনো আসামির মৃত্যুদণ্ড হলে তা কার্যকরে
হাইকোর্টের অনুমোদন লাগে।
পাশাপাশি দণ্ডাদেশের রায়ের বিরুদ্ধে
আসামিদের জেল আপিল, নিয়মিত আপিল ও বিবিধ আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। সে অনুযায়ী আসামি
পক্ষ আপিল করে।
গত ৩১ অক্টোবর বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট
গ্রেনেড হামলা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শুরু হয়। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর
বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা হয়। এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায়
২০১৮ সালে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক শাহেদ নূরউদ্দিন রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে ২০০১-২০০৬ আমলের বিএনপি সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, উপমন্ত্রী
আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুর রহিম ও আসামি শেখ আবদুস সালাম ২০২১ সালে চিকিৎসাধীন
অবস্থায় মারা যান।
মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান
তারেক রহমান, বিএনপির নেতা হারিছ চৌধুরী, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইনসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন
সাজা দেয়া হয়। এছাড়া বিভিন্ন মেয়াদে ১১ জনকে দণ্ড দেয় বিচারিক আদালত। এরপর ওই বছরই
হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স আসে। পাশাপাশি দণ্ডিত কারাবন্দিরা আপিল দায়ের করেন।
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার
ঘটনায় মতিঝিল থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দুটি মামলা হয়। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক
সরকার এ-সংক্রান্ত মামলা দুটির (হত্যা ও বিস্ফোরক) নতুন করে তদন্ত শুরু করে। ২০০৮ সালে
২২ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। আওয়ামী লীগ সরকার আমলে মামলার অধিকতর তদন্ত
হয়। এরপর তারেক রহমানসহ ৩০ জনকে আসামি করে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেয়া হয়। ২০১৮ সালের
১০ অক্টোবর ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এই মামলার (হত্যা ও বিস্ফোরক মামলা) রায়
দেন। রায়ের পর একই বছর বিচারিক আদালতের রায়সহ মামলা দুটির নথিপত্র হাইকোর্টে এসে পৌঁছে।
পেপার বুক প্রস্তুত করাসহ যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষে মামলায় আপিল ও ডেথ রেফারেন্স শুনানি
সম্পন্ন হলো। এখন হাইকোর্ট রায়ের অপেক্ষায়। এ মামলায় বিএনপি'র শীর্ষ নেতৃত্বকে সম্পৃক্ত
করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে বারবার দাবি করে আসছিল দলটি।
মন্তব্য করুন